আমার প্রিয় পোস্ট
- তাহলে স্যাম মানেকশ-ই বাংলাদেশের স্রষ্টা? - ফারুক ওয়াসিফ
- আমাদের সহনশীল হতে হবে, এখন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার সময়। - রাসেল ( ........)
- ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের কি এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া উচিত না? - দরদী নজরুল
- "শত্রু তুমি পালাও!" - রাগ ইমন
- ভাত - আশরাফ মাহমুদ
- আমি লৌহ মানব ; আমার কোন দুষখ নাই - মহাকাল
- গোলাম আজম ভাষা সৈনিক হিসাবে প্রচার - জামাতিদের ভন্ডামীর একটা নমুনা মাত্র। - এস্কিমো
- আল্লাহ্ কে, তাঁর পরিচয় কি? তিনি দেখতে কেমন, তাঁর লিঙ্গ কি? - আবূসামীহা
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- আমি , যে কোনদিন মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি .......... - হনলুলু
- মাগনা বাংলা বই পড়ার সুযোগ - শরীফ উদ্দীন
- বউনি - আত্রেয়ী
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৯ ( তোমার চোখ এতো লাল কেন--নির্মলেন্দু গুণ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- রেসিপি ----- (সহজ মুর্গী রান্না) - বিষাক্ত মানুষ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- মন্তব্য করুন - ঘোর
- হ্যারি সেলডন , এই পোস্টে আসো - রাগ ইমন
- নরুর লাইগা ফিস কারি রেসিপি..
- সমালোচনাকারী
- বুটের তলায় দেখি ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল - সামী মিয়াদাদ
- সবার সেরা (ছেলেবেলা) - (অ)গাণিতিক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আমার সময়গুলো----- - বিষাক্ত মানুষ
- সিডর আক্রান্ত এলাকায় মুসলিম এইডের সাথে একদিন ( আরিফ জেবতিকের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ) - আরিফ জেবতিক
- ব্লগার প্রতুর বিবাহ সংক্রান্ত বিষয়ে গঠিত কমিটির প্রথম রিপোর্ট (১৮+) - শওকত হোসেন মাসুম
- পরিচয় - কোবরেজ
- কিচেনের কিছু প্রয়োজনীয় টিপস - ইরতেজা
- কি সখী ডরাইলা! - রাশেদ
- বাবার মুখে শোনা মুক্তিযুদ্ধ - আহমেদ শারফুদ্দীন
- ওই দেখ রাজাকার যায়। - মিয়াভাই সিলটী
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- কানাডিয়ান আদিবাসী এবং আমেরিকা আবিষ্কারের অজানা কাহিনী - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- কতোটা মন পুড়ে গিয়ে হয় নিঃশেষ!!! - একরামুল হক শামীম
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- একটা ভীষন নিষিদ্ধ কবিতা ( সুশীলরা পড়বেন না ) - রাগ ইমন
- স্টেরিওটাইপের কথকতা - রাগিব
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও নানাবিধ যুক্তি : শিশুর সাথে আরেকটি আলাপচারিতা - আরিফ জেবতিক
আস্তিকরা সবাই বেক্কল কেন?
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১:০৬
বাস্তবজীবনে আমার নাস্তিকদের সাথে প্রচুর মেলামেশা। আমার সবচাইতে প্রিয় বন্ধু নাস্তিক ছিল। এখানেও আমার রুমমেট আইআইটি-দিল্লীর ছেলে এবং ঘোর নাস্তিক। তাদের সবার একটা জিনিস চোখে লাগার মত। সেটা হচ্ছে তারা খুবই ভদ্র। ডঃ আহমেদ শরীফ আমাদের দূর সম্পর্কের আত্মীয় লাগতেন। তার বাড়ি আমাদের থানার পাশেই। ঢাকায় আমাদের বাসায় মাঝে মাঝে আসতেন। লোকটা যে কিরকম ভদ্র আর অসাধারণ মানবিক গুণাবলীর অধিকারি সেটা না দেখলে বুঝা যায়না। নিজের বাসার কাজের মেয়েকে নিজের মেয়ের থেকেও ভাল ট্রিট করতেন।
কিন্তু ব্লগের নাস্তিকদের মাঝে একটা জিনিস লক্ষ করলাম। তারা সব আস্তিকদেরকে বেক্কল, গাধা-টাইপ মনে করেন। ব্লগার আরিফুর রহমানের পোস্টে তিনি সব আস্তিকদেরকে বেক্কল বলেছেন। অপ বাক নামক নাস্তিক ব্লগার দেখলাম "মানুষের বিশ্বাস" নামক পোস্টে আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে আমাকে গাধা, ছাগল উপাধিতে ভুষিত করেছেন। আচ্ছা এটা কেন কেউ কি বলতে পারেন? নিজেদেরকে এরকম জ্ঞানী মনে করার কারণ কি? আমি তো দেখেছি প্রচুর স্টার-ব্রিলিয়ান্ট লোকজন আস্তিক। আমার পরিচিত ডঃ আব্দুল আওয়াল, যার প্রফাইল দেখলে টাস্কি খেতে হয়, বেল ল্যাবস-এ কাজ করেছেন, তিনি তাবলীগের গাট্টী নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ান। এরা সবাই বেক্কল হয়ে গেল?
নাস্তিকদের যুক্তি না মানলেই বেক্কল? নাস্তিকতাও তো একটা বিশ্বাস, নাকি? তাহলে আস্তিকদেরকে বেক্কল, গর্ধব বলার কারণটা কি ঠিক বুঝতে পারিনা!
সাধারণ ব্লগাররা কি একটু বলবেন মানুষের ইন্টেলিজেন্স কিভাবে মাপা যায়? শুধু নাস্তিক আর আস্তিকতায় কি ইন্টেলিজেন্স-এর লক্ষণ?
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
"নাস্তিকতাও তো একটা বিশ্বাস, নাকি?" এটা নিয়ে একটা পোস্ট দিব পরে।
বিটলা বলেছেন:
"নাস্তিকতাও তো একটা বিশ্বাস, নাকি?"হ্যা,আমি মনে করি নাস্তিকতাও একটা বিশ্বাস।
নাস্তিক আর আস্তিকতায় কি ইন্টেলিজেন্স-এর লক্ষণ?
না,আমার মনে হয়না ইন্টেলিজেন্সির সাথে নাস্তিক বা আস্তিকতার সম্পর্ক আছে।
লেখক বলেছেন: বিটলা, অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: বাল্যবিবাহ পোস্টে? কমেন্ট করছি ত। তারে আমার আগের পোস্টে হাজিরা দিতে কইছি।
কামাল ভাই বলেছেন:
নানা ব্র্যান্ডের নাস্তিক আছে৷ কেউ যদি "নাস্তিক্যবাদ" বিশ্বাসে আক্রান্ত থাকে, তাইলে সে নাস্তিক না ধইরা নেওয়া যায়৷ বিশ্বাসের ওপর বেজ করে কিছু কর্লে আর নাস্তিকতা জিনিশটা থাকে না, তাইলে সেইটা অল্টারনেট আরেক্টা রিলিজিয়ন৷ কে ঠিক কি কারনে নিজেরে নাস্তিক ঘুষনা দিছে এইটা না বুইঝা জেনেরালাইজ করা মুষ্কিল৷ বটমলাইন হইতাছে নাস্তিকতা কোন বিশ্শাস না, বরং প্রমান ছাড়া কোন কিছুরে বিশ্শাস না করতে চাওয়াটা নাস্তিকগো বেশিরভাগের কমন গুনাবলি হইতে পারে৷ "আল্লা আছে" এইটা যেমন আস্তিক্যবাদ, "আল্লা (সৃষ্টিকর্তা অর্থে) নাই" এইটা বিশ্বাস করাও আস্তিক্যবাদ৷ কারন দুইদিকের কোনটাই সায়েন্টিফিকালি পোর্মান করা যায় না৷ যুদিও কোরানে "আল্লা" নামক এন্টিটির কাজকাম আর কথাবার্তা শুনলে বুজা যায়, এই বুদ্দি নিয়া এর পক্ষে সৃষ্টিকর্তা হওন সম্ভব না৷ তয় এর মানে এই না যে অন্য কোন সৃষ্টিকর্তা থাকনের সম্ভাবনারে পুরাপুরি ডিসকাউন্ট করা হইতাছে৷
লেখক বলেছেন: হুমম.....কোন সৃষ্টিকর্তা থাকনের সম্ভাবনা পুরাপুরি ডিসকাউন্ট করা সম্ভব না। সেজন্যই সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের প্রশ্ন। তার মানে যে বিশ্বাস করে সে যেমন এবসলুটলি সিউর না তিনি আছেন কিনা তেমনি যে বিশ্বাস করেনা সেও এবসলুটলি সিউর না সৃষ্টিকর্তা নাই সেটা। দুটাই যেহেতু বিশ্বাস তাহলে একজন আরেকজনের থেকে ভাল হল কিভাবে?
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
এটা আসলে নিচু মানসিকতার লক্ষণ। আস্তিকদেরও দেখি অদ্ভুত অদ্ভুত আক্রমণে নাস্তিকদের পরাজিত করার চেষ্টা করছে, একই জিনিস ঘটে অনেক নাস্তিকের ক্ষেত্রে। কি জানি বাবা! আমি অত শত বুঝি না, গলা বাজি করে কোন বিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত করে যায় কীভাবে?.......সেটা নাস্তিকতা হোক, আর আস্তিকতাই হোক!
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
অমিত বলেছেন:
ব্যক্তিগত ভাবে আমি নাস্তিকতা আস্তিকতা দিয়ে বুদ্ধিমত্তা মাপতে চাই না। মানুষ যদি নিজের মনের শান্তির জন্য কিছুকে আঁকড়ে ধরতে চায়, তখন আমি তাতে বাধা দেয়ার কে ? তবে কেউ যখন তার বিশ্বাসকে আধুনিক প্রমাণ করার জন্য সায়েন্স ব্যবহার করতে চায়, তখন ব্যাপারটা বেকুব টাইপের হয়।কারণ সায়েন্স ব্যবহার করতে চাইলে সুপ্রিং বিয়িং এর অস্তিত্বই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়, ভুলে ভরা ঐশী গ্রন্থগুলা নাই বললাম।বিজ্ঞান যেখানে থেমে যায়, ধর্মের শুরু হয় সেখান থেকেই, যেটা হওয়া উচিত না। আমি একটা ব্যাপার ব্যাখ্যা না করতে পারার এই অর্থ না যে সেটার কোনও ব্যাখ্যা নেই।আর নাস্তিকতা কোনও বিশ্বাস না। সেটা হচ্ছে প্রচলিত ধর্মমতগুলাকে অগ্রাহ্য করা।
লেখক বলেছেন: প্রচলিত ধর্মমতগুলোকে অগ্রাহ্য করা মানেই কি গড নেই সেটা মনে করা নাকি গড থাকতেও পারে নাও পারে কিন্তু প্রচলিত ধর্মমতগুলোকে বেঠিক মনে করা?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিটলা।
কফি হাউজের আড্ডা বলেছেন:
আমরা সবাই বেক্কল, !!!!!!!!! শুধু আমার গুরু মহা জ্ঞ্যানী, উনার জ্ঞ্যান দেইখা আমি অজ্ঞ্যান হয়া গেছিলাম লেখক বলেছেন: আপনার গুরু কেডাই? মাইকেল মেহেদী?
উন্মনা রহমান বলেছেন:
হা: হা:, ভাল উদাহরণ দিছহেন তো! ডঃ আব্দুল আওয়াল!! উনি দেশে আসার পর উনার সেমিনার দেখতে গেছিলাম ইন্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে, তারপর আরো কয়েকবার আলাপ হইছে। আমরা একসময় আবিস্কার করছি যে উনি একজন বিরাট ধান্ধাবাজ এবং মিথ্যুক! খারাপ শুনাইলেও কথাটা সত্য। এইরকম আরো উদাহরণ আপনে দিতে পারেন, যেমন প্রফেসর শমসের আলী। ইনি একজন বিশিষ্ট তৈলবিদ, দূর্নীতিবাজ ও জোকার।
লেখক বলেছেন: আব্দুল আওয়ালকে মিথ্যুক মনে হয়েছে? কেন?
লেখক বলেছেন: হুমম..........আপনার জন্য আমার আগের পোস্ট ছিল। কমেন্ট করেননি যে?
অন্ধকার বলেছেন:
আস্তিক নাস্তিক দুই গোত্রেই ভালোমানুষ মন্দমানুষ, সভ্য মানুষ অসভ্য মানুষ আছে। তবে বিনয় মানুষকে আলোকিত করে। কাউকে কষ্ট দেবার জন্য কিছু না বলাই শ্রেয়। তবে... রাজাকারকে সবাক আক্রমণ করা যেতে পারে... যাবতীয় অসভ্যতা, গালাগালি রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের জন্য তুলে রাখুন অথবা প্রকাশ করুন!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
এস্কিমো বলেছেন:
কঠিন প্রশ্ন বটে। সহজ উত্তর হলো যখন একদল আরেকদলকে বুঝতে সমর্থ না হয় - তখনই বেআক্কেল মনে করে।
নাস্তিকদের মধ্যে মৌলবাদী হবার কি কোন সম্ভাবনার কথা ভাববেন না?
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় এটাই পারফেক্ট উত্তর। নাস্তিক মৌলবাদী হবার সম্ভাবনাই প্রবল।
বহুরূপী মহাজন বলেছেন:
একটা মন্তব্য করতেই লগইন করলাম। মানুষের মধ্যে ধর্ম বিশ্বাস অনেক ভাবে আসে। প্রথমত: মানুষ ধর্মবিশ্বাস পায় উত্তরাধিকার সূত্রে। বাপ-দাদার ধর্মই পালন করতে হবে, এটা বেশির ভাগ মানুষের বদ্ধমূল ধারণা। আবার কেউ কোন বিশেষ পরিস্থিতিতে একটি ধর্ম বিশ্বাস গ্রহণ করে, সেই বিশেষ পরিস্থিতি বিভিন্ন রকম হতে পারে, আর্থিক কারণে অনেকে একটি ধর্ম গ্রহণ করে, রাজনৈতিক কারণে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়, অনেকে আবার প্রেম ভালবাসার কারণেও গ্রহণ করে; তবে এ উদাহরণ কয়টিই সব নয়।! এ সব ক্ষেত্রেই একটা ব্যাপার কমন, সেটা হল এখানে ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে তেমন একটা মাথা ঘামানো হয় না, একজন চিন্তা করে না সে কেন আল্লাহ-ভগবান-ঈশ্বরে বিশ্বাস করে, তার বিশ্বাসের ভিত্তি হল বাইরের কিছু, তার নিজের চিন্তাভাবনা না। এবং মনে করে এ নিয়ে বেশি ঘাটা ঘাটি করলে পাপ হবে, সমাজ ব্যবস্থা আমাদের সেরকম শিক্ষা দেয়।অন্যদিকে যে ব্যক্তিটি নাস্তিক বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তার নাস্তিকতার ভিত্তি কিন্তু নিজস্ব চিন্তাভাবনা। তার নিজস্ব একটি ফিলসফি থাকে যার কারণে সে সব কিছুকেই নিজের স্বতন্ত্র দৃষ্টিতে বিচার করতে চায়। এবং যেহেতু ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে নিজের চিন্তভাবনার কারণেই সে নাস্তিক, তাই সে মনে করে যারা আস্তিক তারা ধর্ম নিয়ে এভাবে চিন্তাই করে না, তাদের সে ক্ষমতাটা নেই। তারা আস্তিক হয় পরিবার ও সমাজকে দেখে।
এবং ভুলটা এই জায়গায়। আমি আস্তিক তার কারণ আমার পরিবার বা সমাজ নয়, আমি আস্তিক তার কারণ এই নয় যে ছোটবেলা থেকে আমাকে আস্তিকতা সেখানো হয়েছে । আমি আস্তিক তার কারণ আমার নিজস্ব চিন্তাভাবনা। আমি এ নিয়ে অনেক ভেবেছি এবং আমার যুক্তি, আমার সচেতন মন আমাকে বলে তুমি আস্তিক হও। কিন্তু যারা নাস্তিক তারা হয়তো অন্যদের সাথে একই পাল্লায় আমাকে ফেলবে, ধরে নিবে আমার বিশ্বাস ধার করা, অন্যেদের দেখে শেখা। সেখানেই তারা ভুলটা করে বলে আমার মনে হয়।
লেখক বলেছেন: এইরে, বহুরূপী ত আসল কথা বলে দিয়েছে দেখি। আমার মনের কথা এটাই।
কামাল ভাই বলেছেন:
ঘুষিত নাস্তিকগো মইধ্যে কেউ কেউ ডেফিনিটলি মৌলবাদি৷ আসলে যে কোন বিশ্শাসরে কেউ জোর কইরা আকড়ায়া ধর্লে মৌলবাদ হইতে বাধ্য৷ দুঃখজনকভাবে "আমি সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্শাস করি" এইটারে অনেকে হয়তো না বুইঝাই জাইত্যা ধইরা রাখে, তখন মোলবাদি না কইয়া আর উপায় কি৷ তয় বামপন্তি টাইপের এরম মোলবাদিরা যৌবনে কড়া নাস্তিকবিশ্শাসি তারপর বার্ধক্যে কড়া আস্তিকবিশ্শাসি হয়া যায়৷ ওনেকে ভাবেন শালা এবাউট টার্ণ নিলো৷ আসলে তা না৷ এইটা যাস্ট আবাহনি মোহামেডানের মতন পার্টি বদল৷ কারন আগেও হেরা কোন এক্টা ইজমে বিশ্শাসই করত, যুক্তিটা কখনই বুজে নাই৷ ফ্যাক্ট আর বিলিফের পার্তক্য দুক্ষজনকভাবে ওনেকের কাছেই পরিষ্কার না৷
লেখক বলেছেন: একমত। এই কারণেই ফরহাদ মজহার আল মাহমুদগুলো পরে জামাতি হয়ে যায়। ব্লগেও দেখতেছি সেরকম হওয়ার চান্স বেশী।
নেমেসিস বলেছেন:
পোস্ট শিরোনামটা জুইতের হয় নাই । আপনি নিশ্চই দুইজন নাস্তিকরে দিয়ে পুরো নাস্তিক সমাজকে যাচাই করতে পারেন না । ঠিক তেমনি পুরো আস্তিক সমাজের প্রতিনিধীত্ব ও আপনার করা সাজে না ।
লেখক বলেছেন: আমি পুরা নাস্তিক সমাজকে তো যাচাই করিনি, শুধু ব্লগের নাস্তিকদেরকে যাচাই করেছি।
ইয়েস আমি একজন বেক্কল বলছি।
আপনাকে + দিয়ে কয়খান কথা কই-
ব্লগের 'নাস্তিক'দের কথা বললেন আপনার সাহস তো কম নয়।
উনারা একেকজন জর্জ বুশ ব্লেয়ার হিটলার, ক্ষেত্র বিশেষে তালেবান নেতা মোল্লা ওমর।
আমিও এ ব্যাপারে আপনার সাথে একমত যে, অনেক 'নাস্তিক' দেখেছি, অসাধারণ মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন। তাদের সাথে ঘন্ঠার পর ঘন্ঠা আলাপ করলেও বিরক্ত লাগে না।
নীচের কমেন্টটি এইমাত্র নাস্তিকের ধর্ম কথার ব্লগে দিয়ে এলাম-
সায়েন্সটা কি? সায়েন্স অব রিলিজিওনটাই বা কি? In its broadest sense, science refers to any systematic knowledge or practice.
রিলিজিওনের ভেতরে সর্বপ্রকারের সায়েন্টিফিক ফেনোমেনোনের ইংগীতবহ কথা থাকতে পারে না? সাইকোলজি থেকে শুরু করে যত প্রকারের 'লজি' আছে। কুসংস্কার ও বহুবিধ কূপমন্ডুক সংস্কার বাদ দিয়ে যে-ধর্ম তুলনামুলক উন্নততর জীবন যাপনের শিক্ষা দেয়, তাকে কি আপনি বিজ্ঞান বলবেন না? আমি সেই ধর্মকে এক অর্থে বিজ্ঞান বলি। শুধুমাত্র ম্যাথমেটিক্যাল এক্সপ্লোরেশনসকে যদি আমরা বিজ্ঞান বলবো কেন? কোরআন বিজ্ঞানময় এই অর্থে যে, এখানে জীবন জগতের প্রয়োজনীয় বিষয়ের সামারাইজড কথা আছে।
লেখক বলেছেন: সারওয়ারভাই, অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
আমার মনে হয় দুই দলই ( জেনেরিক অর্থে ব্যবহার করেছি, ব্লগবিশেষে নয়, সামগ্রিকভাবে সারা পৃথিবীতেই প্রযোজ্য ) যদি অফলা বাগবিতণ্ডা বাদ দিয়ে এ ব্যাপারে যতোটা পারি পড়াশুনো চালিয়ে যেতে পারি, তালে বেটার হতো, কারণ দ্যাখো কেউ কাল ডকিন্স পড়ে এসেছে, আজ মায়কেল বেহে পড়ছে, আবার আগামী কাল নতুন কিছু একটা পড়বে - সব সময় মত আর বিরূদ্ধ মতের খোজ পাচ্ছি - and it's too early to jump into any concrete conclution and vouch for that. what i wanna stress is that our mind should be open to explore-accept-reject any opinion and counter-opinion. period.
লেখক বলেছেন: মৈথু, কেমন আছ? আরে কিযে বলনা, নাস্তিকতার যা রকম দেখছি, কেউ কোরাণ না পড়েই বলে কোরাণ মুহাম্মাদ (সাঃ) এর রচনা!!
অমিত বলেছেন:
আমার মনে হয় বিজ্ঞান সম্পর্কে উইকির এন্ট্রির প্রথম লাইন দিয়ে আলোচনা বেশিদূর চালানো যায় না।এক কোরানে যা আছে তার থেকে ঢেরঢের বেশিগুনে বৈজ্ঞানিক ইংগীতবহ কথা পাবেন জুলভের্ন থেকে শুরু করে হালের সায়েন্স ফিকশন গুলাতে। ঐগুলাকে তো আপনে সায়েন্স বলতে পারবেন না ভাই, বলতে হবে সায়েন্স ফিকশন।যে জিনিস আপনে কন্ট্রলড এনভায়রনমেন্টে পরীক্ষা চালানো দূরের কথা, থিওরি দিয়েই প্রমাণ করতে পারবেন না, তারে আপনে যত জোর দিয়েই বলেন না কেন, বৈজ্ঞানিক ধারণা বলে প্রমাণ করতে পারবেন না। আর উন্নততর জীবনের শিক্ষা কি ধর্ম ছাড়া পাওয়া অসম্ভব ? কোরআন বাদে অন্য ধর্মগ্রন্থে কি জীবন জগতের প্রয়োজনীয় বিষয়ের সামারাইজড কথা নাই ?
লেখক বলেছেন: হুমম..........যুক্তিটা কি ঠিক হল? সায়েন্স ফিকশানে বিজ্ঞানের ইংগিত আর কোরাণে বিজ্ঞানের ইংগিত??!! যাক, যার যেরকম পারসেপশান। কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ। আমি বিজ্ঞানের ছাত্র না।
হট্টগোল বলেছেন:
আস্তিকরা আসলেই বেক্কল। (এখানে আস্তিক খুব সরলঅর্থে পরিচিত ব্যাখ্যায় বোঝানো হলো।)
কিন্তু তারপরেও তাদেরকে বেক্কল বলি না নানাবিধ কারণে। এটা একেবারেই অনুচিত। যার যার বিশ্বাস পালনে আমার বাধা দেয়ার কিছু নেই। আমার বেক্কল বলার অধিকারও নেই। তাই তাদের বেক্কল বলি না।
কিন্তু বেক্কল তাদের অবশ্যই বলি, ব্লগে-বন্ধুদের আলোচনায়-আড্ডায় ... যারা জ্ঞানে গরিমায় অনেক উঁচুতে অবস্থান করে ধর্ম নামক ফালতু জিনিসে বিশ্বাস হটাতে পারেন না, তাদের। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত একটা জিনিস আঁকড়ে ধরে ক্যামনে থাকে!!!!!
বাপ-মার ধর্ম ইসলাম। তাই আমিও মুসলমান হইছি এইটা একটা বয়স পর্যন্ত মানছি। যখন বুঝতে পারলাম হিন্দুর ঘরে জন্ম লইলে আমার হিন্দুই হওন লাগত তখন বোঝার চেষ্টা করছি তাইলে কোন ধর্ম ভালো। আমারে বাইছা নিতে কইলে কোনটা লমু?
এই বাছাবাছি করতে গিয়া মূলত ৪টা ধর্মগ্রন্থগুলা একটু লাড়ছি। আর জন্ম থিকা তো ইসলামরে জানি। সব মিলাইয়া দেখি সবগুলাতেই গলদ আছে। ও হ্যা ধর্মগ্রন্থগুলা লাড়ার আগে কিন্তু নিজেরে পুরা সরাইয়া লইছি যে কোনো ধর্ম থিকা। আমি মুসলমান, কোরাণ সর্বশ্রেষ্ঠ এইটা মাইনা তো অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থ লারা যাবে না।
যাউগ্গা এদিকে আমার মাতা ঘুরায়। পৃথিবীর দিকে চাইয়া দেখি ধর্ম ক্যামতে মাইনষেরে পিছনে টাইন্যা রাখে। হানাহানি, সংঘাত। মেজাজ গেল বিলা হইয়া। এদিকে উত্তরও খুইঁজা পাই না কেডা আসলে মরার পর আমারে শরবত অথবা পূঁজ খাওয়াইব। হেইডা আল্লাহ, ভগবান, ব্রহ্মা না ঈশ্বর। কারণ আগেই বুঝছি সবাই যার যারটারে সেরা কয়- এইটা স্বীকার বা অস্বীকার করার কিছু নাই। দ্বারস্থ হইলাম বিজ্ঞানের। বুঝলাম এইডারে ফলো কইরা গেলেই হইব। তাই ধর্মের নিকুচি করি।
আমার মতো ছোট মানুষ এইটা যখন বুইঝা ফালাইলাম তখন শমশের আলীর মতো আরো আরো বেকুব গো তখন বেক্কল কইতে খারাপ লাগে না। তাই আমজনতারে মাপ কইরা ওগোরেই শুধু বেক্কল কই। আর ব্লগে যাগোর মইধ্যে কিছু বুঝনের ক্ষমতা আছে বইলা মানি কিন্তু হেরাও ওইরকম তখন মুখে না পারলেও মনে মনে ঠিকই বেক্কল কই। হেরা যখন শমশের আলীর মতো হইব তখন লিখা বেক্কল কমু।
টায়ার্ড হইয়া গেলাম ....লাস্ট একটা কতা।
মুহাম্মদ পরথম যে কামটা করছে হেইডা অইল হেয় তার বাপ-মায়ের ধর্ম ছাইড়া নিজেই একটা ধর্ম (ইসলাম) প্রচলন করা শুরু করছে। আমিও তাই। নিজের বাপ মার ধর্ম ছাইড়া দিছি। তাই মুহাম্মদের লগে আমার কর্মপন্থায় একটা বেসিক মিল আছে। হা হা হা। মানুষ হিসেবে মিল তো আগে থেকেই ছিল।
লেখক বলেছেন: জ্ঞানে গরিমায় উঁচু হয়েও ধর্ম ধরে আছে নিশ্চয়ই সেখানে কিছু আছে। তারা যেহেতু আপনার চেয়ে জ্ঞানে গরিমায় উঁচু তার মানে আপনার থেকে তারা কোনদিকে কম বুঝতেছেন বলে তো মনে হয়না, নাকি?
@অমিত
এই কমেন্ট ওখানেও দিয়ে এসেছি।
খুব সংক্ষেপে কথাটা বলার জন্যেই উইকির লাইনটা দিলাম। বিজ্ঞান শব্দটা অনেক দূর পর্যন্ত ধরে তা বলতে।
সায়েন্স ফিকশনগুলোতে থাকতেই পারে।
অন্য ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে আমার ততটা জ্ঞান নেই।
কোরআনের, আমি দেখেছি, কিছু আয়াত এমন যে ব্যবহারিক জীবনের দিক নির্দেশনামূলক আবার একই আয়াত স্পিরিচুয়াল প্রেকটিসের বেলায়ও প্রযোজ্য। এখানে অন্তত দু'টি লেয়ার দেখা যাচ্ছে।
আসলে এসব আলোচনা বিস্তারিত না হলে অনেক কিছু ক্লিয়ার হয় না। ব্লগে সেটা সম্ভবও না। এখন আমার সময়ও ফুরিয়ে এসেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
কিন্তু ব্লগের নাস্তিকদের মাঝে একটা জিনিস লক্ষ করলাম। তারা সব আস্তিকদেরকে বেক্কল, গাধা-টাইপ মনে করেন। ব্লগার আরিফুর রহমানের পোস্টে তিনি সব আস্তিকদেরকে বেক্কল বলেছেন। অপ বাক নামক নাস্তিক ব্লগার দেখলাম "মানুষের বিশ্বাস" নামক পোস্টে আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে আমাকে গাধা, ছাগল উপাধিতে ভুষিত করেছেন।
ব্যাপারটা রূঢ় হইলেও সত্য যে, নিজেদের সীমাবদ্ধার সাথেই এইটা সম্পৃক্ত । তাদের চিন্তা আর বিশ্বাসের সীমাবদ্ধতা যতখানি, সেইমতে তারা অন্যকে সহজে বেক্কল বলতে পারে । গল্পটা সেই পিপিলিকার মতো , গরুর খুড়ে দেবে যাওয়া মাটির গর্তের পানিতে পড়ে যে ভাবসিলো,-'আহা ! কি মহাসমুদ্রেই না পতন হইলো।'
নিজে ছাগপ্রজাতির হইলে তার চিন্তার জগৎ ছাগুজাতিকে ছাড়াইয়া যায়তে পারেনা দুঃখজনক হইলেও, এই সত্যটা আমাদেরকে মাইনা নিতেই হয় ।
অপবাক নিকের ব্লগারটি তল্পিতল্পা সহ কাজীপাড়ায় গেসিলো, সেইখান থেকে ঘাঁর ধাক্কা খাইয়া এইখানে আইসা লাদিছড়ানো না-কি ?
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, আরাশি আপনি যা বলার বলে দিয়েছেন। আমি আর কি বলব।
অমিত বলেছেন:
কাজীপাড়া ব্যাপারটা কি ?
অমিত বলেছেন:
এই তথ্যের মধ্যে চমৎকার কি দেখলেন সারওয়ার ?
অমিত বলেছেন:
কেউ কোনও কথা বলে না কেন ভাই !! একটা মন্তব্য করলে ফুটলে চলে, আসেন একটু আলোচনা করি...
লেখক বলেছেন: কি দিছেন?
লেখক বলেছেন: আমিও!
কানু বলেছেন:
ধর্ম হল একটা সাদা ছড়ি। যাদের নিজের বোধশক্তি নেই তাদের জন্যই এটা শেষ ভরশা।
লেখক বলেছেন: বুঝা গেল আপনার বোধশক্তি খুব বেশী। আমারে একটু দেওয়া যায়?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আরাশি, কাজিপাড়া বিষয় টা কি?
লেখক বলেছেন: জেনু, কেন কি করবেন তারে চিনে?
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
@সারওয়ার সাহেব
এইখানে চমৎকার তথ্যের কিছু নাই ।
@অমিত
আমার কাছে কাজীপাড়া হইলো তা, যেখানে কেবল জ্ঞানী-জ্ঞানী কাজীরা বাস করতে পারে সাধারণ যেখানে অনাহুত, অস্পৃশ্য ! ব্রাক্ষ্মনদের চোখে , নীচু জাতের হিন্দুরা যেমন অনেকটা সেরকম ।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, আরাশি বদ্দা দেখি অন ফায়ার!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হুমম... আরাশি. "অপবাক নিকের ব্লগারটি তল্পিতল্পা সহ কাজীপাড়ায় গেসিলো, সেইখান থেকে ঘাঁর ধাক্কা খাইয়া এইখানে আইসা লাদিছড়ানো না-কি ? "
এই কথা দিয়া কি বুঝাইলেন? স নাস্তিক বৈলাই কি এই রকম হেয় করলেন?
অমিত বলেছেন:
আপনের চোখে কাজিপাড়া কি তা জানতে পারলা। ব্লগার মামো কাজিপাড়া বলতে আরেক ব্লগ সাইট সচলায়তনকে বোঝায় থাকেন। আপনেও কি সেটা বলতে চাইলেন ?
অপ বাক বলেছেন:
জনাব হ্যারি সেলডন, আপনাকে গাধা বলার কারণটা যদি এখনও না বুঝে থাকেন তাহলে কিছুই বলার নাই।একবার আপনার উক্তি ছিলো শিশুরা যে বেহেশতে যাবে না এটা আমি কোথায় পেলাম? সেখানে ছোট্টো করে লেখা ছিলো তাৎক্ষণিক শব্দটা - সেটার অর্থ হলো মৃত্যুর পর পরই কেউ বেহেশতে যাবে না, সে শিশু কিংবা বৃদ্ধ কিংবা জোয়ান কিংবা যুবতী- সবাইকেই কবরের ভেতরে অপেক্ষা করতে হবে- অপেক্ষা করতে হবে শেষের সেই দিনের জন্য- যেদিন সবাইকে কবর থেকে উঠানো হবে।কেউ কাউকে চিনবে না, সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকবে-
আপাতত যদি হোগা দিয়ে পাহাড় ঠেলে প্রমাণ করতে চান এইটা আপনার বুদ্ধিবৃত্তির উপরে অনৈতিক হামলা তাহলে নিজের মতো কথা বানানো ছাড়ান দিয়ে সরল পথে যুক্তি মিলান।
যদি বাক্য শব্দ এইসব বুঝতে না পারেন তাহলে সেটা আপনার সমস্যা- বাক্য যদি আপনার বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে এটার দায় আমি নিবো না। আপনাকে ঠেঙিয়ে মানুষ করবার দায় আমার নয়।
এই কথাটাই পুনরায় বললাম।
ফিক্সেশন থাকাটা মারাত্মক ব্যধি, আপনার ভেতরে সেই ফিক্সেশন কাজ করছে।
আমাদের একজন শিক্ষক চমৎকার একটা মন্তব্য করেছিলো- তার সেই মন্তব্য উৎসর্গ করি আপনাকে।
যারা সামান্য বুঝে এবং চিন্তাশক্তির ব্যবহার করে তারা এনটোগনিস্ট হয়ে উঠে, তবে যারা কিছুই বুঝতে পারে না তারাই একটা পর্যায়ে ভীষণ রকম উগ্র আস্তিক হয়ে উঠে, তাদের সব অবোধ্য ভাবনাই ইশ্বরাশ্রয়ী হয়ে তাকে সৃষ্টির মাহত্ব্য জানাতে থাকে। সে নিয়মিতই আশ্চর্য হয় এই ঘাস ফুল লতা দেখে,
দিনের প্রারম্ভে সূর্য উঠলো, পশ্চিমে অস্ত গেলো এইসব দেখেও সে আশ্চর্যান্বিত হয়। ভেবে বলে সবই ইশ্বরের লীলা খেলা।
যারা বিজ্ঞান বুঝে তারা একটা পর্যায়ে বিজ্ঞানের ব্যবহার করে প্রকৃতিকে বুঝবার জন্য।
যারা বিজ্ঞানের কিছুই বুঝে না ,তারা বিজ্ঞানের ব্যবহার করে কোরাণ বুঝবার জন্য-
আপাতত আপনার পথ মনে হচ্ছ দ্বীতিয়টা।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপনি বুঝি অনেক বড় বৈজ্ঞানিক? তা মশাই কি কি আবিষ্কার করলেন? ক্যালটেক না এমআইটি কোনটাই আছেন?
লেখক বলেছেন: আইজ্যাক নিউটন আর আলবার্ট আইনস্টাইনরাও কেন গডে বিশ্বাস করত সেটা আমার মাথায় ঢুকেনা। তারাও মনে হয় বেক্কল ছিল! তারা আপনার মত বিজ্ঞান বুঝতনা!
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
@ আরিফুর
না, নাস্তিক বইলা না । অন্যেরে ছাগল বইলা সহজে অশ্রদ্ধা প্রকাশ করে বইলা ।
@ অমিত
আমি আমারটা বলছি, আপনে কি বুইঝা নিবেন, সেইটা আপনের ব্যাপার ।
অপ বাক বলেছেন:
আব্দুর রাজ্জাক শিপন আপনার মন্তব্য দেখলাম। এর বেশী কিছু বললে আসলে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়ে যায় আপনাকে। যতটুকু আপনার প্রাপ্য তার বেশী পেলে সামলাতে পারবেন না মনে হয়।
লেখক বলেছেন: ঠিক! আপনার গুরুত্ব বুঝবে মহাজ্ঞানীরা। নো-বেল কখন পাচ্ছেন?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ফিক্সেশন থাকাটা মারাত্মক ব্যধি, আপনার ভেতরে সেই ফিক্সেশন কাজ করছে।অপবাকের এই কথার সাথে একমত হচ্ছি হ্যারি, কষ্ট পেলে দুঃখিত।
লেখক বলেছেন: এত সহজে কষ্ট পাইনা। তাছাড়া উনি এমআইটি, ক্যালটেক, প্রিন্সটন থিকা বিজ্ঞানে গবেষণা করে ফাটাইয়া ফেলেছেন। তাই উনি অনেক জানেন। উনার কথা একেকটা বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার!
লেখক বলেছেন: ফিক্সেশান জিনিসটা কি? কোরাণ না পড়েই সেটা মুহাম্মদ (সাঃ)এর রচিত বলাটাকে কি ফিক্সেশান বলা যায়??
অমিত বলেছেন:
যেখানে সোজাসুজি একটা স্টেটমেন্ট দেয়া যায়, সেখানে এরম মারফতি আচরণ করা, ঠারেঠুরে ইংগীত দেয়া তো ভয় পাওয়ার লক্ষণ। এরকম আচরণের হেতু আসলেই বুঝলাম না।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
হ্যারি, একটা কথা। হঠাত খেয়াল করে আমার কমেন্ট্টা আবার পড়লাম। তা থেকে যদি তুমি ভাবো যে ইশ্বর আছে কি নেই - এই বায়নারী ধারণার কথা বলছি তালে একটু ভুল করবে। আরেকটু এক্সপ্লেন করে দেই। এগুলো নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি অনেক দিন ধরেই ভেবেছি শেয়ার করবো। কিন্তু এটা মাচ্যুর প্ল্যাটফর্ম নয়। যাই হোক, খুব সংক্ষেপে : হিন্দুধর্মে বিস্তর জগাখিচুড়ি আছে। রাম খুব একটা সুবিধের লোক নয়। কথায় কথায় অয়োমুখী নামের কোনো নারীর স্তন কেটে ফ্যালেন। বামুনদের

















