আমার প্রিয় পোস্ট

I have recognized God from the breaking of my plans ( Hazrat Ali [R.A] )

আল্লাহ আছেন কি নাই ?( মুসলিম, নাস্তিক কাল্পনিক কথাবার্তা)

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১০

শেয়ারঃ
0 0 0

মুসলিম ঃ তুমি কি ঈশ্বরে বিশ্বাস কর ?

নাস্তিক ঃ না করি না, কোন ঈশ্বর নাই । তুমি কি আমার কাছে প্রমান করতে পারবে ?

মুসলিমঃ পৃথিবী, মহাবিশ্ব, চন্দ্র , সূর্য , গ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি ;;;;;; সবাই প্রমান করে একজন ঈশ্বর আছেন ।

নাস্তিকঃ আমি কি ঈশ্বরকে দেখতে বা শুনতে পারি ?

মুসলিমঃ না, তুমি পার না । তবে আমাদের কাছে ঈশ্বরের কথা আল কোরান আছে । যা আরবি ভাষায় নাজিল হয়েছে । আরব কবিদের চেল্যঞ্জ জানিয়েছে । কিন্তু তারা খুব ভাল কবি হলেও তা পারে নি । বর্তমানেও কিছু ব্যক্তি আপ্রাণ চেষ্টা করতে ছে , কিন্তু এগুলা তাদের নিজেদের নিয়ে কৌ্তুক করার মত হইতেছে ।

নাস্তিকঃ তাহলে কোরান শুধু আরবের জন্য ।

মুসলিমঃ না , কোরান সব মানুষের জন্য । আরবি ভাষা জানা থাকলে বুঝতে সহজ হয় । অন্য ভাষায় অনুবাদ আছে । ঐ গুলি পড়লেই হয় । কিন্তু , আনুবাদ যেহেতু মানুষের তাই অনুবাদে কিছু ভুল থাকে । কিন্তু আসল বিষয় বুঝা যায়, যদি বুঝতে চান। কোরানের মহত্ব, বুঝা যায় সহজেই, যদি বুঝতে চান ।

নাস্তিকঃ কোরানের মহত্বের একটি প্রমান দেন ?

মসুলমানঃ যেমন কোরান হোমোসেক্সিয়ালিটি , অপেন সেক্স নিষিদ্ধ করেছে । বর্তমানে আপনি হোমোসক্সিয়ালিটি আর অপেন সেক্স এর জন্য এইডসে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু দেখবেন ।

নাস্তিকঃ আমরা ঈশ্বরের আস্তিত্ব সম্পর্কে কথা বলতে ছিলাম । এই মহাবিশ্ব ঈশ্বর কর্তৃক সৃষ্টি , তাহলে ঈশ্বরকে কে সৃষ্টি করেছে ?

মসুলমানঃ ঈশ্বর সৃষ্টি হতে পারেন না । কারন তিনি চিরজীবি, চিরন্তন ।

নাস্তিকঃ আমি বলতে পারি মহাবিশ্ব চিরজীবি ।

মসুলমানঃ মহাবিশ্ব পরিবর্তনশীল । তাই তা চিরজীবি হতে পারে না ।

নাস্তিকঃ তুমি আমাকে কনভিন্স করতে পারো নি ।

মসুলমানঃ আমি পারবোও না । আমি শুধু বলতে পারি ভাল করে কোরান পড় । আমার চৌদ্দ পূরুষ চাইলেও, তুমাকে বুঝাইতে পারবো না । তুমি জ্ঞানী, নিজেই শুদ্ধমনে কোরান পড় ।

নাস্তিকঃ কোরান আমাদের সম্পর্কে কি বলে ?

মসুলমানঃ এখানে দেখুন ,
“(তারা বলে, কিসের আবার পুনরুত্থান) দুনিয়ার জীবনইতো হচ্ছে আমাদের একমাত্র জীবন, আমরা (এখানে) মরবো, (এখানেই) বাঁচবো, আমাদের কখনই পুনরুত্থিত করা হবে না”। (সূলা আল-মুমিনূন : ৩৭) “আমরা চাইলে এধরণের কথাতো নিজেরাও বলতে পারি, এগুলো তো আগের লোকদের উপকথা ছাড়া আর কিছুই নয়”। (সূরা আল আনফাল : ৩১) “আমরা তো দেখছি যে, তুমি সুস্পষ্ট গুমরাহীতে লিপ্ত রয়েছ” (সূরা আল আ’রাফ: ৬০) “আমরা তো তোমাকে নির্বুদ্ধিতায় লিপ্ত মনে করি” (সূরা আল আ’রাফ: ৬৭) “তোমরা যা মেনে নিয়েছ আমরা তা অস্বীকার করি, অমান্য করি” (সূরা আল আ’রাফ: ৭৬) “আচ্ছা, তাহলে নিয়ে আস সেই আযাব, যার তুমি আমাদেরকে ভয় দেখাচ্ছ”। (সূরা আল আরাফ: ৭০) “এই লোকদিগকে তো এদের দ্বীন (ধর্ম) ধোকার কবলে নিক্ষিপ্ত করেছে” (সূরা আল আনফাল: ৪৯)
নাস্তিকঃ আমি নাস্তিক হলেও, বলতে বাধ্য হচ্ছি কোরান আমাদের সম্পর্কে সত্য কথা বলে ।

মসুলমানঃ তুমি জ্ঞানী, নিজেই শুদ্ধমনে কোরান পড় । আমি শুধু এই আহব্বান জানাই ।

{নিচের এই লেখা থেকে লেখা , কিছুটা আমার নিজের মত করে

Wael El-Manzalawy
Egyptian Writer

Article Source: Click This Link
আমি পেয়েছি http://alquran-online.net/content/view/101/1/
আর নাস্তিকদের সম্পর্কে কোরানের আয়াত গুলি আমি পেয়েছি ব্লাগার উমর ভাইয়ের এই লেখা থেকে
Click This Link }

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ফিলোসফি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: টেকনোলজিবিজ্ঞান  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: আশা করি নাস্তিকরা সত্যর পথে আসবে।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: আল্লাহ পাক আমাকে ক্ষমা করুন । আল্লাহ সুবাহানাতালা স্রষ্টা কে এই প্রশ্ন হলে সকল মসুলমানের উচিত আল্লাহ পাকের আশ্রয় চাওয়া । এটাই নিয়ম । আমরা আল্লাহ পাকের আশ্রয় কামনা করি ।

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই আল্লাহ সুবাহানাতালার আশ্রয় প্রার্থনা করি । ধন্যবাদ ।

৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২
পুলসিরাত বলেছেন: যারা আল্লাহ ও তার রাসুলকে বিশ্বাস করে না তারা জাহান্নাতে যাবেই। আর কিছু মুসলিম নামধারী নাস্তিক ও দুনিয়াতে দেখা যায়। তাদের কি হবে একমাত্র আল্লাহই জানে।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই আল্লাহ সুবাহানাতালার আশ্রয় প্রার্থনা করি । ধন্যবাদ ।

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই আল্লাহ সুবাহানাতালার আশ্রয় প্রার্থনা করি । ধন্যবাদ ।

৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০০
আশিক১১৪ বলেছেন: বিশ্বাসিদের জন্যই রয়েছে হেদায়েত ও পথনির্দেশনা
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই আল্লাহ সুবাহানাতালার আশ্রয় পার্থনা করি । ধন্যবাদ ।

৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
প্রকৃত দেশপ্রেমিক বলেছেন: ভাই জানেরা নাস্তিক গরে সত্যের পথে আনার জন্য টাইম নস্ট না কইরা আপনের নিজেরা আগে সত্যের পথে ঠিক মত চলেন ।এই দুনিয়াডারে আপনারা আস্তিক গন এমনেই দোজক বানাইয়া রাখছেন যে নাষ্তিক গরে দোজকের ভয় দেখাইয়া আর লাভ নাই...................
৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১২
ফাহিম আহমদ বলেছেন: মুসলমান হওয়ার জন্য কারো উপরই কোন বাধ্যবাধকতা নেই। “লা ইকরাহা ফিদ্দীন” কোরআনের এই বহুল প্রচারিত আয়াতের অর্থ হলঃ দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই। নবীজী (সাঃ)র আমলেও আরবের হাজার হাজার মানুষ অমুসলমান থেকেছে। মিশর, লেবানন, ইরাকসহ আরব দেশগুলির লক্ষ লক্ষ মানুষ আজও যে অমুসললিম, –তারা তো তাদেরই বংশধর। কোন মুসলিম সেনাবাহিনী কোন কালেই তাদেরকে মুসলিম হতে বাধ্য করেনি। কিন্তু যারা জেনে বুঝে মুসলিম হয় তাদের মাথার উপর অলংঘনীয় দায়িত্বও এসে যায়। অনেকটা সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার মত। সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে কাউকে বাধ্য করা হয় না। কিন্তু যোগ দিলে সেনাবাহিনীর বাইরের লোকদের থেকে তার দায়িত্বটা ভিন্নতর হয়। তখন প্রাণ হাতে রণাঙ্গণে যাওয়াটি তার মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে এসে যায়। যুদ্ধে না গেলে বা নির্দেশ পালনে অবাধ্যতা দেখালে তার কোর্টমার্শাল হয়। বিচারে কঠোর শাস্তি হয়, এমনকি প্রাণদন্ডও হয়। প্রশ্ন হলো, মুসলমান হওয়ার পর সে বাধ্যবাধকতাটি কি? সেটি হলো, মহাশক্তিমান আল্লাহতায়ালার সাথে এক অলংঘনীয় চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়া এবং চুক্তিটি হলো, একমাত্র আল্লাহতায়ালাকে সে মাবুদ বা উপাস্য রূপে মেনে নিবে এবং নিজে তাঁর একান্ত দাসরূপ প্রতিটি হুকুমকে প্রতিনিয়ত মান্য করে চলবে। সেটি শুধু নামায-রোযা-হজ্জ-যাকাতের ন্যায় ইবাদতে নয়, বরং যেখানেই আল্লাহর হুকুম তাকে তৎক্ষনাৎ সঁপে দিতে হবে সে হুকুমের প্রতিপালনে। আল্লাহর হুকুম প্রতিপালনের দায়িত্ববোধ তাকে সর্বক্ষণ নিবিষ্ট করবে সে হুকুমের অনুসন্ধানে। অনুসন্ধানের সে কাজটি প্রতিটি ঈমানদারের উপর ফরয। কারণ, আল্লাহর হুকুমটি যে জানে না, সে ব্যক্তি হুকুমের অনুসরণ করবে কি করে? কোরআনের জ্ঞানার্জন এ জন্যই ফরয। অজ্ঞতা একারণেই সবচেয়ে ভয়ানক কবীরা গুনাহ। অজ্ঞতা নিয়ে তাই মুসলমান হওয়া যায় না, মুসলমান থাকাও যায় না। পথের অজ্ঞতা নিয়ে সঠিক রাস্তায় পথচলা অসম্ভব। এখানে যেটি অনিবার্য সেটি পথভ্রষ্টতা।

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই আল্লাহ সুবাহানাতালার আশ্রয় প্রার্থনা করি । ধন্যবাদ ।

৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
রেজওয়ান করিম বলেছেন: আশা করি নাস্তিকর ইসলামের পথে আসবে
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই আল্লাহ সুবাহানাতালার আশ্রয় পার্থনা করি । ধন্যবাদ ।

১০. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১০
ময়ুরবাহন বলেছেন: যার যার ধর্ম নিজেদের ব্যাপার । বৌদ্ধধর্ম তো নাস্তিকের ধর্ম । কিন্তু আমার তো বৌদ্ধধর্মকেই সব থেকে শান্তির ধর্ম বলে মনে হয় (আমি নিজে বৌদ্ধ না হয়েও নিরপেক্ষ মতামত দিচ্ছি) ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: বৌদ্ধধর্ম কোন ধর্ম নয় , একটা ফিলসফি মাত্র । বৌদ্ধ ফিলোসফি থেকে আইস্টাইন-স্পিঞ্জুয়ার ফিলসফি অনেক অনেক ভাল । ভাল থাকেন ।

১১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
তিতি আনা বলেছেন:
আইস্টাইন-স্পিঞ্জুয়ার এরা কে?

কবে জন্ম এদের?
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: ১০০ বছর পরে জন্মাইবে । রামের জন্মের ১০০ বছর আগে যেমন রামায়ণ লেখা হইছিল । তেমনি এরা জন্মাইবার বহু আগেই এদের সব ফিলোসফি লেখা হয়েগেছে ।

১২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০১
তিতি আনা বলেছেন:
“আচ্ছা, তাহলে নিয়ে আস সেই আযাব, যার তুমি আমাদেরকে ভয় দেখাচ্ছ”। (সূরা আল আরাফ: ৭০)


উপরের আয়াতটা কি সম্পূর্ণ কোন আয়াত? সম্পূর্ণ হলে আগের এবং পরের আয়াত দুটি কি?

এটা কি অবিশ্বাসী কর্তৃক বিশ্বাসীদের কাছে করা প্রশ্ন? নাকি অবিশ্বাসীদের উদ্দেশ্যে ছোঁড়া প্রশ্ন?


পরের টা হইলে আমি কই : " আসলেই দেখানতো, সেই আজাব, একটু নমুনা দেখান"
১৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৫
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই আল্লাহ সুবাহানাতালার আশ্রয় পার্থনা করি । ধন্যবাদ ।

১৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪০
আরিফুর রহমান বলেছেন: জনগন এইসব ছাগুথেকে সাবধান থাকুন.. .মিথ্যা তথ্য দিয়ে আপনাদের বিভ্রান্ত করতে চায় এইসকল ধর্ম-প্রচারক-ব্যবসায়ী।


দেখুন..
বর্তমানে আপনি হোমোসক্সিয়ালিটি আর অপেন সেক্স এর জন্য এইডসে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু দেখবেন ....


এইডসে মৃত্যুর কারন নাকি শুধুই সেক্স.. অথচ এইডস ছড়ানোর আরো অন্তত তিনটি প্রধান কারন আছে..

১. সিরিঞ্জ শেয়ার করা
২. মায়ের বুকের দুধ পান
৩. রক্ত সঞ্চালন

এবং আরো অনেক..


আমাদের ছাগু ধর্মপ্রচারক-ব্যবাসায়ীর পাল কখনোই এগুলি উল্লেখ করে না। বরং সেক্সই তাদের একমাত্র শিকার... হায়রে বেকুব গুলি।...
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: আমার পোষ্টে ছাগলে মুখ দিছে ।

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন: সেক্সে হয় না , বুঝি ।

১৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: বলদটা আরো বলৈ...

... বলতে বাধ্য হচ্ছি কোরান আমাদের সম্পর্কে সত্য কথা বলে ।...

আরে মানুষ সম্পর্কে 'সত্য' কথা কোরানে বুঝি প্রথমবার বলেছে? কি ধরনের ক্রেডিট চুরি এইটা??

আরে মুহাম্মদ তার দাদার সঙ্গে আরবের আশে পাশে অনেক অ্ঞ্চলে গিয়ে অনেক ধরনের অভিজ্ঞতা আর জ্ঞানই সঞ্চয় করেছে, সেখান থেকে দু'চারটা মেরে দিয়ে এখন কোরান হয়ে গেলো 'মানুষ সম্পর্কে সত্য বলার উৎস???

ধর্মে বিশ্বাস করলেই যে এ ধরনের বেয়াকুফী লেখা দিতে হবে সেটা কোথায় বলা আছে??
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: ছাগলটা নিজেরে বলদ বলা শুরু করছে । তবে, বলদ কিভাবে ছাগল হয় বুঝতে পারি নাই ।

১৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: ওহে মর্কট.... 'উপল্বদী' বিষয়টা কি?

নাকি মাদ্রাসায় এসব কঠিন বানান শেখায় না? তো, কি নিয়ে সময় কাটে তোমাদের?

হুজুরের বিভিন্নাংশ মর্দন করে?
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: ছাগলে দেখি কথাও কইতে পারে ।

১৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫০
আরিফুর রহমান বলেছেন: তোমার প্রফাইলে যা বলেছো, তা বুঝে লিখেছো, নাকি তোমার মগবাজারী লীডার লিখে দিয়েছে?
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: আমার প্রফাইলে কি আছে না আছে তা একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি কেমনে জানল !!!! ?

১৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২
তিতি আনা বলেছেন:
আইনস্টাইনের এতো সৃষ্টিকর্ম পৃথিবীতে বর্তমান থাকা সত্ত্বেও তাকে স্রেফ ফিলোসফার বলে (তাও মিথ্যা) পরিচয় দিচ্ছেন, আর মুহম্মদের কোন সৃষ্টিকর্মতো দূরে থাক, একটা ফটোও বর্তমান নেই, তারে নিয়া এতো ফাল ফাড়েন ক্যান?


আমার একটা কমেন্টের জবাব দেননি। ঠিকআছে, আয়াতের বিবরণ দিতে হবে না, খালি - কোথা থেকে কপি পেস্ট মারছেন-এটা কইলেই ছাইড়া দিমু। নইলে ধোলাই অপেক্ষা করছে আপনার জন্য।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: ধোলাই নিজেই খান গিয়া । কারন স্পষ্ট কথা বোঝেন না । এটা আপনাদের আগেকার মানুষের কথা , তারা বিশ্বাসীদের(রাসূল ঃ) কে প্রশ্ন করছিল ।

আইস্টাইনরে আমি কই খালি ফিলোসফার বানাই লাম , খালি কইলাম হের ফিলোসফি আপনার বৌদ্ধ এর ফিলোসফি থেকে অনেক ভাল । হে যে সাইন্টিষ্ট আছিল তা আপনে জাইনাও কেরে প্রশ্ন করেন ।

১৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: তা, মনকলা খাইতে থাকা মগবাজারী মোল্লার চুনুপুটি.... কওতো দেখি ... ...পৃথিবী, মহাবিশ্ব, চন্দ্র , সূর্য , গ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি .....সবাই কেমনে কৈরা প্রমান করে যে ইশ্বর আছে?

খালি কৈলেই তো হয় না, কিছু 'প্রমান' দেখাইতেও তো হয়.. নাকি?
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: সবাই তো আর আফনের মত না । বুঝাইতে, পাগলের ডাক্তার হওন লাগবো না ।

২০. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: আর শোনো.. তোমারে ছাই দিয়া ধরছি.. খৈয়াল কৈরা... সাহস আর আত্মবিশ্বাস থাকলে হয় পয়েন্টে জবাব দিবা, নাইলে পইড়া পইড়া মাইর খাইবা...

ওকে?
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: গুল্লায় যাও মিয়া , জীবনে ছাই দেখছিলায় নি ।

২১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
লিটল হামা বলেছেন: আপনি নিজেই রিপোস্ট করে সবাইকে টেনে আনলেন, এখন খালি কথা এড়িয়ে যান কেন? :(
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: কারো কথার জবাব কথাতে থাকলে আমি কি করব ?

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: টেনে আনি নাই , সবাই যাতে দেখুক তাই চাইছিলাম । বিশেষ করে আরিফুর আইয়াই গালি দিয়া শুরু করল । আমার লেখায় কোন গালি গালাজ ছিল না । কমেন্ট ডিলিট করি নি । কারন সবাই দেখুক কে গালিগালাজ শুরু করে ।

২২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০২
তিতি আনা বলেছেন:
ধুর! শালা আস্ত একটা খাসী!

এটা এসলামী না, পিসলামীও না... এটা হিজড়াও না...
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: বৌদ্ধ বুঝি মানুষরে খাসি কইতে কইছে ? আমি তো আগে জানতাম না ।

২৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: কোরান বলে আরবি ভাষায় 'নাযিল' হইছে.... আবার বলে... আরব কবিদের চেল্যঞ্জ জানিয়েছে

আমরা কি জানি শুনবা...?

মোহাম্মদের বন্ধুমহলে কয়েকজন কবিগোত্রীয় ছিলো.. তাগো লগে উঠা বসা কৈরাই মোহাম্মদ কাব্যিক ইশটাইলে কয়েক-ছত্র 'বয়েৎ' বানানের তরিকা শিখছিলো... আর সেইটাই হইয়া গেলো.. তার ধোঁয়া ধোঁয়া আয়াত নাযিলের যন্ত্র...

বুজলা?
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: Abdur Rahim Green mentions that:

These are the sixteen al-Bihar (literally “The Seas”, so called because of the way the poem moves, according to its rhythmic patterns): at-Tawil, al-Bassit, al-Wafir, al-Kamil, ar-Rajs, al-Khafif, al-Hazaj, al-Muttakarib, al-Munsarih, al-Muktatab, al-Muktadarak, al-Madid, al-Mujtath, al-Ramel, al-Khabab and as-Saria’. So the challenge is to produce in Arabic, three lines, that do not fall into one of these sixteen Bihar, that is not rhyming prose, nor like the speech of soothsayers, and not normal speech, that it should contain at least a comprehensible meaning and rhetoric, i.e. not gobbledygook. Now I think at least the Christian’s “Holy spirit” that makes you talk in tongues, part of your “Tri-Unity” of God should be able to inspire one of you with that!

E H Palmer, as early as 1880, recognized the unique style of the Qur’an. But he seem to have been wavering between two thoughts. He writes in the Introduction to his translation of the Qur’an:

That the best of Arab writers has never succeeded in producing anything equal in merit to the Qur’an itself is not surprising. In the first place, they have agreed before-hand that it is unapproachable, and they have adopted its style as the perfect standard; any deviation from it therefore must of necessity be a defect. Again, with them this style is not spontaneous as with Muhammad and his contemporaries, but is as artificial as though Englishmen should still continue to follow Chaucer as their model, in spite of the changes which their language has undergone. With the Prophet, the style was natural, and the words were those in every-day ordinary life, while with the later Arabic authors the style is imitative and the ancient words are introduced as a literary embellishment. The natural consequence is that their attempts look laboured and unreal by the side of his impromptu and forcible eloquence. {Reference : Click This Link

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: আকাশ মালিকের কথা এই খানে কইয়া লাভ নাই ।

২৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৩
আরিফুর রহমান বলেছেন: তুমি জানো..?

বেশিদুর যাওন লাগে না.. তোমাগো ফাটিহা'র মতোই এক জব্বর কাবজাব আমাগো 'দুরের পাখি'ই লিখছিলো...


পরম বাশ প্রদায়কের নামে 'দুরের পাখির' উছিলায় এইটা দিলাম...

পোস্তে দে মোআম্ন

তোয়াহাশিতে অবতীর্ণ , আয়াত সংখ্যা-অজ্ঞাত

পরম বাঁশ-প্রদায়ক ও কঠিন দয়ালু কাবজাবের নামে শুরু করছি ।

১ : ৎ ঞ ষ

২ : এটি সেই পোস্ট যা সকল অন্ধকারকে দূরীভূত করে, আলো আনয়ন করে ও গাব গাছের তলায় পানি দেয় ।

৩ : তোমার কি মনে নেই , তোমার প্রভু কাবজাব তোমাকে পেয়েছিলেন অন্য নামে , অতঃপর তিনি তোমার নাম দিলেন পাখি ।

৪ : অনন্তর তোমার প্রভু প্রতিজ্ঞা করলেন তোমাকে দেবেন এক মহাপোস্ট সিরিজ, যা চলবে চল্লিশ বৎসর কাল, আর যাতে থাকবে মানবকূলের জন্য এক পরিপূর্ণ জীবন ও ব্লগব্যবস্থা , নিশ্চয়ই তিনি প্রতিজ্ঞারক্ষায় পিছপা হননা ।

৫ : বল, হে জনপদের অধিবাসীরা , তোমাদের জন্য আমি সুখবর আনছি পরম বাঁশপ্রদায়কের নিকট থেকে এক মহাসিরিজের, কিন্তু তার জন্য তোমাদের পূরণ করতে হবে একটি শর্ত ।

৬ : তারা বলে, পরমপ্রভু চাইলেই পারেন হাজার হাজার মহাসিরিজ নাযিল করতে , তবে কেন তিনি শর্ত জুড়ে দেন ।

৭ : তুমি বলে দাও, আকাশমন্ডলি এবং সামু আমু আলু ব্লগের অধিপতি কাবজাব অবশ্যই পারেন ; কিন্তু তিনি যা ইচ্ছা করেন ও যা ইচ্ছা করা থেকে বিরত থাকেন, আর বান্দার প্রতি তিনি সিরিজ নাযিল করেন পরীক্ষার মাধ্যমে ।

৮ : অবশ্যই তোমাদের কল্যাণের জন্যই তিনি শর্ত জুড়ে দেন , এবং তিনি জানেন অজ্ঞাত বস্তুর সম্পর্কে, যা তোমরা জানো না ।

৯ : শপথ জানা ও আঢ়িলের, আরো শপথ কলু ও ত্রিভুজের ।

১০ : নিশ্চয়ই কাবজাবের শর্ত পালনের মধ্যেই ব্লগারকুলের কল্যাণ নিহিত ।

১১ : বল কাবজাবের শর্ত এই ।

১২ : অতঃপর যখন এই পোস্ট নাযিল হয়ে যায়, মোআম্নকে ধরে আনো যেখানে পাও সেখান থেকে, জীবিত অথবা মৃত ।

১৩ : যদি জীবিত ধরে আনো , তবে তাকে কুরবানি কর, যখন কাবজাবের নাম নিয়ে সূর্য উদিত হয় তখন ।

১৪ : পরম-বাঁশপ্রদায়ক তোমাদের সময় দিচ্ছেন একরাতের , আর যখন তোমরা সফল হবে, তখন তিনি তোমাদের উপর নাযিল করবেন চল্লিশবর্ষব্যাপী এক মহাসিরিজ যাতে থাকবে মানবজাতি ও ব্লগারকূলের জন্য পরিপূর্ণ দিক-নির্দেশিকা ।

১৫ : আর যদি তোমরা ব্যর্থ হও, তবে পরমপ্রভু তোমাদের ত্যাগ করবেন, তোমাদের পূর্ববর্তী জাতি-গ্রহসমূহের মত, যারা ব্যর্থ হয়েছিল কাবজাবের
শর্তপূরণে ও যারা অস্বীকার করেছিল তাদের নিজ নিজ জাতির মোআম্নদের কাবজাবের নামে উৎসর্গ করতে ।

১৬ : তারা কি দেখেনা , পরম-বাঁশপ্রদায়ক কাবজাব কি বিচার করেছিলেন ণূঢ়া ও তার চশমিশ ফ্যানদের ; ণূঢ়াকে তিনি নির্বাসিত করেছিলেন পশ্চিমের মরুভুমিতে , আর চশমিশ ফ্যানদের বানিয়েছিলেন জেনারেল আর তাদের তিনি হেয় করেছিলেন দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা ওয়াচ করিয়ে , তারা নিস্তার পায়নি ঘুমাতে গিয়েও এমনকি গোসল করে এসেও ।

১৭ : কিন্তু পরম-প্রদায়ক ণূঢ়ার চশমাটিকে সংরক্ষণ করেছিলেন পরবর্তী জাতিসমূহের জন্য নিদর্শণ-স্বরুপ, যাতে তারা সাবধান হয় ।

১৮ : তারা কি শিক্ষা গ্রহণ করবে না পূর্ববর্তী যারা শর্তপালন করেনি তাদের থেকে , নাকি তারা বধিরও অন্ধ ।

১৯ : তারা কি জানেনা পরম কাবজাব খবর রাখেন সমস্ত কিছুর ; তাদের আইপি এড্রেস, সাবনেট মাস্ক , ডিফল্ট গেটওয়ে , এবং অন্য সমস্ত কিছুর যারা তা লুকিয়ে রাখে সেসবেরও ।

২০ : তারা কি দেখেনা পরম কাবজাব কিভাবে একটি পোস্টকে ডিলিট করান ও কাউকে কাউকে জেনারেল বানান ও কাউকে কাউকে ওয়াচ করান , আর এসবের জন্য তার একটি ইশারাই যথেষ্ঠ ।

২১ : অতঃপর তারা পরম প্রদায়কের কোন বাঁশকে এড়িয়ে যাবে ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: গোরার ডিম হইছে ।

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: Abdur Rahim Green mentions that:

These are the sixteen al-Bihar (literally “The Seas”, so called because of the way the poem moves, according to its rhythmic patterns): at-Tawil, al-Bassit, al-Wafir, al-Kamil, ar-Rajs, al-Khafif, al-Hazaj, al-Muttakarib, al-Munsarih, al-Muktatab, al-Muktadarak, al-Madid, al-Mujtath, al-Ramel, al-Khabab and as-Saria’. So the challenge is to produce in Arabic, three lines, that do not fall into one of these sixteen Bihar, that is not rhyming prose, nor like the speech of soothsayers, and not normal speech, that it should contain at least a comprehensible meaning and rhetoric, i.e. not gobbledygook. Now I think at least the Christian’s “Holy spirit” that makes you talk in tongues, part of your “Tri-Unity” of God should be able to inspire one of you with that!

E H Palmer, as early as 1880, recognized the unique style of the Qur’an. But he seem to have been wavering between two thoughts. He writes in the Introduction to his translation of the Qur’an:

That the best of Arab writers has never succeeded in producing anything equal in merit to the Qur’an itself is not surprising. In the first place, they have agreed before-hand that it is unapproachable, and they have adopted its style as the perfect standard; any deviation from it therefore must of necessity be a defect. Again, with them this style is not spontaneous as with Muhammad and his contemporaries, but is as artificial as though Englishmen should still continue to follow Chaucer as their model, in spite of the changes which their language has undergone. With the Prophet, the style was natural, and the words were those in every-day ordinary life, while with the later Arabic authors the style is imitative and the ancient words are introduced as a literary embellishment. The natural consequence is that their attempts look laboured and unreal by the side of his impromptu and forcible eloquence.

২৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৪
তিতি আনা বলেছেন:
তুমি ক্যামনে বুঝলা আমি বৌদ্ধ?

আন্দাজে কথা বলা মিথ্যার শামিল, আর মিথ্যা বলা কবিরাহ গুনাহ

(অবশ্য কবিরাকে গাইল দিলে কি গুনাহ হয়, সেটা জানি না) :(
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: আমি তুমারে বৌদ্ধ কই কইলাম ? আমি কইলাম "বৌদ্ধ বুঝি মানুষরে খাসি কইতে কইছে ?"
মিছা কথা কইবার জাগা পান না ।

২৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৫
শয়তান বলেছেন: হয়রাণবাঈয়ের ফুডাজ্ঞানহীন নিকটা মজার :) ।বেশ জোকার জোকার ভাবাছে ;)
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: রায়হান ভাইয়ের সাথে না পাইরা , শয়তানের মাথা আঊলাইয়া গেছে । যেখানেই যায়, শুধু ঊনারেই দেখে ।

২৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: রায়হান ছাগুডারে এমুন পোন্দানি দিছি হারমাদটা এখন অন্য নামে আইছে..
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: রায়হান ভাইয়ের সাথে না পাইরা , শয়তানের মাথা আঊলাইয়া গেছে । যেখানেই যায়, শুধু ঊনারেই দেখে ।

আফনের ও বুঝি ঊনার সাথে না পাইরা মাথা আঊলায়া গেছে ।

২৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২০
আরিফুর রহমান বলেছেন: আর নাস্তিকে কোনদিন তোমারে গিয়া জিগাইবো, না? কুরানের মহত্বের প্রমান?

এমন আবাল নাস্তিক তোমার কল্পনার জান্নাতেই পাইবা.. বাস্তবে দৌড়ের উপ্রে থাকবা..

হালার মনকলা... এই ধর্ম-ব্যবাসায়ী-প্রচারক আবালগুলা খাইতে শুরু করলে ছিলা আছিলা, আইট্যা দামড়া কিছুই বাদ দেয় না...
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: হারা দুনিয়ার নাস্তিকরা জিগাইতাছে আফনে দেখান না নাকি । বাস্তবে নাই নাকি আপনি ?
সজাগ থাইকা ঘুমান নাকি ?

২৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: তা বলদাটা আরো বলে.... ''ঈশ্বর সৃষ্টি হতে পারেন না । কারন তিনি চিরজীবি ।''


তা কোন কিতাবে পাইসো এই বালছাল বক্তব্যটা? যেই জিনিস জীবন আছে, (কারন তুমি চিরজীবি কৈছো) তার জন্মটা কবে হইছিলো কওতো...???

নাকি খালি কৈয়া দৌড় দিয়া পলায়া গেলেই খালাস..??
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: জন্মো নাঈ দেইখায় চিরজীবি ।

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: ইংলিশ eternal শব্দটা ভাল বুঝতে ।

৩০. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩০
শয়তান বলেছেন: ঠিক । একটা ক্রিমিনাল অফেন্ডারের সাথে কেমনে পারমু :) । মোবাইল ফোনে যে হুমকি দেয় সে তো নিকৃষ্টমানের ক্রিমিনাল ।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: আফনের মুবাইল নাম্বার টা ঊনি পাইবেন কই ? আর আমি তো জানতাম শয়তান জিন জাতির । হেরাও কি এখন মোবাইল ইঊজ করে নাকি ।

৩১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩২
আরিফুর রহমান বলেছেন: রায়হান কুত্তায় আবার মোবাইলে হুমকি দেয় নাকি??

ওই বানচোতের ডিটেলস বলেন তো... @শয়তান
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: আফনার মত দুই ছাগলের সাথে আরো বাকি সকল ছাগল মিল্লা ঘোরার ডিম পারতে থাকেন ।

আফনের মত দশ বারো হাজার ছাগল আর সাথে তাদের গুরুদের নিয়া গেলেও , ঊনার সাথে পারবেন না ।

৩২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: আমার ব্লাগ কারো চেট করার জায়গা না । তাই চেট করার মত কমেন্ট গুলি ডিলিট করা হইতেছে । গালি গালাজের শাস্তি সরূপ ব্লাগার আরিফুরকে ব্লক করা হইলো ।
৩৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
কোন একজন বলেছেন: ১. এইডসে মৃত্যুর কারন নাকি শুধুই সেক্স.. অথচ এইডস ছড়ানোর আরো অন্তত তিনটি প্রধান কারন আছে..

১. সিরিঞ্জ শেয়ার করা
২. মায়ের বুকের দুধ পান
৩. রক্ত সঞ্চালন

আল্লাহ্ কি এসব জানতেন না? নাকি আমরা জোর করে সব কোরআনের সাথে মিলিয়ে দিচ্ছি?

২. আল্লাহ্ কি সব পারেন?

যদি হ্যাঁ হয়, তবে নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দিন,

তিনি কি মিথ্যা বলতে পারেন?

তিনি কি নিজেকে ধ্বংস করতে পারেন?

তিনি কি এমন বিশাল একটা পাহাড় তৈরি করতে পারেন, যা তিনি নিজেও নাড়াতে পারেন না?


মাফ করবেন। আপনি যেহেতু জ্ঞানী আস্তিক, তাই প্রশ্নগুলো করলাম। উত্তর দিবেন...
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০০

লেখক বলেছেন: আমি কি কইছি ১. এইডসে মৃত্যুর কারন নাকি """""শুধুই"""" সেক্স
মিছা কথা কইবার জায়গা পান না ।


আর আমি জ্ঞানি না । আমি কি কইছি আমি জ্ঞানি ।


ডাক্তার জাকিরের বক্তব্য শুনুন

God does not perform ungodly acts:

The attributes of Almighty God preclude any evil since God is the source of justice, mercy and truth. God can never be thought of as doing an ungodly act. Hence we cannot imagine God telling a lie, being unjust, making a mistake, forgetting things, or having any such human failings. Similarly God can do injustice if He chooses to, but He will never do it because being unjust is an ungodly act.

The Qur’an says:

“Allah is never unjust In the least degree.”
[Al-Qur’an 4:40]

God can be unjust if He chooses to be so, but the moment God does injustice, He ceases to be God.

God does not make mistakes
God can make mistakes if He wants to, but He does not make mistakes because making a mistake is an ungodly act. The Qur’an says:

“…my Lord never errs.”
[Holy Qur’an 20:52]

The moment God makes a mistake, he ceases to be God.

God does not forget

God can forget if He wants to. But God does not forget anything because forgetting is an ungodly act, which reeks of human limitations and failings. The Qur’an says:

“…my Lord never errs, nor forgets.”
[Al-Qur’an 20:52]

God only performs Godly acts:

The Islamic concept of God is that God has power over all things. The Qur’an says in several places (Al -Qur’an 2:106; 2:109; 2:284; 3:29; 16:77; and 35:1):

“For verily Allah has power over all things”

Further, the Glorious Qur’an says:

“Allah is the doer of all that He intends.”
[Al-Qur’an 85:16]

We must keep in mind that Allah intends only Godly acts and not ungodly acts.

আশাকরি বুঝতে পেরেছেন ।

৩৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
শয়তান বলেছেন:
হয়রানের আকামের কমেন্ট মুইছা কিন্তু আরেকবার প্রমান হৈল

ফুডা জ্ঞানহীন = হয়রান =p~ =p~ =p~
৩৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: দুর্দান্ত লিখেছেন, যেন বোম্বাই মরিচ। নাস্তিকদের নাস্তিক্য একেবারে গুড়িয়ে দিয়েছেন। ভুলে মাইনাস পরে গেছে। ১০০টা প্লাস গুনে নিন।

এই পোস্টটি স্টিকি করা হউক। আমিন।
৩৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৯
রাতমজুর বলেছেন:
আপনি যে ইসলাম কে একটা যুক্তিহীন ধর্ম হিসাবে তুলে ধরছেন মন্তব্যগুলোর প্রত্যুত্তরে সেটা খেয়াল করেছেন? কেনো জানি মনে হচ্ছে আপনার উদ্দেশ্য ইসলামের ক্ষতি করা, মানুষের সামনে এভাবে ইসলামকে ছোট করা, আপনি উদ্দেশ্যমূলক ভাবে আমাদের, মুসলিমদের নির্বোধ প্রমান করছেন।

পরম করুনাময় সৃষ্টিকর্তা আপনাকে আলো দিন, হে হযরত।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: কারন আমার কথা গুলি ক্লিয়ার ছিল । কোন উত্তর দেওয়ার দরকার ছিল না ।

শুরুতেই যে গালিগালাজ দিয়ে শুরু করে , তারে আমরা কি বলব ?

এখানে কোরান পড়ার আহব্বান জানানো হয়েছে । ইসলাম ঐখানে পাবেন । আমার ব্লাগে না ।

৩৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১
কোন একজন বলেছেন:



জনাব, সরাসরি উত্তর দেন...
জাকির নায়েক, আংরেজি, এইসব বুঝি না...

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: ইংরেজি না বুঝলে কিছু করার নাই । সরাসরি উত্তর , আল্লাহ সুবাহানাতালা এমন কাজ করেন না , যা করা ঊনার ক্ষেত্রে মানায় না । ধন্যবাদ

৩৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৭
রাতমজুর বলেছেন:
শুরুতেই যে গালিগালাজ দিয়ে শুরু করে তাকে আমরা শান্তিপূর্ন উপায়ে ব্লক করবো।

এখানে (আপনার পোষ্টে) মহান পথপ্রদর্শক পূর্নাঙ্গ জীবন ব্যাবস্থা সম্বলিত আসমানী কিতাব পবিত্র আল-কুরআন কে রেফারেন্স করা হয়েছে বলেই আমি এই কথা তুলেছি, হযরত। মনে কষ্ট নিবেন না।

আল-কুরআন আমাকে শিক্ষা দিয়েছে ভিন্ন মতাবলম্বী ও ভিন্ন ধর্মালম্বীদের মতামতকে শ্রদ্ধা দেখাতে, তাই নম্রতা ও ভদ্রতার সাথে মহান সৃষ্টিকর্তার আরশে মোনাজাত করছি, উনি আপনাকে আলো দিন। বলুন আমিন।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: আপনাকে বলি নি, উপরের কমেন্টের কথা বলতেছিলেন । ঐখানে আরিফুরের কমেন্ট ঈ ছিল । সে শুরুতেই কি লিখছে, একটু দেখেন ।

আমাকে আরেকবার হযরত বলে বেঙ্গ করলে আপনার লেখাও ডিলিট করা হবে । ধন্যবাদ

৩৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮
রাতমজুর বলেছেন:
হযরত শব্দটা সাধারন সম্মোধন, এটা জানা থাকে প্রত্যেক মুসলিম এর।

আপনি রেগে যাচ্ছেন, অথচ রাগ দমন করা প্রত্যেক মুসলিমের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট।


তবু আমি আশাহত হবো না, মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সাথে থাকুন, আমিন।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৪০. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
বৃত্তবন্দী বলেছেন: (২৩:৩৩) তাঁর সম্প্রদায়ের প্রধানরা যারা কাফের ছিল, পরকালের সাক্ষাতকে মিথ্যা বলত এবং যাদেরকে আমি পার্থিব জীবনে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য দিয়েছিলাম, তারা বললঃ এতো আমাদের মতই একজন মানুষ বৈ নয়। তোমরা যা খাও, সেও তাই খায় এবং তোমরা যা পান কর, সেও তাই পান করে।
And the chiefs of his people, who disbelieved and denied the Meeting in the Hereafter, and to whom We had given the luxuries and comforts of this life, said: ”He is no more than a human being like you, he eats of that which you eat, and drinks of what you drink.

(২৩:৩৪) যদি তোমরা তোমাদের মতই একজন মানুষের আনুগত্য কর, তবে তোমরা নিশ্চিতরূপেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
”If you were to obey a human being like yourselves, then verily! You indeed would be losers.

(২৩:৩৫) সে কি তোমাদেরকে এই ওয়াদা দেয় যে, তোমরা মারা গেলে এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হলে তোমাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে?
”Does he promise you that when you have died and have become dust and bones, you shall come out alive (resurrected)?

(২৩: ৩৬) তোমাদেরকে যে ওয়াদা দেয়া হচ্ছে, তা কোথায় হতে পারে?
”Far, very far is that which you are promised.

(২৩: ৩৭) আমাদের পার্থিবজীবনই একমাত্র জীবন। আমরা মরি ও বাঁচি এখানেই এবং আমারা পুনরুত্থিত হবো না।
”There is nothing but our life of this world! We die and we live! And we are not going to be resurrected!

(২৩: ৩৮) সে তো এমন ব্যক্তি বৈ নয়, যে আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে এবং আমরা তাকে বিশ্বাস করি না।
”He is only a man who has invented a lie against Allâh, but we are not going to believe in him.”

(২৩: ৩৯) তিনি বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে সাহায্য কর, কারণ তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলছে।
He said: ”O my Lord! Help me because they deny me.”


এখানে ভেজালটা যেটা হ'লো, যেই বেচারা নবীকে নিয়ে এতো গুলো (২৩:৩১-৪১) আয়াত "নাজিল" ;) হ'লো, সেই বেচারা নবীর নামটাই উল্লেখ করতে ভুলে গিয়েছেন "মহান আল্লা"।

এই প্রজন্ম আর নবীর কোরানে আগমন শুধু মাত্র পরম দয়াময়ক্ষমাশীল আল্লার রোষের প্রমাণ দেবার উদাহরণ হিসেবে।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: আল্লাহ বললেনঃ কিছু দিনের মধ্যে তারা সকাল বেলা অনুতপ্ত হবে

অতঃপর সত্য সত্যই এক ভয়ংকর শব্দ তাদেরকে হতচকিত করল এবং আমি তাদেরকে বাত্যা-তাড়িত আবর্জনা সদৃশ করে দিলাম। অতঃপর ধ্বংস হোক পাপী সম্প্রদায়।

এরপর তাদের পরে আমি বহু সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছি।

কোন সম্প্রদায় তার নির্দিষ্ট কালের অগ্রে যেতে পারে না। এবং পশ্চাতেও থকাতে পারে না।

এরপর আমি একাদিক্রমে আমার রসূল প্রেরণ করেছি। যখনই কোন উম্মতের কাছে তাঁর রসূল আগমন করেছেন, তখনই তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছে। অতঃপর আমি তাদের একের পর এক ধ্বংস করেছি এবং তাদেরকে কাহিনীর বিষয়ে পরিণত করেছি। সুতরাং ধ্বংস হোক অবিশ্বাসীরা।
সূরা(২৩) আয়াত (৪১-৪৪) । আল্লাহ পাকের কারো নাম দেওয়ার প্রয়োজন নাই । যে শিক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন । তা এখানেই আছে । কিন্তু আপনি জেগে ঘুমালে কিছু হবে না । আমি কোরান পড়ার আহব্বান জানিয়েছি শুদ্ধ মনে । আমি কোন স্কলার নঈ যে আপনার লগে তর্কে যাব, তর্কের আহব্বান জানাই নি , ভাল থাকেন ।

৪১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
বৃত্তবন্দী বলেছেন: (৮: ৩০) আর কাফেরেরা যখন প্রতারণা করত আপনাকে বন্দী অথবা হত্যা করার উদ্দেশ্যে কিংবা আপনাকে বের করে দেয়ার জন্য তখন তারা যেমন ছলনা করত তেমনি, আল্লাহও ছলনা করতেন। বস্তুতঃ আল্লাহর ছলনা সবচেয়ে উত্তম।
And (remember) when the disbelievers plotted against you (O Muhammad SAW) to imprison you, or to kill you, or to get you out (from your home, i.e. Makkah); they were plotting and Allâh too was planning, and Allâh is the Best of the planners.

(৮: ৩১)আর কেউ যখন তাদের নিকট আমার আয়াতসমূহ পাঠ করে তবে বলে, আমরা শুনেছি, ইচ্ছা করলে আমরাও এমন বলতে পারি; এ তো পূর্ববর্তী ইতিকথা ছাড়া আর কিছুই নয়।
And when Our Verses (of the Qur’ân) are recited to them, they say: ”We have heard this (the Qur’ân); if we wish we can say the like of this. This is nothing but the tales of the ancients.”

(৮: ৩২) তাছাড়া তারা যখন বলতে আরম্ভ করে যে, ইয়া আল্লাহ, এই যদি তোমার পক্ষ থেকে (আগত) সত্য দ্বীন হয়ে থাকে, তবে আমাদের উপর আকাশ থেকে প্রস্তর বর্ষণ কর কিংবা আমাদের উপর বেদনাদায়ক আযাব নাযিল কর।
And (remember) when they said: ”O Allâh! If this (the Qur’ân) is indeed the truth (revealed) from You, then rain down stones on us from the sky or bring on us a painful torment.”

(৮: ৩৩) অথচ আল্লাহ কখনই তাদের উপর আযাব নাযিল করবেন না যতক্ষণ আপনি তাদের মাঝে অবস্থান করবেন। তাছাড়া তারা যতক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে আল্লাহ কখনও তাদের উপর আযাব দেবেন না।
And Allâh would not punish them while you (Muhammad SAW) are amongst them, nor will He punish them while they seek (Allâh’s) Forgiveness.

ঝামেলাটা কোথায় বলেন তো? ঝামেলাটা হ'লো মুহাম্মদ সাহেব কাফেরদের উপর আসা আযাব কখনোই নিজের চোখে দেখেন নি, তার আযাব সংক্রান্ত জ্ঞান শুধুই স্বপ্নে পাওয়া :) :) :)
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: আর তাদের মধ্যে এমন কি বিষয় রয়েছে, যার ফলে আল্লাহ তাদের উপর আযাব দান করবেন না। অথচ তারা মসজিদে-হারামে যেতে বাধাদান করে, অথচ তাদের সে অধিকার নেই। এর অধিকার তো তাদেরই রয়েছে যারা পরহেযগার। কিন্তু তাদের অধিকাংশই সে বিষয়ে অবহিত নয়।
আর কা’বার নিকট তাদের নামায বলতে শিস দেয়া আর তালি বাজানো ছাড়া অন্য কোন কিছুই ছিল না। অতএব, এবার নিজেদের কৃত কুফরীর আযাবের স্বাদ গ্রহণ কর।
নিঃসন্দেহে যেসব লোক কাফের, তারা ব্যয় করে নিজেদের ধন-সম্পদ, যাতে করে বাধাদান করতে পারে আল্লাহর পথে। বস্তুতঃ এখন তারা আরো ব্যয় করবে। তারপর তাই তাদের জন্য আক্ষেপের কারণ হয়ে এবং শেষ পর্যন্ত তারা হেরে যাবে। আর যারা কাফের তাদেরকে দোযখের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
যাতে পৃথক করে দেন আল্লাহ অপবিত্র ও না-পাককে পবিত্র ও পাক থেকে। আর যাতে একটির পর একটিকে স্থাপন করে সমবেত স্তুপে পরিণত করেন এবং পরে দোযখে নিক্ষেপ করেন। এরাই হল ক্ষতিগ্রস্ত।
সূরা ৮ আয়াত ৩৪-৩৭ শিক্ষটি পূর্ন করেন । আপনারা আশহায় মুমিনদের সাথে ছলনা করবেন আর তার বিনিময় পাবেন না , তা কি করে হয় ? তবে সঠিক অর্থ মনে হয় হবে পরিকল্পনা ।
008.030
YUSUFALI: Remember how the Unbelievers plotted against thee, to keep thee in bonds, or slay thee, or get thee out (of thy home). They plot and plan, and Allah too plans; but the best of planners is Allah.
PICKTHAL: And when those who disbelieve plot against thee (O Muhammad) to wound thee fatally, or to kill thee or to drive thee forth; they plot, but Allah (also) plotteth; and Allah is the best of plotters.
SHAKIR: And when those who disbelieved devised plans against you that they might confine you or slay you or drive you away; and they devised plans and Allah too had arranged a plan; and Allah is the best of planners.

৪২. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৩
বৃত্তবন্দী বলেছেন: (৭: ৫৯) নিশ্চয় আমি নূহকে তার সম্প্রদায়ের প্রতি পাঠিয়েছি। সে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন উপাস্য নেই। আমি তোমাদের জন্যে একটি মহাদিবসের শাস্তির আশঙ্কা করি।
Indeed, We sent Nûh (Noah) to his people and he said: ”O my people! Worship Allâh! You have no other Ilâh (God) but Him. (Lâ ilâha ill-Allâh: none has the right to be worshipped but Allâh). Certainly, I fear for you the torment of a Great Day!”

(৭: ৬০) তার সম্প্রদায়ের সর্দাররা বললঃ আমরা তোমাকে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতার মাঝে দেখতে পাচ্ছি।
The leaders of his people said: ”Verily, we see you in plain error.”

আবার বেচারা নুহের আগমন।:) কেন? নাঃ আবার গযবের বর্ণনা দরকার যে :)

(৭: ৬১ - ৬৪) দয়াময় ও ক্ষমাশীল আল্লার গযবের বর্ণনা :)
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: এটি একটি গ্রন্থ, যা আপনার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, যাতে করে আপনি এর মাধ্যমে ভীতি-প্রদর্শন করেন। অতএব, এটি পৌছে দিতে আপনার মনে কোনরূপ সংকীর্ণতা থাকা উচিত নয়। আর এটিই বিশ্বাসীদের জন্যে উপদেশ।
তোমরা অনুসরণ কর, যা তোমাদের প্রতি পালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য সাথীদের অনুসরণ করো না।
আর তোমরা অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর। অনেক জনপদকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি। তাদের কাছে আমার আযাব রাত্রি বেলায় পৌছেছে অথবা দ্বিপ্রহরে বিশ্রামরত অবস্থায়।

অনন্তর যখন তাদের কাছে আমার আযাব উপস্থিত হয়, তখন তাদের কথা এই ছিল যে, তারা বললঃ নিশ্চয় আমরা অত্যাচারী ছিলাম।
অতএব, আমি অবশ্যই তাদেরকে জিজ্ঞেস করব যাদের কাছে রসূল প্রেরিত হয়েছিল এবং আমি অবশ্যই তাদেরকে জিজ্ঞেস করব রসূলগণকে।
সূরা ৭ আয়াত ২-৫ শিক্ষা পূর্ন করুন , অত্যাচারীদের শাস্তি এই রূপ ই হয় । আপনার কথা গুলির কোন মানেই নাই , কারন আল্লাহ পাক সূরার শুরুতেই সব স্পষ্ট করে দিয়েছেন ।
আপনি তার রাসূলদের মিথ্যাবাদী বলবেন , আল্লাহ পাকের বানী কে মিথ্যা বলে আল্লাহ সুবাহানাতালার কথা কেই মিথ্যা বললেন , তার পর ও গজব পাবেন না , তা কি করে হয় ।

একই সূরার ৬৩ ৬৪ আয়াত
তোমরা কি আশ্চর্যবোধ করছ যে, তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তোমাদের মধ্য থেকেই একজনের বাচনিক উপদেশ এসেছে যাতে সে তোমাদেরকে ভীতি প্রদর্শন করে, যেন তোমরা সংযত হও এবং যেন তোমরা অনুগৃহীত হও।
অতঃপর তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। আমি তাকে এবং নৌকাস্থিত লোকদেরকে উদ্ধার করলাম এবং যারা মিথ্যারোপ করত, তাদেরকে ডুবিয়ে দিলাম। নিশ্চয় তারা ছিল অন্ধ।

এবার, নিশ্চই ব্যপারটি বুঝতে পেরেছেন ।

৪৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৯
এস. এম. রায়হান বলেছেন: ফুয়াদ, ওরা হচ্ছে অ্যান্টি-মুসলিম রেসিস্ট কাল্ট। ওরা সব ব্লগেই মিথ্যা অপপ্রচার, ব্যক্তি আক্রমণ, ও রেসিজমের ভাইরাস ছড়ায়। ব্লগে নাস্তিকতার ভান করলেও অন্য কোন ধর্ম বা তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে কখনোই কিছু বলে না। ওদেরকে পাত্তা না দিয়ে ব্লক করে অবজ্ঞা করতে হবে। লেখাতে +
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: ব্লগার শয়তান আপনার পিছে লাগছে । হে শুধু আমার পোষ্টে আইসা আপনার নামে উলটা পালটা বলতে চায় । আপনাকে নিয়ে একটি পোষ্ট ও দিছিল মনে হয় ।


"ব্লগে নাস্তিকতার ভান করলেও অন্য কোন ধর্ম বা তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে কখনোই কিছু বলে না। ওদেরকে পাত্তা না দিয়ে ব্লক করে অবজ্ঞা করতে হবে।"

ব্লক ঈ ওদের মহা ওষুধ । আপনাকে ধন্যবাদ ।

৪৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১০
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: মনিরের অসম্মান জনক উক্তির কমেন্ট ডিলিট করা হয়েছে
৪৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৬
বিদগ্ধজন বলেছেন: দেখেন ছাগুফুর ওরফে নিতাই এর ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িকতার কদর্য চেহারা।



অথচ এই ছাগলটা নাকি মুক্তমনা!!!
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ,
এরা সবাই ছাগল, হে গালিগালাজ ছাড়া আর কিছু পারে কি না জানি না । তার আসল পরিচয়ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ । হে ব্লক খাই ছে । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

৪৬. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪২
হোরাস্‌ বলেছেন: হয়রান ভাই ভালা আছেন নি? পোস্ট ব্যফক হইচে। চলায়া যান।

রাতমজুর বলেছেন:
আপনি যে ইসলাম কে একটা যুক্তিহীন ধর্ম হিসাবে তুলে ধরছেন মন্তব্যগুলোর প্রত্যুত্তরে সেটা খেয়াল করেছেন? কেনো জানি মনে হচ্ছে আপনার উদ্দেশ্য ইসলামের ক্ষতি করা, মানুষের সামনে এভাবে ইসলামকে ছোট করা, আপনি উদ্দেশ্যমূলক ভাবে আমাদের, মুসলিমদের নির্বোধ প্রমান করছেন।

উনার এই কথায় কান দেওনের কুন দরকার নাই। +
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৬

লেখক বলেছেন: আফনেও কি আরিফুরের ..........................................................................................................

৪৭. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৯
বিদগ্ধজন বলেছেন: এই পোস্টে ছাঘল উক্ত ম্যাৎকার করেছিল।

হিঁদুদের বিচিত্র রীতি-রেওয়াজ (উৎসর্গঃ শ্রদ্ধেয় বিবর্তনবাদী)

উল্লেখ্য মূল পোস্টটি মূছে ফেলা হয়েছে। এর প‌্রতিক্রিয়ায় মনে হয় এটা এসেছিল।

মডারেটরদের কাছে আমার খোলা চিঠি: সৎ সাহস থাকলে জবাব দিন
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৪

লেখক বলেছেন: ঊভয় লেখাতেই ++++
আপনাকে ধন্যবাদ আরিফুরের আসল পরিচয় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: ঐদিনের কথা তো আপনার মনে আছে , জুম্মার নামাজ নিয়া ঊল্টা পালটা কমেন্ট করায় আমি আপনে ও আরো চার জনে পোষ্ট দিছিল ,সজলরে তারা জেনারেল করছে । আমারে কি মেসিজ দিছে দেখেন ।
dear blogger,

your post (পোষ্টি ডিলেট করা হোক , সামহোয়ারের কাছে আমার অনুরোধ ।) have been deleted due to violation of the blog rules. please do not republish this writing again on the blog or we will be forced to ban you from the blog.

5c. a user may lose the privilege to report abuse or to use “kono shomsh-sha” page if they repeatedly report a post or a user that does not have any objectionable material.

৪৮. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২৭
মদনদেব বলেছেন: দুর্দান্ত লিখেছেন
সহস্র +
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৪৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৫
সুনীল রায় বলেছেন: পৃথিবীর সব ধর্মই আসলে মানুষের তৈরি। ইসলাম ধর্মে (কোরান ও হাদিসে) বিভিন্ন জায়গায় খাদ্য হিসেবে রুটি এবং খেজুরের উল্লেখ আছে। কারণ তখনকার দিনে আরবে মানুষ এ দুটি জিনিস খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করত। কোরান হাদিসে মুসলিমদেরকে তীর চালনা শিখতে বলা হয়েছে। সেখানে অস্ত্র শব্দ ব্যবহার না করে তীর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। আসলে পৃথিবীতে এক সময় অস্ত্র তৈরী হবে এ কথা স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা জানলেও সাধারণ মানুষ সেটা জানত না। তাই মানুষের আবিষ্কার করা ধর্মে স্থানীয় সাময়িক সমস্যার স্থানীয় ও সাময়িক সমাধান দেওয়া হয়েছে। হিন্দু ধর্মে পূজার আগে গোসল করতে হয় আর ইসলাম ধর্মে হাত মুখ ধুয়ে অযু করতে হয়। এর কারণ ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু ধর্মের উদ্ভব হয়েছে। এখানে সব সময় প্রচুর পানি পাওয়া যেত। আরব দেশে তখনকার দিনে পানির খুব অভাব ছিল। তাই গোসলের পরিবর্তে অযু করে পবিত্র হতে হয়। হিন্দুদের পূজায় ফুল বেলপাতা ইত্যাদি লাগে। এসব জিনিস এ অঞ্চলে খুব পাওয়া যায়। আসলে যে ধর্ম যেখানে উদভব হয়েছে সে ধর্ম সেখানকার তৎকালীন সংস্কৃতি, জলবায়ু ইত্যাদি অনুযায়ি হয়েছে। আরব দেশের মানুষ তখনও একধিক স্ত্রী রাখতে পছন্দ করত এবং এখনও পছন্দ করে। তাই ইসলাম ধর্মে একসাথে চারজন স্ত্রী রাখা যায়। আরব দেশে মেয়ে বিয়ে দিলে মেয়ের বাবা জামাতার নিকট থেকে বড় অংকের পণ পান। সেই পণের টাকা দিয়ে মেয়ের বাব নিজ মেয়ের বয়সী বা কোন কোন ক্ষেত্রে তার চেয়ে কম বয়সী কোন ছোট মেয়েকে বিয়ে করে। কিন্তু বিষয়টি ইসলাম সম্মত এবং আরব সমাজ সম্মত। সেখানে প্রায় প্রতিটি পরিবারে এ ধরনের ঘটনা আছে। কিন্তু আমাদের সমাজে কিন্তু বিষয়টি অত সহজ নয়। আবার ইসলাম ধর্মে বলা আছে যারা মুসলিম নয় তাদেরকে দোজখে যেতে হবে। কেন? হযরত মোহম্মদের জন্ম ৫৭০ সালে। আর কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করে ১৪৯২ সালে। তারও অনেক পরে আমেরিকায় ইসলাম ধর্মে লোক যায়। তাহলে যারা ইসলাম ধর্মের নাম গন্ধ জীবনে শোনেনি তারা কেন দোজখে যাবে? আল্লাহ কেন তাদেরকে আমেরিকার রেড ইন্ডিয়ান হিসেবে জন্ম দিল। আপনি মুসলমানের ঘরে জন্মেছেন তাই আপনি মুসলমান। খুব কম লোকই তো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। আবার ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে অনেকে অন্য ধর্মও তো গ্রহণ করে। আল্লাহ কেন কাউকে জন্মসূত্রে মুসলমান হওয়ার সুযোগ দিচ্ছেন আবার কাউকে অন্য ধর্মে জন্ম দিয়ে তাকে দোজখে পাঠাবার ব্যবস্থা করছেন? তাহলে কি আল্লাহ নিরপেক্ষ নন? দর্ম অত সহজ জিনিস নয়। পৃথিবীর কোন মানুষ সৃষ্টিকর্তার নাগাল পায়নি। সব ধর্মই মানুষের তৈরী। ক্ষমতা থাকলে আমার প্রশ্নের উত্তর দিন।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনি তো না জেনেই আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। "পৃথিবীর সব ধর্মই আসলে মানুষের তৈরি"
আগে বলুন এটি আপনাকে কে বলল। যাইহোক, কেউ জানতে চাইলে ধৈর্য ধরে উত্তর দেওয়ার হুকুম আল্লাহ পাক কতৃক দেওয়া আছে। তাই বাধ্য হয়েই বলতেছি। আমাদের ধর্মের ধারনা, আপনাদের ধর্মের ধারনে ভিন্ন। তাই, আমাদের সব কথা আপনাদের ভাল নাও লাগতে পারে। আপনি বলেছেন, "ইসলাম ধর্মে (কোরান ও হাদিসে) বিভিন্ন জায়গায় খাদ্য হিসেবে রুটি এবং খেজুরের উল্লেখ আছে" আমি জানিনা আল কুরানের কোথায় আপনি এটি পেয়েছেন, হ্যা থাকতে পারে, তবে হাদিসে আছে আমি নিশ্চিত। যাইহোক, আপনাকে বুঝতে হবে আল কুরান একটি উপদেশ গ্রন্থ, তা যে সময় এবং যে পরিস্থিতিতে নাজিল হয়েছে ঐ সময় এবং ঐ পরিস্থিতি বিষয় সহজ উদাহারন ই আল কুরান ব্যাবহার করবে। নয়ত ঐ সময়ের মানুষ তা কিভাবে বুঝবে।

হাদিস কি এই বিষয় টি আপনাকে ক্লিয়ার হয়ে নিতে হবে। হাদিস হচ্ছে মানুষ রাসূল সঃ অথবা নবী মুহাম্মদ সঃ যে সময় যা বলেছেন বা করেছেন, তা-ই। তাই, উনি উনার সময়ের আলোকেই কথা বলবেন, তাই সত্য। মনেকরুন, উনি কারো কাছে পানি চাইলে তা ঐ সময়ের পাত্রতেই দেওয়া হবে এর বেশী কিছু নয়। তিনি কোথায় জাইতে হলে, ঐ সময়ের বাহন যেমন ঘোড়া বা উট বা পায়ে হেটে-ই জাইতে হবে। কিছু খেতে হলে ঐ সময়ের খাবার-ই খেতে হবে। তাই উনি যুদ্ধে গেলে তলোয়ার আর তীরের কথা-ই বলবেন। ট্যাংক বা অন্য কিছু নয়। হ্যা, তবে তিনি ভবিষতের উদ্দোশ্যে যদি কিছু বলে থাকেন, তাহলে তা হতে পারে, কিন্তু ঐখানেও রূপক ভাবে বলা হবে। হাদিস অনেক অনেক বইয়ে বিভিন্ন গবেষক সংরক্ষন করেছেন। এর মধ্যে বুখারি, মুসলিম, তিরমিজ, আবু দায়ুদ এই গ্রন্থ গুলি বেশী জনপ্রিয় এবং গৃহিত। কিন্তু আপনাকে মনে রাখতে হবে, হাদিস রাসূল সঃ মৃত্যুর অনেক পর বই আকারে সংরক্ষন করা হয়েছে।

উনি উনার সময়ের সমস্যার সমাধান দিয়েছেন, তার সময়ের আলোকে, এবং ভবিষতের সমস্যা সম্পর্কেও আলোক পাত করেছেন। আমি আশা করব তীরের কাহিনি বা অজুর কাহিনি নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা আমার উপরের লেখা গুলি উত্তরের জন্য যতেষ্ট। হ্যা আপনি ইসলাম বিদ্দেষীদের সাইটে গিয়ে যদি ইসলাম শিখার আশা করেন তাহলে বৃথা চেষ্টা-ই করবেন। আপনি যদি সত্য জানতে চান, তাহলে আপনার দায়িত্ব সত্য খুজে বের করা। আমার নয়।

আপনি ইচ্ছে করলেই বিভিন্ন কন্ট্রভার্শাল প্রশ্ন নাস্তিক রূপি ব্যাক্তি বর্গ কিংবা আলি সিনারা বের করেছেন, তা নিয়ে আসতে পারবেন। যদিও এসবের জবাব দেওয়া হয়েছে। এখন, আপনার বিষয় আপনি কোন দিকে নিবেন। চার বিবাহর ক্ষেত্রে আপনি যা বক্তব্য দিয়েছেন, তা তেমন গ্রহন যোগ্য নয়। কারন, এখানে অনেক বিষয় জরিত। চার বিবাহের অনুমতি আছে, এই অনুমতি দেবার প্রধান কারন আল্লাহ পাক-ই ভাল জানেন(এই অংশ দেখে যুক্তিবাদী মন নিয়ে ক্ষিপ্ত হবেন না, প্লিজ, কারন আল্লাহ পাকের কোন কাজের ব্যাক্ষা করা অধিকার কারো নেই, তবে নিজেদের জ্ঞান অনুষারে বলা যায়, এ জন্য সকল মুসলিম স্কলার এই অংশ ব্যাবহার করেন, আল্লাহ পাক-ই সবচেয়ে ভাল জানেন)
রাসূল সঃ যুগে এবং ভবিষতে যুগে, দেখা যায় বা যাচ্ছে, যুদ্ধ বা বিদ্রহ রোগ সুখের কারনে পুরুষ এবং নারী সংখ্যা অনুপাত কাছা কাছি থাকে না। তাই দেখা যায়, হঠাত করে বহু বিবাহ বন্দ করে দেওয়ায় ওর্ল্ড ওয়ারের পর ওয়ার বয় নামে অনেক অনেক শিশুর জন্ম হয়। এগুলো বা এসব বিষয় ঠেকানোর জন্য-ই এই ব্যাবস্তা। এছাড়াও আরো অনেক কারন আছে। হ্যা এখানে ইচ্ছা করলেই আপনি আপনার ইন্টার প্রিটিশন ব্যাবহার করতে পারেন। এখন কোন টি মানবেন, তা আপনার বিষয়। এখানে একটি প্রশ্ন করতে পারেন, যদি পুরুষের সংখ্যা কোন কারনে বেশী হয়। কিন্তু বাস্তবে পুরুষের সংখ্যা অস্বাভাবিক বেশী হতে দেখা যায় না। তারপর, এক পুরুষ চার বিবাহ করলে, কে কার সন্তান বুঝা যাবে, কিন্তু নারী করলে ডি.এন.এ টেস্ট ছাড়া বুঝা খুব-ই কষ্টকর, কোন ক্ষেত্রে অসম্ভব।

শেষ বিষয়টি আপনার মিস আন্ডারস্টেন্ডিং, মুসলমান শব্দের ব্যাপকতা বহুত। হযরত ইব্রাহীম আঃ ও মুসলমান(ইসলামের মতে) ছিলেন, কিন্তু তিনি তো নবী সঃ এর উম্মত ছিলেন না। পৃথিবীর সকল জাতির মধ্যে আল্লাহ পাক নবী পাঠিয়েছেন, এখন, শেষ নবীর বার্তা পোছার আগে যারা অন্য নবী কে ফল করেছে, তারা বেহেস্তে যেতে পারবে। কোন কোন স্কলার বলেন, যদি কোন মানুষের নিকট হযরতের বার্তা না পোছে, তাহলে সে নিরাপরাদ হিসাবেই বিবেচিত হবে। কিছু স্কলার বলেন, তাকে অন্তত এক আল্লাহ পকে(গডে) বিলিভ করতে হবে। তাহলেও, ক্ষমা পেতে পারে। অতএব, নেটিব আমেরিকান নিয়ে প্রশ্ন গুলি অবান্তর। এ ব্যাপারে আমরা মুসলিমরাই ইসলামী যুক্তি তর্ক করি। আপনি মুসলিম থিউলজি নিয়ে পড়তে পারেন ১ আশারি
২ ইমামি
৩ মুতারিডি
৪ মুরজিয়াহ
৫ মুতাজ়িলা
৬ আথারি

এই পাঁচ ভাগে বিভিক্ত। আমার জানা মতে সুন্নিদের একসেপ্টেড মত হল, ১ আশারি, ২ আথারি, ৩ মুতারিডি।

এখানে যা বললাম তা আমার নিজের সাধারন জ্ঞান, আসল বিষয় আল্লাহ পাকই ভাল জানেন। আপনি টোকাই শিকদারের লেখা কমেন্ট টি পড়েন প্লিজ। আর ইসলাম আল কুরানের ভিত্তির উপর আছে, আপনি আল কুরান কে পড়তে পারেন। আপনি মুহাম্মদ আসাদের অনুবাদ এবং তফসির মেসেইজ অব আল কুরান বইটি পড়েতে পারেন।
Click This Link

এখনে ক্লিক করে আস্তে আস্তে সময় নিয়ে পড়েন, আর একটু বুঝার চেষ্টা করেন। আরেকটি কথা, আপনি আমার কথা ভাল না লাগতে পারে কিংবা মনে হতে পারে যে মূল্যহিন কথা বা অ যুক্তিক কথা। তাই, আমি মনে করি আপনি নিজে স্টাডি করুন, নিজে যা বুঝতে পারেন, সেটাই ভাল।
SHAKIR: Those who listen to the word, then follow the best of it; those are they whom Allah has guided, and those it is who are the men of understanding.
যারা মনোনিবেশ সহকারে কথা শুনে, অতঃপর যা উত্তম, তার অনুসরণ করে। তাদেরকেই আল্লাহ সৎপথ প্রদর্শন করেন এবং তারাই বুদ্ধিমান।(৩৯) সূরা আল-যুমার(THE TROOPS, THRONGS) আয়াত ১৮

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: হে ইমানদার গন তোমরা মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরন করিয় না (আয়াত নাম্বার ভুলে গেছি, আপনি কোন স্কলার কে আসক করলেই জানতে পারবেন)

৫০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৭
শয়তান বলেছেন: ব্লক ঈ ওদের মহা ওষুধ ।

---

ফুয়াডাভাই আমারে ব্লক করবেন্না :|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: নাম ঠিক করে লিখলে খুশি হইতাম।

৫১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০০
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: টোকাই সিকদার বলেছেন: প্রকাশ থাকে যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ্-এ কালেমার সাক্ষ্য দেওয়া ইসলামের ৫ম স্তম্ভ এর মধ্যে একটি.এর প্রথম বাক্য তওহীদ এবং ২য় বাক্য রেসালত বিধৃত হয়েছে.
প্রথমত-একাত্ববাদ আল্লাহ্ এক তার কোন শরীক নেই,তিনি একক তার মত কেউ নাই ,তিনি অমুক্ষাপেক্ষি তার প্রতিদ্বন্দী এবং সমকক্ষ কেউ নাই.তিনি চিরন্তন যার কোন শুরু নেই.তিনি সদা প্রতিস্ঠত ,যার কোন শেষ নাই.দতনি সদা বিদ্যমান,যার কোন অবসান নেই.তিনি অক্ষয় যার কোন ক্ষয় নাই.তিনি সবার প্রথম এবং শেষ.তিনি প্রকাশ্য এবং তিনিই গোপন.

পবিত্রতা এই বিস্বাস রাখা যে, আল্লাহ্ তা’আলা সাকার নন,সীমিত পর্দাথ নন,পরিমান বিশিষ্ট নন এবং বিভাজ্য নন.তিনি দেহের অনুরুপ নন.
তিনি কোন বিদ্যমান বস্তুর অনুরুপ তিনি নন এবং তিনি কোন বিদ্যমান বস্তুও তার মত নয়.
না তার সমতুল্য কেউ আছে না তিনি কারও সমতুল্য.
তিনি আরশ,আকাশ এবং পৃথিবীর সীমানা র্পযন্ত সবকিছুর উপরে.তিনি এই ভাবে উপরে যে আরশের নিকটেও নন,আবার পৃথিবী থেকে দুরেও নন.বরং তার র্মযাদা এই সব নৈকট্য এবং দুরত্বের অনেক উর্ধে.এতদসত্তেও তিনি প্রত্যেক বস্তুর সন্নিকটে এবং মানুসের ধমনির নিকটবর্তী.
তারনৈকট্য দেহের নৈকট্য এর অনুরুপ নয়.যেমন তার সত্তা দেহের সত্তার অনুরুপ নয়.তিনি কোন বস্তুর মধ্যে অনুপ্রবেশ করে না এবং কোন বস্তু তার মধ্যে অনুপ্রবেশ করে না.তিনি সময়ের বেস্টনির থেকে মুক্ত.তিনি স্থান কাল এবং জন্মের র্পুবে ছিলেন.তিনি এখনও তেমনি আছেন যেমন ছিলেন র্পুবে.তিনি নিজ গুনা বলীতে সৃস্টি থেকে আলাদা.তার সত্তায় তিনি ব্যতিত অন্য কেউ নাই.এবং অন্য কোন কিছুতেই তার সত্তা নেই.তিনি পরির্বতন ও স্থানন্তর থেকে পবিত্র.
তিনি গুনাবলীর র্পূনতায় কোন সংযোজনের প্রয়োজন রাখে না.বিবেক দ্বারাই তার অস্তিত্ব আপনা আপনি জানা হয়ে যায়.
আমি চোখ খুলেছি কিন্তু আমি কোন কলম দেখতে পাচ্ছিনা? জ্ঞান তাকে বলল-এটা তুমি কি বলছ?ঘরের আসবাবপত্র কি ঘরের মালিকের ন্যয় হয়?তুমি কি জান স্রস্টার সত্তা অন্য কারো সত্তার মত না ?ঠিক সেরকম স্রস্টার হাত জড় জগতের অন্যান্য হাতের মত না.তার কলম জড় জগতের কলম এর মত না.তার সত্তার কোন শরীর নেই.তিনি কোন অবস্থানে আবদ্ধ নয়.তার হাত মানুষের হাত এর মত রক্ত,মাংস ওঅস্থির দ্বারা হঠিত নয়.তার কলম জড় জগতের কলম এর মত নয়.তার ক‍লমের কোন স্বর বা অক্ষর নেই.তার লেখনিতে কোন কালির অংকন নেই.
এহইয়াউ উলুমিদ্দীন-প্রথম খন্ড
২০৯ পৃষ্টা
৫২. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
সুনীল রায় বলেছেন: আপনি আমার মন্তব্যের উত্তরে লিখেছেন, "‌হাদিস হচ্ছে মানুষ রাসূল সঃ অথবা নবী মুহাম্মদ সঃ যে সময় যা বলেছেন বা করেছেন, তা-ই। তাই, উনি উনার সময়ের আলোকেই কথা বলবেন, তাই সত্য। মনেকরুন, উনি কারো কাছে পানি চাইলে তা ঐ সময়ের পাত্রতেই দেওয়া হবে এর বেশী কিছু নয়। তিনি কোথায় জাইতে হলে, ঐ সময়ের বাহন যেমন ঘোড়া বা উট বা পায়ে হেটে-ই জাইতে হবে। কিছু খেতে হলে ঐ সময়ের খাবার-ই খেতে হবে। তাই উনি যুদ্ধে গেলে তলোয়ার আর তীরের কথা-ই বলবেন। ট্যাংক বা অন্য কিছু নয়। হ্যা, তবে তিনি ভবিষতের উদ্দোশ্যে যদি কিছু বলে থাকেন, তাহলে তা হতে পারে, কিন্তু ঐখানেও রূপক ভাবে বলা হবে।" আপনার এই বক্তব্য মূলত আমার বক্তব্যকেই প্রমাণ করে। যে ধর্ম যে সমাজ ও সময়ে উদ্ভব হয়েছে সে ধর্ম সে সমাজ ও সমস্যার সমাধান দিয়েছে। তা অন্য সমাজ ও সময়ে অচল যদি কি না তার পরিবর্তন ও পরিবর্ধন না ঘটে। যেহেতু ইসলাম ধর্ম আরব সমাজে উদ্ভব হয়েছিল, সেহেতু এর অনেক নিয়মকানুন এখনও আরব সমাজে প্রচলিত আছে। সেখানকার সমাজের সাথে ইসলাম ধর্মের নিয়ম কানুন সাংর্ঘষিক নয়। তাই সেখানে চারজন স্ত্রী রাখা কোন ঘৃণ্য কাজ নয়। কিন্তু আমাদের বাঙালি সমাজে হিন্দু, মুসলিম যেই হোক না কেন একজন স্ত্রী বর্তমান থাকা সত্ত্বে আরেকটি বিয়ে করলে সমাজে তার মর্যাদাহানি হয়। আপনি চারজন স্ত্রী রাখার যে, যুক্তি দেখিয়েছেন তা নিতান্তই খোড়া যুক্তি। কোরান হাদিসের কোথাও উল্লেখ নেই যু্দ্ধ বা অন্য কোন কারণে মেয়ের সংখ্যা কমে গেলে একজন পুরুষ একাধিক স্ত্রী রাখতে পারবেন। কেউ অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম হলেই সে একসাথে চারজন স্ত্রী রাখতে পারে। আমাদের দেশে হিল্লা বিয়েকে সবাই ঘৃণা করে। অনেকে হিল্লা বিয়ের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে বলেন, নারি-পুরুষ যাতে ঝগড়া করে তালাকের মত কোন সিদ্ধান্ত না নেয় সেজন্য তাদেরকে এক ধরণের শাস্তি দেওয়া হয়। এ যুক্তিও খোড়া যুক্তি। কোরাণ হাদিসে এ ধরণের কোন আভাস দেওয়া হয়নি। মূলত আরব দেশে বিষয়টি নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। মনে করুন একটি মেয়ের ১৬ বছর বয়সে বিয়ে হল- যা আমাদের দেশে হরহামেশাই হয়। এক বছরের মাথায় তার একটি সন্তান জন্মগ্রহণ করল। সন্তানটির বয়স যখন ১৬ তখন সে এসএসসি পরীক্ষার্থী। এ সময় মায়ের বয়স হবে ৩১। অর্থাৎ মেয়েটি তখন্ ও যুবতী। হঠাৎ একদিন সামী-স্ত্রীর মধ্যে অনাকাঙ্খিতভাবে ঝগড়া হল এবং স্বামী রাগের মাথায় স্ত্রীকে তালাক দিল। এরপর দুজনের মাথা ঠান্ডা হলে তারা নিজেদের । ভুল বুঝতে পারল এবং এবং একসাথে সংসার চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। কিন্ত ইসলাম ধর্ম তাদেরকে তা সহজে করতে দেবে না। প্রথমে মেয়েটিকে অন্য কোন পুরুষের সাথে বিয়ে দিতে হবে। তারপর যার সাথে বিয়ে হল তার সাথে তার যৌন সম্পর্ক হবে। তারপর ঐ পুরুষ লোকটি তাকে তালাক দিলে মেয়েটি পুনরায় পূর্বের স্বামীকে বিয়ে করে স্বামী সন্তানের কাছে ফেরত যেতে পারবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি চলাকালীন সন্তানটির মানসিক অবস্থা কি হবে? তার মা যখন অন্য পরিবারে যেয়ে অন্য পুরুষের সাথে ঘুমাবে তখন সে কিভাবে তা সহ্য করবে। সে বন্ধুদের মাঝে মুখ দেখাবে কি কলে। এই ব্যবস্থা কি সভ্য সমাজে চলে-বিশেষ করে বাঙালি সমাজে?

আপনি লিখেছেন, "কোন কোন স্কলার বলেন, যদি কোন মানুষের নিকট হযরতের বার্তা না পোছে, তাহলে সে নিরাপরাদ হিসাবেই বিবেচিত হবে।" বায়বীয় স্কলারের উল্লেখ করে আমার প্রশ্ন এড়িয়ে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে কোরাণ হাদিসে কোন উল্লেখ নেই। অসলে কোন স্কলার এ কথা বলেছেন । তার নাম বলতে পারবেন? তাহলে কি ইসলাম ধর্মকে কোন কোন স্কলার নিজেদের মত ব্যাখ্যা দিয়ে সমালোচনার হাত থেকে রক্ষা করছেন। যা কোরাণ হাদিসে নেই। সে ব্যাখ্যা মানুষ হ্রহণ করবে কেন?

কোরাণ হাদিসে যে, অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে তা বর্তমানে অচল। পৃথিবীর কোন দেশে কোরাণ হাদিস অনুযায়ী অর্থনীতি চলে না। ইসলামে বলা হয়েছে ধনীদেরকে ২.৫% হারে যাকাত দিতে হবে। ইসলামে আয়কর বা ভ্যাট, আমদানি কর, রপ্তানি কর, লাইসেন্স ফি, পারমিট ইত্যাদির কোন ব্যবস্থা নেই। আপনি যদি সৌদি আরবে কোন কিছু রপ্তানি করেন তাহলে আপনাকে নির্দিষ্ট হারে কর দিতে হবে। সেখানে যে সব বিদেশি ব্যবসায়ী আছেন তাদেরকে বড় অংকের আয়কর দিতে হয়' ২.৫% হারে নয়। বাংলাদেশে বর্তমানে বড় ব্যবসায়ীদেরকে ৪২.৫% হারে আয়কর দিতে হয়। পূর্বে এই হার ছিল ৪৫%. যদি কোন সরকার সর্বক্ষেত্রে ২.৫% যাকাত আরোপ করত তাহলে সে দেশ ১ মাসে ফকির হয়ে যেত। সুতরাং ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান বলে অত্মতৃপ্তির কোন সুযোগ নেই। ইসলামে নাকি ছবি তোলা হারাম। বর্তমানে এই বিধান কতটা অচল তা একটু উপলব্দি করুন।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন:
=> দেখুন হাদিস গুলি এবাবে বর্নিত যেন সকল সময়ের মানুষ-ই বুঝতে পারে। যেমনঃ খানে দাজ্জালের বাহন যে গাধা হবে তার এক কান থেকে আরেক কানের দুরত্ব হবে চল্লিশ হাত। ঐসময়ের মানুষ নিজে নিজে কিছু একটি ধরে নিয়েছে। কিন্তু বর্তমানের মানুষ সহজেই এটিকে উড়োজাহাজ হিসাবে ধরে নিতে পারবে।

=> একই বিষয়ে আরেকটি উদাহারন দেখেন, It was narrated on the authority of Abu Salamah that a dispute arose between him and some other people (about a piece of land). When he told Aisha (the Prophet’s wife) about it, she said, ‘O Abu Salamah! Avoid taking the land unjustly, for the Prophet said:
Whoever usurps even one span of land of somebody, its depth through the seven earths will be collared to his neck.” (Saheeh Al-Bukhari, ‘Book of Oppression.’)

Salim narrated on the authority of his father that the Prophet said:
“Whoever takes a piece of land of others unjustly, he will sink down the seven earths on the Day of Resurrection.” (Saheeh Al-Bukhari, ‘Book of Oppression.’)
The aforementioned hadith prohibits oppression in general, especially the taking of a piece of land belonging to others unjustly. What are the seven earths they refer to?
Studies in geology have proven that the earth is composed of seven zones, identified from the inner to the outer layers as follows:
(1) The Solid Inner Core of Earth: 1.7% of the Earth’s mass; depth of 5,150 - 6,370 kilometers (3,219 - 3,981 miles)
The inner core is solid and unattached to the mantle, suspended in the molten outer core. It is believed to have solidified as a result of pressure-freezing which occurs to most liquids when temperature decreases or pressure increases.
(2) The Liquid Outer core: 30.8% of Earth’s mass; depth of 2,890 - 5,150 kilometers (1,806 - 3,219 miles)
The outer core is a hot, electrically conducting liquid within which convective motion occurs. This conductive layer combines with Earth’s rotation to create a dynamo effect that maintains a system of electrical currents known as the Earth’s magnetic field. It is also responsible for the subtle jerking of Earth’s rotation. This layer is not as dense as pure molten iron, which indicates the presence of lighter elements. Scientists suspect that about 10% of the layer is composed of sulfur and/or oxygen because these elements are abundant in the cosmos and dissolve readily in molten iron.
(3) The “D” Layer: 3% of Earth’s mass; depth of 2,700 - 2,890 kilometers (1,688 - 1,806 miles)
This layer is 200 to 300 kilometers (125 to 188 miles) thick and represents about 4% of the mantle-crust mass. Although it is often identified as part of the lower mantle, seismic discontinuities suggest the “D” layer might differ chemically from the lower mantle lying above it. Scientists theorize that the material either dissolved in the core, or was able to sink through the mantle but not into the core because of its density.
(4) Lower Mantle: 49.2% of Earth’s mass; depth of 650 - 2,890 kilometers (406 -1,806 miles)
The lower mantle contains 72.9% of the mantle-crust mass and is probably composed mainly of silicon, magnesium, and oxygen. It probably also contains some iron, calcium, and aluminum. Scientists make these deductions by assuming the Earth has a similar abundance and proportion of cosmic elements as found in the Sun and primitive meteorites.
(5) Middle Mantle (Transition region): 7.5% of Earth’s mass; depth of 400 - 650 kilometers (250-406 miles)
The transition region or mesosphere (for middle mantle), sometimes called the fertile layer, contains 11.1% of the mantle-crust mass and is the source of basaltic magmas. It also contains calcium, aluminum, and garnet, which is a complex aluminum-bearing silicate mineral. This layer is dense when cold because of the garnet. It is buoyant when hot because these minerals melt easily to form basalt which can then rise through the upper layers as magma.
(6) Upper Mantle: 10.3% of Earth’s mass; depth of 10 - 400 kilometers (6 - 250 miles)
The upper mantle contains 15.3% of the mantle-crust mass. Fragments have been excavated for our observation by eroded mountain belts and volcanic eruptions. Olivine (Mg,Fe)2SiO4 and pyroxene (Mg,Fe)SiO3 have been the primary minerals found in this way. These and other minerals are refractory and crystalline at high temperatures; therefore, most settle out of rising magma, either forming new material or never leaving the mantle. Part of the upper mantle called the asthenosphere might be partially molten.
(7) Lithosphere
Oceanic crust: 0.099% of Earth’s mass; depth of 0-10 kilometers (0 - 6 miles)
The rigid, outermost layer of the Earth comprising the crust and upper mantle is called the lithosphere. The oceanic crust contains 0.147% of the mantle-crust mass. The majority of the Earth’s crust was made through volcanic activity. The oceanic ridge system, a 40,000-kilometer (25,000 mile) network of volcanoes, generates new oceanic crust at the rate of 17 km3 per year, covering the ocean floor with basalt. Hawaii and Iceland are two examples of the accumulation of basalt piles.
This image shows a cross section through the earth’s crust and upper mantle showing lithosphere plates (made of the crust layer and the top part of the mantle) moving over the asthenosphere (upper mantle). Windows to the Universe, at (http://www.windows.ucar.edu) at the University Corporation for Atmospheric Research (UCAR). ©1995-1999, 2000 The Regents of the University of Michigan; ©2000-05 University Corporation for Atmospheric Research. Continental crust: 0.374% of Earth’s mass; depth of 0-50 kilometers (0 - 31 miles)
The continental crust contains 0.554% of the mantle-crust mass. This is the outer part of the Earth composed essentially of crystalline rocks. These are low-density buoyant minerals dominated mostly by quartz (SiO2) and feldspars (metal-poor silicates). The crust (both oceanic and continental) is the surface of the Earth; as such, it is the coldest part of our planet. Because cold rocks deform slowly, we refer to this rigid outer shell as the lithosphere (the rocky or strong layer).

এখন, এ সব বিষয় আপনি মানলে মানতে পারেন, না-মানলে, না-মানতে পারেন চয়েস আপনার। গড কে খুজে বার করবেন, নাকি নিজের জ্ঞান নিয়ে অহংকারে থাকবেন, পুরোটিই আপনার বিষয়, আমার নয়।

=> আপনি আবারো চার বউ এর বিষয় নিয়ে আসলেন। যেহেতু, আল কুরানকেও আপনি টেনে এনেছেন তাই, দেখে নেওয়া দরকার আল কুরানে এ বিষয়ে কি বলা আছে। সুরা নিসা’র ৩ নম্বর আয়াতে − “এতিমদের তাদের সম্পদ বুঝাইয়া দাও। খারাপ মালামালের সাথে ভালো মালামালের অদল-বদল করিও না। আর তাহাদের ধনসম্পদ নিজেদের ধনসম্পদের সাথে সংমিশ্রিত করিয়া তাহা গ্রাস করিও না। নিশ্চয় ইহা বড়ই মন্দ কর্ম। আর যদি তোমরা ভয় কর যে এতিম মেয়েদের হক যথাযথভাবে পূরণ করিতে পারিবে না, তাহা হইলে সেই সব মেয়েদের মধ্য হইতে যাহাদিগকে ভাল লাগে তাহাদিগকে বিবাহ করিয়া নাও দুই, তিন বা চারিটি পর্যন্ত।আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে তাহাদের মধ্যে ন্যায়সঙ্গত আচরণ বজায় রাখিতে পারিবে না তবে একটিই”, এখন আপনি-ই চিন্তা করেন।


=> হিল্লা বিয়ে বিষয়টি কিছু লোক ব্যাবহার করতেছে। এটা তাদের অন্যায় বা তাদের সমস্যা। ইসলাম মানুষকে যা ইচ্ছা তা করার অধিকার দেয়নি। যখন যারে খুশি তালাক দিবেন, আবার গ্রহন করবেন, ইসলাম কি ছেলে খেলা নাকি। আর তালাক কে হারামের নিকট বলা হয়, মানে হারামের কাছা কাছি। তালাক, হারাম হলে তালাক কেউ দিতেই পারত না। কিন্তু তালাকের সুযোগ রাখা হয়েছে শুধু মাত্র দরকার হয় বলেই। তাই বলে আপনি যখন খুশি তখন তালাক দিবেন আবার গ্রহন করবেন। এই ছেলে খেলাই বন্দকরার জন্য এই শাস্তির ব্যাপার দেওয়া হয়েছে। বাকিটা আপনার বিষয়, আপনি যা ইচ্ছা ভাবতে পারেন।

=>বায়বীয় শব্দ ব্যাবহার করে আপনি আমাকে তুচ্ছ ভাবে নিয়েছেন। এটা ভাল আচরনের পরিপন্থি তা বুঝার ক্ষমতা আমার আছে। আপনি কোন উদ্দোশ্যে তা করেছেন, তা আমি বুঝতে পেরেছি। তারপর-ও আমি আপনাকে কিছু বলবো না। যাইহোক, আগেই বলেছিলাম, ইসলামিক থিওলজি পড়ার জন্য। আপনার কথায় আসি, আশরীয় মতবাদ অনুষারে, যে মানুষের কাছে, ইসলামের দাওয়াত পোছেনি এমন দূরের মানুষ বেহেস্তে যেতে পারবে কিন্তু মুথারিডি মতবাদের মতে তারা যেতে পারবে তবে তাদের কে অন্তত এক আল্লাহ (পাক) গডে বিশ্বাস রাখতে হবে। এটা অতি কমন একটি বিষয় যা আশরীয় এবং মুথারিডি মতবাদের একটি পার্থক্য হিসাবে উল্লেখ করা হয়। The Ash'ari view of Imam al-Ghazali says that a non-Muslim who was unreached by the message of Islam or was reached by it in a distorted fashion, is not responsible for this in the afterlife. The Maturidi view states that the existence of God is so obvious, that one who has intellect and time to think (not the mentally disabled etc.) and was unreached by the message of Islam and does not believe in God will end up in the hellfire, and divine amnesty is only available to those non-Muslims who believed in God and were unreached by the message.

হাদিস-ও চেয়েছেন তাই দিলাম,
The Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “By the One in Whose hand is my soul, no one of this nation, Jew or Christian, hears of me then dies without having believed in that with which I was sent, but he will be one of the people of the Fire.” Narrated by Muslim, 153.

আল কুরান থেকে এই আয়াত ও জেনে নিতে পারেন
002.062
YUSUFALI: Those who believe (in the Qur'an), and those who follow the Jewish (scriptures), and the Christians and the Sabians,- any who believe in Allah and the Last Day, and work righteousness, shall have their reward with their Lord; on them shall be no fear, nor shall they grieve.
PICKTHAL: Lo! Those who believe (in that which is revealed unto thee, Muhammad), and those who are Jews, and Christians, and Sabaeans - whoever believeth in Allah and the Last Day and doeth right - surely their reward is with their Lord, and there shall no fear come upon them neither shall they grieve.
SHAKIR: Surely those who believe, and those who are Jews, and the f Christians, and the Sabians, whoever believes in Allah and the Last day and does good, they shall have their reward from their Lord, and there is no fear for them, nor shall they grieve.

=> দেখেন ইসলাম অনুযায়ী সরকার প্রজার অবিভাবক, সেহেতু প্রজার উপর কর আরোপ করার অধিকার সরকারের আছে। যেমনঃ হযরত উসমান রাঃ এর সময়ে ঘোড়ার উপর কর আরোপ করে ছিলেন। হযরত উসমান রাঃ খেলাফায়ে রাশেদুন, তা বোধ হয় আপনার জানা আছে।

সব শেষে বলতেছি, আপনি আমার কথা বিশ্বাস করবেন কেন? আপনার সামনে আল কুরান আছে হাদিস আছে, আল-কুরান এর তফসির আছে, তারপরও আমার কথা বিশ্বাস করার কি দরকার? ঐগুলো পড়ুন দেখুন জানুন। ভাল লাগলে বিশ্বাস করুন, না হলে; কইরেন না।
হযরত আলী রাঃ বলেনঃ মানুষকে দেখে সত্য চেনার চেষ্টা করো নাঃ বরং সত্যকে জেনে নাও। এরপর সত্যপন্হীদেরকে আপনা আপনি জেনে যাবে ।

৫৪. ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ১০:২৪
শেলী বলেছেন: সুনীল রায়,

লেখক এজন্যই আপনাকে পড়তে বলেছেন ইসলামের উপর যাতে আপনার ভুল ধারনাগুলি দূর হয়। আমি কয়েকটার ব্যাপারে বলব।
১। ইসলামে কোনো পনপ্রথা নেই। কনের পিতা কোনো টাকা পায়না। শুধুমাত্র কনে পায় মোহরানা গিফট হিসাবে। এই টাকায় কনের বাবার কোনো অধিকার নাই। আরবে যেটা প্রচলিত সেটা কালচার।
২।হিল্লাবিয়েকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে ।
৩। অনেক স্কলারই (ইউসুফ আল কারযাফী)একমত যে রাগের মাথায় তালাক হয়না। তালাকের একটা প্রসেস আছে। তিনটা ইদ্দতকাল (waiting period)পার হলে তারপর তিন তালাক হয়। কেউ মুখে একবারে তিন তালাক দিলেও তিন তালাক হয়না।

৪। সভ্য সমাজে অবশ্যই মাদের দ্বিতীয় বিয়ের সুযোগ থাকা উচিত। একমাত্র ভারত(এশিয়া) ছাড়া সবজায়গায় এই সুযোগ আছে। ছেলেমেয়েদের বাস্তববাদী হতে হবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৬২৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি ফুয়াদ । আমার কমেন্ট গুলি আমার সাময়িক উপলব্ধি , যা সময়ের সাথে জ্ঞান অনুপাতে পরিবর্তিত হতে পারে । তাই,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ