আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৫ই আগষ্টের পট পরিবর্তনের ইতিহাস-১ - চিন্তিত দার্শনিক
- জহির রায়হান অন্তর্ধান নাকি হত্যাকান্ড? -১ - ইবনে সালাম
- আওয়ামী লীগ ও রক্ষী বাহিনীর নির্যাতন : কেউ ভোলে কেউ ভোলে না (পর্ব-১) - সুধাসদন
- @ তাফসীরুল উশরুল আখীর (বাংলা অনুবাদ ডাউনলোড করুন) - ফজলে এলাহি
- নাস্তিকদের নৈতিক রূপ কি এসব করা??? - কঠিন চিজ
- মাওলানা মওদুদী সম্পর্কে জানতে হলে ... (আপডেট : amarboi.org এ আরো বই পাবেন) - ভালো
- রক্তের সে স্রোতধারা হোক সুন্দরের অগ্রপথিক - হলদে ডানা
- @ সীরাতুন্নবী: প্রারম্ভ ও তথ্যাবলী... - ফজলে এলাহি
- মুসলিম ব্লগারদের জন্য কিছু কথা - আবূসামীহা
- @ আমার বিশ্বাস: সামহোয়্যারইন ব্লগে কোন রাজাকার নেই - ফজলে এলাহি
- @"জাতির পিতা" বিতর্ক: বিভ্রান্তি এবং বাস্তবতা(প্রথমার্ধ) - ফজলে এলাহি
- @"জাতির পিতা" বিতর্ক: বিভ্রান্তি এবং বাস্তবতা(শেষার্ধ) - ফজলে এলাহি
- তুরস্কে হিজাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার - আশরাফ রহমান
- শবে বরাত - ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া (১ম কিস্তি) - আব্দুর রহমান রাযীন
- মিলাদ ও জন্মোত্সব - বিদআ'ত থেকে সতর্ক থাকা অপরিহার্য - ২য় পর্ব - বইপাগল
- @ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; ইসলামই বাংলাদেশের ভবিষ্যত - ফজলে এলাহি
- বাংলাদেশের প্রয়োজন “রাজনৈতিক ব্যক্তিপূজার কুসংস্কার” থেকে মুক্তি - আবূসামীহা
- @ সর্বযুগের সর্বাধুনিক জীবনপদ্ধতির নামঃ ইসলাম(১) - ফজলে এলাহি
- @ইসলাম ব্যতীত অন্য সকলের কাছেই নারীজাতি লাঞ্ছিত ও বঞ্ছিত - ফজলে এলাহি
- ধর্মনিরপেক্ষতা: শোষনের নির্লজ্জ হাতিয়ার - আস্তমেয়ে
- ফিলিস্তিন প্রান্তর হতে একটি চিঠি... [পর্ব/১] - আব্দুর রহমান রাযীন
- ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ : একটি অযৌক্তিক ও বিপদজনক মতবাদ ( প্রথম পর্ব ) - আশরাফ রহমান
- হায় '৫২-র ভাষা শহীদ! হায় '৭১-এর শহীদেরা!! এ কোন কাপুরুষ প্রজন্ম রেখে গেলেন?? যারা চেতনার জন্য গালির আশ্রয় নেয়? - ফজলে এলাহি
@ রবি ঠাকুর হতেন ভারতীয় রাজাকারদের প্রধান...
১১ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৪:৫৬
ভাবনা যুগিয়েছে যে লেখা -
মুহাম্মাদ বিন কাসেমের বিজয়ের সূচনার পথ ধরে এক সময় সমগ্র ভারতবর্ষ হয় মুসলমানদের দেশ (শাসন অর্থে)। পরন্তু ইসলামী আদর্শকে চিন্তার ভিত্তি দাঁড় করালে দেখা যায় যে, ইসলাম কোন নির্দিষ্ট ভূখণ্ড কিংবা কোন নির্দিষ্ট জাতির জন্য সীমাবদ্ধ নয়; বরং সমগ্র মানব জাতির জন্য। আর মানব জাতির আবাসস্থল হিসেবে সমগ্র পৃথিবীই প্রকৃত অর্থে ইসলামের তথা ইসলামের অনুসারী মুসলমানদের। আদর্শের থিউরী আর বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য হলো, মুসলমানরা তাদের অযোগ্যতার ফলে আল্লাহর দেয়া দানকে অর্জন করতে এবং অর্জনের পর ধরে রাখার সক্ষমতায় দুর্বল হয়ে পড়েছে, নয়ত তৎকালীন অর্ধ পৃথিবী একজন শাসনকর্তা উমারের (রাঃ) অধীনেই ছিল।
সুতরাং ইকবাল কিংবা তার বন্ধু আবুল আ'লা মওদূদী অথবা অন্য কোন মুসলমান যদি 'সারা যাঁহা'কে 'হামারা' বলেন, তো মোটেই ভুল কিংবা অত্যুক্তি করেননি। মুসলিম ঐহিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন দেখাও তাদের জন্য অলীক ছিল না।
আবার নিখিল ভারত যখন বিভক্ত হয়েই গেল, তখন বিভাজনে খণ্ডিত হলেও ইসলামের শত্রু হিন্দুপ্রধান ভারতের ষড়যন্ত্রে তৎকালীন পাকিস্তানকে টুকরো করার মাধ্যমে এ অঞ্চলের মুসলিম শক্তি নাস্তানাবুদ হোক; বাংলাদেশের ধর্মসচেতন মানুষেরাও এটা কিছুতেই বরদাশ্ত করতে পারেননি। তাই তাদেরই একটা অংশ আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন দেয়া না দেয়াকে উহ্য রেখে চেয়েছিল এ অঞ্চলের মুসলিম শক্তি হিসেবে পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান তথা একটি মুসলিম দেশ অটুট থাকুক।
কিন্তু হানাদার পাকিস্তানী স্বৈরশাসকের হিংস্রতা তা হতে দিল না। তাদের ক্ষমতার অন্ধত্ব আর দমনের নামে কৃত অত্যাচারই পূর্ব পাকিস্তানের গণমানুষকে বিপ্লবী করে তুলেছে; যার ফলাফল পাকিস্তানের ভাঙ্গন কিংবা বাংলাদেশ নামক নতুন মুসলিম রাষ্ট্রের পত্তন।
যারা ইসলামী চিন্তাচেতনা পোষণ করতেন, তারা "সারে যাঁহা হামারা" দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচার করেছেন, আর এ কারণে দ্বীন ইসলাম এবং আলাদা স্বদেশ বিবেচনায় সর্বাত্মক আকাংখী ছিলেন যে, সমস্যাটা মিটে যাবে এবং মুসলিম শক্তি অটুট থাকবে। কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তানী হন্তারক সরকার যে তাণ্ডব লীলা চালিয়েছিল, সেসব কর্মকাণ্ডে ইসলাম পন্থীরা পড়েছিলেন দারুন সিদ্ধান্তহীনতায়, পরিস্থিতিই তাদেরকে এই অবস্থায় পতিত করেছে। অন্যদিকে ইসলাম নিয়ে যাদের মাথা ব্যাথা ছিল না, তাদের সামনে লক্ষ্য একটাই; দেশ আক্রান্ত হয়েছে, দেশ বাঁচাও। লক্ষ্যণীয় যে, একপক্ষের চিন্তার পরিধি সমগ্র বিশ্ব ব্যাপী আর অন্যপক্ষের চিন্তার পরিধি শুধুমাত্র তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান কেন্দ্রিক; যা পরে আমাদের সোনার বাংলাদেশে রূপ নেয়। দৃষ্টিভঙ্গির এই পার্থক্যটুকু এবং এর ফলে সৃষ্ট সিদ্ধান্তহীনতার দায়ভার প্রিয় স্বদেশ বাংলাদেশকে আজো বহন করে যেতে হচ্ছে নিদারুন অশ্লীলতা আর অরজকতাসৃষ্টিকারী দাঙ্গা-ফ্যাসাদের মধ্য দিয়ে।
মূলতঃ প্রতিজন মানুষই তার জ্ঞান ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে যে সিদ্ধান্ত নেয়, তাই তার মতে যথার্থ। অতএব, সমগ্র বিশ্বের জীবন ব্যবস্থা হিসেবে ইসলামকে নির্দিষ্ট করে দৃষ্টিপাত করলে অটুট মুসলিম দেশের আকাংখীদের দৃষ্টিভঙ্গিও যথার্থ। কিন্তু অন্যদের দৃষ্টিতে এটা সিদ্ধান্তহীনতা, তবে এ সিদ্ধান্তহীনতাকে নিয়ন্ত্রণ করে বাস্তব পরিস্থিত। 'অখণ্ড ভারতে ইংরেজদের পর আবার মুসলমানগণ ফিরে আসবেন কর্তৃত্বে' –এ আশার অগ্রপথিক ইকবাল এবং মওদূদী পর্যন্ত মুসলিম লীগের আন্দোলনের কঠোর সমালোচনা করার পরও ঘটে যাওয়া বাস্তবতাকেই মেনে নিয়ে মুসলিম পাকিস্তানের অধিবাসী হলেন এবং নতুন দেশের জন্য অকুণ্ঠচিত্তে কাজ করে গেলেন মৃত্যু পর্যন্ত। ঠিক একই ধারাবাহিকতায় 'আমাদের স্বাধীনতা' কিংবা 'অখণ্ড মুসলিম পাকিস্তান' প্রশ্নে শত্রুর ষড়যন্ত্র এবং স্বৈরাচারীর ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে সৃষ্ট সিদ্ধান্তগুলোও বাস্তবতাকেই মেনে নিয়েছে এবং নতুন শপথে স্বদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছে। তাদের বর্তমান দেশ গড়ার কাজই সেটার প্রমাণ বহন করে।
রবি ঠাকুর হিন্দু (যদিও তিনি ছিলেন হিন্দু ধর্মেরই একটা উপধর্ম ব্রাহ্মসমাজের অন্তর্ভুক্ত) ছিলেন, তাই (সাধারণভাবে) হিন্দুত্বের প্রতি (তথা হিন্দু প্রধান ভারতের প্রতি) তার আকর্ষণ, সমর্থন, পক্ষপাত থাকাটাই স্বাভাবিক। 'বাংলা'কে তারা মায়ের মর্যাদা দেয়, এ মর্যাদা ঠিক মূল হিন্দু ধর্মের অংশ নাকি রবি বাবুর বঙ্গভঙ্গের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ "মাকে দ্বিখণ্ডিত করা হয়েছে" ভাবের কাব্য-কথা থেকে সৃষ্ট; সে প্রশ্ন অবান্তর। মূল কথা হলো রবি বাবু যেহেতু বঙ্গভঙ্গের পর পশ্চিম বঙ্গের অধিবাসী হলেন, তথা ভারতের অধিবাসী হলেন, সেহেতু তার পক্ষে কি করে সম্ভব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাওয়া। আর একথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, বাংলাদেশ যদি পাকিস্তানের সাথে না থেকে ভারতের সাথে থাকতো, তবে ভারতের কাছ থেকে স্বাধীনতা পেতে যে আন্দোলন হতো, সে আন্দোলনে রবি বাবুই হতেন ভারতের পক্ষে রাজাকারদের প্রধান; যুক্তির বিচারে একথা নিঃসন্দেহ।
সুতরাং ধর্মভিত্তিক ব্যাপক দৃষ্টিভঙ্গি আর স্বদেশভিত্তিক নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির ব্যবধান ভুলে সর্বপ্রথম আমাদেরকে যে পদক্ষেপ নিতে হবে, তা হলো- দেশ গড়ার সিদ্ধান্ত। আর এর মাপকাঠিতেই বিচার্য হবে কারা দেশপ্রেমিক আর কারা দেশের শত্রু। শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে কখনোই দেশপ্রেম মাপা সম্ভব নয়। কেননা, সিরাজুদ্দৌলাকে দেখানোর মত যথেষ্ট আবেগ মীর জাফরের আয়ত্তে ছিল।
(এটি আমার একটি বিশ্লেষণ, শুদ্ধও হতে পারে আবার ভুলও থাকতে পারে; অতএব, নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে মন্তব্য করুন।)
প্রকাশ করা হয়েছে: দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৬:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আমিমানুষ বলেছেন:
ভাল লেখা, ৫/৫
নুরা পাগলা বলেছেন:
রবি ঠাকুর হিন্দু ছিলেন - এইডা কই পাইলেন - ইনি ছিলেন ব্রাহ্ম - এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করে। না জাইনা কতা কওয়া কিন্তু ইসলামে নিষেদ...
আমিমানুষ বলেছেন:
কন কি? উনি নাকি মুসলিম আমি তো দাড়ী দেইকা তাই ভাবসিলাম
ফজলে এলাহি বলেছেন:
ভন্ড.....,অন্যের ছবি নিজের ব্লগে ব্যবহার করে আপনি বড় ধরণের অপরাধ করেছেন আর এই ব্লগের ব্লগীয় বিধি লংঘন করেছেন। আপনার সবগুলো মন্তব্য মুছে দিতে হলো।
নুরা পাগলা বলেছেন:
ভন্ড বাবা মনে লয় আমার বাত মারবার আইচে - তয় টুপিডা আমারে বাচাইবো...
ফজলে এলাহি বলেছেন:
আমিমানুষ, আপনার প্রথম দু'টি মন্তব্য পোষ্টের সাথে সম্পর্কিত, বাকী দু'টো 'ভন্ড...'র সাথে সম্পর্কিত বিধায় মুছে দিতে হলো। কারণ, এতে আমার ব্লগের পাঠক বিভ্রান্ত হতে পারেন। দুঃখিত।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
নুর পাগলা, অনুরোধ করবো পোষ্টের সাথে সম্পর্কিত মন্তব্য করুন, নয়তো বিরত থাকুন। কারণ, পোষ্টের সাথে সম্পর্কহীন বেহুদা মন্তব্য মুছে দিতে পারি। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
নুরা পাগলা বলেছেন:
বালা কতা - তয় পরথমটার কিন্তু আপনের লেকা নিয়া - কিছু কন...মুচার জন্য আর তো শুক্কুর শনি লাগেনা - মায় বেনও ভি মারবার পারেন - আপনের বাড়ী আপনের ঘর..
রবীন্দ্রনাথ হিন্দু আছিল হেডা পাইছি ৭১ সালের দৈনিক সংগ্রামে আর পাইলাম আপনের লেকায় ---
না জাইন্না কতা কওয়াডা টিক না..
ত্রিভুজ বলেছেন:
ধন্যবাদ ফজল ভাই...
ফজল বলেছেন:
নুরা পাগলা,ব্রাহ্মন কাদের থেকে বলতে পারেন? বলতে পারেন হিন্দুধর্ম মানুষ কয়ভাগে বিভক্ত?
আমার তো আরো জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হচ্ছে যে, হিন্দু ধর্মকে আপনি চেনেন তো?
হিন্দু ধর্মে মানুষের কর্ম ও মর্যাদা বিভাজনে সবচেয়ে কৌলিন শ্রেণী হলো ব্রাহ্মন; তাহলে রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরকে আপনি তার স্বধর্ম থেকে কি বের করে দিতে চাচ্ছেন? আমি হিন্দু বললেও রবি বাবু হিন্দু আর ব্রাহ্মণ বললেও রবি বাবু হিন্দুই থাকেন।
পাগলা দাশু বলেছেন:
১। রবি ঠাকুর ব্রাহ্ম ধর্মাবলম্বী ছিলেন, হিন্দু নন। ২। আল্লামা ইকবাল, এই কবিতায় বলেছিলেন,
'সারে জাহান সে আচ্ছা, হিন্দুস্তান হামারা'
লক্ষ্যনীয় ' সারে জাহান' এবং 'হিন্দুস্তান'
সুতরাং ইকবাল কিংবা তার বন্ধু আবুল আ'লা {মওদূদী অথবা অন্য কোন মুসলমান যদি 'সারা যাঁহা'কে 'হামারা' বলেন, তো মোটেই ভুল কিংবা অত্যুক্তি করেননি। মুসলিম ঐহিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন দেখাও তাদের জন্য অলীক ছিল না।}
পয়েন্ট টু বি নোটেড, মিথ্যা উপস্থাপন করাটা একজন বিশ্বাসীর কাজ নয়।
১৯০৪ যখন রচনা করেন তখন এটার নাম ছিল তারনা-এ-হিন্দী।
Tarana-e-Hindi (Urdu:
আমিমানুষ বলেছেন:
হেডা যে একটা সেপারেট ধর্ম ফজল ভাই মানটে রাজিনা
পাগলা দাশু বলেছেন:
তাই না কি @আমিমানুষ। আমারে তো তবে এখন দ্বারকানাথ ঠাকুরের জীবনি লিখতে হবে এইখেনে এটা বুঝাতে, যে ব্রাহ্ম আর ব্রাক্ষণ দুটো ভিন্ন তরিকা।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
নুরা পাগলা, নাদান, পাগলা দাশু, আমিমানুষ-ধর্মীয় পার্থক্যটা স্বীকার করছি আপাততঃ। খুব একটা পড়াশোনা করিনি "ব্রাহ্ম"ধর্ম নিয়ে, তবে [wjsK=http://bn.wikipedia.org/wiki/
আমিমানুষ বলেছেন:
ভাইজান যদির কতা নদীত ফালাইয়া দেন। কে কি করত কোন সময়ে বিচার না কইরা কে কে করসে চলেন হেইটা মাপি
ফজলে এলাহি বলেছেন:
পাগলা দাশু,'আপনার পয়েন্টেড নোট' সম্পর্কে আপাততঃ বলছি যে, ইকবালের একটা অসাধারণ গীতি রয়েছে, "মুসলিম হ্যায় হাম ওয়াতান হ্যায় সারা জাঁহা হামারা" ; আমার প্রকাশ ছিল এই গীতির প্রেক্ষিতে। আপনার উপস্থাপিত "হিন্দুস্তাঁ হামারা" গীতি থেকে নয়। নেটে খুঁজে আপাততঃ পেলাম না, পেলে অবশ্যই পোষ্ট দেব। ধন্যবাদ।
নুরা পাগলা বলেছেন:
ওরে তরা কে কোতায় আছস আয় ফজল নুরার মারফতি শেকায়
ফজল বাইজান, আমি এককান কতা কইচি
১৯৭১ সালে দৈনিক সংগ্রাম এককান ফতোয়া দিচিল
রবি ঠাকুর হিন্দু
আর আইজকা ২০০৭ সালে আপনি এর ভিতর থাইকা বাইরে যান নাই..
আমি হিন্দু ধর্ম জানি কি জানি না হেইডা যত বড় কতা হের চাইতে আপনের অহংকারটাই বড়
তাইলে কন ব্রাহ্ম আর বাহ্মন এক না ...
এস্কিমো বলেছেন:
তাইলেতো ভাই বলতেই হয় একজন হিন্দু গিরিশ চন্দ্র সেন কুরআন বাংলায় অনুবাদ করে বাঙালী মুসলমানদের কুরান পড়ার সুযোগ করে দিয়ে ছিলেন। বলুন তো কেন "মুসলমানদের শত্রু" হিন্দু গিরিশ চন্দ্র সেন কুরান বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন?
মেজভাবী বলেছেন:
বাছা ফজু, তুমি ব্রাহ্ম আর ব্রাহ্মনের পার্থক্যই জান না, বড় বড় মহাকাব্য লিখতে বসে গেলে। তুমি রামমোহন, দেবেন্দ্রনাথ এদের নাম শুনেছ? এরা ব্রাহ্ম ছিলেন। ১৮২৮ এর দিকে ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়, বুজলে? ওটা হিন্দু ধর্ম নয়। উট নিয়ে গবেষনা করছিলে, ওটা নিয়ে থাকলেই হত না? তোমার ভাইয়া বলেন, সবার সবকিছু করতে নেই।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
দেখুন, একটা পয়েন্ট পাকড়ে আপনারা খুব সূক্ষ্মভাবেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পোষ্টের মূল ভাবধারাকে আড়াল করতে। এটা এতক্ষণে পাঠকদের কাছেও পরিস্কার হলো।যেখানে আমি আমার 'অজানা'কে স্বীকার করে নিয়েছি নির্দ্বিধায়, সেখানে এই প্রসঙ্গ রেখে পোষ্টের মূল টপিক নিয়ে কথা বলা ভাল মনে করি। আফটার অল সব পাঠক তো আর এতই হুজুগী নন যে, মূল পোষ্ট বাদ দিয়ে মন্তব্য পড়েই তুষ্ট থাকবেন।
এছাড়া আমি আমার এক পোষ্টে কৌশিকের মন্তব্য প্রসংগে বলেছিলাম যে,
আমি মূলতঃ আমার লেখার পাঠকদের নিকট থেকে এমন গঠনমূলক মন্তব্যই আশা করি। যেমন আদর্শিক ব্লগে, তেমন কবিতা ব্লগেও। তাই বলে বিরোধপূর্ণ মন্তব্যকেও ফেলে দিচ্ছি না কিন্তু; কারণ ওখানকার বাঁকা দৃষ্টি যে আমার দৃষ্টিতে সরলতা এনে দেয় ।
সুতরাং এটাকে খুব একটা মজবুত ভিত্তি ভাবার কারণ নেই। ব্লগের লেখা নিতান্তই পাণ্ডুলিপির অসংশোধিত পাতাই ধরা যায়। এখানে থেকে যেমন অনেক কিছু যোগ করা যায়; আবার অনেক বিয়োগও করা যায়। আশা করি পরিস্কার হলো।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
এস্কিমো, আপনি কি করে জানলেন যে, গিরিশ চন্দ্র সেন মুসলমানদেরকে পড়ার সুযোগ করে দেবার জন্যই কুরআনের অনুবাদ করেছিল? ঠিক ধরেছেন, এই "কেন"র জবাবটা জানতে আমারো আগ্রহ হচ্ছে।বুঝা উচিত যে, এমন অনেক গবেষকই রয়েছেন যারা নিতান্তই নিজস্ব প্রয়োজনেই গবেষণা করে থাকেন। পরে সেই গবেষণাকর্ম অনেকেরই কাজে লেগে যায়। তা মানুষের মধ্যে সহনশীল মানুষ সকল গোত্র-দেশ-ধর্মেই বিদ্যমান (আমার মতামত) । কিন্তু তাই বলে বিজেপি আর 'র'এর কর্ণধারদেরকে ঢালাওভাবে তো আর "ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন" ভাবার কোন কারণ নাই, কি বলেন?
ফজলে এলাহি বলেছেন:
মেজভাবী,মুসলমানদের মধ্যেও অনেক উপদল রয়েছে, যেমন, কাদীয়ানী (মুসলমানদের থেকে বের হওয়া উপদল), শিয়া, ইসমাঈলীয়্যা ইত্যাদি। আকবরের পরবর্তী শাসকগণ "দ্বীনে ইলাহী"র অনুসারী হলে তো এখন সে নামেও একটা পাওয়া যেত।
অতএব, ব্রাহ্মসমাজ নামক উপদল বলেন আর খোদ হিন্দু ধর্ম বলেন, রবিবাবু তো ভারতবাসী, না কি? আর আমার পোষ্টের উদ্দেশ্যের সাথে রবি বাবুর হিন্দু হওয়া কিংবা ব্রাহ্ম হওয়ার সম্পর্ক খুবই ক্ষীণ।
বরং কথা হচ্ছিল, বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিকারী দেশপ্রেমিক(?)দের দেশপ্রেমিকদের "দেশপ্রেম আর বিশৃংখলা সৃষ্টি" সম্পর্কিত একটি পর্যালোচনা নিয়ে। তাই বলছি, আসুন, দেশকে সমৃদ্ধ করার কথা বলি, শান্তি, শৃংখলা ও সাফল্যের কথা বলি।
এস্কিমো বলেছেন:
পয়েন্ট টা ছিল গিরিশ চন্দ্র সেন। আপনি উকালতি প্যাচ খাটালেন। আপনিও জানেন না কেন গিরিশ চন্দ্র সেন কোরান অনুবাদ করেছিলেন। দয়া করে বিষয়টা নিয়ে একটু খোজ খবর করুন - পরে আলাপ করা যাবে। মুখস্ত বয়ান দিয়েতো আর অজ্ঞানতাকে ঢাকা দেওয়া যায় না। স্বীকার করুন যে ব্রাহ্ম সমাজ সম্পর্ক আপনার জ্ঞান শূন্যের কোঠায়। গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুদিত বাংলা কোরানের ভূমিকায় বিস্তারিত বিষয়টা লেখা আছে - আগে পড়ুন তার পর আপনার মুখস্থ হিন্দু বিদ্বেষী বয়ান শুনবো। ধন্যবাদ।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
এস্কিমো-
ফজলে এলাহি বলেছেন:
বাহঃ এতোক্ষণে দেখি আমাদের কেমিকেল পোষ্ট ঝেড়েছেন। তাও আবার আগে ব্লক খেয়ে।যাই হোক, আমি তো স্বীকার করলাম হিন্দু ধর্মের ব্রাহ্ম উপদল সম্পর্কে স্বল্পজানার কথা।
আসুন শুনি একজন তুলনামূলক ধর্ম গবেষকের কাছ থেকে- সত্যিই কি "ব্রাহ্ম" হিন্দু ধর্মের উপদল কি? উত্তরে শাইখ বলেনঃ (ইয়াহু চ্যাট থেকে কপি-পেষ্ট)
{
*: hidu dhorme 2 dhoroner bisshas procholito ache
*: ekta holo bohu esshor bad
*: ar ekta ak esshor bad
*: ak esshor baki ra abar shorbesshor bad e bisshasi
*: ar bohu esshor badira shorbesshar bad e bisshasi hoyar shathe shathe bohu esshor er puja kore
*: ar jara ek esshor bad e bisshasi tara shorbesshor bad e bisshas kore abong shudhu porom "Brommon" er dhan kore
*: ederkei "Brammo" dhormabolombi bole
fazle elahi: zajakallah.
aburaz: reference:
১. অক্ষয় কুমার দত্ত: ভারত বর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায়।
*: arekta hocche
২. প্রমোদ বন্ধু সেন: ধর্মদর্শণ।
aburaz: Brammo dhormo je hidu dhormer shakha, e bepare kono shondeho e porjonto keu kore ni. tara muloto hindu dhormer murti puja dekhe kharap lagar por islam grohon na korei notun upodhormo toiry kore niyeche.
}
খুব শীঘ্রই আশা করছি উনি উনার সাইটে এ বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। তখন লিংক দেয়া সম্ভব হবে।
কৌশিক বলেছেন:
জন্ম পরিচয় একটা ধর্ম লালন করলেও যেকোন ধর্মের অভ্যন্তরে তিনধরণের বিশ্বাস দেখা যায়, যেমন - ১. ধর্মবিশ্বাসী
২. মডারেটেড (ধর্মবিশ্বাসী না, কিন্তু সহনশীল)
৩. ধর্মহীন
এরা সবাই বাহ্যিকভাবে ঐ ধর্মের অন্তর্ভুক্ত দেখা গেলেও বিশ্বাসের এই সতন্ত্র অবস্থান স্পষ্ট। আপনি যখন একটা ধর্ম পরিচয় উল্লেখ করেন তখন তার ভেতরে এ বিষয়গুলো তখন আলাদা করা যায় না। কিন্তু তাই বলে সবাই এক হয়েও যায় না।
এস্কিমো বলেছেন:
আসুন সবাই, ক্লাশ আবার শুরু হয়েছে। এখন চলবে ধর্মের তুলনামূলক আলোচনা।
এস্কিমো বলেছেন:
কাঠুরিয়া তা হলে যে বিজেপি আর জামাত থাকবে না, এটা কি হয় রে?
মেজভাবী বলেছেন:
ঠিক বলেছ ফজু। ব্রাহ্ম আর ব্রাহ্মন দুটোই হিন্দু ধর্মের শাখা। কারণ দুটোই শুরু হয়েছে "ব্রা" দিয়ে (নাউজুবিল্লাহ)।তুমি কি জান, ব্রাহ্ম সমাজে হিন্দুত্বের চেয়ে ইসলামের প্রভাবই অনেক বেশি ছিল? তারা ছিল একেশৃবাদী, মুর্তিপুজা, জাতিভেদ এরা কিছুই মানত না। তারপরও সেটা হিন্দু ধর্মের শাখা হয় কি করে, বাবা?
শুধু "ব্রা" এক হলেই কি হবে নাকি, ফজু বাছা?
কৌশিক বলেছেন:
মেজভাবী, খালি ব্রা ব্রা করতেছো কেন? অশ্লীল শব্দ বন্ধ করো।
বিজলীর খড়ি বলেছেন:
শুধু ইকবাল নয়, মাওলানা মওদূদীও ভারত-ভাগের বিরোধীতা করেছিলেন। ইসলামে তো পশ্চাত্য-অরোপিত ভৌগলিক-সাম্প্রদায়িক-ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের সুযোগ নেই। কোন ইসলাম পন্থীই জাতিরাষ্ট্র সমর্থন করে না। ইসলাম সারা বিশ্বের মানুষের জন্য। বেশি রাষ্ট্র মানেই বেশি কর্তৃত্ব, আল্লাহর আইনের উপর মানুষের আইন, খোদার বিধানের ওপর মানুষের বিধান। রাষ্ট্র সার্বভৌম, কিন্তু আদতে রাষ্ট্রের কোন ক্ষমতা আছে? সার্বভৌমত্ব তো শুধু আল্লাহর।নিজের শ্রেনীর গন্ডী থেকে উপরে উঠে আসার মতো বুকের পাটা রবীন্দ্রনাথের ছিল না।
পাগলা দাশু বলেছেন:
O waters of the Ganga mighty, do you recall the daywhen on your banks, did land the caravan of ours
Religion does not teach us to bear ill-will among us
We are Indians; India is our homeland.
While Greece, Egypt , Rome have all been wiped out
till now yet remains, this civilization of ours {it has stood the test of time}
জনাব উপরের লাইনগুলো পড়ুন। এইগুলো আপনাদের পাকিস্তানের ব্রেইনফাদার আল্লামা ইকবালের লিখা। যে গান এখন ইন্ডিয়ান আর্মির মার্চপাস্ট সংগীত এবং দ্বিতীয় জাতীয় সংগীতের মর্যাদা পায়। এই আল্লমা ইকবাল ছিলেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রেসিডেন্ট , আপনাদের মওদুদীর বন্ধু, সেই সাথে মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ্
পাহাড় বলেছেন:
অসম্বব সুন্দর লেখা্ ফেবরিটে রাখলাম।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
রবি ঠাকুর ব্রাহ্ম,নাকি ব্রাহ্মন জানি না। তবে দেখেছি , বেশির ভাগ হিন্দুদের ঘরেই রবি ঠাকুরের ছবি আছে এবং হিন্দুরা ঐ ছবি নিয়ে পুজা করে।
আমিমানুষ বলেছেন:
নুর3ডিইডি আপনি কি জানেন যে রবি ঠাকুর একজন কবি, দেবতা না। কোন হিন্দু মুসলিম অথবা কোন ধর্মতে রবি ঠাকুর কে পূজা করতে বলসে এটা কোতায় পেলেন
নুর3ডিইডি বলেছেন:
আমি বলিনি কোথাও বলেছে, আমি দেখেছি প্রায় হিন্দু তার পুজা করে। @ আমি মানুষ
আমিমানুষ বলেছেন:
পূজা করে মানে কি? আপনি কি দেকসেন কে জানে, আপনি তো ভিডিও পোস্ট করেন ছাগলের গায়ে আল্লাহ লেকা। আপনার এই বক্তব্য কি সাম্প্রদায়িক নয়
এস্কিমো বলেছেন:
@ নুর3ডিইডি - না জেনে অনুমান নির্ভর কথা বলা কিন্তু ইসলামে নিষেদ। এবার আপনার দায়িত্ব একটা অন্তত প্রমান দেখানো যেখানে "তবে দেখেছি , বেশির ভাগ হিন্দুদের ঘরেই রবি ঠাকুরের ছবি আছে এবং হিন্দুরা ঐ ছবি নিয়ে পুজা করে। "
একজন হিন্দুর নাম বলেন বা স্থানের নাম বলেন আমি খোঁজ নেব।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
ফেনী জেলার দাগুনভূঞা থানার বৈরাগীর হাট এলাকা হিন্দু পাড়া,ঐ খানে গিয়ে দেখতে পারেন@ এস্কিমো
আমিমানুষ বলেছেন:
নুর3ডিইডি আমার গুষ্টি শুদ্দা দাগুনভূঞার আর এমন বাড়ীর আপনি নাম কইলে চিনবেন আমি জীবনে এরকম কিচু শুনি নাই দেকা তো দুরের কতা
ফজলে এলাহি বলেছেন:
মেজভাবী,অন্ধকে আলো দেখানো আমার কাজ নয় বরং সম্ভব হলে আমি অন্ধকে পথ দেখাবো।
একই কথা বার বার বলতে ইচ্ছে হচ্ছে না। আপনার মন্তব্যের উপরে পাওয়া আমার কোটেশন সমৃদ্ধ মন্তব্যটি পড়ুন আরেকবার।
ভূমিপুত্র বলেছেন:
উরেব্বাস, হ্যাতেনের মন্তব্য বলে আবার সমৃদ্ধ! কিসে সমৃদ্ধ? কোটেশনে। নিজে বোঝার ক্ষমতা নাই? না, নাই। মগজ না থাকলে বুদ্ধি বিবেচনা ক্যামনে থাকে?
নুর3ডিইডি বলেছেন:
আমার মনে হচ্ছে আপনি সত্যিকারের মানুষ নয়! আপনি অ..........। কারন আপনি মিথ্যা বলেছেন। @ আমিমানুষ
ফজলে এলাহি বলেছেন:
পাগলা দাশু,কাউকে যে জীবনের শুরু থেকেই ইসলামী জীবন ও রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখতে হবে এটা কেমন কথা হলো?
মানুষের জীবনে শেষ অবস্থানটাই 'বর্তমানের' জন্য ধর্তব্য। কবিদের জন্য তথা সবার জন্যই তো একজন জীবন্ত উদাহরণ বর্তমানের কবি আল-মাহমুদ। ওনার আগের লেখাগুলো আর ইসলামী জীবনধারাকে মনেপ্রাণে গ্রহণ করার পরবর্তী সময়ের লেখাগুলো দেখুন।
ব্যাপারটা এমন, যেমন আপনার-আমার মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তটির অবস্থানই নির্ধারণ করবে আপনি আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রাপ্ত হবো না আযাবপ্রাপ্ত। এতে দেখা যায় কেউ কেউ সারাজীবন পাপ করেও শেষ দিকে এসে পূণ্য অবস্থানে থাকায় সফল হয়ে যায় বলে আমরা দেখতে পাই। কেননা, কোন অবস্থানে তার মৃত্যু হলো, তার অনেক কিছুই মানুষের কাছে প্রকাশ্য থাকে।
----------------------------
কিন্তু ভাবছি অন্যকথা পোষ্টের বাকী দৃষ্টিকোণ গুলোকে প্রায় সকলেই এড়িয়ে গেলেন কেমন করে? না কি সত্যকে মেনে নিতে ভয় হয় কিংবা ইস্যূর আকাল পড়ার আশংকা?
কেমিকেল আলী বলেছেন:
কি ভাইজান শরীলডা ভালা?
রুবাইয়াত বলেছেন:
৭১'এ এই উপমহাদেশে যে নতুন মানচিত্র আঁকা হযেছিল তার নাম গণপ্রজান্ত্রী বাঙলাদেশ.....৭২'এর সংবিধানের কোথাও লেখাছিলনা বাঙলাদেশ মুসলীমদেশ......কারন আমি ৭৬'এর সংশোধন মানিনা...
ত্রিভুজ বলেছেন:
@রুবাইয়াত"সংশোধন মানিনা" বললে কিন্তু আপনার নামে দেশদ্রোহীর অভিযোগ আনা যায় খুব সহজে। সাহস থাকলে ঠিকানা ও ফোন নাম্বারটা রেখে যান এখানে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















