আমার প্রিয় পোস্ট
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- সহজেই মুছে ফেলুন উইন্ডোজের যেকোন ভার্শনের ভুলে যাওয়া এ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড (ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে) - নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় কিছু ইন্ডিয়ান ইংরিজি এবং হিন্দি মুভির তালিকা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- যেসব সিনেমাখোররা অ্যানিমেশন মুভি দেখেন না তাঁদের জন্য একটি প্রেসক্রিপশন - অপরিচিত_আবির
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু : টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন , খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- আর্চিস গ্যালারী পেরিয়ে... - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- জায়নিস্টদের অবিসংবাদিত নেতা এবং ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ঠ্রপতি ডঃ চ্যাইম ওয়াজম্যানের সাথে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে কথোপকথন। - নরাধম
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- আপনার শোনা বাংলা বেস্ট রোমান্টিক গান কোনটা ?(রিপোষ্ট) - নিঃসঙ্গ
- ছাওয়াল ও জওয়াব ৪ : বক্রপথে শয়তানের কুমন্ত্রণা - বিপ্লব০০৭
- চিটির রান্নাঘর থেকে ঐতিহাসিক রেসিপি- রসমালাই - চিটি (হামিদা রহমান)
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ইউটিউবে আপনারা কি মাস্টারপিস সিনেমাগুলো দেখেন? - ফাহমিদুল হক
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- নেট থেকে মোবাইলে ফ্রি sms - সীমানা পেরিয়ে
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
যায় দিন ভালো, আসে দিন 
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:১৯
এতোদিন কিসব আকাম করেছি তার হিসেব করতে গিয়েই ঝামেলা শুরু। ডিভাইস ডেভোলপমেন্ট শেষ। টেষ্টিং চলতেছে। গায়ে হাওয়া লাগিয়ে টেষ্ট করতেছি। মোটামুটি অন্য ডিভাইসের টেষ্টের মতোই। মনে মনে ভয়ে ছিলাম ২/৩টা ফাংশন নিয়ে। যেগুলো আমি ব্যাপকভাবে ডরাই। কিন্তু ঘাটে এসে নৌকা ফুটো অবস্হা। ARC(Auto Reclosour Control) (এই ব্যাটা সবকিছুতেই বাম হাত ঢুকাই দেয়। খারাপ অভ্যাস। খুবই ক্রিটিক্যাল ফাংশন)& MP (Motor Protection) & CBF (Circuit Breaker Failure Protection)। উনারাই গত কয়েকটা দিনের আরাম মাটি করেছেন। আগামীতে ও করবেন আশা করি![]()
বাংলাদেশ থেকে কয়েক সপ্তাহ দেশী আম কাঠাল আসে। দামও সেই রকম। তবে আমার আব্বাজান দামের তোয়াক্কা করেন না। নিজেও কিছু বলি না। মন যা চায় তা করার অধিকার সবারই আছে। দেশের বাড়িতে ৩০/৩৫টা কাঠাল গাছ ছিলো। কাঠালের মৌসুমে ফকিরও কাঠাল খেতো না। আমাদের কাজ ছিলো ফকিরকে কাঠাল সেধে দেওয়া আর উনারা খাওয়ার পর কাঠালের বীজগুলো ফেরত নিয়ে আসা। কিন্তু মাঝে মাঝে উনারাও খেতে চাইতেন না। কাঠা্লের মৌসুমে আমাদের একটু কষ্টই হতো। কারন তখন সকাল-বিকাল ডিক্লেয়ার দেওয়া হতো ভাত রান্না হবে না। কাঠাল খেয়ে থাকতে হবে। কিন্তু সবাই ভাত খেতো। তবে আমাদের অনেক বড়ো বাড়িতে আম গাছের অভাব ছিলো। অন্য বাড়ির ঠিলায় ঝড়-বৃষ্টিতে আমাদের পাওয়া যেতো। ছিলো অনেক অনেক পেয়ারা গাছ। অনেক রঙের পেয়ারা। পেয়ারা খেয়ে পেট ভরে যেতো। পেয়ারাগুলো ছিলো খুবই মিষ্টি। জীবনে প্রথম কলেজে গিয়ে দেখলাম লোকজন লবন দিয়ে পেয়ারা খায়। প্রথম প্রথম হাসবো নাকি কাদবো বুঝলাম না। পরে পেয়ারা টেস্ট করে দেখলাম ঐসব পেয়ারা একদম পাইন্স্যা। ঐটাকে নাকি কাজি পেয়ারা বলে। মনে মনে ভাবলাম আরও কতো কিছু দেখতে হবে। স্কুলে যখন শহরবাসি হলাম দেখলাম লোকজন টাকা দিয়ে বাঁশ কিনে। প্রথমে একটু চমকালাম। কারন আমাদের বাঁশ ঝাড় কয়েকটা। প্রতি বর্ষার সময় কয়েকশ বাঁশ বিক্রি হতো। আত্মীয় পরিচিত যার যখন দরকার নিয়ে যেতো। অবশ্য এলাকার সবার বাড়িতেই বাঁশঝাড় ফলফসল ছিলো।
গতসপ্তাহে বাবা একটি কাঠাল নিয়ে আসলেন। ছোটবোন দেখে মোটামুটি উত্তেজিত। কাঠাল ভেঙ্গে দেখা গেলো কোষগুলো এখনো পরিপক্ষ হয়নি। মা দেখলাম একটু মনোক্ষুন্ন হলেন বাবার উপর। কারন জিঞ্জেস করতে বল্লেন এতো করে বল্লাম কাঠালের দানা পুরো যদি হয় তাহলে কাঠাল কিনতে (নানাবাড়ি আমাদের থেকেও বেশী কাঠাল। সুতরাং মা ভালো জানবেন)। উনি দুই/তিনটা মুখে দিয়ে বল্লেন গলা চুলকায়। কি আর করার পুরোটা মোটামুটি বিনে। কেউই খাইনি। আমার অবশ্য খাওয়ার শখ খুব একটা নেই। তবে দু:খ হলো ছোটবোনকে দেশে নিয়ে আমাদের ফেলে আসা দিনগুলোর দুরন্তপনা দেখানো যাবে না। আমাদের কাঠাল গাছগুলোর কাঠাল আমরা দেখেই বলে ফেলতে পারতাম কোনটা কোন গাছের। এক একটা গাছের পিকিউলিয়ার নাম ছিলো। গাছ পছন্দ হলে দুএকটা কোষ খাওয়া হতো না হলে বীজ রেখে বাকীগুলো গরুর খাবার। সকালে মক্তব শেষে রুটিন ছিলো মোটামুটি সবগুলো গাছের কাঠাল চেক করা। আর পাকা দেখে দেখে গাছ থেকে নামানো। পাকা কাঠাল গাছ থেকে নামানোও বেশ কষ্টের। আমার ছোটভাই ছিলো এইসবে ওস্তাদ। আমাদের কোন কাজের লোক ছিলো না। তাই কাজগুলো আমাদেরই করতে হতো। আর এখন ২৫/৩০ ইউরো দিয়ে কিনতে হচ্ছে ![]()
নটকলের গাছ ছিলো কম। তবে পাশাপাশি বাড়িতে চুরি করতাম বেশী। ফুফুর বাড়িতে ছিলো খুব বেশী। উনারা বস্তা ভরে পাটিয়ে দিতেন। তবে নটকলের বীচি খেয়ে পেট ব্যথা ছিলো সাধারন ব্যাপার। নটকলের রস দিয়ে খুবই মজার একটা আচার বানানো হতো। এখন প্রায় দুর্লভ। কতো বছর হলো নটকলের সাথে দেখা হয় না ![]()
স্পেন থেকে কমলা আসে। সিজনে খাওয়া হয় প্রচুর। আমাদের কমলা ছিলো মোটামুটি। তবে মামা বাড়ি বিরাট কমলার বাগান। গতবছর দেশ থেকে বন্ধু ফোন করে জানালো আমাদের এলাকা দিয়ে পুরো ফ্যামেলি নিয়ে কোথায় জানি যাচ্ছে। উনার ইচ্ছে হলো পরিবারের সবাইকে কমলা গাছ দেখানো। বল্লাম এখন তো কমলার সিজন। কপাল ভালো থাকলে ইচ্ছেমতো খেতে পারবি। মামাতো ভাইকে ফোন দিতে বল্লাম। পরে উনি জানালো ইচ্ছেমতো কমলা পেড়ে খেয়েছেন।
শীতের সময় টিয়ে পাখি একটা কাঠাযুক্ত ফল খেতো। স্হানীয় নাম বিটখুটে। এলাকার কিছু বিচ্চু ছেলে ঐগুলো কাঠা ছাড়িয়ে আমাদের কাছে বিক্রি করতো। এক টাকায় ১৬টা পাওয়া যেতো। কাঠা ছাড়ানো খুবই কষ্টের কাজ ছিলো। আর গাছলো টিলায় হতো। আমাদের এই গাছ ছিলো না। তখন এক টাকা বিরাট ব্যাপার। বাড়ি থেকে কোন টাকা হাতে দেওয়া হতো না। টাকা পেলে নাকি নষ্ট হয়ে যাবো। যা খেতে মন চায় শুধু বাসায় এসে বললেই হতো। ময়না পাখি এসে অন্য একটি ফল খেতো। ঐটা আমাদের বাড়িতে ছিলো প্রচুর। কিন্তু ঐফল মানুষের খাওয়ার উপযুক্ত না। টেষ্ট করে দেখেছি। অভ্যাস খারাপ। যা পাই হালকা টেষ্ট করে নেই। চান্সে যদি খাওয়া যায় তাহলে আর কে কাকে পায়। একটা বাদাম ছিলো। নাম মনে নেই (মনে হয় কাঠবাদাম)। ঐ বাদামের ফুল হতো খুব সুন্দর এবং সুগন্ধি। বাদামটা হাত দিয়ে ছিড়তে গেলে রস লেগে হাত চুলকাতো। কিন্তু ঐসবে পাত্তা দিলে কি চলে? ফল থেকে বাদাম বিচ্যুত করে গরম পানিতে সিদ্ধ করে তারপর খাও। লতা জাতীয় গাছে একধরনের আলু (ফল) হতো। ঐটাও গলা চুলকায়। কিন্তু আমরা পুড়িয়ে পেট পুজো করতাম। এইসব আউল ফাউল জিনিস বাড়ির বাইরে করতে হতো। বাসায় জানলে কপালে মাইর। আরো কতো আজাইররা কাজ কারবার হতো। আরেকটা ফল ছিলো স্হানীয় নাম বিটখুটে। গাছে সাধারনত সেইরকম কাঠা হতো। খেতে মিষ্টি। কে শুনে কার কথা। সবই ডাইজেষ্টেড
। তবে এইসব খেয়ে পেঠ ব্যথার কথা বল্লে উল্টো মাইরের ভয় থাকতো ![]()
এখানেও অনেক ফল রাস্তার ধারে গাছ ভর্তি। আপেল, স্ট্রবেরী, ব্রামবল, চেরী, নাম না জানা ফল, বাদাম অহরহ পাওয়া যায়। অফিসের পাশে গাড়ি পার্কিয়ের জায়গায় একটা চেরী গাছে খুব বেশী ফল এসেছে। কিন্তু কেউই খাচ্ছে না। দেখে খুবই কষ্ট হলো। সেই দু:খে আজ দুপুরে একগাদা খেয়ে এলাম। যদিও বাসায় অনেকগুলো দেখেছি টেবিলে ফ্রিজে রাখা । কিন্তু খাবার সময় কোথায়। ঘরে আসলে ভাত ছাড়া কিছু খেতে মন চায় না। আর বাইরে গেলে শুধু খাই খাই অভ্যাস।
অফিসে কে কোন উপলক্ষে খাওয়ায় বুঝা মুশকিল। জিঞ্জেস করার দরকার কি। খাইতে পারলেই হলো
। তবে পাবলিক খুব একটা খাইতে পারে না।
ভাঙ্গা মোবাইলে ছবি
মাইন নদী
![]()
![]()
বৃষ্টি আসতেছে। অফিস থেকে তোলা ছবি
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
চেরী ফল। ভালো করে দেখতে চাইলে গুগলে সার্চ দেন।
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
যারা খাইতে মন চায়, দাড়িয়ে আওয়াজ দেন।
![]()
![]()
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
খিদা লাইগা গেল। আমারো খাওয়ার বদভ্যাস আছে। আমাদের একটা গাছে কাঠাল হত যার সাইজ বেশী বড় নয়। কোস হত চার পাচটা কিন্তু ইয়া বড় বড়। অমৃতের স্বাদ ছিল তাতে। কামরাঙ্গা গাছে উঠে কাল পিপড়ার কামড় যে কত খেয়েছি তার হিসাব নাই। কামরাঙ্গা এমনিতে টক কিন্তু পাকলে (গাছ পাকা) যা স্বাদ হয় তা যে খেয়েছে সে জানে। কিন্তু পাকা কামরাঙ্গা আগেই পাখিতে কিছু খেয়ে ফেলত। আমি স্বাদের লোভে ঐ পাখির আধ খাওয়া পাকা কামরাঙ্গা খেতাম। বেল পাড়া সবচেয়ে কষ্ট। গাছ পাকা হতে বেল বেশ সময় নেয়। আমাদেরও কোন কাজের লোক নেই। আমিই গাছে উঠতাম। বাবা কাচা বেল সিদ্ধ করে খেতেন। আমাকেও জোর করে খাওয়াতেন। আমি খেতাম না। কাচা বেল সিদ্ধের মত বাজে জিনিস দুনিয়াতে খুব কমই আছে। তবে পাকা বেলের স্বাদ সেইরকম। আরেকটা জিনিস হল পেপে। গাছপাকা পেপের স্বাদ এখনও স্মরণ করি। এখন তো সব কেমিক্যালে পাকা পেপে। কোন স্বাদ নেই। গাছপাকা পেপে একটার পর একটা খেতে থাকলেও সাধ মেটেনা। আমড়ার মত আমড়া গাছের পাতাও কিন্তু স্বাদযুক্ত। আমড়া পাতা খেতাম খুব। পাকা আমড়ার স্বাদ সেই রকম। আসলে গাছ পাকা সব ফলই সুস্বাদু। তবে আমড়া গাছের ডালে সাবধানে পা ফেলতে হয়। নয়তো প্রপাত ধরণীতল। আরো কত কি ছিল...............
লেখক বলেছেন: কামরাঙ্গা খাইতে বালা ফাই না। আমাদের কামরাঙ্গা গাছ আগে ছিলো না। পাশের বাড়িতে ছিলো। আমাদের সমবয়সী যারা তারা পেয়ারার জন্য কামরাঙ্গা আর জাম্বুরা দিয়ে ভাব জমাতো। আমাদের টার্গেট ছিলো জাম্বুরা। ঐটা ও তখন আমাদের বাড়িতে কম ছিলো। কামরাঙ্গা নানা বাড়ি ছিলো অনেক। কাচা কামরাঙ্গা দিয়ে ভর্তা বানাতো। কিন্তু আমাদের খুব একটা ভালো লাগতো না।
লাল পিপড়ার কামড় খাইতে হতো যখন বর্ষা মৌসুমে পিপড়ার বাসা (ডুল) ভেঙ্গে ওদের ডিম দিয়ে বর্শী (বানান ভুল মনে হয়) বাইতে যেতাম (আসলে কামের কাম কোন মাছই পেতাম না। শুধু ভাব আর শখ)। তবে কাঠাল গাছে পিচ্চি টাইপ কিছু পিপড়া হতো। কামড় দিলে লাল পিপড়া ফেইল ;(
বেল কেনো যেনো আমার পছন্দের জিনিস না। এই জীবনে ১/২টা টেষ্ট করেছি। আর টেষ্ট করতে চাই না। আমাদের গাছ ছিলো না। তবে কিছু আত্মীয়ের বাসা থেকে মাঝে মাঝে আসতো।
আমড়া গাছ ছিলো। প্রচুর আমড়া হতো। স্কুলে আসতে যেতেও কয়েকটা পাওয়া যেতো। তবে কাচা আমড়া পছন্দ করতো আপুরা। আমরা পাকা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো। আমড়া গাছে কখনো উঠিনি। ঢিলঢিলি করেই খেয়েছি। তেতুল গাছ আর আমলকি গাছে উঠেছি। অবশ্য এই দুই গাছ ছিলো পাশের হিন্দু বাড়িতে। আমাদের ছিলো ওখানে লাগামহীন এক্সেস। সবাই তেতুলগাছে ভুতের ভয় দেখাতো। কিন্তু কে শুনে কার কথা।আমরা ভুতের চেয়ে খুব একটা ভালো ছিলাম না।
লিচু গাছ ছিলো কয়েকটি। প্রতি মৌসুমে লিচু খেয়ে বিক্রিও হতো। লিচু পাকার সময় হলে বাদুরের আক্রমন থেকে বাচার জন্য জাল দেওয়া হতো। মাঝে মাঝে ২/১টা লটকেও যেতো। লেচুর বীজ দিয়ে ঘুর্নি খেলা হতো। এখন মোটামুটি সবকয়টি লিচু গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। যত্নের অভাবে কমলা গাছও প্রায় নষ্ট। তবে নতুন নতুন বিদেশী কিছু ফলের গাছ লাগানো হয়েছে।
অলস ছেলে বলেছেন:
চমৎকার, বর্তমান আর অতীতের গাটছড়া। খাইতে মনতো চায়, কিন্তু খিদায় আওয়াজ দেয়ার শক্তি নাই। ঘুম থেকে উঠছি অন্তত তিন ঘন্টা আগে, চা খেয়ে আছি। আর সহ্য না করতে পারলে সাহস করে বউএর ঘুম ভাঙ্গাবো ভাবছি। একটু দোয়া করবেন।
লেখক বলেছেন: ভাইরে, সাহস একটু কম দেখাইয়েন।
বেশী থাকলে নিজে নিজে নাস্তা বানাই খেয়ে ফেলেন। আমিও করি ![]()
লেখক বলেছেন: তেচপাতা কৈ ফাই??
তেচপাতা চা খাইতে তাহলে কি বাংলাদেশ যাইতে হবে??
লেখক বলেছেন: জ্বি, খুব মজার ছিলো।
তবে আম্মার হাতে অনেকককককককক মাইর খাইতে হইছে ![]()
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
বড় বিলাই বলেছেন:
আমার ফল খুব খুব পছন্দ। আপনার লেখা পড়ে ফল খেতে ইচ্ছা করছে। এই মুহূর্তে কোন ফল নাই হাতের কাছে।
অপ্সরা বলেছেন:
শিরোনামটা খুবি মজার হয়েছে
আবু সালেহ বলেছেন:
শিরোনামটা শেষ করলেন না কেন?????
তয় আওয়াজ দিতে বলছিলেন...আওয়াজ দিলাম.................
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















