আমার প্রিয় পোস্ট

চিন্তকের স্বাধীনতা, শহীদ জননীর বাণী ও আমাদের চারপাশের টিকটিকিরা

১৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১৮

শেয়ারঃ
0 4 0

একজন লেখক লিখবেন । তার মত প্রকাশিত হবে সৃজনের পক্ষে। এটাই আসল কথা । বিশ্বের অনেক দেশের সৃজনশীল লেখকরাই লিখেন।
ধরি , নিউইয়র্ক টাইমস এর কথা । এই কাগজ ইহুদীবাদকে সমর্থন করে।
সেটা অনেকেই জানেন । তারপরও এই কাগজে লিখেছেন সাক্ষাতকার দিয়েছেন, এডওয়ার্ড সাঈদ, নোয়াম চমস্কি , আমিরী বারাকা সহ অনেক
নামী লেখক।
মত না জানালে তা প্রকাশিত হবে কী করে ? এই বিষয় টা প্রধান তো বটেই।
একবার বরেণ্য আব্দুল গাফফার চৌধুরী কে প্রশ্ন করেছিলাম , আপনি কী
ইনকিলাবে লিখবেন ?
তিনি সহাস্যে বলেছিলেন , আমার লেখার স্বাধীনতা দিলে আমি কেন লিখবো না ? আমার লেখা হুবহু ছাপতে হবে।

দুই

যারা চিন্তক , তারা সমাজকে নিয়ে ভাবেন কল্যাণের পথে। মৌলিক লেখকরা সবসময় সে কাজ টাই করে যান। একই কথা বলা যায় সমাজ সংস্কারকদের বেলায় ও । তারা সমাজের কল্যান চিন্তা করে এগিয়ে যান
আগামীর দিকে।
বাংলাদেশের সমাজ নির্মাণে , একাত্তরের ঘাতকদের বিচারের দাবীতে
এই প্রজন্মকে শাণিত করেছিলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।
আমার একটা সুযোগ হয়েছিল তার সাথে কাজ করার। আমি ছিলাম
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটির যুক্তরাষ্ট্র
শাখার যুগ্ম সচিব ।
সেই সুবাদে শহীদ জননীর খুব সান্নিধ্য পাবার সুযোগ আমার হয়েছিল। সেই সময় ও দেখতাম , একটা মহল তাঁকে ঘিরে ধরে
বার বার বলতো - আম্মা এটা করেন, আম্মা ওটা করেন।
শহীদ জননী সিদ্ধান্ত নিতেন খুব সাবধানে। কৌশলে।
তাঁর নীতি থেকে কেউ তাঁকে টলাতে পারেনি। তিনি ঐসব অতি
আগ্রহী নাবালকদের কথায় কোনোদিনই কান দেননি ।
একজন বুদ্ধিমত্তা নারীর প্রায় একক সিদ্ধান্তেই সেদিন সম্ভব হয়েছিল , ঘাতক গো আজমের প্রতিকী বিচার।
কোনো অতিউৎসাহী দ্বারা প্রভাবিত হননি তিনি।
যে ২৪ জনের বিরুদ্ধে তথাকথিত রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা হয়েছিল, এরা কারা ? কোথায় এখন , কী করছেন ? তা বর্তমান প্রজন্মকে জানার বিনীত অনুরোধ করি ।

তিন
আজকাল একটা প্রবনতা খুব জভীরভাবে লক্ষ্য করি । কোন লেখক
কোন কাগজে , কোথায় কী লিখেছেন- তা নিয়ে একটি টিকটিকি
মহল বেশ লাফালাফি শুরু করেছে।
এরা কবীর চৌধুরী , রফিক আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ , সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী , ড আনিসুজ্জামান , আকবর আলী খান , প্রমুখ
দেশ বরেণ্য লেখকদেরকে নিয়ে না না কটুক্তি শুরু করেছে।
লক্ষ্যনীয় বিষয় , যারা এসব করছে -এরা কেউই কিন্তু বিশেষ কোনো পরিচিত ব্যক্তি নয়। নিজেদের লেখালেখির একটা খেলার
মাঠ তৈরি করে সেখানে (প্রতিপক্ষ আসে নাই তাই ) ফ্রি গোল দেবার চেষ্টা করছে।
আরো লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে , যেসব লেখকদের সামনে দাঁড়িয়ে
দুকথা বলার সাহস ও এদের যোগাবে না , এমন কিছু নাবালকরাই
এসব বরেণ্য লেখকদেরকে তুচ্ছতাচ্ছল্য করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে।
এর কারণ ও মূলতঃ ঐ নিজেদের কামেলত্ব জাহির করা ।
তাদের কে প্রশ্ন করি - বাংলাদেশের জন্য , বাংলাভাষার জন্য, বাংলা সংস্কৃতির জন্য একজন কবীর চৌধুরী , একজন নির্মলেন্দু গুণ,একজন রফিক আজাদ যা করেছেন , তার দুই পয়সা সমান ওরা কী কিছু করতে পেরেছে ?
না পারে নি । তা হলে এতো লাফালাফি কেনো ?

চার
মেধার প্রতি একটা হিংসা অনেকেরই থাকে। এর অর্থ এই নয় , কোনো সৃজনশীল লেখককে অযথা আক্রমণ করতে হবে। জানা দরকার, ঐসব লেখক এসব নাবালকদের চেয়ে অনেক বেশী ধীশক্তি সম্পন্ন।
তাই তাদের কাছ থেকে শেখারই আছে। তাদেরকে শেখানোর কিছু
নেই।
শহীদ জননীর কথা দিয়ে শেষ করি । তিনি বলতেন , চেনা শত্রুর চেয়ে , নিজেদের মাঝে ঘাপটি মেরে থাকা শত্রুরাই বেশী বিষাক্ত। যারা প্রকারান্তরে সৃজনশীল প্রগতিরই ক্ষতি করে।
আমাদের চারপাশে এখন টিকটিকিরা আবারও সক্রিয়।
টিকটিকির লেজ বাড়ে , আবার খসেও যায় । আর এতেই মনে
করে তারা নবজন্ম পেয়েছে । অথচ প্রকৃত মানবজীবন তো এমন নয় ।
মেধাহীন , তস্করশ্রেণীর এসব অতিপ্রগতিবাদীরা এখন দেশের
বরেণ্য বুদ্ধিজীবিদেরকেই পরখ করার অপচেষ্টা করছে।
তাই এদের বিষয়ে শুধু সতর্কই নয় , এদেরকে চিহ্নিত করণও
খুব জরুরী ।

ছবি- কে ক্লগি



 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১৮

 

১. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:২৯
আবু মকসুদ বলেছেন:
ইলিয়াস ভাই আপনি যাদের কথা লিখছেন সেই তস্করেরা ইতিমধ্যে মাইনাস দিতে শুরু করে দিয়েছে।

অর্থাৎ খাইসলত যায় না মইলে।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:১২

লেখক বলেছেন: তা তে কী ।

ভালো থাকবেন ।

২. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:২২
কাজল রশীদ বলেছেন:
চেনা শত্রুর চেয়ে , নিজেদের মাঝে ঘাপটি মেরে থাকা শত্রুরাই বেশী বিষাক্ত। যারা প্রকারান্তরে সৃজনশীল প্রগতিরই ক্ষতি করে।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:১৩

লেখক বলেছেন: সত্যি কথা ।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:১৩

লেখক বলেছেন: হ

৪. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:২৯
মু আ হাকিম নিউটন বলেছেন: ইমাম হানিফাকে বেশ কিছুটা মুক্তচিন্তার অধিকারী ধরা হয়ে থাকে। অন্যেরা যেখানে একনিষ্ঠ অনুসারী হওয়ার চেষ্টা করেছেন, ইমাম হানিফা সেখানে সুযোগ পেলেই বিবেকের স্বাধীনতাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। তাই তিনি কিছুটা স্বেচ্ছাচারিতার চর্চা করেছেন বলে অন্য মত ও পথের লোকজন সমালোচনা করে থাকে। এরই প্রেক্ষিতে এক লোক একবার হানিফাকে দেখা মাত্র অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করল। হানিফা তখন বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি সারা পথ অম্লান বদনে গালি শুনে গেলেন, একটা কিছুও বললেন না। শুধু বাড়িতে প্রবেশের মূহুর্তে জিজ্ঞেস করলেন, ওহে তোমার গালি দেয়া কি শেষ হয়েছে, নাকি আমি কিছু ক্ষন দাঁড়াব? আমি ভিতরে প্রবেশ করলে তো তুমি আর আমাকে গালি দিতে পারবে না। আমাদের সবার এইরূপ সহনশীলতা প্রদর্শন করা উচিৎ।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: শ্রদ্ধাবোধ টা খুবই জরুরী ।

৫. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৩
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: Click This Link

আপনি কি এইটার প্রতিক্রিয়া করলেন?

সময়মত না মরলে বাঙালীর পদস্খলন অনিবার্য :(
১৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: দেখুন , হিপোক্র্যাটদের আমি ভালোই চিনি।

যারা হুমায়ুন আহমেদ এর চরিত্র নাম কপি করে নিজে নিক নেয় ,
তারাই আবার হুমায়ুন আহমেদ এর লেখালেখি , নিয়ে প্রশ্ন তোলে
তারা ভন্ড তো বটেই ।

মাস্তানী করে কোনো লেখকের সৃজনশীল স্বাধীনতা আটকানো যায় না , উচিৎ ও নয় ।

আমাদের ব্লগ পাড়ায় এখন অতি উৎসাহী ভন্ডদের উপদ্রব ।
এরা যে কোনো সৃজনশীল লেখককেই উৎপাত করতে প্রস্তুত না না
কারণে।

এরা কি কখনও আসাদ চৌধুরী , সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী , রফিক আজাদ , কবীর চৌধুরী প্রমুখের কাছে জানতে চেয়েছে - ওসব
মিডিয়ায় তারা কেন লিখেন ?

ওরা কী এমন কিছু করতে পেরেছে সৃজনের পক্ষে ।

লাল সবুজের প্রতি একজন রফিক আজাদ কিংবা একজন ফকির ইলিয়াস এর প্রেম খুবই সুদৃঢ় । যারা ইতর শ্রেণীর প্রাণীর মতো
আক্রমণাত্মক হয়ে একজন লেখককে তাদের মতো করে বানাতে চায় , ওরা নরাধম ছাড়া কিছু নয় ।

৬. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩৪
(অ)গাণিতিক বলেছেন: এই দেখেন আপনি নিজেই পুরো ব্যাপারটার মধ্যে শুভঙ্করের ফাকিটা ধরতে পারছেন না। কারণ এখানে আপনার শ্রদ্ধেয় 'অমুক-তমুক-প্রমুখ' আছেন।

এবার একটা কিশোর-কিশোরীর কথা ভাবুন। যে দুনিয়ার এত কিছু জানে না। শুধু 'দেশ বরেণ্য' কিছু মানুষকে এক যায়গায় জড় হতে দ্যাখে। তাকে সে দলে ভেড়া ঠেকাবেন কী করে?
এক আল মাহমুদের কারণেই ভার্সিটি লাইফে কত কথা শুনতে হয়েছে। এখন অন্যরাও...

না, দুটো কবিতা লিখে তাদের ফেরাতে পারবেন না।

ধন্যবাদ।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: তার পরও সত্যের অন্বেষণ চাই

৭. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৪
ভাবনাবিহীন বলেছেন: সব রাজাকার আর ভাজাকার দেশশত্রু সোনাবন্ধু টিকটিকিদেরকে আসুন তেলে ভাইজা খায়া ফেলি
১৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: হ

৮. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০
জাতি জানতে চায় বলেছেন: সৃজনশীলতাকে ভাল মন্দ যে কোন কাজেই লাগানো সম্ভব! এখনকার দুনিয়ায় এই সৃজনশীলদের সুযোগের অভাব নাই! খারাপ লাগে যখন কথিত সৃজনশীলদের কথার সাথে কাজের বড়-সড় অমিল দেখি!!
১৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: সেরকমই

৯. ১৭ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:০৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনারে লীগের গোঁড়া সমর্থক বইলাই জানতাম, এখন বুঝলাম ঠিক কোন ধরণের সমর্থকরা বঙ্গবন্ধুরে ডুবাইসিলো। নানান কথার ত্যানা প্যাঁচায়া এমন একটা জিনিসরে হালাল করতে চাইলেন যেইটা নিজামী মুজাহিদরা ম্যালাদিন ধইরাই চেষ্টা করতাসে। এখন দালাল টাইপ বুদ্ধিজীবি আইনা পত্রিকা আর টিভিরে নিরপেক্ষতার খোলস দিতাসে, আর আপনেরা কেডা কবে বাংলা ভাষারে ২ পয়সা দিসেন সেইটার ধুঁয়া তুইলা ৩০ লাখ মানুষের রক্তের সাথে বেঈমানি করা হালাল করতাসেন। খালি সেইটাই না, যারা এইটার প্রতিবাদ করতাসে তাদের নানা রকম পদবী দিয়া আর নিজেদের হাইপার বুদ্ধিজীবি দাবী কইরা পানি আরো ঘোলা করতাসেন। আপনের কি ধারণা, দেশে গন্ঞ্জিকা এতই সস্তা হয়া গেসে যে লোকে আপনের এইসব মস্তিষ্কবিকৃত যুক্তি বিশ্বাস করবো?
১৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:৫০

লেখক বলেছেন: আমারে আ লীগ সমর্থক জানতেন !
কই আমি তো জানি না ।

দেখুন , আমি কোনো রাজৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করি না।
আমি লিখি বিবেক থেকে।
আমার বিবেকের কাছে , আমার জাতিসত্তার প্রতি আমি দায়বদ্ধ ।

হুক্কা আপনারা টানেন ।

১০. ১৭ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১৬
শ্রীমরম বলেছেন: প্রিয় ফকির ইলিয়াস ,
আপনি একটা অকাল কুষ্মান্ড দের চাকে ঢিল দিয়েছেন দেখে
ভাল লাগল ।
সচল নামের ঐ হেরেমখানার জন্ম টা বড় আজব। ওখানে কতকগুলো
শূয়র খোয়াড় বেধে মাস্তানী করে।
এইসব হয়েনারা একসময় এই সামুতেই ছিল । অর্ধচন্দ্র খেয়ে পলায়ন করিয়াছে।
বিশেষ করে হিপোকীট মুষিক , একটা আছে -
সে হলো সেখানের বাজারি ষন্ডা । সে কাউকেই সে পেশী দেখায় , কারণে
অকারণে।
সেখানে সে-ই হলো , তালুকদার।

তার কারণেই অনেক মেধাবী লেখক সচল ছেড়ে দিয়েছেন , মান ইজ্জতের
ভয়ে।
লেখক মনজুরুল হক সেখানে লিখতে চেয়েও সৃজনশীলভাবে লিখতে
পারেননি।
প্রখর মেধাবী আরেক লেখক ফারুক ওয়াসিফ এই সচল থেকে বিদায়
নিয়েছেন বড় দুর্ভাগ্যজনকভাবে।

এই হি পোকীট মু ষিক - টী একটি শিঙালো ষাঁড়ের
মতো । অযথাই গুতোগুতি পছন্দ করে।
যার ফলে , যারা লেখালেখি করে তারা তার তাবেদার হয়েই থাকতে হয়।

একজন মডারেটর কিংবা সাইট ডেভোলাপার হলেই যে এত মাস্তান হতে
হয় - তা কোনো সভ্য মানুষই মনে করেন না । অথচ এই সারমেয় টি নিজেকে সেটাই মনে করে।

খুব অবাক হতে হয় , সচলে কিছু মননশীল লেখক থাকার পরও তারা
ঐ নরকের কীট টির বিরুদ্ধে ' রা 'টি পর্যন্ত করেন না !

আপনি সত্যের পথে থাকুন । শুভকামনা ।
১৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক কথা আপনারা জানেন ।
আমিও যে কম বুঝি , তা নয়।
জীবনে তো এসব 'গায়ে মানে না আপনি মোড়ল'
কম দেখলাম না ।

১১. ১৭ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:৩৪
পদ্যপালক বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়লাম। এটা পড়তে গিয়েই বুঝলাম,
আপনি একটা মিশন নিয়া কাজ করছেন।
ভেবে অবাক হলাম , যারা একসময় দুচার লাইন লিখে আপনাকে
লিংক পাঠাত ( ইলিয়াস ভাই লিংক টা দেখেন প্লিজ ) সেইসব অপদার্থরাই
আপনাকে তুচ্ছতাচ্ছল্য করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে।
যাদের আত্মপরিচয়েরই ঠিক নাই তারা আবার যখন নিজের নাম নিয়া
বাহাদুরি করে তাদের জন্য করুণা ছাড়া কিছুই করার নাই !
কি মহারথি মনে করে নিজেদেরকে !
একটা কথা বলি , দোষ আপনারও আছে । আপনি কিছু বেআদব,নোংরা
শ্রেণীর নেংটি ইদুরদেরকে নানা ভাবে প্রশ্রয় দিয়েছেন।
আজ তারাই আপনার বিরুদ্ধে শিয়ালের গুট পাকাচ্ছে !
তবে এসব নেংটি দের দৌড় বেশীদূর নয় । তা আপনি যেমন জানেন , তেমনি আমরাও জানি ।

চালায় যান ।

১৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৩০

লেখক বলেছেন: আমি ব্যাঙের ঠ্যাং মেলানো অনেক দেখেছি।

এসব আমার কাছে নস্যি মাত্র ।

আমি চে এর আদর্শ লালন করি । তাই কোনো অপশক্তির কাছে
মাথা নোয়ানো আমার ধাতে নেই ।

সত্যের পক্ষে পথচলা চলবেই ।

১২. ১৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৫১
লালপ্রভাত বলেছেন: সচলে হিমু হলো একটা পতিত ছেলে।
আজকের একটা ঘটনা বলি। ওখানে সবুজ বাঘ নামে একজন ব্লগার লিখতেন। মডারেটর এই হিমু র কারণে তিনিও ছিলেন খুব অতিষ্ট ।
শেষ পর্যন্ত সকল পোস্ট মুছে দিয়ে সবুজ বাঘ ও বিদায় নিয়েছেন
এই সচল থেকে।
তা নিয়ে মামুন হক নামের একজন ব্লগার একটা পোস্ট দিয়েছিলন আজই।
সেখানেও হামলে পড়ে এই মডারেটর হিমু ।
শুরু হয় তর্ক- বিতর্ক ।
সেখানে অবতার হিসেবে নাজেল হন অন্যতম কর্নধার মডারেটর এস এম মাহবুব মুর্শেদ ।
তারপর মামুন হক এর পোস্ট টি গায়েব হয়ে যায়।
এই হিমু একটা জঘন্য , নর্দমার কীট।
কু ..ার বাচ্চার মত ঘেউ ঘেউ করাই তার কাজ।
ভাবতে অবাক লাগে অন্যান্য মডারেটর কাম মালিক রা এই রাজাকারের
আওলাদ টাকে ওখানে সহ্য করছে কি করে !
শ্লা একটা আস্ত জানুয়ার ।
১৭ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: আপনি দেখি নতুন তথ্য দিলেন !

মানুষ মুখোশ পরে বেশীদিন টিকে থাকতে পারে না।
তার আসল চরিত্র বের হবেই।

আমি এসব বেআদবদেরকে তীব্র ঘৃণা করি ।
আর বলার কিছু নাই ।

১৩. ১৭ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৪০
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন: ব্লগে রাজাকার আর ভাজাকারের ভীড়ে টিকটিকি আর সিংহ চেনা দায় হয়ে পড়েছে। তবে বকরা বে-লেহাজ নামক এক ভাদা'র আগমন ঘটেছে বেশ আগে। যিনি ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কোন কথা বলেন না। মেধার কথা তিনি বলেন কিন্তু জনগণকে বা সাধারণ ব্লগারদেরকে বোকা ভাবার মত গাধাত্ব যে তার মধ্যে প্রকট তা নিশ্চয় করে বলা যায়।

সেই ভাদা'র জন্য একখানি ভারতীয় চামচ উপহার হিসেবে পাঠালাম।

১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: ছাগলে কি না বলে

১৪. ১৯ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৪১
শ্রীমরম বলেছেন: এই পতিত চামুন্ডা টা দেখলাম না না তর্ক জুইড়া
আবাল কথাবার্তা কইতাচে ।
কোথায় থামতে হয় তা তার জানা নাই ।
আরে শ্লা , আগুনে হাত দিলে তো হাত পুড়বেই ।
হিমু বদমাশ টার ধুকে ধুকে ভোগা টা আমাকে খুব মজা দিচ্ছে ।
২০ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: মূর্খদের দৌড় কতদূর কে না জানে !
আমি ওসব নিয়ে ভাবিত নই।
আমার কাজ লিখে যাওয়া।
আমি লিখেই যাবো ইনশাআল্লাহ ।

১৫. ২২ শে মার্চ, ২০১০ রাত ২:৩১
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
আপনার অবস্থান ঠিক আছে। সঙ্গে আছি।
২২ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:১৭

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় ফি ফা ।
সত্যের জয় হবেই।

এসব নালায়েকদেরকে তো জীবনে কম দেখলাম না ।

২৩ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:২৯

লেখক বলেছেন: হ

১৭. ২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:৫৪
ইমতিয়াজ মির্জা বলেছেন: লাল প্রভাত নিকটা আপনার জেনে প্রীত হলাম।
চমৎকার মুখোশবাজি ।
২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন: দেখুন , আমি আন্দাজনির্ভর দাবা খেলি না।

মুখোশবাজি আমার ধাতে নাই ।
আপনি লালপ্রভাতের বক্তব্যকে আমার বক্তব্য বলে
চালিয়ে দেবার ভালো প্রচেষ্টাই করেছেন দেখছি ।

১৮. ২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:০১
ইমতিয়াজ মির্জা বলেছেন: এক নিকে গাল দিয়ে আসল নিকে ভদ্রসাজার খেলাটা দেখতে পেলাম।

আসলে মানুষের প্রথম ইম্প্রেশনটাই বড় । আপনাকে প্রথমেই যেটা মনে করেছিলাম আপনি ঠিক ঠিক সেটা ।

Click This Link
২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: বহুরূপী হওয়া সহজ। তবে তা মেধার অপচয় মাত্র।
আপনি ঐ পোষ্টে আমার বক্তব্য কী, তা পড়েছেন ?
আমি আমার নির্বাচনের পক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান নিই নি ?
নিয়েছি ।
আমি সত্যের পক্ষে থাকি সবসময় ।
কে কী বললো তাতে আমার কিছু যায় আসে না।

আপনার প্রথম ইম্প্রেশন আর দ্বিতীয় ইম্প্রেশন তো থাকতেই পারে !

১৯. ২৯ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৫৭
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: মাইনাস-
কারণ বলার আগে নিচের প্রশ্নগুলোর জবাব চাই-

১. মীর কাশেম আলীকে কি রাজাকার মনে হয়? তার দেশ ছেড়ে পালানোর কারণ কি?

২. যদি রাজাকার মনে হয় তবে একজন রাজাকারের মালিকানাধীন পত্রিকায় লেখালেখিকে কি চোখে দেখেন? রাজাকারের পত্রিকা দিয়ে কি মগজধোলাই ছাড়া অন্যকিছু করা হয় বলে মনে হয় কি?

৩. আপনার কেন মনে হলো যে দেশের মহান এসব লেখকের ভাত-কাপড়ের খুব টানাটানি পড়েছে, ফলে শুধু নয়া দিগন্তেই লিখতে হবে? যদি তা না হয় তবে কেন এখানে লিখতেই হবে? নাকি দেশপ্রেম শুধু যৌবনে দেখালেই সাতখুন মাফ?

৪. জাহানারা ইমাম ইনকিলাব বা পূর্ণিমা পত্রিকায় কখনো লিখেছেন কি?
আগ্রহের সাথে উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম-
২০. ২৯ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫২
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: একক ভাবে মীর কাশেম আলী রাজাকারকে দেখছেন কেন ?
রাজাকাররা মিশে গেছে বাংলার আনাচে কানাচে।

কিছু তথাকথিত প্রগতিবাদীরা যখন এই আলবদরদের ব্যবসার পার্টনার
হয় , তখন আপনারা কোথায় থাকেন ?

বাংলাদেশে কতোটা বড় বড় ব্যবসা , প্রগতিবাদি-আলবদর যৌথ
মালিকানায় , তা জানেন কী ? খোঁজ নেন প্লিজ।

কবীর চৌধুরী , নি গুণ , রফিক আজাদ - কোথায় লিখছেন , কেন লিখছেন তার জন্য তাদেরকে প্রশ্ন করা হোক , সামাজিক ভাবে- সরাসরি।
তা না করে তাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য যারা মাঠে নেমেছে ,
আমি তাদের জন্য '' নিউইয়র্ক টাইমস '' এর উদাহরণ আমার লেখায়
দিয়েছি।

লেখকরা কী লিখছেন , সেটা দেখুন । ওরা ওখানে রাজাকার আলবদরদের বিরুদ্ধে লিখতে পারছেন । ওরা মুক্তমত প্রকাশ করতে
পারছেন।

শহীদ জননী ছিলেন , লৌহমানবী । এর জন্য তিনি জাতীয় সমন্বয় কমিটির দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তাঁর তুলনা হয় না। তা আমি খুব কাছে
থেকে দেখেছি।

একটা কাজ করুন , যারা মীর কাশেম আলীর কাগজে লিখছেন ,
সেইসব লেখকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে - তাদের উত্তর টা জানার চেষ্টা টা করুন , প্লিজ ।




 

মোট সময় লেগেছে ১.১৯০৮ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
এই ব্লগের সকল মৌলিক লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।
এখান থেকে কোনো লেখা লেখকের অনুমতি ছাড়া
অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা, অনুলিপি করা গ্রহনযোগ্য
নয়।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ