আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে...

দুই রাজাকার : নুরু মিয়া উধাও, মুসা বিন শমশের আকস্মিক 'মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক'!

১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৫৩

শেয়ারঃ
0 8 0

ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহবায়ক ডা. এম এ হাসান অসামান্য এক মানুষ। দিনের পর দিন অসীম ধৈর্য্য নিয়ে তিনি সংগ্রহ করেছেন যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে নানা তথ্য, উপাত্ত, প্রামাণ্য দলিল। কদিন আগে এই সবকিছু তিনি হস্তান্তর করেছেন মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ তদন্তে গঠিত ট্রাইব্যুনালের কাছে। নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রাজাকার, আলবদর ও শান্তি কমিটির সদস্যদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকাটি গুরুত্বপূর্ণ নিঃসন্দেহে। এই তালিকার ওপর নির্ভরও করা যায়। তবে একটা কিন্তু আছে!

গোটা ফরিদপুর অঞ্চল খুঁজেও শেখ হাসিনার বেয়াই বর্তমান শ্রম ও জনশক্তিমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পিতা নুরু মিয়া, যিনি একাত্তরে শান্তি কমিটির স্থানীয় চেয়ারম্যান ছিলেন, তার নাম ওই তালিকায় খুঁজে পেলাম না! ফরিদপুর জেলায় শান্তি কমিটির সদস্যদের তালিকায় দেখছি চারটি মাত্র নাম- ডা: কাজী ইমদাদুল হক, আজিরুদ্দীন খান, আনিস কাজী ও আদিল উদ্দীন হাওলাদার। তাহলে কি নুরু মিয়া ইতিমধ্যে মৃত বলে তার নাম যুক্ত করা হয়নি? সেটাই বা কিভাবে হয়! ঢাকার রায়েরবাজারের এক ঘৃণ্য রাজাকার হেদায়েত উল্লাহ, মৃত হলেও তার নাম তালিকায় এসেছে। অবশ্য এমন না যে, নুরু মিয়ার নাম না থাকায় তালিকাটি গুরুত্ব হারিয়েছে। সেটা হতেই পারে না। নুরু মিয়া না থাকলেও সেটা যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ওই তালিকায় নুরু মিয়ার থাকাটা জরুরি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই বর্তমান শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রীর পিতা হলেও তার একাত্তরের অপরাধ ম্লান হয়ে যায় না- এটা জানান দেওয়ার জন্যই জরুরি। হ্যাঁ, নিজামী-মুজাহিদ-কামারুজ্জামান কিংবা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে নুরু মিয়াকে মেলানো যায় না। ওই নরপশুদের যে অপরাধ, নুরু মিয়া সেই মাপের অপরাধীও হয়তো নয়। কিন্তু শান্তি কমিটির শীর্ষ সারির নেতা মানেই সে অপরাধী, দ্বিধাহীনভাবেই। মরণোত্তর বিচার হয়তো না হতে পারে তার, কিন্তু শান্তি কমিটির ঘৃণ্য সদস্যদের তালিকায় নুরু মিয়ার নাম গোটা গোটা অক্ষরে লেখা থাকতেই হবে। এর প্রতীকী গুরুত্ব আছে। শেখ হাসিনার বেয়াইয়ের পিতা হওয়ার সুবাদে শান্তি কমিটির এক ঘৃণ্য সদস্যের নাম কাটা গেছে বা যাবে- এমন ছোটলোকী, এমন অন্যায়, এমন জোচ্চুরি জীবনেও মেনে নেবো না। এই অপবাদ শেষ বিচারে আওয়ামী লীগের জন্যও ভালো হবে না।


ঘৃণ্য রাজাকার মুসা বিন শমশের তাহলে 'মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক'?
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায়, তখন দৈনিক জনকন্ঠে 'তুই রাজাকার' শীর্ষক এক ধারাবাহিক সিরিজে ফরিদপুরের কুখ্যাত রাজাকার মুসা বিন শমশেরের একাত্তরের ভূমিকা নিয়ে লোমহর্ষক কাহিনী ছাপা হলে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। জনকন্ঠের সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের ওপর নারকীয় হামলা চালায় মুসা বিন শমশেরের ভাড়াটে গুন্ডারা। পরে গুরুতর আহত ওই সাংবাদিকের পা কেটে ফেলতে হয়েছিল। শুরু হয় তার পঙ্গুজীবন। আরো পরে শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই ও আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ছেলের সঙ্গে মেয়ে বিয়ে দিয়ে আলোচনায় আসে মুসা বিন শমশের। ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির তালিকায় ফরিদপুর জেলার প্রধান ১৩ জন রাজাকারের মধ্যে তার নাম আছে শুরুর দিকেই। কিন্তু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর, আজ থেকে মাত্র দুদিন আগে মুসা বিন শমশের ওরফে নুলা মুসা নিজেকে রীতিমতো 'মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক' হিসেবে দাবি করে বসে আছে!

আমাদের সময়ের সংবাদটি দেখুন- 'ডেটকোর চেয়ারম্যান ড. মুসা বিন শমশের নিজেকে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক দাবি করে বলেছেন, গতকাল দৈনিক আমাদের সময়-এ প্রকাশিত ‘আওয়ামী লীগে যুদ্ধাপরাধী খুঁজছে বিএনপি’ শীর্ষক সংবাদে বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক যে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। গতকাল পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে আমার বলিষ্ঠ ভূমিকা ও নেতৃত্ব ছিল। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের একপর্যায়ে ২২ এপ্রিল পাক-হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি হই। পাক-হানাদার বাহিনী আমাক দীর্ঘ ৮ মাস আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। ৯ ডিসেম্বর কয়েদখানা থেকে মুক্তি লাভ করে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হই। বর্তমান সরকারের যুদ্ধাপরাধী বিচারের কার্যক্রমকে নস্যাৎ করার জন্য কিছু স্বার্থান্বেষীমহল এ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে বলে তিনি প্রতিবাদলিপিতে দাবি করেন।'


হায়!

---
ছবিতে বসা অবস্থায় (বাঁ থেকে) কানিজ ফাতেমা, ববি হাজ্জাই, শেখ জহরত মাহ্না, ব্যারিস্টার রাশমা ইমাম, মুসা বিন শমশের। দাঁড়ানো আছেন ব্যারিস্টার রেশাদ ইমাম, শেখ ফজলে ফাহিম, ন্যান্সি জাহরা, ব্যারিস্টার জুবি ইজ্জত, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধসমসাময়িক  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৫৯
হায় ঈশ্বর! বলেছেন: সবাইকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে হবে.
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০৭

লেখক বলেছেন: আমি আগেই বলেছি, নিজামী-মুজাহিদ-কামারুজ্জামান কিংবা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে নুরু মিয়াকে মেলানো যায় না। নুরু মিয়া সেই মাপের অপরাধী হয়তো নয়। কিন্তু শান্তি কমিটির ঘৃণ্য সদস্যদের তালিকায় নুরু মিয়ার নাম গোটা গোটা অক্ষরে লেখা থাকতেই হবে। প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই বর্তমান শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রীর পিতা হলেও তার একাত্তরের অপরাধ ম্লান হয়ে যায় না- এটা জানান দেওয়ার জন্যই জরুরি। এর প্রতীকী গুরুত্ব আছে।

আর মুসা বিন শমশের? সে তো একটা খাুকির বাচ্চা শ্রেফ। ফরিদপুরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকমাত্রেই জানেন, একাত্তরে এই কুলাঙ্গারের ঘৃণ্য ভূমিকার কথা।

২. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০২
অণুসন্ধানী বলেছেন: আসুন আমরা খুলে বসি ওয়ার ক্রাইম বেয়াই ফাইন্ডিং কমিটি।
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:১১

লেখক বলেছেন: ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি যে কাজ ইতিমধ্যে করেছে, সেটা এককথায় অসামান্য। তবে ফরিদপুরে শান্তি কমিটির শীর্ষ নেতার নাম বাদ যাওয়ায় বিস্মিত হয়েছি, তবে হতাশ নই। তাদের স্যালুট।

৩. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০২
দূর্যোধনের হাত বলেছেন: আম্লিগের কুন ড়াজাকার নাইক্কা ... যা আছে সব ভাদাকার ;)
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: আওয়ামী লীগেও রাজাকার কিছু কিছু আছে। একজন সাংসদও আছেন বলে জানা যাচ্ছে। প্রথমে জামায়াতি যুদ্ধাপরাধীদের কাঠগড়ায় তুলে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা হোক। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে যুদ্ধাপরাধী যারা আছে তাদেরও বিচার হোক। তাতে এই দুটি দলের ভাবমূর্তি নিঃসন্দেহে বহুগুণ বেড়ে যাবে।

৪. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:১১
রাহা বলেছেন: কিন্তু ওই তালিকায় নুরু মিয়ার থাকাটা জরুরি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই বর্তমান শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রীর পিতা হলেও তার একাত্তরের অপরাধ ম্লান হয়ে যায় না- এটা জানান দেওয়ার জন্যই জরুরি।
অবশ্যই
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: শেখ হাসিনার বেয়াইয়ের পিতা কিংবা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বেয়াই হওয়ার সুবাদে ঘৃণ্য কোনো যুদ্ধাপরাধীই যেন বিচার এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ না পায়।

৫. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:১৬
দূর্যোধনের হাত বলেছেন: জন্মের পর থিকা শুইনা আসা এই ঢেকির কচকচি আর এই কচকচি নিয়া রাজনীতিরে শ্যাষ কর্তেও বিচারটা জরুলি :|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: এই প্রজন্মের অনেকে হয়তো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টাকে সেভাবে অনুভব করে না। এটা প্রকৃতপক্ষে তাদের দোষও নয়। কারণ এ নিয়ে অতীতে নোংরা রাজনীতিই শুধু হয়েছে। তবে এবার আমরা আশাবাদী।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে 'ঢেকির কচকচি' বলাটা ভালো লাগেনি।

৭. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৭
ওরাকল বলেছেন: লীগ-বিএনপি বা অন্যান্য দলে থাকা যুদ্ধাপরাধীরা নিশ্বংসতা ও সংখ্যার বিচারে জামাতের ধারে কাছেও নেই। আর একারনেই লীগ-বিএনপির যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জরুরি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যেন জামাত নিধনযজ্ঞে পরিনত না হয়ে যায় তা নিশচিত করার দায়ীত্ব বর্তমান সরকারের অতঃপর আমার-আপনার প্রত্যেকের।
৮. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৭
সিউল রায়হান বলেছেন: পোস্টে প্লাস দিলাম, বেশী কিছু বলারও নেই কারণ আপনার লিখাতেই সব এসেছে........

আমি আলাদা করে আরেকটা ব্যাপার বলব, সেটা হল: আপনারা যেহেতু মিডিয়ার মানুষ তাই মুক্তিযু্দ্ধের এলিমেন্টগুলিকে বিকৃত করার চেষ্টার বিরুদ্ধে লিখুন। .........সেদিন দেখলাম একটা মশার কয়েলের অ্যাডে "এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে" ছবিটার এমন উপস্থাপন করা হয়েছে যেটা দেখলে দ্বিতীয়বার কেউ বিশ্বাস করবে না এটা মুক্তিযুদ্ধে কি অপরিসীম অবদান রেখেছিল, সে ওটাকে মশা দিয়ে তৈরী নিতান্তই একটা হাস্যকর ছবি মনে করবে......... এটা খুবই দুঃখজনক, এখনই এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সব ছবি ও গানকে অবিক্রীত করে কপিরাইট আইন প্রনয়ন করতে হবে
৯. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:০১
কঠিনলজিক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে 'ঢেকির কচকচি' বলাটা ভালো লাগেনি তবে এরচেয়ে বাস্তবসম্যত আর কোন নামও নাই।

আমাদের জন্মের পর থেকে সকল প্রকার মৌলিক চাহিদা পুরণের অধিকার আমরা ছেড়ে দিয়েছি এই পর্যন্ত বিভিন্ন বায়বীয় আবেগী ইস্যুর ছদ্দাবরনে।
বাকশাল, জাতীয়বাদ,ফারাক্কা,ফিলিস্তিন,সাদ্দাম,সালমান রুশদী,তসলিমা,করিডোর,ট্রানজিট এর মত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কে আপাতঃ দৃস্টি তে আলাদা করে দেখার মত এখনো কোন কারন ঘটে নাই।

ভাবনায় আছি কবে সে দিন আসবে (!) যে দিন ঐতিহাসিক বা বায়বীয় ইস্যু আর থাকবে না , বাংগালী দেরী তে হলেও নিজের সমস্যা কে চিনতে আর সামধান চাইতে ভুল করবে না।
১০. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:১৭
মোজাফফর বলেছেন: নুলা মুসা কিংবা প্রিন্স মুসাঃ যে রাজাকারের সম্পদ আর ক্ষমতার কথা শুনে আপনি চমকে যাবেন । পর্ব-১
পড়ুন :
http://www.nagorikblog.com/node/909
১১. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৯
হরিসূধন বলেছেন:
দেশ নেত্রী ভেগম খালেদা জিয়ার কথাই সত্য!! " শিশু এবং প্রতিবন্ধী ছাড়া কেউ-ই নিরপেক্ষ নয়।" ;) ড। এম এ হাসানেরা ভালো কাজ করেছে তবে নিরপেক্ষতা অনুযায় কাম করতে পারে নাই!:( আশাকরি তেনারা নুরা মিয়ার নাম লিপিবদ্ধ করিবেন।

শেষ কথা হইলো বহু ব্লগার বহু রেজাকারদের নিয়ে লিখেছে তবে "নুলা মুসা" কে নিয়ে তেমন কিছু কেউ লিখলো না! তবে দুই দিন আগে নিঝুম মজুমদার দা একটা লেখা পড়েছি নাগরিক ব্লগে.....
১২. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৩২
হরিসূধন বলেছেন:
যারা নুলা মুসার ৭১রের কাহিনী পড়তে চান তারা নিঝুম দা'র এই লেখাটা পড়তে পারেন

http://www.nagorikblog.com/node/909
১৩. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৫৩
দাসত্ব বলেছেন: অসংখ্য +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

বিচার টা এমন ভাবে হোক এই বিচার আমাদের জাতীয় ইতিহাসের ১ টা বিজয়গাথা , কোন ভাবেই আওয়ামী ক্লাব শোকেসের সাজানো গোল্ডকাপ ট্রফি না ।

ডাঃ এম এ হাসানের কাছ থেকে এইটা আশা করি নাই।
সেক্টর কামান্ডার ফোরাম সরাসরি আওয়ামী রাজনীতিতে জড়ায়া গেসে। তাদের কাছে এই বিচার বিষয়ক নিরপেক্ষতা আশা করা বাতুলতা মাত্র।

তবে এম এ হাসান তো সেই সব মহিলাদের কান্না শুনতে পান যারা কিসু জন্তুর কাছে ইজ্জৎ হারিয়ে জননাঙ্গ রক্তাক্ত হয়েছিলো।

যাদের বেয়নেট ছেদা মৃতদেহ কোরবানীর গরুর মতো নিষ্প্রান খোলা চোখে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলো ।

তিনিও বিবেকের শক্তি হারিয়ে ফেললেন রাজনীতির মদ খেয়ে!!!!!
১৪. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৫৪
মেকগাইভার বলেছেন: যাই কন না রে ভাই,
বউ টা পাইসে সেরকম
১৫. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:০৪
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: উপরে দেখলাম একজন ব্লগার ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে সাদ্দাম, তসলিমা, সালমান রুশদী এই টপিক গুলার তুলনা করে বলছেন "এটাকে আলাদা করে দেখার মত এখনো কোন কারণ ঘটে নাই"।

হাততালি দিতে ইচ্ছা হইল।
১৬. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
রবিনহুড বলেছেন: এই ধরনের তালিকা তৈরির আইনগত অধিকার কি ফোরামের আছে?
তারা কার অনুমতি নিয়ে তৈরি করছে?

সরকার তো নিজেই তালিকা তৈরি করছে, তাতে তাদের কি কোনো সমস্যা হচ্ছে?
সরকারের তালিকা কি তাদের পছন্দ হয় না।
১৭. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৩
সপ্নবাজ_আমি বলেছেন: ফিফা ভাই-কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা আর আমি করলে ঢং এটাই আমাদের সমাজের বর্তমান রীতি এটা আপনি জানেন না ।
১৮. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫
জাতি জানতে চায় বলেছেন: ধান্দাবাজ লোক বা গ্রুপ ছাড়া আলীগকে কোন কাজ সম্পাদন করতে দেখি না! এদেরকে ষেক্টর খমান্ডার্সই বলেন আর ওয়ার ক্রাইম ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটিই বলেন! যদি না আলীগের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা যুদ্ধাপরাধী-রাজাকরদের বিষয় গুলো সামনে না আসত, আমি নিশ্চিত এদের একজনের নামও আসত না!
১৯. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:২৫
তরু বলেছেন: হায় ঈশ্বর! বলেছেন: সবাইকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে হবে.
২০. ১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৭
ভুডুল বলেছেন: উপমহাদেশ থেকে প্রথম কোন লোক ইংল্যন্ডে যায়?
২১. ১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৮
লালসালু বলেছেন: আপনি মনে হয় রাজাকার হয়ে গেছেন।
২২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০৬
রাজীব_নন্দী বলেছেন: কুরু বংশের হয়ে যুদ্ধ করে যেমন কৌরব যোদ্ধা, পান্ডব সেনাদলে অংশ নিয়ে যেমন পান্ডব সেনানী তেমনী ৭১ এ যারাই রাজাকারের দলকে সঠিক মনে, সে অনুযায়ী কাজও করেছে (মানে আকাজ) তারা আজও রাজাকার, রাজাকার, রাজাকারই! তারা চিরকালই রাজাকার। ক্ষমা চাইলেও তারা রাজাকার। ভেক বদালালেও তারা রাজাকার। ফাঁসি হলে তো তারা নিন্দিত-মৃত রাজাকার। আর বেঁচে থাকলে সারাজীবনের জন্য ঘৃণিত রাজাকার। সে মুসা বিন শমসের আর মতিউর রহমান নিজামী যেই হোক।
২৩. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:০৯
কঠিনলজিক বলেছেন: দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: উপরে দেখলাম একজ...........।
মনে প্রাণে আশা করি আমার মন্তব্য অক্ষরে অক্ষরে মিথ্যা হোক ।
তবে এখন পর্যন্ত সত্যিকার ভাবে কিছু কি আপনি পাইছেন যাতে বিশ্বাস করা যায় যে এটা রাজনৈতিক গেমের বাইরে কিছু হইতে যাইতেছে?
একটু পয়েন্ট টা খোলাসা করবেন? কেন আপনি বিশ্বাস করতেছেন যে সত্যি এবং সঠিক বিচার হতে যাচ্ছে? কেন মনে হচ্ছে এটা একটা মুলা না? কিসের বা কার ভরসায় আপনি কিভাবে কখন আস্বস্থ হলেন?
২৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১৬
দেবজিত বলেছেন: দেখবেন বিচার হবেনা। হলেও সরকার পাত্তা পাবেনা। কারন সরকারের মধ্যই ষড়যন্ত্রকারীরা ঢুকে পড়েছে।
২৫. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:১৬
ট্রয়লাস অফ দ্য সী বলেছেন: আপনি মনে হয় রাজাকার হয়ে গেছেন।
২৬. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫২
হাম্বা বলেছেন: হায় ঈশ্বর! বলেছেন: সবাইকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে হবে.
২৭. ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:১৮
সুধাসদন বলেছেন: সাবেক ধর্মমন্ত্রী নুরুল ইসলাম, সাবেক পাটমন্ত্রী একে ফয়জুল হক, মীর্জা আযমের বাবা ওরফে শায়খ আব্দুর রহমানের শ্বশুর মীর্জা আবুল কাশেম-এদের নাম তালিকায় আছে কি?

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫০৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
উঠবোই, পাহাড়টা ওই...

localtalk[অ্যাট]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ