দৈনিক কালের কন্ঠ রিপোর্ট : ২১ আগষ্ট হত্যাকান্ডের মূলহোতা তাজউদ্দিনকে বাঁচাতে চেয়েছিলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান !
হোতা তাজউদ্দিনকে বাঁচাতে চেয়েছিলেন মতিউর রহমান!
নিজস্ব প্রতিবেদক
বর্বরোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার অন্যতম হোতা বলে চিহ্নিত জঙ্গি নেতা মাওলানা তাজউদ্দিনকে যে র্যাব খুঁজছে, তা তাকে আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও একই পত্রিকার সাংবাদিক টিপু সুলতান। তাজউদ্দিনকে তাঁরা ওই তথ্য জানান দিয়ে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। শুধু তা-ই নয়, বিএনপিকে সহায়তা করার জন্য তাজউদ্দিনকে দিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক দল করার ব্যাপারেও মতিউর রহমান তার সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন।
নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা তাজউদ্দিনের সঙ্গে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের এই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার অন্যতম আসামি সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর জবানবন্দি থেকে। গত ২৯ এপ্রিল গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্য কার্যবিধির ১৬১ ধারায় জবানবন্দি হিসেবে লিপিবদ্ধ করে।
আব্দুস সালাম পিন্টু জঙ্গি নেতা তাজউদ্দিনের বড় ভাই। গোয়েন্দা পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে পিন্টু আরো বলেছেন, মতিউর রহমান ও সাংবাদিক টিপুর সঙ্গে তাঁর ও তাঁর ভাই তাজউদ্দিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাঁরা প্রায়ই মতিউর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যেতেন।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বিগত চারদলীয় জোট সরকারের উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু এখন কারাগারে আছেন। তাই এ জবানবন্দির ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মামলার অন্যতম আসামি মাওলানা তাজউদ্দিন পলাতক। এ মামলার বর্তমান তদারকি কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ সুপার আব্দুল কাহ্হার আকন্দও পিন্টুর জবানবন্দি সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু জানাতে চাননি।
অভিযোগ সম্পর্কে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের বক্তব্য জানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। গত শনিবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁর মোবাইল ফোনে সাতবার ফোন করা হলেও অপর প্রান্ত থেকে কেউ রিসিভ করেননি। গতকাল রবিবার মোবাইল, অফিস ও বাসায় ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি। গতকাল দুপুর থেকে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিকেলে প্রথম আলো অফিসে ফোন করলে সম্পাদক অফিসে আসেননি বলে টেলিফোন অপারেটর জানান। এ পর্যায়ে প্রথম আলোর ইভেন্ট ম্যানেজার সাইফুল আজিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'তাঁকে কখন পাওয়া যাবে তা ঠিক বলা যাচ্ছে না। অফিসে আসবেন কি না তা নিশ্চিত নয়। সন্ধ্যার পর চেষ্টা করেন।'
সন্ধ্যায় মতিউর রহমানের বাসায় ফোন করা হলে একজন ফোন ধরে নিজেকে গৃহকর্মী জাহিদ পরিচয় দিয়ে বলেন, 'বাসায় কেউ নেই। স্যারসহ সবাই দুপুরে ঢাকার বাইরে গেছেন। কবে ফিরবেন তা বলে যাননি।'
এর পর প্রথম আলোয় মতিউর রহমানের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পিউস রোজারিওর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'সম্পাদক সাহেব দেশের বাইরে গেছেন। কবে ফিরবেন ঠিক নেই।' সংবাদের বিষয়বস্তু এবং প্রশ্ন সম্পর্কে পিউস জানতে চান। তাকে সেটা জানানো হলে তিনি বলেন, 'প্রশ্নগুলো উনার সম্পর্কিত বিধায় তার সঙ্গেই কথা বলতে হবে। দেখি, আপনাকে কেনো সহযোগিতা করতে পারি কি না।' একটু পরেই পিউস এ প্রতিবেদককে ফোন ব্যাক করে আবার জানতে চান_ কার জবানবন্দিতে মতিউর রহমানের নাম এসেছে। সেটা তাকে আবার জানানো হলেও তিনি আর কোনো যোগাযোগ করেননি। মতিউর রহমানের ফোনও যথারীতি বন্ধ পাওয়া যায়।
প্রথম আলোর রিপোর্টার টিপু সুলতানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। বরং আব্দুস সালাম পিন্টু আদৌ কোনো জবানবন্দি দিয়েছেন কি না, সেটাই সন্দেহজনক। তিনি পেশাগত প্রয়োজনে উপমন্ত্রী পিন্টুর সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। তবে পিন্টু বলেছিলেন, তাঁর ভাই তাজউদ্দিনের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ নেই।
টিপু সুলতান আরো বলেন, র্যাব বা গোয়েন্দা সংস্থা পিন্টু বা তার ভাই তাজউদ্দিনকে খুঁজছে, এ রকম কোনো তথ্য তিনি পিন্টুকে দেননি। পিন্টুর সঙ্গে তাঁর একাধিকার কথা হয়েছে এবং সবই পেশার প্রয়োজনে।
আব্দুস সালাম পিন্টুর জবানবন্দি থেকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার নেপথ্যের আরো অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই জবানবন্দি ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের খোঁজার সময় তাজউদ্দিনকে প্রথম আলোর মতিউর রহমান ও টিপ সুলতান সতর্ক করে দেওয়ার পর প্রভাবশালী একটি মহল তাকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়। বিদেশে যাওয়ার আগে মতিউর রহমানের সঙ্গে তাজউদ্দিন একাধিকবার বৈঠক করেছে। ঢাকার কারওয়ান বাজারে প্রথম আলোর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে মধ্যস্থতা করেন টিপু সুলতান।
তদন্তসংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অনেকের ধারণা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা ছিল সুদূরপ্রসারী। শেখ হাসিনাকে হত্যা ছাড়াও দেশে গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে ব্যাহত করে জঙ্গি মৌলবাদীদের উত্থান ঘটাতেই এই হামলা চালানো হয়। কর্মকর্তারা মনে করেন, নেপথ্য নায়কদের গ্রেপ্তার করে ও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক অজানা কাহিনী বের হতে পারে।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে রক্ষা পান। কিন্তু বর্তমান রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতা-কর্মী হামলায় প্রাণ হারান এবং কয়েক শ নেতা পঙ্গু হয়ে এখন অসহায় জীবন যাপন করছেন।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বর্বরোচিত এই হামলার সঠিক তদন্ত না করে উল্টো 'জজ মিয়া নাটক' সাজানো হয়। পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মামলাটির নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। জোট সরকারের উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, তাঁর ভাই তাজউদ্দিন ও জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ_সিআইডি। আদালতে বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদন জানান। বর্তমানে আদালতের নির্দেশে মামলার অধিকতর তদন্ত করছে সিআইডি।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার অন্যতম হোতা তাজউদ্দিন ও মুফতি হান্নান। পেছন থেকে অনেকেই মদদ দিয়েছে তাদের। ইতিমধ্যে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রভাবশালী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিএনপির আরেক প্রভাবশালী নেতা হারিছ চৌধুরী পলাতক। ২১ আগস্ট ঘটনায় তাঁরও যোগসূত্র আছে বলে সংশ্লিষ্ট অনেকের ধারণা। এ ছাড়া এ হামলার মাধ্যমে দেশে জরুরি অবস্থা জারির প্রেক্ষাপট তৈরির একটি মহড়াও করা হয় বলে অনেকে মনে করেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আরো মনে করেন, ২১ আগস্টের মাধ্যমে তাজউদ্দিন-হান্নানদের দিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে টার্গেট করা হয়। কারণ শেখ হাসিনাকে মৌলবাদীরা তাদের চলার পথে একমাত্র হুমকি মনে করেছিল। প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ অপর গোষ্ঠীটির টার্গেট ছিল শেখ হাসিনা ও গণতন্ত্র। ফলে উদ্দেশ্যে ভিন্নতা থাকলেও দুই পক্ষেরই টার্গেট ছিল এক। প্রথম আলো পত্রিকা ও এর সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দেশে জরুরি অবস্থা জারির পেছনে হাত থাকার অভিযোগও আছে বিভিন্ন মহলের। জরুরি অবস্থা জারির পর দেশের শীর্ষ দুই নেত্রীকে রাজনীতি থেকে সরানোর চেষ্টাও করেছিলেন তিনি।
গোয়েন্দা পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে আব্দুস সালাম পিন্টু আরো বলেন, 'আমার ভাইকে যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিষয়ে র্যাব খুঁজছে, তা আমাকে প্রথমে মতিউর রহমান সাহেবের বরাত দিয়ে সাংবাদিক টিপুই জানায়। সে বলে যে, তারা তাজউদ্দিনকে সতর্ক করেছে। আমিও যেন তাকে সাবধানে থাকতে বলি।'
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতাকে মদদ দেওয়ার অভিযোগ আছে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) বিরুদ্ধে। হুজি নেতা তাজউদ্দিন পাকিস্তানে পড়ালেখা করার সময় ওই গোয়েন্দা সংস্থার সংস্পর্শে আসে। অন্যদিকে প্রথম আলোর মালিক ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে। এই উলফা অনেকটা আইএসআইয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে আসছে।
এ ছাড়া এক-এগারোর ঘটনাপ্রবাহের সময় মতিউর রহমানের নিজের লেখা কলাম এবং প্রথম আলোয় প্রকাশ হওয়া বিভিন্ন সংবাদের ভিত্তিতে সমালোচনা ওঠে যে, এক-এগারো সৃষ্টির পিছে মতিউর রহমানের ভূমিকা স্পষ্ট এবং তিনিই 'মাইনাস টু ফর্মুলা'র প্রবক্তা। এসব নানা হিসাবে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তি আছে বলে অনেক কর্মকর্তা মনে করেন।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় অভিযুক্ত ২২ জন আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া ১৪ জন হলেন সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান, তার ভাই মফজুর রহমান ওরফে অভি, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল (ঝিনাইদহ), শরিফ শহীদুল ইসলাম ওরফে বিপুল (সিলেট), মাওলানা আবু সাইদ ওরফে ডা. আবু জাফর (গফরগাঁও), জাহাঙ্গীর আলম (কুষ্টিয়া), মাওলানা আবু তাহের (ঢাকা), হোসাইন আহমেদ ওরফে তামীম (ঝিনাইদহ), মুফতি মইনউদ্দিন শেখ ওরফে জান্দাল (নড়াইল), আরিফ হাসান ওরফে সুমন (ঢাকা), রফিকুল ইসলাম গাজী ওরফে সবুজ (মাগুরা), উজ্জ্বল ওরফে রতন (ঝিনাইদহ) এবং শাহাদত উল্লাহ জুয়েল (নারায়ণগঞ্জ)।
অভিযুক্ত পলাতক আট আসামি_মাওলানা তাজউদ্দিন, আনিসুল মুরসালিন ওরফে সুজয় (ফরিদপুর), তার ভাই মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে শাহীন, খলিলুর রহমান খলিল (মাগুরা), জাহাঙ্গীর আলম ওরফে জাহাঙ্গীর বদর (ঢাকার দোহার), মো. ইকবাল (ঝিনাইদহ), মাওলানা আবু বকর (বরিশাল) এবং মাওলানা লিটন ওরফে জোবায়ের ওরফে দেলোয়ার (গোপালগঞ্জ)।
এদের মধ্যে যমজ ভাই মুরসালিন ও মুত্তাকীন ২০০৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পুলিশের হাতে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হয়। এরা ভারতের তিহার কারাগারে আটক আছে।
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।