২০০৩ এ বাড়ি ছেড়েছি,,,সেই সাথে ছেড়েছি সরলতা বেছে নিয়েছি শহুরে জটিলতা। ৬বছর কাটালাম ঢাকাতে। দেরিকরে ঘুম থেকে ওঠা,সময়মত নাস্তা না করা, সব কিছু অগোছাল করে রাখা--এই গুলাই আমার জীবনের অংশ হয়ে গেছে।প্রথম প্রথম ১৫দিন পরপর বাড়ি যেতাম, তারপর ৬ মাস। আর এখন? গত কোরবানীর পর আর বাড়ি যাওয়াই হয়ে ওঠেনি।
আজ বাড়ি যাচ্ছি।
দেখিতো চেষ্টা করে সেই আগের আমি হতে পারি কিনা? ভোরবেলা ঘুম থেকে জাগা,,পাখির কিচিরমিচির শব্দ, শীতের সকালে খেজুরের রস আর সকালবেলা শিশির ভেজা ঘাসে পা জড়ানো---উফ্ সে এক অদ্ভূদ অনুভূতি। অনুভব করা যায় শুধু বোঝানো যায় না।
ফেলে আসা দিনগুলি খুব করে মনে পড়ছে।কতদিন মায়ের আচলে মুখ লুকাইনা। এখন তো বড় হয়ে গেছি তাই হয়ত আর আচলে মুখ লুকানো হবেনা। তবে একটা মানুষ আমার জন্য অপেক্ষা করে।যার আচলটা শুধু আমার মুখ লুকায়ে কাদার জন্য---আমার নানি।আমি বাসায় গেলে এত সুন্দর করে ১টা হাসি দেয় মনটা ভরে যায়। ডাক্তার বলেছেন--এমন করে নানি আর কিছুতে হাসেনা।
আমার আব্বুও অনেক মজার মানুষ। আমি বাসায় গেলে নাকি সে কার্ড খেলা শেখাবে।
কিন্তু আমি প্রথমে ছেটাখালামনির বাসায় নামব। ওকে ওতো একটু জ্বলাতন করা লাগে
আমার কাজইতো সবাইকে অস্থির করে রাখা।
কি মজা নিজের হাতে ভাত খাইতে হবেনা।
মনটা কেমন খারাপ খারাপ ভাল হয়ে আছে। আমরা ২ ভাইবোন বাসা থাকিনা তাই বাসার পিসিটাও নাই। বলগামু কেমনে
তারপর ও বাড়িতে যাচ্ছি________________
এইটাই আনন্দ_____________
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

