আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

অভিযুক্ত থাই নৌবাহিনী সদস্যদের বিচার দাবি : পিটিশন খুলুন কেউ একজন

০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৫

শেয়ারঃ
0 0 0

দেশে কাজের অভাব, মানুষগুলো তাই ভাগ্য গড়ার আশায় বঙ্গোপসাগর ধরে রওনা হয়েছিলেন মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে। উত্তাল সাগরে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় তুলে দিয়ে প্রতারক দালাল সটকে পড়ে। বেঁচে যাওয়াদের একজন মহম্মদ সোয়েবের মুখে শুনুন পরের কাহিনী- "তাঁরা ভাসতে ভাসতে থাইল্যান্ডের সমুদ্রসীমানায় ঢুকে পড়েন। তখন থাই নৌবাহিনীর একটি জাহাজ তাঁদের আটক করে। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় একটি নির্জন দ্বীপের ক্যাম্পে। সেখানে ১৫ দিন আটক রাখার পর তাঁদের ছয়টি নৌকা ফেরত না দিয়ে ২৫ মিটার লম্বা একটি নৌকার মধ্যে সবাইকে গাদাগাদি করে উঠিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের দেওয়া হয়েছিল একটি প্লাস্টিকের চাদর আর কিছু খাবার। সেই নৌকা থেকে ইঞ্জিন খুলে নেওয়া হয়। একটি থাই নৌজাহাজ প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে টেনে নিয়ে মাঝ সমুদ্রে তাঁদের নৌকাটি ছেড়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় দুই সপ্তাহ উদ্দেশ্যহীনভাবে সাগরে ভেসে বেড়ান চার শতাধিক বাংলাদেশি। স্রোতের টানে এক সময় তাঁরা ভাসতে ভাসতে চলে আসেন ভারতের সমুদ্রসীমানায়। আন্দামানের কাছে একটি বাতিঘর দেখতে পেয়ে তাঁরা ভেবেছিলেন উপকুলের কাছাকাছি এসে গেছেন। তাই প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাঁরা একে একে সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।"

এটা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশী বলেই থাই নৌবাহিনী এই নিষ্ঠুর কাজটি করতে পারলো। পশ্চিমের কথা বাদ দিলাম, মালয়েশিয়া হোক কিংবা সিঙ্গাপুরের, এমনকি যদি হতো পাকিস্তানের নাগরিকও - থাইল্যান্ড নৌবাহিনীর এই সাহস কখনোই হতো না। শালার বাংলাদেশের মানুষের জীবন যেন সামান্য পিঁপড়ার জীবন। ৪০০ মানুষভর্তি একটি নৌকা জাহাজের পিছনে বেঁধে ১৮ ঘন্টা ধরে সাগরে টেনে নিয়ে যাওয়া, হোক তারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, এই সভ্য যুগে কিভাবে সম্ভব? নৌকার ইঞ্জিন খুলে অসহায় মানুষগুলোকে মাঝ সমুদ্রে ছেড়ে দেওয়া মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায়।

ভারতীয় নৌবাহিনী চাইলে পাশ কেটে যেতে পারতো। তাদের কোনো দায়ও ছিল না। কিন্তু তারা একটি জীবন বাঁচানোর সর্বাত্মক লড়াই করেছে। এখনো তারা বঙ্গোপসাগর চষে বেড়াচ্ছে হতভাগ্য বাংলাদেশীদের খোঁজে। কৃতজ্ঞতা জানানোর উদারতা কম বাংলাদেশের মানুষের। ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচজন মানুষ মারা গেলে এতোক্ষণে পঞ্চম নৌবহর এসে থাইল্যান্ড উপকূলে অবস্থান নিতো। ভারত হলে মুম্বাই-কলকাতা-নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ হতো। এমনকি পাকিস্তানও যদি হতো, ছেড়ে কথা বলতো না। ব্যতিক্রম শুধু বাংলাদেশ, তৃতীয় বিশ্বেরও তৃতীয়, চার যুগ পার হতে চললেও আত্মসম্মানবোধ জন্মেনি। আর আমরা তো বাংলাদেশের মানুষই! তাই ঢাকা-চট্টগ্রাম-রাজশাহী খুলনায় এ বর্বরতার ঘটনায় একটি বিক্ষোভ হয়নি, হবেও না।
সম্ভব হলে কোনো বান্দা অনলাইনে একটি পিটিশন খোলার ব্যবস্থা করেন। সেই পিটিশন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ থাই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর একটা উপায় খুঁজে বের করি চলুন। তাতে হয়তো কাজ কিছুই হবে না, কিন্তু একটা চিহ্ন তো থাকলো।

গত বুধবারের সেই সংবাদের পুরোটা-
নিখোঁজ বাংলাদেশিদের সন্ধানে সাগরে উদ্ধার অভিযান চলছে
কলকাতা প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ তিন শতাধিক বাংলাদেশির সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। উপকুল রক্ষীবাহিনীর সঙ্গে উদ্ধারকাজে নেমেছে ভারতের নৌবাহিনীও। গতকাল মঙ্গলবার একটি হেলিকপ্টার ও চারটি জাহাজের সাহায্যে সমুদ্রে অভিযান চালানো হয়।
এখন পর্যন্ত ১০৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭ জন দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা সাঁতরে তীরে এসে উঠেছিলেন। বাকি ৮৮ জনকে উদ্ধার করা হয় সমুদ্র থেকে। লিটল আন্দামানের কাছে কয়েকজনের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিন শতাধিক বাংলাদেশি এখনো নিখোঁজ। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাঁরা সবাই সাগরে ডুবে মারা গেছেন।
উদ্ধারকৃতরা আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আন্দামানের পুলিশ প্রশাসন মানবিক কারণে তাঁদের অনুপ্রবেশকারী হিসেবে গ্রেপ্তার না করে বাংলাদেশ সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
বেঁচে যাওয়াদের একজন মহম্মদ সোয়েব পুলিশকে জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় কাজ পাওয়ার আশায় দালালদের টাকা দিয়েছিলেন তিনি ও তাঁর মতো চার শতাধিক বাংলাদেশি। প্রায় দুই মাস আগে মাঝ সমুদ্রে তাঁদের ছয়টি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় উঠিয়ে দিয়ে দালালেরা সটকে পড়ে। তাঁরা ভাসতে ভাসতে থাইল্যান্ডের সমুদ্রসীমানায় ঢুকে পড়েন। তখন থাই নৌবাহিনীর একটি জাহাজ তাঁদের আটক করে। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় একটি নির্জন দ্বীপের ক্যাম্পে। সেখানে ১৫ দিন আটক রাখার পর তাঁদের ছয়টি নৌকা ফেরত না দিয়ে ২৫ মিটার লম্বা একটি নৌকার মধ্যে সবাইকে গাদাগাদি করে উঠিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের দেওয়া হয়েছিল একটি প্লাস্টিকের চাদর আর কিছু খাবার। সেই নৌকা থেকে ইঞ্জিন খুলে নেওয়া হয়। একটি থাই নৌজাহাজ প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে টেনে নিয়ে মাঝ সমুদ্রে তাঁদের নৌকাটি ছেড়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় দুই সপ্তাহ উদ্দেশ্যহীনভাবে সাগরে ভেসে বেড়ান চার শতাধিক বাংলাদেশি। স্রোতের টানে এক সময় তাঁরা ভাসতে ভাসতে চলে আসেন ভারতের সমুদ্রসীমানায়। আন্দামানের কাছে একটি বাতিঘর দেখতে পেয়ে তাঁরা ভেবেছিলেন উপকুলের কাছাকাছি এসে গেছেন। তাই প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাঁরা একে একে সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।

প্রথম আলো, ৩১ ডিসেম্বর ২০০৮

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): sbs newsthailandbangladesh refugee deathbangladeshi refugee deathbangladeshi refugee ;
প্রকাশ করা হয়েছে: দূরের জানালাসমসাময়িক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২১
ব্লগে নতুন বলেছেন: আমাদের পররাস্ট্র মন্ত্রনালয় করে টা কি।
২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
অ্যামাটার বলেছেন: অত্যন্ত নগ্ন বর্ণবাদ। বাংলাদেশের অবশ্যই ছেড়ে কথা বলা উচিৎ হবে না। নতুন সরকারের কাছে আবেদন, ক্ষমা প্রার্থনা না করলে থাইল্যান্ডের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা হোক। আর থাই স্বশস্ত্র বাহিনী'র আকার কি আমাদের চেয়ে বড়? সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে সব পথই খোলা রাখা উচিৎ...
৩. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৪
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:


আমাদের মূল্যহীন মানুষের প্রাণ, জলের দরে বিকোয় বর্তমান

এই সংবাদ শুনে মন খারাপ হয়েছিলো । মর্মান্তিক এই ঘটনা বিস্তারিত জেনে আমাদের মানুষগুলোর পিঁপড়ের মতো প্রাণের জন্য খুব আফসোস হচ্ছে । তাঁদের জন্য নিস্ফল ক্রন্দন বা একটু উহ্- আহ্ করবে, এরকম মানুষও দেখা যাচ্ছে না !
৪. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: আহারে ......

মর্মান্তিক
৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫১
থার্ড নয়ন বলেছেন: সরকারের উচিত এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া।
৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
সাফায়েত বলেছেন: এত মর্মান্তিক ঘটনাও আমাদের বিবেককে নাড়া দেয় না। আমরা গাজায় মানুষ হত্যার নিন্দা করি...কিন্তু একই দিনের এই ঘটনাকে পাশ কাটিয়ে যাই। এ জন্যেই আমরা বাংলাদেশি।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: মন্তব্যটা পড়ে মুখটা হাতের মুঠির ওপর রেখে ভাবলাম কিছুক্ষণ। হ্যাঁ, এজন্যই আমরা বাংলাদেশী।

৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪১
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আমার খুব সিমীত সামর্থ । সিমীত সামর্থে কোন বিষয়ে নিজের ভেতর নিজে গুমরে কাঁদা ছাড়া কিছুই করার নাই । করতে পারিনা ।

আমার সিমীত সামর্থে এই মানুষগুলোর প্রতি আমি শোক প্রকাশ করছি কালোব্যাজ ধারণ করে । যদি আপনাদের ভালো লাগে আপনারও কালোব্যাজ ধারণ করে শোক প্রকাশ করতে পারেন ।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: আপনার অনুভূতি আমাকেও স্পর্শ করল। আমার বাংলাদেশের ৩০০ মানুষ জলে তলিয়ে গেল থাই কর্তৃপক্ষের বর্বরতায়। কারো কোনো শব্দ নেই।

৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫১
ভেংচুক বলেছেন: কেনাডায় দুইজন মারা গেছে,এইডিয়া বিবিসি তে কি তোলপাড়
৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০২
শিট সুজি বলেছেন: উত্তর আমেরিকায় কেউ পাদ দিলেও সারা পৃথিবী নড়ে যায় আর আমাদের দেশের মানুষগুলা এইভাবে মরতেছে ..

অভিযুক্ত নৌ সদস্যের বিচার করার আগে অবৈধ রিক্রুটিং এজেন্টদের বিচার করেন যাতে ভবিষ্যতে এরকম আর না হয় ।
১০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৮
রাহা বলেছেন: ছি ছি
মানুষ এতো বর্বর হয় কি করে ??
১১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১৭
ড়ৎশড় বলেছেন: দুঃখের ব্যাপার কি জানেন,আমার এক ভাই ওইখানে ছিলো।আমি দেখলাম তার মাকে সকাল বেলা প্রলাপ করতে"আমার পোলারে পানির মধ্যে ছাইর‌্যা দিয়া মাইর‌্যা ফেললোরে....."।
শুনলাম তার বাবা বলছে "আমি আর খামুনা...আমারে খাওনের লেইগ্যা আমার পোলাটা শেষ হয়া গেলো।"
খারাপ লাগলো,অনেক খারাপ লাগলো।এতগুলো মানুষ মারা গেল,অথচ কেউ কিছু বলছেনা।আমি জিজ্ঞেস করতে চাই কেন?
নিজেকে যদি কেউ বাঙ্গালী বলে দাবি করেন তাহলে একবার ভাই একবার একসাথে বলেন "৩০০ ভাইয়ের প্রাণ বৃথা যেতে দিবোনা"।
আমি জানি আমার দেশটা গরীব,আমি জানি আমার দেশের সব সরকার দুইনাম্বার.........কিন্তু আমি তার আগে জানি আমার দেশের সাধারন মানুষগুলা এক নাম্বার।
আপনার আমার মত সাধারণ মানুষ যাদের ভিতরে একজন বাঙ্গালী বাস করে যে ভাষার জন্য প্রাণ দিতে পারে,দেশের জন্য সব কিছু ত্যাগ করে নিজেকে উৎসর্গ করতে পারে,সে তার ৩০০ ভাইকে এভাবে যারা মেরে ফেললো তাদের বিরুদ্ধে একটা আওয়াজ করবেনা এটা আমি মানতে পারিনা।
সবার কাছে বিনীত অনুরোধ আসেন একটু প্রতিবাদ করি,যিনি যেভাবেই পারেন।
একবার চিন্তা করেনতো,আপনাকে আমাকে এভাবে কতিপয় নরপশু সাগরের মাঝে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে ছেড়ে দিলো.......
ব্লগলেখক ভাই,আমার জ্ঞ্যান অল্প।পিটিশন কিভাবে খুলে জানিনা।আপনার মত আমিও সবাইকে অনুরোধ করবো,একটা কিছু করেন না!!
যারা আমার জাতিসত্ত্বায় এভাবে আঘাত করলো,আমার ভাইদের খুন করলো তাদের প্রতিবাদে একটা কিছু করেন না!!!
০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: এত মর্মান্তিক ঘটনাও আমাদের বিবেককে নাড়া দেয় না। আমরা গাজায় মানুষ হত্যার নিন্দা করি...কিন্তু একই দিনের এই ঘটনাকে পাশ কাটিয়ে যাই। এ জন্যেই আমরা বাংলাদেশি।

আমার খুব কষ্ট লাগে।

১২. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৮
রাজর্ষী বলেছেন: থাইল্যান্ডের পন্য বর্জন করি। তাদের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্কচ্ছেদ।
১৩. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:২৭
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: তাড়াতাড়ি পিটিশন তৈরি করা হোক.......
১৫. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯
প্রলয় হাসান বলেছেন: লোকালদা, ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা আপনাকে। কায়মনোবাক্যে কামনা করছি, নতুন বছর আপনার জন্য হোক আরো হাসি আর আনন্দময়। সেই সাথে আপনার ব্লগের পাতা সাহিত্যের কল কাকলীতে আরো ভরে উঠুক ।



:)
১৬. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯
প্রলয় হাসান বলেছেন: রাজরষী খারাপ বলে নাই। একমত।
১৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬
ড়ৎশড় বলেছেন: পিটিশন করা কি হয়েছে?
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: না, হয়নি। হাজার হাজার মাইল দূরের গাজা হত্যাকান্ডের জন্য আমাদের দরদ উথলে পড়ে। কিন্তু আমাদের যে ৩০০ লোক একই দিনে, ৩১ ডিসেম্বর, বঙ্গোপসাগরে চিরতরে হারিয়ে গেল তাদের জন্য কষ্ট হয় না। সলিমুদ্দির ছেলে কলিমুদ্দির মৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়। গ্ল্যামার নাই তো!

ধন্যবাদ।

১৮. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২০
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন: @লোকালটক
লেখাটা রিপোস্ট করুন। আমি আগে লেখাটা দেখি নাই। আজ দেখলাম। আসলেই

হাজার হাজার মাইল দূরের গাজা হত্যাকান্ডের জন্য আমাদের দরদ উথলে পড়ে। কিন্তু আমাদের যে ৩০০ লোক একই দিনে, ৩১ ডিসেম্বর, বঙ্গোপসাগরে চিরতরে হারিয়ে গেল তাদের জন্য কষ্ট হয় না। সলিমুদ্দির ছেলে কলিমুদ্দির মৃত্যু গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়। গ্ল্যামার নাই তো!

আমি নিজেও ঐ (গাজা হত্যাকান্ড)টপিকস নিয়ে একটা পোস্ট দিছি। প্লিজ লেখাটা রিপোস্ট করুন।
১৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৬
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: থাইল্যান্ডের পন্য বর্জন করি। তাদের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্কচ্ছেদ।
২০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৫
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: খবরটা শুনেছিলাম কিন্তু ভিতরের ঘটনা জানতাম না।স্যারি, খেয়াল করি নাই।

তবে এ জন্য গাজা হামলার প্রতিবাদকারীদের নিয়ে কটাক্ষ করাটা যৌক্তিক মনে হলো না।প্রতিবাদ একসংগে চলতেই পারে।পিটিশন খুলুন।আমি সাথে আছি, যতটুকু পারা যায়।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: মিঠাই বলেছেন: তিনশ বাংলাদেশি সমুদ্রে ছাইড়া মাইরা ফালাইলো। আর গাজায় এতদিনের যুদ্ধে মারা গেসে ১২০০ পেলেস্টাইনি। হাইরে বাংগালি, এই পুস্টে কমেন্টো নাই, এইটা ইস্যু নিয়া পুস্ট নাই, অতচ গাজাবাসীদের নিয়া প্রতিদিন গড়ে ১৫ খানা পুস্ট পড়ে। নিজেগো দ্যাশের লুকের জীবনের দাম নাই, ফিলিস্তিন নিয়া ফাড়াফাড়ি।

=
না, আগে আমাকে বুঝতে হবে, আমার দেশের লোকের জীবনের মূল্য কেন নেই? আমার দেশের মানুষের মৃত্যু কেন কুকুর-বেড়ালের মতো হয়, সেটা বুঝি আগে। তারপর হয়তো কোনো একদিন গাজা নিয়ে কথা বলবো। তার আগ পর্যন্ত গাজা কেন, কাবুল-বাগদাদও আমাকে স্পর্শ করবে না। সরি!

২১. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৫
বিডি আইডল বলেছেন: আমাদের ভিতরে সমস্যা আছে
২২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
কুয়াশা বলেছেন: ব্লগে নতুন বলেছেন: আমাদের পররাস্ট্র মন্ত্রনালয় করে টা কি। উত্তর ঘোড়ার ঘাস কাটে। আর নাকে তেলদিয়ে ঘুমায়।
২৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৯
দিগন্ত বলেছেন: লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১৭
সোনার বাংলা বলেছেন:

দিপু আপায় কিতা করে তা দেকবার চাই.......

অনেক কেতাইচে কাম চাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৩১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ