গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ড.আসিফ নজরুল বলেছেন, “সাঈদী ৭১ এ যুদ্ধাপরাধে কোন ভাবেই জড়িত ছিলেন না,কারণ তিনি তখন কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত ছিলেন না”।.
ড.আসিফ আরো বলেন, সরকার আল্লামা সাঈদীকে হয়রানি ও হেনস্থা করতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে আটক রেখেছে ।--- ভাই আপ্নারাই বলেন কেমনে বিচার হবে ? একজন পিএইচডি করা লোক এই কথা বলছে - তিনি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান ! আপনারাই বলেন সরকার কিভাবে যুদ্ধাপরাধের বিচার করবে ?... ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান যদি বলে এই কথা তবে ট্রাইবুনালের অবস্থাটা কি হয় ???
কিন্তু একজন লোক যে পিএইচডি করেছে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সে কেন এই কথা বলছে ? – এই প্রশ্নের উত্তর খুজলে যা পাই তা হল ঃ
ড:আসিফ নজরুল এর আরো পরিচয় আছে । উনি ১৯৯২ সালে এই সাঈদীদের বিরুদ্ধে গঠনকৃত গণআদালতের একজন আইনজীবি ছিলেন । তাইলে এখন কেন সাইদীর দালালী করছেন তিনি ? আসল কথা হল নামের আগে ঐ ড: শব্দটি এবং ঐ প্রাচ্যের অক্সফোর্ডের আইন ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যানী চেয়ার !
একটা বেশ্যা তার শরীর বিক্রি করে পেটের জ্বালায় । অভাবের তারনায় । কিন্তু আসিফ নজরুল ? উনি একজন অসম্ভব স্বার্থপর এবং অতিনীচ একটা প্রানী । এ ডার্টি এনিম্যাল ,যার জাতী , দেশ ,মা ইত্যাদী এই সমস্ত বোঝার মত ইন্দ্রিয়ের বিকাশ ঘটেনি । তাই তিনি একটা শব্দের কাছে সব বেচে দিয়েছেন । উনি ঘাতকদালাল নির্মূল কমিটির অফিসে শাহরিয়ার কবীরের কাছে এসে হাউ মাউ করে কেদে মাপ চেয়েছিলেন , কিন্তু ঊনাকে মাফ করা হয়নাই । আজও । অবশ্য তাতে তার কিছু যায় আসে না । সে আসলে মাফ চাইতে গিয়েছিল কিনা সন্দেহ আছে আমার । বেঈমানীর অপরাধের অজানা ভয় থেকে তারিত হয়ে সে গিয়েছিল , ভয়টা উপশম করার জন্যে ।
এখনই যুদ্ধাপরাধের ট্রাইবুনাল বন্ধ করা হোক । আসুন আমরা সবাই মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের সকল লোকজন গণআত্মহত্যা করি । আরো ভাল হয় আসিফ নজরুল কে সামনে রেখে গোলামের বাড়ীর সামনে গিয়ে গনআত্মহত্যা করি । আমরা মরে যাই । বাংলাদেশের কোটি কোটি চেয়ার ফাকা হয়ে যাক । সব চেয়ারের চেয়ারম্যান কেদারাম্যান হোক আসিফ নজরুল এবং সেথায় বসিয়া তিনি তার ড : ডিগ্রিদাতা বিশ্বনিরপেক্ষ গোলামকে সেজদা করুক পূজা করুক আরতী করুক ।
রাজাকার আলবদরদের তবুও একটা গ্রাউন্ড ছিল । পার্শিয়াল ছিল তারা । কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের এত বছর পরে এই আসিফ নজরুল ? এটা কি জিনিষ ?? ! কি চীজ রে বাবা !
একটা ড: ডিগ্রির জন্যে যদি আ.নজরুল এইসব কইয়্যা বেরাবার পারে তাইলে ৩০ লক্ষ্য শহীদদের যারা আমরা আমার নিজের ঘরের মানুষ জানি, আমাদের কি করা উচিত ?? আসিফ নজরুল থু দেই তোর দুই গালে ।
আসলে এইসব কথা বার্তা বলে জামাতীদের একটা সূক্ষ্ম ব্যাপার আছে । তা হল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকদের টর্চার করা। ঐ বেয়াদব এইসব যখন বলে আমাদের ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায় , ডিপ্রেশন বেড়ে যায় । আমরা কষ্ট পাই । চোখের সামনে ভেসে ওঠে লক্ষ লক্ষ লাশের ছবি । ওরা যানে , আর তাই এইভাবে আমাদের নিংরানী দিয়ে কষ্ট দেয় ।
যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ করে দেয়া হোক , আসুন আমরা সবাই গণআত্মহত্যা করি । - আমার দেখতে ইচ্ছে করছে আসলেই যদি এমন কিছু ঘটত তবে এই আসিফ নজরুলদের মুখের এক্সপ্রেশন কেমন হত ? তবু তোরা এই যাতনার থেকে মুক্তি দে । আমাদের শহীদদের বলিদান কে আমাদের চোখের সামনে চ্যাট দ্যাখাইস্না ।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


