আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

র' থেকে এফবিআই : বাংলাদেশের ভেতরে সংঘবদ্ধ রাষ্ট্রীয় গুণ্ডামির ধারাবিবরণী

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৬

শেয়ারঃ
0 2 0

ওহ্ গড! পরশু থেকে যা ভাবছিলাম, সেটাই হল অবশেষে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন শেষমেশ বললেন, উলফার চেয়ারম্যান গ্রেপ্তারের কোনো ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি। তিনি আজ বললেন, "গ্রেপ্তারের ঘটনাই তো ঘটেনি, হ্যান্ডওভারের প্রশ্ন আসে কীভাবে?"
উলফা চেয়ারম্যান অরবিন্দ রাজখোয়া কক্সবাজারেই গ্রেপ্তার হয়েছেন গত সোমবার। এতে কোনো সন্দেহ নেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ছাড়াও বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোও সুনির্দিষ্ট দাবি করছিল, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (উলফা) এর চেয়ারম্যান অরবিন্দ গত সোমবার বাংলাদেশেই গ্রেপ্তার হয়েছেন। পরে তাকে ভারতের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। গতকাল প্রকাশিত রিপোর্টে ভারতের বহুল প্রচারিত দৈনিক হিন্দুস্থান টাইমস সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেছে, 'উলফা চেয়ারম্যানকে বুধবার ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ। পরে তাকে নয়াদিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কোনো বন্দি বিনিময় চুক্তি নেই।' উলফা চেয়ারম্যানকেই শুধু নয়, ভারতের আরেক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএলএফটি নেতা বিশ্ব মোহন দেব বর্মাকেও বাংলাদেশ ভারতের কাছে তুলে দিয়েছে বলে হিন্দুস্থান টাইমস জানাচ্ছে।

অনুপ চেটিয়া দিয়ে শুরু
উলফার সাধারণ সম্পাদক অনুপ চেটিয়া ঢাকায় গ্রেপ্তার হন আজ থেকে ১২ বছর আগে। আটক করা উলফা নেতাদের মধ্যে তিনিই একমাত্র ব্যতিক্রম, যাকে গ্রেপ্তার করে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। তবে ১৯৯৭ সালের সেই গ্রেপ্তারের ঘটনার পরও বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘদিন ঘটনা অস্বীকার করে গেছে। পরে ঢাকার আদালতে অনুপ চেটিয়ার বিরুদ্ধে বিচার হয়েছিল বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে। সেই মামলায় তাকে দেওয়া সাজার মেয়াদও শেষ হয়েছে ইতিমধ্যে। তিনি এখনো কারাগারে বন্দি আছেন। সাজা শেষ হলেও তাকে নিয়ে সামনে কী করবে সরকার, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।
ক্ষমতায় আসার পরপরই বাংলাদেশে অবস্থানরত উলফা নেতাদের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত হয়ে উঠে আওয়ামী লীগ সরকার। মাঝে মাঝেই দেশজুড়ে গোপন অভিযান চললেও শীর্ষ নেতাকে আটকের খবর পাওয়া গত সেপ্টেম্বরে। ওই মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ উলফার ডেপুটি সামরিক কমান্ডার দেরহাগ্রা সেরেন্যা ওরফে আনন্দ ওরফে অমল দাসকে গ্রেফতার করে। তাকে ঢাকাতেই খুব গোপনে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

উত্তরার বাড়িতে মধ্যরাতের অভিযান
ঢাকার উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের একটি সাদামাটা বাড়ি। গত ১ নভেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিকে সন্তর্পণে সেই বাসায় ঢোকে সাদা পোশাকধারী ৭-৮ জনের একটি দল। আধঘন্টা পর ওই দলটি যখন বের হয়, তাদের সঙ্গে আরো দুটি মুখ দেখা যায়। এরা হলেন উলফার দুই উর্ধ্বতন নেতা পররাষ্ট্র বিষয়ক সচিব শশধর চৌধুরী এবং অর্থ বিষয়ক সচিব চিত্রবন হাজারীকা। এই দুই নেতা উলফার আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়-আশয় দেখাশোনা করতেন। এদের একজন পরিবারসহ ওই বাড়িতে বসবাসও করতেন। ১ নভেম্বর রাতের ওই ঘটনার কয়েকদিন পর ভারতীয় পুলিশ তাদের সেখানকার আদালতে হাজির করে। ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করলেও কাগজে-কলমে তাদের সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র সচিব যথারীতি দাবি করেছেন, "বাংলাদেশের ভূখণ্ডের ভেতরে উলফা নামের সংগঠনের কোনো নেতার গ্রেফতার হওয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি।"

ঢাকায় এফবিআইয়ের অভিযান
২০০৬ সালের এমন এক ঘটনার কথা আমরা জানি। ওই বছরের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বারিধারা ডিওএইচএসের কাছ থেকে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মার্কিন যুবক এহসানুল ইসলাম সাদেকীকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। তাকে ওইদিন ঢাকাতেই এফবিআইয়ের কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সরকার প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি এই ঘটনার কথা। তবে সাদেকীর বাবা বারিধারার ওই ঘটনার পর একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছিলেন। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল সাদেকীর বিরুদ্ধে। তা নিয়ে কোনো কথা নেই। কিন্তু একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ভেতর থেকে অন্য দেশের পুলিশী সংস্থা কাউকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেতে পারে?

উলফা আর আল কায়েদা এক নয়
উলফা ভারতে সশস্ত্র সংগ্রাম করে যাচ্ছে বহুকাল ধরে। তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথা নেই। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া উলফার নেতারা এখানে অবস্থানকালে কখনোই কোনো অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল না। পুলিশের রেকর্ডেও সেরকম কোনো তথ্য নেই। উলফা আর আল কায়েদার মধ্যেও বিস্তর পার্থক্য আছে। এ দুটো সংগঠন সমমানের নয়। এ দুটোকে একপাল্লায় মাপা যায় না। কিন্তু যেহেতু ভারত সরকারের কাছে এই নেতারা 'সন্ত্রাসবাদী', এর জের ধরে আসামে তাদের জীবন বিপন্ন হওয়াতেই তারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। জীবনের নিরাপত্তার জন্য তারা বাংলাদেশে সাময়িকভাবে অবস্থান করছিল।

খুব বাজে কিছু উদাহরণ তৈরি হয়ে যাচ্ছে
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই উলফা নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযান চলতে থাকে। স্পষ্টত ভারতকে খুশি করাই মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন ভারত সফরকে সামনে রেখে এ অভিযান আরো জোরদার করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ কেন এই নেতাদের অপহরণ করে ভারতের কাছে তুলে দেবে গোপনে, যেখানে ভারতের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তিই নেই? তাছাড়া অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব কেন নেবে বাংলাদেশ? নাকি ক্ষুধাপীড়িত এই দেশের সরকার সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমের হাবিলদার সাজতে চায়?
সরকারও জানে, প্রতিবেশী দেশে আশ্রয় নেওয়া মানুষের সঙ্গে এই অমানবিক আচরণের সমর্থক খুব বেশি পাওয়া যাবে না। তাই তারা অপহরণ ও হস্তান্তরের ঘটনা গোপন রাখতে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। সবকিছু বেমালুম অস্বীকার করে যাচ্ছে। ভাবতেই শিউরে উঠছি, একাত্তরে বাংলাদেশ থেকে আশ্রয় নিতে যাওয়া শরণার্থীদের যদি এভাবে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে তুলে দিতো ভারত, কী অবস্থাটাই না হতো! খুব বাজে কিছু উদাহরণ তৈরি করে যাচ্ছে এই সরকার। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকেই হয়তো এর মাশুল গুণতে হবে কোনো এক সময়।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): rawfbiulfaindiaasamএফবিআইভারতআসামউলফা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: দূরের জানালারাজনীতিসবিশেষ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: লেখাটা পড়ে মন্তব্য করবো আশা করি।

২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
সুধাসদন বলেছেন: বাংলাদেশের অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ভারতে অবস্থান করছে। বন্দী বিনিময় চুক্তি না থাকার অজুহাতে ভারত তাদের ফেরত দিচ্ছে না। কিন্তু আলফার চেয়ারম্যানের মত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে বিনা চুক্তিতে ছেড়ে দেয়া এবং এ ব্যাপারে মিথ্যা বলায় সাহারা খাতুন প্রমাণ করেছেন তিনি 'র' এর মনোনীত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: বন্দি বিনিময় চুক্তি যেহেতু নেই, সাহারা খাতুনেরও হাত পা বাঁধা। মজার ব্যাপার হল, শশধর চৌধুরী এবং চিত্রবন হাজারীকাকে গোপনে ভারতের কাছে হস্তান্তরের পর ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিল, এই দুই নেতাকে বাংলাদেশ থেকেই আটক করা হয়েছে। কিন্তু তখনও স্বরাষ্ট্র সচিব বিবিসিকে বারেবারে বলেছেন, এই ধরনের কোনো ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি। তারা কিছুই জানেন না।

৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫২
MD.Golam Mostofa বলেছেন: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নয়া দিল্লি প্রতিবেদক

নয়া দিল্লি, ডিসেম্বর ০৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- উলফা চেয়ারম্যান অরবিন্দ রাজখোয়া বাংলাদেশে নয়, ভারতেই গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে শুক্রবার ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মেঘালয় রাজ্যের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ডাউকি থেকে রাজখোয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে সেদেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী (বিএসএফ) জানায়।

ওই সময় রাজখোয়ার স্ত্রী, দুই সন্তান, ব্যক্তিগত দেহরক্ষী এবং উলফা'র সামরিক শাখার উপপ্রধান রাজু বডুয়াকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

বিএসএফ'র মহা পরিদর্শক পৃথ্বী রাই জানান, শুক্রবার রাত সোয়া একটার দিকে রাজখোয়াকে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ডাউকিতে ঘোরাঘুরি করতে দেখে বিএসএফ। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাকে ঘিরে ফেললে সে আত্মসমর্পণ করে।

গ্রেপ্তারের পর রাজখোয়া ও অন্যদের আসাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: ২০ বছর ধরে যে লোক বাংলাদেশে আত্মগোপনে ছিলেন, উলফার সেই শীর্ষ নেতা আচমকা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ডাউকিতে ঘোরাঘুরি শুরু করলেন। অতঃপর বিএসএফ তাকে ঘিরে ধরে গ্রেপ্তার করল।

রেবের ক্রসফায়ারের চিরচেনা কৌতুককেও হার মানাবে বিএসএফের এই গল্প!

৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আ'লীগ ভারতকে খুব বেশি সন্তুষ্ট রাখতে চাছ্ছে।ফলে তারা হিতাহিত জ্ঞানশুণ্য হয়ে এমন কিছু কাজ করছে যা বাংলাদেশকে অচিরেই বড়ধরণের সমস্যায় ফেলবে।

একটি স্বাধীনদেশের অভ্যন্তরে অন্যদেশের গোয়েন্দা কর্মাকর্তাদের তৎপরতার সেই দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি বৃদ্ধাংগুলি দেখানো।

আমি উলফাকে ব্যাক্তিগতভাবে স্বাধীনতাকামী সংগঠন হিসেবেই বিশ্বাস করি।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: আমি এখনো ঠিক বুঝে পারছি না, এই সরকার ঠিক কী কারণে, কোন্ লাভের আশায় ভারতের কাছে এতো নতজানু হয়ে উঠল।
আজ একজনের কাছে শুনলাম, গত কয়েক মাসে উলফার মাঝারি পর্যায়ের কয়েকজন নেতাকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার পরপরই তাদের গুম করে ফেলা হয়েছে। যদিও এ নিয়ে বিশদ জানার উপায় নেই।

সত্যি বলতে কী, এই দেশের নাগরিক হিসেবে আমি নিজেই কিছুটা হলেও নিরাপত্তাহীন বোধ করছি। এই রাষ্ট্র আমাকে-আপনাকে-যাকে ইচ্ছা তাকে অন্য রাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে পারে। এটা এখন কোনোই ব্যাপার না।
হামাসের হাতে বন্দি একজন মাত্র ইজরায়েলি সেনার মুক্তির বিনিময়ে দু হাজারের মতো ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিতে যাচ্ছে ইজরায়েল সরকার। ইজরায়েলের যতো নৃশংস রাষ্ট্রই হোক না কেন, ওদের এইটাই দেশপ্রেম।

৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০০
পরমানন্দ বলেছেন: আমার মনে হ্য় ভারতের এইসব স্বাধীনতাকামী গ্রুপগুলোর ব্যাপারে আমাদের রাষ্ট্রী্য় চরিত্রের অস্পষ্টতা এইসবের মূল কারণ।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: মূল কারণ হয়তো নয়, তবে এই অস্পষ্টতা অন্যতম একটি কারণ।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: হুমম।

৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১২
একরামুল হক শামীম বলেছেন: এ বিষয়গুলো খুবই হতাশার।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: হতাশার তো বটেই। বাংলাদেশের অবস্থান এখানে পুরোপুরি অনৈতিক ও বর্বর। খুব খারাপ নজির তারা স্থাপন করল উলফা নেতাদের ধরিয়ে দিয়ে।

৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
মুনশিয়ানা বলেছেন: আজকের আনন্দবাজারের হেডলাইনে অবশ্য স্বীকার করা হয়েছে যে রাজখোয়া কক্সবাজারে আত্মসমর্পন করেছে বাংলাদেশের এন এস আই এর কাছে।

পূরো ঘটনা নাকি পুর্ব পরিকল্পিত, রাজখোয়া ভারত সরকারের সাথে আপোষমুলক আলোচনা চালাতে চান, এ জন্য নাকি এই ব্যাবস্থা।

বেশ ভালোই, ভারতীয় বন্ধুদের আজকাল আমরা বেশ সার্ভিস দিচ্ছি...
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: আনন্দবাজার শুধু না, হিন্দুস্তান টাইমস এবং টাইমস অফ ইন্ডিয়াতেও এই স্বীকারোক্তি আরো ভালোভাবে এসেছে। সাহারা খাতুন এবং সোবহান সিকদাররা যথারীতি এখনো শিবের গীত গেয়ে চলেছেন।

আর ওই ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত নয়। শশধর ও চিত্রবনের ঘটনার পর রাজখোয়ার পুশব্যাক অনিবার্যই ছিল। বাংলাদেশ এখানে পেশাদার অপহরণকারীর ভূমিকা পালন করেছে। আজকের সর্বশেষ খবর হল, ভারত সরকার রাজখোয়ার সঙ্গে সমঝোতার লক্ষ্যে বৈঠকে বসতে চেয়েছিল। কিন্তু ভারত সরকারের শর্ত ছিল, অস্ত্র সমর্পণ এবং বিশেষ করে পৃথক রাষ্ট্রের দাবি থেকে সরলেই আলোচনায় বসবে সরকার। রাজখোয়া সেই শর্ত মানেননি। আজ তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আপোষমূলক আলোচনাই যদি তিনি চালাতে চাইতেন, তাহলে গতকালের বৈঠক ভেস্তে যেতো না।

৯. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০১
লাল সাগর বলেছেন:

শান্তি শান্তি ---------- এতো অশান্তি।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: হুমম।

১০. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৮
ফালাক বলেছেন: সাহারা মরুভূমি একটা মেরুদন্ডহীন প্রানী।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: আসলে বন্দি বিনিময় চুক্তি যেহেতু নেই, সাহারা খাতুনেরও হাত পা বাঁধা। বলতে দ্বিধা নেই, তারা বেশ নির্লজ্জ ও অবমাননাকর আচরণ করছেন।

১১. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
অ্যামাটার বলেছেন: ধুৎ!
অসুবিধা কী?
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কোথাও ভাত নাই।
একটা ক্ষূদ্র জঙ্গি সংগঠণের প্রতি দরদ দেখাতে গিয়ে বৃহৎ প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে চটানোর কি মানে হয়?
মানলাম, উলফা নেতারা এ'দেশে কোনও অপরাধে জড়ায়নি, কিন্তু কৌশলগত কারণে বৃহত্তর স্বার্থে এদের 'সাক্রিফিশিয়াল পন' বানানো হলে খুব বেশি কি অপরাধ হয়ে যাবে?
দেশের আপামর আমজনতারই মৌলিক অধিকার তো দূরের কথা, বাঁচা-মরারই ঠিক-ঠিকানা নাই, লঞ্চ-ট্রলার ডুবে পাইকারি দরে ৮০-৫০ করে মানুষ মরতেছে, সেখানে দু-তিনটা বিদেশি সন্ত্রাসীর জন্য কৃত্তিম মানবাধিকার দেখানোর টাইম নাই।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: একাত্তরেও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামীরা পাকিস্তানিদের কাছে "বিচ্ছিন্নতাবাদী"ই ছিল। অনুপ চেটিয়াকে বাংলাদেশ কারাবাস দিয়েছে। তাতে তো আমরা আপত্তি করিনি। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া উলফা নেতাদের কাপুরুষের মতো ভারতের হাতে তুলে দেওয়াটাই আমাদের কাছে আপত্তিকর, অবমাননাকর। তুলে দিয়েছে তো দিয়েছেই, এরপরও নির্লজ্জের মতো সাহারা খাতুনের এই শিবের গীত গাওয়ার মানে কী?

আমি তো লেখার শেষাংশেই বলেছি, ক্ষুধাপীড়িত এই দেশের সরকারের সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমের হাবিলদার সাজার অর্থ কী?
আর হ্যাঁ, ঠিকই বলেছো, বৃহৎ প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে চটানোর আসলেই কী মানে আছে! আসলেই তো দরকার নেই। টিপাইমুখে ওরা বাঁধ দিলেও চটানোর দরকার নেই। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার দখল নিলেও ওদের চটানোর কোনো মানে হয় না। বৃহৎ প্রতিবেশী রাষ্ট্র তো! আসো ভাই, ভারতমুখো হয়ে একটা সেজদা দিয়ে নেই!

১২. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩
ফালতু মিয়া বলেছেন: ক্ষুধাপীড়িত এই দেশের সরকার সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমের হাবিলদার সাজতে চায়-আপনার এই কথার সাথে ১০০% সমর্থন দিচ্ছি।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৩
নীলপদ্দ বলেছেন: Bangladesh hands over Ulfa chairman Rajkhowa to India: Click This Link

কার কথা বিশ্বাস করুম ? :S
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: টাইমস অফ ইন্ডিয়ার মতো হিন্দুস্তান টাইমসও একই কথা বলেছে। আনন্দবাজারও স্বীকার করেছে। বাংলাদেশের অনেক মিডিয়া তো আগে থেকেই বলে আসছে যে, রাজখোয়াকে বাংলাদেশের ভেতর থেকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে গোপনে। আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন, এর সত্যতা ১০০ ভাগ।

তাছাড়া বিএসএফ প্রধানের বিবৃতি পড়লেই বোঝা যায়, রাজখোয়া অপহরণের ঘটনাকে কতোটা হাস্যকর করে তুলছে তারা।

১৪. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০২
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: "......আসো ভাই, ভারতমুখো হয়ে একটা সেজদা দিয়ে নেই!....


হা হা প গে
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: ভালো কথা, সেক্ষেত্রে ভারতমুখো কেবলা কোন্ দিকে হতে পারে রে ভাই? একটু সাহায্য কইরেন। বৃহৎ রাষ্ট্রের ব্যাপার-স্যাপার তো!

১৫. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৭
অ্যামাটার বলেছেন: আরে...আপনি দেখি গুলিয়ে ফেললেন!
টিপাইমুখের বাঁধ, সমুদ্রব্লক গায়ের জোড়ে জবরদখন, সীমান্তে শ্যুটিং প্রাকটিস; এ'সবের সাথে জঙ্গি হস্তান্তর; কোনওভাবেই এক স্কেলে মাপা যায় না।

একটা দেশের মাটিতে অন্য রাষ্ট্রের বিচ্ছিন্নতাকামী লালিত-পালিত হবে, এইটা মানতে পারছি না(অবশ্য আমার মত আড়াই পয়সার কারো মানা-না মানায় কিছুই যায়-আসে না)।

ভারতে আচরণ কখনই প্রতিবেশিসুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলনা, এটা যেমন সত্যি; তেমনি অনন্তকাল এই দুইটা রাষ্ট্রকে পাশাপাশি থাকতে হবে, এটাও সত্যি।

এটা একুশ শতক, চৌদ্দশ কিংবা পনের শতক না, যে গায়ের জোড়ে আশপাশের ছোট রাষ্ট্র দখল করে মুঘল সম্রাজ্যের সীমানা বিস্তৃত করা যাবে। এখন কিছু পেতে হলে, প্রতিপক্ষকে বিট করতে হবে মেধা দিয়ে, দক্ষতা-বিবেচনা-পেশাদারীত্ব দেখিয়ে; আমরা যেমন যুক্তির পরিবর্তে কান্নাকাটি করে বেশিদূর এগুতে পারব না, তেমনই আমাদের প্রতিপক্ষও চোখ রাঙ্গিয়ে কিছু আদায় করতে পারবে না।

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে অমিমাংসীত বিষয় আছে অনেক; যোগ-বিয়োগ করলে দু'-পক্ষেরই পাওয়ার আছে অনেক। কোনও পক্ষ যদি ভাবে, আমরাই শুধু গেইন করব, তাহলে ভুল করবে। কিন্তু অদক্ষতা আর সদিচ্ছার অভাবে যুগের পর যুগ সমস্যাগুলো জিইয়ে রাখছি। মোটকথা, বড় প্রতিবেশী বলে সেজদা দেবার প্রশ্ন আসছে কোথেকে?

যা হোক, প্রসঙ্গে ফিরি, উলফা সমস্যাটা ভারতের আভ্যন্তরীন। আমরা কেন এর দায়ভার নিতে যাব? উলফাকে সহানুভূতি দেখিয়ে বাংলাদেশের কি কিছু পাবার আছে?

আর অরবিন্দ রাজখোয়া যদি জনপ্রিয়ই হত, তাহলে সে থাকত আজ আসামের মূখ্যমন্ত্রী, ফেরারী হয়ে জঙ্গি কার্যক্রম চালাত না। আর যদি সে স্বাধীনতাকামীই হয়, বেশ! যুদ্ধ চালিয়ে যাক, তাতে আমরা কেন তাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতে যাব? আমাদের স্বার্থ কি? কি এমন ঠেকা পড়েছে?!
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫০

লেখক বলেছেন: প্রথমেই যে ভুলটি করছো, সেটা হল উলফা জঙ্গি সংগঠন নয়, আল কায়েদার মতো করে তাদের দেখলে ভুল হবে। একাত্তরে কয়েক কোটি বাংলাদেশী বিচ্ছিন্নতাবাদী ভারতে নয়টা মাস লালিত-পালিত হয়েছিল। কিন্তু উলফার ক্ষেত্রে তেমন কিছু ঘটেনি। মিজোরামের বিদ্রোহীদের মতো তারা দলেবলে এসে বাংলাদেশে এসে ঘাঁটি গাড়েনি কখনোই। যেহেতু স্বাধীনতাকামী এই সংগঠনের নেতাদের ভারত সরকার "সন্ত্রাসবাদী" ঘোষণা করেছিল, তাই নিরাপত্তার কারণে, জীবনরক্ষার তাগিদে সেই কয়েকজন নেতা প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছিল। সরকার তাদের লালন-পালন করেনি। স্বয়ং উলফা প্রধান রাজখোয়া স্ত্রী-পুত্র-কন্যা নিয়ে ঢাকার ইস্কাটন ও ধানমন্ডি এলাকায় বসবাস করতেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়েই। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোনো উলফা নেতার অপরাধমূলক কর্মকান্ড খোদ পুলিশই কখনো খুঁজে পায়নি। এখন এই লোকগুলোকে ধরে ভারতের হাতে তুলে দিয়ে বাংলাদেশ কী এমন মেধা, দক্ষতা আর পেশাদারিত্বের পরিচয় দিল আমারে একটু বোঝাও ভাই। এমনকি যেখানে এমনকি ভারতের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তিও নেই বাংলাদেশের।

আর আমিও তো সেই প্রশ্নটিই তুলেছি যে, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব কেন নেবে বাংলাদেশ? কেন শেখ হাসিনাকে তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমের হাবিলদার সাজতে হবে? আমাদের এই স্বাধীন দেশটার প্রধানমন্ত্রীকে কেন একটা অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মতো নতজানু হতে হয় ভারতের কাছে? নেপাল, ভুটান, শ্রী লংকাকেও ঢের ভালো মনে হয় বাংলাদেশের চাইতে, ঢের আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন মনে হয়, ইদানিং!

১৬. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫১
পি মুন্সী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফিফা।

"ভাবতেই শিউরে উঠছি, একাত্তরে বাংলাদেশ থেকে আশ্রয় নিতে যাওয়া শরণার্থীদের যদি এভাবে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে তুলে দিতো ভারত, কী অবস্থাটাই না হতো! খুব বাজে কিছু উদাহরণ তৈরি করে যাচ্ছে এই সরকার। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকেই হয়তো এর মাশুল গুণতে হবে কোনো এক সময়" - আপনার এই ভাবনাটা কি আমাদের হুশে ফিরাতে পারবে?


০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: প্রকৃতপক্ষে এখন তো এই আশাবাদটুকুও প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এতোগুলো উলফা নেতাকে সরকার ভারতের হাতে তুলে দিয়েছে তো দিয়েছেই, ১২ বছর ধরে কারাগারে থাকা উলফা সাধারণ সম্পাদক অনুপ চেটিয়াকে গতকাল হঠাৎ করে ময়মনসিংহ কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ধারণা করছি, তাকেও ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে।
সত্যিই খুব বাজে কিছু উদাহরণ তৈরি করে যাচ্ছে এই সরকার। হতাশা প্রকাশ ছাড়া আর কিছুই করার নেই।

১৭. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০২
মনজুরুল হক বলেছেন:

অনেক বড় করে লিখতে চেয়ে হঠাৎ মনে হলো কাকে কি বলব? সামনের যে কোনদিন দেখবেন এই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছেন হার ম্যাজিস্ট্রি এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।

পরোপুরি একটা সাজানো নাটকে বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাকস্ক্রিন চেঞ্জার!
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: সাজানো নাটক তো বটেই। নিজেই নিজের বিপদ ডেকে আনার মতো অবস্থা।
গতকাল পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, উলফার শীর্ষস্থানীয় নেতাদের গ্রেপ্তারের পেছনে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা আছে বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান প্রদীপ গগৈ। আগে থেকে গ্রেপ্তার থাকা প্রদীপ গগৈকে পরশু আসামের কামরূপ চিফ জুডিশিয়াল আদালতে হাজির করা হয়। তিনি সেখানে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভুটানের পর বাংলাদেশ আমাদের সঙ্গে বেইমানি করেছে। তাদেরকে (বাংলাদেশ সরকার) এর পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’

১৮. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৫
দেশী পোলা বলেছেন: ধুরো, আপনার ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রচেষ্টা একধাপ আগাইয়া গেল,
শীঘ্রই লোকালটকও তসলিমার মতো ভারতের নাগরিক হইবেন।
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা....

১৯. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৮
হরিণ বলেছেন: ভাবতেই শিউরে উঠছি, একাত্তরে বাংলাদেশ থেকে আশ্রয় নিতে যাওয়া শরণার্থীদের যদি এভাবে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে তুলে দিতো ভারত, কী অবস্থাটাই না হতো! খুব বাজে কিছু উদাহরণ তৈরি করে যাচ্ছে এই সরকার। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকেই হয়তো এর মাশুল গুণতে হবে কোনো এক সময়।
++++++
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: সাহারা খাতুন আর দিপু মনির জন্য করুনা হয়। দুজনের অযোগ্যতাই তাদের মন্ত্রি বানিয়েছে।
হাসিনা সরকার আরো অনেক কিছুই করবে। কিন্তু তারপরো ভারতের ভালোবাসা পাবে না।

দেশের মধ্যে বিদেশের গোয়েন্দাদের কাজ নতুন কিছু না। এরা অফিস বসিয়েই কাজ করে এখানে ( অফিসিয়ালী অবশ্য সব সময় না )
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন। বিশেষ করে ভারতের র', পাকিস্তানের আইএসআইয়ের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে পুরো দেশেই। এর বাইরেও আরো চক্র আছে বলে মনে হয়। কক্সবাজারের চকরিয়ায় উলফা চেয়ারম্যান রাজখোয়া গ্রেপ্তার হওয়ার মাত্র এক ঘন্টার মধ্যে ভারতীয় এক টিভি চ্যানেলের কাছে সেই খবর পৌঁছে গেছে। অথচ বাংলাদেশের মিডিয়া সেই খবর জেনেছে আরো অনেক পরে, তাও ভাসা ভাসা।

২১. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪২
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: একটা প্রশ্ন, আপনি কি বলতে চান ৪৭ থেকে যে ক্রম ধারায় ৭১ এর আবির্ভাব,আর তাতে ৭১ এ বাঙ্গালীদের যে অবস্থান সেটি কি উলফার সাথে সমার্থক?
আরো পরিস্কার ভাবে বলতে গেলে,আপনি কি মনে করেন মুজিব আর উলফার নেতা এক?
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: কেন নয়? উলফারও ভুলভাল আছে নিশ্চয়ই। তবে নিঃসন্দেহে এটি একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন। বাঙালির মতোই বহুকাল ধরেও তারাও একই লক্ষ্য নিয়ে আন্দোলন করে যাচ্ছে। স্বাধীনতাকামী নেতা শেখ মুজিব আর স্বাধীনতাকামী উলফা নেতাদের মধ্যে কোনোই পার্থক্য নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে উলফা নেতারা বরং একটু এগিয়ে থাকবে।

২২. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: স্বাধীনতা-স্বাধিকারের প্রশ্নে উলফার সাথে ব্যক্তিগত মতৈক্য-মতদ্বৈততা থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু, দু'টি রাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটু বেশী দুরদর্শীতা থাকা আবশ্যক। ভবিষ্যতেউলফার প্রতিহিংসাপরায়নতার শিকারে পরিণত হবার সমূহ আশংকার কথা মাথায় না রেখে সরকারের এমন কোন পদক্ষেপ নির্বুদ্ধিতার পরিচয় বহন করে।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: ভবিষ্যতে উলফার প্রতিহিংসাপরায়নতার শিকারে পরিণত হবার সমূহ আশংকার কথা মাথায় না রেখে সরকারের এমন কোন পদক্ষেপ নির্বুদ্ধিতার পরিচয় বহন করে।

সহমত।

২৩. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: আরেকটা মজার কিন্তু নোংরা সত্য আছে। অনেক সুশীল বুদ্ধিজীবিই আছে যারা কথায় কথায় ভারত বা পাকিস্তানের মুন্ডুপাত করে কিন্তু পেইড এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। এদের নাম বল্লে অনেকই চরম অবিশ্বাস করবে কিন্তু ঘটনা সত্য। আর সরকারী লেভেলের কথা কি আর বলবো, এরাতো আজ আছে কাল নাই, চাকরি বাঁচাতে অনেকেই এজেন্ট। বিদেশী গোয়েন্দাদের নেটওয়ার্ক সব লেভেলেই শক্তভাবে আছে। সরকার অনেক কিছুই জানে, অনেক সময় নিজেই সাহায্য করে।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: একটি দৈনিকের এক সম্পাদককে জানি, পুরা পেইড এজেন্ট। কিছুদিন আগে ভারতীয় দুতাবাস প্রখ্যাত এক বুদ্ধিজীবীর ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। পরে ওই সম্পাদকের এক ফোনে ভিসা পেয়েছিলেন সেই বুদ্ধিজীবী। ইদানিং "বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন দিগন্ত" শীর্ষক বিভিন্ন টকশোতেও তার উচ্চকন্ঠ শোনা যায়। এগুলো ছোট উদাহরণ, আরো অনেক আছে।

২৪. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
রাজর্ষী বলেছেন: যেই াল ফালাতে পারবো না সেই াল ফালানোর চেস্টা না করাই ভালো। ৭১ এ ভারত মুক্তিদের আশ্রয় দিয়া যা করার পরিকল্পনা করেছিলো তা সফলভাবে করেছে। তাই সারা পৃথিবীকে মেনে নিতে হয়েছে নতুন এই দেশ। সুতরাং ইতিহাস বলবে সেটাই ঠিক আছে।
আইএসআই লস্কর তৈয়েবা দিয়া বছরের পর বছর যা করতে চাইসে ভারতের বিরুদ্ধে বা তালেবান দিয়া আফগানের উপর সেটা ব্যাকফায়ার করছে বইলাই আজ পাকিস্তান হইসে সন্ত্রাসের মদদ দাতা রাস্ট্র হিসাবে কুখ্যাত আর পারমানবিক হাতে লইয়াও আম্রিকার বোমা খাইতে হয়। সুতরাং খিয়াল কইরা... যেই াল ফালাইতে পারবো না সেই াল ফালানোর চেস্টা না করাই ভালো। তাতে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান আর চীনের অনকনভেনশনাল ওয়ারফেয়ারের বাফার স্টেট এর বেশী কিছু হওয়ার সম্তবনা নাই।
২৫. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৩
অন্তু বলেছেন: এই সব উলফা-মুলফার বেল নাই। যা করার নিজ দেশে কর...আমাদের দেশকে না ঘাটালেই হয়।
২৬. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬
জিপসি মেহেদি বলেছেন: অন্তু বলেছেন: এই সব উলফা-মুলফার বেল নাই। যা করার নিজ দেশে কর...আমাদের দেশকে না ঘাটালেই হয়।

.।.।.।.।.।আপ্নেরা তাইলে ৭১ এ ওপারে গেসিলেন কি মনে কইরা ?.।.।.।
২৭. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৬
জিপসি মেহেদি বলেছেন: বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকেই হয়তো এর মাশুল গুণতে হবে কোনো এক সময়।[/sb

বাপ - দাদার কপালে ছিল, আমার কপালেও আছে ---আর এভাবে চালালে আমাদের পরের জেনারেশন কেও মাশুল গুনতে হবে..........

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৫৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ