আমার প্রিয় পোস্ট

একজন খাঁটি ভন্ড!

ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা।

০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:১০

শেয়ারঃ
0 0

হ্যারি সেলডন বলেছেন: আরিফভাই দেখি খালি মেইনস্ট্রীম জার্নালিজমের উপরই ভরসা করেন। কিছু অল্টারনেটিভ স্ট্রীমের জার্নালিজমের কথাবাত্রা শুনেন। টেড টার্ণারের সিএনএন আর জুইশ লবির ফক্স নিুজ/বিবিসি মনে হয় জামাতিদের মত আপনারও ব্রেণওয়াশ করে দিছে। কাউন্টার-পান্চ পড়েন। এডওয়ার্ড সাইদ আর নওম চমস্কিরা লিখেন। তারপর বুঝবেন গোয়েবলস কারে বলে। আপনার পোস্টগুলোতে নিরপেক্ষভাবে ইসলামকে যাচাই করার প্রতি চরম অনীহা দেখা যায়। মিডিয়া-ড্রিভেন মতামত বেশিরভাগই। ইউ-এস পলিটিকস এন্ড ইসরাইলে লবি- এমাযনে সার্চ মারেন। হার্ভার্ড আর কলাম্বিয়ার প্রফেসরের একটা খুব বিখ্যাত বই আছে, ওটা পড়েন।



লেখক বলেছেন: হেরি,
ইসলাম কি জিনিস সেটা বুঝতে খুব বেশি ঘাঁটাঘাটির কি দরকার আছে? বিশেষতঃ ইদানীংকার ইসলাম? আমি পছন্দ করি সেই ইসলাম ইমাম গাজ্জালীর আগে যেটা ছিলো, যাতে মানব সভ্যতা হঠাৎ করে অনেকদুর অগ্রসর হয়েছিলো বিজ্ঞানমনষ্কতার কারনে। খ্রীষ্টান আর চেঙ্গিস খানের মার খেয়ে সেই যে ইসলাম পড়লো, যেটা তারপর উঠে দাড়ালো সে্টা এতোই পুতিগন্ধময় আর কুপমন্ডুকতায় ভরা যে মৌলবাদি ইসলাম যে সমাজে গেছে সেই সমাজই অবক্ষয়ের এক এক টা ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। তুমি কোন একটা কারনে মুক্তচিন্তার হয়েও দেখা যাচ্ছে এইসব সৌদি লবির প্রোপাগান্ডা বিশ্বাস করো। তোমার রিডিং লিস্টের জন্য ধন্যবাদ।


হ্যারি সেলডন বলেছেন: আরিফভাই, সৌদী লবীর প্রোপাগান্ডায় বিশ্বাস করিনা। কারণ সৌদীআরবে ইসলাম নেই। তাছাড়া সৌদী শেখরা নাতিনের বয়সী মেয়ে আর মদ নিয়ে ব্যস্ত। প্রোপাগান্ডা করার জন্য তাদের সিএনএন অথবা ফক্স নেই। নিউইয়র্ক টাইমস অথবা টাইম/নিউজউইক নেই। আল-জাজীরা আমি দেখিনা, আরব বিশ্ব ছাড়া অন্য কেউ দেখেনা কারণ এটা আরবীতে। তাই তারা কিভাবে প্রপাগান্ডা করতেছে সেটা জানিনা। আমি তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের মত সাম্রাজ্যবাদীর সবচেয়ে বড় দালাল হিসেবে জানি। সৌদী আরবের শাসক গোষ্টী যেহেতু অবৈধ শাসক তাই ক্ষমতায় থাকার জন্য তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের মনোরন্জন করতে হয়, তাছাড়া তার ওয়াহাবী।
"ইসলাম কি জিনিস সেটা বুঝতে খুব বেশি ঘাঁটাঘাটির কি দরকার আছে? বিশেষতঃ ইদানীংকার ইসলাম? "

এই কথাটা একদম মানতে পারলামনা। ইসলামের আওতা যে অনেক বড় সেটা নিশ্চয় স্বীকার করবেন। তাহলে ইসলামকে জানার জন্য ঘাটাঘাটি করতে হবেনা? কোন বিষয়কেই তার ভিতর থেকে ভালমতে না জানলে দৃষ্টিভংগী নিরপেক্ষ হয়না। এন্থ্রপলজির গবেষণার ক্ষেত্রে এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে যে জনগোষ্টীর উপর গবেষণা করা হবে তার ভিতরকার রুপ জানার জন্য সে জনগোষ্টির মানুষের সাথে গিয়ে অনেকদিন থাকতে হবে। তাদেরকে ইনসাইড-আউট জানতে হবে। ইসলামকে জানার জন্য, এমনকি আপনি ইসলামের বিরুদ্ধে বলতে চাইলেও, ইসলামকে ইনসাইড-আউট জানার প্রয়োজন আছে। নাহয় আপনার ইসলাম-বিরোধী লেখাগুলোর কোন ডেপথ থাকবেনা।
তাছাড়া ইদানিংকার ইসলাম বলতে কিছুই নেই। হিটলার কিন্তু খ্রীষ্টান ছিল, তাই বলে কি খ্রীস্টিয়ানিটিকে হিটলার দিয়ে যাচাই করা যাই? কিছু মানুষের কর্ম দিয়ে সম্পূর্ণ জনগোষ্টীর বিচার করার প্রয়াসটা ধোপে টেকেনা। মাদার তেরেসাও খ্রীস্টান ছিলেন। একইভাবে স্টালিনও নাস্তিক ছিলেন আবার আমার প্রিয় আহমদ শরীফও নাস্তিক ছিলেন, যিনি তার বাসার কাজের মেয়েকে নিজের মেয়ের মত ট্রিট করতেন। ত আপনি কি স্টালিন যে ট্রটস্কির মত অসাধারণ মেধাবী এবং নিবেদিত কম্যুনিস্টকে হত্যা করেছিল তাকে দিয়ে সমাজতন্ত্রকে বিচার করবেন? সমাজতন্ত্রের ব্যর্থতাটা কি মার্ক্স আর এংগেলের দোষ? সেটা কি যারা প্রয়োগ করতেছে তাদের দোষ নয়?

"খ্রীষ্টান আর চেঙ্গিস খানের মার খেয়ে সেই যে ইসলাম পড়লো, যেটা তারপর উঠে দাড়ালো সে্টা এতোই পুতিগন্ধময় আর কুপমন্ডুকতায় ভরা যে মৌলবাদি ইসলাম যে সমাজে গেছে সেই সমাজই অবক্ষয়ের এক এক টা ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে।"

এ বিষয়ে একমত। চেংগিস খানের নাতি বাগদাদে কিন্তু ইসলাম গ্রহণ করেছিল এবং পরবর্তীতে ইসলাম প্রচারের জন্য ব্যাপক কাজ করেছিল। আমি মুক্তচিন্তার অধিকারী কিনা জানিনা তবে আমি জানি মানুষের কাছে সবচেয়ে প্রিয় জিনিস তার নিজের প্রাণ। যখন সে সেটা দিয়ে দিচ্ছে সামথিং মাস্ট বি টেরিবলি রং! আজকে আল কায়েদা থেকে শুরু করে আমাদের জামাতি ইসলামী সব কিন্তু আমেরিকার সৃষ্টি।

আপনি ইসলাম যে শান্তির ধর্ম না সেটা প্রমাণ করার জন্য কিছু উগ্র মুসলিমের কান্ডকারখানার লিস্ট দিয়েছেন। আর তার মাধ্যমে প্রমাণ করতে চেয়েছেন ইসলাম শান্তির ধর্ম না। আপনি কি ক্রুসেডের ইতিহাস পড়েননি? না পড়ে থাকলে পড়ে দেখার অনুরোধ করব। মুসলমানরাও জেরুজালেম জয় করেছিল আর খ্রীস্টানরাও করেছিল। জয়ের পর বিজিতদেরকে কিভাবে দুপক্ষ ট্রিট করেছিল সেটা দেখবেন।

শেষে আরেকটা কথা বলি। আমাদের ব্লগে দেখবেন আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করি তাদের মধ্যেই গালিবাজি বেশি। ড়াজাকাররা গালিবাজি খুব কমই করে। তাতে কি প্রমাণ হয় যে ড়াজাকাররা শান্তিতে বিশ্বাসী? ড়াজাকাররা নিয়মিতভাবে আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের চেতনা যা কিছু আমরা বুকে লালন করি সবকিছুকেই নিয়মিত আক্রমণ করে। আর কর্তৃপক্ষ বসে বসে দেখে, কিছুই করেনা, যদিও ইদানিং কিছুটা হলেও অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তো ড়াজাকারদের এহেন ঘৃণ্য কর্মে আমরা আক্রোশে ফেটে পড়ি আর কিছু না করতে পারার যন্ত্রণায় ছটফট করি। মাঝে মাঝে সহ্য করতে না পেরে গালিগালাজ করে ফেলি আর ব্যান খায়। মুকুলের মত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিমা, মানু'র মত ব্লগার ব্যান খায়। কেন?
তারপর জামাতিরা সেই কয়েকটা গালিবাজির কমেন্টকে স্ক্রীনশট নিয়ে বারবার দেখায় যে আমরা গালিবাজ! ৯/১১ এ হামলার পর সিএনএন এ দেখিয়েছিল যে প্যালেস্টাইনিরা আনন্দ করতেছে। অথচ পরে ধরা পড়েছে ক্লিপসটা ছিল অনেক আগের!!
যেই মুসলমানগুলো এরকম উগ্রতা করতেছে তারাও একই অবস্থার শিকার। বছরের পর বছর শতাব্দীর পর শতাব্দী তারা অত্যাচারিত হয়ে আসছে। তাদের নিজেদের শাসকগুলো সব নপুংসক। তাহলে তারা কি করবে? ইরাকে লক্ষাধিক লোক মারা যাচ্ছে অথচ তাদের কি দোষ? প্যালেস্টাইনের মানচিত্রটা দেখেছেন? আপনি ৪৭ আর ২০০৮ এই দুই মানচিত্রটা দেখেন। তারপর বুঝবেন অন্যায় অত্যাচার কাকে বলে। তাহলে তাদের যদি প্রচন্ড আক্রোশ হয় আর তাতে মানুষ হত্যা করে ইন্টারনেটে বিলি করে দোষ দিবেন কেমনে? আমি কোনমতেই এটা সাপোর্ট করিনা। কিন্তু আমি নিজেকে তাদের স্থানে বসিয়ে দেখি তারপর বিচার করি। আমাদের স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানিরা কোন মুক্তিযোদ্ধার মা-বোনকে ধর্ষণ করল, তার পিতাকে-ভাইকে হত্যা করল। এরপরে মুক্তিযোদ্ধা যদি কোন পাকিস্তানি সৈন্যকে হাতে পায় তাহলে সে কিরকম প্রতিক্রিয়া দেখাবে। যখন অত্যাচারিত মানুষ সামান্য ক্ষমতা পায় অথবা প্রতিশোধের সামান্য সুযোগ পাই তখন সে মানুষ থাকেনা। তার মাঝে পশুর হিংস্রতা ভর করে।


অলটারনেটিভ জার্নালিজম লিংক(টু বি আপডেটেড):
১। কাউন্টার-পান্ঞ
২।অমর্ত্য সেনের আইডেনটিটি এন্ড রিলিজিয়ান এক্সার্পট।
৩।শিকাগো এবং হার্ভারডের প্রফেসরের লিখিত বই "ইসরায়েল লবি এবং ইউএস ফরেন পলিসি"
৪। নওম চমস্কির আর্টিকল
৫।নওম চমস্কি আর্টিকলস কালেকশান
৬। এডওয়ার্ড সাইদ: ইসলাম থ্রু ওয়েস্টার্ণ আই'জ।
৭।
৯/১১ এর উপর নওম চমস্কির সাক্ষাতকার
৮। ৯/১১ কাউন্টার-পান্ঞ কাভারেজ।
৯।তারিক আলি।
১০।ডেমক্রেসি নাও।
১১।নওম চমস্কি জি-স্পেস।
১২।যদি আমেরিকানরা জানত!
১৩। প্রতিষ্ঠিত মিডিয়ায় সিলেকটিভ বায়াস এগেন্সট প্যালেস্টাইন।


 

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:১৩
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: একটা সুন্দর ডিবেটের প্রতিক্ষায় রইলাম । আরিফ ভাই কৈ !
০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!! আমি বুধবারের পরে জবাব দিতে পারব অবশ্য!!

০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৪. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৫
হ্যারি সেলডন বলেছেন: অমর্ত্য একটা সুন্দর ডিবেট পড়েছিলাম যেখানে তিনি কোন এক বিখ্যাত খ্রীস্টানের সাথে তর্কে করেছিলেন কেন মুসলামানরা যুগে যুগে সবচাইতে বেশী সহনশীলতা দেখিয়েছে। এখন পাচ্ছিনা। কারও কাছে থাকলে আওয়াজ দিয়েন!
৫. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৬
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
হ্যারি ও আরিফ উভয়ের বক্তব্যের সাথে আমার অবস্থানের কিছু ভিন্নতা আছে।

ধীরে ধীরে আমার বক্তব্য পরিষ্কার করতে পারবো বলে আশা করছি, আমার পরবর্তী কমন্টগুলোতে....


হ্যারি ও আরিফকে ধন্যবাদ, এই ডিবেটকে সবার সামনে নিয়ে আসার জন্য (যদিও এখানে কিছু অতিকথন আছে, সেগুলো না থাকলে আরো প্রেসাইজ হতে পারতো).......
০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আমি নেক্সট কয়েকদিন একটু ব্যস্ত থাকব। আগামী সপ্তাহে আরো আপডেট দিব।

৬. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৪০
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
প্রথমত, আমি হ্যারির লিস্টে দেয়া ইহুদী চিন্তাবিদদের মতই তীব্র মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরোধী, এবং ওনাদের মতই মনে করি, যুক্তরাষ্ট্র এখানে ধর্মকে সর্বদাই ঢাল হিসাবে ব্যবহার করেছে। তার ইসলাম/খৃষ্ট/ইহুদী ধর্ম নিয়ে কোন আগ্রহই নেই, যা আছে পাওয়ার দখলের লড়াই। এই যুক্তরাষ্ট্র যখন আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকার ননমুসলিম দেশগুলোর উপর নির্বিচারে আক্রমণ চালিয়েছে, ননমুসলিম ভিয়েতনামীদের নাপাম বোমা দিয়ে পিপড়ের মেরেছে- সেখানে ধর্মের ভূমিকা কি??

এরা কখনো ইসলামী সন্ত্রাসবাদ দমনের কথা বলে, কখনো গণতন্ত্রের জন্য নাকি কান্না কাঁদে, এসবের দায় দুনিয়ার কোন শান্তিকামী আস্তিক/নাস্তিক/ধার্মিক/অধার্মিক মানুষ নিবে কেন?

সুতরাং আমার কাছে, বর্তমানে সবচেয়ে বড় শত্রু বা বিপদ দুনিয়ার সামনে এই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ।

এই সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে যেই লড়াই করছে, সে মুসলমান হোক, আর ইহুদী-খৃস্টান-হিন্দুই হোক, তাদের স্যালুট করি। আমি প্যালেস্তানী বীর জনতার সাথে একাত্মতা বোধ করি। ফলে, আরিফুর যদি যুক্তরাষ্ট্রের ভাষায় এদেরকে সন্ত্রাসী বলতে চায়, আমার সেখানে যথেষ্ট আপত্তি আছে।
......
০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত।এই সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে যেই লড়াই করছে, সে মুসলমান হোক, আর ইহুদী-খৃস্টান-হিন্দুই হোক, তাদের স্যালুট করি।

৭. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১:০৩
েক আিম বলেছেন: এই সুন্দর সাবলীল স্বীকারক্তি আর আলোচনার জন্য ধন্যবাদ।
সেরডন ভাই: আল জাজিরার ইংলিশ ভার্সন আসে তো। কয়েকদিন আগে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করল তো। কবির চৌ সাহেব, সুলতানা কামাল আপু রা ছিলেন আলোচনায়।

আমেরিকা সাম্রাজ্যবাদী না। আসলে দুনিয়াটাই হলো : সারবাইভাল অফ দা ফিটেষ্ট।

নাস্তিকের ধর্মকথা ভাই: আমেরিকা যখন আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকার ননমুসলিম দেশগুলোর উপর নির্বিচারে আক্রমণ করে, ননমুসলিম ভিয়েতনামীদের মারে তখন তার যুদ্ধ ছিলো চরম শক্তিশালী কমিউনিজমের সাথে। আর এখন যখন ইরাক, সোমালিয়ায় আক্রমন করে, ইরানতে থ্রেট করে, প্যালেষ্টাইনে অবরোধ দেয় গনতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত সরকারের উপর, তখন কার যুদ্ধ মুসলিম বিশ্ব আর তার তেলের জন্য।

বিনিত প্রশ্ন: 'কি ভাবে প্রিয় পোষ্টে এড করতে হয় কেউ একটু বলবেন??'
০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আসলে আল-জাজীরা শুনার মত আগ্রহ আমার নেই। আমার কোন এক বিচিত্র কারণে আরবেদের প্রতি একটু ঘৃণা আছে। সেটা হতে পারে বাংলাদেশী শ্রমিকদেরকে তারা যেভাবে অত্যাচার করে তার জন্যই!


তাছাড়া আমি মনে করি আল-জাজীরা বায়াস্‌ডই হবে।

প্রিয় পোস্টে যোগ করার জন্য "রেটিং দেন" এর বাম পাশে একটা স্টার চিহ্ন আছে। সেখানে গুতা মারেন!

৮. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১:০৭
হ্যারি সেলডন বলেছেন: উল্লেখ্য পোস্টটা এখনও ড্রাফট। আমার নিজের অনেক পড়তে হবে পোস্টটাকে ফাইন-টিউন করার জন্য।
০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: এস্কিমোভাই, অনেক ধন্যবাদ।

১০. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১:৫১
হ্যারি সেলডন বলেছেন: কিছু লিংক আপডেটেড। কোন ব্লগারের কাছে অলটারনেটিভ জার্নালিজম নিয়ে লিংক থাকলে আওয়াজ দিয়েন! অমর্ত্য সেনের ডিবেটটা থাকলেও আওয়াজ দিয়েন।
১১. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ২:৩৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: আল-জাজীরা আমি দেখিনা, আরব বিশ্ব ছাড়া অন্য কেউ দেখেনা কারণ এটা আরবীতে।

---
ইংরেজি আল জাজিরাও আছে!


"ইসলাম কি জিনিস সেটা বুঝতে খুব বেশি ঘাঁটাঘাটির কি দরকার আছে? বিশেষতঃ ইদানীংকার ইসলাম? "

এই কথাটা একদম মানতে পারলামনা। ইসলামের আওতা যে অনেক বড় সেটা নিশ্চয় স্বীকার করবেন। তাহলে ইসলামকে জানার জন্য ঘাটাঘাটি করতে হবেনা?

---
হ্যারি, এটা দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার, তুমি যেহেতু আস্তিক, মানে বিশ্বাসী, তোমার কাছে কুরান একটা বিশাল ব্যাপার, ডিভাইন ম্যাটেরিয়াল। সুতরাং এর প্রত্যেকটি ছত্র এবং তোমার মতোই আরেকজন বিশ্বাসীর তরজমা বা ব্যখ্যা তোমার কাছে পবিত্র এবং বিনাবাক্যব্যয়ে বিশ্বাসযোগ্য।

আমি যেহেতু মনে করি হযরত মুহম্মদ দুরদর্শিতার সাথে তার চরিত্রের কারিশমা দিয়ে বিশাল অনুগত বাহিনী গঠন করেছিলেন এবং বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে কুরানের ছত্রগুলি 'নাযিল' করেছেন, তখন কুরান আমার কাছে একজন স্বল্পশিক্ষিত মেধাবী পুরুষের বিভিন্ন সময়ে বলা বাণীসমুহের সংকলন ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না, যার অনেক কিছুই পরবর্তীতে সংশোধিত হয়েছে, বা ভুল প্রমানিত হয়েছে।

এখন যদি বলো আওতার কথা, স্পেসিফাই না করলে সেটা কুয়াশাচ্ছন্ন একটা স্টেটমেন্টই থেকে যায় না?

কুরানের আলোকে এবং রাসুলের হাদীসের আলোকে ইস্লামিক 'স্কলার'গন ইজমা কিয়াস ইত্যকার বর্ননা করেন, কিন্তু তার কয়টা আসলেই 'ডিভাইন' । সবই কি মুল থিম ঠিক রেখে আরব কালচারের মডিফায়েড রুলিংস নয়?

এইযে স্কলাররা তৈরি হয় মাদ্রাসা সিস্টেম থেকে, এই বিশ্বে এখন ইসলামিক যে শিক্ষা ব্যাবস্থা সেটা সম্পুর্নই বিশ্বাসীদের জন্য এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত। সুতরাং নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে যদি কেউ এসব রুলিংস 'কাউন্টার' করে সে্টা কি এলাউ করা হয়?

আমি সেই ইসলাম সাপোর্ট করবো যেটা গাইডলাইন হিসেবে থাকবে, কিন্তু কোন রিজিড স্ট্রাকচার যখন আমাকে অনুসন্ধিৎসু হতে নিষেধ করবে আমি তখন বিদ্রোহ করবো।

এই মুহুর্তের ইসলাম মৌলবাদী ইসলাম, আলো বাতাস হীন, আমাকে একদমই আকর্ষন করে না।

.............
কোন বিষয়কেই তার ভিতর থেকে ভালমতে না জানলে দৃষ্টিভংগী নিরপেক্ষ হয়না। এন্থ্রপলজির গবেষণার ক্ষেত্রে এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে যে জনগোষ্টীর উপর গবেষণা করা হবে তার ভিতরকার রুপ জানার জন্য সে জনগোষ্টির মানুষের সাথে গিয়ে অনেকদিন থাকতে হবে। তাদেরকে ইনসাইড-আউট জানতে হবে। ইসলামকে জানার জন্য, এমনকি আপনি ইসলামের বিরুদ্ধে বলতে চাইলেও, ইসলামকে ইনসাইড-আউট জানার প্রয়োজন আছে। নাহয় আপনার ইসলাম-বিরোধী লেখাগুলোর কোন ডেপথ থাকবেনা।


----
হেরি, তোমার মতো আমিও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী নই। আর আমি খেয়ে না খেয়ে ইসলামের বিরূদ্ধে উঠে পড়ে লাগি নাই, যদিও কিছু আবাল আমার এমন একটা ইমেজ খাড়া করতে পোস্টের পর পোস্ট দেয়। কি আর করা!

তুমি প্রোলিফিক রাইটার সন্দেহ নাই, কিন্তু আগড়ম বাগড়ম শুরু করলে মাঝে মাঝে পাঠক খেই হারিয়ে ফেলে, যেমন উপরের প্যারাগ্রাফটা আমার মতো বেসিক পাঠকের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে গেলো অর্থোদ্ধার করাটা।

তেমনি নিচের প‌্যারাটাও আমার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দিয়ে থাকলে তোমার পয়েন্ট টা স্থুল লাগলো! আচ্ছা এদের কয়জন ধর্মের নামে তাদের কু বা সুকর্ম করেছে বলতে পারো? হিটলার কি বাইবেল থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলতো যে ইহুদীদের হত্যা করো? অথবা মাদার টেরিজা কি শুধুই খ্রীষ্টানদের সেবা করতেন? ............

তাছাড়া ইদানিংকার ইসলাম বলতে কিছুই নেই। হিটলার কিন্তু খ্রীষ্টান ছিল, তাই বলে কি খ্রীস্টিয়ানিটিকে হিটলার দিয়ে যাচাই করা যাই? কিছু মানুষের কর্ম দিয়ে সম্পূর্ণ জনগোষ্টীর বিচার করার প্রয়াসটা ধোপে টেকেনা। মাদার তেরেসাও খ্রীস্টান ছিলেন। একইভাবে স্টালিনও নাস্তিক ছিলেন আবার আমার প্রিয় আহমদ শরীফও নাস্তিক ছিলেন, যিনি তার বাসার কাজের মেয়েকে নিজের মেয়ের মত ট্রিট করতেন। ত আপনি কি স্টালিন যে ট্রটস্কির মত অসাধারণ মেধাবী এবং নিবেদিত কম্যুনিস্টকে হত্যা করেছিল তাকে দিয়ে সমাজতন্ত্রকে বিচার করবেন? সমাজতন্ত্রের ব্যর্থতাটা কি মার্ক্স আর এংগেলের দোষ? সেটা কি যারা প্রয়োগ করতেছে তাদের দোষ নয়?


----

"খ্রীষ্টান আর চেঙ্গিস খানের মার খেয়ে সেই যে ইসলাম পড়লো, যেটা তারপর উঠে দাড়ালো সে্টা এতোই পুতিগন্ধময় আর কুপমন্ডুকতায় ভরা যে মৌলবাদি ইসলাম যে সমাজে গেছে সেই সমাজই অবক্ষয়ের এক এক টা ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে।"


এ বিষয়ে একমত। চেংগিস খানের নাতি বাগদাদে কিন্তু ইসলাম গ্রহণ করেছিল এবং পরবর্তীতে ইসলাম প্রচারের জন্য ব্যাপক কাজ করেছিল। আমি মুক্তচিন্তার অধিকারী কিনা জানিনা তবে আমি জানি মানুষের কাছে সবচেয়ে প্রিয় জিনিস তার নিজের প্রাণ। যখন সে সেটা দিয়ে দিচ্ছে সামথিং মাস্ট বি টেরিবলি রং! আজকে আল কায়েদা থেকে শুরু করে আমাদের জামাতি ইসলামী সব কিন্তু আমেরিকার সৃষ্টি।

---------
সামথিং ইজ ডেফিনিটলি রং, কারন ব্রেনওয়াশিং পদ্ধতিটা বেশ সুচারু, এখানে আমরা লড়াই করছি এমন একটা ডমিনেশন হাঙরি সিস্টেমের সাথে যার লক্ষ্য সুদুরপ্রসারী, তারা তোমার মতো ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্টকেও কনভিন্স করতে পেরেছে যে তাদের 'কজ' আসলেই জাস্টিফায়েড। যেই কজ, আমরা যেটাকে দেখি মুহম্মদের কল্পনা ছাড়া আর কিছুই না!



৯/১১ এ হামলার পর সিএনএন এ দেখিয়েছিল যে প্যালেস্টাইনিরা আনন্দ করতেছে। অথচ পরে ধরা পড়েছে ক্লিপসটা ছিল অনেক আগের!!

তাহলে তাদের যদি প্রচন্ড আক্রোশ হয় আর তাতে মানুষ হত্যা করে ইন্টারনেটে বিলি করে দোষ দিবেন কেমনে? আমি কোনমতেই এটা সাপোর্ট করিনা। কিন্তু আমি নিজেকে তাদের স্থানে বসিয়ে দেখি তারপর বিচার করি। আমাদের স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানিরা কোন মুক্তিযোদ্ধার মা-বোনকে ধর্ষণ করল, তার পিতাকে-ভাইকে হত্যা করল। এরপরে মুক্তিযোদ্ধা যদি কোন পাকিস্তানি সৈন্যকে হাতে পায় তাহলে সে কিরকম প্রতিক্রিয়া দেখাবে। যখন অত্যাচারিত মানুষ সামান্য ক্ষমতা পায় অথবা প্রতিশোধের সামান্য সুযোগ পাই তখন সে মানুষ থাকেনা। তার মাঝে পশুর হিংস্রতা ভর করে।

----
তোমার কথায় কঠিন আবেগ আছে! মানি। অত্যাচারিত হতে হতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে এরকম হয়তো আমিও করবো, কিন্তু একটা ব্যাপার কি খেয়াল করেছো?

প‌্যালেস্টাইনের সাথে আল্লার কিন্তু কোন সম্পর্ক নেই, না কোন সম্পর্ক আছে ইসলামের, অথচ ঐ 'টেরোরিস্টি' রা কিন্তু বিশাল করে আল্লাহু আকবার বলবে জবেহ করার আগে এবং বুঝাতে চাইবে তাদের ধর্ম এধরনের কাজ এলাউ করে, সুতরাং এর জন্য সে বেহেশতে যাবে।

এখানে গন্ডগোলটা কি তুমি ধরতে পারছো?

পশুর হিংস্রতা ভর করতেই পারে, কিন্তু গায়েবী আইনের উছিলায় সেই হিংস্রতাকে হালাল বলা কোন প্রজাতির নির্বুদ্ধিতা বলে মনে কর তুমি?

১২. ০৫ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

এক কথায় অসাধারণ যুক্তির অবতারণা করেছেন বিখ্যাত হ্যারি সেলডন । সুন্দর একটা বিতর্কের অপেক্ষায় । যে উপভৌগ্য বিতর্ক থেকে জানা হবে অনেক কিছু ।

এই পোষ্টের সম্মানার্থে এটিকে প্রিয় পোষ্টে যোগ করে কৃতার্থ হলাম ।
০৫ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: আরাশি বদ্দা, অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ০৫ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:১৪
নাদান বলেছেন: কঠিন কতা কইছো নারু। তুমি একটা জিনিষ।
০৫ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: নাদু, কেমুন আছ?

০৫ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: রাশুদা, কি খবর?

০৫ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: এস্কিমোভাই অনেক ধন্যবাদ। লিংক যোগ করে দিব।

১৬. ০৫ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫২
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আরিফভাই, বিস্তারিত নেক্সট উইকে জবাব দিব। যাস্ট কয়েকটা কথা বললাম।


হিটলার যে ইহুদী হত্যা করেছে সেটা সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় কারণে। খ্রীস্টানরা মনে করে ইহুদীরা জিসাসকে হত্যা করেছে এবং প্রথমদিকে খ্রীস্টানদেরকে অনেক অত্যাচার করেছে। আর তাই ইহুদী ঘৃণা খ্রীস্টানদের মজ্জাগত। আপনি ৫০০ শতক থেকে ১৮০০ শতক পর্যন্ত খ্রীস্টান লেখকদের লেখা এবং বিংশ শতকের সোভিয়েট ইউনিয়নের সুপারপাওয়ার হওয়া পর্যন্ত হলিউড মুভিগুলা দেখেন, দেখবেন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভিলেনগুলা ইহুদী। তাই দেখা শেকসপীয়ারের "মার্চেন্ট অব ভেনিসে" সুদখোর ভিলেনও ইহুদী। হিটলারের যদিও আরো অনকে কারণ ছিল ইহুদী বিদ্বেষী হওয়ার কিন্তু হিটলারকে সারা জার্মানীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোকজন যে সাহায্য করল ইহুদী নিধনে সেটা শুধুমাত্র তাদের জন্ম থেকেই মজ্জাগতভাবে ইহুদী ঘৃণা থেকেই। আর সেই ঘৃণা ধর্মীয় কারণেই। হিটলারের উদাহরণটা এইজন্য দিলাম যে একজন হিটলার খ্রীস্টান হয়ে হলোকাস্ট করাতে খ্রীস্টান ধর্মের উপর দোষ চাপানো যায়না। তেমনিভাবে আপনি যে কিছু বিচ্ছিন্ন উদাহরণ দিয়েছেন কিছু উগ্র মুসলমানের তার মাধ্যমে আপনি উপসংহারে পৌঁছে গেছেন "ইসলাম অশান্তির ধর্ম" সেটা কোনমতেই জাস্টিফায়েড না।

প্যালেস্টাইনের সাথে ইসলামের সম্পর্ক নেই বলাটা ভুল। ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আজকের প্যালেস্টাইনে সেটার জাস্টিফিকেশান হচ্ছে ওল্ড টেস্টামেন্ট মতে ৩০০০ বছর আগে নাকি ইসরাইলিরা সেখানে বাস করত! আপনি নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার পড়লে দেখবেন যুক্তরাষ্ট্রে আল্ট্রা রাইট উইং লোকজন ইসরাইলকে সাপোর্ট করার কারণ হচ্ছে তারা মনে করে ইসরাইল প্রতিষ্টিত হলেই জিসাস আবার রিজারেকশানের মাধ্যমে পৃথিবীতে আসবেন। তার মানে ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন কনফ্লিকটটা যতটা স্বাধীনতা সংগ্রাম ততটা ধর্মীয়ও।


"প‌্যালেস্টাইনের সাথে আল্লার কিন্তু কোন সম্পর্ক নেই, না কোন সম্পর্ক আছে ইসলামের, অথচ ঐ 'টেরোরিস্টি' রা কিন্তু বিশাল করে আল্লাহু আকবার বলবে জবেহ করার আগে এবং বুঝাতে চাইবে তাদের ধর্ম এধরনের কাজ এলাউ করে, সুতরাং এর জন্য সে বেহেশতে যাবে।

এখানে গন্ডগোলটা কি তুমি ধরতে পারছো?"


এটা আমি আগেই বলেছি যে ইসলামের মূল রুপ না। তাছাড়া এটা তো অনেকাংশেই মিডিয়ার সৃষ্টি। আপনি কাউন্টার-পান্ঞে একটু ঢুঁ মারেন। এরকম কিছু উগ্র মানুষের কাজ দিয়ে আপনি কেন বলবেন যে ইসলাম অশান্তির ধর্ম সেটাই আমার মাথায় ঢুকেনা। কিছু মানুষের কাজ দিয়ে একটা ১ বিলিয়নের উপরে জনগোষ্টীর ধর্মকে বিচার করবেন কেন? হিটলারের কাজ দিয়ে ত খ্রীস্টিয়ানিটিকে যাচাই করছেননা? আমি আগেই বলেছি হিটলারের হলোকাস্ট অনকেটাই ধর্মীয় কারণ।
২১. ০৫ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩
পন্ডিত বলেছেন:
দুই বিতার্কিক কি সবশেষে কি সিদ্ধান্তে পৌছতে পারবেন সে অপেক্ষায় ...
২৩. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৩
রেটিং বলেছেন: কয়েকবার পড়লাম। আরিফের সামর্থ নাই এইসব কথা বুঝার।
০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: রেটিং, আপনার আগের কমেন্টটা ব্লগার আরিফুর রহমানের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ পেয়েছে। যখন কোন বিষয়ে আলোচনা করা হয় তখন অন্য আলোচককে সম্মান করাটা জরূরী মনে করি।তাই মুছে দিলাম। ধন্যবাদ।


২৪. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:১৬
সোনার বাংলা বলেছেন:

সুন্দর আলোচনা......
ভালো লাগলো।+

আরিফ কে বুঝানোর শক্তি কারো নাই আমার মনে হয়।আরিফের ধর্ম বিদ্বেষী হিংস্রতা আমাকে অবাক করে। তার এই হিংস্র রুপই বলে দেয় সে কেমন মানুষ। তবে এতটুকু বুঝি যে সে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে তেমন
কিছু জানে না।
২৫. ০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৩
হ্যারি সেলডন বলেছেন: অন্য কমেন্টের জবাব পরে দিমুনে! বিজি আছি। সবাইরে অনেক ধন্যবাদ।
২৬. ০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৭
সাইফুর বলেছেন: হ....চলুক..সুন্দর আলোচনার অপেক্ষায়....
নরুর জন্য শুভকামনা
২৭. ০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১:২০
প্রলয় হাসান বলেছেন: হ আমিও আছি!
নারা,
জটিল লিখসো। জটিল বল্লেও কম বলা হয়! দেখি, আরিফ ভাই কি বলে! সে হঠাৎ করে এত চেতলো কেন বুঝতে পারলাম না।

হ্যারি, সরি ভাই, আমারেও দেখি তোমার ভূতে ধরলো! এখন অনেক পোস্টই অনেক দেরীতে পড়া হয়!:(
মাইন্ড খাইয়ো না ভাইডি!
২৮. ০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:১৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: হেরির মতে: হিটলার যে ইহুদী হত্যা করেছে সেটা সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় কারণে।

আসো উইকিতে কি বলে দেখি:
One of the foundations of Hitler's social policies was the concept of racial hygiene. ..... which sought to breed humans as if they were farm animals, and a misuse of Charles Darwin's ideas called social Darwinism. Applied to human beings, "survival of the fittest" was interpreted as requiring racial purity and killing off "life unworthy of life."

হিটলার একজন ছিটগ্রস্থ মানুষ ছিলেন। কিন্তু উগ্র জাতীয়তাবাদ ছাড়া তোমার মতে "সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় কারণে"...?? সে এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে?
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:১৯

লেখক বলেছেন: হিটলার ছিটগ্রস্থ ছিলেন একমত। কিন্তু জার্মানির মানুষ তাকে সাহায্য না করলে এত বড় স্কেলে গণহত্যা কখনই সম্ভব না। মানি অনেক জার্মানিই ইহুদীদেরকে বাঁচিয়েছে, অনেকে নিরপেক্ষ ছিল। কিন্তু প্রচুর সংখ্যক সাধারণ লোকও হিটলারকে সহায়তা করেছে। সেটা যুগ যুগ ধরে ইহুদীদের প্রতি খ্রীস্টানদের ঘৃনার জন্যই। সাধারণ দোকান লেখা থাকত "কুকুর আর ইহুদীর প্রবেশ নিষেধ"। সেটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। সেটার রুট হাজার বছরের। জার্মানির(প্রুশিয়া) ভন বিসমার্কও ইহুদী-বিদ্বেষী ছিল। হিটলার যখন সমানে ইহুদী হত্যা করতেছে তখন ইংল্যান্ড, রাশিয়া আর ফ্রান্স এবং অন্যান্য শক্তি কিন্তু কিছুই করেনি। বরং রাশিয়া তাদের সাথে চুক্তি করেছে আর পোল্যান্ড দখল করেছে। এই যে একটা জনগোষ্টীকে নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছিল হিটলার অথচ তথাকথিত সভ্য দেশগুলো কোনরকম একশান নিলনা এটা তাদের ইহুদী ঘৃণার জন্যই। পরে যখন ইংল্যান্ডকে আক্রমণ করল হিটলার তখনই তাদের টনক নড়ল। আসলে হলোকাস্টের জন্য হিটলার যেমন দায়ী তেমনি ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়াও দায়ী। এত বড় একটা অন্যায় সংঘটিত হচ্ছিল কিন্তু তাদের জনগণ তাদের সরকারকে পুশ করেনি, শুধুমাত্র ইহুদী ঘৃণার কারনেই। এখনও দেখা যায় বিলিগ্রাহামের মত মানুষও প্রেসিডেন্টকে ইহুদী-বিরোধী উস্কানি দেয়। এই খ্রীস্টান ধর্মের এত বড় মানুষ ইহুদীদেরকে মনে মনে ঘৃণা করেন যদিও বাইরে থেকে দেখাননা সেটা ধর্মীয় কারণেই। সাধারণ খ্রীস্টানদের মধ্যে একটা বিরাট অংশ এখানে ইহুদীদেরকে শয়তানের দোসর মনে করে!


যায়নিজম, হলোকাস্ট ইত্যাদি বিষয় নিয়ে উইকিপিডিয়া খুব রিলায়েবল না। এগুলোর জন্য এস্টাবলিশড মিডিয়া খুব নিরপেক্ষ হয়না একটা। হিটলারের "মেইন ক্যাম্পট" কি পড়েছেন? পড়া দরকার। ডেমাগগ কারে বলে তারে দেখলেই বুঝা যায়।

২৯. ০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৪০
আরিফুর রহমান বলেছেন: হিটলারকে সারা জার্মানীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোকজন যে সাহায্য করল ইহুদী নিধনে সেটা শুধুমাত্র তাদের জন্ম থেকেই মজ্জাগতভাবে ইহুদী ঘৃণা থেকেই। আর সেই ঘৃণা ধর্মীয় কারণেই।

---------
আরেকটা জেনারালাইজেশন করলে হেরি:


আসলে ইহুদিদের ঘৃনা করার প্রধান ছ সাতটা কারনের মধ্যে ক্রাইস্টকে হত্যা একটা অপ্রধান কারন। মুল কারনগুলো হলো:

১. অর্থনৈতিক: সংখ্যায় কম হলেও তারা সম্পদশালী
২. উচ্চবর্গীয়তার দাবি: তারা নিজেদের দাবি করে উন্নত হিসেবে, বেশ ঔদ্ধত্যের সাথে।
৩, সামাজিক বলির পাঁঠা: সমাজে সবধরনের সমস্যার জন্য কখনো কখনো মানুষ একটা বিশেষ জাতকে দোষারোপ করতো, ইউরোপে ঐ সময়ে ইহুদীরা ছিলো সহজ টার্গেট।
৪. বহিরাগত: যুগে যুগে ইহুদিদের বহিষ্কার করা হয়েছে দেশগুলি থেকে, প্রত্যেক নতুন দেশেই তারা বহিরাগত ছিলো!
৫. যিশুহন্তা: যদিও ভ্যাটিকান ইদানীং ইহুদিদের অফিসিয়ালি হন্তারক বলা বন্ধ করেছে, তৎকালীন কেস এমনটা ছিলো না।

সুতরাং শুধুমাত্র ধর্মীয় কারনে ইহুদিদের ঘৃনা করা হচ্ছে বললে সত্যের অপলাপ হবে। আমি নিজে কিছু ইহুদী চিনি এবং বুঝতে পারি আসলে কেন তাদের ঘৃনা করা হয়! কিন্তু সেটা অন্য আলোচনা।

হেরির যুক্তিতে খাদ আছে হে!
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:২৮

লেখক বলেছেন: আপনি ইহুদী হত্যাটাকে শুধুমাত্র হিটালেরর সময় আর জার্মানির মধ্যে বেঁধে ফেললেন। ইহুদী ঘৃনা সেটা হাজার বছরের। হলোকাস্ট কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ক্রুসেডের সময় ইহুদীদের কোন ভুমিকা ছিলনা অথচ ক্রুসেডাররা সমানে ইহুদীদেরকে হত্যা করেছে। উইচ-হান্টের সময় সমানে ইহুদী হত্যা করা হয়েছে। আমি আগেও বলেছি শেক্সপীয়ারের লেখায়ও সুদখোর ভিলেন ইহুদী। যখন রোমান সাম্রাজ্য খ্রীস্টান ধর্ম গ্রহন করল তখন থেকেই খ্রীস্টানরা ইহুদীদেরকে অত্যাচার করতেছে। এবং আজকে যে ইহুদীরা বিশ্ব শাসন করতেছে বেনামে আর বিশ্বের সবচেয়ে মেধাবীরা যে ইহুদী সেটারও কারণ হচ্ছে ইহুদী ঘৃণা। এ বিষয়ে ডেইলে স্টারে একটা আর্টিকল পড়েছিলাম। আপনিই বললেন যুগে যুগে ইহুদীদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন? সেটাও ইহুদী ঘৃণা থেকেই। প্যালেস্টাইনে ইসরাইলের অস্তিত্ব সেটাও খ্রীস্টানদের ইহুদী ঘৃণা থেকেই।


এটা খুবই স্বাভাবিক। যখন কোন ধর্মের লোকজন মনে করে যে টাদের ধর্মের প্রবর্তককে একটা অন্য ধর্মের লোকজন হত্যা করেছে নির্মমভাবে আর চার্চগুলোতে পাদ্রীরা সেটা প্রচার করেন তাহলে সাধারণ খ্রীস্টানরা তাদেরকে ঘৃণা করবেই।

৩১. ০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৪
ছায়ার আলো বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম আপডেট দেখার জন্য
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: ছালু, কেমন আছ? অনেকদিন পরপর একটা হানা দাও, তারপর খোঁজ নেই!

৩২. ০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:১১
স্বাপ্নিক বলেছেন: "আমি সেই ইসলাম সাপোর্ট করবো যেটা গাইডলাইন হিসেবে থাকবে, কিন্তু কোন রিজিড স্ট্রাকচার যখন আমাকে অনুসন্ধিৎসু হতে নিষেধ করবে আমি তখন বিদ্রোহ করবো।"
এই বিতর্কে অংশ নেয়ার মত যোগ্যতা আমার আছে কিনা আমি জানি না, তবে আরিফ ভাইয়ের উপরের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমার মতটুকু দিতে পারি। আমি ইসলামে বিশ্বাস করি, কিন্তু তারপরও ইসলাম আমার জন্য গাইডলাইন। সেই সময়ের নিয়ম কানুন মৌলভাবে আকড়ে ধরা বোকামি যেটা এখনকার মৌলবাদিরা করে থাকে। ইসলাম আমাকে ভাল কাজ করতে আর খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে বলে, কিন্তু কোনটা ভাল আর কোনটা খারাপ এটা আমার বিবেক আমাকে বলে দেয়। আমার সমাজ আমাকে সহায়তা করে। পৃথিবীর সব কাজের কোনটি ভাল কোনটি মন্দ এটার কোন রিজিড তালিকা থাকা সম্ভব নয়। আমি ইসলামকে অনুসন্ধিৎসু হতে নিষেধ করা কোন রিজিড স্ট্রাকচার মনে করিনা। এটা অনস্বীকার্য যে একটা গোষ্ঠি ইসলামকে এরকম করার চেষ্টা করছে কিন্তু সাধারন ধর্মপ্রান মুসলমানরা ইসলামকে এভাবেই দেখে। সুতরাং আমার মনে হয় আরিফ ভাইয়ের বিদ্রোহ হওয়া উচিৎ ইসলামের এই ভুল ইন্টারপ্রেশনের বিরুদ্ধে, খোদ ইসলামের বিরুদ্ধে নয়। তাহলে এই বিদ্রোহ ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: একমত।

৩৩. ০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:১৩
নেমেসিস বলেছেন: হিটলারের ইহুদী হত্যার কারন শুধুমাত্র ধর্মীয় বিদ্বেষ নয় । একমত @ আিরফুর রহমান
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

৩৪. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩১
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন: "সামথিং ইজ ডেফিনিটলি রং, কারন ব্রেনওয়াশিং পদ্ধতিটা বেশ সুচারু, এখানে আমরা লড়াই করছি এমন একটা ডমিনেশন হাঙরি সিস্টেমের সাথে যার লক্ষ্য সুদুরপ্রসারী, তারা তোমার মতো ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্টকেও কনভিন্স করতে পেরেছে যে তাদের 'কজ' আসলেই জাস্টিফায়েড। যেই কজ, আমরা যেটাকে দেখি মুহম্মদের কল্পনা ছাড়া আর কিছুই না!"


আমার লেখাটাকে আপনি কেন ভুল পড়লেন বুঝলামনা, আমি বলেইছি যে আমি তাদের সিস্টেম সাপোর্ট করিনা। ইনফ্যাক্ট ইসলামে তো সেগুলো এলাউড না। তাহলে আমার ব্রেন-ওয়াশ কেমনে করল তারা বুঝলামনা। তারা কি আমার কাছে েসেছে নাকি তাদের শক্তিশালী মিডিয়া আছে, কিভাবে তারা ব্রেন-ওয়াশ করল? আমরা তো তাদের সম্পর্কে সবসময় খারাপ খবরই শুনতেছি। তাহলে তারা কিভাবে ব্রেণ-ওয়াশ করবে?





৩৫. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩৬
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আরিফভাই, আমাদের কথাবার্তা মুল ফোকাস থেকে অনেক সরে গেছে। আমরা আসল কথাটাই ভুলে গিয়ে অন্য বিষয়ে নিয়ে আসছি। তাই আমি মেইন সাবজেক্ট নিয়ে কথা বলতে চাই।




আমার মুল কথা ছিল, আপনি কিছু উগ্র ফান্ডামেন্টালিস্টদের কাজকর্ম দেখিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইসলাম শান্তির ধর্ম না। আমি বলতে চেয়েছি যে কিছু উগ্র মানুষের কাজকর্ম দিয়ে একটা ১.৪ বিলিয়ন মানুষের (যাদের ৯৯.৯৯% শান্তিপ্রিয়) ধর্মকে অশান্তির ধর্ম প্রমাণ করতে চাচ্ছেন। আমি প্রশ্ন হচ্ছে আপনার কি মনে হয় সিদ্ধান্তটা জাস্টিফায়েড?
৩৬. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৫৬
ছায়ার আলো বলেছেন: হুমমম...আমারো একই কথা কোনো মুসলিম ক্রাইম করলেই মিডিয়াতে আসে "ইসলামী টেররিস্ট" হেডিং নিয়ে...এই ধরনের প্রপাগান্ডা অনেকে জাস্ট খেয়ালই করছেনা...বরং মিডিয়ার সাথে তাল মিলিয়ে মেনেই নিচ্ছে সে "ইসলামী টেররিস্ট"। একজন টেররিস্টকে "ইসলামী টেররিস্ট" বলাটা কত বড় অপরাধ চোখেই পড়ছেনা অনেকের। ব্রেইন ওয়াশড কে সেটা একটু চিন্তা করা উচিৎ...
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: আসলে এগুলো শুনতে শুনতে আমাদের ব্রেন কন্ডিশনড হয়ে যায়, তখন মনে হয় এটাই স্বাভাবিক। "Iraq Invasion" না বলে বলা হয় "Iraq War"। শুনতে শুনতে মনে হবে এটা আসলেই দুপক্ষের যুদ্ধ। অথচ এটা একটা আগ্রাসন, এক পক্ষ বিনা কারনে আক্রমণ করেছে অপর পক্ষের উপর। শব্দ ব্যভার যে কি করতে পারে সেটা কল্পনাই করা যায়না।

৩৭. ০৯ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন: "হ্যারি, এটা দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার, তুমি যেহেতু আস্তিক, মানে বিশ্বাসী, তোমার কাছে কুরান একটা বিশাল ব্যাপার, ডিভাইন ম্যাটেরিয়াল। সুতরাং এর প্রত্যেকটি ছত্র এবং তোমার মতোই আরেকজন বিশ্বাসীর তরজমা বা ব্যখ্যা তোমার কাছে পবিত্র এবং বিনাবাক্যব্যয়ে বিশ্বাসযোগ্য।

আমি যেহেতু মনে করি হযরত মুহম্মদ দুরদর্শিতার সাথে তার চরিত্রের কারিশমা দিয়ে বিশাল অনুগত বাহিনী গঠন করেছিলেন এবং বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে কুরানের ছত্রগুলি 'নাযিল' করেছেন, তখন কুরান আমার কাছে একজন স্বল্পশিক্ষিত মেধাবী পুরুষের বিভিন্ন সময়ে বলা বাণীসমুহের সংকলন ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না, যার অনেক কিছুই পরবর্তীতে সংশোধিত হয়েছে, বা ভুল প্রমানিত হয়েছে। "


এইখানে দেখেন আপনার বক্তব্যটা। আপনি বলেছেন আপনার ইসলাম সম্পর্কে তেমন পড়েননি। না পড়েই আপনি জানেন যে ইসলাম অশান্তির ধর্ম। সেটা প্রমাণ করার জন্য আপনি কিছু গোঁড়া মৌলবাদীদের উদাহরন টেনেছেন। এই যেমন আপনি কোরাণ পড়েননি, না পড়েই আপনি বুঝে গেলেন সেটা মুহাম্মদ (সাঃ) এর মনগড়া কাহিনী। আপনি মুহাম্মাদ (সাঃ) কে স্বল্পশিক্ষিত মেধাবী বানিয়ে দিলেন। তার মানে আপনি মুহাম্মাদ (সাঃ) জীবনীও পড়েননি। তিনি তো স্বল্পশিক্ষিত না, প্রচলিত শিক্ষায় সম্পূর্ণ অশিক্ষিত ছিলেন। এই যে আপনি না পড়েই কোন একটা বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত অন্য কারো কাছ থেকে শুনে অথবা ইসলাম-বিদ্ধেষী কারও প্রচারে সেটা কি আপনার মনে হয়না আনজস্টিফায়েড?
৩৮. ০৯ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪১
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন: "এখন যদি বলো আওতার কথা, স্পেসিফাই না করলে সেটা কুয়াশাচ্ছন্ন একটা স্টেটমেন্টই থেকে যায় না?

কুরানের আলোকে এবং রাসুলের হাদীসের আলোকে ইস্লামিক 'স্কলার'গন ইজমা কিয়াস ইত্যকার বর্ননা করেন, কিন্তু তার কয়টা আসলেই 'ডিভাইন' । সবই কি মুল থিম ঠিক রেখে আরব কালচারের মডিফায়েড রুলিংস নয়?

এইযে স্কলাররা তৈরি হয় মাদ্রাসা সিস্টেম থেকে, এই বিশ্বে এখন ইসলামিক যে শিক্ষা ব্যাবস্থা সেটা সম্পুর্নই বিশ্বাসীদের জন্য এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত। সুতরাং নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে যদি কেউ এসব রুলিংস 'কাউন্টার' করে সে্টা কি এলাউ করা হয়?

আমি সেই ইসলাম সাপোর্ট করবো যেটা গাইডলাইন হিসেবে থাকবে, কিন্তু কোন রিজিড স্ট্রাকচার যখন আমাকে অনুসন্ধিৎসু হতে নিষেধ করবে আমি তখন বিদ্রোহ করবো।

এই মুহুর্তের ইসলাম মৌলবাদী ইসলাম, আলো বাতাস হীন, আমাকে একদমই আকর্ষন করে না।"



আরব কালচারের মডিফায়েড রুলিংস কিনা সেটা ব্যক্তির দৃষ্টিভংগির উপর নির্ভর করে, তাই সেটা নিয়ে আমি কোন তর্কে যাচ্ছিনা। আওতার কথা বললাম আমার মনে হয় সেটা আপনার বুঝার কথা। কোন সাবজেক্টের ব্যাপক আওতা তখনই বলি আমরা যখন সেটা অনেক বিষয়ে বিস্তারিতভাবে টাচ করে। এখন আপনি নাস্তিক হন বা আস্তিক হন, আমার মনে হয় এটা স্বীকার করতে কোন সমস্যা নেই যে ইসলাম জীবনের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ টাচ করে।

আর এই যে বললেন ইসলামিক শিক্ষা শুধুই বিশ্বাসীদের জন্য এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত সেটাও ঠিকনা। বিশ্বের বড়বড় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলাম সম্পর্কে পড়ানো হয়। ইসলামিক স্টাডিজ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে। সেখানে যারা পড়াচ্ছে তাদের মধ্যে প্রচুর সংখ্যক লোক মুসলিম না, যারা পড়তেছে তাদের মধ্যেও প্রচুর অমুসলিম আছে। তাই যে কোন নাস্তিক, অমুসলিম অথবা অবিশ্বাসী কিন্তু নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকেই ইসলাম সম্বন্ধে জানতে পারে।


আর আপনি বললেন আপনি সেই ইসলামকে সাপোর্ট করবেন যেটা একটা লুজ গাইডলাইন হিসেবে থাকবে কিন্তু রিজিড না। তার মানে আপনার নাস্তিকতার প্রতি পুরোপুরি বিশ্বাস নেই। আপনি এবসলিউট নাস্তিক না। নাস্তিক হলে আপনি কোন ধর্মকেই, সেটা রিজিড হোক আর লুজ হোক, সাপোর্ট করতেননা। আর যদি রিজিড স্ট্রাকচার পছন্দ না করেন তাহলে তো আপনি অন্য অনেক ধর্ম যেখানে রিজিড স্ট্রাকচার নেই সেসব ধর্মের যেকোন একটা পালন করতে পারেন। আমি এটা বলছি এজন্য যে আপনার কথাবার্তায় আমি আগেও বুঝেছি, এখন আরো পরিষ্কার হলাম যে, আপনি নাস্তিক না। আবার আস্তিক না। হয়ত এগনস্টিক-টাইপ।
৩৯. ০৯ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫
হ্যারি সেলডন বলেছেন: এত কথা বললাম আপনার কমেন্টের জবাব দেওয়ার জন্যই শুধু। আপনাকে নাস্তিক থেকে আস্তিক বানানোর বিন্দুমাত্র ইচ্ছে আমার নেই। আপনার বিশ্বাস নিয়ে আপনি খুশি আমার বিশ্বাস নিয়ে আমি।


আমাদের মূল পয়েন্ট নিয়েই আমি আলোচনা করতে চাই শুধু। সেটা হচ্ছে কিছু উগ্রপন্থী মুসলিমদের কাজকর্ম দিয়ে ১।৪ বিলিয়ন মানুষের একটা ধর্মকে অশান্তির ধর্ম বলাটা জাস্টিফায়েড কিনা।
৪০. ০৯ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:৫৭
নেমেসিস বলেছেন: আলোচনা জমে উঠছে । ধন্যবাদ দুজনকেই ।
৪১. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: দেখতো:

আমি বলেছি: এইযে স্কলাররা তৈরি হয় মাদ্রাসা সিস্টেম থেকে, এই বিশ্বে এখন ইসলামিক যে শিক্ষা ব্যাবস্থা সেটা সম্পুর্নই বিশ্বাসীদের জন্য এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত। সুতরাং নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে যদি কেউ এসব রুলিংস 'কাউন্টার' করে সে্টা কি এলাউ করা হয়?

তুমি বলেছ: আর এই যে বললেন ইসলামিক শিক্ষা শুধুই বিশ্বাসীদের জন্য এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত সেটাও ঠিকনা। বিশ্বের বড়বড় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলাম সম্পর্কে পড়ানো হয়। ইসলামিক স্টাডিজ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে।

এখন বলো, ইসলামি শিক্ষা ব্যাবস্থা বলতে আমি কি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বুঝিয়েছি?

আমার পয়েন্টটা তুমি সম্পুর্ন এড়িয়ে গেলে। কেন?

আসলে তথাকথিত স্কলাররা 'স্কলার' কারন 'বিশ্বাসীরা' তাদের সেই নামে ডাকতে পছন্দ করে, অনেকটা "আমাদেরও নিজস্ব দার্শনিক আছে, এই দেখো!"

কিন্তু আসলে এইসব স্কলাররা কি মুক্তচিন্তা করতে পারে? তারা কি সেই প্রাচীন 'থিম' এনহেন্স করার কাজে প্রযুক্ত নয়? (এখানে যথেষ্ট সুগার কোট করে বললাম কারন ইদানীং প্রাপ্ত স্কলার গনের মুল কাজ হলো ইসলাম কিভাবে 'পরিপুর্ন জীবন বিধান' তা প্রমান করার কাজে।)
সেই প্রসঙ্গে একটু পরেই আসছি।
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: ঠিক বুঝলাম না, আরিফভাই। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচালিত ইসলামি স্টাডিজ কি ইসলামিক শিক্ষা না? আপনি বলেছেন ইসলামিক শিক্ষা ব্যবস্থা সেটা শুধু বিশ্বাসীদের জন্যই। আমি সেজন্যই বললাম আপনাকে ইসলামিক স্কলার হওয়ার জন্য বিশ্বাসী হওয়ার প্রয়োজন নেই। এমনকি মিশরের আল-আজহারে খ্রিস্টান ইসলামিক স্টাডিজ শিক্ষক আছেন, সেটা প্রিডমিনেন্টলি মুসলিম দেশ। মাদ্রাসা শিক্ষিতদেরকেই কি আপনি ইসলামিক স্কলার বলতেছেন? আমার কাছে যে কেউ খুব ভালভাবে ইসলাম নিয়ে পড়ালেখা করলে সেই ইসলামিক স্কলার।

৪২. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০
আরিফুর রহমান বলেছেন: হেরি বলেছে:
আর আপনি বললেন আপনি সেই ইসলামকে সাপোর্ট করবেন যেটা একটা লুজ গাইডলাইন হিসেবে থাকবে কিন্তু রিজিড না। তার মানে আপনার নাস্তিকতার প্রতি পুরোপুরি বিশ্বাস নেই।

হুমম... কিভাবে তুমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলে! বুঝলাম না।

গাইডলাইন কি একটা থাকে দুনিয়ায়?

হেরির মতে: আর যদি রিজিড স্ট্রাকচার পছন্দ না করেন তাহলে তো আপনি অন্য অনেক ধর্ম যেখানে রিজিড স্ট্রাকচার নেই সেসব ধর্মের যেকোন একটা পালন করতে পারেন।

কেন মনে হলো তোমার যে কোন না কোন ধর্মই পালন করতে হবে? ধর্ম ছাড়া কি দুনিয়া চলে না?
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনি বলেছেন "আমি সেই ইসলাম সাপোর্ট করবো যেটা গাইডলাইন হিসেবে থাকবে, কিন্তু কোন রিজিড স্ট্রাকচার যখন আমাকে অনুসন্ধিৎসু হতে নিষেধ করবে আমি তখন বিদ্রোহ করবো।"


তার মানে আপনি গাইডলাইন হিসেবে থাকলে তখন ইসলামকে সাপোর্ট করবেন, তাই না? ইসলাম তো একটা ধর্ম, যদি আপনি সেটা রিজিড স্ট্রাকচার না থাকলে সাপোর্ট করেন তাহলে তো আপনি তখনও একটা ধর্মকেই সাপোর্ট করতেছেন। আর ধর্মকে সাপোর্ট করলে আপনি কিভাবে নাস্তিক হন? সেজন্যই আমি বলেছি যে ইসলামের যেহেতু রিজিড স্ট্রাকচারের জন্য সাপোর্ট করতাছেননা, তাহলে রিজিড স্ট্রাকচারলেস ধর্মের তো অভাবে নেই।

ধর্ম ছাড়া দুনিয়া খুব ভালভাবেই চলে। আমি সেটা বলছিনা। আমি আপনার কথা সূত্র ধরেই বললাম যে আপনি চাচ্ছেন ইসলামের লুজ স্ট্রাকচার যেটা গাইডলাইন হিসেবে থাকবে। তখন আপনি সেটাকে সাপোর্ট করবেন, সেটা তো ধর্মের কাছে ফিরে যাওয়া হল। নাস্তিক মানেই তো সে ধর্মের কাছে যাবেনা।

৪৩. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮
হিমু রুদ্র বলেছেন: আরিফভাই, সৌদী লবীর প্রোপাগান্ডায় বিশ্বাস করিনা। কারণ সৌদীআরবে ইসলাম নেই। তাছাড়া সৌদী শেখরা নাতিনের বয়সী মেয়ে আর মদ নিয়ে ব্যস্ত। প্রোপাগান্ডা করার জন্য তাদের সিএনএন অথবা ফক্স নেই। নিউইয়র্ক টাইমস অথবা টাইম/নিউজউইক নেই। আল-জাজীরা আমি দেখিনা, আরব বিশ্ব ছাড়া অন্য কেউ দেখেনা কারণ এটা আরবীতে। তাই তারা কিভাবে প্রপাগান্ডা করতেছে সেটা জানিনা। আমি তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের মত সাম্রাজ্যবাদীর সবচেয়ে বড় দালাল হিসেবে জানি। সৌদী আরবের শাসক গোষ্টী যেহেতু অবৈধ শাসক তাই ক্ষমতায় থাকার জন্য তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের মনোরন্জন করতে হয়, তাছাড়া তার ওয়াহাবী।

---------------------একমত। সৌদি আরবে যে ইসলাম ব্যবস্থা চালু রয়েছে... সেটা প্রকৃত ইসলাম নয়।
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: ভাগ এইখান থেকে। যেখানে সেখানে মুখ দাও কেন?

৪৪. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: ইন্টারেস্টিং হেরি, কারন অমর্ত্যসেন বাদশা আবদুল্লাহকেই কোট করেছে, তাও একটা সম্মেলন থেকে, যেখানে আমরা জানি যেকোন সম্মেলনেই সবাই ভালো ভালো কথা বলে, কিন্তু কাজের বেলায় কি হয়?
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: বস্‌, সত্যি কিছুই বুঝলামনা। অমর্ত্যসেন কি কোট করল? কোথায়? আমি টিউব-লাইট, বুঝতে দেরি হয়!

৪৫. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: সৌদিদের বিষয়ে তুমি বলছ: ..........তাই তারা কিভাবে প্রপাগান্ডা করতেছে সেটা জানিনা... Click This Link

এইটা দেখলে মনে হয় বুঝবে, কিভাবে সৌদিরা ইসলামের নামে তোমার কাছেও পৌছে গেছে, এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কি ধরনের 'স্কলার' তৈরি করছে।
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: আরিফভাই, দেখলাম। লিংকের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু এসব খুচরো কয়েকটা ফান্ডিংকে বিবিসি-সিএনএন, ফক্স নিউজের স্কেলে ধরার যুক্তি নেই। তাছাড়া এটা তারা এখন করতেছে, তার মানে এর আগে গত ৫০/৬০ বছর এদের কোন ইফেক্ট ছিলনা। হারভারডে ফান্ডিং দিয়ে ইসলামিক স্টাডিজ পড়ানো যাবে কিন্তু সৌদিদের মনমত পড়ানো যাবে কিনা সেটার বিরাট প্রশ্ন। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা পড়বে তারা বোমা মারবেনা আর তাদের ব্রেন-ওয়াশ করার সুযোগ আছে বলে মনে করিনা।

৪৬. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১
আরিফুর রহমান বলেছেন: তোমার দেয়া লিংক থেকেই তো দিলাম, ২ নম্বর।

(আমিও টিউবলাইট হতে পারি, আসলে অফিসে ব্যাস্ততার মাঝে লিখতে হচ্ছে, আশেপাশে এন্জিনিয়াররা নরকগুলজারে ব্যাস্ত... ;) )
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা.........বুঝলাম।

৪৭. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
সুশীল সমাজ বলেছেন: সুন্দর আলোচনা।
একটা ছোট প্রশ্ন দিয়ে শুরু করছি।

৫৭০ সালে সৌদি আরবে লোক সংখ্যা কতো ছিলো?
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: ক্যাচাল কেমুন আছ? তোমারে অনেক দিন দেখিনা কেন?

৪৮. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
সুশীল সমাজ বলেছেন: ৬০০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলো আনুমানিক ২০০ মিলিয়ন মানে ২০ কোটি। তার মধ্যে চীনে ২৩ মিলিয়ন, ভারতে ২৬ মিলিয়ন, ইউরোপ ১৩ মিলিয়ন, আফ্রিকাতে ১০ মিলিয়ন, ভারত ছাড়া এশিয়াতে ১৮ মিলিয়ন এবং অন্যান্য ৪ মিলিয়ন।

Source: Colin McEvedy and Richard Jones, Atlas of World Population History (Penguin, 1978)
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: ক্যাচাল, আমি তোমার সাথে আরবের বাইরে এত লোকসংখ্যা থাকতেও কেন সেখানে নবী নাজিল হলনা সেই আলোচনায় যাচ্ছি না ব্রো!

০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৫০. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩
আরিফুর রহমান বলেছেন: তার মানে আপনি গাইডলাইন হিসেবে থাকলে তখন ইসলামকে সাপোর্ট করবেন, তাই না? ইসলাম তো একটা ধর্ম, যদি আপনি সেটা রিজিড স্ট্রাকচার না থাকলে সাপোর্ট করেন তাহলে তো আপনি তখনও একটা ধর্মকেই সাপোর্ট করতেছেন।
-------------

হেরি, একটা গাইডলাইন, অনেক গাইডলাইন... হোয়াটস দ্য ডিফরেন্স, দে আর অল গাইডলাইনস... আরন্‌ট দে? নট 'পরিপুন জীবন বিধান'..!!

আমি বিশ্বাস না করতেই পারি, কিন্তু কেউ যদি বলে:

"এইযে ধর্মটা দেখুন, কি সুন্দর সুন্দর কথা বলেছে, একটাও বুজরুকি বা ধান্দাবাজি কথা বা কাজের আষ্কারা নেই..." ,

তখন আমি কি করবো জানো? ধর্ম বা গাইডলাইনটা পড়ে দেখবো যদি কোন কথা আমার পছন্দ হয়। হলে বলবো, "ইসলামে ভালো কথাইতো বলে, কোন খারাপ কথা নেই, কখনো বলেনি বিধর্মীদের কোতল কর... সুতরাং এটা একটা ভালো ধর্ম,"

তার মানে কিন্তু এই নয় যে আমি সেই ধর্মে দীক্ষীত হবো...

(হায়, আসলেই যদি বলতে পারতাম...!! :( )


০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭

লেখক বলেছেন: আরিফভাই, আপনার প্রতি শ্রদ্ধা অনেক বেড়ে গেল।

৫১. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১১
সুশীল সমাজ বলেছেন: ////লেখক বলেছেন: ক্যাচাল কেমুন আছ? তোমারে অনেক দিন দেখিনা কেন?////

ধন্যবাদ মনে রাখার জন্য। আসলে এখন সামোয়ারে কিছু ব্লাইন্ড পুলাপান আইসা গেছে যাদের কাছে লজিকের কোন দাম নেই। তাই আসা হয় না তেমন একটা।

///লেখক বলেছেন: ক্যাচাল, আমি তোমার সাথে আরবের বাইরে এত লোকসংখ্যা থাকতেও কেন সেখানে নবী নাজিল হলনা সেই আলোচনায় যাচ্ছি না ব্রো! ///

কেন যাচ্ছেন না? এটা কি আপনাদের আলোচনার বাইরের বিষয়বস্তু। এই একটা দিক নিয়ে চিন্তা করে দেখুন একটু নিরপেক্ষভাবে। বুঝতে পারবেন , মুহম্মদ আল্লাহ ফেরিত কোন মানুষ নন, উনি আমাদের মতোই।তবে বুদ্ধিমত্তায় লাখো গুন এগিয়ে আমাদের চেয়ে।


০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: অই মিয়া, আপনি আপনি করে কথা কও কেন? আমি "নরাধম" কইতাছি।

মুহাম্মাদ আল্লাহ প্রেরিত নবী না মানুষ সেটা নিয়ে কথা বলা এই পোস্টের উদ্দেশ্য না। এটা হচ্ছে মিডিয়া আর অলটারনেটিভ জার্নালিজম নিয়ে পোস্ট। তোমার বেশি ইচ্ছে হইলে তুমি আলাদা পোস্ট দাও। আমার ওসব আলোচনা করার ইচ্ছে নেই। ব্লগে সব রকমের ধর্মীয় আলোচনার বিপক্ষে আমি। চামে পড়ে করতে হয়।

৫২. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: এটা খুবই স্বাভাবিক। যখন কোন ধর্মের লোকজন মনে করে যে টাদের ধর্মের প্রবর্তককে একটা অন্য ধর্মের লোকজন হত্যা করেছে নির্মমভাবে আর চার্চগুলোতে পাদ্রীরা সেটা প্রচার করেন তাহলে সাধারণ খ্রীস্টানরা তাদেরকে ঘৃণা করবেই।

তুমি সবকিছু ধর্মের চোখ দিয়ে দেখছ! গল্পের কুমিরের মতন।

আরো যে পাঁচটা পয়েন্ট তোমার চোখেই পড়লো না...!!! তাজ্জব কি বাত!
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: বস্‌, আমি তো সেই পাঁচটা পয়েন্টের সাথে একমত না। আমি বলেছি ইহুদী নিধণটা তাদের মজ্জাগতভাবে হাজার বছর ধরে ইহুদূ ঘৃণা থেকে এসেছে। এটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। আমি শেক্সপীয়ারের, বিলি গ্রাহামের মত মানুষের উদাহরণ দিলাম। ইথিওপিয়া একটা খ্রীস্টানপ্রধান দেশ, ৬০% খ্রীস্টান। কোন ইহুদী নেই সেখানে। কিন্তু তবুও সেখানকার খ্রীস্টানরাও ইহুদীদেরকে ঘৃণা করে, শুধু ধর্মীয় কারণেই। যদি অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য কারণ যা বলেছেন তাই হত তাহলে যেসব দেশে ইহুদী নেই শুধু খ্রীস্টান আছে সেসব দেশে তো ইহুদী ঘৃণা থাকতনা। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স যে জার্মানিকে ইহুদী নিধনে প্রথম থেকেই বাঁধা দেয়নি, বরং যখন আক্রমণ করার পর যুদ্ধে গিয়েছে সেটাও ইহুদী ঘৃণা থেকেই। হিটলারের মাথায় ছিট ছিল সেটা স্বীকার করি, সে সাইক ছিল। কিন্তু জার্মানির বিরাট জনসংখ্যা হিটলারকে সাহায্য করেছে ইহুদী ঘৃণা থেকেই। সেই ঘৃণাটা হাজার বছরের। জার্মানি আর অস্ট্রিয়া যখন একটা দেশ ছিল মানে যখন প্রুশিয়া ছিল সেসময়ে বিসমার্কের আমলেও কিন্তু অত বড় স্কেলে না হলেও ইহুদী নিধন হত। ইটালীতে মুসোলিনীও কিন্তু ইহুদী-নিধন করেছে আর অনেক সাধারণ ইটালিয়ানরা তাকে সাহায্য করেছে।

"লাইফ ইজ বিউটিফুল" দেখেছেন নিশ্চয়ই। "No dogs and Jews" লেখা সাইনবোর্ড দোকানে ঝুলত, সাধারণ মানুষের দোকানে। সেটা ত ধর্মীয় কারণেই।

৫৩. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
সুশীল সমাজ বলেছেন: সরি , আজকাল মাথা ঠিক মতো কাজ করে না। চালাইয়া যান। ধর্ম নিয়ে পোস্টামো না আর আমি ও।
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: ক্যাচাল, তোমারে ভালা পাই সেটা তুমি নিশ্চয়ই জান। পোস্ট দাও না দাও, রাজাকার খেদানোতে কিন্তু তোমারে লাগব। অন্তত কমেন্ট কর মাঝে মাঝে।

৫৪. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২১
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: কমিউনিজম যেমন বাতিল হইয়াও টিকে থাকে দঃকোরিয়া, কিউবা আর চীনে। শাসক আর রাজনীতিবিদগো পছন্দমত, সুবিধামত।
ইসলামও দুনিয়ায় দাপাইয়া চলতাছে শাসক আর রাজনীতিবিদ আর ধর্মীয়নেতাগো সুবিধামত। তয় পার্থক্য হইলো কমিউনিজমরে যত সহজে বাতিল করা যায়, ইসলামরে তা যাইবো না। কারন হ্যারি সেলডন, হিমু রুদ্র, ত্রিভূজ আর আস্তমাইয়ারা নিজেদের মত কইরা ইসলামরে বানাইয়া লইছে। পার্থিব আর বৈষয়িক সুবিধাদি আর জীবন স্বাচ্ছন্দ বৃদ্ধিতে ইসলাম বা ধর্মের কোন ভূমিকা নাই বরং ধর্মীয় নেতারা তা আত্মসাত করে। আমাগো ইসলামপছন্দ জ্ঞানীগনের যতদিন পার্থিব আর বৈষয়িক সুবিধাদির সরবরাহ নিশ্চিত থাকবো ততদিন তাগো ইসলামিক স্বত্বা বজায় রাইখ্যা গলা ফাটাইবো।
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা...........পোস্ট পড়েননি, এম্নিতেই কমেন্ট করলেন। পার্থিব আর বৈষয়িক কোন সুবিধা পাইনা, নিজের ঘাম ঝড়ানো পরিশ্রমে মানুষ। নিজের কষ্ট করা উপার্জন করে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছি এসএসসি'র পর থেকে। এটা কোন ইস্লামিক পোস্ট না। এটা মিডিয়া, প্রোপাগান্ডা আর অলটারনেটিভ জার্নালিজমের পোস্ট, যদিও কমেন্টগুলো বেড়াছেড়া হয়ে ধর্মের দিকে চলে গিয়েছে, আমার সে ইচ্ছে ছিলনা।

ছাগুরাম, ধান্ধ্যাবাতি এদের সাথে মিলাইতে আসেননা। পরের বার কমেন্ট করার আগে পোস্ট পড়ে করবেন আর পোস্টদাতা সম্পর্কে জেনে করবেন। আমি ছাগু ছাড়া অন্যদের কমেন্ট মুছিনা, তাই এটাও মুছলামনা।

আপনাদের মত অর্ধেক বুঝা চরম ইসলাম বিদ্বেষীরাই পরবর্তীতে আল-মাহমুদ, ফরহাদ মজহার, শাজাহান সিরাজ, মান্নান-ভুঁইয়া হয়ে জামাতিদের কাছে বিক্রি হয়। মডারেট মুসলিমরা না।


মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫৫. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: এটা হচ্ছে মিডিয়া আর অলটারনেটিভ জার্নালিজম নিয়ে পোস্ট?????
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: মুল থিম সেটাই ছিল। পরে অলিগলি ভেদ করে হিটলার, িহুদীতে গিয়ে ঠেকেছে। আমার মূল প্রশ্ন ছিল যে আপনি এস্টাবলিশড মিডিয়ার কথা শুনে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে ইসলাম অশান্তির ধর্ম। আমি আপনাকে বলেছি কিছু অলটারনেটিভ জার্নালিজমের কাহিনীও শুনেন, কাউন্টার পান্ঞের কথা বলেছিলাম। আপনি আপনার ব্লগে প্রথম কমেন্ট থেকে আমার পোস্টে আসেন। পরে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়লেও ধর্ম বিষয়ে পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছে ছিলনা। কথা বাড়তে বাড়তে ডাল-পালা ছড়িয়ে গেছে। মুল থিমটা ছিল ইসলাম আর সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রচলিত মিডিয়ায় সঠিক খবর পাওয়া যায়না, তাই অলটারনেটিভ জার্নালিজম কি বলে সেটা শুনা দরকার। আমি নওম চমস্কি, তারিক আলী, এডওয়ার্ডের লিংক দিয়েই পোস্ট শুরু করেছিলাম।

৫৬. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: হেরি, তুমি রাজাকার আর ইসলামি পোস্ট দুইটার উদ্দেশ্য ভিন্ন মনে কর তাইলে?
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩

লেখক বলেছেন: শুনেন, জামাতি ইসলামী ইসলাম না। জামাতি ইসলামী ইসলামকে প্রতিনিধিত্ব করেনা। তারা যেমন মুক্তচিন্তার শত্রু তেমন ইসলামেরও শত্রু। আমার "নরাধম" নিকের শেষ পোস্টে গেলে দেখবেন আমি তাদেরকে ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু বলেছি, কারণ তারা ভিতর থেকে ইসলামকে ধংস করে, িসলামের নাম নিয়ে যুদ্ধাপরাধকে হালাল করতে চাই।


আপনি কি কখনও দেখেছেন আমাকে উটুল, অন্যান্য ড়াজাকরদের কোরআনের আয়াতে মন্তব্য করতে? ত্রিভুজ ইসলাম গুরুপ খোলাতে আমি সে গুরুপেও যোগ দিইনি।

ড়াজাকাররা ইসলামকে ব্যবহার করতেছে সেটা ঠিক, কিন্তু সব ইসলামপ্রেমীরা রাজাকার না। তাই রাজাকারী বিরোধীতা করার জন্য ইসলামকে গালি দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা। বরং জামাতকে প্রতিরোধ করার সবচেয়ে বড় উপায় হচ্ছে সাধারণ মানুষকে বুঝানো যে জামাত আসল ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু। আমি সেটা করি বলেই সব রাজাকারদের ব্লগে আমি ব্লক। ধান্ধ্যাবতি, তিনকোনা, ফারজানা, উটুল, ঘুড়ে মলম সবার ব্লগেই আমি ব্লকড। এস্কিমোভাই সবার ব্লগে ব্লকড না, তার মানে তারা ভয় পায় যে ইসলামের কথা বলে জামাতের বিরোধীতা করে তাদেরকে। নাস্তিকরা তাদের বিরোধীতা করলে তাদের সুবিধা, মানুষকে বলতে পারবে যে এই দেখ ইসলামের শত্রু নাস্তিক আমাদেৃর বিরোধিতা করতেছে তার মানে আমার সঠিক ইসলাম পালন করি!


তাই ড়াজাকারদের শায়েস্থা করার জন্য ইসলাম ভালমতে জানা দরকার, তারা যে ইসলামের শত্রু সেটা বলা দরকার। সেটা আপনি বললে লোকজন বিশ্বাস করবেনা, আমি বললে করবে। আমার সাথে জামাতের শত্রুতা আপনার চেয়ে দ্বিগুন। একটা ৭১ আরেকটা ইসলাম।



আরিফভাই, সারারাত ঘুমায়নি। এখন সকাল ৮ টা। ঘুমাতে যাচ্ছি। প্রাসংগিক মন্তব্যের জবাব পরে দিব। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৫৭. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
সুশীল সমাজ বলেছেন: ইস্লাম শান্তি কেম্নে আনলো, এটা বুঝার ট্রাই করছি অনেক। কোন্মতেই হিসেব মিলে না রে ভাই।
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: হিসাব না মিললে একাউন্টিং শিখ। ব্যালান্স শীট মিলে যাবে। আর এত কষ্ট করে হিসাব মিলানোর কি দরকার? সব হিসাব মিলেনা। আর এই পোস্টের কোথাও ইসলাম শান্তি এনেছে বলে দাবি করা হয়নি। আবার অশান্তি এনেছে বলেও দাবি করা হয়নি। তাই বুঝার টেরাই করতে গিয়ে বেশি বুঝে ফেলনা আবার!

৫৮. ০৯ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: লেখক বলেছেন: বস্‌, আমি তো সেই পাঁচটা পয়েন্টের সাথে একমত না।

হেরি, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, তুমি চোখ খুলতে চাও না (অন্ধও বলতে পারতাম, বললাম না) ;)

সবকিছু ধর্মের চোখ দিয়ে দেখা মানে হলো নিজেকে সংকীর্ন একটা গলিতে ঢুকিয়ে ফেলা যার দুপাশে উঁচু দেয়াল তোমাকে অন্য কিছু দেখতে বা যাচাই করতে দিচ্ছে না।

'এ মুহুর্তের ইসলাম' আসলে রেডিক্যল ইসলাম যা দুনিয়া গ্রাস করতে উদ্যত। তুমি ভাবছ, "ভালই তো... আমার মতের লোক দুনিয়ায় বাড়বে, সমস্যা কি!"

সমস্যা হলো এই ইসলাম 'ভিন্নমত' একেবারেই সহ্য করতে পারে না, বরং রিএক্ট করে ভীষন ভায়োলেন্টলি। তুমি কার্টুন নিয়ে মোল্লদের মিছিলের জঙ্গীরুপ দেখে কি তাদের সাথে একাত্মতা বোধ করো? নাকি কার্টুনিস্টের জন্য দুঃখ বোধ করো।

এই ইসলামের আওতায় থাকা ভিন্নমতাবলম্বীরা নিরাপদ নয়, এই ভার্চুয়াল ব্লগেই প্রচুর থ্রেট করা হয় আমাকে এবং অন্যদের যে নাম ঠিকানা পেলে তাদের দেখে নেয়া হবে। কেন? কেন তারা এমন থ্রেট দেবে, কেন তুমি তাদের বলবে না যে এটা ঠিক নয়। অথচ তুমি নিজেকে ইসলামি বল!

ডেনমার্কের কার্টুনিস্টকে যখন সপরিবারে হত্যা করা হয় এবং হত্যাকারী যখন দম্ভভরে বলে সে ঐকাজ আবারও করবে তখন তুমি কাকে দায়ী মনে করবে, ঐ লোকটাকে, নাকি ইসলামকে যে ইসলাম নাকি বলেছে মুহম্মদের ছবি আঁকা যাবে না?


রেডিকাল ইসলামই বিভিন্ন পরতে পরতে মুসলিমকে উদ্বুদ্ধ করে, উগ্র করে, মুখের দুপাশে ফেনা তুলে তারা নারায়ে তাকবীর, আল্লাহুয়াকবার রব তোলে, জোশ জাগিয়ে তোলে সব অ-ধর্মের ধ্বংস সাধনে। এই নামেই তারা মন্দির ভেঙে ফেলে, বিধর্মীদের লাঞ্ছিত করে। হিন্দু বা অন্যান্য ধর্মও এসব করে, কিন্তু তা কি ভদ্রলোকের জন্য কোন এক্সকিউজ হওয়া উচিৎ?

আমি জানি তুমি এ রকম নও, কিন্তু ইজন্ট ইট এবাউট টাইম উই থিঙ্ক আউট অব দ্য বক্স?

১০ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: আরফিভাই, হাহাহাহা.........সবসময় পড়তেছি নওম চমস্কি, এডওয়ার্ড সাইদদের লেখা, আমার রুমমেট নাস্তিক, এর আগে আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু যে মারা গিয়েছে, যার সাথে আমি প্রচুর সময় কাটাতাম সে ছিল নাস্তিক, ব্লগেও আমার সাথে ইন্টারেকাশান বেশী হয় নাস্তিক অথবা এগনস্টিকদের সাথে, হিন্দুধর্মকে বা অন্যকোন ধর্মকে আক্রমণ করলে আমি সবার আগে কতৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করি, তারপরও যদি আপনার মনে হয় আমি অন্ধ, কারণ আপনার "কিছু মৌলবাদীর কাজকর্ম দ্বারা সম্পূর্ণ ইসলামকে যাচাই করতেছিনা", তাহলে আমার আর কিছুই বলার নেই। বলা যায় আমি যদি জানতাম আপনি আমাকে ঐসব মৌলবাদী ভন্ডদের মতই মনে করেন তাহলে আপনার সাথে এত বড় লম্বা আলোচনায় যেতামনা। সবকিছু ধর্মের চোখ দিয়ে দেখা যেমন অন্ধত্বের লক্ষণ তেমনি গুটি কয়েক মৌলবাদীদের কাজকর্মের উদাহরণ টেনে ১.৪ বিলিয়ন মানুষের ধর্মকে অশান্তির ধর্ম বলাটাও কিন্তু অন্ধত্বের লক্ষণ। যাক আমি এটা নিয়ে আর কথা বলছিনা। আমি কেন আপনার পাঁচটা পয়েন্টের সাথে একমত না সেটা কয়টা উদাহরন আর কারণ দেখালাম, আপনি সেগুলো সম্পর্কে কিছুই বলতেছেননা। আপনার কারণগুলো যদিও অনেকটাই প্রাসংগিক কিন্তু সেগুলো মুল কারণ না। আপনি হলোকাস্টকে খালি জার্মানি আর ২য় বিশ্বযুদ্ধের আগের ২০/৩০ বছরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতেছেন অথচ ইহুদী-নিধণ এবং ইহুদী-ঘৃণা সেটা হাজার বছর থেকে হয়ে আসছে। আপনিই বলেছেন তারা সবজায়গায় বহিরাগত ছিল। কেন? শুধু ইহুদী বলেই তো, তাইনা? ১২০০-১৭০০/১৮০০ শতকে তো ইহুদীরা ধণী ছিলনা, তাদের সামাজিক প্রতিপত্তিও ছিলনা কিন্তু উইচ হান্টের সময় প্রচুর ইহুদীকে হত্যা করা হয়েছে, ক্রুসেডের সময় ইহুদীকে হত্যা করা হয়েছে। যাক একই কথা রিপিট করতে করতে আমার গলা ব্যাথা হয়ে গেল।

আমি কার্টুন নিয়ে মোল্লাদের ভায়োলেন্ট রিএকশানকে যেমন ঘৃণা করি তেমনি ডেনিশ পত্রিকাটার ডাবল স্ট্যান্ডার্ডকেও ঘৃণা করি। তারা জিসাসের কার্টুন যেখানে তাকে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে দেখানো হবে সেটা কোনদিন ছাপাবেনা। আপনি শুধু মোল্লাদের রিএকশানটা দেখেন আর ডেনিশ পত্রিকার ডাবল স্ট্যান্ডার্ড দেখছেননা। আমি দুটাই দেখছি। আমাদের অন্যের দৃষ্টিভংগীটা দেখাটা একদমই হয়না, খালি একপক্ষেই দেখি।




"এই ইসলামের আওতায় থাকা ভিন্নমতাবলম্বীরা নিরাপদ নয়, এই ভার্চুয়াল ব্লগেই প্রচুর থ্রেট করা হয় আমাকে এবং অন্যদের যে নাম ঠিকানা পেলে তাদের দেখে নেয়া হবে। কেন? কেন তারা এমন থ্রেট দেবে, কেন তুমি তাদের বলবে না যে এটা ঠিক নয়। অথচ তুমি নিজেকে ইসলামি বল!"

কেন এরকম একটা অভিযোগ আমাকে দিলেন সেটা বুঝে আসলনা। আমি যেখানেই ভিন্নমতাবলম্বীদের দেখি সেখানেই তাদেরকে সম্মান করি। তাসলিমা নাসরীনের মত মানুষকে আমি আমার দেশে সম্মানের সাথে থাকতে দিতে চাই। আপনাকে কে কখন থ্রেট দিয়েছে আমি জানিনা তবে আমি অনলাইন থাকাকলীন যদি কেউ থ্রেট দিয়ে থাকে খোদার কসম আমি সেটার প্রতিবাদ করব। আমি ধার্মিক মা এবং বামপন্থি বাবার ছেলে। আমার প্রিয় লেখক হুমায়ুন আজাদ। আমার প্রিয় সিরিজ ফাউন্ডেশান যেখান থেকে আমার নিক এসেছে এবং এই ফাউন্ডেশান সিরিজে ধর্মকে আজগুবি হিসেবে দেখানো হয়।


"রেডিকাল ইসলামই বিভিন্ন পরতে পরতে মুসলিমকে উদ্বুদ্ধ করে, উগ্র করে, মুখের দুপাশে ফেনা তুলে তারা নারায়ে তাকবীর, আল্লাহুয়াকবার রব তোলে, জোশ জাগিয়ে তোলে সব অ-ধর্মের ধ্বংস সাধনে। এই নামেই তারা মন্দির ভেঙে ফেলে, বিধর্মীদের লাঞ্ছিত করে। হিন্দু বা অন্যান্য ধর্মও এসব করে, কিন্তু তা কি ভদ্রলোকের জন্য কোন এক্সকিউজ হওয়া উচিৎ?

আমি জানি তুমি এ রকম নও, কিন্তু ইজন্ট ইট এবাউট টাইম উই থিঙ্ক আউট অব দ্য বক্স?"

আপনার সাথে আমার মুল দ্বিমত এখানেই। আপনি ইসলামকে না পড়েই, না জেনেই ওয়েষ্টার্ণ চোখ দিয়ে ইসলামকে দেখতেছেন। রেডিকাল ইসলাম বলতে কিছু নেই। ইসলাম একটাই সেটা মডারেট। মৌলবাদীরা সকল ধর্মে আছে। সেসব মৌলবাদীরা যেমন মূল ইসলামকে প্রতিনিধিত্ব করেনা তেমনি তারা ইসলামের শত্রু। বিজেপী আরএসএস যেমন হিন্দুদের প্রতিনিধিত্ব করেনা, ব্রিটিস নেশনাল পার্টী যেমন খ্রীস্টানদেরকে প্রতিনিধিত্ব করেনা তেমনি মৌলবাদীরাও ইসলামকে প্রতিনিধিত্ব করেনা। আমার দুঃখ এখানেই যে আপনি ১.৪ বিলিয়ন মানুষের ৯৯.৯৯% লোকজনকে না দেখে ০.০১% লোকের কাজকর্মের উপর ভিত্তি করে বলে দিচ্ছেন ইসলাম অশান্তির ধর্ম আর সেটা যে ভুল সেটা একবারের জন্যও স্বীকার করছেননা।


ভদ্রলোকের এক্সকিউজের কথা যেটা বললেন সেটা সেলফ-কন্ট্রাডিকটরি, কারণ ভদ্রলোকরা মৌলবাদী না, আর তারা মৌলবাদকে ঘৃণা করে। আমি আপনাকে স্পষ্টভাবে বলছি আমি মৌলবাদকে ঘৃণা করি, কারণ সেটা প্রকৃত ইসলামের শত্রু। কিন্তু আমি ওয়েস্টার্ণ ব্রেণ-ওয়াশড চোখ দিয়ে সবকিছুকে দেখতে রাজিনা।




৫৯. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৩৪
ছায়ার আলো বলেছেন: আরিফ ভাই...আপনি বল্লেন:
"সমস্যা হলো এই ইসলাম 'ভিন্নমত' একেবারেই সহ্য করতে পারে না, বরং রিএক্ট করে ভীষন ভায়োলেন্টলি। তুমি কার্টুন নিয়ে মোল্লদের মিছিলের জঙ্গীরুপ দেখে কি তাদের সাথে একাত্মতা বোধ করো? নাকি কার্টুনিস্টের জন্য দুঃখ বোধ করো।"

আপনি কি "মোল্লাদের মিছিলের জঙ্গীরুপ" কে ইসলামের রূপ বলে মনে করছেন?
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: আমারও এই একটাই প্রশ্ন।

৬০. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ১:০৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: এই পোস্টে
Click This Link রাগ ইমনের কমেন্টটা প্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় এনে দিলাম।

৩০ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৩ রাগ ইমন বলেছেন: দ্রোহী , আপনি কোন মুসলিম নারীর ২য় অথবা ৩য় স্বামী হইতে চান ?

সন্ধ্যা , আরবের তৎকালিন বাস্তবতা আমি মনে হয় খুব একটা কম পড়ালেখা করি নাই । রাসূলের অনেক "বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় এবং বর্জনীয় " সিদ্ধান্ত তখনকার কন্টেক্সটে হয়ত জাস্টিফায়েড ছিলো । হয়ত বেস্ট ডিসিশন ছিলো না । কিন্তু বেস্ট পসিবল ডিসিশন ছিলো ।

ইসলামেই বলা আছে , পরিবর্তন প্রয়োজন এবং সময় ও কন্টেক্সটের পরিবর্তনে নিয়ম কানুন পালটে যাবে ।

এই সহজ সত্যটাকে না মেনে , উলটো যখন "১৪০০ বছর আগের " উদাহরন ২০০৭ সালের বাস্তবতায় "কাস্টমাইজ না করেই" এপ্লাই করে ইসলাম তথা মুসলিমদের "উম্মাহ" না করে "দুম্বাহ " হইতে চাপ দেওয়া হয় , তখন না খেপে উপায় থাকে না।

এখনকার এটিচুড দেখিস নাই ?
কোন প্রশ্নই করা যাবে না !
অথচ , কাপড় হাটুর নিচে নামলো কেন , এই প্রশ্নের জাস্টিফায়েড উত্তর দিতে না পারলে মুহম্মদের গর্দান নিয়ে নিতেন বলে হুমকি ঊমর দিয়েছিলেন ভরা মজলিসে , রাসূলের সামনেই ।

কোথায় সেই মুক্তমনা , সাহসী , প্রশ্ন করতে ভয় পায় না ইসলাম?

চোখ বন্ধ করে হুজুরের পা চাটা ইস্লামিস্টদেরই বেশি দেখি চারপাশে ।

ইসলাম নিয়ে এই ব্যবসাটা সহ্য হয় না ।

কেউ বানায় দেবতা , কেউ বানায় রাঁঢ় !
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: আমার মতামতের সাথে এটা একদম ১০০% মিল।


আমি এই মৌলবাদী ইসলামের বিপক্ষে। কিন্তু ইসলামের বিপক্ষে না। আমি কিছু মৌলবাদীদের কাজকর্মের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ ইসলামকে যাচাই করতে রাজি না।

৬১. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৬
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আমাদের কথাগুলো বেশি ফোকাসের বাইরে চলে যাচ্ছে। আমি এসব নিয়ে আর তর্ক করতে চাচ্ছিনা। যা বলার তা বলা হয়ে গেছে এবং যেকোণ যুক্তিযম্পন্ন পাঠক পড়লেই বুঝবে মুল থিমটা কি।



আমি শুধু আপনার কাছ থেকে একটা প্রশ্নের উত্তর চাই:

"কিছু মৌলবাদীর কাজকর্মকে টেনে এনে সম্পূর্ণ ইসলামকে অশান্তির ধর্ম বলাটা ঠিক কিনা?"


শুধু হ্যাঁ অথবা না, অন্য কোন প্রসংগ না।
৬২. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৭
অপ বাক বলেছেন: সেলডন সাহেব আপনার জন্য ৩টা হাদিস সাজিয়ে রেখেছি পোষ্টে- আপনার সহৃদয় বিজ্ঞ মন্তব্য পেলে কৃতার্থ হইতাম।
৬৩. ১০ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৩
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: হ্যারি সেলডন বলেছেন: আমি শুধু আপনার কাছ থেকে একটা প্রশ্নের উত্তর চাই:
"কিছু মৌলবাদীর কাজকর্মকে টেনে এনে সম্পূর্ণ ইসলামকে অশান্তির ধর্ম বলাটা ঠিক কিনা?"
শুধু হ্যাঁ অথবা না, অন্য কোন প্রসংগ না।

কিছু মৌলবাদীর কাজকর্মকে টেনে এনে কমিউনিজম, ক্যাপিটালিজম, হিন্দুইজম কে অশান্তির ধর্ম বলাটা ঠিক কিনা?

আর জামাতীগো ইসলাম, তালবানগো ইসলাম, আহমেদিনাজাদগো ইসলাম হইল নকল আসল ইসলাম - এইটা ক্যামনে কি?
১০ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:২৭

লেখক বলেছেন: দ্বিতীয়নাম, কিসের মধ্যে কি পান্তা ভাতে ঘি!

"কিছু মৌলবাদীর কাজকর্মকে টেনে এনে কমিউনিজম, ক্যাপিটালিজম, হিন্দুইজম কে অশান্তির ধর্ম বলাটা ঠিক কিনা?"

এটা কে বলেছে? হিন্দূইজম, ক্যাপিটালিজম এক হল? হাহাহা.....কোথায় বলেছে কে হিন্দুইজম অশান্তির ধর্ম? আমার কোন পোস্ট অথবা কমেন্ট?


"আর জামাতীগো ইসলাম, তালবানগো ইসলাম, আহমেদিনাজাদগো ইসলাম হইল নকল আসল ইসলাম - এইটা ক্যামনে কি?"

এইটা উপরের কমেন্ট আর পোস্ট পড়েন। তারপর বুঝবেন।

৬৪. ১০ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৪
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আর জামাতীগো ইসলাম, তালবানগো ইসলাম, আহমেদিনাজাদগো ইসলাম হইল নকল ইসলাম - এইটা ক্যামনে কি?
১০ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:২৯

লেখক বলেছেন: ঐটা ইসলামকে তাদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা।


আর আপনার সাথে তর্ক করার মত ধৈর্য আর সময় আমি দিতে রাজিনা। আরিফভাইয়ের সাথে কথা বলেছি কারণ তাঁর সাথে অনেক আগে থেকেই ভাল বন্ধুত্ব। ব্লগে ইসলামের পক্ষে আর বিপক্ষে আলোচনা করার জন্য আসিনা।

৬৫. ১০ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩১
আরিফুর রহমান বলেছেন: আমি শুধু আপনার কাছ থেকে একটা প্রশ্নের উত্তর চাই:

"কিছু মৌলবাদীর কাজকর্মকে টেনে এনে সম্পূর্ণ ইসলামকে অশান্তির ধর্ম বলাটা ঠিক কিনা?"


শুধু হ্যাঁ অথবা না, অন্য কোন প্রসংগ না।

---------------

অন্য কোন প্রসঙ্গ আনার প্রয়োজন নেই।

এই পোস্টের শুরু তুমি করেছ একটা অভিযোগ দিয়ে। সেটা মিডিয়ার ওপর নির্ভরতা বিষয়ক। খেয়াল করে দেখবে অভিযোগটা কিন্তু তোমার দ্বারা আরোপিত, বাস্তবের সঙ্গে যদিও এর কোন সম্পর্ক নেই।

একই রকম ভাবে উপরের প্রশ্নটাও তোমার মনের মতো করে সাজানো। অনেকটা চতুর লইয়ারের মত। এর কোন এক শব্দের উত্তর থাকা ঠিক নয়।

ফাইনাল কথা:

হ্যাঁ, যদি কেউ কোন একটা ইজমের রেফারেন্স দিতে পারে কুকর্ম করার সময় যে ঐ ইজমে এই কাজের কথা বলা হয়েছে, একবার নয়, বার বার, তখন ঐ ইজমকে দায়ী করাই উচিত হবে যতক্ষন পর্যন্ত কুকর্মকারী সেই ইজমের প্রসারের উদ্দেশ্যে নিবেদিত থেকে মুভমেন্ট চালিয়ে যাবে।

আমরা ইসলামে প্রচুর এরকম নিদর্শন দেখতে পাই। শুধু এই ব্লগেই এতো বেশি উদাহরন আছে যে আর কোথাও যেতে হবে না। সুতরাং ইসলামের নামে কেউ যখনই অপকর্ম করবে, তখন ইসলামের গায়ে কাদার ছিটে লাগবে না, এ কথা হলফ করে বলা যায় না।
১০ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪২

লেখক বলেছেন: বাদ দেন। অনেক হয়েছে। আপনার সাথে একমত না। তবে আপনার মতামতকে সম্মান করি। এ পোস্ট দেওয়াতে দ্বিতীয়নাম নামে এক ব্লগার আমাকে ছাগুরাম আর ধান্ধ্যাবাতির কাতারে ফেলে দিয়েছে। আমি মনে করেছিলাম আপনি প্রতিবাদ করবেন। অনেক ধন্যবাদ।

৬৬. ১০ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৫
রাগ ইমন বলেছেন: বাপ রে ,তোমায় সময় ও আছে এই সব করার ?

ভালো ।

অনেক বই পড়ো , বুঝা যায় । এইটা খুব ভালো অভ্যাস । ধরে রাখ ।

আর ধর্ম নিয়ে বেসিক কোন কথা যদি বলতেই হয় , তো বলি , কোনটা শান্তি আর কোনটা অশান্তির ধর্ম -- এই কুট ক্যাচালের কোনই দরকার নাই ।

ক্যাচাল বাধায় মানুষ । ধর্ম তৈরীও করে মানুষ । আবার শান্তিও তৈরী করে মানুষ । পুরো ব্যাপারটাই যখন আচরনগত , এখানে , আচরনটাই মুখ্য । ধর্ম কেবলই অজুহাত ।

তবে , নারু , একটা কথা কিন্তু স্বীকার করতেই হবে । (সব কয়টা মন্তব্য পড়ি নাই , রিপিটেশন হইলে দুঃখিত )

"কোন ধর্মই শান্তির ধর্ম না " ।

( এইবার আমারে সুলাইমানি ব্যান মারা হইবেক, হা হা হা )

এই অর্থে --- জগতের প্রতিটা প্রচলিত ধর্মের কারনেই গণহত্যা হয়েছে । অন্য যে কোন কারনের চেয়ে ধর্মের নামে নির্বিচারে মানুষ হত্যার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ।

এইটা দেখে কেউ যদি ধর্মকেই অশান্তির মূল বলে , তাহলে তাকে খুব একটা দোষ দেওয়া যাবে না । তবে কোন একটি ধর্মকে নির্দিষ্ট করে বলাটা আমিও মানবো না ।
১০ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:২০

লেখক বলেছেন: রাগাপু, আমার রেসিপির কোন আপডেট নেই!! বই পড়ার অভ্যাসটা বাজে অভ্যাস। রেজাল্ট খারাপ করার সবচাইতে মোক্ষম উপায় বইপড়া। এটা একটা অভিশাপ। কিন্তু নেশার জন্য ছাড়তে পারিনা!

ধর্মকে শান্তি-অশান্তি কোনটাতেই ফেলতে চাইনা। মানুষই দায়ী। ধর্মের নিজস্ব কোন সত্বা নেই। তাকে মানুষ যেভাবে ব্যবহার করে সে সেভাবেই ব্যবহার হয়। ধর্মের জন্যই কেউ মাদার তেরেসা হয় আবার কেউ লাদেন হয়। কেউ আমার গ্রামের চরম ভাল মানুষ জেবল হোসেন আবার কেউ জামতি রাজাকার হয়। যে যেভাবে বুঝে আর ব্যবহার করে আর কি! ব্যান মারলাম!

১০ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: হ!

৬৮. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:২৯
স্বাপ্নিক বলেছেন: ভাল একটা আলোচনার জন্য ধন্যবাদ ...
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: সাথে থাকার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৬৯. ১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:১৬
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: ধন্যবাদ ভাল একটা আলোচনার জন্য
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৭০. ১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: পোস্টটা ফলো করেছি কয়েকদিন ।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ , সামহোয়্যারে এমন পোস্টগুলো খুব জরূরী । শুরু থেকেই আক্রমণ মানে, যুক্তির পরাজয়, কন্ঠ চেপে ধরা শামিল ।

প্রিয়তে + করলাম
১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: মেহরাব শাহরিয়ার, অনেক ধন্যবাদ ছোটভাই।

৭১. ১৯ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:১০
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: মানুষকে বুঝানো যে জামাত আসল ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু। আমি সেটা করি বলেই সব রাজাকারদের ব্লগে আমি ব্লক। ধান্ধ্যাবতি, তিনকোনা, ফারজানা, উটুল, ঘুড়ে মলম সবার ব্লগেই আমি ব্লকড। এস্কিমোভাই সবার ব্লগে ব্লকড না, তার মানে তারা ভয় পায় যে ইসলামের কথা বলে জামাতের বিরোধীতা করে তাদেরকে। নাস্তিকরা তাদের বিরোধীতা করলে তাদের সুবিধা, মানুষকে বলতে পারবে যে এই দেখ ইসলামের শত্রু নাস্তিক আমাদেৃর বিরোধিতা করতেছে তার মানে আমার সঠিক ইসলাম পালন করি!




১০০ ভাগ সহমত
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:২৭

লেখক বলেছেন: ভ্রু, অনেক ধন্যবাদ ভ্রাত।

৭২. ২৮ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:২০
এস. এম. মেহেদী আকরাম বলেছেন: ইসলামকে জানতে বুঝতে কোরআন, হাদিস পড়ুন।
জামাত ইসলামী বা মেহেদী কি করলো কি করছে সেটা দিয়ে ইসলামের বিচার করা যায় না।

একটি গাড়ি ভাল কিনা তা পরীক্ষা করতে ভাল ড্রাইভার দিয়ে করান।
ইসলামকে পরীক্ষা করতে নবী রাসুল এবং কোরআন হাদিস দিয়ে করুন।
জামাত ইসলামীকে দিয়ে নয়। জামাত ইসলামী একটি রাজনৈতিক দল মাত্র।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৭৩. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন: একজনের ভালোলাগেনি। সেই একজন কে জানার খুব ইচ্ছে। চমৎকার লেখা।
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৭৪. ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭
তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন: খুবই চমৎকার আলোচনা। প্রিয়তে রাখলাম।+
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৭৫. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০৬
নীলাভ অ নিশ্চিত বলেছেন: খুব ভালো লাগলো .... এখোনো মানুষ LOGICAL AND CREATIVE চিনতা করে তাহলে!!
৭৬. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২০
নরাধম বলেছেন: আপনি কি এখনও ব্যান??!!!!
৭৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন: ...ইসলামকে জানতে বুঝতে কোরআন, হাদিস পড়ুন।
জামাত ইসলামী বা মেহেদী কি করলো কি করছে সেটা দিয়ে ইসলামের বিচার করা যায় না।

একটি গাড়ি ভাল কিনা তা পরীক্ষা করতে ভাল ড্রাইভার দিয়ে করান।
ইসলামকে পরীক্ষা করতে নবী রাসুল এবং কোরআন হাদিস দিয়ে করুন।
জামাত ইসলামীকে দিয়ে নয়। জামাত ইসলামী একটি রাজনৈতিক দল মাত্র। ....
ধন্যবাদ।
---
তবে এদেরই সবারই গোড়া কিন্তু এক জায়গায়; রসুনের গোড়া কিন্তু এক জায়গায়। ইসলাম কে নিয়ে অপব্যাখ্যা; আর ইসলামের নাম করে ইসলামী দলগুলোর সমালোচনা করা; আর কিছুই নয়।
৭৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
বর্তমানবাংলা বলেছেন: বড়দের আলোচনায় নাক গলানোকে বেয়াদপী মনে করে ক্ষমা চেয়ে নিলাম। আমাকে ক্ষমা করবেন।

খুবই ভাল আলোচনা ।

আমার মনে হচ্ছে ধর্মের বিপক্ষে যুক্তি এগিয়ে চলেছে...............
৭৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫
সবাক বলেছেন:
এই আলোচনা আরিফুরের যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ওই লোকটা নাস্তিক মৌলবাদী। নইলে ঠিকই যেতো। আরিফুর যদি আরো কুল হইতো... ঠিকই পারতো।
৮০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫
সবাক বলেছেন:
এই আলোচনা আরিফুরের পক্ষে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ওই লোকটা নাস্তিক মৌলবাদী। নইলে ঠিকই যেতো। আরিফুর যদি আরো কুল হইতো... ঠিকই পারতো।
৮১. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:০১
শিট সুজি বলেছেন: বস, আপনের ফ্যান হয়ে গেলাম।
আমি অনেকটা আপনার মত চিন্তা করি ।

প্রিয় পোস্টে।
৮২. ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২৮
আরেফিন জিটি বলেছেন: সামুতে পড়া এপর্যন্ত ওয়ান অফ দা বেস্ট পোস্ট। সরাসরি প্রিয়তে আর প্লাসতো দিলামই।
৮৩. ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪১
মীজানুর রহমান বলেছেন: ভাই যে যতই যুক্তি আর তালবাহানা করুক না কেন, সবাইকে একদিন অনিবার্য পরিনতি মৃত্যু বরণ করতে হবে। মৃত্যুর সাথে কোন বাপের বেটা লুকোচুরি খেলতে পারবেনা। এক মূহর্ত ভাবুন। আপনি যদি নাক এবং মুখ দীর্ঘ সময় বন্ধ করে রাখতে চান, পারবেন না, বাঁচার তাগিদে অবশ্যই নিঃশ্বাস নিতে হবে, যদি চক্ষুদ্বয় বন্ধ করিয়া রাখেন তাহলে অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই দেখা যাবেনা, তাহলে মানুষের অন্যায় আপত্বিকর সৌয্যবীর্য কোথায়? তাহলে তো অকপটে স্বীকার করতে হবে যে সৃষ্টিকর্তাই একমাত্র সর্বশক্তিমান, নবীজির আ দর্শই মানুষের জন্যএকমাত্র পথপ্রদর্শক, ইসলামই একমাত্র সত্য ধর্ম এবং পবিত্র কোরআনই মানুষের একমাত্র জীবন বিধান। -আমীন।
৮৪. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮
দাউদ রনি বলেছেন: ভাই মিজান, আপনার জন্য আমার দুঃখ হয়। যেটা হয় না, যেটা পারেন না, সেটা নিয়ে কেন যে কথা বলতে আসেন!
এক্কেবারে শৈশবে শেখা কথাগুলাই লিখলেন। নতুন কিছু নাই! দয়া করে একটু নিজস্বতার ছাপ রাখুন!
৮৫. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
মৃত৬৬৬ বলেছেন:
وَاقْتُلُوهُمْ حَيْثُ ثَقِفْتُمُوهُمْ وَأَخْرِجُوهُمْ مِنْ حَيْثُ أَخْرَجُوكُمْ وَالْفِتْنَةُ أَشَدُّ مِنَ الْقَتْلِ وَلَا تُقَاتِلُوهُمْ عِنْدَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ حَتَّى يُقَاتِلُوكُمْ فِيهِ فَإِنْ قَاتَلُوكُمْ فَاقْتُلُوهُمْ كَذَلِكَ جَزَاءُ الْكَافِرِينَ ﴿১৯১﴾
১৯১. আর তাদেরকে হত্যা কর যেখানে তাদেরকে পাও এবং তাদেরকে বের করে দাও যেখান থেকে তারা তোমাদেরকে বের করেছিল। আর ফিতনা হত্যার চেয়ে কঠিনতর এবং তোমরা মাসজিদুল হারামের নিকট তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করো না, যতণ না তারা তোমাদের বিরুদ্ধে সেখানে লড়াই করে। অতঃপর তারা যদি তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে, তবে তাদেরকে হত্যা কর। এটাই কাফিরদের প্রতিদান।


তাহলে সেলডন ভাইয়ের হত্যাহীন ইসলাম কোথায়?
এরকম আরো অনেক আয়াত আছে যেগুলো আপনার সহনশীল, আধুনিক ইসলামিক স্ট্যান্ড এর সাথে যাবেনা।

'তবে কি তোমরা কিতাবের কিছু অংশ বিশ্বাস কর এবং অবশিষ্টাংশ প্রত্যাখ্যান কর? সুতরাং তোমাদের মধ্য যারা এরূপ ব্যবহার করো, এই জীবনে তাদের জন্য অসম্মান ব্যতীত আর কি পুরস্কার আছে? এবং শেষ বিচারের দিনে তাদের ভয়াবহ শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত করা হবে। তোমরা যা কর আল্লাহ্‌ সে সম্বন্ধে অমনোযোগী নন।'(বাকারা:৮৫)

৮৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৪
addabuzz বলেছেন: দাউদ রনি ভাই , যেটা চিরন্তন সত্য সেটা শৈশবে/যৌবনে বা বার্ধক্যে যখনই শেখেন না কেন ত সত্যই থাকবে । আর চির সত্যের মধ্যে আসলেই নিজস্বতার কিছু নেই ।অবশ্য একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলা যায়।আর ভাই যদি সত্য মিথ্যার পাঁচমিশালীকে কারও কাছে Creativity বলে মনে হয় তবে আর বলার কিছু নেই।
একটা কথা মনে রাখলে হয়তো সারা জিন্দেগী উপকার পাবেন " মুক্ত চিন্তা মানেই কিন্তু যাচ্ছেতাই চিন্তা নয় B-)
৮৭. ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:২১
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন:
সুশীল সমাজ বলেছেন চিন্তা করে দেখুন একটু নিরপেক্ষভাবে। বুঝতে পারবেন , মুহম্মদ আল্লাহ ফেরিত কোন মানুষ নন, উনি আমাদের মতোই।তবে বুদ্ধিমত্তায় লাখো গুন এগিয়ে আমাদের চেয়ে।


ভাইজান পড়াশোনা করলে অন্ধকার দূর হবে


মোহাম্মদ প্রতিশ্রুত পয়গম্বর ছিলেন, ইনশাল্লাহ এ ব্যাপারে সব ধর্ম গ্রন্থের আলোকে একটা পোষ্ট দিমু ।




৮৮. ৩১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:১১
প্রজন্ম একুশ বলেছেন: পোস্ট দারুন। আলোচনা ভালো হয়েছে।

লেখক, আপনার "রেডিকাল ইসলাম বলতে কিছু নেই। ইসলাম একটাই সেটা মডারেট।" - মন্তব্যে আমার আপত্তি আছে। আমি মনে করি, ইসলাম হোল ইসলাম।

মডারেট বলে আপনি কি মিন করছেন? এটা যদি এক্সট্রিম-এর বিপরীতে ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে কি আপনি অরিজিনাল ইসলামকে কি এক্সট্রিম মনে করেন?

আমেরিকান রাষ্ট্রদূতদের প্রায়ই মিডিয়ায় বা আলোচনায় বলতে শুনিঃ বাংলাদেশ ইজ আ মডারেট মুস্লিম কান্ট্রি। আপনি মডারেট ইউজ করায় একটু খটকা লাগলো এই ভেবে যে আপনি কি ইসলামকে সেইভাবে দেখতে চান যেভাবে সাম্রাজ্যবাদীরা ইসলামকে আমাদের দেশে দেখতে চায়?
৯০. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:২০
addabuzz বলেছেন: !!!!!দীর্ঘ আলোচনা!!!!

এই জা্তীয় আলোচনা গুলোয় মেধার যে টানাটানি তার জুলুমে হৃদয়ের গভীর অন্তঃস্থলে পিঞ্জরাবদ্ধ সত্যান্বেষী মনের অনুক্ত আকুতিগুলো যদি সাপ্রেসড না হতো তাহলে সমস্ত নভোঃ আর ভূমন্ডলের মালিকের পরিচয় পেতে আমাদের এতো বেগও পেতে হত না আর হত না ইসলাম নিয়ে এত বিতর্ক।

প্রত্যেকের কষ্টার্জিত জ্ঞানেরই কোন না কোন একটা বেস থাকে।

এই বেস বা ভিত্তিগুলোর কোনটা এবসল্যুট আর কোনটা রিলেটিভ।

ক্রিয়েটর মহান আল্লাহ ব্যতিত আর সবকিছুর অস্তিত্বই বাস্তবিক ভাবে রিলেটিভ।যে কোন সময়ই এদের যে কোন পরিবর্তন সম্ভব।

এজন্য ক্বুরআনে কারীমে আল্লাহ তাআলা বারবার তাঁর পরিচয় লাভের জন্য চিন্তা করার দাওয়াত দিয়েছেন, জবরদস্তি করেন নি; কারন চিন্তার জগতে জবরদস্তি চলেনা।

এজন্য সর্বাগ্রে যেটা প্রয়োজন তা হলো আল্লাহ তাআলা সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ,রিযকদাতা, নিয়ণ্ত্রনকর্তা.......ইত্যাদি ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য গুলোর যে দাবি করেছেন সে বিষয়ে ক্লিয়ার ধারণা থাকা।মানার বিষয়টা তো পরে আসে।
আর এই মেনে চলাকেই ইসলাম (আত্মসমর্পণ) বলে।

আর এসমস্ত বিষয় বুঝতে গেলে বিতর্ক হওয়া স্বাভাবিক।তবে সে ক্ষেত্রে সত্যবাদিতার সাথে সরলমনে চিন্তাকে স্বাগতম জানানো হয়েছে।

কারন মানুষের বিবেক নিংড়ানো চিন্তাগুলো সরল হয় এবং সত্যাশ্রয়ী হয়।সুস্থ্য সরল বিবেকবান মনের সত্যাশ্রয়ী চিন্তা আর কর্মের এই ধারাকে ইসলাম স্বভাব বা ন্যাচার বা ফিতরাত বলে উল্লেখ করে থাকে।

আর ইসলামের অপর নাম স্বভাবজাত দ্বীন বা ফিতরাতি জীবনব্যবস্থা(Natural Lifestyle) ।

আর ইসলামের আরও একটা অনণ্য বৈশিষ্ট্য হলো ইসলামিক নলেজের বেস বা ভিত্তি কিন্তু সবসময়ই এবসল্যুট যার ভিত্তিতে ক্ষনস্থায়ী দুনিয়া ও চিরস্থায়ী আখিরাতের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করা হয়েছে যা অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যত ও জন্ম-জীবন-মৃত্যু প্রভৃতি বিষয়ের সমাধানে সবচেয়ে কার্যকর ও গ্রহনযোগ্য মতামত প্রদান করে।

আর এটা স্বীকার করতেই হবে যে বস্তু ও বস্তুর গুণ কোনটাই এবস্যলুট না , সবই আপেক্ষিক।একারনেই বস্তুবাদের ধারণা আপেক্ষিকতার সীমায় আবদ্ধ।আর ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য কোন বস্তুর অস্তিত্বের ব্যাপারে বিশ্বাস অবিশ্বাসের প্রশ্ন অমূলক , বিশ্বাস অবিশ্বাসের কথা আসবে এবসল্যুট কোন কিছুর ব্যাপারে। এজন্যই ইসলাম সহ প্রত্যেকটা ধর্মেই বিশ্বাস জিনিষটা সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ যা এবসল্যুটিজমের ভিত্তি (এটা ইউরোপিয়ান এবসল্যুটিজম না ;এখানে শব্দটি আপেক্ষিকতার সরল বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে গ্রহন করা হয়েছে যার অর্থ any theory holding that values, principles, etc., are absolute and not relative, dependent, or changeable. ) যা বস্তুবাদীদের নিকট মূল্যহীন,যদিও তারা (বস্তুবাদীগণ) এক্ষেত্রে ভুলেরই স্বীকার বলতে হবে।কাজেই ইসলাম সহ প্রতিটি ধর্মমতই তাদের নিকট অগ্রহনযোগ্য হয়ে পড়ে।

মুসলিমরা ঠেকে গিয়েছে এজন্য যে আল্লাহ তাআলা এই মানা না মানার সাথে সফলতা ব্যর্থতা-জান্নাত জাহান্নামের ওয়াদা করেছেন, এতে করে মুসলিমদের স্বাভাবিক হামদর্দির গুন বা দায়িত্ব ,যাই বলা হোক না কেন, এটা যে তারা নিজেরা মানার সাথে সাথে অন্যদেরকেও মানানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

সার্বক্ষণিক ভাবে এই প্রচেষ্টা দাওয়াত নামে পরিচিত, আর যদি এই স্বাভাবিক প্রচেষ্টা বাঁধাগ্রস্ত হয় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেক্ষেত্রে ইসলাম বৃহত্তর স্বার্থে বেশ কিছু শর্তসাপেক্ষে নিয়মতান্ত্রিক মোকাবেলার (উত্তম বিতর্ক, জিহাদ) অনুমতি প্রদান করে যা প্রত্যেক আইনব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পড়ে (অর্থাত খারাপের মূলোতপাটনে প্রয়োজনে নিয়মতান্ত্রিক বলপ্রয়োগ)।
এই ব্যবস্থাপত্র (জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ) অনেকেরই শিরঃপীড়ার কারন হয় যা হওয়াই স্বাভাবিক, যেমন দুর্ণীতি বিরোধী আইন দুর্ণীতিবাজদের নিকট কখনই পছন্দ হয় না যদিও তা ভাল ও প্রয়োজনীয়।

এই জিহাদের শর্ত ও নিয়ম তাই যা রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও খুলাফায়ে রাশেদীন অনুসরণ করেছেন।পরবর্তিতে ন্যায় পরায়ণ মুসলিম শাসকগণ ও সেই পথেই হেঁটেছেন, আর কারও কারও দ্বারা হয়েছে কিছু পদস্খলন বা অতিরঞ্জন যা সর্বদাই সত্যান্বেষী মুসলিমগণের দ্বারা নিন্দিত হয়েছে।তবে বলাবাহুল্য যে বিরোধী শিবিরে ন্যায় অন্যায় উভয় পন্থাই নিন্দিত হয়েছে যা সাধারণতঃ হয়ে থাকে।

অনেকেই ইসলামের এই নীতি (জিহাদ) টির এইজন্য বিরোধিতা করে থাকেন যে ইসলাম তো শান্তির ধর্ম, তাহলে এতে মারামারি কে উতসাহিত করা হয় কেন ?

এখানে একটা জরুরী জ্ঞাতব্য বিষয় হলো ইসলাম আর দশটা ট্রেডিশনাল ধর্মের মত কোন ধর্ম নয় বরং এটি এমন একটি পুর্ণাংগ জীবনবিধান বা সংবিধান যা মুসলিম অমুসলিম নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য একটি স্বচ্ছ, স্বনির্ভর ও কল্যাণরাষ্ট্রের চালিকাশক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্যতা রাখে; আর এ বিষয়টি ঐতিহাসিকভাবে সুপ্রমানিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত।

কাজেই আমরা মনে করি মৃত্যুর আগের জীবন ও পরের জীবনের শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে শুধুই কথার পিঠে কথা বলার মানষিকতা বা নিজের জ্ঞানের বহর জাহির করার অসুস্থ প্রবনতাকে ঝেড়ে ফেলে আসুন আমরা সবাই সেই রব্ব কে চিনি ও মানি যিনি আমাদের সবাইকে বানিয়েছেন,যার কাছে ফিরে যেতেই হবে ;ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায়।

আর ঠিক সেভাবেই মানি যেভাবে তাঁর পাঠানো সর্বশেষ রসূল মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁহার সাহাবিগণ মেনেছেন।

ওয়াল্লাহুল হাদী ওয়া হুয়াল মুস্তাআন।

বি দ্র. শুধু মাত্র বিতর্কের খাতিরে সারা রাত ঘুম নষ্ট করে লেখাটি লেখা হয় নি।নিরাপদ ব্লগিং এর স্বপ্ন বাস্তবা্য়নের স্বার্থে এবং ঈমানের হেফাযতের স্বার্থে আমার মত এক অজ্ঞ মুর্খ (গভীর জ্ঞাণ ও প্রজ্ঞার অধিকারি
মানণীয় উলামায়ে কেরাম (ইন্টেলেকচুয়াল স্কলার্স) এর পরামর্শ সাপেক্ষে চলার চেষ্টারত) এক সামান্য মেডিকেল স্টুডেন্ট এর এই চেষ্টা তখনই স্বার্থক
হবে যখন জানবো যে পাঠক ভাই বোনেরা লেখাটি পড়ে একটু হলেও আল্লাহ তাআলাকে ভয় করেছেন যিনি সমস্ত আসমান জমিনের মালিক,যার প্রতি কারও এবাদত বা কুফুরী(অবিশ্বাস) কোনটাতেই তাঁর কিচ্ছু আসে যায় না !


লেখাটি সামান্য কিছু পরিবর্তন করে নিজের ব্লগে প্রকাশ করলাম। কিছু মনে করবেন না। কমেন্ট যদি করতে চান তবে ব্লগে চলে যান
৯১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৫:৩৭
তাইয়িব বলেছেন: ৩৭ নং কমেন্টস এর জবাবে হ্যারি শেলডনকে বলছি ।
আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কখনই অক্ষর জ্ঞানহীন ছিলেন না। তিনি ছিলেন নাবীউল উম্মী অর্থাৎ অক্ষরজ্ঞানের অমুখাপেক্ষী।আখেরী রসুল ,হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শিক্ষক ছিলেন স্বয়ং আল্লাহ পাক কতৃক কুরআন শরীফে এবং হাদীছ শরীফে বর্ণিত ‘আন নাবিয়্যুল উম্মী’ দ্বারা মুহাদ্দিছীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ এরূপ ব্যাখ্যা করেছেন যে, রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু দুনিয়াবী কোন শিক্ষক কর্তৃক লিখা-পড়া শিখেননি সেহেতু তিনি “নাবিয়্যুল উম্মী” লক্ববে অভিহিত। যা তাঁর শ্রেষ্ঠ নবী এবং রসূল হওয়ার প্রমাণ। কিন্তু তার পরেও তিনি যে লিখতেন সেটা ছিল তার মু’জিযা। যেমন, বুখারী শরীফের প্রসিদ্ধ ব্যাখ্যাকারী আল্লামা কিরমানী রহমতুল্লাহি আলাইহি লিখেছেন, “এখানে উম্মী মানে এ লিখাটা হচ্ছে তাঁর মু’জিযা।” (বুখারী শরীফ ২য় খণ্ড)
মুলতঃ “নাবিয়্যুল উম্মী” এখানে ‘উম্মী’ অর্থ সাইয়্যিদ, মূল, অভিভাবক, প্রধান, শ্রেষ্ঠ ইত্যাদি। অর্থাৎ যিনি সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণের মূল বা যাকে ব্যতীত কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণই সৃষ্টি হতেন না তিনিই “নাবিয়্যূল উম্মী” লক্ববে ভূষিত। উপরোক্ত অর্থ ছাড়াও অভিধানে ‘উম্মী’ শব্দটি ভিন্ন অর্থেও ব্যবহৃত হয় কিন্তু তা আল্লাহ পাক-এর হাবীব, নবী গনের নবী, রসূল গনের রসূল, নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শানে প্রযোজ্য নয়।
স্মরণীয় যে, নবী-রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণের ক্ষেত্রে কুরআন শরীফ এবং হাদীছ শরীফের এমন তাফসীর, অনুবাদ, ব্যাখ্যা করা যাবেনা যার কারণে তাঁদের শানের খিলাফ হয়।
স্বয়ং আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে অক্ষর জ্ঞান সম্পর্কে বলেন
“যিনি (আল্লাহ পাক) কলম দ্বারা শিক্ষা দিয়েছেন।” (সূরা আলাক্ব/৪) অর্থাৎ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে স্বয়ং আল্লাহ পাক লিখার যাবতীয় ইল্‌ম দিয়েই সৃষ্টি করেছেন।
আল্লাহ পাক অন্যত্র ইরশাদ করেন, তিনি (আল্লাহ পাক) ইনসানকে সৃষ্টি করেছেন এবং বয়ান শিক্ষা দিয়েছেন।” (সূরা আর রহ্‌মান/২, ৩)
এখানে ‘বয়ান’ এর তাফসীরে উল্লেখ করা হয়েছে, যা সৃষ্টি হয়েছে এবং হবে। অর্থাৎ পূর্ব ও পরবর্তী সব ঘটনার জ্ঞান। (তাফসীরে মা’আলিমুত তানযীল)
অর্থাৎ আয়াত শরীফ-এর অর্থ হচ্ছে- আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আল্লাহ পাক সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁকে সমস্ত কিছুর জ্ঞান দান করেছেন।
যেমন, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমাকে সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত জ্ঞান দান করা হয়েছে।
হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ হয়েছে, ছাহিবে ছলাত ও সালাম, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমাকে (শুরু হতে শেষ পর্যন্ত) সমস্ত ইল্‌ম প্রদান করা হয়েছে। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
অতএব, প্রমাণিত হলো যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত ইল্‌মের অধিকারী। আর লিখাও হচ্ছে ইল্‌মের একটা অংশ। লিখা যে ইল্‌মের অংশ তা সূরা ‘আলাক্ব’-এর ৪ নম্বর আয়াত-এর ‘আল্লামা বিল ক্বলাম’ ‘তিনি (আল্লাহ পাক) তাঁেক কলম দ্বারা শিক্ষা দিয়েছেন’, এ আয়াত শরীফ দ্বারা স্পষ্ট প্রমাণিত হয়। কারণ ‘আল্লামা’ শব্দটির মাছদার বা ক্রিয়ামূল হচ্ছে ‘তা’লীম’ বা শিক্ষা দেয়া। অতএব, স্বয়ং আল্লাহ পাক যাকে লিখার উপকরণ তথা কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন তিনি লিখতে জানতেন না বা লিখতে পারতেন না এ ধারণা পোষণ করা মিথ্যা তোহমত ও কুফরীর নামান্তর।
মূলতঃ আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যই লিখতে জানতেন। এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ উল্লেখ করা হয়েছে, হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সামনে (ওহী) লিখতেন, অতঃপর হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে অক্ষর লিখার পদ্ধতি শিক্ষা দিয়ে ইরশাদ করেন, দোয়াত এভাবে রাখ, কলম এভাবে ঘুরাও, ‘বা’কে এভাবে সোজা করে লিখ, ‘সীন’কে পৃথক কর, আর ‘মীম’কে বাঁকা করোনা, অথচ তিনি দুনিয়াবী কোন কাতিবের (লিখকের)-এর নিকট থেকে লিখা শিখেননি, আর কোন প্রাচীনকালীন কিতাব থেকেও তা পড়েননি।” (সুবহানাল্লাহি বিহামদিহী)
উল্লেখ্য, রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর লিখার প্রয়োজন হতো না। কারণ মানুষ লিখে থাকে এজন্য যে, লিখে না রাখলে ভুলে যাবে। কিন্তু রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর লিখার প্রয়োজন নেই। কারণ তিনি সমস্ত কিছুই জানতেন এবং উনাকে সমস্ত ইল্‌ম দেয়া হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে তিনি আল্লাহ পাক-এর কায়িম-মুক্বাম অর্থাৎ আল্লাহ পাক-এর যেমন লিখার প্রয়োজন নেই। তেমনি হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এরও প্রয়োজন নেই। আর তাঁর মুয়াল্লিম স্বয়ং আল্লাহ পাক। সুতরাং তাঁর লিখা-পড়ার কোন প্রয়োজন ছিল না। আর তিনি যদি লিখা-পড়া করতেন তাহলে বাতিলপন্থীরা সন্দেহ করতো।
যেমন, পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবে আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আবির্ভাবের পরিচয় দেয়া ছিল কয়েকটি। যেমন, তিনি হবেন ‘উম্মী’ (অর্থাৎ নবীগণের মূল হবেন) এবং সুন্দর হস্তাক্ষরে লিখবেন কিন্তু পার্থিব ওস্তাদের কাছে লিখা-পড়া করবেন না। কোন বই-পুস্তক পড়বেন না।
যেমন, এ সম্পর্কে কুরআন শরীফে ইরশাদ হচ্ছে, “এর পূর্বে (নুবুওওয়াত প্রকাশের পূর্বে) হে হাবীব (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি না কোন কিতাব পড়তেন এবং না নিজ হাতে কোন কিছু লিখতেন, যদি তা করতেন, তবে বাতিলপন্থীরা নিশ্চয়ই সন্দেহ করতো (যে এটা আল্লাহ পাক-এর বাণী নয়, আপনার রচিত কোন কিতাব)।” (সূরা আনকাবুত/৪৮)
আর তিনি যে লিখতে জানতেন এ প্রসঙ্গে “ছহীহ বুখারী শরীফ”-এর ‘কিতাবুল ইল্‌ম’-এর ‘বাবু কিতাবাতিল ইল্‌মে’ অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, “হযরত আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অসুস্থতা বৃদ্ধি পেল। তখন তিনি উপস্থিত ছাহাবীদের বললেন, তোমরা এক টুকরা কাগজ নিয়ে এস। আমি তোমাদের জন্য কতিপয় উপদেশ লিখে দিব, যাতে তোমরা পরবর্তী কালে পথভ্রষ্ট হবে না।
হযরত বারা ইবনে আযিব রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “নবীয়ে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যিলক্বদ মাসে ওমরাহ্‌ করতে গিয়েছিলেন, কিন্তু মক্কাবাসী তাঁকে মক্কা শরীফে প্রবেশ করতে দিতে রাজী ছিলনা, যতক্ষণ না তিনি তাদের সাথে এ মর্মে সন্ধিসূত্রে আবদ্ধ হন যে, তিনি সেখানে (মক্কা শরীফে) তিনদিনের অধিক অবস্থান করবেন না। অতঃপর যখন সন্ধিপত্র লিখার উপর ঐক্যমত হলো, তারা লিখলো ‘এতদ্বারা আল্লাহ পাক-এর হাবীব্‌ রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সাথে সন্ধি করলেন।’ অতঃপর মক্কার কাফিররা বললো, আমরা এটা মানিনা, কারণ যদি আমরা আপনাকে আল্লাহ্‌র রসূল হিসেবে মেনে নিয়ে থাকি তাহলে আমরা আপনাকে তো কোন রকম বাঁধাও দিতাম না বরং আপনি হলেন, আল্লাহ পাক-এর হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ”ইবনে আব্দুল্লাহ্‌ আলাইহিস সালাম। সুতরাং এটাই লিখতে হবে।” তখন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমি আল্লাহ পাক-এর রসূল এবং আমিই হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম-এর পুত্র, তারপর তিনি হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন, “রসুলুল্লাহ” শব্দটা কেটে দিন।”
হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু আরজ করলেন, না, আল্লাহ পাক-এর কসম! আমার পক্ষে (আল্লাহ্‌ পাক প্রদত্ত্ব) আপনার (গুণবাচক) নাম কাটা সম্ভব নয়। অতঃপর হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উক্ত চুক্তিপত্র খানা হাতে নিলেন। তাঁর নিজ হাতে লিখার ইচ্ছা ছিলনা, তবুও সুন্দরভাবে লিখলেন, “এতদ্বারা চুক্তি করলেন মুহম্মদ ”ইবনে আব্দুল্লাহ্‌ আলাইহিস সালাম (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

 

মোট সময় লেগেছে ৭.১৮৮৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কেন তুমি তরকারী বঁটি দিয়ে কুটবে
কেন তুমি দশটায় অফিসেতে ছুটবে
কেন তুমি ডালে দেবে আটখানা লংকাই
সব্বাই করে বলে সব্বাই করে তাই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই