
সংক্ষিপ্ত প্রোফাইল :
১। নাম : লূৎফুজ্জামান বাবর
২। পিতার নাম : একে লূৎফূর রহমান (ম্রিত)
৩। ঠিকানা : ভাদেরা গ্রাম , নেত্রকোনা
৪। বর্তমান ঠিকানা : সিলভার ম্যাপল , কনকর্ড , ফ্ল্যাট নং - ই-১৬,গুলশান-২
৫। শিক্ষাগত যোগ্যতা : শোনা গেছে এইচ এস সি ..
৭। পাসপোর্ট নম্বর : w-0526422 (এই পাসপোর্ট নাম্বার যা দিয়া দেশে বিদেশে এই লোক ঘুরে বেরাইছে এবং সিরিজ বোমা হামলা সহ দেশে জংগীবাদের উত্তানের জন্য কো-অরডিনেট করছে)
৮। ক্যারিয়ার :
১৯৮৪ সালে চোরারচালানী হিসাবে আত্মপ্রকাশ তার পর ক্যাসিও গড়ির ডিলারশিপ নেয় । এই গড়ি আমদানীর সাথে সোনা চোরাচালানও করত ।
১৯৯১ সালে বিএনপির প্রার্থী হিসাবে আত্মপ্রকাশ । তখন থেকেই তারেক রহমানের সাথে ঘনিষ্ঠতা গরে ওঠে ।তারেকের আশির্বাদে ২২ টা প্রতিষ্ঠানের বোর্ড ওফ ডিরেক্টর মেম্বার হয় তার মধ্যে Mrs masters electronics industries ltd, mrs.master multiple Industries ltd, master garden apartment ltd,mrs zebra electronics ltd,mrs aro international, mrs vai vai enterprise উল্লেখযোগ্য ।
* বসুন্ধরা গ্রূপের প্রোকৌশলী সাব্বির হত্যা মামলার আসামীদের অব্যাহতিদেবার জন্য ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেয়ার অভিজোগে রমনা থানায় একটা মামলা আছে । মামলা নং- ১০ , তারিখ : ০৪/১০/০৭ । ধারা - ১৬১/১৬৫,১৫৬-ক ও দূর্নীতি প্রতিরোধ আইনের (২) ধারায় রজ্জু হয় । তদন্ত শেসে বাবরা সহ আরো ৮ জনের নামে দাখিল হয় , অভিযোগপত্র নং ২০০ তাং ২৪/০৮/০৮ ।
০৪/০৭/০৭ তারিখে বসুন্ধরাগ্রূপের ১০৬ নং ফ্ল্যাটে খুন হয় । অভিজোগ দাখিলের পরে সি আইডি মনিটরিং সেল/১৮০(১৫) তাং ১২/০৭/০৬ এ মুলে বাবরার সভাপতিত্বে মনিটরিং সেলে ৮ নং সিরিয়ালে অন্তর্ভূক্ত করে ১৬/০৭/০৬ এ সভা ডাকে ।
সিআইডি স্মারক নং প্রশাশন জি/এ/৫৬-২০০২/৭৯৪(১২)/১(১) তাং ৩০-০৭-০৬ তে দেখা যায় আলোচ্য মামলার আলোচনা সভা সিরিয়াল পিছিয়ে ১৪ নং করে বাবরার সময়ের অভাবের কারনে ।মনিটরিং সেল এ মামলা আলোচিত না হলে ডিএমপি পুলিশ বা বিভাগীয় কর্মকর্তারা মামলার ডাইরেকশন না পেলে কাজ স্হগিত হয়ে যায় ।
এ অবস্হায় শাহআলম সাহেব হাতিয়ার বিএনপি এমপি('৯১) র মাধ্যমে তারেক রহমান ও বাবরার সাথে যোগাযোগ করে ২০০৬ এর অগষ্ট এর ৭ ও ৮ তারিখে সন্ধ্যার পর ৩৯/এ বেইলি রোডে বাবরার সরকারী বাসভবনে তারেক, বাবরা ও ইষ্ট ওয়েষ্ট প্রা : লি : এর পরিচালক আবু সুফিয়ান সহ পর পর দুদিন বৈঠকে মিলিত হয় । এইখানে বাবরা ১০০ কোটি টাকা দাবি করে সানভিরকে সাব্বির হত্যা থেকে বাচানোর জন্য । এখানে ৫০ এ ডিল ফিকক্স হয় । সুফিয়ানকে ক্যারিয়ার হিসাবে নির্বাচিত করা হয় ।
অতপর ইষ্ট ওয়েষ্ট প্রোপার্টিজ এর হেড অফিস হতে সোবাহানের ব্যাক্তিগত গাড়ীতে করে ড্রাইভার আলমগীরকে নিয়ে
১৩-০৮-০৬ ভাউচার নং ৪৫৭৮ - এক কোটি
১৪-০৮-০৬ ভাউচার নং ৪৭৬৬ - এক কোটি
১৭-০৮-০৬ ভাউচার নং ৫০৫৫ - এক কোটি
২০-০৮-০৬ ভাউচার নং ৫১৭৪- এক কোটি
২১-০৮-০৬ ভাউচার নং ৫২৩২ - এক কোটি
২২-০৮-০৬ ভাউচার নং ৫৪৪৮ - এক কোটি
করে মোট ৫ কোটি টাকা ভিন্ন ভিন্ন তারিখে নগদ বাবরা বুঝে নেয় এবং বাবরার আদেশে অতপর ২৮-০৮-০৬ তারিখে ১ কোটি টাকা তারেক রহমান কে দেবার জন্য হাওয়া ভবনে যায় । সেখানে তারেকের নির্দেশে অপুর কাছে দেয় । এই টাকা অপুর গারিতে দেয় যেটা গ্যারেজে রাখা ছিল । অপু তারেকের এপিএস- মিয়া নুর উদ্দিন অপু ।
এর পর সুফিয়ান আলমগীর ও তার সহকারী ক্যাশ অফিসার আবুল হোসেন কে নিয়া এই মামলার আসামী আবু সুফিয়ানকে ব্যাংক এশিয়ায় একাউন্ট নং - ০০৩৩৩০০৫৫৫৩ তাং ২৩-০৮-০৬ তে ৩৩৭০২৩৮১ নং চেক এ ৭০ লাখ টাকা দেয় ।
আরো - ৩৩৭০২৩৮১ চেক এ ৭০ লাখ
৩৩৭০২৩৮২ চেক এ ৭০ লাখ
৩৩৭০২৩৮৩ চেক এ ৬০ লাখ
৩৩৭০২৩৮৪ চেক এ ৫০ লাখ
৩৩৭০২৩৮৫ চেক এ ৭৫ লাখ
৩৩৭০২৩৮৬ চেক এ ৭৫ লাখ
টাকা ২৩-০৮-০৬ এ দেয় ।
আর ২৪ তারিখে দেওয়া চেকের লিষ্ট :
৩৩৭০২৩৮৭ চেক এ ১কোটি ৬০ লাখ
৩৩৭০২৩৮৮ চেক এ ১ কোটি ৪০ লাখ
২৭ তাড়িখে ::
৩৩৭০২৩৮৯ চেক এ ৭০ লাখ
৩৩৭০২৩৯০ চেক এ ৮০ লাখ
৩৩৭০২৩৯১ চেক এ ১ কোটি ৫০ লাখ
২৮ তারিখে
৩৩৭০২৩৯২ চেক এ ৭০ লাখ
৩৩৭০২৩৯৩ চেক এ ৮০ লাখ
৩৩৭০২৩৯৬ চেক এ ৪৫ লাখ
৩৩৭০২৩৯৭ চেক এ ৩০ লাখ
৩৩৭০২৩৯৮ চেক এ ৩৫ লাখ
৩৩৭০২৩৯৯ চেক এ ৪০ লাখ
২৯ তারিখ :
৩৩৭০২৩৯৫ চেক এ ১ কোটি
এর পর ১৩-০৯-০৬
৩৩১৫২৮২০১ চেক এ ৫০ লাখ
৩৩৭০২৪০০ চেক এ ৭৫ লাখ টাকা
মোট ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা নেয় । সব চেকে সুফিয়ান নিজে সাইন করে । নগদায়নক্রিত ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা হতে গত
২৩-০৮-০৬ তারিখে প্রাইম ব্যাংক মতিঝিল শাখায়- ২ কোটি টাকা
২৪-০৮-০৬ তারিখে প্রাইম ইসলামিক ব্যাংকিং শাখা দিলকুশায়- ১ কোটি ৫০ লাখ
এবং প্রাইম ব্যাংক মতিঝিল শাখায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা
২৭-০৮-০৬ তারিখে প্রাইম ব্যাংক এলিফ্যান্ট রোড শাখায় ১ কোটি ৫০ লাখ
এবং প্রাইম ব্যাংক বৈদেশিক বিনিময় শাখায় ১ কোটি ৫০ লাখ
২৮-০৮-০৬ তারিখে প্রাইম ব্যাংক নিউ ইস্কাটন শাখায় ১ কোটি টাকা
প্রাইম ব্যাংক পান্থপথ শাখায় ১ কোটি টাকা
২৯-০৮-০৬ তারিখে প্রাইম ব্যাংক ধানমন্ডি শাখায় ১ কোটি টাকা
প্রাইম ব্যাংক বনানি শাখায় ১ কোটি টাকা
১৩-০৯-০৬ তারিখে প্রাইম ব্যাংক মতিঝিল শাখায় ১ কোটি
মোট ১৫ কোটি টাকা বাবরার নির্দেশে কাজী সলিমূল হকের একাইন্টে জমা হয় ।
বাবরা আগস্টের এক রাতে সলিমুল হককে বেইলি রোডের বাসায় ডেকে নিয়ে এক কোটি টাকর একটা ব্যাগ দেয় জমা রাখটে বলে এবং আরো টাকা জমা রাখতে হবে বলে আদেশ দেয় ..এর পরে আরো ৪ কোটি টাকা দেয় সলিমুলের বাসায় পৌছায় দেয় । এই ৫ কোটি রাখার পর বাকি টাকা পে অর্ডারের মাধ্যমে জমা দিতে বলে । অতপর ব্যাংক এশিয়ার একাউইন্ট নং ০০৩৩৩০০৫৫৫৩ এর বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে মোট ২০ কোটি টাকা জমা দেয় (চলবে).....
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


