আমার প্রিয় পোস্ট
- লাতিন ভাষার সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত - ইমন জুবায়ের
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- আমার দেখা প্রিয়/সেরা ছবির তালিকা...ডাউনলোড লিংক সহ..
- রিদওয়ান
- জিডি করার নিয়মাবলী - ব্লগ ৪১৬
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- Sultan of Brunei-র বিলাসিতা দেখুন!!!!(এদের উপর আল্লাহর গজব পড়ে না কেন)পর্ব -১ - ওপেল
- ওয়েবে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলা ব্লগের লিস্ট এর সংকলন - রাহা
- ইলাস্ট্রেটর টিউটোরিয়াল ০২: নিয়ন লাইটের ইফেক্ট - ফয়সাল রকি
- পার্টটাইম কাজ হিসাবে বেছে নিতে পারেন শেয়ার ব্যাবসা - এস আই শান্ত
- যে প্রশ্নগুলোর গ্রহনযোগ্য জবাব না পেয়ে আমি নাস্তিক - নাগরিক
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- একটি চরম বাটপাড়িমূলক পোষ্ট!!! - জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ(উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা এবং উইন্ডোজ সেভেন)। - নির্ভয় নির্ঝর
- প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কিছু ভুল ধারণা
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
তৈরী করুন আপনার পছন্দের এনিমেটেড বাংলা শব্দ
- নিরব হাসি
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কীভাবে বই বের করবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- দ্রুত ডাউনলোড করুন- প্রায় ১ জিবি ফাইল মাত্র ১৫ মিনিটে !! - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- কম্পিউটারের ফ্রি টিপস(একসাথ+Update) - ০০৭৭৭৭৭
- বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা – ২ - এস. এম. রায়হান
- সবাই কি আর লিখতে পারে! জলে? - শিমুল সালাহ্উদ্দিন
একজন আহমেদিনেযাদ
০৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মঞ্চে দাঁড়িয়ে পাঁচটি ক্ষমতাধর দেশের ভেটো ক্ষমতাকে 'যুলুম' বলে ভাষণ দিলেন আহমেদিনেযাদ; সেইসব দেশের প্রতিনিধিরা তখন তাঁর বক্তৃতার বিপক্ষে 'ভেটো' দিতে যান নি, বরং কেউ কেউ চাপা ক্ষোভে মাথা নিচু করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। এ ভেটো ক্ষমতা কতোখানি অন্যায়, অযৌক্তিক আর নিষ্ঠুর ব্যাপার তা বুঝবার জন্যে আইনবিদ হবার দরকার নেই, কেননা দুনিয়ার চোখের সামনে মধ্যপ্রাচ্যের বুকের ওপর উড়ে এসে জুড়ে বসা ইসরাইলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নির্লজ্জের মতো একাধারে প্রায় চল্লিশবার এ ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে। তা না হলে ইসরাইল টিকতো না, সারা পৃথিবী এই পাতানো রাষ্ট্রের বিপক্ষে ছিলো উচ্চকণ্ঠ। তাতে লাভ হয় নি, সাম্রাজ্যবাদ তার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাকে স্রেফ প্রতিবাদের মুখে নস্যাৎ হয়ে যেতে দিতে পারে না। ফলে টিকে যায় ইসরাইল এবং তার কিছুদিনের মধ্যেই বিশ্বমুসলিমের প্রাণস্পন্দন বাইতুল মুকাদ্দাসে আগুন ধরিয়ে দেয় এই দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র। পরিণামে তৈরি হয় ওআইসি, আরব দেশগুলো একত্র হয়ে বাধ্য হয় যুদ্ধ ঘোষণা করতে। কিন্তু ইঙ্গ-মার্কিন মদদে হারতে হয় আরবদের। সেই ইতিহাস স্মরণ করে অদ্যাবধি ইসরাইলের চালিয়ে যাওয়া মানবাধিকারবিরোধী অপরাধগুলি খতিয়ে দেখলে সহজেই উপলব্ধি করা যায় আজকের বিশ্বে "ইসরাইলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা উচিত" এই সাহসী উচ্চারণটির জন্যে একজন আহমেদিনেযাদের কতোটা প্রয়োজন।
গত ১২ জুনের নির্বাচনে ৬৩ শতাংশ ভোট পেয়ে ফের জয়ী হয়েছেন মাহমূদ আহমেদিনেযাদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মীর হুসেইন মুসাভি পেয়েছেন ৩৫ শতাংশ ভোট। ইরানের আশির দশকের দীর্ঘ সময়কার প্রধানমন্ত্রী মুসাভির জনপ্রিয়তার তুলনায় তাঁর প্রাপ্ত ভোটের হার স্বাভাবিকের চেয়ে কম মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারচুপির অভিযোগে ঘোষিত ফল বাতিলের দাবি উঠেছে। অপপ্রচার ও অতিপ্রচারের দায়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অনলাইনে দেখা গেছে 'আমার ভোট কোথায়' ইত্যাদি লেখা প্ল্যাকার্ড ও বিক্ষোভের ছবি ও ভিডিও চিত্রের ব্যাপক ছড়াছড়ি। তবু ধরে নিয়েছিলাম এসবই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নির্বাচনোত্তর স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। আমার নিজের দেশেও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতামত উপেক্ষা করে স্থূল কারচুপির অভিযোগ ওঠে। তার ওপর ইরানে আন্তর্জাতিক কোনো পর্যবেক্ষক ছিলেন না। ফলে নির্বাচন কতোটা সুষ্ঠু হয়েছে তা বাইরের কারো পক্ষে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। যা সম্ভব তা হলো একজন সৎ, কঠোর আদর্শবাদী ও অসম সাহসী দেশপ্রেমিক নেতা হিসেবে আহমেদিনেযাদের বিজয় সম্পর্কে আশাবাদী হওয়া।
কিন্তু গত রোববারের একটি ঘটনার খবর পড়তে গিয়ে পত্রিকার পাতায় চোখ আটকে গেলো। রীতিমত হকচকিয়ে গেলাম। বিক্ষোভ মিছিল থেকে আটজন ইরানস্থ ব্রিটেন দূতাবাসের কর্মকর্তা আটক হয়েছে। অথচ বিক্ষোভে ইরানী কর্তৃপক্ষের পশ্চিমা উস্কানীর দাবিকে ওবামা-মার্কেল-ব্রাউনরা বরাবর অস্বীকার করে আসছিলেন। যদিও তাঁদের বিবৃতিগুলো উল্টো সাক্ষ্য দেয়। ২১ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বললেন, ইরানী জনগণকে তিনি জানাতে চান যে ইরানের পরিস্থিতি তাঁরা পর্যবেক্ষণ করছেন এবং এ আন্দোলনে ইরানী জনগণ একা নয়। এই 'একা নয়' কথাটি তাৎপর্যপূর্ণ, বিক্ষোভে পশ্চিমা ইন্ধন ফাঁস হবার পর আমরা বুঝতে পারছি যে ওবামা আক্ষরিক অর্থেই সত্য বলেছেন। কেননা দাঙ্গার পেছনে সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোর দূতাবাসের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা ছাড়াও প্রচারমাধ্যমের অতি-আগ্রহ ও পক্ষপাতমূলক অপপ্রচার বেশ নগ্নভাবেই চোখে পড়ছে। যুক্তরাজ্যের মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দায়ী করে ইরান সরকার বলেছে, এর নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যমগুলোয় মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে। ২১ জুন ইরান থেকে বহিষ্কার করা হয় বিবিসির সংবাদদাতা জন লাইনকে। একই অভিযোগে এ যাবৎ ২৩ জন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। উদ্বেগের ব্যাপার বৈকী!
আরো একটি ব্যাপার রহস্যময়। নির্বাচনের ফল নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিলেও প্রথমদিকটায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে নি এবং তার ততোটা আশংকাও ছিলো না। সহিংস হত্যাকাণ্ড শুরু হলো এর তিনদিন পর। প্রতিক্রিয়ার এ অস্বাভাবিক পরিণতি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে যে নেপথ্যের চক্রান্তকারীরা জনগণকে প্ররোচিত করতেই এ সময় নিয়েছে কি না।
বিশ্ব-অর্থনীতির এক প্রধান প্রভাবক খনিজসম্পদসমৃদ্ধ ইরান বর্তমানে সাম্রাজ্যবাদের সবচে' বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষত একরোখা আহমেদিনেযাদ পরাশক্তিগুলোর সকল অবরোধের হুমকিকে সমানে আঙুল দেখিয়ে চলেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের আত্মবিক্রীত একনায়কদের বিপরীতে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা রক্ষা ও সামরিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে ওঠার অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একলাই লড়ে যাচ্ছেন অবিচল। ওরা বিলক্ষণ ঠাহর করতে পারছে যে ইরানের পরমাণু শক্তিধর হয়ে ওঠার অর্থ হলো বিশ্বব্যবস্থার মোড় ঘুরে যাওয়া, মার্কিন বিশ্বায়নের নকশা বাতিল হয়ে যাওয়া এবং মুসলিম দেশগুলোকে শোষণ ও নিয়ন্ত্রণের অবসান। কাজেই ইরানকে থামাতেই হবে। অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কায় আপাতত যুদ্ধ ঘোষণা করা না গেলেও সাম্রাজ্যবাদ যে কোনো ছুতোয় অস্থিতিশীলতা তৈরি করে ইরানে একজন তাবেদার শাসককে ক্ষমতায় বসাতে চায়। ১৯৭৯-র ইসলামী বিপ্লবের আগে দেশটি যেভাবে তিরিশ বছর ধরে সিআইএ ও মোসাদের নিয়ন্ত্রণে ছিলো, সেই সময়কে তারা ফিরিয়ে আনতে চায়। কিন্তু হতাশার ব্যাপার হলো, ইরানে এখন আর কোনো রেজা শাহ পাহলভী খুঁজে পাওয়া যাবে না। আজ মন্দের ভালো হিসেবে মীর হুসেইন মুসাভিকে তারা মিত্র মনে করছে, অথচ এই ব্যক্তিটিই তার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় হিযবুল্লাহ ও হামাসের শক্তিবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে মধ্যপন্থী হিসেবে পরিচিত মুসাভি ক্ষমতাশীন হলে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের তুলনামূলক ভালো কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হবার সম্ভাবনা ছিলো।
এবারের নির্বাচনোত্তর সহিংসতা ইরানের ইতিহাসে প্রথম। এর আরো একটি প্রচ্ছন্ন কারণের দিকে আমি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। তা হলো, মূলত শহুরে ধনিক শ্রেণীর জনগণই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছে। কেননা নিম্নবিত্তের প্রতিনিধি কামারের ছেলে আহমেদিনেযাদ ইরানের দরিদ্র জনগণের প্রতি অতিমাত্রায় সহানুভূতিশীল। তিনি সম্পদ পুনর্বন্টন করে ইরানী জনগণের মধ্যে ধনী-দরিদ্রের ফারাক ঘুচিয়ে অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠার কথা ভাবছেন এমন আশঙ্কায় পুঁজিপতিরা ভীত হয়ে পড়েছে। আমরা লক্ষ করছি ভোট পুনর্গণনা শুরু হয়েছে এবং ক্রমেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। একজন মেরুদণ্ড টান করে দাঁড়ানো আহমেদিনেযাদের নেতৃত্বে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাক ইরান _ এটাই প্রত্যাশা।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রেতাত্মার বিলাপ বলেছেন:
+++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও +++।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
প্লাস|সুন্দর লিখেছেন| বিশ্ব মোড়লদের বিরুদ্বে আহমেদিনিযাদ, ক্যাস্ট্রো,কিম জ;, হুগো শ্যভেজ.......আরো দরকার, আরো অনেক...
লেখক বলেছেন: কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের জুব্বাওলা স্বৈরাচারগুলি আহমেদিনেযাদের পেছনে লেগে আছে। ওই সাম্রাজ্যবাদের ভৃত্যদের জন্যেই মুসলমানরা এগুতে পারছে না।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
। তা হলো, মূলত শহুরে ধনিক শ্রেণীর জনগণই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আজাইরা আন্দোলন বুর্জোয়া শ্রেনীর নেতৃত্বেই হয়ে থাকে।
লেখক বলেছেন: আলবৎ।
জাতি সংঘ পুঁজিবাদীদের খোয়াড়।
জাতি সংঘ বার্মার গনতন্ত্র চায় আমি জাতি সংঘের গনতন্ত্র চাই।
আবদুল হক বলেছেন:
পৃথিবীর মানুষকে ওরা আর বেশিদিন বোকা বানিয়ে রাখতে পারবে না। ওই খোঁয়াড়টা নির্ঘাৎ ভেঙে ফেলা হবে!
রিপন জি আর বলেছেন:
সুন্দর লেখার জন্য লেখকে ধন্যবাদ। সত্যিই আহমাদিনেজাদ একজন অসাধারন নেতা।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
লেখক বলেছেন:কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের জুব্বাওলা স্বৈরাচারগুলি আহমেদিনেযাদের পেছনে লেগে আছে। ওই সাম্রাজ্যবাদের ভৃত্যদের জন্যেই মুসলমানরা এগুতে পারছে না।
========
মাত্র সৌদি-জর্ডান-মিশর একমত হতে পারলে মুসলমান হয়ে যেত বিশ্ব শক্তি|
ঐ তিনটাই আসল শয়তান, পশ্চিমাদের একনম্বর দালাল| ঐ তিনদেশের শাসকরা পশ্চিমাদের সাথে মিলে মিশে ভোগ-বিলাসে মত্ত|
লেখক বলেছেন: আপনি আমার মনের কথাই বলেছেন।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
ইরানের নির্বাচনে বিদেশী পর্যেবক্ষক না থাকলেও বিদেশী সাংবাদিক উপস্থিত ছিল ৪২৯জন। তারা নির্বাচনে কারচুপির কোন অভিযোগ করেনি। পাশ্চাত্যের কয়েকটি নিরপেক্ষ জরিপ সংস্থাও নির্বাচনের আগে আহমাদিনেজাদ বিজয়ী হবে বলে মত দিয়েছিল। কিন্তু মুসাভী যখন ভোট গণনার আগেই নিজের বিজয় দাবি করে তখন সবকিছু উল্টে যেতে থাকে। আমেরিকা, বৃটেন ও ইসরাইলী মিডিয়ায় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করতে থাকে। কিন্তু ১০ ভাগ ভোট পুনর্গণনার পর দেখা যায়, আহমাদিনেজাদের ভোট বেড়েছে ১২টি আর মুসাভীর ভোট কমেছে ৫টি। তাহলে বোঝা যাচ্ছে, নির্বাচনে কারা কারচুপি করেছিল এবং তা কতটুকু ছিল। আহমাদিনেজাদ যেখানে ১ কোটি ১০ লক্ষ ভোট বেশী পেয়েছেন মুসাভীর চেয়ে, সেখানে কারচুপীর অভিযোগ ধোপে টেকে না। ফলে এখন দেখা যাচ্ছে মুসাভীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক রাফসানজানিও তার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। নির্বাচনোত্তর হাঙ্গামার সাথে জড়িতদের তিনি এখন দেশের শত্রু, দুস্কৃতিকারী ইত্যাদি বলতে বাধ্য হচ্ছেন।
সাধারণমানুষ বলেছেন:
ভেটোর কিছু সুবিধাজনক দিকও আছে যেমন: ১৯৭১এ সোভিয়েত ইউনিয়ন এর ভেটো বাংলাদেশকে এগিয়ে দিয়েছিল.....আর খারাপ দিক ইসরাইল
লেখক বলেছেন: ওই সুবিধা কিন্তু ইনসাফ নয়।
মোঃ ফখরুল ইসলাম বলেছেন:
সত্য টা এইভাবে তুলে ধরার জন্যে আপনাক অনেক অনেক ধন্যবাদ...সাথে অনেক অনেক +++++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও।
তানহা তাবাসসুম বলেছেন:
++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: থ্যাংক্স তানহা!
প্রিয়সখা বলেছেন:
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: মাত্র সৌদি-জর্ডান-মিশর একমত হতে পারলে মুসলমান হয়ে যেত বিশ্ব শক্তি|একমত।
সুন্দর করে লিখের জন্য ধন্যবাদ।+++++++++++
সেই ওবামা কথন। আহমেদিনেযাদ একজন ম্যাসন্স। He is a Freemason. এক ইহুদী পরিবারে জন্ম। ওবামা, ব্লেয়ার, বারলু্সকোনি, বুশ, রথচাইল্ডস ইত্যাদি বিভ্রান্তিকারী অভিনেতা নেতাদের একজন তিনি। ইসলাম নিয়া পরুন, ইতিহাস পরুন সব জানতে পারবেন দেখতেও পাবেন।
Learn about New world order.
Learn about freemasons.
Learn about rothchilds.
Learn about federal reseve bank of USA.
Learn about 911.
Learn about MAYAN CALENDER.
Learn about PAGANS and PAGANISM.
Learn about Piramids, Pyramids.
Learn about dajjal.
Learn about Lucifer.
Learn about all the religion in the world.
Learn about masonic symbols in the world.
http://www.cuttingedge.org/NEWS/n2318.cfm
Click This Link
ফায়যুর রাহমান বলেছেন:
অই জুব্বাঅলা গাদ্দারদের শুভ বুদ্ধির উদয় না হলে কিংবা এদের হেদায়েত না মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বহুদূর।
আবদুল হক বলেছেন:
হ, ঠিহই কইছস!
নিভৃত পথচারী বলেছেন:
আহমেদনিজাদকে দিয়ে ইসলাম বা মুসলিমদের কোন উপকার হওয়ার সম্ভাবনাই নেই। কেন না তার চিন্তা চেতনা শিক্ষা দীক্ষা সবই ভুলের উপর প্রতিষ্ঠিত। বাতিল আকিদার শিয়া সম্প্রদায় চিরঅভিশপ্ত এবং ধ্বংশের পথে দ্রুত ক্রম অগ্রসরমান।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














