আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

কৃষ্ণগহবরের কসম, পথের মানুষগুলোর দিকে একটিবার ফিরে তাকান, মাত্র একটিবার...

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৭

শেয়ারঃ
0 0

নিজের জন্য একটা সোয়েটার কিনতে যাচ্ছিলাম। পথে দেখলাম, ফুটপাতেই ভাসমান কিছু মানুষ মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনোর আয়োজন করছেন। নারী-শিশু-বৃদ্ধও আছে সেই কাফেলায়। পাঁচ-ছয় বছর বয়স হবে বোধহয়, এক শিশুকে দেখলাম বড়োদের এক জীর্ণ কোট গায়ে জড়িয়ে বসে আছে ফুটপাতের এককোণে। আধো অন্ধকারে তার কাঁপুনি আমিও স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম। কি থেকে কী হয়ে গেল, নিজেই টের পেলাম না। শুধু মনে হল, বুকের কোনো একটা জায়গা খালি হয়ে গেল হঠাৎ! কম দামে কোথায় কাপড় পাওয়া যায়, সেটা জানা ছিল। বন্ধুকে নিয়ে পকেটে যা টাকা ছিল, সবটা দিয়ে প্রথমে শিশুদের কিছু সোয়েটার কিনলাম, তারপর বড়োদের জন্য আরো কয়েকটি। ইচ্ছে হল, আরো কিনি। কিন্তু ঘরে ফেরার টাকা ছাড়া আর কিছু ছিল না মানিব্যাগে। ঘন্টাখানেকের মধ্যে সেই জায়গায় ফিরে আসি বটে, কিন্তু লজ্জা আর কাটিয়ে উঠতে পারি না। শীতার্ত শিশু আর কয়েকজন বৃদ্ধের হাতে পোশাকগুলো তুলে দেয় আমার বন্ধুটি। তখনই জন্ম হয় আরেক দৃশ্যের। মুহূর্তের মধ্যে ভোজবাজির মতো প্রচুর মানুষ ছুটে আসে সেখানে। সবাই এক টুকরো কাপড় চান শীতের ছোবল থেকে বাঁচার জন্য। ভিক্ষা দেওয়ার বেলায় এমনিতে আমি চূড়ান্ত নির্মম। কিন্তু সামান্য দূরে দাঁড়িয়েও এইবার নিজেকে শ্রেফ একটা অসহায় মানুষ বলে মনে হচ্ছিল।

প্রতিরাতে অভাবী মানুষের যুদ্ধ
খোদ এই ঢাকায় কমলাপুর রেলস্টেশন, কারওয়ান বাজার, গুলিস্তানসহ বিভিন্ন ফুটপাত ও ওভারব্রিজে লাখ লাখ মানুষ শীতবস্ত্র ছাড়াই খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছে এখন। ঢাকার বাইরে অবস্থা আরো করুণ, আরো মর্মন্তুদ। দেশের অনেক জায়গায় সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না। তীব্র শীত সইতে না পেরে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। দিনাজপুর, গাইবান্ধা, শ্রীমঙ্গলে ইতিমধ্যে কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে এই সংখ্যা আরো বাড়বে। যদিও মৃত্যুসংখ্যা দিয়ে এই শীতের তীব্রতা মাপা যায় না। শুধু বলতে পারি, এই কষ্টের ওপরে আর কষ্ট নেই। এর সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে ক্ষুধার কষ্ট। সাধারণভাবে শীতের সময় ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষের আয় কমে যায় সার্বিকভাবে। ফলে ক্ষুধা মেটানোই এখন দায় হয়ে পড়েছে অনেকের পক্ষে। আমার এক বন্ধু ফলোআপ করতে গিয়ে সেদিন দেখে অভাবী এক মানুষকে দেওয়া কম্বলটি পরদিনই তিনি ৫০ টাকায় আরেকজনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। ক্ষুধা যেখানে বড়ো, সেখানে এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ডাস্টবিন ঘেটেও হয়তো ক্ষুধা মেটানো যায়, কিন্তু শীত মানানো যায় না। কনকনে শীতের মধ্যেই এখন হু হু বাতাস আরেক উপদ্রব হয়ে উঠেছে। ফলে শীতের তীব্রতা বাড়ছে ক্রমেই। সুরম্য দালানের ভেতর বসে ইদানিং কাঁপছি রীতিমতো। অসহায় বিপন্ন মানুষের অবস্থা সহজেই অনুমান করা যায়। প্রতি সন্ধ্যায় হাঁটতে হাঁটতেই মানুষের প্রাণপণ সংগ্রাম দেখতে পাই। কিন্তু খড়কুটোতে আগুন জ্বালিয়ে কতোক্ষণ আর বসে থাকতে পারে ওরা? ছেঁড়া কাঁথা, চট কিংবা ছালা দিয়ে কতোটা আর শীত ঠেকাতে পারে তারা? আমার নিজের দেখায়, বৃদ্ধ আর শিশুরাই বেশি বিপন্ন হয়ে পড়ছে শীতে।

মানবতার অপমান!
দেশের দরিদ্র মানুষগুলো শীতের সঙ্গে প্রতি রাতেই এখন অসম যুদ্ধে লড়ে যাচ্ছে প্রাণপণ, শীতের ছোবল সইতে না পেরে তাদের অনেকে বরণ করে নিচ্ছে মৃত্যুকে, অথচ এই ঢাকাতেই বিলাসী জীবন যাপনে প্রতিদিনই ব্যয় হচ্ছে কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে একজনমাত্র সফরসঙ্গী কমালে সেই খরচে এক হাজার গরিব মানুষের গায়ে শীতের পোশাক তুলে দেওয়া যায়। সারা দেশে বিএনপির বাকি সম্মেলনগুলোর আয়োজনে যে খরচ হবে, তা থেকে সামান্য সাশ্রয় করলেও হাজার হাজার ছিন্নমূলকে শীতের অসহ্য কষ্ট পোহাতে হয় না প্রতিরাতে। এই শহরের বিত্তবানরা মাত্র একবেলা মদ না খেলে অন্তত একলাখ মানুষের একটা গতি হয়ে যায়। সংসদে একবেলা বেয়াই-বেয়াইনসুলভ অর্থহীন গল্পগুজব বাদ দিলে যে সাশ্রয় হয়, তা দিয়ে অন্তত ১০ হাজার মানুষের যন্ত্রণা লাঘব করা যায়। কিন্তু এই দেশের নাম বাংলাদেশ। এখানে কুকুরের চেয়েও অধম মানুষের জীবন। গুলশান-ধানমণ্ডি-বনানীতে পোষা কুকুরও শীতের পোশাক পায়, নিজের দেখা, কিন্তু দরিদ্র মানুষের সেই সৌভাগ্য হয় না।

একটিবার ফিরে তাকান
আপনি যখন এই লেখায় চোখ বুলোচ্ছেন, তখনও নিশ্চিত আপনার আশেপাশেই বহু মানুষ শীতের সঙ্গে অসহায় লড়ে যাচ্ছে। কৃষ্ণগহবরের কসম, পথের এই মানুষগুলোর দিকে একটিবার ফিরে তাকান, মাত্র একটিবার। কাল কিংবা পরশুর মধ্যেই। ওরা আমাদেরই লোক। আমার দেশের লোক। এদের কষ্টে রেখে আপনি ঘুমোতে পারেন না।

ছবির শিশুটির দেশের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইলে। মায়ের সঙ্গে থাকে মোহাম্মদপুরে বেড়িবাঁধে। ছবি সৌজন্য : প্রথম আলো

 

প্রকাশ করা হয়েছে: সমসাময়িক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৯
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: একটা বড় সড় আশ্রয় কেন্দ্র করে সবগুলোরে ভরা যায়।

অথবা সরকারী মসজিদগুলোতে সাময়িকভাবে ব্যবস্থা করা যায়।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: আমি কিছুক্ষণ আগে বাসায় ফেরার সময় মার্কেটের সামনে দেখলাম চটের বস্তার মতো কিছু একটা পড়ে আছে সামনের সিঁড়িতে। একটু খেয়াল করতেই দেখি, আসলে এক মহিলা চটের বস্তা মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে। মাথা ঠিক থাকে না এগুলো দেখলে। মহিলাকে একটা কম্বল কিনে দেওয়ার জন্য পাশের লণ্ড্রির এক কর্মচারীকে কিছু টাকা দিয়ে আসছি।

কিন্তু এইরকম আরো লাখ লাখ মানুষ এখন খোলা আকাশের নিচে থাকছে। শ্রেফ অসহায় লাগে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: ভাই, কিছু একটা করুন। সম্ভব হলে আগামীকালের মধ্যেই। নিজের বা পরিবারের অন্যদের পুরনো কাপড়গুলো অন্তত দরিদ্র মানুষগুলোর হাতে তুলে দিন।

৩. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৫
কাঙাল মামা বলেছেন: কোনো শীতবস্ত্রের ক্যাম্পেইন চলতেছে আপনার জানামতে?
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: অনেক জায়গাতেই বিভিন্ন সংগঠন সক্রিয়। তবে সময় আসলে কম। মানুষ সত্যিই খুব কষ্ট পাচ্ছে প্রতি রাতে। সম্ভব হলে দু একজন মিলে কিছু কম্বল কিনে বা পুরনো কাপড় তুলে দিয়ে আসতে পারেন দরিদ্র মানুষগুলোর হাতে। যেখানেই হোক না কেন।

৪. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৭
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: দলবদ্ধভাবে কিছু করার চেষ্টা করেন।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: দলবদ্ধভাবে কিছু করা গেলে ভালো হয়। তবে দলবদ্ধ কিংবা ব্যক্তিগত উদ্যোগ- যেভাবেই হোক না কিছু করতে হলে আগামী এক বা দুদিনের মধ্যে করা গেলে সবচেয়ে ভালো হয়।

৫. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৩
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: ধন্যবাদ...

ভালো একটা বিষয় সামনে আনার জন্য...
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: ইশতিয়াক, মানুষগুলোর জন্য কিছু একটা করুন।

৬. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৫
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: আসুন সকলে একটি করে হলেও শীতবস্ত্র দিয়ে অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাড়াই...............
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: প্লিজ, খুব ভালো হয় যদি আপনারা উদ্যোগ নেন।

৭. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৫
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: ব্যাক্তিগত ভাবে যতটা করার সুযোগ আছে সব সময় করারা চেষ্টা করি।



নাজমুলের সাথে একমত ।দলবদ্ধভাবে কিছু করার চেষ্টা করলে ভাল হয়।
ব্লগ থেকে শুরু হলে আরো ভালো হয়।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: দলবদ্ধ কিংবা ব্যক্তিগত উদ্যোগ- যেভাবেই হোক না কিছু করতে হলে আগামী এক বা দুদিনের মধ্যে করা গেলে সবচেয়ে ভালো হয়।

ব্লগাররা ব্যক্তিগতভাবেও চাইলে অনেককিছু করতে পারেন, আমার বিশ্বাস।

৮. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪০
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পারে এসব হতভাগ্য মানুষের এই কষ্টের পরিত্রাণ দিতে ।
ঢাবি থেকে প্রপদ নামের একটি সংগঠন শীত বস্ত্র বিতরণ করছে ।
আমাদের চবিতে ১৩ টি সংগঠন ছাত্র-ছাত্রী হতে চাঁদা তুলে , পুরনো শীত বস্ত্র সংগ্রহ করে এসকল হতভাগ্য মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করছে । আমাদের সংগঠন ''আমরা কজন''-এর পক্ষ হতে এ পর্যন্ত ৭০০ শীত বস্ত্র আর ৩০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে । অর্থের সংকট আছে । না হলে আরো অনেককিছু করার ইচ্ছা ছিল আমাদের ।
পুরো বাংলাদেশে এজাতীয় প্রচুর সংগঠন রয়েছে । ব্যক্তিগত ভাবে দিতে সমস্যা হলে আমরা নগদ অর্থ বা, শীত বস্ত্র এসব সংগঠনকে দিতে পারি ।
আমরা সকলেই পারি এসকল হতভাগ্য মানুষের পাশে দাঁড়াতে ।

আপনার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ।
আপনি সাধুবাদ পাবার মত কাজ করেছেন ।

ভাল থাকুন ।
শুভ কামনা রইল ।
ধন্যবাদ ।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: প্রপদের ঠিকানা ও ফোন নম্বর কারো জানা থাকলে মন্তব্যের ঘরে দিতে অনুরোধ করি। চট্টগ্রামে আপনারা যারা কাজ করছেন, তারা সংগঠনের ঠিকানা ও ফোন নম্বর ব্লগে দিন। অনেকেই হয়তো যোগাযোগ করতে উৎসাহী হবেন।
মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আপনি এবং আপনাদের সংগঠনগুলোকে অশেষ ধন্যবাদ জানাই।

৯. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৪
একরামুল হক শামীম বলেছেন: শীত বস্ত্র বিতরনের বেশ কিছু উদ্যোগের খবর জানি। এর কয়েকটা কাজ হয়ে গেছে। আমি নিজেও কয়েকদিন আগে একটা উদ্যোগ কোঅর্ডিনেট করলাম।

এতো এতো ব্লগার একসাথে ব্লগিং করি। ব্লগ থেকে কোন একটা উদ্যোগ নিতে পারলে ভালো হতো। অন্তত নিজেদের পুরানো কাপড়গুলোও আমরা দিতে পারি।

সদরঘাটে ৪০-৫০ টাকা করে বেশ ভালো শীতের কাপড় পাওয়া যায় ছোটদের জন্য। অনন্ত এগুলো দিলেও শীতের কষ্ট থেকে তারা বাঁচতে পারে।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, দামও বেশি নয়। আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, সোয়েটার কিংবা জ্যাকেটের চেয়ে কম্বল দেওয়াটাই সবচেয়ে ভালো। অন্য সময়ে যেমন, রাতের বেলায়ও সেটা কাজে লাগে। শত হিসেবে কিনলে কম্বলপ্রতি দাম পড়ে মাত্র ৭০-৮০ টাকা। গত পরশু রাতে আমার কয়েকজন বন্ধু নিজেদের উদ্যোগে ৫০০ কম্বল বিতরণ করেছে শীতার্ত মানুষের মাঝে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: প্লিজ শামীম, ব্লগ থেকে একটা উদ্যোগ নেন না ভাই।

১০. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৩
আমি মনির বলেছেন: কিছু একটা করা উচিৎ যত দ্রুত সম্ভব। শুনেছি সামনেই নাকি আরও বড় ধরনের শত্যপ্রবাহ (শত্য বানানটা মনে হয় ভুল হৈছে) আসতেছে। ব্যাক্তিগত যে কোন উদ্দোগের চেয়ে সমষ্টিগত উদ্যোগ অধিক ফলদায়ক। আমার মনে হয় এই ব্লগ থেকেই বড় ধরনের একটি উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: আরো ভয়াবহ শৈত্যপ্রবাহ আসছে - সেটাই ভয়। সামনে আরো অনেক মানুষ মারা যাবে বোধহয়। চলুন ভাই, কিছু মানুষ হলেও অন্তত বাঁচানোর চেষ্টা করি।

১১. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৩
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: এই লেখাটাতে কমেন্ট করতেই আবার লগিন করলাম। লেখাটা পড়ে নিজেকেও খুব অসহায় লাগছে। ঢাবি'র প্রপদ'এর কর্মীরা প্রতি শীতকালে কাপড় সংগ্রহ করতো, এখনও মনে হয় করে। সংগ্রহ করার পর বিতরণ করে। ওখানেও যোগাযোগ করা যেতে পারে। ওদের সাথে যোগ দেয়া যেতে পারে।

আপনাকে সেলুট বস। সেই সাথে বাসি নববর্ষের শুভেচ্ছা।
১২. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৪
সায়েম মুন বলেছেন: আমরা নিদেনপক্ষে যারযার পুরান কাপড়গুলো বিলিয়ে কিছুটা সাহায্য করতে পারি!
১৩. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: এ উদ্যোগের বিষয়ে একটা পোস্ট দিতে হবে।

অ্যাকটিভ ব্লগাররা কিছু কিছু সাহায্য করলেও অনেক সাহায্য হয়ে যাবে।

১৪. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৮
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
প্রগতির পরিব্রাজক দল (প্রপদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয়: ডাকসু ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মোবাইল: ০১৯১১৯৫০৩৯১ আমরা কজন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় । মোবাইল : ০১৬১৫২৭১৪৭১
১৭. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৫
অলস ছেলে বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। আল্লাহ আরও সামর্থ্য ও মানসিকতা দিন।

আমার মাঝে মাঝে কেন জানি মনে হয়, এত নির্মম সামাজিক অবিচারের পর কোন একদিন আসবে, এইসব গরীব বঞ্চিত মানুষগুলো সহ্যের শেষ সীমায় পৌছে বিল্ডিং গুলোতে উঠে আসবে দলে দলে। চুড়ান্ত অরাজকতায় পৌছে যাবে এখনকার ধারাবাহিক অরাজকতা। গতকাল দেশ থেকে আসা আত্মীয়ের কাছে শুনছিলাম, এক নেতার সন্তানের বিয়ের কাহিনী। রেডিসন এ বিয়ে, যেখানে দেশের মাথা গিয়েছেন। আরেক ফাইভষ্টারে বাসর, আরেক ষ্টারে দেড় হাজার লোকের ওয়ালিমা, খাদ্যের রাজসিক বর্ণনা শুনে বাদশা আকবরের দস্তরখানে চলে গেছিলাম। সবশুনে শেষে দু:খ আর ঘৃণা ছাড়া কিছু বোধ করিনি।
১৮. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪০
যীশূ বলেছেন: আমরা যারা ঘুরে বেড়াই তারা মিলে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছি। যদ্দুর সম্ভব আগামী ১৫ তারিখের দিকে আমরা যতটুকু পারি শীতের কাপড় নিয়ে কুড়িগ্রাম বা নীলফমারির দিকে যাবো।
১৯. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: ওদের কাছে আমরা প্রতিনিয়ত অপরাধী হচ্ছি।
২০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৬
মৈত্রী বলেছেন: ভাই, পৃথিবীতে এতোকিছু থাকতে আপনি Black Hole এর কছম দিলেন, ঘটনা কি?
পোস্টের বিষয়বস্তু আমার কাছে পরিস্কার কিন্ত শিরোনামটা ঝাপসা......
২১. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩
রাসেল ( ........) বলেছেন: কার হাতে কবে থাকে এইটার একটা লিস্টি হওয়া ভালো।

এইটা কি দৈনিক হিসাবে বদলায়, না কি যে যখন খুশী এইখানে ঢুইক্যা যায়?

ফিফা নিকটা বহুভোগ্যা হইয়া গেলো।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯০৯৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ