পত্রিকায় খবরে দেখলাম যে যমুনা ফিউচার পার্কের অবৈধ অংশ ভেংগে ফেলা হচ্ছে। আমরা যারা বিদেশে থাকি, তাদের কাছে যমুনা ফিউচার পার্কের বিষয়টি আমাদের নিজের দেশের জন্য গর্বের বিষয় ছিল, হঠাত এ ঘটনা দেখে মনে বেশ কষ্ট পেলাম। রাজুক কি আগে তাদের সাবধান করতে পারল না। রাজোক তো ইচ্ছা করলে কিছু ফাইন দিয়ে তাদের অনুমতি দিয়ে দিত পারত। দেশের এত গুলো টাকা নষ্ট হল। এটা যে দেশের জন্য ক্ষতি তারা কি তা বোঝে না। কত গুলো কত মানুষের জব। ঘটনা জানার পর, ভাবতেছি কেউ মনে হয় ভয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে যাবে না। কারন ব্যাবসা যারা করেন তারা ভাল করেই জানেন, কাগজ পাতি তৈরি করতে কত ঝামেলা এবং এতে কত ফাক ফোকর থাকে, যা ব্যাবহার করে ঐ ব্যাবসা কে লাটে তুলা যায়। এখন, বাংলাদেশের অথরিটি গুলি যদি এরূপ করে তাহলে কার দায় পরেছে ঐখানে বিনোয়গ করার। যে দেশে ফকির থেকে প্রধান মন্তী চোর, সে দেশে অবৈধ স্থাপনা থাকবেই, এগুলো মেনে নিয়েই আমাদের অর্থনিতির উন্নয়ন করতে হবে। আস্তে আস্তে ক্রমান্ননয়ে দুর্নীতি দূর করতে হবে। আপনারা জানেন কি না জানি না, যে দেশ গুলিকে দুর্নীতি মুক্ত বলা হয়, সে দেশেও দুর্নীতি আছে, এবং তা ভাল করেই আছে। প্রায় বাংলাদেশের মতই। কিন্তু পার্থক্য ঐ দেশ গুলি ধনী হওয়ায় এগুলো ধরা পরে না। অনেক সময় চোখেও পরে না। কেউ ই নিঃস্পাপ নয়। কিন্তু তারা তাদের অর্থনিতির কথা ভাল করেই বুঝে। তাই, সাবধানে পা ফেলে। কিন্তু আমরা অসভ্যর মত আমাদের নিজেদের সম্পদ ই ধংশ করি।
রাজোক নিজেকে নিঃস্পাপ আর শ্রেষ্ট যা ই ভাবুক না কেন মানুষ অন্য কথা বলে। স্থপতি ও পরিবেশবিদ ড. ইকবাল হাবিব জানান, অবৈধ ভবনের জন্য মূলত রাজউকই দায়ী৷ রাজউকের অব্যবস্থাপনা ও অসততার জন্যই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে৷ তিনি বলেন, রাজউক একটি অথর্ব এবং জনবিচ্ছ্ন্নি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, তাদের নির্মাণ ছাড়পত্র নিয়ে রয়েছে ব্যাপক অস্বচ্ছতা৷ এর ফলে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়েছে৷
রাজোক জিন্দাবাদ, জয় মহান দেশের বিশ্বজয়ী দেশ প্রেমিক, মুর্খতার বিজয় হোক
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


