আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

পাইরেট বে থেকে মিনিনোভা : একে একে নিভিছে দেউটি!

২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৩

শেয়ারঃ
0 3 0

গত বৃহস্পতিবার অবশেষে বন্ধ হয়ে গেল মিনিনোভা । ২০০৭ সালে চালু হওয়া টরেন্ট সাইটটি অল্পদিনেই পেয়েছিল অভাবনীয় জনপ্রিয়তা। কপিরাইট নিয়ে মামলার জের ধরে সাইট চালু আছে বটে, তবে এখন সেখান থেকে কিছুই আর ডাউনলোডের সুযোগ নেই । টরেন্ট সাইটের ভক্ত নয়- এমন ইন্টারনেট ইউজার সম্ভবত পুরো বিশ্বেই হাতেগোনা। টরেন্ট সাইটগুলোতে সফটওয়্যার থেকে সিনেমা, গান থেকে গেইম- সবই পাওয়া যায় বিনামূল্যে। মিনিনোভাই প্রথম নয়। এর আগে পাইরেট বে'র ওপর নেমে এসেছিল কপিরাইটওয়ালাদের খড়গ।

পাইরেট বে হত্যাযজ্ঞ
এই বছরের শুরুতে ওয়ার্নার ব্রাদার্স, এমজিএম, কলাম্বিয়া পিকচার্সসহ হলিউডের মহারথীরা একজোট হয়ে পাইরেট বে'র বিরুদ্ধে কপিরাইট ভঙ্গের অভিযোগে মামলা করে। বিশ্বের বৃহৎ এই ইন্টারনেট ফাইল শেয়ারিং সাইটের বিরুদ্ধে সুইডেনের আদালতে দায়ের করা সেই মামলা তোলপাড় তোলে বিশ্বজুড়ে। পাইরেট বে'র আইনজীবীরা আদালতকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল যে, তাদের সাইট পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কে কাজ করে। সুতরাং একজন ইউজার আরেকজনের সঙ্গে কিছু বদলাবদলি করল সেজন্য তাদের দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। তাছাড়া তারা এ থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছেন না। বলাবাহূল্য, পাইরেট বে'র যুক্তি আদালতে টেকেনি। সুইডিশ আদালত পাইরেট বে'র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজনকে এক বছরের জেল তো দিয়েছেনই, জরিমানাও করেছেন বিপুল অংকের অর্থ- ৩৮ লাখ ডলার!
মামলা নিষ্পত্তির পর সুইডিশ একটি প্রতিষ্ঠান গেমিং ফ্যাক্টরি এক্স ৮০ লাখ ডলার দিয়ে পাইরেট বে'র স্বত্ত্বাধিকার কিনে নিলেও তাতে আশা জাগানোর মতো কিছু নেই। গেমিং ফ্যাক্টরি এক্স কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে, আইটিউন বা ন্যাপস্টারের মতো পে-সাইট না হলেও তারা ইউজারদের কাছ থেকে একটি মাসিক ফি নিতে পারেন ভবিষ্যতে। ২০০৩ সালে চালু হওয়া পাইরেট বে'র গ্রাহক দুই কোটিরও বেশি।

একে একে নিভিছে দেউটি!
মিউজিক, ভিডিও, সফটওয়্যার ও গেমিং ইন্ডাস্ট্রি এই ইস্যুতে একজোট হচ্ছে। ফলে অন্যান্য টরেন্ট ক্লায়েন্টগুলোর ওপরেও আঘাত আসবে সামনে- এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। কী হবে আমাদের, যেখানে একে একে নিভিছে দেউটি!

ছবিতে পাইরেট বে'র প্রতিষ্ঠাতাদ্বয়

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): thepiratebaypiratebaymininovacontent distribution service ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইন্টারনেটপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
আসিফ আহমেদ বলেছেন: খুব সন্কটময় অবস্হা টরেন্টপ্রেমীদের, আমিও তাদের একজন।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: হুমম... সামনে মনে হয় আরো কঠিন দিন অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। পশ্চিমা বণিক সম্প্রদায় কপিরাইট ইস্যুতে জোট বাঁধছে। একাট্টা হচ্ছে।

২. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১০
দূরন্ত বলেছেন: হায় হায়। গরীবের জন্য সব আশার আলো নিভে যাচ্ছে আস্তে আস্তে
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: যে হারে বণিক সম্প্রদায় জোটবদ্ধ হচ্ছে, তাতে আমাদের সামনে শুধুই অন্ধকার। আরো আতঙ্কের খবর হল, পাইরেট বে মামলার রায় এই বণিকদের অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় বহুগুণ উৎসাহী করে তুলেছে।

৩. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১২
স্বাগত. বলেছেন:
দাদা, এখন তো আমাদের কোন ভরসাই রইলনা :(( :(( :((
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: ইন্টারনেটে চোরাগোপ্তা হামলা চালানো ছাড়া উপায়ইবা আর কী আছে? কপিরাইট ইস্যু আরো জোরদার হলে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া গেরিলাও আশা করি তৈরি হয়ে যাবে।

৪. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আমাদের মতো গরীব ইউজাররা এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সবচেয়ে বেশী। আজকাল কপিরাইটের ধূয়া তুলে ইউটিউবেও অনেক মিউজিক ভিডিও এই এলাকার লোকজনের জন্য নিষিদ্ধ। আমরা যাব কোথ্য় ?

অফটপিক : আমাদের দেশে একটা আন্দোলন / মামলা হওয়া দরকার মোস্তফা জব্বার এর বিরুদ্ধে। যে দেশের মানুষ ভাষার জন্য মানুষ প্রাণ দিয়েছে এক কুলাঙ্গার সেই ভাষার বর্ণমালার কিবোর্ড লেআউট পেটেন্ট করে নিয়েছে।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: ইউটিউবের এই কাণ্ড দেখেছি। কিছুদিন আগে তারা তৃতীয় বিশ্বের জন্য সেবা সংকোচনের কথাও বলেছিল।

এডবি ফটোশপের লাইসেন্সড কপির দাম বাংলাদেশী মুদ্রায় মাত্র ৪৫ হাজার টাকা! মোস্তফা জব্বারের বিজয় সেখানে মাত্র ১০০ টাকায় পাওয়া যায়। এ তো একেবারে নামমাত্র মূল্য। খারাপ তো কিছু দেখি না।

৫. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৫
কেমিকেল আলী বলেছেন: পাইরেট বে মামলায় জিতেছি জানি, কিন্তু আপনি বললেন উল্টো কথা। কোন রেফারেন্স দেওয়া যায়? এখনও পাইরেট বে বহাল তবিয়্যতে আছে- সমস্ত টরেন্ট ট্র্যাকারসহ।

নতুন আশা: এখন থেকে টরেন্ট ডাউনলোডের জন্য আর কোন ট্র্যাকার দরকার নাই, বিট টরেন্ট সফটওয়ারগুলোর মধ্যেই বিউল্ট ইন ট্র্যাকার, ও সার্চ অপসন আছে যা খুব দ্রুতই জনপ্রিয়তা পাবে বলে বিশ্বাস করি।

২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: এইটা বিবিসি'র লিংক, আর এইটা
ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটরের। সেই সঙ্গে ফক্স নিউজও দেখতে পারেন।

৬. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
সৌরদীপ্ত বলেছেন: মিনিনোভা থেকে কত মুভি,টিভি সিরিজ,সফটওয়্যার নামালাম ; আর সেটা বন্ধ হয়ে গেল। খবরটা ছিল হতাশাজনক । এখনো কিছু সাইট আছে, কোনদিন সেগুলো বন্ধ হয়ে যায় কে জানে । স্টেজ সিক্স নামে একটা সাইটও এভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল । সামনে মনে হয় লিনাক্স নির্ভর হয়ে যেতে হবে, এর মধ্যে উবুন্টু ব্যবহার করা শুরু করে দিয়েছি । মুভি কিভাবে পাব সেটাই ভাবনা ।
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: মুভি-গান না পেলেও আমার চলবে বোধহয়। কিন্তু সফটওয়্যার না পেলে রাতারাতি ভিক্ষুকে পরিণত হতে হবে।

৭. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: সফটওয়্যারের ব্যাপারে আমার আপত্তি নেই। কিবোর্ড লেআউটের পেটেন্ট হয় কিভাবে ? আর এই লেআউটের জন্য সে প্রতিটা কিবোর্ড থেকে কমপক্ষে ১০ টাকা আদায় করছে (শোনা কথা) তার জন্যই আমরা এখন ডর্যন্ত সর্বজন গ্রাহ্য একটা লেআউট পাচ্ছি না।

ইংরেজী কিবোর্ড লেআউট কারও বাবার সম্পত্তি কিনা শুনেছেন কখনও ?
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: এটা ঠিকই বলেছেন। বাংলা কিবোর্ড লেআউট নিয়ে রীতিমতো নৈরাজ্য চলছে। দশটা দশরকম!

৮. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১
মুভি পাগল বলেছেন: টরেন্টের মোদ্দা বিষয়টা হল টরেন্টের ট্র্যাকার।

ওটাই যে কোন টরেন্ট ফাইলের প্রাণশক্তি। ওটা ছাড়া মূলত (পুরোপুরি নয়) টরেন্ট ফাইল অচল। মিনিনোভা একটি টরেন্ট ইনডেক্সিং সাইট ছিল, ওদের নিজস্ব কোন ট্র্যাকার ছিলনা। অন্যান্য টরেন্ট সাইট থেকে তারা কেবল টরেন্টগুলোকে ইনডেক্সিং করত। সুতরাং, মিনিনোভা বন্ধ হয়ে যাওয়াতে তেমন কোন ক্ষতি হচ্ছেনা (কিছু বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া)

মূল দু:খের বিষয় হল পাইরেট বে'র ট্র্যাকার নষ্ট হয়ে গেছে। ওটা কাজ করেনা। তার বদলে "ওপেন বিট টরেন্ট" আর "পাবলিক বিটি" ট্র্যাকারদ্বয় ব্যবহৃত হচ্ছে এখন। যদিও এই ট্র্যাকার দুটো অত ভালভাবে এবং বড় পরিসরে কাজ করেনা।

টরেন্টের ট্র্যাকারগুলো বন্ধ হয়ে গেলেই সমস্যা। কারণ, ট্র্যাকার অন থাকলে হাজারো সাইট থেকে একই টরেন্ট নামিয়ে অনায়াসে ডাউনলোড সম্ভব কিন্তু ট্র্যাকার বন্ধ হয়ে গেলে..........
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন। এখন পরম করুণাময়ের কাছে তৃতীয় বিশ্বের একটাই প্রার্থনা হওয়া উচিত, তিনি যেন ট্র্যাকারের বিষয়টা নিজেই লক্ষ্য রাখেন।

৯. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
অবয়ব বলেছেন: দুঃখজনক।
রেপিডশেয়ারের একাউন্ট থাকায় নিশ্চিন্তে এতদিন মুভি নামাইছি। তবে এটার উপরেও খড়গহস্ত নেমে আসছে। আপলোডাররা আগের মত আর শান্তিতে নাই। রেপিডশেয়ারে মুভি আপলোডের কিছুক্ষণের মধ্যেই রিপোর্ট হয়ে যায়। বিভিন্ন প্রোডাকশন সাইট নাকি কিছু প্রফেশনাল কোম্পানী ভাড়া করেছে এই কাজ করার জন্য। তারা বিভিন্ন জনপ্রিয় সাইটে ডু মেরে লিঙ্ক ধরে ধরে এই রিপোর্টের কাজ করে। ট্রান্সফর্মার ২ আপলোডের পরে দুই দিনে অন্তত ১৫ বার আপলোড করা হয়েছিল। সবই রিপোর্ট হয়ে গেছিল। এখনো মুভি নামাতে গেলে জলদি নামাইয়া ফেলাই। কখন আবার রিপোর্ট হয়ে লিঙ্ক কাজ করা বন্ধ করে দেয় কে জানে।
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: রেপিডশেয়ার হল চোরাই জিনিসের আরেক গুদাম। আপনার কথা ঠিক হতে পারে, কারণ অনেক সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে গিয়ে দেখেছি, মুছে ফেলা হয়েছে। 'আপত্তিকর' বলে কারণও দেখানো হয়েছে। হয়তো দেখবেন, লিংক ধরে ধরে রিপোর্ট করার কাজটা আগামী দিনে জনপ্রিয় একটি চাকরি হয়ে উঠেছে।

১০. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: পুরাই বাঁশ, বিশাল লস হয়া গেল।
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: ক্ষতি তো বটেই।

১১. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১২
পেঙ্গুইন বলেছেন: isohunt না আবার বন্ধ করে দেয়।
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: মিউজিক, ভিডিও, সফটওয়্যার ও গেমিং ইন্ডাস্ট্রি কপিরাইট ইস্যুতে যেভাবে একজোট হচ্ছে, তাতে আইএসও হান্ট তো বটেই, অন্যান্য টরেন্ট ক্লায়েন্টগুলোর ওপরেও আঘাত আসবে সামনে- এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

১২. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৪
দ্রোহ বলেছেন: আসিতেছে দু:সময় :(
একসময় মনে হয় আমাগো ঐ ডাইরেক্ট ডাউনলোড(রেপিডসেয়ার,মিডিয়াফায়ার) ছাড়া আর পথ থাকবো না :|
নাকি হেইগুলান ও অচিরে প্রিমিয়াম একাউন্ট ছাড়া আর নামাইতে দিব না /:) :( X((
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: আসল জিনিসই যদি রাখতে না দেয়, ফ্রি আর প্রিমিয়ামে কীইবা হবে?

১৩. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩২
দন্ডিত বলেছেন: ওপেন সোর্স যেভাবে দাড়াই যাইতেছে, জনতা বড় কর্পোরেশন গুলারে লাথি দিতাছে, সেইভাবে সামনে ক্রিয়েটিভ কমন্স ও দাড়াই যাইব। মুনাফাখোর দের জন্যে দু:সংবাদ। কিন্তু এত বড়লোক হইয়া কাম নাই। তারচেয়ে সবাই ভালো থাকুক। মানুষের পকেট থিকা সম্পদ কম বেড় হওন মানে ডিস্ট্রিবিউশনে অসাম্যের সম্ভাবনা কম।

৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: আমিও আশা রাখি যে, কর্পোরেশনগুলোর মনোপলি ভেঙে দিক ওপেনসোর্স। কিন্তু বাস্তবতা হল এই, ওপেনসোর্স এখনো ওইভাবে দাঁড়ায়নি, এখনো কর্পোরেশনগুলোকে লাথি দেওয়ার উপযুক্ত হয়ে ওঠেনি। তাছাড়া ওপেনসোর্সের জিনিসপত্রও এখনো পেশাদারি কাজের উপযুক্ত হয়ে উঠতে পারেনি।

১৪. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
একাকী বালক বলেছেন: মুভি পাগল ভাইয়ের কথা ঠিক। তবে মিনিনোভা কিন্তু পুরাপুরি বন্ধ হচ্ছে না। নিজের কপিরাইট করা জিনিস কেউ বিলাইতে চাইলে দিতে পারবেন। আপনি নিজে একটা গান বানাইলে যদি চান ফ্রি ছেড়ে দিতে তখন দিতে পারবেন মিনিনোভাতে।
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: তাতে মিনিনোভার মূল যে আকর্ষণ, মিনিনোভার মূল যে প্রাণ, সেটা তো থাকছে না আর।

১৫. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
অরনঝ বলেছেন: আমার মনে হয় জে রাস্তা একটা না একটা থাকবে চিন্তা করার কিছু নেই দরকার হলে আমরা নিজেরা টরেন্ট বানাব
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: নিজেরা বানান, আর অন্যেরা বানাক- বণিকগোষ্ঠীর হামলার আওতা থেকে কোনোকিছুই আর নিরাপদ নয়।

১৬. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৪
লড়াকু বলেছেন: সাইট আসে সাইট যায়। এভাবেই চলবে।
১৭. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৬
নুভান বলেছেন: আজকে ছবি ডাউনলোড করতে গিয়ে দেখি মিনিনোভা কাজ করছে না। মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো। না জানি কবে isohunt ও বন্ধ করে দেয়। :(
১৮. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৫
তর্ষ বলেছেন: ইন্টানেট আর টরেন্ট।একটাকে অন্যটা ছাড়া চিন্তা করতে পারি না।তৃতীয় বিশ্বের আইটি বিভাগের জন্য এটা একটা বড় আঘাত হবে।
১৯. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪২
নার্ডী বয় বলেছেন: মিনিনোভা বন্ধ হয়ে যাওয়াতে মনটা খারাপ লাগছে।যদিও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি তবুও মৃতের মতই বাঁচা আরকি.................
২১. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪
কাঙাল মামা বলেছেন: নার্ডী বয় বলেছেন: মিনিনোভা বন্ধ হয়ে যাওয়াতে মনটা খারাপ লাগছে।যদিও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি তবুও মৃতের মতই বাঁচা আরকি.................
২২. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
আশার ফেরিওয়ালা বলেছেন: মুভি নামাইতে গিয়া দেখি এই অবস্থা। যাই হোক আমার একটা কথাই বলার আছে:

And where one falls, another three will rise to take their place. The authorities will never learn, they cannot stop the torrent network.
And from the ashes, a phoenix will rise.
২৩. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০
নার্ডী বয় বলেছেন: And where one falls, another three will rise to take their place. The authorities will never learn, they cannot stop the torrent network. And from the ashes, a phoenix will rise.

এই কথাটা মিনিনোভার ব্লগটায় পেয়েছিলাম।কথাটা ভাল লেগেছে।এই কথাটা কি মিনিনোভার ব্লগে আপনিই লিখেছিলেন?
২৪. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৬
অক্টোপাস বলেছেন: প্রযু্ক্তিকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। আরো অনেক টরেন্টসাইট আছে।

ধন্যবাদ।!
২৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪
কোর আই সেভেন বলেছেন: খুবই দুঃখজনক বিষয়!!! :( :( :(

আমার এই লেখাতে আপনার লেখাটির লিংক ব্যবহার করলাম।
২৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সুখ শান্তির দিন শ্এষ হয়ে আসছে। যায় দিন ভাল, আসে দিন খারাপ। 
২৮. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৫
কাঊসার রুশো বলেছেন: পাইরেট বে তো মনে হয় বন্ধ হয় নাই

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৬৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ