দেশে দেশে যখন বিশৃংখলা (!!!!) সৃষ্টি হয়, তখন মহান যুক্তরাষ্ট্র (!!!!!) ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। ব্যতিক্রমও এখন দেখা যাচ্ছে, হাতি গর্তে পড়েছে তাই ছাগল (ফ্রান্স) লাথি দিচ্ছে লিবিয়ায়। যাক, মনে হচ্ছে আমরাও তার শিকারে পরিণত হতে যাচ্ছি। সরকারের ভেতরে বিশাল একটা গাধার বহর দেখা যাচ্ছে। তারা রুটি-রুজির চিন্তা বাদ দিয়ে বিচার-টিচার নিয়ে একদিকে ব্যস্ত, অন্যদিকে ব্যবসা-বাণিজ্যে বোয়াল মাছেরা ছোট খাটো কোন মাছেরই জীবন বাকী রাখছে না। এদিকে ভেড়া সদৃশ জনগণ তাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে ফেলতে হয়রান হয়ে পড়ছে তার কোন খেয়াল করা সরকার কোনভাবেই দরকার মনে করছে না। চারিদিকে শুধু কথার ফুলঝুড়ি। দলীয় বাজে লোকগুলো সব-রকম সুবিধা ভোগ করছে আর যাচ্ছে তাই করছে। আর ভালো লোকগুলো একটি নক্ষত্রের পতন চেয়ে চেয়ে দেখছে। আর ভাবছে-দিন বদল হয়েছে বটে, ভালোগুলো গিয়ে খারাপগুলো এসেছে।
এভাবে সরকার এটা গিয়ে আরও একটা ভালো সরকার আসবে এই নিশ্চয়তা দেওয়ার সময় বোধ হয় এখন ফুরিয়ে গেছে। প্রাচ্যের রাজারাও এখন দুঃস্বপ্ন দেখছে। প্রজারা স্বপরিবারে রাস্তায়।
নপুংশক আন্তর্জাতিক সাইনবোর্ডসর্বস্ব সংস্থাগুলো সবজায়গায় নীরব দর্শক। আসলে এখনও যুক্তরাষ্ট্রই পৃথিবীর দ্বিতীয় মালিক (তওবা আসতাগফিরুল্লাহ)।
অবস্থা দৃষ্টে এটাই প্রতীয়মান হচ্ছে যে, কারজাইদের মতো এখানেও একটা পুতুল সরকার আসছে। আর তার সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন ড. ইউনুস।
কারও কোন সন্দেহ থাকলে বিশ্লেষন করুন।
জমিয়ে দিন আলোচনা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


