আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

কাঁদছে অরক্ষিত সীমান্ত : সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে অবিশ্বাস

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৫

শেয়ারঃ
0 0 0

যেভাবেই হোক না কেন, যে কারণেই হোক না কেন- বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর একটি দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। সেনাসদস্যদের সকলেই এই ঘটনায় চরম অপমানিত বোধ করছেন। এর মধ্যে অনেকে মনে করছেন, এক বা একাধিক মহল কৌশলে তৃতীয় শক্তির মাধ্যমে তাদের ওপর প্রতিশোধ নিয়েছেন। তারা মনে করছেন, দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, রাজনীতিবিদদের গ্রেপ্তারসহ নানা কারণে এক বা একাধিক মহল সেনাবাহিনীর ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। পিলখানায় সেনাকর্মকর্তাদের ওপর নির্বিচার এ গণহত্যায় ওই মহলগুলোর ইন্ধন থাকতে পারে। ইতিমধ্যে ভারতের বিএসএফের দিকে সন্দেহের তীর উঠেছে। এমনিতে তো সাধারণভাবে ধারণা করা হয়ই যে, ভারতের প্রতি আওয়ামী লীগ ঐতিহাসিকভাবে সহানুভূতিশীল। সবমিলিয়ে অনেকে দুয়ে দুয়ে চার মেলাতে চাইছেন।

সরকারের ওপর ক্ষোভ চার কারণে
১. ঘটনার শুরুতেই সেনাবাহিনী তাদের কর্মকর্তাদের বাঁচাতে বারবার পিলখানার ভেতরে ঢুকতে চেয়েছে। সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা এখন প্রতিপক্ষকে আঘাত না করেও জিম্মিদের বের করে আনতে পারে। ফলে অনেকে যে অজুহাত দেখাতে চাইছেন, সেনারা প্রবেশ করলে সবাইকে হত্যা করা হতো। তা ঠিক নয়। এমনকি রেবও যদি সময়মতো পিলখানার ভেতরে ঢোকার অনুমতি পেতো, তাহলেও বহু সেনাকর্মকর্তাকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হতো।
২. গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, বুধবার সকালে দরবার হলে বড়জোর ২০ থেকে ২৫ জন সেনাকর্মকর্তাকে বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা হত্যা করে। আর বাকি সবাইকেই হত্যা করা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পরই। ঠান্ডা মাথার এ খুনের পর তাই বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা সংসদে ইমডেমনিটি পাশ করার দাবি জানিয়েছিল। এমনকি তারা অস্ত্রসমর্পণেও রাজি ছিল না। পরে মূলত সেনাবাহিনীর বেপরোয়া যুদ্ধপ্রস্তুতি দেখে বিদ্রোহীরা পিছু হটে।
৩. টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর খবরেই অনেকে দেখে থাকবেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও সাংসদদের তত্ত্বাবধানে আত্মসমর্পণের আগে ও পরে প্রচুর কালো কাঁচের অ্যাম্বুলেন্স ও মাইক্রোবাস পিলখানার ভেতরে ঢুকেছে ও বেরিয়েছে। সেনাসূত্র নিশ্চিত করছেন, এ যানগুলোতেই বিদ্রোহের মূল হোতারা নির্বিঘ্নে সরকারের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরে অবশ্য নিশ্চিতও করেছেন যে, বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা তাদের হেফাজতে আছে।
৪. অনেকেই মনে করছেন, মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করে বিডিআর বিদ্রোহীদের বক্তব্য জনগণের কাছে এমনভাবে পৌঁছানো হয়েছে, যাতে সেনাবাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। প্রথম দুদিন সেটাই হয়েছে। বিদ্রোহীদের সঙ্গে জনতা উল্লাস প্রকাশ করছে- এমন দৃশ্যও আমাদের দেখতে হয়েছে।

সন্দেহের তীর তৃতীয় শক্তির দিকেই
পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনের টক শোতেও সামরিক বিশেষজ্ঞরা বারবারই বিদেশী শক্তির প্রতি আঙ্গুল তুলছেন। মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমাণ্ডার ও সাবেক সেনাকর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) মীর শওকত আলী আজ এক টকশোতে বলেছেন, বিডিআর বিদ্রোহ ও সেনাকর্মকর্তাদের গণহত্যার কাজটি বিডিআর সদস্যদের একার কাজ হতে পারে না। মূল মদদদাতারা কৌশলে সাধারণ বিডিআরদের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল। প্রয়োজনীয় উস্কানি দেওয়ার কাজটি তারাই করেছে। এর সমর্থনে তিনি সেনাবাহিনীতে তার অতীত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। বিডিআরের মতো একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীতে বাইরের লোক ঢোকা কিভাবে সম্ভব- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা খুবই সম্ভব। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ইউনিফর্ম ও নকল পরিচয় বহন করে নবম ডিভিশনের ভেতরে এসে কেউ যদি নিজেকে অষ্টম ডিভিশনের লোক হিসেবে পরিচয় দেন, তাহলে তাকে শনাক্ত করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। এভাবে সাধারণ সৈনিকদের সঙ্গে মিশে যাওয়া খুবই সম্ভব।
তিনি বলেন, ঢাকা বিমানবন্দরে ছিনতাইকৃত জাপানি বিমান অবতরণের পর সশস্ত্র বাহিনীর যে আটজন কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছিল, তাও এভাবেই হয়েছিল। বাহিনীর বাইরে থেকে লোক ঢুকে বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে চোখের পলকে সশস্ত্র বাহিনীর আট কর্মকর্তাকে হত্যা করেছিল।

কাঁদছে অরক্ষিত সীমান্ত
সীমান্তের বিওপিগুলো এখন আক্ষরিক অর্থেই অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এখন বিডিআরের সুবেদার মেজরদের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর একটি বাহিনী চলছে ঢিমেতালে। অবস্থা বোধহয় এমন দাঁড়িয়েছে যে, কলকাতা কি ত্রিপুরায় ভালো থাকা-খাওয়ার সুবিধা পেলে বিওপিগুলো শূন্য হয়ে যাওয়াও এখন অস্বাভাবিক নয়। এদিকে বিএসএফ গত পরশুও সীমান্তে এক বাংলাদেশীকে গুলি করে হত্যা করেছে। যে কোনো বিচারেই জাতীয় নিরাপত্তার শেষ খুঁটি- সেনাবাহিনী ও বিডিআর। এর মধ্যে বিডিআরকে প্রায় শক্তিহীন করে দেওয়া গেছে।
সীমান্তের এই প্রহরীদের শক্তিহীন করে কার লাভ কী? তালপট্টি-মালপট্টি টাইপের ইনকিলাবীয় গৎবাঁধা প্রচারণায় সায় দেই না। বিএনপি-জামাতি কথিত বুদ্ধিজীবীদের কল্পিত ভারতীয় আধিপত্যবাদেও মন দেই না কখনোই। আমরা শুধু জানি, আমাদের বিডিআরের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বিডিআরের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া মানে সীমান্তকে অরক্ষিত করে দেওয়া। এখন আঘাতটা যখন গায়ের ওপর এসে পড়েছে, দেশের ওপরে এসে পড়েছে, তখন দেশের শত্রুদের চিহ্নিত করা আর জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের মাথার ওপর কলকাতা নেই, ইসলামাবাদও নেই। এই দেশটাই আমাদের সবকিছু- সুখে-শান্তিতে-বিদ্রোহে-সংগ্রামে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): bdr mutinybangladesh rifles revoltbangladesh riflesbdr mutiny day ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রতিরক্ষাসমসাময়িক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৮
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
আপনার ব্লগের পোস্টগুলান প্রিন্ট করে টয়লেট পেপার হিসেবে ব্যবহার করবো ঠিক করেছি।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন: ধাতানি খাওয়ার পর এটিমের একজন সদস্য হিসেবে আপনার সেটাই করা উচিত। তাহলে ভারতপ্রেম আরো সুন্দরভাবে ফুটে উঠবে। গো অ্যাহেড...

২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০২
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: পোষ্টে প্রথম প্লাস। সেনাসদস্যদের ক্ষোভের কারনগুলোর সাথে একমত, উশৃংখল কিংবা ভারাটিয়া খুনীরা যা করতে চলেছে, সেটা সরকার বা মানুষ না বুঝলেও সুশিক্ষিত সেনাবাহিনী ঠিকই বুঝতে পারে। তাদের ক্ষোভ যুক্তিপূর্ন। সবাই জানে ৪/৫ শ বিডিআর কিংবা ভারাটিয়া খুনীর জন্যে পুরো ৭৬ হাজার বিডিআরের ওপর সেনাবাহিনী ষ্টিম রুলার চালাবেনা। সেনাবাহিনী বিডিআর সদস্যদের মতো অর্ধশিক্ষিত না। ঘটনা মিডিয়াতে ধীরে ধীরে উঠে আসায়, এখন বিডিআর সদস্যরা পর্যন্ত কাদছে তাদের স্যারদের জন্যে।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এখন সাধারণ মানুষও আসল ঘটনা কী- তা একটু একটু বুঝতে পারছেন।

৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৪
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
আপ্নার সোর্সরে জিজ্ঞেস কৈরা এটিমে আমার সদস্যপদের অস্তিত্ব আবার যাচাই করুন। :-D
৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৬
হেকমত বলেছেন: এখন কি করা উচিত ? আপ্নেই একটা দিক নির্দেশনা দেন , জাতি এবং সেনাবাহিনী আকুল আগ্রহে আপ্নার দিকে তাকায় আছে
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: দিকনির্দেশনা তো কারো দেওয়ার দরকার নেই। ব্লগের কাজই হল আলোচনা। সেটা আমরা করবো চুলকানি যতোই হোক আপনার। আপনারে আমি চিনি।

৫. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৭
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন: পিলখানা হত্যাকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্রের অবসান হোক।
এর নেপখ্যে কারা জড়িত? সুষ্ঠু তদন্ত হোক।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: একমত।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

৮. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৯
শাহরিয়ার হাসান বলেছেন:
লুকার ঠগের সোর্সগুলানরে ঠগবাজিতে নোবেল দেওয়ার তেব্র দাবি জানাই
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: যাউগ্গা, এই নিকে হাছিপরে দেইখা ভালো লাগতেছে। আনব্যান হাছিপ!

৯. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১০
এ্যাশপরী বলেছেন: আপনারে কি কওয়ন যায়, চিন্তা করতাছি।
১০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১১
বিষক্ষয় বলেছেন: সবাই জানে ৪/৫ শ বিডিআর কিংবা ভারাটিয়া খুনীর জন্যে পুরো ৭৬ হাজার বিডিআরের ওপর সেনাবাহিনী ষ্টিম রুলার চালাবেনা। সেনাবাহিনী বিডিআর সদস্যদের মতো অর্ধশিক্ষিত না।

সেনাবাহিনী উচচ্চশিক্ষিত---HSC pass
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনি হয়তো জানেন না যে, প্রত্যেককেই উচ্চশিক্ষার সিঁড়ি পেরোতে হয়। এবং এটা সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক।

১১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১২
নেক্সাস বলেছেন: ++++++++++++++++++++

সঠিক এবং যৌক্তিক বক্তব্য।

সহমত...

সত্যি কথা বল্লে অনেকের সহ্য হয়না।


২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এই পোস্টটি দেখুন। ভারতীয় নাগরিকদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বাংলা ব্লগের ওয়েবমাস্টার ভারতকে হারতে দেয় নাই। মাইনাসের কাউন্টার লক্ষ্য করুন। এই পোস্টের আগের পোস্টটি লক্ষ্য করুন।





১২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৩
আমার জন্য লেখা বলেছেন: নির্বাক সুশীল বলেছেন:
আপনার ব্লগের পোস্টগুলান প্রিন্ট করে টয়লেট পেপার হিসেবে ব্যবহার করবো ঠিক করেছি।
১৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২০
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: @বিষক্ষয় আপনার ক্ষোভের আগুনে আরেকটু ঘি ঢালার চেষ্টা করি দেখি পারি কি-না?...........আপনি একমত হবেন কি--না যে বাংলাদেশের যে জনসংখ্যা এবং বেকারত্ত্বের হার...১ দিনে ১ লাখ বিডিআর নিয়োগ করা কোনো ব্যাপারনা......কিন্তু ১ দিনে কেন, ১০ বছরে একজন কর্নেল তৈরি করা সম্ভবনা।
১৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২২
বিডি আইডল বলেছেন:
মেজর শাকিল গুলি খেয়ে মরার ৩০ সে: আগেও শেখ হাসিনার সাথে কথা বলছিল...আর্মিদের যখন গুলি করা হয় তখনও তারা পরিবারের সবার সাথে মোবাইলে সাহায্য চেয়ে আকুতি করছিল...ভিতরে কি হচ্ছে এটা সরকার বা আর্মি প্রকৃত অর্থে আচ করতে পারে নি এটা কোন ভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়...এর মাঝে বিডিআর সদস্যদের সাথে মিটিং আর ইনডেমনিটি ঘোষণার যৌক্তিকতা ইতিহাতের বিচারে প্রশ্নবিদ্ধ থাকবেই
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: তা তো অবশ্যই। জেনারেল শাকিল শুধু হাসিনা নয়, এই সরকারের আরো অনেকের কাছেই বাঁচার জন্য আকুতি জানিয়ে ফোন করেছিলেন মৃত্যুর ঠিক আগে।

১৫. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আপনি আপাতত গুজব কম ছড়িয়ে বিশ্রাম নিন। দুই তিন দিন অনেক সার্ভিস দিয়েছেন। সুস্থ থাকুন।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ব্লগ সবার জন্য। সবাই এখানে মতামত ব্যক্ত করতে পারেন। আপনাকে অসুস্থ দেখাচ্ছে। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।

১৬. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৯
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: আমরা মানুষ হলাম না! ভাবতে অবাক লাগে যে কেউ কেউ বিডিআর বিদ্রোহের দায় সরকারের উপর চাপানো চেষ্টা করছে!
১৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩০
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: আমরা মানুষ হলাম না! ভাবতে অবাক লাগে যে কেউ কেউ বিডিআর বিদ্রোহের দায় সরকারের উপর চাপানো চেষ্টা করছে!

মাইনাস...
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদের সঙ্গে গৃহীত হল। সুশ মিয়ার একবার অন্তত কষ্ট কমলো।

১৮. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩২
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
আপনার পোস্ট পড়ে আমি শেষে এসে ভাবি, ঈশ্বরের সাথে আপনার কোন হটলাইন আছে। গুগল টক বা এমএসএন এ ঈশ্বরের সাথে আপনার বাতচিত হয়, উনি সব বলে দেন আর আপনি এসে সব উগড়ে দেন।

ম্যান, ত্রিভুজকে টপকানো অত সহজ নয়।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: খুবই পুরনো কৌশল। লাভ হবে না।

১৯. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
নারিকেল-জিন্জিরা বলেছেন: কিছু মনে করবেন না .... ভাল লাগলোনা বিধায় মাইনাস দিয়ে গেলাম।
লেখা পড়ে মনে হচ্ছে স্বাভাবিক বুদ্ধি বিবেচনার তওয়াক্কা না করেই আপনার নিজের ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে পোষ্টাটি দিয়েছেন। একজন পুরাতন ব্লাগারের কাছ থেকে এতটা অযৌকিত, অবিবেচকের মত পোষ্ট আশা করিনি :(
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: না, ঠিকই আছে। আপনি অবশ্যই আপনার দ্বিমত প্রকাশ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ। আমার কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ নেই কারো ওপর। আমি শুধু পরিস্থিতি বর্ণনা করার চেষ্টা করেছি।

২০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৬
আবুল বাহার বলেছেন: জোকারটকের কারনে ব্লগে অনেক আনন্দ দায়ক খবর আসছে !!!
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: কুরিয়া থেকে আপনি কিছু খবরাখবর দেন।

২১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৬
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: ১। সেনাবাহিনী আপনার সাথে তাদের মতামত ব্যাক্ত করেছে কি??

২। না কি কতিপয় টকশো বাজের কথা শুইনা আপনি এগুলো লিখলেন??

# যদি একনম্বর টা হয়ে থাকে তাহলে আপনিই একটা দিকনির্দেশনা দিন, বাঙালী জাতি অধীর আগ্রহে আপনার নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করতেছে।।

# আর যদি দুই নাম্বার টা হয় তা হলে বলব আপনি সেই সব শয়তানের দলে, যারা মানুষের দুঃসময়ে সুযোগ খুজে, গুজব চড়ায়, ক্ষতি বাড়ায়, কান্না দেখে মজা পায় অথচ নিজেও মায়া কান্নাকরে!!

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্য আপনি জানিয়েছেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪১
সুমন বলেছেন: ব্লগবুদ্ধিজীবী !!
২৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
রাফা বলেছেন: চালিয়ে যান ; নির্বোধদের নিষেধ করলে আরো বেশি করে, করে সেই কাজ। কাজেই পাগলকে সাকো না নাড়াতে বলতে চাই না।ধন্যবাদ
২৫. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৮
নির্বাক সুশীল বলেছেন:

ভাই, আপনি দিনদিন অ্যারোগ্যান্টের সীমা ছাড়ায় যাইতেসেন। তবে বলতে পারি, ত্রিভুজকে অতিক্রম করতে পারবেন না।


বড় বড় কথা, গল্পগুজব অনেক লেখা যায়।

আপনাকে আপনার লেখা পইড়া যতটুকু বুঝছি, তাতে ড্যাম সিউর কইতে পারি, আপনাকে স্বরাষ্ট্রমন্র্তী বানায় দিলে ওই জায়গায় ১০০ র জায়গায় ১০০০ সাথে, ওই এলাকার সিভিলিয়ান হাজারে হাজার সব মরতো। পিলখানা ট্র্যাজেডি না কইয়া, ধানমন্ডী-পিলখানা ট্র্যাজেডি বলতে হইতো।


২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার সমস্যাটি বুঝতে পেরেছি এতোক্ষণে। চুলকানির একটি মলমের দাম মাত্র ৫ টাকা! ৫ টাকা!! ৫ টাকা!!! ডিনার সারার আগেই ব্যবহার করুন দয়া করে।

২৬. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: একটা কল্পগল্প লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে!

১. বিডিআরের সকল সেক্টর কমান্ডার জড়ো হয়েছেন একই এলাকায়, উপলক্ষ্য বিডিআর সপ্তাহ ২০০৯

২. সকল 'আন-একাউন্টেড-ফর' সৈনিক ক'দিনের মধ্যেই রিপোর্ট করবে নিকটস্থ ঘাঁটিতে।

৩. তদন্তে দেখা যাবে এদের কেউই জড়িত ছিলো না।

৪. তাহলে খুনগুলো কারা করলো?

৫. থিওরি (আকা- গুজব): একটি উচ্চতর প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত দল হত্যাকান্ডের নকশা আর বিদ্রোহের লিফলেট নিয়ে প্রবেশ করেছে সদর-দপ্তরে। নকল পোশাক পড়ে মিশে গিয়েছে সৈনিকদের মাঝে। গুজব ছড়িয়েছে 'কাল একটা কিছু হতে যাচ্ছে'।

৬. দরবার হলে পরিকল্পিত ভাবে হত্যাকান্ড ঘটানো হয়। এরাই মিডিয়াতে প্রচার করে জে. শাকিল কিভাবে বিডিআর জওয়ানকে গুলি করে মতান্তরে জুতোর ফিতা দিয়ে বেঁধে ফেলে..ইত্যাদি ইত্যাদি।

৭. এক দল হাতে গ্রেনেড নিয়ে, মুখোশ পড়ে (সন্ত্রাসবাদী কায়দায়) গেটে এসে প্রোপাগান্ডা চালাতে থাকে।

খৈয়াল কৈরা.. সবার মুখ ঢাকা ছিলো না।

কেন ছিলো না?

৮. আরেকদল গনকবর ব্যাবস্থা করছিলো। খুব সম্ভাবনা আছে মৃত অফিসারদের দিয়েই গর্ত খোঁড়ানো হয়েছে।

৯. একদিকে সাহারা খাতুন অস্ত্র সমর্পনের ধোঁকা খাচ্ছিলেন রাত চারটার সময়। একই সময়ে বা আরো আগে অফিসারদের হত্যা করে মাটি চাপা দেয়া হচ্ছিলো।

১০. সাহার খাতুন সামনের গেট দিয়ে নারী/শিশুদের উদ্ধার করে বের হয়ে আসলেন। পেছনের গেট দিয়ে বহিরাগত দল দেয়ালের তারকাঁটা সরিয়ে পালিয়ে গেলো পোশাক ফেলে দিয়ে।

১১. লাভ কার হলো? বিডিআরের মাথা কেটে ফেলা হলো! (বিডিআর সপ্তাহে সব টপ-লেভেল কর্মকর্তা একই স্থানে পাওয়া গেলো হত্যার জন্য।)

১২. অবশ্যই পুর্ব-পরিকল্পিত এই ঘটনা ঘটিয়েছে দেশে প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত একটি দল। ক'টি সংগঠনের এই ক্ষমতা আছে?

১৩. ক'টি সংগঠন এভাবে একই সাথে গুজব/বিদ্রোহ ছড়িয়ে দিতে পারে দেশের সবক'টি বিডিআর ঘাঁটিতে?

১৪. বিরোধী দলগুলি কেন প্রথম দু'দিন সম্পুর্ন নীরব ছিলো?


( ডিস্ক্লেইমার: ইহাকে পরিপূর্ন একটি গুজব কমেন্ট হিসেবে ধরে নিতে পারেন। )
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: ১১. লাভ কার হলো? বিডিআরের মাথা কেটে ফেলা হলো! (বিডিআর সপ্তাহে সব টপ-লেভেল কর্মকর্তা একই স্থানে পাওয়া গেলো হত্যার জন্য।)

১২. অবশ্যই পুর্ব-পরিকল্পিত এই ঘটনা ঘটিয়েছে দেশে প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত একটি দল। ক'টি সংগঠনের এই ক্ষমতা আছে?

১৩. ক'টি সংগঠন এভাবে একই সাথে গুজব/বিদ্রোহ ছড়িয়ে দিতে পারে দেশের সবক'টি বিডিআর ঘাঁটিতে?

এই তিনটাই গুরুত্বপূর্ণ এখন।

২৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
নীল লাল সবুজ বলেছেন: ধন্যবাদ ফিউশন ফাইভ। আমার একটা প্রশ্ন ব্লগের ওই সব পাঠাদের (তোলানো বাকী আছে তাই) হাসিনা সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করার কে? একমাএ প্রেসিডেন্টই পারেন এটা। নাকি প্রেসিডেন্ট আধা মরা তাই ঝামেলায় হার্টফেলের ভয়ে? কেন সেদিন বন্দী বিনিময় চুক্তি না করে সাথে সাথে অবৈধ ভাবে সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করা হল। দেশটাকে নিয়ে আর কত খেলবেন?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: আসলেই! কতো বড়ো ক্ষতি যে হয়ে গেল- এটা এখনই বোঝা যাবে না। বোঝা যাবে খুব ধীরে ধীরে।

২৮. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৮
অচেনা অতিথি বলেছেন: -->বিএনপির স্থায়ী কমিটি বৈঠকে সেনা কর্মকর্তাদের মৃত্যুতে শোক
-->ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে: ব্যবসায়ী নেতারা
-->প্রয়োজনে নতুন আইন করে বিচার হবে : সৈয়দ আশরাফ –
-->ঢাকার বাইরে বেশ কয়েকটি জায়গায় বিডিআর সদস্যরা অস্ত্র সমর্পণ করেছে
-->ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বিএসএফ এর গুলিবর্ষণ
-->বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির আনুষ্ঠানিক কাজ শুরুঃ সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশ
-->বিডিআর বিদ্রোহে সহিংসতায় জাতিসংঘ মহাসচিবের নিন্দা
-->New laws, if needed, to try BDR rebels, says LGRD minister
-->BDR jawans asked to report within 24 hours



http://www.bdnewseveryday.com/

২৯. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১২
শিট সুজি বলেছেন: তথ্যের সোর্স দেন..
৩০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৬
সু-শান্ত বলেছেন: আর কতো মিথ্যে বায়বীয় পোস্ট দিবেন?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: ভারতের দিকে লিখলেই সুশান্ত দাদা পড়িমরি করে ছুটে আসেন। গত দুদিনে আপনার শ্রম দেখে নিজেই নিজেকে ধিক্কার দেই- আমরা বাংলাদেশীরা কেন দেশপ্রেমিক নই। দাদা, আপনাকে শুভেচ্ছা। সুমন্ত্র কেমুন আছে? খুব ভালো ছেলে।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন:
সংশোধনী-
ভারতের দিকে লিখলেই = ভারতের দিকে আঙ্গুল তুললেই

৩১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২১
তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন: আমার জন্য লেখা বলেছেন: নির্বাক সুশীল বলেছেন:
আপনার ব্লগের পোস্টগুলান প্রিন্ট করে টয়লেট পেপার হিসেবে ব্যবহার করবো ঠিক করেছি।
৩২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৩
রোবোট বলেছেন: থামলে ভালো লাগে।

ডিসক্লেইমার: আমি এটিম না, এমনকি এটিমের দুরসম্পর্কের আত্তীয় হই না
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: আপনি পরে একবার আসেন।

৩৩. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৬
অলস ছেলে বলেছেন: একমত।
এটা ছিল টার্গেটেড গণহত্যা, সুপরিকল্পিত এবং নিশ্চিদ্র। দেশের সার্বভৌমত্ব প্রচন্ডভাবে আজ হুমকির সম্মুখীন দুই দিনের মধ্যে।

দেশের মাথাগুলো যখন পঁচে যায়, তখন আর কিছুই করার থাকেনা, মাঝখান দিয়ে কিছু মানুষ স্বার্থের বলি হয়। সামনে জনগণের ঘরে ঘরে যখন এর প্রভাব গিয়ে পড়বে, হুজুগে বাঙ্গালী তখন কি করে, তা দেখার অপেক্ষায় আছি।

বুদ্ধির খেলায় বাঙ্গালী সবসময় আমড়া কাঠের ঢেকি, আর দেশপ্রেমের ক্ষেত্রেও এ শিক্ষিত মানুষগুলো যে চেহারা দেখাচ্ছে, এ দেশের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবার আর কিছু নেই।

কেন ঐদিন একঘন্টার মধ্যে অভিযান চালানো হলোনা, কেন এবং কিভাবে গুপ্তঘাতকরা পালিয়ে গেল, এসব প্রশ্নের উত্তর আমরা কোনদিন পাবোনা।

আজ শুধু বারবার পুরনো কথা মনে পড়ছে। স্পেনের রাজদরবারে গ্রানাডার ঈগল নামে পরিচিত সেনানায়ক মুসা বারবার আবেদন করছিল, পুরো সেনাবাহিনীকে নিয়ে একবার প্রতিরোধ করার সুযোগ দেয়ার। পুরো রাজদরবার আর সাধারণ মানুষরা তাকে হেসে, ঠাট্টা বিদ্রুপ করে উড়িয়ে দিয়েছিল। তারপর কিভাবে আত্মসমর্পণের পর ফার্ডিনান্ডের বাহিনী পুরো শহরে গণহত্যা চালিয়েছিল, ইতিহাস তার সাক্ষী।

এই দেশ, এই জাতিও চোখ বন্ধ করে থাকবে, একদল শিক্ষিত অমানুষ অন্ধ ব্লগার খুব হিউমারাস কমেন্ট করার ফুর্তিতে উল্লফন করবে, প্রলয় কিন্তু থেমে থাকবে না।

যে জাতিতে বুদ্ধিবৃত্তিক জারজ এত সংখ্যাগরিষ্ঠ, সে জাতি আলাদা জাতি হিসেবে কিভাবে টিকে আছে বুঝি না। সম্ভবত, আপামর সাধারণ মানুষ এখনো এত খারাপ হয়নি।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: চমৎকার মন্তব্য। বিশেষ করে এই লাইনগুলো- "এই দেশ, এই জাতিও চোখ বন্ধ করে থাকবে, একদল শিক্ষিত অমানুষ অন্ধ ব্লগার খুব হিউমারাস কমেন্ট করার ফুর্তিতে উল্লফন করবে, প্রলয় কিন্তু থেমে থাকবে না।"

হ্যাঁ, প্রলয় থেমে থাকবে না।

৩৪. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫২
অ্যামাটার বলেছেন: দেশের বৃহৎ সংকটে যারা ক্ষুদ্র ব্যাক্তিস্বার্থে রাজনীতি করে, সেইসব সংকীর্ণমনা দেশদ্রোহীদের ধিক্কার জানানোর ভাষা নাই। এক দলা থুথু তাদের মুখে।

মৌলবাদী-ইসলাম পন্থীদের গোষ্ঠি বেচি; কেবল দুইটা উদ্ধৃতি দিই,

"দেশ স্বাধীন হবার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হভে এই ভারত"---আগরতলায় ১৯৭১-এ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ।

"বাংলাদেশকে সামরিক শক্তিতে দুর্বল করে দিলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে কে, সেইটা এই লাইভ টেলিকাস্ট হওয়া প্রোগ্রামে বললাম না"---চ্যানেল আই লাইভ টক শো-তে মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম।


অনুগ্রহ করে দেশের স্বার্থটাকে সবার উপরে স্থান দিন। এখানে রাজনীতি করবেন না।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: সবার আগে দেশ। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল, ভারতীয়দের অশুভ হাত এখন শুধু আধা-সামরিক বাহিনীতেই নয়। বাংলা ব্লগেও তারা হাত বাড়িয়েছে। একবছরে আগে প্রতিষ্ঠিত একটি ব্লগ সম্প্রতি আরো জোরেশোরে নামার পরিকল্পনা করছে বিপুল অর্থ ব্যয়ে। উদ্দেশ্য একটিই- বাংলাদেশী তরুণদের চিন্তাচেতনাকে সুকৌশলে প্রভাবিত করা। এ অবস্থা চললে এমন একদিন হয়তো আসবে- ভারত বাংলাদেশের একটি অংশ দখল করে নেবে। আর আমরা সবাই ব্লগে বসে ভারতকে বাহবা দেবো। কেউ যদি দেশের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করে ১০ নিকে ১০টি গালি দিয়ে বসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো।

৩৫. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০২
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: আপনি একবার রেটিং দিয়েছেন!!!
৩৬. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
অশান্ত বালক বলেছেন: এতসব মন্তব্য পড়ার পর আমার বলার কিছুই নেই
৩৭. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
অলস ছেলে বলেছেন: ভারত বাংলাদেশের কোন অংশ দখল করে নিলে তাকে সাধুবাদ জানাতে আর যুক্তিতর্কের তুফান দিয়ে জাষ্টিফাই করার মতো অসংখ্য ব্লগার অলরেডী এখানে আছে। তারা তাদের যা করার দরকার করেই যাচ্ছে।


সামহোয়ারইনে রেজিষ্ট্রেশন করেছি অনেক দিন, পড়ছি তারো অনেক আগে থেকে। কিন্তু সময় নেই মাথা খাটিয়ে লেখার, ইচ্ছে নেই অনর্থক বিতর্কে যাওয়ার।
কিন্তু গত দুই তিনদিন থেকে যা অবস্থা দেখছি, ভয় হচ্ছে অনেক, এই গালিবাজ আর দেশদ্রোহী চক্রের বিরুদ্ধে যা করা সম্ভব করতে হবে, সুযোগ নেই কোন পরোয়া করার।
৩৮. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪১
অমিত বলেছেন: লেখক বলেছেন: সবার আগে দেশ। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল, ভারতীয়দের অশুভ হাত এখন শুধু আধা-সামরিক বাহিনীতেই নয়। বাংলা ব্লগেও তারা হাত বাড়িয়েছে। একবছরে আগে প্রতিষ্ঠিত একটি ব্লগ সম্প্রতি আরো জোরেশোরে নামার পরিকল্পনা করছে বিপুল অর্থ ব্যয়ে। উদ্দেশ্য একটিই- বাংলাদেশী তরুণদের চিন্তাচেতনাকে সুকৌশলে প্রভাবিত করা। এ অবস্থা চললে এমন একদিন হয়তো আসবে- ভারত বাংলাদেশের একটি অংশ দখল করে নেবে। আর আমরা সবাই ব্লগে বসে ভারতকে বাহবা দেবো। কেউ যদি দেশের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করে ১০ নিকে ১০টি গালি দিয়ে বসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো।

----------------------------------------------------------------

পোস্ট কনটেন্ট এর ব্যাপারে একটু পরে মন্তব্য করছি।উপরের মন্তব্যটা নিয়ে একটা প্রশ্ন। যতদূর মনে হয় ১ বছর আগে আমারব্লগই যাত্রা শুরু করে, যেটার শুরতে আপনিও জড়িত ছিলেন। ঐটার ফান্ডিং তাহলে বলতে চাচ্ছেন ভারত সরকার ??!!
৩৯. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪৮
অমিত বলেছেন: এইরকম একটা পরিস্থিতির মধ্যেও আপনি যেভাবে ব্লগপলিটিক্স নিয়ে আসলেন সেটা খুবই দুঃখজনক। এই পরিস্থিতিতেও আপনি সুযোগকে হাতছাড়া করতে নারাজ দেখে যথেষ্ট অবাক লাগছে। আপনার মতের সংগে মিল না হলেই ভারতপ্রেমি, এ-টিম, বি-টিম দেশদ্রোহী এসব ট্যাগিং করছেন।এসব আদৌ পজিটিভলি কাউকে সাহায্য করছে না। না আপনাকে না ব্লগের সার্বিক পরিস্থিতি।
অবশ্য শেষের লাইনটা বলার পর মনে হল যে এ-টিম তো আর ব্লগের পরিস্থিতি ভাল হোক সেটা চায় না। তাই না ?
আপনার কি মনে হয়, বিডিআর এর খুনিদের মধ্যে এ-টিমের কতজন সদস্য ছিল ?
৪০. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২০
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন: এই লুকাল ভাইয়াই বলেছিলেন, ডিজি শাকিলকে গাছে টাঙগিয়ে টুকরা টুকরা করা হয়েছে, তার মোচ একটা একটা করে ছিড়া হয়েছে।

লুকাল ভাইয়া গত কয়দিন জামাতের উপর থেকে লোকের নজর সরানোর জন্য যেভাবে পারেন একের পর এক সোর্স নিজের গুহ্যদ্বার থেকে টেনে টেনে বার করে ব্লগ কাপিয়েছেন। সরকারকে লুকাল ভাইয়া কাঠগড়ায় তুলে ছাড়বেন। প্রয়োজনে শেখ হাসিনাকেই বিডিআরের চকরাবকরা ইউনিফর্ম পরিয়ে বন্দুক হাতে আর পট্টি মুখে দরবার হলে পাঠাবেন।

লুকাল ভাইয়া, আপনি মহান মহাইমেন। অ্যালা একটু বিশ্রাম লন আপনারা সবতেই।

৪১. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২১
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন: ভাইয়া আমাকে আপনি কলকাতাপ্রেমি বললে আমি আপনাকে রাওলপিন্ডিপ্রেমি কমু। চলবে না?
৪২. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
রাগিব বলেছেন: ইন্টারেস্টিং তত্ত্ব। বিডিআরের উপরে অবশ্য বিএসএফ এর ক্ষেপে থাকার যথেষ্ট কারণ আছে। ২০০১ এর সেই সীমান্তযুদ্ধে বিএসএফের ১৫ জন সম্ভবত মারা গিয়েছিলো বিডিআরের হাতে। এখনো ভারতের উগ্রপন্থী কেউ কেউ সেইটার কথা বলে।

তবে ভারতের বিএসএফ যেমন করতে পারে, পাকিস্তানী আইএসআই এরও হাত থাকতে পারে। কারণ সেনা-চক্রান্তের প্রয়োগে ১ নম্বরে পাকিস্তানীরা আছে ঐতিহাসিকভাবে।
৪৩. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯
দিগন্ত বলেছেন: সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা এখন প্রতিপক্ষকে আঘাত না করেও জিম্মিদের বের করে আনতে পারে।

- এর আগে কবে কবে বাংলাদেশে এরকম ভাবে উদ্ধার হয়েছে?
৪৪. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
শাহরিয়ার হাসান বলেছেন: লুকাল, একটা কথা বলি। বিশ্বাস করা না করা তোমার ব্যাপার। এইটা হাসিবের নিক না। পুরা ব্লগস্ফিয়ারে হাসিব কখনো তার নিক ছাড়া অন্য কোন নিক বা অন্য কোন নাম কোনদিন কখনো ব্যবহার করে নাই। করতেছে না। ভবিৎষতেও করবে না।

চুলকানির ওষুধ তুমি নিজে কয়েকডোজ বেশী খাইয়ায়ো। এই ওষুধটা কিন্তু তোমারই বেশী দর্কার
৪৬. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩০
পরিমল কায়সার বলেছেন: সুমন রহমান ভাইয়া আমাকে বললেন,

১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: বিব্রত হওয়ার কি আছে? নিকবালক হিসেবে খাড়া করানোই তো আপনার কাজ, নাকি?


আমি তাকে বললাম,

ভাইয়া এ কথা সত্য যে আমি আপনার মত নিক নিয়ে দীর্ঘদিন লিখালিখি করিনা। আপনি বাপজানের দেয়া দীন মোহাম্মদ নামখানা শোকেসে তুলে রেখে সুমন রহমান নিকে সর্বত্র গত কয়েকশত বৎসর যাবত লিখালিখি করছেন। আমি আপনার তুলনায় নবীন। আমি নিকবালক হলে আপনি নিকবৃদ্ধ। আপনার মত নিকপাকনা হতে আমার আরো কয়েকশত বৎসর লাগবে। কিন্তু আপনি অন্যের খাড়া করা জিনিস কিভাবে ও কেন কাজে লাগাতে চান ভাইয়া?



এরপর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াকু সৈনিক দীন মোহাম্মদ ওরফে সুমন রহমান ভাইয়া আমার কথাটি মুছে দিলেন। আমাকে তার ব্লগে ব্লক করলেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৫৩৬০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ