আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

প্লাস-মাইনাস দিয়ে জাফর ইকবালের ভাবমূর্তি উদ্ধার কিংবা ক্ষুন্ন করার অসুস্থ মিশন

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৫

শেয়ারঃ
0 1 0

মুহাম্মদ জাফর ইকবাল তার কন্যার সঙ্গে নেচেছেন। যেহেতু ব্লগমণ্ডলে বিনোদনের অভাব, সুতরাং এটা নিয়ে তোলপাড় চলছে। যারা নৃত্যচর্চার নিন্দা করছেন, তাদের কেউ বায়তুল মোকাররমভিত্তিক মিছিলপ্রেমী, কেউ কেউ মৌলবাদী দলগুলোর সমর্থক, অনেকেই আবার রক্ষণশীলতার প্রতিমূর্তি। জাফর ইকবালের প্রগতিশীলতা, মৌলবাদের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থান - দিনে দিনে তার শত্রুসংখ্যা বাড়িয়েছে - এ বলাইবাহূল্য। তাদের অনেককেই আমরা এই মূহূর্তে ময়দানে সক্রিয় দেখতে পাচ্ছি।

অন্যদিকে যারা জাফর ইকবালের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তারা জাফর ইকবালকে প্রায় নবীর মর্যাদা দিয়ে পোস্টে পোস্টে কেঁদেকেটে মরছেন। লক্ষ্য করে দেখলাম, এদের বক্তব্য স্পষ্ট নয়। এরা কী বলতে চান, বুঝে উঠতে পারি না। একজন আবার সচলায়তন থেকে লেখা ধার করে এনে জ্ঞানের স্বল্পতা মেটানোর চেষ্টা করেছেন। আওয়ামী লীগের কোনো নেতার কুকর্ম প্রকাশ পেলে যেমন "ইহা ডিজিটাল সরকারের বিরুদ্ধে সুগভীর চক্রান্ত" বলে পুরনো রেকর্ড বাজানো হয়, জাফর ইকবালকে রক্ষা করতে গিয়েও মোটের ওপর তার সমর্থকরা প্রায় ওই রেকর্ডই বাজিয়ে চলেছে। অথচ যে উত্তরটি বলিষ্ঠভাবে বলা উচিত ছিল, সেটা কাউকে বলতে দেখছি না- 'কন্যার সঙ্গে নাচা অপরাধ নয়, অভব্যও নয়।' বিদঘুটে রক্ষণশীলতার মুখের ওপর এর চেয়ে ভালো জবাব আর কিছু হতে পারে না। কিন্তু না, যে কোনো কিছুতেই তাদের এক চিমটি মুক্তিযুদ্ধ, আধা চামচ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার লাগবে। শ্লার, বাঙালির স্পর্শকাতর জায়গাগুলো পীড়নে মহাসুখ আছে মনে হয়!

ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া দেখে আমার মনে হচ্ছে, জাফর ইকবালের যেন কোনো দোষত্রুটি থাকতে পারে না। উনি যেন নবীর আসনে সমাসীন! হাস্যকর এই প্রবণতা আগেও দেখেছি এই ব্লগে। জাফর ইকবালের পাবলিকেশন স্বল্পতা নিয়ে কেউ একজন প্রশ্ন তুলেছিলেন, প্রগতিশীলরা দল বেঁধে তেড়ে গেছেন সেদিকে- এটা এই সেদিনের দৃশ্য। তাতে বলাইবাহূল্য, জাফর ইকবালের ভাবমূর্তি (যদি আদতেই হৃত হয়ে থাকে) খুব সামান্যই উদ্ধার হয়েছে। নৃত্যঘটিত জটিলতায় অনেকে যুক্তি দেখাতে গিয়ে বলছেন, "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ শুরু হবার প্রাক্কালে জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে ইহা একটি সুগভীর...!" অথচ চুলচেরা অনুসন্ধান চালালেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে শাহজালালে একটা স্বাক্ষর দেওয়া ছাড়া জাফর ইকবালের তেমন কোনো ভূমিকা বোধহয় আবিস্কার করা যাবে না।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এরপরও জাফর ইকবালের ভাবমূর্তি কি এতোটুকু ম্লান হয়? হয় না, কারণ তার আরো অনেক অর্জন আছে। যে জাফর ইকবালের লেখায় একালের তরুণরা আলোড়িত হন, অথচ কিনা বাংলা ব্লগে তার অস্তিত্ব রক্ষা করতে হচ্ছে প্লাস-মাইনাস দিয়ে! ব্লগে প্লাস-মাইনাস দিয়ে বিখ্যাত ব্যক্তিদের ভাবমূর্তি, সোজা কথায় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার যে চেষ্টা আমরা করে যাই, দিনশেষে এটা যে কতোটা হাস্যকর ও অসুস্থ সংস্কৃতি, তা আর বলতে! এটাও এক ধরনের নপুংসকতাই নির্দেশ করে!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): muhammad jafar iqbalsustsylhet ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ব্লগ ও ব্লগ সমালোচনাসমসাময়িক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: নিজেকে আফসোসের ভাগীদার হতে দিলাম না। ভালো হয়েছে, তবে একটু বেশি জাঁকালো হয়ে গেল কি?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৯
না বলা কথা বলেছেন:
অনেকেই চেষ্টা করলে বড় ইস্কুলের স্যার হইবার পারে,
কিন্তু জাফর ইকবাল হইবার পারেনা।
মুক্তিযোদ্ধ অনেকেই করবার পারে,
কিন্তু হেই ইজ্ঝতের তিলক অনেকের কপালে জুডেনা।
৩০লাখ মানুষ নিজের জীবন দিয়া,কাতারে কাতারে মরবার পারে,
হেগো পুছন হইতে পারেনা,
কিন্তু জাফর ইকবাল স্যারেরে পুছতে অইবো।
ঘরে বাইরে, ইবাদতে, পূজায়।
কোনো মুক্তিযোদ্ধা না খাইয়া মরুক,চিন্তা করনের টাইম নাই,
কিন্তু দেশের আইডল জাফর স্যার সক্কালে ফুল না পাইলে খবর আছে।
ফকিরের পোলা,ক্ষেতমজুর, রিকসার ড্রাইভার, গাঁও গেরামের কৃষক,
রেল লাইনের কুলি ,মাগীর পুত তোগো আমরা মানুষ কইনা,
তোরা যুদ্ধে মরলি কি বাঁচলি, পেট ভইরা খাইতে পারস কি না পারস
হেইটা ভাবনের টাইম নাই,
মাগর,আমগো জাফর ইকবাল স্যার ,প্রিয় স্যার আমার,
আপনার নিখাঁদ সাদা অংগে ,কেউ বালুকনা পরিমান দাগ দেখছে,
হের গুস্টি উদ্ধার করুম,আগুনের গোলার লাহান জ্বইল্যা উঠুম।

আমার জাফর স্যারের বিরোধীতা মানে-
পুরা মুক্তিযোদ্ধের বিরোধীতা।
ধন্য জাফর স্যার,
আপনারে আমি প্রতি সক্কালে ফুল দিয়া পূজি,
আপনে আমার দেশ মাতৃকার পুরা যুদ্ধের বীর সেনানি,
আমগো দেশের মহান আইডল,
আমগো অহংকার,
আপনারে লাল সেলাম/
আপনার অবমাননা মানে পুরা দেশের অবমাননা,
জয়তু প্রগতিবাদ, জয়তু জাফর ইকবাল।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: আসলেই! ব্যক্তিপূজা এমন এক অসুস্থতার পর্যায়ে চলে গেছে, অবাক হয়ে যাই মাঝে মাঝে। ধনে শুধু নয়, মননেও আমরা কতোটা দরিদ্র, এ থেকে বোঝা যায়।

৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০০
ভিন্ন বলেছেন: পোষ্টে প্লাস দিলাম । ফেইসবুক ইভেন্ট থিকা এই মেইল পাইসি । ব্লগেও আসছে দেখলাম । এই পয়েন্টগুলার ব্যাপারে আপনের কোন মন্তব্য আছে ?

_______________________________________
why we are criticizing Zafar Iqbal for this video?
_______________________________________

1. বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বাঙালী সংস্কৃতিকে আমরা সর্বোচ্চ আসনে রাখতে চাই । অপসংস্কৃতির ভয়ানক আগ্রাসনে আমাদের দেশের তরুন-যুবা সমাজ যে দিনে দিনে অনেকটাই বিকৃত-মনস্ক আর উচ্ছৃঙ্খল জীবন যাপনে ঝুকে পড়ছে, কে তা অস্বীকার করতে পারবে ? এই অপসংস্কৃতির সবচেয়ে আগ্রাসী অংশটা আসে ব্রাক্ষ্মন্যবাদী হিন্দী সংস্কৃতি থেকে । এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ড. জাফর ইকবাল খুবই চটুল আর নোংরা ধরনের একটা হিন্দী গানের সাথে নেচে উপস্থিত তরুনীদের উৎসাহিত করছেন । লক্ষ্য করুন, আমাদের মূল আপত্তি এই জায়গাটিতেই । একজন প্রভাবশালী শিক্ষক হয়ে তিনি কিছুতেই এমন নোংরা হিন্দী গানকে উতসাহ দিতে পারেন না । গানটির টাইটেল এখানে লিখে দিচ্ছি.. খুব উতসাহীরা চাইলে সার্চ করে দেখে নিতে পারেন, কতটা বিকৃত সংস্কৃতির উতসাহদাতা এই গান "ইশক-কি-গালিওমে নো এন্ট্রী !......"

2. ধর্ম ব্যাপারটা যদিও মুসলিম হিসেবে আমাদের কাছে সবচেয়ে আগে আসা উচিত..তবুও আগে আনলাম না ।..ছাড় দিলাম ... পরেই বলি এর কথা.... যারা নিজেদেরকে মুসলিম মনে করেন , যারা এই দেশের ৯০ ভাগ মানুষদের মধ্যে কোন পরিবারের সদস্য.. যারা বিশ্বাস করেন, মৃত্যুর পরে আরেকটা হিসেব-নিকেষের জীবন আছে... তারা বুকে হাত দিয়ে বলুন , এমন নাচ আর গানকে কি সত্যি আপনার "বিশ্বাস বা ইমান" সমর্থন দেয় ? জাফর ইকবাল একজন নাস্তিক বা ধর্মনিরপেক্ষ বা ধর্মহীন মানুষ । কিন্তু, আপনি-আমি যারা এই ভুখন্ডের সিংহভাগ মানুষের প্রতিনিধি.. তারা তো বিশ্বাসী.. নাস্তিক জাফর ইকবাল যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে.. এবং আমরাও পারবো তার এই জাতিবিদ্ধংসী আর নৈতিকতা বিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরী করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে । (...এবং আমরা সেটাই করছি)

3. জাফর ইকবাল অবশ্যই একজন প্রভাবশালী শিক্ষক । সে যা করবে বা যা করার ইঙ্গীত দিবে.. অসঙ্খ্য অন্ধভক্ত সেটা অনুসরন করবে । হোক তা আমাদের ঐতিহ্যের বিরোধী কিংবা হোক তা সমাজ ও নৈতিকতার বিরোধী । এমন একজন প্রভাবশালী লোক সমাজে যাচ্চৈতাই কর্মকান্ড চালিয়ে যেতে পারেন না কোন অবস্থাতেই । তিনি কিছুতেই এই নোংরা হিন্দী অপসঙ্সকৃতিকে তরুনীদের মাঝে প্রচারের সম্ভবনা তৈরী করে দিতে পারেন না । আমরা সেটা তাকে জানানোর অধিকার রাখি । তার মৌন সম্মতিই যেখানে যথেষ্ট, সেখানে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই হিন্দী উচ্ছৃংখলতার বিকাশের পথ খুলে দেয়াটা অবশ্যই সমালোচনাযোগ্য .. এবং আমাদের উদ্দেশ্য সেই দৃষ্টিভঙ্গী নিয়েই সমালোচনা করা ।

4. বলা হচ্ছে, তিনি তার নিজের স্ত্রী-কণ্যাকে সঙ্গে নিয়ে এই ড্যান্সে অংশ নিয়েছেন । অতএব এখানে সমালোচনার আর কোন সুযোগ নেই । কি হাস্যকর যুক্তি ! আমাদের বাংলাদেশ - আমাদের জন্মভূমি-মাতৃভূমি বাংলাদেশ- আমাদের সমাজব্যবস্থা - আমাদের মায়াময় শান্তির পরিবারব্যবস্থা .. ভাবেন এই শব্দগুলো আন্তরিকতা নিয়ে.. চক্ষুটা একটু বন্ধ করে নিয়ে .. কি ? স্ত্রী-কণ্যাকে নিয়ে তরুনীদের সমাবেশে এই নাচ কি আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী সমাজব্যবস্থা সমর্থন করে ? আমাদের আবহমান কালের পরিবারব্যবস্থা কি স্ত্রী-কণ্যাকে নিয়ে হিন্দী গানের সাথে নাচ সমর্থন করে ?

5. বলা হচ্ছে জাফর ইকবাল বাধ্য হয়ে ছাত্রীদের অনুরোধে নাচে অংশ নিয়েছেন ! .. আরো ফালতু এই যুক্তি ! বরং তার কাছে বড় ধরনের একটা সুযোগ ছিলো্ ওই মুহুর্তটা । তিনি যদি ওই সময়ে স্পষ্টভাবে বলতেন, হিন্দী গান বন্ধ করলে তিনি ভেবে দেখবেন.. উপস্থিত ছাত্রীদের মাঝে অনেক প্রভাব ফেলতো তার এই একটা কথা । তিনি পারতেন, হিন্দী অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে ওই মুহুর্তে দুটো কথা বলতে.. যেটা পজিটিভলি এফেক্ট ফেলতো বড় একটা কম্যুনিটিতে । অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সূচনা হতে পারতো একটা চমতকার আন্দোলন.. অথচ এই অভিজ্ঞ আর বিজ্ঞ শিক্ষক করলেন তার পুরো উল্টোটা !
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: ১. একমত হওয়ার প্রশ্নই আসে না। ব্যক্তিগতভাবে আমি এমন কোনো বাংলা গান এই পর্যন্ত পাইনি, যেটা দিয়ে নাচা সম্ভব। সেদিক থেকে হিন্দি অনেক সমৃদ্ধশালী, শুনতেও ভালো লাগে। এটা মনে রাখতে হবে যে, অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ থাকে না।

২. সবাই ‌'বিশ্বাসী' বা 'ঈমানদার' হবে- এমনটি আশা করা ঠিক নয়। আমি নিজে ঈমানদার নই। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই- 'কন্যার সঙ্গে নাচা অপরাধ নয়।' আপনার দৃষ্টিভঙ্গি উন্নত নয় বলেই আপনি একে অপরাধ ভাবছেন।

৩. হিন্দিকে উপেক্ষা করা এখন আর সম্ভব নয়। যেখানে যা কিছু ভালো, সেটা গ্রহণ করতে কোনো বাধা নেই। বরং আরবি ভাষার কোনোকিছুই বস্তুত আমাদের সঙ্গে যায় না। সেদিক থেকে হিন্দি বরং আমাদের স্বজন - বাংলা ও হিন্দি এই দুটো ভাষার উৎপত্তি একই উৎস থেকে।

৪. স্ত্রী-কন্যার সঙ্গে নাচা কোনোভাবেই অপরাধ হতে পারে না। আপনার দৃষ্টিভঙ্গি উন্নত হোক, আধুনিক হোক- এই কামনা করা ছাড়া আর কিছু বলার নেই।

৫. বিদঘুটে রক্ষণশীলতার একটি নিকৃষ্ট উদাহরণ এই পয়েন্টটি।

আপনাকে ধন্যবাদ।

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৭
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
নিশ্চুপ কাব্যের অট্টহাসি ।
দু-পক্ষের ঝামেলা আছে ।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: জাফর ইকবালের বিরুদ্ধবাদীরা তাদের বহুল পরিচিত কায়দায় মাঠে নেমে গেছে- এতে কোনো ঝামেলা নেই। তাদের নামারই কথা। কিন্তু যারা জাফর ইকবাল সমর্থক, তাদের বক্তব্যে কোনো স্পষ্টতা দেখলাম না। তারা কী বলতে চায়, সেটাও বুঝলাম না। শুধু প্লাস-মাইনাস দিতে তারা ব্যস্ত। এটাই দুঃখ দিয়েছে বেশি।

৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৭
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
ভিন্ন সাহেবের যুক্তি কিন্তু ফেলনা নয় ।
১০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১২
'লেনিন' বলেছেন: @হোসাইন আপনি ভিন্ন'র সাথে যোগাযোগ করুন জাশি আপনাকে ডাকছে।
১১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৫
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
হা হা হা@লেনিন ভাই ।
জাশি আমার কলা-কারবারের খবর জানলে আমারে আর নিবো না ।
দুক্কেত আছি ।

যাই হোক , কেমন আছেন ???
১২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৭
'লেনিন' বলেছেন: @হোসাইন: আপনার একটি মুছে ফেলা পোস্টে অনেক আগেই বলেছিলাম আপনার কলা-কারবারে খাদ আছে। তা'নাহলে ভিন্ন'র যুক্তিতে বিনাবাক্যব্যয়ে সায় দেবার মানস থাকতো না।
১৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: বেহুদাই। ফাংশনে ছাত্রীদের সাথে আনন্দে অংশ নেওয়াটাকে কোথায় নিয়ে দাঁড় করালো দেখেন। যত্তোসব।

আর জাফর ইকবালকে নিয়ে অতিরিক্ত আদিখ্যেতাটাও মেনে নিতে পারিনা।

পুরোপুরিভাবে সহমত।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ।

১৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: valo bolechen , sharadiner shosta abeger chorachori sheshe obosheshe ekta juktipurno post .
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহরাব।

১৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৩
েহলাল খান বলেছেন: অথচ যে উত্তরটি বলিষ্ঠভাবে বলা উচিত ছিল, সেটা কাউকে বলতে দেখছি না- 'কন্যার সঙ্গে নাচা অপরাধ নয়, অভব্যও নয়।'

হুমায়ুন সাহেব কাকে বিয়ে করলেন? মেয়ের বান্ধবীকে.... কই তখন বাব-মেয়ের সম্পর্ক কোথায় থাকে....?হাজার হলেও তার ভাই বলে কথা!!!
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদ-শাওনের সম্পর্ক অসম, তবে অবৈধ নয়। খিয়াল কৈরা।

১৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৪
েহলাল খান বলেছেন: এক সময় এ মেয়েটিকে হুমায়ুন সাহেবের ওয়াইফ নিজ মেয়ের মতো জানতো।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আমিনুল।

১৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৭
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন: লেনিন ভাই ,
আমি তো ভিন্ন সাহেবের কথায় সাই দেয়নি ।
????(আ-জ-ব)
আপনার দেখি পুরানা ব্যাথ্যা সারে নাই ।
বাদ দেন ।
ভাল থাকেন ।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২১
তানভী বলেছেন: ভাই এই বিরক্তিকর ব্যপারে আর কেউ দয়া করে পোষ্ট দিয়েন না।

ঐ গানটা শুনে মনে হইসে যে ছাত্রীরাই গানটা গাচ্ছিলো।

আর একটা ব্যপার, তিনিতো মহাপুরুষ না,এটা কেন কেউ বোঝে না?
তিনি ওভার অল একটা মানুষ,একজন ভালো মানুষ(মহাপুরুষ না)। তিনি কোন দিন মহাপুরুষ হবার জন্য নিজে থেকে চেষ্টাও করেন নি।

আজব মানুষ তিনি। এই ব্লগেই দেখেছি, তিনি তার ছাত্রদের সাথে(ছাত্রী না ) পিকনিকে লেকের পানিতে নেমে ছবি তুলছেন!!!

তাই তিনি তার ছাত্রদের সামান্য প্রশ্রয় দেবেন এটা সাধারন ব্যপার।

তার ও ভুল হতেই পারে। তার মনের অজান্তেই অনেক কিছু হতে পারে।
হয়তো তিনি চান নাই যে এই আনন্দ অনুষ্ঠানে পোলাপানরে নীতি বাক্য শুনায়ে তাদের আনন্দের মুড টা নষ্ট করতে,( তাইলে পোলাপান কইতো স্যারে দেহি সব জায়গায় নীতি বাক্য কয়।তখন সেইটা নিয়াও ছাগুরা ফালাফালি লাগাইতো)

হুদাই ক্যান গ্যাঞ্জাম করা। যারা তাকে পছন্দ করেন,তাদের কেও বলি, ভাই বহুত হয়েছে ।যে যাই বলুক তাতে জাফর স্যারের ঘোড়ার ডিমটাও হবে না।

হিটলারের বহু বিখ্যাত প্রপাগান্ডা মন্ত্রী(স্বনামধন্য গোয়েবলস) যিনি কিনা বলতেন যে একটা মিথ্যাকে বারবার বললে ওটা সত্যের কাছাকাছি পৌছে যায়, তিনিও শেষ বয়সে এসে তার পালক পুত্র কে বলে গেছেন যে ,সব সময় সত্যের পথে থাকবে,সত্য কোনদিন চাপা থাকেনা। আর মিথ্যা তার নিজের ভারেই ডুবে যায়.।.।।।

তাই যারা স্যারের ভক্ত তাদের বলব চুপ করে থাকতে এবং ছাগুদের পোস্টে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: আপনার স্পষ্টভাষণ ভালো লাগল। তবে আমি মনে করি না যে, নাচানাচি করে জাফর ইকবাল ভুল কিছু করেছেন। মৌলবাদের ছানাপোনারা বরং এটাই চাইছে যে, এটাকে ভুল বলা হোক। তাতে তারা জিতে যায়। কিন্তু না, মধ্যযুগীয় রক্ষণশীলতা দিয়ে দুনিয়া চলতে পারে না। আমি জোর গলায় বলবো - 'কন্যার সঙ্গে নাচা কোনো অপরাধ নয়, অভব্যও নয়।'

২১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৭
তানভী বলেছেন: ও আর আপনার লেখাটা আসলেই ভালো হয়েছে। তাকে মহা পুরুষের কাতারে ফেলাটা আসলে আমাদের বোকামি ছাড়া আর কিছুই না। তবে হ্যা এটা স্বীকার করি,তিনি আমার আইডল। কারন তিনিই আমার মধ্যে নতুন দৃষ্টি ভংগীর সৃষ্টি করেছেন,যুক্তির সৃষ্টি করেছেন।
২২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩০
বিডি আইডল বলেছেন: এই ব্লগে বিনা কারণে এটাকে পপুলার ইস্যু করা হয়েছে। এই টপিকসে অনেকগুলো পোষ্ট মুছে দিয়ে এটাকে উস্কানো হয়েছে।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: যদ্দুর দেখেছি, মুছে দেওয়া পোস্টগুলো বেশ কুরুচিপূর্ণ ছিল।

২৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৬
অািম বাবু বলেছেন: লেখক বলেছেন: ১. একমত হওয়ার প্রশ্নই আসে না। ব্যক্তিগতভাবে আমি এমন কোনো বাংলা গান এই পর্যন্ত পাইনি, যেটা দিয়ে নাচা সম্ভব। সেদিক থেকে হিন্দি অনেক সমৃদ্ধশালী, শুনতেও ভালো লাগে। এটা মনে রাখতে হবে যে, অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ থাকে না।[/sb

লেখকের কানে কিংবা রুচিতে বিরাট প্রবলেম আছে। এইটা লেখক ভাই কিভাবে কইলেন " আমি এমন কোনো বাংলা গান এই পর্যন্ত পাইনি, যেটা দিয়ে নাচা সম্ভব। " এমন মূর্খ লোক ব্লগ লেখে কোন সাহসে? " আমি এমন কোনো বাংলা গান এই পর্যন্ত পাইনি, যেটা দিয়ে নাচা সম্ভব। " শচীন কর্তার নাম, রাহুল দেব বর্মনের নাম কি লেখক জানেন না? হিন্দি গানের আজকের যে প্যাটার্ন এইটা উনাদেরই করা। এবং তাদের বাংলা গান গুলোই পরে হিন্দি তে কনভার্ট করা হতো। উনারা যদি বাংলা ন গুলো না করতেন, আমার মনে হয় হিন্দি গানের এত দুর আসাটা অনেক দূরের ব্যাপার হতো।
আর আমাদের দেশে ইদানীং হাবীবের কল্যানে এত সুন্দর কিছু ফোক গান আমরা পেয়েছি তা বলাই বাহুল্য। হাবীব, ফুয়াদ আরো অনেকের....... গান শুনেও যদি লেখকের নাচতে মন না চায়... তাহলে আমরা ভেবে নেব লেখকের বডিতেও প্রবলেম আছে।

লেখকের কাছে বিণীত নিবেদন, নিজের মায়ের ভাষা কে ভালোবাসুন, সবদিক থেকে। কোন ভাবেই নিজের ভাষা কে ছোট করবেন না।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: আমার পর্যবেক্ষণে বাংলা গানকে খুবই দীনহীন মনে হয়েছে বরাবরই। আবার এটা ঠিক যে, একেবারে ফেলনাও নয়। তবে সংস্কৃতি রক্ষার দোহাই দিয়ে ভালোলাগার জায়গাটাতে আমি সীমানা দেয়াল তুলে রাখার পক্ষপাতি নই। এইভাবে যে সংস্কৃতি রক্ষা হয় না- তার প্রমাণও আমরা দেখছি।

খালি চোখেই দেখা যায়, বাংলা গানের তুলনায় হিন্দি গান তার নিজ গুণেই এগিয়ে গেছে বহুদূর। ‌হিন্দি গানের আজকের যে প্যাটার্ন এইটা শচীন-রাহুলদের করা, ঠিক আছে। কিন্তু হিন্দি গান তো সেই আদিতে বসে থাকেনি। নিরন্তর সেখানে চলছে নিরীক্ষা। ক্রমশ সৃষ্টিশীলতা দিয়ে হিন্দি গান আজ ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে সারা বিশ্বের মানুষের মন জয় করেছে। সুতরাং ১৪০০ বছর আগের মৃতপ্রায় উদাহরণ টেনে বাস্তবতাকে অস্বীকার করার মধ্যে কোনো ফায়দা নেই। যা হোক, শচীন কর্তা, রাহুল দেব বর্মনের কোন্ গানটি দিয়ে থার্টি ফার্স্টের আসরে নাচা সম্ভব, আমাকে জানাবেন কাইন্ডলি। তাতে আগামী বছর দেশীয় সংস্কৃতি রক্ষা করে থার্টি ফার্স্ট পালন করা যাবে আশা করি!

২৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৫
স্তব্ধতা' বলেছেন: জাফর ইকবালের নাচকে সমর্থন জানাতে গিয়ে নিজের ভাষাকে ছোট করে ফেললেন কী করে তাই ভাবছি।তারা যে ধরনের নাচ নাচছিলেন তার জন্য বিশেষ কোন ভাষার গানের বিট এর প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা।অন্য ভাবে মন্তব্যটার উত্তর দিতে পারতেন।মুক্ত মননশীলতা মানে স্বকীয়তার বিসর্জন নয়। ভীন্ন সংস্কৃতির প্রতি আকর্ষন সেই সংস্কৃতির জন্য একটি সম্মান বলেই আমি মনে করি, তেমনি নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি অবমাননা মানসিক দৈন্যতা ছাড়া আর কিছু নয়।ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: প্রশ্নটা ভাষার নয়, প্রশ্নটা হল ভালোলাগার সীমানা নির্ধারণ করা-না করা নিয়ে।
দুর্বলতা ঢেকে রাখা ভালো কাজ হতে পারে না।

২৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৭
'লেনিন' বলেছেন: @হোসাইন: ব্যথাটা আমার ছিলেনা, পোস্টটি মুছে ফেলার মতো ছিলো বলেই মুছে ফেলেছেন এবং প্রমান নেই। আর এখানে সায় দিয়েছেন কিনা তাতো সবাই দেখতে পাচ্ছে।

২৩নং মন্তব্যে আমি বাবু: বাংলা গানের দীনতার যে জবাব দিয়েছেন তা এতোটা কড়া না হলেও চলতো। আমাদের গোল্ডফিশ মেমরী সংস্কৃতি চলছে অথবা চলছে জনপ্রিয়তার সংস্কৃতি। ফিফা জনপ্রিয়তার জন্যই লেখেন তাই তার প্রতিটা লেখা পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার করলে ভুল করবেন।

আর আবেগের আতিশয্যে এটা অস্বীকার করবেন না যে বিয়ে, জন্মদিন ইত্যাদি অনুষ্ঠানে আজকাল যে নাচ-গান হয় তাতে হিন্দী গানেরই প্রাধান্য বেশি। আমি নিজে বাংলা গানের সমর্থক কিন্তু আনন্দের উপাদানে বাধা হয়ে আনন্দকে খর্ব করার পক্ষপাতী নই। দু:খের সাথে এও বলতে হচ্ছে, হিন্দী গানে স্বকীয় অনেক স্থায়ীত্ব বিদ্যমান যা ইদানীংকার বাংলা গানে তেমন আসছে না। শচীন দেবরা যে রূপ দিয়ে গেছেন হিন্দী সঙ্গীত কিন্তু তাতেই বসে থাকেনি। এ আর রহমান বা আরো অনেক নামকরা সঙ্গীতকার/সুরকার অনেক উচ্চে নিয়ে যাচ্ছেন তাদের সঙ্গীতধারাকে।

আর পরিসংখ্যান করলে দেখা যাবে এসব নাচ-গানে হিন্দী যতোটা প্রাধান্য পায় ততোটা বাংলা গান পায়না। আগে একটা সময় ছিলো যখন অন্তক্ষরী জাতীয় আসর হলে বাংলাগানই হতো। কিন্তু এখনকার সবাই একটু পরপরই বলবে হিন্দী চলেগা! হিন্দীতে তাদের অনেক অনেক গান জানা আছে। তো এই দায় একা জাফর ইকবালের কাধে চাপানোর কোনো কারণ দেখিনা।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: চমৎকার বলেছেন। এটাই আসলে বাস্তবতা। "এসব নাচ-গানে হিন্দি যতোটা প্রাধান্য পায় ততোটা বাংলা গান পায় না।" আমার ধারণা, এটা যতোটা না হিন্দির আগ্রাসন, ততোই বাংলা গানের দীনতা।

২৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৩
লুথা বলেছেন:

ব্লগ গরম করার জন্য ২ দিন পর পর একটা ইস্যু বার হয়... ভালো লাগে না ...
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: ঠিক।

২৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৩৮
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: আপনি বলছেন মেয়ের সাথে নেচেছেন, জাফর মিয়ার আরেক সাহাবীতো একেবারে ছবিতে মার্ক করে বলছেন বউয়ের সাথে নেচেছেন.....

Click This Link

ভাল কথা, মেয়ের সাথে নাচতে "ইশককী গালিও মে নো এন্ট্রী...." কি মানান সই গান হলো........??

জাফর ইকবাল বাদ দেন, তার বয়েসী যে কোন ভদ্র লোক যদি অন্জু ঘোষের "চাক বুম চাক বুম, চাদনি রাতে........." বা "চুলি ক্যা পিছে কেয়া হ্যায়, চুলি কা পিছে .......।" গান শুনে নাচতে উঠে যান তাহলে নিউ ইয়ার রাতে টিএসসি তে বাধন নামের মেয়েরা টিনএজ ছেলেদের উদ্দামতার শিকার হলে দোষ দিবেন কোন মুখে........???


এই ভদ্রলোকই আবার ২১ ফেব্রুয়ারীতে বা;লা ভাষা ও বা;লা স;স্কৃতির জন্য কেঁদে কেটে বুক ভাষাবে, যেটা হবে বিড়াট বড় ভন্ডামি.......!!!!!!

আমার কথা হলো, যতো খুশি হিন্দি,উর্দু, ই;লিশ খাও লাগাও কোন সমস্যা নাই, সবার‌্ই সেই অধিকার আছে| তবে মনে রাখবা, সময় ও সুযোগ পাইলেই আবার মহামানবের ভাব লইবা এইটা কেমন.....??

রাইতে আকাম করবা আর দিনের আলোতে সাধু সাজবা সেটা হবে না|
২৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৮
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: লেখক বলেছেন:


১. একমত হওয়ার প্রশ্নই আসে না। ব্যক্তিগতভাবে আমি এমন কোনো বাংলা গান এই পর্যন্ত পাইনি, যেটা দিয়ে নাচা সম্ভব। সেদিক থেকে হিন্দি অনেক সমৃদ্ধশালী, শুনতেও ভালো লাগে।

--------------- এ কি শুনি আজ মন্হরার মুখে......????????

তো আপনি মনে করেন বা;লা গানের সাথে নাচ হতে পারে না....??

বা;লাদেশের ১ জন নৃত্য শিল্পীও কি আপনি চিনেন না যারা বা;লা গানের সাথে নেচে থাকেন........???



৩. হিন্দিকে উপেক্ষা করা এখন আর সম্ভব নয়। যেখানে যা কিছু ভালো, সেটা গ্রহণ করতে কোনো বাধা নেই। বরং আরবি ভাষার কোনোকিছুই বস্তুত আমাদের সঙ্গে যায় না। সেদিক থেকে হিন্দি বরং আমাদের স্বজন - বাংলা ও হিন্দি এই দুটো ভাষার উৎপত্তি একই উৎস থেকে।

---------------------- আপনিতো দেখছি ভারতের স;স্কৃতি মন্ত্রনালয়ের লিফলেটে পরিণত হয়ে গেছেন ( ব্যাপার কী, চুক্তি ভিত্তিক না কী পারমানেন্ট....??.. :):) )

৪. স্ত্রী-কন্যার সঙ্গে নাচা কোনোভাবেই অপরাধ হতে পারে না। আপনার দৃষ্টিভঙ্গি উন্নত হোক, আধুনিক হোক- এই কামনা করা ছাড়া আর কিছু বলার নেই।

--------------------------- অবশ্যই দোষের কিছু না|
নিজ মেয়ের সাথে "চুলি ক্যা পিছে কিয়া হ্যায়......??"

বা " ইশককি গালিও মে নো এন্ট্রি.......???

আপনারতো দেখতেছি রুচির বিরাট উত্তরণ ঘটছে....... :):):)
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: ১. বাংলাদেশী নৃত্য চিনি, নৃত্যশিল্পীও চিনি তো বটেই। তবে এইগুলো তো এখন বিটিভির অফপিক আওয়ারের জিনিসপত্র। বাইরে চলে না, খায় না মানুষে। কী করার আছে! অন্ধ হলে তো প্রলয় আর বন্ধ থাকে না!

২. যা বলেছি, সেটাই বাস্তবতা। বাস্তবতাকে উপেক্ষা করা বা দেখেও না দেখার ভান করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

২৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৯
'লেনিন' বলেছেন:

ফিফার গোল্ডফিশ মেমোরি বাংলাগানগুলোর স্মৃতিভ্রষ্ট হয়ে গেছে। কোনো এক গজিনী নিধনে ব্যস্ত হয়ে মনে হয় তিনি এই দুরাবস্থায় আছেন। তার জন্য উপরের বাংলা অন্তক্ষরি দিলাম।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: এটা দেখেছি। ভালো। তবে কষ্টেমষ্টে এইরকম একটি দুটি নমুনা হাজির করার চেষ্টা থেকে সার্বিকভাবে বাংলা গানের দৈন্যতাই আরো স্পষ্ট হয়।

৩০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১১
আকাশ_পাগলা বলেছেন: সব কথার সাথেই একমত, কিন্তু কিন্তু ----

(লেখক বলেছেন: ১. একমত হওয়ার প্রশ্নই আসে না। ব্যক্তিগতভাবে আমি এমন কোনো বাংলা গান এই পর্যন্ত পাইনি, যেটা দিয়ে নাচা সম্ভব। সদিক থেকে হিন্দি অনেক সমৃদ্ধশালী, শুনতেও ভালো লাগে। এটা মনে রাখতে হবে যে, অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ থাকে না।)

এইটা কী বললেন আপনি?
এমন জঘন্য কমেন্টের জন্য পুরা পোস্টে মাইনাস দেয়া যায় কী না, সেটা নিয়ে সংসদে বিল ডাকতে হবে মনে হচ্ছে।
তবে, কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই এই কথা বলা ব্যক্তিকে রামছাগল বলা যায় নিঃসন্দেহে।

রেসিডেন্ট্রে বাড়ি দিয়া ব্যন খাইতে ডরাই না।
কিন্তু পোস্টে ভদ্র কথা আর কমেন্টের উত্তরে বাংলা গান নিয়া ফালতু কথা বইলা নিজের শিং আর ল্যাজ দেখায়া দিছেন।

আমাদের দেশে এখনও মেটালও হয় আর পপ বা রক ত ত্রিশ বছরে আগের কথা।

না শুনতেই পারেন, কিন্তু না জাইনা যে রামছাগলের মত একটা ফাউ ডায়লগ দিলেন সেটার জন্য আপনার আলাদা কমেন্ট করে মাফ চাওয়া উচিত, নইলে এই পোস্টটা তার ভ্যালু হারাবে।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: ভালো হোক কিংবা মন্দ, হিন্দি গানের বিস্তার সর্বগ্রাসী হয়ে উঠেছে। কেউ যদি বাংলা গানের তথাকথিত সমৃদ্ধির পুরনো কাসুন্দি তুলে বাস্তবতাকে অস্বীকার করেন, তবে সেটা হবে বোকামি। পোস্টের ভ্যালু-ট্যালু নিয়ে ভাবার দরকার নেই। ওইটা তেমন জরুরি কিছু না। আলোচনাই মূল বিষয়।

ধন্যবাদ।

৩১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১২
আকাশ_পাগলা বলেছেন: সব কথার সাথেই একমত, কিন্তু কিন্তু ----

(লেখক বলেছেন: ১. একমত হওয়ার প্রশ্নই আসে না। ব্যক্তিগতভাবে আমি এমন কোনো বাংলা গান এই পর্যন্ত পাইনি, যেটা দিয়ে নাচা সম্ভব। সদিক থেকে হিন্দি অনেক সমৃদ্ধশালী, শুনতেও ভালো লাগে। এটা মনে রাখতে হবে যে, অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ থাকে না।)

এইটা কী বললেন আপনি?
এমন জঘন্য কমেন্টের জন্য পুরা পোস্টে মাইনাস দেয়া যায় কী না, সেটা নিয়ে সংসদে বিল ডাকতে হবে মনে হচ্ছে।
তবে, কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই এই কথা বলা ব্যক্তিকে রামছাগল বলা যায় নিঃসন্দেহে।

রেসিডেন্ট্রে বাড়ি দিয়া ব্যন খাইতে ডরাই না।
কিন্তু পোস্টে ভদ্র কথা আর কমেন্টের উত্তরে বাংলা গান নিয়া ফালতু কথা বইলা নিজের শিং আর ল্যাজ দেখায়া দিছেন।

আমাদের দেশে এখনও মেটালও হয় আর পপ বা রক ত ত্রিশ বছরে আগের কথা।

না শুনতেই পারেন, কিন্তু না জাইনা যে রামছাগলের মত একটা ফাউ ডায়লগ দিলেন সেটার জন্য আপনার আলাদা কমেন্ট করে মাফ চাওয়া উচিত, নইলে এই পোস্টটা তার ভ্যালু হারাবে।
৩২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৫
অলস ছেলে বলেছেন: ইকবাল্ সাহেব তো দেখি বাঙ্গালীর এই সময়ের মহাপুরুষ। শেখ হাসিনার সামনে শিরদাঁড়া বাঁকিয়ে কুঁজো হয়ে দাড়ানো ইকবাল্ কে নিয়ে কথা বলা অর্থহীন। তিনি দেশজ সংস্কৃতি রক্ষায় ভারতীয় সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের পুরোধা পুরুষ :)
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: জাফর ইকবালের হয়তো আওয়ামী-প্রীতি আছে, তবে লোকটা, আমি বলবো যে, অসাধারণ।

৩৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৭
েহলাল খান বলেছেন: অলস ছেলে বলেছেন: ইকবাল্ সাহেব তো দেখি বাঙ্গালীর এই সময়ের মহাপুরুষ। শেখ হাসিনার সামনে শিরদাঁড়া বাঁকিয়ে কুঁজো হয়ে দাড়ানো ইকবাল্ কে নিয়ে কথা বলা অর্থহীন। তিনি দেশজ সংস্কৃতি রক্ষায় ভারতীয় সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের পুরোধা পুরুষ

জটিলস
৩৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩৩
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন: লেনিন সাহেব ,
১. আমার মেটাজিনিমোসেসের ওই ছবি পোস্টে নোঙরা কিছু ছিল না । আমি ছবিটা আমুতে দিছিলাম । সামুতে একটা প্রতিবাদমূলক পোস্ট ছিল ।
২. আমি সামুতে পোস্টটা মুছে দিছিলাম কারণ ওইটা প্রতিবাদ করা পোস্ট ছিল । আর পোস্টটির প্রয়োজনীয়তা শেষে তা মুছে দিছি ।
৩. আমি সহজে কোনো ব্লগারের সাথে ক্যাঁচালে যেতে চাই । আপনি আমার ওই পোস্টে আক্রমণাত্মক কমেন্টগুলো করেছিলেন আর আমি আপনার সকল কমেন্টের জবাব দিয়েছিলেন । আপনি না পেরে আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা শুরু করেন ।
৪. যুক্তিবিদ্যার একটা চিরন্তন সূত্র হল : আপনি কখনো কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না , আক্রমণ করবেন যুক্তি দিয়ে । আপনি কখনোই এই সূত্র মেনে চলেননি ।
৫. আমি ব্লগার ভিন্ন যুক্তি সমর্থন করিনি । আমি বলেছি , তার কথায় যুক্তি আছে ।
৩৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩৫
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
জাফর সাহেবের মত ব্যক্তিত্বের অপেন স্পেসে নাচানাচি ভাল লাগে নাই ।
৩৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪২
'লেনিন' বলেছেন: @হোসাইন: আপনার পোস্টটি উন্মুক্ত থাকলেই বোঝা যেতো কতোটা রুচিকর ছিলো তা। সেই সাথে কমেন্টগুলোও। যেহেতু তা নেই সুতরাং সেকথা বলেও লাভ নেই।

আপনার ছবিটি ছিলো:

একটি হরিণ আরেকটি হরিণের পেছনে, তার পেছনে আরেকটি হরিণ... আপনার চোখে তা নির্দোষ প্রাকৃতিক কর্ম। আর তা ব্লগে প্রকাশের অধিকার আছে।

তবে, কেনো ড. ইকবালের তার স্ত্রী এবং কন্যা পরিবেষ্টিত অবস্থাতেও ছাত্রিদের আনন্দানুষ্ঠানে মাথা নেড়ে হাততালি দিয়ে তাদের আনন্দ ভাগাভাগির অধিকারটুকুও নেই?

৩৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৪
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
কারন , পাবলিক স্পেসে নাচানাচি করা কোন সভ্যতার মধ্যে পরে না ।
৩৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৫
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন: ফিউশান ফাইভ ভাইয়ের সাথে একমত ।
++++
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৪
'লেনিন' বলেছেন: ৩৮নং কমেন্টের মন্তব্যকারী লোককে বলছি কষ্টকাঠিণ্য হলে পানি খান। ;)
৪০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৬
'লেনিন' বলেছেন: আরো কিছু বলে না দিলে অনেকেই বুঝবে না। সেটি হচ্ছে মি. হোসাইন১৯৫০ একজন কপিপেস্ট ব্লগার যে ছবি, লেখা ইত্যাদি নানান জায়গা থেকে কপি করে বেড়ান। এক লাইন নিজের লেখার ক্ষমতা আছে কিনা তা নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ রয়েছে। দয়া করে এই ধরণের ভণ্ডামি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ের ব্লগার সাজবেন না। দোহাই লাগে! থামুন!
৪১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১১
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
দাদা,
কোন পোস্ট কপি পেস্ট ?
৪২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৫
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন: লেনিন , আমার কোন পোস্ট কপি পেস্ট ??? প্রমাণ দেখান । প্রমাণ ছাড়া কথা বলেন কেন ??? প্রমাণ না দিলে আপনার বক্তব্য অসার ।
৪৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২০
অলস ছেলে বলেছেন: খালি ক্যাচাল। খালি ক্যাচাল। বড়ই ভালু লাগে। একটি বাংলাদেশ তুমি ক্যাচালাগ্রত জনতার। তুমি সারা বিশ্বের বিস্ময়।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: ক্যাচালমুক্ত বাংলাদেশ কল্পনা করাও কঠিন।

৪৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৮
হেমায়েতপুরী বলেছেন:

ধুর, মেয়ের সাথে জাফর ইকবাল নাচলে আমার কি? হাসতেই আছি..

ফিউশন পোস্টে পেলাছের পর পেলাছ।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হেমায়েতপুরী।

৪৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৮
শুভ সকাল বলেছেন: আপনি চুলচেরা বিশ্লেষণ করেও স্বাক্ষর প্রদান ছাড়া জাফর ইকবালের আর কোন ভূমিকা খুঁজে পান নি জেনে খুব অবাক হচ্ছি।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: আপনার কাছে নিশ্চয়ই আরো ভূমিকার প্রমাণ আছে! দিন না কাইণ্ডলি!

৪৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৬
'লেনিন' বলেছেন: @হোসাইন: আপনাকে এই পোস্টে দেয়া এটাই আমার শেষ উত্তর।

আমি কোনো প্রমান দেবো না। কিন্তু সব ব্লগার আপনার ব্লগ এখন থেকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখবে। তাদের চোখে আপনি বিশ্বাস করাতে পারলে ভালো, না পারলে ধরা খাবার সমূহ সম্ভাবনা।
৪৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৭
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: আপনিও তো দেখি মাঝামাঝি একটা কথা বলে ছেড়ে দিলেন।
৪৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৩
ডাইনোসর বলেছেন:
নেড়ি কুত্তাগুলার কথা বাদ। কিন্তু কিছু কিছু প্রগতিশীলরাও পোষ্ট দিয়ে ভাসিয়ে দিছে।
তাই আপনার সাথে একমত, +/- দিয়ে এখানে দেশ উদ্ধারে ব্যস্থ।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: লেখায় নয়, রেখায় নয়, বক্তব্যে নয়, দেশটাই বোধহয় টিকে আছে পুরোটাই প্লাস-মাইনাসের ওপর ভর করে।

৪৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩২
ভিন্ন বলেছেন: লেখক বলেছেন: ব্যক্তিগতভাবে আমি এমন কোনো বাংলা গান এই পর্যন্ত পাইনি, যেটা দিয়ে নাচা সম্ভব। সেদিক থেকে হিন্দি অনেক সমৃদ্ধশালী, শুনতেও ভালো লাগে।


ভস, সেইরকম কমেন্ট দিসেন! বাকহারা হয়্যা ঘ্যালাম !
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: বাকহারা হওয়ারই কথা। ঘিনঘিনে রক্ষণশীলতার দূর্গে এইরকম আঘাত সহজে হজম হওয়ার কথাও নয়।

৫০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩২
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: লেখক বলেছেন: ১. একমত হওয়ার প্রশ্নই আসে না। ব্যক্তিগতভাবে আমি এমন কোনো বাংলা গান এই পর্যন্ত পাইনি, যেটা দিয়ে নাচা সম্ভব। সেদিক থেকে হিন্দি অনেক সমৃদ্ধশালী, শুনতেও ভালো লাগে। এটা মনে রাখতে হবে যে, অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ থাকে না। ৩. হিন্দিকে উপেক্ষা করা এখন আর সম্ভব নয়। যেখানে যা কিছু ভালো, সেটা গ্রহণ করতে কোনো বাধা নেই। বরং আরবি ভাষার কোনোকিছুই বস্তুত আমাদের সঙ্গে যায় না। সেদিক থেকে হিন্দি বরং আমাদের স্বজন - বাংলা ও হিন্দি এই দুটো ভাষার উৎপত্তি একই উৎস থেকে।


এতদিনে বুঝলাম কেন সবাই বলে, আপনার চরিত্র বোঝা দায়!
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: আমার পর্যবেক্ষণে বাংলা গানকে খুবই দীনহীন মনে হয়েছে বরাবরই। আবার এটা ঠিক যে, একেবারে ফেলনাও নয়। তবে সংস্কৃতি রক্ষার দোহাই দিয়ে ভালোলাগার জায়গাটাতে আমি সীমানা দেয়াল তুলে রাখার পক্ষপাতি নই। এইভাবে যে সংস্কৃতি রক্ষা হয় না- তার প্রমাণও আমরা দেখছি।

৫১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫
অািম বাবু বলেছেন: ২৫ নং কমেন্ট : লেনিন বলেছেন 'শচীন দেবরা যে রূপ দিয়ে গেছেন হিন্দী সঙ্গীত কিন্তু তাতেই বসে থাকেনি। এ আর রহমান বা আরো অনেক নামকরা সঙ্গীতকার/সুরকার অনেক উচ্চে নিয়ে যাচ্ছেন তাদের সঙ্গীতধারাকে।'

ভাই, আমি শেকড়ের কথা টা বলেছিলাম। আমি এটা বলতে চাইনি যে, তাঁরা ছাড়া ওখানে আর কেউ গানের উৎকর্ষতা সাধন করেননি বা করেন না। তবে এটা জানিয়ে রাখতে চাই, আমাদের উপমহাদেশীয় সংগীতের আধুনিকায়নে বাংলা গান অনন্য ভূমিকা রেখেছে। উপমহাদেশীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ফর্ম ভেঙে বাংলাতেই প্রথম আমরা অনেক গান পেয়েছি। আমাদের দেশীয় ময়মনসিংহ গীতিকা কিংবা তৎকালীন বাউল গানের অবদান অস্বীকার করার মত মূর্খতা কে দেখাবে? রবি বাবু, ডি.এল. রায় তৎপরবর্তী সুরকার, গীতিকার রা যদি না আসতেন তাহলে ওদেশীয় সংগীত এখনও শ্যামা সংগীতের মধ্যেই থাকতো।
আমার এটুকুই বলার আছে, বাংলার সুর ধার করে হিন্দি গানের উৎকর্ষতা সাধন হয়েছে এটা আমাদের মনে রাখা উচিৎ।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন:
বাংলার সুর ধার করে হিন্দি গানের উৎকর্ষতা সাধন হয়েছে এটা আমাদের মনে রাখা উচিৎ।

এইটা দোষের কিছু না। খোদ বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে অন্য ভাষা থেকে ধার করা শব্দসম্ভারে।
হয়তো বাংলা গানের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ছিল এককালে। কিন্তু সেটা বেচে তো আর দীর্ঘকাল চলা যায় না। একদিকে আমরা দেখি, হিন্দি গান স্ব-মহিমায় বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ছে। আবার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য নিয়ে বাংলা গান পরিণত হয়েছে রুগ্ন বনসাইয়ে। আপনার উদাহরণের ছিরি দেখলেও সেই রুগ্নভাব উপলব্ধি করা যায়। সাম্প্রতিক না হোক, অন্তত একযুগ আগের একটা উদাহরণও তো দিতে পারেননি। বাংলাগানের সমৃদ্ধির কথা বোঝাতে গিয়ে বড়জোর সেই পুরনো যুগের ডিএল রায় পর্যন্ত যেতে পেরেছেন। অবশ্য সামনে আর যাওয়ার আর উদাহরণও নেই। ফুয়াদ-মিলা দিয়ে খুব বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকে থাকা কঠিন আসলেই!

৫২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৩
'লেনিন' বলেছেন: @বাবু আপনার কথাতে তো পুরো সমর্থনই আছে আমার এবং অন্যরাও দুয়ো দিয়েছেন ফিফাকে। আপনি এই বিষয় নিয়ে ব্লগ করতে পারেন অনেকেই উপকৃত হবে বলে মনে করছি। আফসোস করে বসে না থেকে আমাদের তো এগিয়ে যেতে হবে।

শুভ কামনা।
৫৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪২
শাকিরইকরাম বলেছেন: ভাই আপনি কি ভারতের সংস্কতির দালাল?
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: নিয়োগের আগে এখনই কিছু বলতে চাইছি না। তবে চেষ্টা করে যাচ্ছি। দোয়া করবেন, যেন দালাল পদে নিয়োগটা পাই!

৫৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৭
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
এই টপিকের অনেকগুলো পোস্ট পড়েছি...কোনটাতেই কোন রকম মন্তব্য করিনি। এইবার মনে হলো দুইটা কথার কথা বলি ...

১. সমকালীন বিতর্কের পুরো অংশে জুড়ে হিন্দি গান নিয়ে আপত্তি ছিল । আচ্ছা গানটা যদি হিন্দী না হয়ে ইংরেজী হতো ? B:-/

২. ফিফাকে বরাবরই ভারত-বিরোধী মনে হয়েছে, এই প্রথম ভারতীয় ফ্লেভারড কোন বিষয় নিয়ে তাকে অতিপ্রতিক্রিয়াশী হতে দেখা যায়নি B:-)

৩. এতো জেনারালাইজড হয়ে হিন্দী বা ভারতীয় সংস্কৃতি বিরোধী কথা বলে আমার লতা মুঙ্গেশ্কর, আশা ভোঁশলে, মোহাম্মদ রফি, কিশোর কুমার, এস.ডি বর্মন., মুকেশ এর অনেক লিজেন্ডারি গান মনে পড়ে যায়, যেগুলো হিন্দীতেই ছিল।

৪. আচ্ছা, ছেলেদের হলে এধরনের অনুষ্ঠানে কী রকমের গান বাজানো হয়? ছেলেরা কী এমন গেট-টুগেদার, ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠানে সুবোধ বালকের মত চুপচাপ বসে থেকে গুরুগম্ভীর আলোচনা শেষে চা-সিঙ্গারা নয়তো কোক-স্যান্ডউইচ খেয়ে বাসায় ফিরে যায়? নাকি ছেলেদের হলে এসব আনুষ্ঠানিকতা একেবারেই নিষিদ্ধা? আসলে জানিনাতো তাই জিগেষ করলাম, জাস্ট Curiosity :|

বলাবাহূল্য, এই মন্তব্য করার সময় চেষ্টা করেছি সর্বোচ্চ নিরপেক্ষ আর নির্মোহ থাকতে। =p~
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ১. তাহলে আরো ভালো হতো। ইংরেজি গান তো জোস! ওই ধরনের আয়োজনের জন্য ইংরেজি বা হিন্দির বিকল্প কিছু দেখি না।

২. সংস্কৃতি ছাড়া আর যে কোনো ভারতীয় আগ্রাসন ও আধিপত্যের চেষ্টার আমি অবশ্যই ঘোর বিরোধী। আমার ব্যক্তিগত ধারণা হল, জোর করে সংস্কৃতি রক্ষা করা যায় না। বাংলাদেশে বিভিন্ন মহল থেকে সংস্কৃতি রক্ষার চেষ্টা কম হয়নি এই যাবত। কিন্তু বাংলাদেশের টিভি দর্শকদের ৯০ ভাগই বোধহয় হিন্দি সিরিয়ালে আসক্ত, সিনেমাপ্রেমীদের প্রথম পছন্দই হিন্দি সিনেমা এবং বাংলাদেশে এমন কোনো অনুষ্ঠান সম্ভবত নেই, যেখানে শ্রোতারা বাংলা গানের চেয়ে হিন্দি শুনতে ভালোবাসে না। ফলে চোখ বন্ধ করে আসলে লাভ নেই। বাইরে প্রলয় ঘটছে।

৩. সেটাই!

৪. আসলে মঞ্চে উঠে মেয়েরা নাচছে- এটা অনেকের সহ্য হচ্ছে না। শাহজালালের ওই অনুষ্ঠানটি দেখে আমার কিন্তু অদ্ভূতরকম ভালো লেগেছে।

আর বলাবাহূল্য.... :)

৫৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১২
আরিফুর রহমান বলেছেন: ঠিকাছে,

আমি এই কথাটাই বলতে চেয়েছি কপি-পেস্ট পোস্টটার করা আমার প্রথম কমেন্টে...

আবার বলছি...

নিজের মেয়ের কাঁধে হাত রেখে ছবি তোলাও আজকাল জামাতী শুয়ারগুলা অপরাধ হিসেবে জাহির করতে চায়..

শালার সৌদিয়ারব হয়ে গেলো নাকি দেশটা?
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: একটু প্রতিক্রিয়া হওয়া আসলে স্বাভাবিক। তাতে এবারে অন্তত মনে হচ্ছে যে, রক্ষণশীলতার দূর্গে ধীরে ধীরে ফাটল ধরতে যাচ্ছে। এটা আশার কথা।
মনে রাখতে হবে, মৌলবাদের ছানাপোনারা আসলে প্রাণপণে চাইছে যে, এটাকে ভুল বলা হোক। জাফর ইকবালের নাচানাচিকে অপরাধ বলা হোক। তাতে তারা জেতে। অনেকেই সেই ফাঁদে পা দিয়েছেন দেখলাম।

৫৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮
আকাশ_পাগলা বলেছেন: @আইরিন সুলতানা

১। হিন্দী আর ইংরেজির পার্থক্য বুঝেন ত? এদের মধ্যে একটা কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল ভাষা। আশা করি কোনটা সেটা জানেন।

২। ও কী করছে না করছে এতে কী আসে যায় !! এইটা নিয়ে আমারও কিছু বলার নাই।

৩। গুনী সিঙ্গার পুরা দুনিয়াতেই আছে। পুরা দুনিয়ারটা খোঁজ নেয়ার দরকার খুব? উগাণ্ডা ঘানা সোমালিয়া আরও কত দেশ আছে। দেশের নামই জানিনা, গান ত পরে। সব ফেলে হিন্দীই কেন? ওখানে কী মোহাম্মদ রাফির গান বাজানো হচ্ছিল?

৪। কিছু বলার নাই। কমন ক্যাটাগরীতে পড়ে গেছেন। আমাদের দেশের মেয়েরা কী কোনদিনই নিজে থেকে ভাবতে শিখবে না? সবসময়েই কী ছেলেদের দোহাই দিতে হবে যে ছেলেরা এই করে, তাই আমরাও করব। ৯০% চোর ছেলে বলে এখন ৯০% মেয়েকে জোর করে চোর বানাতে হবে?
ছেলেদের অনুষ্ঠানে যখন হিন্দী গান হয়, তখনও অনেকেই বিরক্ত হয় যে হিন্দী কেন ! সবচেয়ে বেশি বিরক্ত লাগে যখন, কোন কনসার্টে গেলে বা কোন অনুষ্ঠানে কোন শিল্পী আসলে কিছুক্ষণ পরেই হিন্দী গাওয়া শুরু করে।
এগুলার বেশির ভাগ গানই আবার ছ্যাকা খাওয়া হয়। অথবা একেবারেই অর্থ ছাড়া ধান ধানে ধান টাইপ শব্দ। এখানে যারা বাংলাকে ছাপিয়ে হিন্দীগানকে মাথায় তোলা সাপোর্ট করে নাই, ওখানেও ওরা হিন্দী গানকে সাপোর্ট করে না। এটা ছেলে বা মেয়েদের বা জাফর ইকবালের নাচার সাথে সম্পর্কযুক্ত না। এটুকু বুঝা উচিত। ছেলে আর মেয়ের অনুষ্ঠানের কী আছে?
৫৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৮
যুদ্ধবাজ বলেছেন: আমার নিক নিয়া গবেষণার প্রয়োজন নাইঃ

মাঝে মিজাই বেচারা ফাইস্যা গেলো, পাব্লিকেও নয়া ইস্যু পাইলো।
বেশ ক'বছর আগে মিজাই এর একটা আর্টিক্যাল পড়েছিলাম, জনকন্ঠ বা প্রথমআলো-তে ঠিক মনে নেই, আর্টিক্যালটা পড়ে খুব-ই ভালো লেগেছিলো, যেন জাফর ইকবাল আমার মনের কথাটি ধরতে পেড়েছেন। বিষয়টি ছিলো, ঈদের পরে একটি জনপ্রিয় হিন্দি ছবি দেখাবে একুশে টিভি-তে, তা নিয়ে সবার মাঝে উল্লাস। উনি ওনার কলামে বলেছিলেন, হিন্দি ছবি কেন? আর এটা নিয়ে এত মাতামাতি-ই বা কেন? হ্যাঁ ল্যাটিন ছবি, ফ্রেঞ্চ এরকম বৈদেশিক চলচিত্র গুলোর মতন করে ২-১ টা হিন্দি ছবিও দেখা যায়, কিন্তু তা নিয়ে আলোরনের কোন মানে হয়না। তিনি নিজেও এই হিন্দি সংস্কৃতি-র আগ্রাসন নিয়ে চিন্তিত ছিলেন বলে মনে হয়। তদুপরি উনি ব্যক্তিগত জিবনে কি করেন না করেন তা নিয়ে আমাদের ব্লগার কূলের মায়া মান্না দেখলে চোখ ফাইট্টা পানি চইল্যা আসে। উনি একজন সাহিত্যিক, নবীনদের বিজ্ঞান চর্চা উৎসাহে ওনার অবদান অসামান্য, উনি একজন বড় মাপের শিক্ষিত লোক। কিন্তু আমাদের এটা মনে রাখা দরকার, উনি-ই এই বাংলাদেশের একমাত্র শিক্ষিত লোক নন, আর বিজ্ঞানী-গবেষক বলতে অনেকের বাংলাদেশের একমাত্র যে লোকটির কথা ভেসে আসে মাথায় তা হল মিজাই এইটাই হল আমাদের সবচেয়ে ভূল ধারনা। হুম, উনি ক্যালটেকে ছিলেন, বেল ল্যাবে গবেষনা করেছেন। কিন্তু এই বাংলাদেশের বহু বিজ্ঞানী আছেন যারা এম,আই,টি-তে পড়াশুনা করছেন বা গবেষনা করছেন http://web.mit.edu/bangladesh/www/ । এমন অনেক বিজ্ঞানী আছেন যারা সার্নে(CERN) এর মতন ল্যাবে গবেষনা করেছেন Click This Link । আমরা তাদের চিনি? না চিনি না। আমরা কাকে চিনি? মিজাই-কে চিনি। কেন চিনি? তিনি একজন সেলিব্রেটি লোক। হ্যাঁ, এই কথাটা এখন আমাদের মনে রাখতে হবে, তিনি একজন সেলিব্রেটি লোক। লোকজন তাকে চেনে। তিনি গেয়োঁ বাংলার অধুনা বিলেত ফেরত ব্যাক্তিত্ব। তারে নিয়া কেউ কথা রটাইলে সেইডা বুইঝা শুইন্না রটানোই ভালো, আর তার কাজ কর্ম গুলাও বুইজ্জ্যা করনডাই দরকার। পাপারাজ্জি চারিদিকে, সেলিব্রেটি সাবধান !
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: চমৎকার মন্তব্য। ভালোই বলেছেন। কঠিন বাস্তব। মন্তব্যের ভেতরের লিংক দুটো ভবিষ্যতে কাজে আসবে।
ধন্যবাদ।

৫৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৯
নুভান বলেছেন: আইরিন সুলতানাঃ ফিউশন ফাইভের ভালা হিন্দি নাম কি দেওন যায়? পাঞ্চা পান্ডাব?
ভারতের লোকেরা বিদেশে আইসা নিজেদের মধ্যে ইংরেজিতে কথা কয়। কারন সাউথের লোকজন হিন্দি টোটালি দেখতে পারেনা। আর হিন্দি গানের চেয়ে বাংলা গান অনেক এগিয়ে (মহিনের ঘোড়াগুলি যখন তাদের এলবাম রিলিজ করে, তখন সেই মানের একটা হিন্দি গান আমাকে শোনান দেখি)

আকাশ-পাগলার কমেন্টে পিলাস।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: "মহিনের ঘোড়াগুলি" কিংবা "মহিনের ছাগুগুলি" দিয়ে হিন্দির সঙ্গে প্রতিযোগিতা!!!

খুব বেশি হাসি পাচ্ছে। এই মাঝরাতে সেটা করা ঠিক হবে না। তার চেয়ে বরং হে পরওয়ারদিগার, এই দুটি চুখ অন্ধ করে দাও।

৬০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৪
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:

ভাল লেখা বরাবরের মত।

ভাল আছেন, গবেষণা কেমন চলছে?
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। হা হা হা। আমাদের আবার গবেষণা! :)

৬১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: @আকাশ_পাগলা , @নুভান,

এতো উত্তেজিত হওয়ার কিছু নাই এবং স্যরি,আমি আপনাদের সাথে কোন তর্কে যাওয়ার আগ্রহ পাচ্ছিনা এই টপিক এ...
৬২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫০
রাগিব বলেছেন: অফটপিক,

সামহয়ারের গায়েবী নামহীন ব্লগার (কমেন্ট নং ৫৮) এর ব্লগ হলো
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nuvanblog

(এইটা নুভানবুয়েট না)

৩ বছর ১০ মাস ধরে নাকি লিখছে। হয় সামহয়ারের মডুদের কেউ, নতুবা সার্ভার হ্যাক হয়েছে। ইউজার নেইম এর ফিল্ড খালি। সেটা মডু বা হ্যাকার ছাড়া কারো পক্ষে দিতে পারার কথা না।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: মডুরা এই কাজ করবে না- সেটা মোটামুটি ধরে নেওয়া যায়। আমার মনে হয় ৩ বছর ১০ মাস আগে, যখন ব্লগের শুরু মাত্র, তখন হয়তো ব্লগনামের ঘরটি খালি রেখেও একাউন্ট খোলা যেতো। অবশ্য এটা সম্ভাবনা মাত্র।

৬৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১
রহমানরক্তিম বলেছেন: আপনার উপর নজর রাখা হচ্ছে
উপর্যুপরি নিয়ম ভঙ্গ করায় আপনার উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং এর ফলশ্রুতিতে আপনার লেখা সরাসরি প্রথম পাতায় প্রকাশ হবে না। আপনার লেখা কেবল মাত্র আপনার নিজস্ব পাতায় প্রকাশিত হবে। তবে মডারেটর উপস্থিত থাকলে তার বিবেচনা সাপেক্ষে আপনার লেখা প্রথম পাতায় প্রকাশ করা হতে পারে। দয়া করে ব্লগ সাইটের নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলুন।

Click This Link
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: কী কর্ছিলেন আপনি?

৬৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৮
নিশাচর বলেছেন: সহমত ।

এই নিয়ে একটি পোস্ট


Click This Link
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: পড়লাম পোস্টটা।

৬৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২১
অমাবশ্যার চামচিকা বলেছেন: একেবারে আসল কথা বলেছেন। :)
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু অচা!

৬৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১২
আমি আস্তিক বলেছেন: এইসব লইয়া ভাবার সময় কই...আপ্নের কথা খারাপ লাগে নাই...
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: খারাপ লাগে নাই, এইজন্য ধন্যবাদ।

৬৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৩
অািম বাবু বলেছেন: লেখক বলেছেন: "মহিনের ঘোড়াগুলি" কিংবা "মহিনের ছাগুগুলি" দিয়ে হিন্দির সঙ্গে প্রতিযোগিতা!!!

লেখকের এই মন্তব্য কি করে মেনে নেয়া যায়!!!!!!!!!!!! একটা মানুষ কতটা অমানুষ হলে মহিনের ঘোড়াগুলি নামের সাথে এরকম একটা নাম নিতে পারে!!!
লেখক ভাইয়ের প্রতি আমার করুনা রইলো। গান বাজনা সম্পর্কে এত কম জানা শোনা নিয়ে উনি উল্টা পাল্টা ভালোই প্রলাপ বকেছেন। ভাই দয়া করে এবার অফ যান, কারন আপনার কথা হয় না। কথা বার্তা শিখে তারপর আসেন।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন: ;) ;) ;)

চেহারা আর পোশাক-আশাকে আপনাকে গ্রাম থিয়েটারের কর্মী বলে মনে হচ্ছে। সেদিক থেকে অবশ্য "মহীনের ছাগুগুলি" ব্যান্ডের গান সম্পর্কে না জানারই কথা। যা হোক, শুনতে চাইলে এখানে যান অথবা সার্চ মারুন। সার্চ কিভাবে করবেন, সে বিষয়ে অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন এখানে-ওখানে। ব্লগে অনেকদিন পর একটা মহিনের ছাগু পাওয়া গেল!

৬৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৩
অািম বাবু বলেছেন: আপনার কথা এবারো হয় নাই। কিন্তু হাল ছাড়বেন না বন্ধু। ভালো একজন স্কুল শিক্ষকের কাছে যান, শুনেছি তাঁরা নাকি গাধা পিটিয়ে মানুষ করতে পারেন। শুভ কামনা রইলো।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: অািম ছাগু ভাই @
জান্তাম, ছাগুরা এরকমই। এদের কোনো কিছুতেই হয় না। ুন্দালেও এরা কিছু বুঝতে পারে না। আপনার ক্ষেত্রেও সেই দশা হয়েছে। ইহা স্বাভাবিক। এক্কাজ কর্তে পারেন, "জরুরি কাজে" একবার বাইরে থেকে ঘুরে আসতে পারেন!

৬৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৩
শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: ৫৪ নম্বর মন্তব্যে লেখকের প্রতি উত্তর আমার ভালো লেগেছে। বিশেষ কএ এই লাইনটা, 'জোর করে সংস্কৃতি রক্ষা করা যায় না'।

ভালো থাকবেন ভাই।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫২

লেখক বলেছেন: সেইটাই। ১২০০ বছর আগের উদাহরণ টেনে, জোরাজুরি করে কি আর সংস্কৃতি রক্ষা করা যায়? ধন্যবাদ আমিনুল।

৭০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০৬
অািম বাবু বলেছেন: ভাই, ভুল হইয়া গেছে.... নির্বোধ আর শূয়োর থেকে দূরে থাকাই ভালো কাজ বলে মনে করছি।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: সামান্য ুন্দানিতেই এই অবস্থা? ধুরো, হতাশ করলেন। :( যদিও ছাগুসঙ্গ আমি বরাবরই উপভোগ করি। ওরে, ছাগু ুন্দানোর চেয়ে বড় কিছু বলগে আর নাইরে!

৭১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: "ফুয়াদ মিলা দিয়ে ক্রিজে থাকা কঠিন"
সেটা বুঝলাম। কিন্তু নো এন্ট্রি টাইপের গান দিয়ে হিন্দী গানকে আপনি মহান করে ফেলছেন, আর মিলা ঐ টাইপ লো ক্লাস গান গাইলে আবার দুয়ো দ্যান ক্যান?

"বাংলা গানকে সব সময়েই দীনহীন মনে হয়।"
আপনি বাংলা গান শুনছেন কতটুকু?

আমাকে বলছেন যে বাংলা গানের সমৃদ্ধি পুরানো কাসুন্দি। আপনি কী আদৌ বুঝেন যে গান কী? বাংলা গান নিয়ে কাজ হচ্ছে এখন। আগে শিল্পীদের নিয়ে কাজ হত, গান না।

এখানে গান নিয়ে বোধহয় প্রথম কমেন্টটা আমারই ছিল। আপনি ঠিক মত পড়েন নি বোঝাই যাচ্ছে। ওখানে একটা কথা ছিল। "বাংলায় এখন মেটালও হয়, রক বা পপ ত্রিশ বছর আগের কথা।" এই লাইনটা বুঝেন নাই? এখানে পুরান কাসুন্দীর কী আছে????????? বাংলাদেশের কয়টা মেটাল ব্যান্ডের নাম জানেন আপনি?? না জেনেই পুরান কাসুন্দী হিসেবে চালায়া দিলেন ক্যান?এ আর রহমান আর অল্প কয়জন বাদ দিলে, কয়টা হিন্দী গানে আপনি ইন্সট্রুমেন্টের কাজ দেখছেন?কয়দিন সত্যি বাংলা গান শুনেন, দেখেন আমাদের দেশে গিটার আর ড্রামস নিয়ে সিম্পল গানেও কত কাজ থাকে।


একটা কথা মনে রাখবেন, জনপ্রিয় মানেই যে সঠিক এমনটা ভাবার কারণ নাই। হিন্দী গান সর্বগ্রাসী এখন, সবাই জানি। তার মানেই এটা ঠিক বা ভাল বা উচিত, এটা ভাবার কারণ নাই।
যেটা ঠিক সেটা সবসময়েই বলতে হবে।
একটা নির্দিষ্ট লেভেলের পোলাপানের কাছে আসেন, এরা হিন্দী শুনেনা। বাংলা গান শুনিয়ে দিবে।এমন লোক কম না।বাংলা গান শুনা পরে, বুঝতে আপনার অনেক দিন লাগবে।

আফসুস, আমাদের দেশের গান বিপাশা বসু বুক ফুলিয়ে চিত্রায়িত করে না। করলেই হয়ত আপনার ভাল লাগত।ফুয়াদ মিলা রে গালি দ্যান আর ও কামিনা গানের তালে নাচেন, এটা আপনাদেরই হিপোক্রেসি।
৭২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: আমি ৬২ নং কমেন্টের জবাবে 'মডুরা এই কাজ করবেনা, এ্টা ধরে নেয়া যায়' প্রসঙ্গে জানতে চাই..

ঠিক কিভাবে এই ধরে নেয়ায় উপনীত হওয়া গেলো? মানে মডুপালে যে ছুপা ছাগু আছে, সেটা্ কি জেনেও অস্বীকার করা হয়ে গেলো না?
৭৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৮
নুভান বলেছেন: কিন্তু কথা হলো আমার নামের সাথে গায়েবী নামের মিল কেন??? :(
আমি তো মডু না, আর কোন মডুরে চোউক্ষেউ দেখিনাই কখনো।
৭৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
কালের শপথ বলেছেন: লেখক বলেছেন: লেখায় নয়, রেখায় নয়, বক্তব্যে নয়, দেশটাই বোধহয় টিকে আছে পুরোটাই প্লাস-মাইনাসের ওপর ভর করে। #:-S :( :(
৭৫. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ড. জাফর ইকবালরে নিয়া বিগত দিনে যে পরিমান ক্যাঁচাল হইছে এবং এখনো হইতেছে, তাতে নতুন কইরা আর কথা কইতে (আগুনে ঘি ঢালতে) মন চায় না। কথায় খালি ক্যাঁচাল বাড়ে। খালি নিজের একখান পুরান পোষ্ট ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল- আমার কিছু একান্ত কথা! –এর লিংকু দিয়া গেলাম! একটু পাবলিসিটি আর একটু বিতলামী- এইতো জীবন! =p~ =p~ =p~
নেভার মাইন্ড.......
৭৬. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৪
মুনশিয়ানা বলেছেন: হিন্দি গান আর বাংলা গানের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে যে চাপান উতোর চলছে তা আমার ধারনা ভুল ট্র্যাকে চলছে। আকাশ_পাগলা বা অািম বাবু যা বলছেন এবং এর প্রতি উত্তরে ফিফা যা বলছেন-- আমার ধারনা এক পক্ষ অন্য পক্ষকে কমুনিকেট করতে পারছেন না। একটা কম্যুনিকেশন গ্যাপ চলছে, মনে হয়েছে। ক্যাচালে আমিও একটু মাথা ঢুকাই, দেখি দুই পক্ষই আমার কথা মানতে পারেন কিনা।

প্রথমতঃ বাংলা গানের একটা দীর্ঘ ট্রাডিশন আছে, গর্ব করার মত প্রচুর ভাল গানও আছে। একটা সময় সর্বভারতীয় গানের জগতে (দুঃখজনক ভাবে এর কেন্দ্রটি মুম্বাইতে, যাকে হাল জমানায় বলিউড বলা হয়) রাজত্ব করতো বাঙালীরা।

কম্পোজার থেকে শুরু করে ভোকালিষ্ট পর্যন্ত- কুন্দনলাল সায়গল যুগের পরের নামগুলো খেয়াল করুন- শচীন দেববর্মণ (ইনি ত্রিপুরার হলেও ঘরানাটা বাঙালীর) একই সাথে কম্পোজার, ভোকাল, এরপর হেমন্ত একই সাথে কম্পোজার, ভোকাল, এরপর কিশোরকুমার- ভোকাল, এরপর মান্না দে- ভোকাল, সলিল চৌধুরী কম্পোজার, রাহুল দেব বর্মন-একই সাথে কম্পোজার, ভোকাল।

এই সব বাঙালীদের সঙ্গে অবাঙালী ছিলেন মুকেশ, তালাত মাহমুদ, মহেন্দ্র কাপুর আর মোঃ রফি।কিন্তু দাপটটা ছিল বাঙালীদের। শুধু তাই না এই অবাঙালী শিল্পিরা সহ প্রথম শ্রেনীর সকল শিল্পিই প্রচুর বাংলা গান গেয়েছেন। কারন বাঙলা গান গাওয়া তখন এক ধরনের মর্যাদা হিসাবেই দেখা হতো। এই অবস্থা চলছিল মোটামুটি ৮৭ সালে কিশোর এবং ৯৪ সালে রাহুল মারা যাওয়ার পর পর্যন্ত। এরপর কিছুদিন বাপী লাহিড়ী রাজত্ব করলেও মুম্বাই তথা বলিউডে এরপর বাঙালীদের রাজত্ব শেষ হয়ে আসে।

এদিকে ৯০ এর দশক থেকে বাংলা গান নিয়ে প্রচুর পরিক্ষা নিরীক্ষা চলে- সুমন থেকে অঞ্জন এরপর আসে রক প্রধান ব্যান্ডগুলো। স্বীকার করতেই হবে মহীনের ঘোড়াগুলি অত্যন্ত উচুমানের কম্পোজিশন।

শেষ কথা হলো হিন্দি গানের সাথে আদতে বাংলাগানের তুলনাটাই হয় না। এ তুলনা অসম তুলনা, দুইটা দুই জিনিষ। এর প্রধান কারন হিন্দি গানের কমার্শিয়ালিজম। বাংলা গান একটা রাজ্যকে কেন্দ্র করে, সে তুলনায় হিন্দি গানের ব্যাপ্তি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে রীতিমতো আন্তঃর্জাতিক। গানের টিউন সংগ্রহের দিক থেকে, আবার গানের বিক্রির দিক থেকেও। আমার কাছে যদি ভাল একটা টিউন থাকে, তবে সেটা বিক্রির জন্য আমি কোথায় যাব? নিশ্চয় কোলকাতায় না, আমি যাব মুম্বাইতে।

হিন্দি গানের পিছনে যে ইনভেস্টমেন্ট হয়, তার এক পার্সেন্টও হয় না বাংলা গানের পিছনে। মুলতঃ হিন্দি গান কি? এটা সারা ভারতের সব জায়গা থেকে তুলে নিয়ে আসা সেরা টিউন গুলো। বলিউডের কম্পোজাররা যা ঘষে মেজে দাড় করিয়ে ফেলে হিট হিন্দি গান। হিন্দি গান অবশ্যই সেরা, কারন এর পিছনে আছে পাঞ্জাবি, তামিল, তেলেগু, কানাড়ি, ভোজপুরি, রাজস্থানী, বিহারি এমনকি সেরা বাংলা টিউনগুলো। বলিউড পারে লক্ষ লক্ষ টাকা এই টিউনগুলোর পিছে ঢালতে। বলিঊডের ব্রোকাররা সারা ভারত চষে বেড়ায়, বাংলা ফোক থেকে শুরু করে রাজস্থানের পেশাদার কান্নাবাজ (এরা পেশাদার কাঁদুনে, ধনী পরিবারের কেউ মারা গেলে কান্নাকাটি করার জন্য এদের ভাড়া করে আনা হয়।)দের কান্নার গান- কোন কিছুতেই বলিউডের অরুচি নাই। তার প্রোডাকশন বিশাল, তার পেটের খিদাও বিশাল। তার মার্কেট হিউজ, তার বিনিয়োগ ম্যাসিভ। সে বিচারে বাংলা গানের পরিচয় তো একটা আঞ্চলিক গান হিসাবে। বড় জোর ভাল কোন বাংলা টিউন পেলে বলিউড সেটা উচ্চমুল্যে কিনে নিতে পারে। মহিনের ঘোড়াগুলির গান (পৃথিবীটা নাকি ছোট হতে হতে) সে কি কিনে নেয় নাই? আমাদের আল্লাহ ম্যাঘ দে পানি দে কি বলিউড কিনে নেয় নাই? হিন্দিগানে প্রচুর ইংলিশ গানের সুর পাঞ্চ করা হয়েছে, এমনকি রাহুল নাকি সেই কমুনিষ্ট জমানায় প্রচুর চেক পোলিশ গানের টিউনকে ইম্প্রোভাইজ করেছে। টাকা থাকলে বিনিয়োগ করার লোক থাকলে গানা তো ভাল জমবেই। ফলে হিন্দিগানে যে জৌলুশ থাকবে সে জৌলুশ তো বাংলাগানে আমরা আশা করতে পারি না।

এখন বিতর্ক যদি হয় গানের কোয়ালিটি নিয়ে তবে বাংলাগানের একটা সমৃদ্ধ ধারা তো আছেই, সে বিচারে বাংলাগান নিয়ে অবশ্যই গর্ব করা যায়। মহীনের ঘোড়া তো রক হিসাবে অসাধারন। কিংবা ভূমি- চমৎকার কম্পোজিশন। কিন্ত ফিফা বলছেন নাচের গানের কথা- সেটা যদি মানদন্ড হয় তবে তো মানতেই হবে বলিঊড সে বিচারে কয়েকশ ধাপ এগিয়ে। বাংলাগানের সেখানে পাত্তা কোথায়?

আপনাদের ক্যাচাল কি মেটাতে পারলাম?
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: এই মন্তব্য একটি পূর্ণাঙ্গ পোস্ট হওয়ার যোগ্যতা রাখে। অল্পকথায় স্পষ্ট একটা ধারণা পেলাম। উপমহাদেশীয় সঙ্গীত নিয়ে আপনার ধারণা তো যথেষ্ট ভালো। অসাধারণ। শুধু বলে রাখতে পারি, আমি আপনার সঙ্গে ১০০ ভাগ একমত।

৭৭. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১০
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: একটা কথা কোনদিন থেকে কোন দিকে চলে গেলো।

একটা জিনিস নিয়ে ভাবি আইনস´টাইন একবার বলছিলো তার বিরোধীতার জন্য ৯৯ জনের বিবৃতি দেওনের কোনো দরকার তো ছিলো না, শুধু একজন লোক যুক্তি দিলেই তো হয়ে যেতো।

তবু আইনস্টাইন আইনস্টাইন। তারে কিছু কইলেই কি না কইলেই কি, তবু তিনি এখটা ডায়লগ দিছেন সেইটা এখনও মানুষ মনে রাখছে। হকিংরে নিয়াও অনেকে সমালোচনা করছে।

জাফর স্যার সেই পর্যায়ের না হইলেও উনি আমার কাছে সেরকমই তবে পার্থক্য এটাই উনার বিরুদ্ধে এরকম আরও ৯৯৯৯৯৯৯৯ জন পোস্ট বা বিবৃতি দিলেও উনি মনে হয় টু শব্দটা না করে নিজের কাজ করে যাবেন।

উনি নিজেই এখন একটা ইনস্টিউট। উনার ব্যাপারে বলার কিছু নাই, যখনই বলি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি এবং আফসোস হয় উনার মতো কাউকে শিক্ষক হিসেবে পাই নাই। তবে এটা নিয়ে শুধাই হয়তো দুয়েকজন শিক্ষক হয়তো এমনছিলেন যারা আন্ডারগ্রাউন্ডেই থেকে গেছেন। থাউজেন্ড ক্রোরস স্যালুটস ফর দেম!

নাচানাচি: আসলে আমরা কি ধর্মীয় দৃস্টি কোন থেকে বিচার করছি নাকি আজাইড়া? যারা এি পর্যন্ত তর্ক করলেন কেউ ধর্মীয় দিক থেকে বললেন অথচ সবাই মুসলিম এবং এর অনেকই ছাগু। হয়তোবা যারা অশ্লিলতার দায়ে দুষছেন, তারা আসলে কেমন মুসলমান রুপী মুনাফেক সেটা আল্লাহ বিচার করবেন।

এখন আসি মুক্তমনে, নোপ এটা কিছুই না। গান তো গানই। আমি মেটাল আর রক ভালো বাসি বলে মেলোডি আর ট্রেন্স কে সিসি সং বলবো এটা আসলেই হাস্যকর। আর্মিন ভ্যান বুড়েনের একটা ব্যাপার মনে পড়ে Music: Universal Religion অথাব সুফীবাদ। গান সে যে ভাষারই হোক ভালো হলে শুনতে অসুবিধা কোথায়, নাচতেই বা অসুবিধা কোথায়! আমার মেজমামা মুক্তিযোদ্ধা, সে মেহেদী হাসানের গান এখনও বলেন সুন্দর। মেহেদী হাসান যেনো কোন দেশের ছিলো? নুসরাত ফতেহ আলি খা....তার শেষ বয়সের অধিকাংশ এলবাম যেনো কোন দেশে রিলিজ হতো? ইউএস ইউকে টপচার্টে এমন অনেক গান আছে যেগুলো ল্যাটিনো ভাষার?

অথবা স্করপিয়ন্স যেনো কোন দেশের এবং তারা যেবো কতগুলো গ্রামী জিতেছে? হিন্দি গান যদি ভালো হয় এবং তা যদি সবাই পছন্দ করে তাহলে আমরা ব্লগ বাসী হাজারো হাউকাউ করলেও কোনো লাভ নাই। পরে দেখা যাবে পুরা দেশবাসী একদিকে এবং ব্লগবাসীরা আরেকদিকে। হয়তোবা দেশের মানুষ যারা ব্লগ করবে তাদেরকে বলবে সাইকোশীট!

মিলা বা ফুয়াদকে দেখি অনেকেই ঘৃণা করে, কিন্তু আমার মনে হয় তারা হিংসার আগুেন জ্বলে। তাহলে কেনইবা দেশে তাদের সিডি বিক্রি হওয়া সত্বেও ব্লগে এত বদনাম

একটা উদাহরন ডেই, মেটালে ন্যু মেটালকে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত করা হয় তারপর গ্রাইন্ডকোর। ন্যু কে মেটাল পলুশন হিসাবে মেটাল বোদ্ধারা দেখলেই গ্রাইনডকোরকে আরেকটা সাবজেনেরার চুরি ভার্সনও বলা হয়। তাহলে এটা বলাযায় এগুলো যারা গায় তাহলে তারা নিশ্চয়ই ভূয়া। কিন্তু এটা বলে রাখা যায় লিংকিন পার্ককে ও আজ থেকে ৫-৬ বছর পর রক হল অব ফেম এ্যাওয়ার্ড দেয়া হবে, তখন গ্রাইনডকোরকেও স্বীকৃতি দেয়া হবে আরও রিফাইন্ড ওয়েতে!

আসলে নিম্ন রুচি নিম্ন মানসিকতা এটাকেই বলে, যারা শুধু সমালোচনাই করে আবার এর মধ্যে দেখলাম এক সুশীলিনি জেন্ডার ইস্যুও নিয়ে আসলেন!


কই যাইরে ছোলিম!
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন সব বিষয়েই।

১. মুহম্মদ জাফর ইকবাল আসলে এমন একজন মানুষ, সরাসরি ছাত্র না হয়েও তার গুণমুগ্ধ ভক্ত আমি। এরকম আরো অনেকেই।

২. গান সে যে ভাষারই হোক ভালো হলে শুনতে অসুবিধা কোথায়, নাচতেই বা অসুবিধা কোথায়! সহমত।

৭৮. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: অথচ চুলচেরা অনুসন্ধান চালালেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে শাহজালালে একটা স্বাক্ষর দেওয়া ছাড়া জাফর ইকবালের তেমন কোনো ভূমিকা বোধহয় আবিস্কার করা যাবে না।


এই কথাটার জন্য একটা মাইনাস দিচ্ছি। কারন আপনাদের স্বাক্ষর অভিযান যে অনেক আগেই বিতর্কিত এবং এখানে কিছু পার্সোনাল মানউষের স্বারথসিদ্ধি আর সেটা করে যে এই ইস্যুতে ব হুত ফায়দা হইছে, সেটা আপানাদেরই বিচার করা উচিত।

আর জাফর স্যার শিক্ষা প্রর্যুক্তি, পুরো একটা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক জন হিতৈষী মূলক কাজ অথবা অন্যান্য একটিভিটিজের কাছে আপনেরা কিছুই না। নাথিং বাট শিটস!
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: টিকাছে। জাফর ইকবালের আমাদের কারোরই কোনো তুলনা হয় না। এটা পুরোপুরি এক অসম ব্যাপার। আমি শুধু বলতে চাইছিলাম যে, জাফর ইকবালের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য অতিকথন কিংবা তার সম্পর্কে বাড়িয়ে বলার কোনো দরকার নেই। তার অনেক অর্জন আছে। অনেক কৃতিত্ব আছে। সেগুলোই তার সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবে। এছাড়া এটাও বলার চেষ্টা করেছি যে, তাকে যেন অতিমানব বানিয়ে ফেলা না হয়।


ধন্যবাদ।

৭৯. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৪
এ.জে. মিন্টু বলেছেন: বরাবরের মতোই ধরি মাছ না ছুই পানি টাইপ পোস্ট। পল্লব মোহাইমেন কি সামুর পেইড ব্লগার?
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, সার্বিকভাবে লেখা ভালো হয় নাই।

৮০. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৩
মিহির আহমেদ বলেছেন: উদাসী স্বপ্নর উচিত আছিলো ব্লাসফেমি আইনে ফিফার বিচার চাওয়া। আপনার পয়গম্বর জাফর স্যারের বিরুদ্ধে কলম ধরছে, কত্ত বড় ছোলিম!!!
মাইনষের ঈমান আকিদার উপর এত্তবড় আঘাত?
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: প্রগতিশীলদের ঈমান-আক্বিদা যে এতে এভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে- আগে বুঝিনিরে ভাই!

৮১. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৬
রাসেল ( ........) বলেছেন:

ঘোমটার আড়ালে এইটা কেডা?

ফিফার চরিত্র হইছে জলের মতো, যে যেইদিন পাসওয়ার্ড ধার নেয়, সেইদিন তার গলাতে হালুম শুনি।

এইটা নিজের পরিচিত নিকে দিলে আরও ভালো হইতো তাই না?

ফিফা কি মাসিক পোষ্ট হিসাবে মাসোহারা পায় না কি? :-&
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: এই প্রশ্ন কেন উঠছে বুঝলাম না। ছদ্মনাম নিয়ে লেখাটা যদি 'ঘোমটা' দেওয়া হয়, তাহলে তো বাংলা ব্লগগুলোকে 'ঘোমটাপ্রেমীদের আখড়া' বলতে হয়। জাফর ইকবালকে আপনি হয়তো নবীজ্ঞান করেন, ফলে আপনার অনুভূতি আহত হওয়াই স্বাভাবিক অবশ্য! ব্লগে ধর্মান্ধদের অনুভূতিই শুধু নয়, প্রগতিশীলদের অনুভূতিও যখন-তখন আহত হয় দেখছি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৭৪৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ