আমার প্রিয় পোস্ট

একজন খাঁটি ভন্ড!

শফিক রেহমানকে।

০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:০২

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমি নিজেকে কখনই বুঝতে পারিনা। মাঝে মাঝে এমন বিচিত্র আচরণ করি! যাদেরকে আমি তেমন পছন্দ করিনা তাদের পতন চাওয়ার কথা। তাদের পতন হলে আমার ভাল লাগার কথা। কিন্তু প্রায়ই সেটা হয়না।

১৯৯৮ সাল। আমি দশম শ্রেণীতে পড়ি তখন। গ্রামের স্কুলে। ফুটবল বিশ্বকাপের জোয়ার এল। এর আগের বিশ্বকাপে ছোট ছিলাম, তাই কোন আগ্রহ ছিলনা বিশ্বকাপ নিয়ে। কিন্তু এবার পত্রিকা পড়ে রোনাল্ডো, ওরতেগাকে ভালই চিনলাম। সচক্ষে তাদের খেলা তখনও দেখা হয়নি। তখন থেকেই সাদা চামড়ার মানুষদের প্রতি, বিশেষ করে সুন্দর মানুষদের প্রতি কোন বিচিত্র কারণে আমার বিতৃষ্ঞা। কেন সেটা আমি আজও বুঝতে পারিনা। এখানেও আমি ওবামাকেও সাপোর্ট করি তার অন্যতম বড় কারণ সে কাল! সে অসাধারণ এবং কারিজমাটিক তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু আমার কাছে তার গায়ের রং "কাল" সেটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। ন্যালসন ম্যান্ডেলা আমার কাছে তার সংগ্রামের জন্য যতটা প্রিয় তার চেয়েও একজন কাল মানুষের জয়ী হওয়ার জন্য বেশী শ্রদ্ধেয়। আমি মনে হয় রেসিস্ট। ত যা বলছিলাম বিশ্বকাপে সবাই আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল সাপোর্ট করে। বেশিরভাগই আর্জেন্টিনা। আমি দেখলাম আর্জেন্টাইনরা দেখতে সুন্দর, বাতিস্তুতাকে দেখলে ১৬শ শতকের ইংল্যান্ডের রাজপুত্রের মত লাগত। ব্রাজিলের খেলোয়ারগুলো দেখতে বিশ্রী। রোনাল্ডো তখন ১৯/২০ বছরের ছেলে। দেখতে ভাল না। তাই মনে হয় আমি ঘোরতর ব্রাজিল সাপোর্টার হয়ে গেলাম। আমার বন্ধুদের বেশিরভাগই আর্জেন্টিনা। তারা আমাকে নিয়মিতই উপহাস করে ব্রাজিল সাপোর্ট করার জন্য। তাতে হয়েছে কি আমার ব্রাজিলের প্রতি আমার আকর্ষন আরো বাড়ল। আর্জেন্টিনার প্রতি উদাসীনতাটা ক্রমান্বয়ে অপছন্দ এবং বন্ধুরা বেশি পুশ করাতে আর্জেন্টিনার প্রতি অপছন্দটা মোটামোটি ঘৃণার পর্যায়ে রুপ নিল। আমি প্রতিদিন আর্জেন্টিনার খেলার সময় তাদের পরাজয় কামনা করি। ইংল্যান্ডের সাথে ২য় রাউন্ডের খেলায় আর্জেন্টিনা হারার ভাল চান্স আছে। মাইকেল ওয়েন তখন বিস্ময়বালক। ৮৬তে ম্যারাডোনার ঈশ্বরের হাতের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মরিয়া। উল্লেখ্য ম্যারাডোনা লোকটাকে আমি খুব পছন্দ করি। আমি জানি খেলোয়াড় হিসেবে সে অসাধারণ হলেও পেলের সাথে তুলনা করা যায়না। সেটা যারা দুজনকেই খেলতে দেখেছে তারা জানে। সিএনএন-এ একটা জরীপ হয়েছিল যারা দুজনকেই খেলতে সচক্ষে দেখেছে তাদের মধ্যে। ১০০% লোকই পেলেকে ভোট দিয়েছিল। ভোটাররা সবাই খেলোয়ার ছিল। প্লাতিনি থেকে শুরু করে ইউসেবিও, এমনকি স্টেফানোও পেলেকেই ভোট দিয়েছিল। আমি ম্যারাডোনাকে পছন্দ করি অন্যকারণে। সেটা হচ্ছে সে এস্টাবলিশমেন্টের বিপক্ষে থাকে সবসময়। ফিফা থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র সবারই বিপক্ষে। আমি নিজেও সবসময় এস্টাবলিশমেন্টের বিপক্ষে। পেলে বড়বেশি এস্টাবলিশমেন্টঘেষা, সুশীলটাইপ! ধুর, কথা কোথা থেকে কোথায় চলে আসল। ত যা বলছিলাম। ইংল্যান্ডের সাথে আর্জেন্টিনার খেলা। কিন্তু আর্জেন্টিনা জিতল। আমার ভাল লাগেনি। বন্ধুরা উপহাস করতেছে। যদিও ব্রাজিল টপ-ফেভারিট, তখন ৪ বার বিশ্বকাপ নিয়েছে আরো অনেক দিক দিয়েই ব্রাজিল আর্জেন্টিনা থেকে যোজন যোজন এগিয়ে। কিন্তু যখন আপনার আশেপাশের সবাই আর্জেন্টিনার সাপোর্টার তখন ব্রাজিল সাপোর্টারদের অবস্থা অনুমেয়! আর্জেন্টিনার পরের খেলা হল্যান্ডের সাথে। এবং আর্জেন্টিনা এবার হেরে গেল। আমার আর্জেন্টিনা গোল খাওয়াতে
প্রথমে খুব খুশি লাগল। কিন্তু খেলা শেষ হওয়ার পর আমার আশেপাশের লোকজনের চেহারা দেখে আস্তে আস্তে খারাপ লাগা শুরু করল। খেলা শেষে আর্জেন্টিনার খেলোয়ারদের কান্না দেখে আমার মন একদম ভেংগে গেল। মনে হল ইশ্‌, না হরলেই ভাল হত। খেলা দেখতে যেতাম অন্য বাসায়। আমাদের বাসায় আমার মা অতিরিক্ত ধার্মিক হওয়ার কারণে টিভি নিষিদ্ধ। লুকিয়ে টিভি দেখা! খেলা দেখে আসার পথে আমার কাছের বন্ধু যে আর্জেন্টিনার সাপোর্টার সে কান্নায় ভেংগে পড়ল। হাজার হাজার মাইল দুরের এই গরীব বাংলাদেশের এক অজপাড়াগাঁয়ে আর্জেন্টিনার হেরে যাওয়াতে কান্না। আমার জন্য এরকম কেউ কান্না করলে আমি সারাজীবন হারতে রাজি। সারাটা জীবন। Sometimes you win by losing. তো আমার বন্ধুর কান্না দেখে আমার আরো খারাপ লাগল। সে কান্না সামলাতে না পেরে রাস্তার পাশে বসে গেল। আমি বসে গেলাম তাকে সান্তনা দিতে। এবং একটু পর আমিও কান্নাকাটি শুরু করলাম! কেন যে আর্জেন্টিনা হারল। কোনমতেই মেনে নিতে পারছিনা। ২ ঘন্টা আগে আমি আর্জেন্টিনার হারার জন্য আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করে আসছি। এখন আমি তারা হেরে যাওয়াতে বন্ধুর সাথে কাঁদতেছি। কি বিচিত্র মানব মন!

তবে সেটাই একমাত্র নয়। ৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ। আমার পছন্দের দল ওয়েস্ট-ইন্ডিজ আর কেনিয়া। কাল বলেই হয়ত বা! তবে পাকিস্তানকে ঘৃণা করতাম। অনেকেই খেলা আর রাজনীতি এক নয় বলে যুক্তি দিবেন। কিন্তু আমি সেটা মানতে রাজিনা। যুক্তির সমস্যা এখানেই। আমরা নিজেদের মত যুক্তি সাজিয়ে নিই সবসময়। সব যুক্তিরই কাউন্টার-যুক্তি আছে কিন্তু আমরা মানতে রাজিনা। তো পাকিস্তানকে যেহেতু ঘৃনা করি তাই তাদের পরাজয় চাই। ভারত-পাকিস্তান খেলা। পাকিস্তান হেরে যাচ্ছে। এক-একটা উইকেট পড়ে পাকিস্তানের আর জয় দূরে সরে যায়। ইনজামামকে আমি সবসময় পছন্দ করতাম, পাকিস্তানি হলেও। যখন সে আউট হল আর খুব মন খারাপ করে খুব আস্তে আস্তে ব্যাট নিয়ে প্যাভিলিয়নে যাচ্ছে আমার পাকিস্তানের জন্য খারাপ লাগা শুরু করল। এবং প্রত্যেকটা পরের উইকেট পড়তেছে আর আমার খারাপ লাগা আরো বাড়তেছে। সকালে উঠে আমার আশেপাশের পাকিস্তান সাপোর্টারদের কোথায় উপহাস করব! আমি নিজেই মন খারাপ করে বসে আছি!

আমি এইচএসসির শেষের দিকে। সেই নুহ নবীর জামানার কথা! তখন গ্রামে চেয়ারম্যান নির্বাচন হচ্ছে। আগের চেয়ারম্যান খুব খারাপ ছিলেন। তাই সবাই নতুন একজনকে ভোট দিচ্ছে। আমিও আগের চেয়ারম্যানের ঘোর বিপক্ষে। কিন্তু যখন নতুন চেয়ারম্যান জিতল, আমার আগের চেয়ারম্যানের জন্য খারাপ লাগা শুরু করল। মনে মনে ভাবতেছিলাম এইসময়ে সে কোন ধরণের মানসিক অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আর তাতে খারাপ লাগা শুরু করল। সবাই নতুন চেয়ারম্যান আগের চেয়ারম্যানের চেয়ে কত ভাল হবে সেটা নিয়ে কথা বলতেছে। আর আমি মন খারাপ করে বসে আছি!

যায়যায়দিনকে খুব পছন্দ করতাম। শফিক রেহমান একটা কাল্ট ফিগার। ১৯৯৯৬-২০০১ যায়যায়দিন ধুমিয়ে পড়েছি। আওয়ামী সরকারের সমালোচনা করতে যায়যায়দিন খুবই পারংগম ছিল। ঐ যে বললাম এস্টাবলিশমেন্টের বিপক্ষে! আমার বাবা ঘোর নাস্তিকটাইপ আওয়ামী-বামপন্থি হলেও আমি যায়যায়দিন পড়ি আর খুব ভাল লাগে। আগে বলেছি আমার মা খুব ধার্মিকা। কিন্তু বাবা বামপন্থী ছিলেন। বুড়া বয়সে অবশ্য অন্য সব বামপন্থী, নাস্তিকদের মত এখন খুব ধার্মিক হয়েছেন! ফজরের জামাতে সবার আগে গিয়ে মসজিদে বসে থাকেন! ত যায়যায়দিন পড়ি আর শফিক রেহমানের প্রতি আমার শ্রদ্ধা বেড়ে যায়। আস্তে আস্তে জানতে পারি এরশাদের আমলে তার আপষহীন থাকার কথা, জেলে যাওয়ার কথা। শফিক রেহমানকে পছন্দ করি আবার আগাচৌকে ভাল লাগে! এভাবেই দিন যাচ্ছে। ঢাবি'তে ভর্তি হওয়ার পর ঢাকায় নানা-নানীর সাথে থাকি। নানা যাযাদি ভক্ত। তাই যাযাদি'র ১৯৮৫ সাল থেকে সব সংখ্যা তার কাছে আছে। আমি পুরাতন সংখ্যাগুলো পড়া শুরু করলাম। মনে হল আগের যাযাদি অনেক বেশি ভাল ছিল। ২০০১-২০০৬ যাযাদি আর আগের মত নেই। বিএনপি-জামাত সরকারের নগ্নভাবে লেজুড়বৃত্তি শুরু করেছে। সব দোষ আ'লীগের! যাযাদি'র বিশেষ সংখ্যাগুলো যেকোন চটি থেকেও অশ্লীল লেখায় ভরপুর। আগে সেটা তেমন পাত্তা দিইনি। কিন্তু এখন সেটাকে বড় ইস্যু মনে হল। আস্তে আস্তে যাযাদি থেকে মন উঠে যেতে লাগল। শফিক রেহমানকে চরম ধান্ধাবাজ মনে হল। এটা স্বাভাবিক। যখন আপনি কোন লোককে খুব পছন্দ করেন কিন্তু পরে জানেন যে সে বিশ্বাসঘাতক তখন তাকে অনেক বেশি ঘৃনা করা শুরু করেন। হুমায়ুন আহমেদকে খুব ভাল পেতাম। পরে শাওনকে বিয়ে করাতে তাকে আমার ঘৃনার লিস্টের প্রথম দিকে রেখেছি!

তবে শফিক রেহমান আর যাযাদি মনে হয় একই শব্দ। শফিক রেহমানকে আপনি যতই ঘৃণা করেন, তার অসাধারণ জীবনীশক্তির কথা অস্বীকার করার উপায় নেই। লাল-গোলাপ আমার সবচাইতে পছন্দের অনুষ্ঠান ছিল যদিও তখন যাযাদি পড়া বাদ দিছি এবং শ.রে. কে ঘৃনা করা শুরু করেছি, কিন্তু লাল-গোলাপ যে খুব সুন্দর অনুষ্ঠান সেটা অস্বীকার করা অন্যায়। টিভি দেখাটা তেমন ভাল না লাগলেও শুক্রবার রাতে লাল-গোলাপ দেখতেই হবে নানা-নাতী মিলে! পরে দৈনিক যাযাদি বের হল। সেটা বাংলা বানানকে জবাই করতে শুরু করল। বাংলিশ পত্রিকা হয়ে গেল। সাব-স্ট্যান্ডার্ড একটা পত্রিকা। যাযাদি ক্রমশ জামাতি-ঘেষা বিএনপি হয়ে গেল। তারেক রহমান যাযাদি মিডিয়াপ্লেক্স ভিজিট করলে সেটা প্রথম পাতায় লিখে দেয়! শফিক রহমান আমার ঘৃনার লিস্টে অন্যতম প্রধান ব্যক্তি। আমার অনেক বছরের বিশ্বাসভংগের জন্য।

তারপর সেই পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা। শ.রে. যাযাদি'তে পরে "এয়ারপোর্টে বিব্রতকর মুহুর্ত্য" নামে বাংলা আর ইংরেজীতে কারণ দর্শালেও তা হাস্যকর সেটা যে কেউ বুঝবে। যাযাদি'র এমন অবস্থাতে খুব খুশি হয়েছিলাম। পরে অবশ্য যাযাদি আবার বের হয়েছিল। কিন্তু সেই ইমেজ নিয়ে এগুনো যাবেনা সেটা সবাই জানে।

আজ কয়েকদিন পর ব্লগে এসে দেখলাম শ.রে. যাযাদি থেকে পদত্যাগ করেছেন। শুনে মনে ড় ধাক্কা খেলাম। শ.রে. কে লোল রহমান বলে সম্বোধন করেছি ব্লগে অনেক। রিজভিকে একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম "লোল রহমান" ইদানিং কি করে। সে আমাকে ব্লক করেছিল এটা বলাতে।

কিন্তু শফিক রেহমানকে যাযাদি থেকে বের করে দেওয়া কোনমতেই মেনে নিতে পারিনা। এই মানুষটা বুড়া বয়সে এসে ভুলপথে চললেও তার প্রতি আমার অন্তরের গভীরে একটা জায়গা আছে সেটা আবার বুঝতে পারলাম। You can either hate him or love him, but you simply can't ignore him. আজ শফিক রেহমানকে আমি সেলাম জানাচ্ছি।

প্রিয় শফিক রেহমান, আপনাকে গত ৬ বছর চরম ঘৃনা করেছি। কিন্তু আজকে আপনার দুর্দিনে আপনার একজন প্রাক্তন ভক্ত আপনাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। আপনার সব ভাল, সব মন্দ, সব পক্ষপাতিত্ব, আপনার সব বাংলা অবানান, ভুল সিদ্ধান্ত, আপনার আলট্রা ওয়েস্টার্নিজম আরো সব দোষ-গুণ নিয়ে আপনি একজন অনন্য মানুষ। আপনি একজন অসাধারণ মানুষ। আজ আপনার দুর্দিনে আপনার এই প্রাক্তন ভক্ত গত ৬ বছরের সব ঘৃণা ভুলে গিয়ে আপনাকে আবার আগের মত ভালবাসার স্থানে বসালাম। আপনাকে আপনার এই নগন্য ভক্ত আবার তার ঘৃণার লিস্ট থেকে কেটে দিয়ে তার খুব প্রিয় মানুষদের লিস্টে রাখলাম। আপনি আমাকে রাজনীতি বুঝতে শিখিয়েছিলেন আমার কৌশোরকালীন সময়ে। আপনার যাযাদি পড়ে সে সময় কত সময় আনন্দ পেয়েছি, কত সময় কষ্ট পেয়েছি। অনেক সময় ভেবেছি। অনেক সময় আশ্চর্য হয়েছি। সেই ছোট-ছোট আনন্দ, ছোট-ছোট কষ্ট, ভাবনার সময়গুলো শুধুই আপনার দান। আপনার বৃদ্ধকালীন সময়ের ভুল পথে চলাটাকে সম্পূর্ণভাবে ভুলে গিয়ে আপনার এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনটাই শুধু মনে গেঁথে রাখলাম। আপনার লাল-গোলাপ আমাকে আর আমার অন্যতম প্রিয় মানুষ আমার নানাকে একসাথে জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময় কাটাতে সহায়তা করেছে। আপনাকে অন্তরের গভীর থেকে শ্রদ্ধা। আর হয়ত আপনাকে সেই আগের ৯০ দশকের যাযাদি'র শফিক রেহমান হিসেবে পাবনা। কিন্তু আমার মতই আপনার অগনিত ভক্তের কাছে আপনি খুব কাছেই থাকবেন, অন্তরের খুব গভীরেই থাকবেন। আপনি শতায়ু হোন। আপনি ভাল থাকবেন, অনেক অনেক ভাল।

 

 

  • ১১৯ টি মন্তব্য
  • ৮৭১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৭ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:১১
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: একটা কারণে মনটা খুব খারাপ। শ.রে.-এর কথাটা শুনে মন আরো খারাপ হয়ে গেল। তাই আগের পোস্টের কমেন্টগুলোর উত্তর দিতে ইচ্ছে হচ্ছেনা এখন। পরে সময় করে দিব কয়েকদিনের মধ্যেই।
২. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৭
comment by: এস্কিমো বলেছেন: জেলে যাওয়ার কথা। - জেলে গেছিলো নাকি?
১৪ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: এস্কিমোভাই, মনে হয় জেলে যায়নি।

৩. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৭
comment by: পলাশ রহমান বলেছেন: সময়ের ঢেউয়ে টালমাটাল একজন মানুষ।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: একমত।

৪. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৮
comment by: কামাল ভাই বলেছেন: তয় হেরি, তোমার মনোভাব বেশ রেসিস্টই বলা যায়৷ বেশিরভাগ রেসিস্টগো চিন্তাভাবনার স্টাইল এরম
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৯

লেখক বলেছেন: শমশেরভাই, মনে হয়। সবাই কোন না কোনভাবে রেসিস্ট!

৫. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:২১
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: বুড়া বয়সে মানুষগুলো এরকম উল্টাপাল্টা হয়ে যায় কেন?

শ.রে., ফরহাদ মজহার, আগাচৌ সবাই?
৬. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৪
comment by: হট্টগোল বলেছেন:

আমি একটি লেখা লিখছি শফিক রেহমানকে নিয়ে। ১২ তারিখ পোস্টাইব। এর আগ পর্যন্ত দূর্দান্ত ব্যস্ত।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫২

লেখক বলেছেন: ওকে। পড়ব।

৭. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৫
comment by: হট্টগোল বলেছেন:

লোকটাকে সবাই যেরকম ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছে, ছুঁড়তে হলে শফিক রেহমানের আগেও আরো অনেকেই ছিল। এখন এসব দেখে বেচারার জন্য মায়াই লাগছে।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: আমারও!

৮. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৫
comment by: আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: শারফু, কি কইলা???

৯. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৫
comment by: কামাল ভাই বলেছেন: নানারকম স্টেরিওটাইপিং থাক্তে পারে, তবে তুমি যেগুলা লিখছো এগুলা সত্যি হইলে তুমি এক্সট্রিম কেইস এ আছো৷ ফিক্স করা উচিত৷ হয়তো সাদা গালফ্রেন্ড নিলে দ্রুত সারতে পারে
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা.......পয়েন্ট নোটেড!

১০. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৭
comment by: দোলাহাসান বলেছেন: লেখা ভাল লাগলো।এরশাদ বিরোধিতার জন্য অনেকেই তাকে মনে রাখবে।
বুড়া হলে মরতে আর বেশি বাকি নাই, সেজন্য মনে হয় উল্টা পাল্টা শুরু করে দেয়!
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। বুড়া হলে ভীমরতিতে পাই মানুগুলোরে!

১১. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫২
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

একটা কথা চালু আছে, --হাত খুলে লিখে যান ।
প্রিয় হ্যারি, তুমিতো প্রাণখুলে লিখে গেলে (অবশ্যই প্রাণ হাতে নিয়ে না :) ) !
তোমার এই প্রাণ খোলা লেখাতে আনন্দের সঙ্গে প্লাস ।


দোষ-গুণে মানুষ । এই লোকটাও তার উদ্র্ধে না । কোন লোকই না । এই লোকটটার দোষের চেয়ে গুণটা বরং বেশী, এটা আমার বিশ্বাস , ব্যক্তিগত মত । তার স্বপ্নবাজী প্রচন্ড ভালো লাগে ।তারুণ্যকে নিয়ে তিনি স্বপ্ন দেখেন, স্বপ্ন দেখান তরুণদের.. ভালো লাগে খুব । তার প্রতি শ্রদ্ধাপূর্ণ সহানুভূতি ।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: আরাশি বদ্দা, কেমন আছ? কয়েকদিন পর তোমাদের সাথে কথা হচ্ছে!

১২. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৫
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: হ্যারি ভাই লেখাটা পুরোটা পড়লাম। ভালো লাগলো।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: শামীম মিয়া, থ্যাংকু! লেখাটাতে একটু নিরপেক্ষভাবে শ.রে. কে বিশ্লেষণ করার অভাব আছে যদিও!!

১৩. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৮
comment by: আজহার ফরহাদ বলেছেন: সেলডন দা, এই বুড়া ভামটার সাথে কাজ করেছে তেমন সংবাদকর্মীদের শতকরা ৮৫ ভাগই পরবর্তীতে তাকে প্রবল অপছন্দ করছে।

তার সবচেয়ে বড় গুণ মিডিয়ায় তার নিজস্ব ধারাটি একটি চমৎকার ও আধুনিক সম্ভাবনার পথ খুলে দিয়েছিল পরে যা ব্যাক্তিগত নোংরামিতে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছায়।

তার মেকী ও ভাবসর্বস্ব আধুনিকতার ষোলআনাইযে ব্যর্থ তা কিন্তু নয়। কাজেও লেগেছে। সে দিকে থেকে তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বটে। তবে চটি প্রকাশনা, আপোষহীনতা থেকে রাজনৈতিক সুবিধাগ্রহণ, পশ্চিমা মনোজগতের বুদ্ধিবৃত্তিহীন মস্তিষ্ক নিয়ে শেষকালটা মোটেই ভাল যাচ্ছে না তার।

স্মরনীয় হয়ে ওঠার বদলে নিন্দনীয় হয়ে উঠেছেন ধীরে ধীরে।

আর দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকা ছিল তার দিবাস্বপ্ন ও মিডিয়া স্বেচ্ছাচারিতার অংশ। এটিকে নিয়ে তিনি পূর্ণমাত্রায় কনশাস ছিলেন না মোটেই। জাস্ট একটা হুইম, একটা গেম, একটা পলিটিকেল স্টান্ট, অবাস্তব পরিকল্পণার ভেতর তিনি হারিয়ে গেছেন কোথাও!

অন্যান্য সম্পাদকের চেয়ে শফিক রেহমানের পার্থক্য এখানেই, তিনি মানুষকে যথাসম্ভব আশাবাদী ও বিশ্বাসী করে তোলেন।

আবার মানুষের স্বপ্ন ও বিশ্বাস নিয়ে অদ্ভুতভাবে প্রতারণাও করেন।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন: এই বিশ্বাস নিয়ে প্রতারণা করেছেন বলেই তাকে চরম ঘৃনা করেছি। কিন্তু আমি মানুষের পতন দেখতে পারিনা যে! তাই পতন দেখে তার খারাপ দিকগুলো মন থেকে মুছে যাচ্ছে!!


বুড়া বয়সে মানুষ কেন যে এরকম পাল্টি খায় সেটাই বুঝতে পারিনা।

১৪. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:০৬
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: পোষ্টে প্লাস।
এজন্য নয় যে আপনি শফিক রেহমানকে পছন্দ করেন, বরং এজন্য আপনি মনখুলে লিখে গেছেন।
আমাদের ভাবা উচিত শফিক রেহমান , যদি একজন শফিক রেহমান না হতেন তাহলে কি হত? তিনি আমাদের জন্য যা যোগ করেছেন, তার জন্য তাকে আমি শ্রদ্ধার আসনে রাখব সবসময়। দশটা ম্যাড়ম্যাড়ে সংবাদজগৎের লোক আর শফিক রেহমানকে এক দাড়িপাল্লায় কেউ মাপলে ভাল লাগে না।

তার জন্য শ্রদ্ধা থাকল। আজযে তার দুরবস্থা তা থাকবে না। তিনি একজন স্বপ্নবাজ মানুষ। এবং জনপ্রিয়, প্রথাগত নন বরং নতুনত্বে বিশ্বাসী। তিনি নতুন আলোয় উদ্ভাসিত করেন অনেক কিছু। তাতে অনেকে অভ্যস্থ নাও হতে পারেন। এজন্য তাকে ভালভাবে রিড করতে না পেরে অশ্রদ্ধামুলক মন্তব্যও দিতে পারেন।

যা হোক, শফিক রেহমান, আপনি ভাল থাকুন।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪১

লেখক বলেছেন: রন্টি, অনেক ধন্যবাদ। দুরবস্থা থাকবে কিনা জানিনা। আমার তো মনে হয় তিনি এখন আর ফিরে আসার চান্স নেই। বয়স হয়ে গেছে, দেশের অবস্থাও আগের মত না। তাছাড়া তার গ্রহনযোগ্যতা তলানিতে একদম। তিনি নিজেকে সুবিধাবদী প্রমাণ করে শুধু নিজের না দেশেরও অনেক ক্ষতি করলেন।

১৫. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:১০
comment by: বিবর্ণ বলেছেন: বুইরা আতেল গুলার পতন এখন সময়ে দাবী।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪১

লেখক বলেছেন: বুড়া বয়সে এরা সবাই খেই হারিয়ে ফেলে।

১৬. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪৪
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আমার তাকে চেনার সবটুকু ওই আগেরই। ইদানিংকালে তার কথা মনে ছিল না। তিনি ফিরে আসতে পারবেন না, তা মনে করি না। আর তার গ্রহনযোগ্যতার কথা বলছেন? ওটা তাকে কেউ দেয়নি, তিনি অর্জন করেছিলেন। অর্জিত জিনিস ওত সহজে মুছে যায় না।
আপনার কাছে তার গ্রহনযোগ্যতার কি অবস্থা এখন?
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৫২

লেখক বলেছেন: আমি তার অনেক বিষয়েই ইম্প্রেস্‌ড। কিন্তু গত সরকারের আমলে তার নির্লজ্জ পক্ষপাতিত্ব দেখলে আপনি আশ্চর্য হয়ে যাবেন এই মানুষটাই কি সেই মানুষ? তবে লাল-গোলাপ অনুষ্টান এক কথায় অসাধারণ ছিল। আমার কাছে তার গ্রহনযোগ্যতাটা আগাচৌ'র মতই। একসময় চৌকস সাংবাদিক ছিলেন, আমার ভাইয়ের রক্তে রাংগানোর মত গানের রচয়িতা, কিন্তু এখন বুড়া বয়সে তার কথাবার্তা শুনলে হাসি পায়। শ.রে. ও সেরকম হয়ে গেছেন। আগাচৌ'কে এখনও শ্রদ্ধা করি তার আগের অবদানের জন্য। শ.রে. কে এখনো খুবই শ্রদ্ধা করি তার ২০০১ পূর্ববর্তী, বিশেষ করে এরশাদ আমলে তার কাজের জন্য। কিন্তু আমি যাযাদি দৈনিক দুচক্ষে দেখতে পারতামনা। যাযাদি আর নয়াদিগন্ত, সংগ্রামের মধ্যে কোন পার্থ্যক্য ছিলনা সেসময়।


তাছাড়া তিনি কি আবার সাপ্তাহিক যাযাদি শুরু করতে পারবেন? আমার মনে হয় না। অন্য কোন ভিন্ন নামে ম্যাগাজিন? আমি খুব খুশি হব যদি বের করেন। আমি নিয়মিত পড়ব আগের মতই, তবে যদি বুঝি যে তিনি ২০০১-২০০৬ সালের যাযাদি নিয়ে আসছেন আবার তাহলে পড়বনা আর। তবে তার প্রতি শ্রদ্ধা আছেই। তিনি এক অনন্য মানুষ, সব দোষগুন নিয়েই অনন্য মানুষ।

১৭. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪৭
comment by: বিহংগ বলেছেন: আমিও এই দলে। কেনো যেনো জয়ী দলের কাছ থেকে মনটা বলে শুধু পালাও ,পালাও। প্রায়ই এ রকম হয়, যে দল সাপোর্ট করি সে দল যখন দেখি জিতে যাচ্ছে,তখন ধীরে ধীরে পরাজিত দলের জন্য মনের আদ্রতা বাড়তে থাকে।
আর যায়যায়দিন সময়কে কী সুন্দরভাবেই না একসময় রাংগিয়েছিলো।
সেই রাংগানো আবীর এ রকম নিদারুনভাবে বিবর্ন হয়ে যাবে কেউ প্রত্যাশা করেনি।
যায়যায়দিনের পাঠানো কয়েকটি সম্মানী চেক এখনো আমার কাছে আছে। সজীব ওনাসিস, বিভূরন্জন সরকারের সেই দিন ,স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সেই আপোষহীন বিদ্রোহের সেই যায়যায়দিন আর আসবে কি?
শফিক রেহমান একজন জননন্দিত দার্শনিকের ছেলের দর্শন- শুধু খ্যাতির মোহে ,আর রাজনৈতিক অদূরদর্শিতায় এরকম মেঘাচ্ছন্ন হবে ভাবতে খুবই অবাক লাগে। উনার খ্যাতিতে ,বিজয়ের গৌরবে যখন শুধু চালবাজ মনে হয়েছে,আজ উনার সকরুন চাহনি দেখে কেন যেন মনে হয়,এবারও আমি দূর্বলের পাশে আছি।
আপনার সুন্দর ,গোচানো উপস্থাপন বেশ ভালো লেগেছে।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:২২

লেখক বলেছেন: বিহংগ আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।


তিনি কি খ্যাতির মোহে এগুলো করেছিলেন? মনে হয় না। খ্যাতি তো অনেক আগে থেকেই ছিল। আমি এখনও বুঝতে পারিনা মানুষটা রকম করল কেন? এরশাদের ব্যাপক লোভ দেখানো সত্বেও যে লোকটা সৎ ছিলেন কেন তিনি এরকম হয়ে গেলেন? মানুষ বড়ই অদ্ভুত।

১৮. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৫৬
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তিনি যে মানের মানুষ, তাতে ফুরিয়ে যাবার কথা আমার মনে আসে না। একজন অমীত প্রতিভাবান মানুষ।
কেন তিনি এমন দলীয় আচরন শুরু করেছিলেন, সেটা এক রহস্য। তানা হলে দৈনিকটি অত্যন্ত ব্যাতিক্রমি উপস্থাপনা নিয়ে শুরু হয়েছিল।
তিনি কি করতে যাচ্ছেন জানি না। শুধু এটা জানি, একজন সাধারন মানুষের মত তিনি নন। তাই তার থেকে আশা করা যায় যেকোন কিছু, যা হয়ত আমরা এই মুহুর্তে ভাবতে পারছিনা।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:২৪

লেখক বলেছেন: রন্টি, অনেকাংশেই একমত। তবে আমার মনে হয় ৭২/৭৩ বছর বয়সে তিনি আবার ফিরে আসার মত অবস্থায় নেই। সময়টা খুবই প্রতিকুল।


তবে তিনি যদি কোনভাবে ফিরে আসেন আমার মত খুশি খুব কম লোকেই হবে।

১৯. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৫৯
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: লেখাটা ভাল লাগল।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৯
comment by: মিরাজ বলেছেন: গোছানো লেখা । অনেকদিন পর ব্লগে উকি দিতে এসে লেখাটিতে মন্তব্য করার জন্য লগ-ইন করলাম ।

০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:২৫

লেখক বলেছেন: মিরাজভাই কেমন আছেন? আপনাকে দেখা যায়না একদম।

২১. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩০
comment by: বোঘদাদি হেকিম বলেছেন: মাইনাস ব্যাক্তিগত ভালো লাগার সাথে আদর্শের সংঘাত না বোঝার জন্য
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: আইজুদা, আদর্শের সংঘাত তো আছেই। কিন্তু পিচ্চি বয়সের ভাল লাগাগুলো যে একদম ফেলতে পারিনা। মন যে বড়ই অদ্বুত, কি করব বলেন?

২২. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩২
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হেকিম, আপনিও তো ব্যক্তিগত ভাবনা থেকেই বলছেন।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: রন্টি, আপনি কখন থেকে বাইরে আছেন? ২০০১-২০০৬ সালে কি যাযাদি পড়ার সুযোগ হয়েছে?

২৩. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩২
comment by: আজহার ফরহাদ বলেছেন: লেখক বলেছেন: রন্টি, অনেকাংশেই একমত। তবে আমার মনে হয় ৭২/৭৩ বছর বয়সে তিনি আবার ফিরে আসার মত অবস্থায় নেই। সময়টা খুবই প্রতিকুল।


তবে তিনি যদি কোনভাবে ফিরে আসেন আমার মত খুশি খুব কম লোকেই হবে।



শফিক রেহমানের বয়স এখন ৭৫। করতে পারলে এই বয়সেও কিছু করা যায়। তবে তিনি তার দীর্ঘ মিডিয়া জীবনে কখনো পেছনে ফিরে তাকান নি, তাই ফিরে আসার তো সম্ভাবনাই নেই। বরং তিনি নতুন কোন পথ করে নিতে পারেন, যে পথে চলতে তিনি স্বাচ্ছন্দ বোধ করবেন; সেটা হোক গোরস্থানের পথ বা না হোক, একবার মনস্থ করলে ফিরে তাকাবেন না কিন্তু।
০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: হুমম......কমেন্টটা ঠিক বুঝলামনা!

২৪. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫২
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: আমার বড় চাচাতভাই যাযাদি কিনতেন। যাযাদি পড়া শুরু করি ৯৪ এর দিকে তখন আমি সিক্সে পড়তাম। তখনও মানুষটাকে এত চিনতাম না। বড় হবার পরে চিনেছি।

আমার মা খুব একটা টিভি দেখতেন না তারপরও লাল গোলাপ অনুষ্টানটি তার খুবই প্রিয় ছিল। মার সাথে বসে আমিও দেখেছি।
অনেক স্মার্ট শিক্ষিত হওয়ার কারণে আমি তাকে পচন্দ করতাম। সবচে বড় কথা তার মধ্যে গোঁড়ামি ছিল না।

মাহফুজ চমৎকার লিখেছো। তোমার সহজ সরল লেখাটি অনেক ভালো লাগল।
ভালো থেকো/
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৮

লেখক বলেছেন: ইমন, ধন্যবাদ অনেক।

২৫. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫২
comment by: আসামী বলেছেন: আমার লগে জেলে থাকনের কতা আচিল কিন্তু কেমনে জানি ফসকাইয়া যায়।
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৮

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা.....।

২৬. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৬
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: শফিক রেহমান অসম্ভব মেধাবী একজন লোক, সন্দেহ নেই ... কিন্তু মেধাবীদেরকেই মনে হয় কিনে নেয়া সহজ

আমার এখনও আফসোস হয়, আহা, সেই আশির দশকের শফিক রেহমান যদি আবার ব্যাক করত!!
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৯

লেখক বলেছেন: আপনার কথাটায় এক্কেরে মনের কথা।

কিন্তু মেধাবীদেরকেই মনে হয় কিনে নেয়া সহজ

২৭. ০৯ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৮
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনার লেখাটা সেইরম হইছে ... আমারও একই সমস্যা ... হারতে বসা দলের প্রতি সহানুভূতি তৈরী হয় ... ৯৬ এর বিশ্বকাপে ফাইনালে হারতে বসা অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের দেখে হঠাৎ মনে হইছিলো দুইটা দেশ একসাথে চ্যাম্পিয়ন হইলেই তো হয়! ... এখন যেমন হিলারীর জন্য খারাপ লাগতেছে :(
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৯

লেখক বলেছেন: আমারও হিলারীর জন্য খারাপ লাগতাছে!!

২৮. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:০২
comment by: এস্কিমো বলেছেন: একসময় ভোররাত্রে প্রেসে গিয়ে নিজের টাকায় যায়যায়দিন কিনে হলের দারোয়ানদের দিতাম বিক্রি করতে। মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রচুর আর্থিক ক্ষতির সন্মুখিন হয়েছি।

কিন্তু যখন দেখলাম খোলসের ভিতরে একটা আস্তো শয়তান - কি আর করারর।

শফিক রেহমান মুলত জনপ্রিয় হয় গাজী শাহাবুদ্দিনের সাপ্তাহিক সন্ধানীতে "যায়যায়দিন" নামের পরকীয়া প্রেমের থীমে সমসাময়িক বিষয়ের উপর কলাম লিখে। পরে সেই নামে একটা ম্যাগাজিন বের করে - যার মুল শক্তি ছিলো একদল তরুন সাংবাদিক।

তারপর আর কি, বিক্রয় যোগ্য মানুষ কি কোন সন্মান পাবার যোগ্য?
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:২০

লেখক বলেছেন: এস্কিমোভাই, এরকম আরো অনেকেই আপনার মত যাযাদিকে প্রতিষ্ঠা পেতে সাহায্য করেছে। কিন্তু লোকটা তাদের সম্মানটা রাখলনা।

২৯. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:০৫
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: হুমম.......ভাইজানের বাড়ি কি অংপুর? কই থাকেন এখন? চেনা চেনা লাগে.....
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন: বস্‌, না অংপুর না! চট্টগ্রাম! আগে নরাধম নামে লিখতাম। সেজন্য হয়ত চিনাচিনা লাগে!

৩০. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:০৬
comment by: আজহার ফরহাদ বলেছেন: এস্কিমো বলেছেন: তারপর আর কি, বিক্রয় যোগ্য মানুষ কি কোন সন্মান পাবার যোগ্য?

দারুণ বললেন তো!
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন: একমত!

৩১. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৫
comment by: এস্কিমো বলেছেন: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: হুমম.......ভাইজানের বাড়ি কি অংপুর? কই থাকেন এখন? চেনা চেনা লাগে.....

- কোন ভাইজান?
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন: আমারে জিগাইছে!!

৩২. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৯
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: @হ্যারি সেলডন
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:২২

লেখক বলেছেন: !!!!

৩৩. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৮
comment by: রাতুল" বলেছেন: মুখে অনেক বড় বড় ডায়ালগ দেয়া যায়, পেপারে অনেক কথা লিখে সাময়িক শ্রদ্ধা পাওয়া যায়, কিন্তু দলবাজিতে মানুষ সে শ্রদ্ধা হারাই। হ্যারী তোমাকে সালাম তুমি সময়কে বিচার করেছো, মানুষকে নয়। যার যার যে টুকু প্রাপ্য তুমি তাকে দিয়েছ। শ.রে. অতুলনীয় থাকবেন তার স্বর্নদিনগুলোর জন্য। তার এক যায়যায়দিন বুকের ভেতর যে শক্তি তৈরি করত, তা বাংলাদেশের কোন পত্রিকা আমার জন্য করতে পারে নাই। যে ভালবাসা আমার সামনে সে তুলে দিয়েছে তার দুয়ার এখনও বন্ধ হয় নাই। আজকে এখানে অনেকে ডায়ালগ মারছে, শফিক রেহমান কত খারাপ, বিক্রয়যোগ্য। খারাপ লাগে তখনই যখন দেখি এইসব ব্লগারের লেখাও বিক্রয়যোগ্য, মন্তব্যও বিক্রয়যোগ্য। হয়ত আজ থেকে ২০ বছর পরে এরাই দেশের বুদ্ধজীবিদের মাথা হবেন, কিন্তু তখনও কি তারা বাড়ে বাড়ে বিক্রি হবেন না। যে একবার বিক্রি হয়, সে বাড়ে বাড়েই হবে, মুক্তি নাই।
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন: আসলে প্রত্যেকের একটা প্রাইস ট্যাগ আছে কাঁধে ঝুলানো। যে ১০০ টাকায় বিকোবেনা সে ১০০০ টাকায় বিকোবে। যে ১০০০ টাকায় না সে ১ লক্ষ টাকায়, অথবা তা না হলে ১ কোটি টাকায় অথবা ১০০ কোটি টাকায়। টাকা না হলে খ্যাতির জন্য বিকোবে, সম্মানের জন্য বিকোবে, ক্ষমতার জন্য বিকোবে। বিকোবেই বিকোবে। আমরা সবাই বিকোই। আমরা মানুষরা প্রত্যেকেই একেকটা পণ্য।


মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৩৪. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:৪৩
comment by: ৈকলাশ বলেছেন: লেখাটা ভাল হইছে হ্যারি তবে তার ডিগবাজীর শেষ পরিনতি দেইখা মন খারাপ হইতেছে না- তারে দেইখা যদি আর পাঁচজন কিছু শিখে।

০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:২৫

লেখক বলেছেন: কেউ শিখবেনা ভাইজান, কেউ শিখেনা।

৩৫. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:৫৭
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: জীবন বড়ই কঠিন। নিজের হাতের গড়া যাযাদি হতে কারিগর শফিক রহমানই নাই। খারাপ লাগল!!!


আপনার লেখা ভাল হয়েছে। +
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: বিবর্তনবাদী, অনেক ধন্যবাদ।

৩৬. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:০১
comment by: ব্লুজ বলেছেন: হ্যারি আপনার গুছিয়ে লেখাটা খুব ভাল লেগেছে। আপনার অনুভুতিগুলো সরল প্রকাশ মুগ্ধ করেছে। এই ধরনের অনুভুতিগুলো বোধ হয় চিরন্তন। আমাকেও পেয়ে বসে কখনো কখনো। শফিক রেহমান কে আমার আধুনিক একজন মানুষ হিসেবে ভাল লাগে। +
০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ব্লুজ, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৩৭. ০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:০৩
comment by: এজাজ. বলেছেন: খুব ভাল লাগল লেখাটা পড়ে। মনে হল যেন নিজের কথাই পড়ছি!!

যাইহোক স্বৈরাচার বিতারনে শে.র-এর যে এক উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল সেটা তার সবথেকে বড় শত্রুও হয়ত অস্বীকার করবে না। মানুষকে কনভিন্স করার এক অসাধরণ ক্ষমতা ছিল মানুষটার। তার অতীত অবদানের জন্য তাকে স্যালুট!!

এবার আসি বর্তমানে:

কেনো সে বিএনপি-জামাত জোটকে সমর্থন করল। তার কোন এক