তোমায় আমি_____
গড়তে চাইনা, পড়তে চাইনা, কাড়তে চাইনা, নাড়তে চাইনা, ফুলের মত পাড়তে চাইনা
চাইছি তোমার বন্ধুতা____
উটকো লোকে_____এই সুযোগে
তালমিলিয়ে, বিশ্রিকথা কাটবে জুড়বে, নিজের জালায় নিজেই পুড়বে
পড়ুক তারা_____তুমি আমি পুড়ছিনা
তোমায় আমি____
জ্বালতে চাইনা, ঘালতে চাইনা, চালতে চাইনা, পালতে চাইনা, কদর্জতায় ঢালতে চাইনা
চাইছি তোমার বন্ধুতা____
সুমনের এই গানটা শুনতে শুনতে মনটা কেমন উদাস হয়ে গেল। মনে পড়ে গেল__________
ক্লাস নাইনে মনিটর হবার পর বান্দরগুলানরে চুপকরায়ে রাখতে গিয়া বোর্ডে ঐগুলানের নাম লিখা রাখতাম। প্রতিদিন শুরুতে ইভার নাম থাকত(আমার বান্দর দোস্ত)। মনা, জিনা, রুমা আর সূচী।
স্কুলের গাছ থেকে আম, জামরুল, বরই পাড়া আর বোরিং টিচারদের ক্লাস ফাকি দিয়ে একলগে আড্ডা দেওন আমাগো রোজনামচা হলেও আমরা অতটা ক্লোজ ছিলামনা।এইভাবে এসএসসি পারকরে কলেজে ভর্তি হতে গিয়ে দেখি সবগুলানই কেমনে কেমনে গার্লস কলেজে ভর্তি হইছি শুধু রুমা ছাড়া।
আমরা নিজেগো নামের আদ্যাখ্যর দিয়া আমাগো নিক বানাইলাম "ইসুমজিজু"।
আমাগো কাম আছিল টিচারগো নামকরণ করা (টাকওয়ালা স্যারের নাম দিলাম বালিউড, লজিকের স্যার ভুল পড়াইত।তার নাম দিলাম আলেকজান্ডার বো
ঢাকা বোর্ড থেকে আমাদের নতুন প্রিন্সিপল আসল---তাসাদ্দাক হোসেন। এমন বিটলা আসিল,,, য়ুনিফর্ম না পরে আসলে কলেজে ঢুকতে দিতনা।
২য় বর্ষে চট্টগ্রাম থেকে এক স্যার আসল। পুরা লুল
এরকম আরো কতশত মজা। একবার আমি আর ইভা পেয়ারা পেড়ে প্রায় ধরা পড়তে পড়তে বেচে যাই। সে আর এক কাহিনী।
তোদের খুব মনে পড়ছে রে। মনে পড়ছে মধুর দিনগুলি। একদিন আমরা অনেক দূরে চলে যাব। কিন্তু স্মৃতিগুলি রয়ে যাবে। কত রাগ অভিমান। তারপাও আমরা বন্ধু।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



