আমার প্রিয় পোস্ট

একজন খাঁটি ভন্ড!

শহীদ, শাহাদাৎ এবং জিয়া - বিতর্কিত বিষয়, বিতর্কিত পোস্ট, বিতর্কিত আলোচনা।

৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৪৯

শেয়ারঃ
0 0 0




ইসলাম রক্ষার যুদ্ধে নিহতদেরকে সাধারণত শহীদ বলা হয়। অনেক আলেম বলেন যে শুধু ইসলাম রক্ষা নয়, কোন বড় অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত অবস্থায় কেউ নিহত হলে তাকেও শহীদ বলা যাবে। তাই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে স্বদেশ রক্ষায় নিহত সবাই শহীদ। আমার কাছে অবশ্য শহীদটা এখানে তেমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার না। তারা বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট সন্তান - এটাই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে যত মানুষ জন্ম নিবে তারা এইসকল সূর্যসন্তানের কাছে আজীবন ঋণী- এটাই সবচাইতে বড়কথা।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ব্যক্তিগত জীবনে একজন সৎ মানুষ ছিলেন বলে জানি। এবং মৃত্যুর সময় তার সহায়সম্পত্তি কিছু না থাকাটাই এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ। বাংলাদেশের মত একটা দেশে এতদিন প্রেসিডেন্ট থাকার পরও এত সৎ থাকাটা আমাকে বিস্মিত করে। মুক্তমনা'রা যাই বলুক এজন্য তার চরম শত্রুও তাকে শ্রদ্ধা করবে। কিন্তু তাকে কেন শহীদ বলা হয় সেটা আমার মাথায় ঢুকেনা। তিনি কি স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন? না। তিনি কি ইসলাম ধর্মের কোন যুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন? না। তিনি কি কোন বড় অন্যায়কে প্রতিহত করার সময় নিহত হয়েছিলেন? না। তাহলে কোন যুক্তিতে তাকে শহীদ বলা হয়? "শহীদ" না হয়েও তাকে শহীদ বললে সেটা কি গোআ'কে অধ্যাপক বলার মত হয়ে গেলনা?

উল্লেখ্য বংগবন্ধুকে কেউ শহীদ বলেনা দেখি। "স্বপরিবারে নিহত হন" এটাই সবসময় দেখে এসেছি। শহীদের প্রচলিত সংজ্ঞায় বংগবন্ধুও শহীদ না। কিন্তু জিয়া কেন শহীদ?

উল্লেখ্য আমার আ'লীগের প্রতি একটু পক্ষপাতিত্ব আছে সেটা স্বীকার করি এবং সেটার যথেষ্ট কারণও আছে। কিন্তু এই পোস্টে আ'লীগ/বিএনপি কোনটাই না হয়ে কি আমরা শহীদ জিয়ার জীবনকে ক্রিটিক্যালি এনালাইজ করতে পারি? শেখ মুজিবের জীবন নিয়ে যত কথা/লেখা হয়েছে সেই বিষয়ে জিয়াকে নিয়ে তত লেখা/কথা হয়নিই বলতে গেলে। যা কিছু আছে তাও তার প্রতি গদগদে প্রশংসাপূর্ণ লেখাই বেশি চোখে পড়েছে। অথবা জনকন্ঠটাইপ চরম প্রতিহিংসামূলক লেখা মনে হয়েছে। ব্লগারদের জিয়া সম্পর্কে কি ধারণা? শুধু প্রশংসা আর সমালোচনা না করে ফ্যাক্টসহকারে বলুন। শহীদের ব্যাপারটা নিয়েও কথা বলা যায়।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৫২
হ্যারি সেলডন বলেছেন: শুনা যায় জিয়াউর রহমানের আমলে প্রচুর মুক্তিযোদ্ধাকে বিচারবিহীনভাবে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল। এ ব্যাপারে কেউ জানেন? ফ্যাক্টসহ?


এখানে একটা ব্যাপার বলতে ভুলে গেছি। সার্ক প্রতিষ্ঠার জন্য জিয়াউর রহমানের একক ভুমিকা খুবই প্রশংসার দাবিদার যদিও সার্ক কাজের কাজ এখন পর্যন্ত কিছুই করেনি।
২. ৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৪
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: শহীদ জিয়ার ভক্তদের মতামতের অপেক্ষায় রইলাম
৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: আমিও!

৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৪
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: শহীদ বলার রীতিটা আবাল মুর্খ বিএনপির কিছু কর্মীদের মস্তিস্ক প্রসুত বলে মনে হয়। এসব করে তারা জিয়ার ইমেজই নষ্ট করেছে।
৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা.........

৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০১
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: জ়িয়া এর চেয়ে জামাতিরা অনেক ভালো। জামাতিরা বলে কয়ে ধর্ম বেবসা করে, ওদের কে চেনা সহজ। আর জিয়া কে শ্রদ্ধা করার মতো জেনুইন ৫ টা কারন দেখাইলে আমি নাকে খত দিয়ে ব্লগ ছারুম।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৭

লেখক বলেছেন: আমিও জিয়ার ভাল আর খারাপ দুটা দিকই এখানে তুলে আসবে বলে আশা করতেছি।

৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৩
সবাক বলেছেন: আসলে নোংরা রাজনীতির কারণে অনেক নেতার অনেক কৃতিত্ব প্রশ্নের মুখে চলে যায়। কৃষির উন্নয়নে অবদানের জন্য জিয়াউর রহমানের প্রতি আমার একধরণের দুর্বলতা আছে।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৬

লেখক বলেছেন: কৃষির উন্নয়নে কি অবদান সেটার কোন লেখা, লিংক আছে আপনার কাছে?

৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৩
হটডগ বলেছেন: জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের অবদান অবিস্মরনীয়। তবে বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতর পচন ও সামরিক গুপ্তহত্যার পথিকৃত হিসাবেও উনি প্রাতঃস্মরনীয় হয়ে থাকবেন।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৫

লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের কি অবদান? খালেদ মোশাররফের মত কোন বীরত্বের কথা শুনেছেন কোনদিন? নাকি সেক্টর কমান্ডার হওয়াটাই অবদান?

৭. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৬
এস্কিমো বলেছেন: একটা পয়েন্ট শুধু দেখাবো।

লক্ষ্য করুন -
"বাংলাদেশের মত একটা দেশে এতদিন প্রেসিডেন্ট থাকার পরও এত সৎ থাকাটা আমাকে বিস্মিত করে। "

- এখানে ধরেই নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের মতো দেশের প্রেসিডেন্ট সৎ থাকবে না - থাকার সম্ভাবনা কম।

কেন এই চিন্তাটা আসলো। কারনটা কি?
জিয়াউর রহমানের আগে একজনই ছিলেন প্রেসিডেন্ট - সমান্তরাল হিসাবে বিবেচনা করা যায় - উনি হলে মুজিব। প্রচারিত হয়েছে যে মুজিব এবং তার ছেলেরা অসৎ। তার মৃত্যুর পর তার বাড়ী সিল করে রাখা হয় - প্রচার করা হয় কয়েকমন স্বর্ন আছে সেই বাড়ীতে। যদি কখণও সুযোগ পান মুজিবের বাড়ীটা দেখে আসবেন। তার আর ছেলেদের ব্যাংক ব্যালেন্সের টাকা কই গেল?

বিপরীতে জিয়াউর রহমান আর্থিক সততা দেখিয়েছে ব্যাক্তিগত জীবনে - কিন্তু রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করে রাজনৈতিক দল তৈরী করা - মানি ইজ নো প্রবলেম থিয়োরীর দিয়ে রাজনীতিতে কেনাবেচার বাজার তৈরী - ক্ষমতাকে নিরংক্সুশ করতে এরশাদের মতো চরিত্রহীনকে দূর্নীতিদমন কমিটির প্রধান বানানো - এগুলো কোনটাই সততার পরিচয় বহন করে কি?

জিয়াউর রহমান ব্যক্তিগত সৎ ছিলেন বলে প্রচার করা মুলত রাজনৈতিক এবং এইটা তাকে ছোটই করা হয়। আপনার কথাটা ঘুরিয়ে ভাবুন - উনি অসৎ হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো - কিন্তু সৎ হয়ে আমাদের কৃতার্থ করেছেন।

প্রশ্নটা কি মনে আসে - উনি ভোটে নির্বাচিত প্রেসিসেন্ট হয়ে কেন সেনাপ্রধানের বাড়ীতে থাকতেন - যা পরে তার উত্তরসুরীদের সম্পত্তি হয়ে যায়।

ব্যক্তিগত জীবনে অসৎ হওয়ার মতো বোকা ছিলেন না বলেই আজও একদল মানুষ তাকে অন্ধের মতো ভালবাসে - এইটা স্বীকার করতেই হয়।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১১

লেখক বলেছেন: এস্কিমোভাই, আপনার পয়েন্টের কথা মেনেই বলব জিয়া যেহেতু অবৈধ শাসক ছিলেন সেহেতু বিশ্বের অন্যান্য সামরিক অবৈধ শাসকরা যেরকম প্রচুর ধনসম্পত্তির মালিক হন ক্ষমতা থাকাকালে সেরকম কি জিয়া হয়েছিলেন? পার্টিগতভাবে জিয়া কোনদিন সৎ অথবা দেশপ্রেমিক ছিলেননা সেটা আমিও মানি। কিন্তু আমার মনে হয় ব্যক্তিগতভাবে অফুরন্ত বিলাসি জীবন-যাপন করতে পারতেন তিনি, করেননি। বংবন্ধু তো বৈধ শাসক, তাই তার সততার সাথে জিয়ারটা মিলানোর পক্ষপাতি না আমি। আপনার কি ধারণা?

আর মেজর মন্জুর, মতিউর এদের সম্পর্কে কোন রেফারেন্স আছে আপনার কাছে?

৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৮
হটডগ বলেছেন: ;) স্পেসিফিক কিসু সুনি নাই; উনি সাধীনতার ঘুষক ছিলেন না?
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: না, স্বাধীনতার ঘোষক মেজর হান্নান, পরে জিয়া করলেও সেটা বংগবন্ধুর নামে। তাছাড়া জিয়া নিজে কোনদিন স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করেননি। এটা বিএনপিপন্থীদের জিয়াকে বংগবন্ধুর এক কাতারে দাড় করানোর একটা প্রপাগান্ডা শুধু।

৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৯
নেমেসিস বলেছেন: একজন মৃত ব্যাক্তর মৃত্যু দিবসেই কেন বিতর্কিত পোস্ট !!!

ভাল লাগলো নাহ :(
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: বস্‌, মৃত্যু দিবসেই তো আমরা জিয়া'র জীবন নিয়ে আলোচনা করব, তাই নয় কি? যেমন রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিন্দ্রনাথে কবিতা, গান নিয়ে কথা বলি??

১০. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১০
এস্কিমো বলেছেন: হটডগ দারুন কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। হিজবুল বহর নামের এক জাহাজে জিয়া যাদের নিয়ে নতুন ধারা ছাত্র রাজনীতি শুরু করে ছিলেন। তার মধ্যে ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, অভি, নীরু, বাবলু - এদের দিকে তাকালেই বুঝা যাবে সামরিক শাসকরা যখন নিজেদের মতো কোন মতবাদ তৈরী করে তা দেশের জন্যে কত ভয়াবহ হয়।

(মইন উই এখনও সেই দিকে যায়নি বলে তাকে ধন্যবাদ দিতেই হয়)
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৬

লেখক বলেছেন: মইন যাবেনা সেটা মনে হয় না। যাওয়ার প্ল্যান আছে মনে হয়।

১১. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১১
ভালোবাসি বাংলাদেশ বলেছেন: ভারত বিরোধিতা এর নায়ক জিয়াউর রহ্মাঙ্কে কালো সালাম।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৬

লেখক বলেছেন: ভারত বিরোধী ছিলেননা জিয়া কখনও। সেটা শুধু রাজনৈতিক ফায়দার জন্য দেখাতেন।

১২. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৩
হটডগ বলেছেন: সততা কি দিয়া মাপে? দুইটা লিপ্সা আচেঃ ১) টাকা পয়সার লোভ, আর ২) ক্ষমতার লোভ।
জিয়ার দ্বিতীয়টা ছিল, প্রথমটা (মনে হয়) ছিল না। ছলেবলে ক্ষমতা কুক্ষিগত করা ও সামরিক পদাধিকারে ক্ষমতার সিংহাসনে লুল দৃষ্টি ফালানো কোন সততার ডেফিনিশনে পড়ে না। তার পুলা বড়টার (ভাইয়া) দুইটারই লোভ ছিল চুড়ান্ত, আর ছুটটার দুইটার থাকলেও দিতীয়টাতে হালে পানি পায় নাইক্কা; তবে টেকা-পইসা বাইনাসেও ইনশাল্লাহ। হালায় আবার কাটুম আঁকারে গুনাহ মনে করে। বাইঞ্চোত।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৭

লেখক বলেছেন: একমত। তাই বলতেছি ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সৎ ছিলেন।

১৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৮
হ্যারি সেলডন বলেছেন: শহীদ হওয়ার ব্যাপারটা কেউ কিছু বলতেছেননা যে?
১৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১৮
দস্যু বনহুর বলেছেন:

কিছুক্ষন আগে মনচষার পোষ্টে করা মন্তব্যটি (এখন ডিলিট খাইছে) এখানে দিলামঃ



মনচাষা, আপনে হুদাই এস্কিমোর উপর চড়াও হৈলেন। মাইনষের চিন্তাধারা বা মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে। আবালীয় কথাবার্তা কাজকাম দেখে জাতীয়তাবাদী চেনা যায় এটা নতুন কইরা প্রমান করলেন। মাঝখান থিকা পোস্টে অহেতুক কিছু মাইনাস খাইলেন যেইটা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে শ্রদ্ধাঞ্জলি বা এই পোস্ট দেওয়ার উদ্দেশ্যের সাথে সংগতিপুর্ণ না।

সামরিক শাসক হৈলেও জিয়াউর রহমান লোকটা ভালই আছিলো। রাজাকার আর যুদ্ধাপরাধী পুনর্বাসন কইরা খলনায়ক হৈসেন এইটা যেমন সত্য, মাইনষে তারে ভালা পাইতো এইটাও তেমন সত্য। নাইলে তার জানাজার মিছিলে এতো লোকের সমাগম হৈতো না। মুক্তিযুদ্ধে অনবদ্য ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ জিয়াউর রহমানের কথা চিরদিন মনে রাখব। কিন্তু অপদার্থ, সুবিধাবাদী এবং মাথামোটা কিছু জাতীয়তাবাদী অহেতুক স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ আর ভাঙা স্যুটকেস তত্ত্বের প্রোপাগান্ডা চালায়া হেরে পচায়া ফালাইসে। কল্পিত আর অর্ধসত্য প্রোপাগান্ডার আড়ালে মুক্তিযোদ্ধা এবং নিরহংকারী দেশপ্রেমিক জিয়াউর রহমান তলায়া গেছেন। আমার ধারনা জিয়াউর রহমান বাইচা থাকলে নিজে এইসব আবালীয় কাম হৈতে দিতেন না। পচাত্তর সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে যাবতীয় ক্রেডিট দিছিলেন। সত্যকে স্বীকার করতে দোষের কিছু নাই। ইতিহাসের একটা নিজস্ব গতি আছে যেইটা প্রোপাগান্ডা দিয়া আটকান যায় না।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:২১

লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটা খুব ভাল লাগল। মোটামোটি নিরপেক্ষ দৃষ্টি বলা যায়। তবে মুক্তিযুদ্ধে কি তার অসামান্য কোন বীরত্বের কথা জানা যায়? যেমন খালেদ মোশাররফের কথা শুনা যায় সেরকম?

জানাজায় কত লোক হয়েছে সেটা কোন ইস্যু না মনে হয়। খালেদা-হাসিনার জানাজায় আরো অনেক বেশি লোক হবে। তবে সাধারণ মানুষ তারে ভাল পাইত সেটা খুবই সত্যি। নিরহংকারীতার ব্যাপারটাও সত্যি।

৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:২২

লেখক বলেছেন: নবাব সিরাজদৌল্লাহর জানাজার লোকজন ছিলনা।

১৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:২৫
সবাক বলেছেন: খাল খনন কর্মসূচির বিষয়ে কি কারো কোন দ্বি-মত আছে?

বিশেষ করে এর কোন খারাপ দিক?
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন: সেটার মাধ্যমে কত লোক লাভবান হয়েছে? সেটার ভাল দিকের চেয়েও আমার তো মনে হয় প্রচারণাটাই বেশি ছিল অনেক।

১৭. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:২৯
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: জামায়েতের ভ্রান্ত মতবাদ যে ইসলাম বিরুধী তা জানার জন্য পড়ুন

মাওলানা শামসুল হক ফরিদফুরির এই বইটি ।
অনলাইনে দেখে পড়ে নিন।
Click This Link
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে কিভাবে যে ধন্যবাদ দিব বুঝতে পারতেছিনা। এই বইটা আমি তন্ন তন্ন করে খুঁজতেছিলাম। দেশে কয়েকজনকে বলেছি কিন্তু তারা খুঁজে পাচ্ছিলনা। আরেকটা বই আছে "মওদুদীর সাথে আমার সাহচর্য্যের ইতিবৃত্ত"। বইটা কোথায় আছে জানেন?

১৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩০
দস্যু বনহুর বলেছেন: শেখ মুজিবের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করছিল এইটাতো সত্য। রেডিওতে মাইসষে কিন্তক জিয়াউর রহমানের ঘোষনাই শুনছে বেশী।... উনি সেক্টর কমান্ডার আর বীরউত্তম ছিলেন। সাপ্তাহিক রোববারের পুরোনো একটা সংখ্যায় আরেকজন সেকটর কমান্ডারের জিয়ারে নিয়া স্মৃতিচারন পর্ছিলাম। কপিটা হয়তো খুঁজে বের করা যাবে।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সেক্টর কমান্ডার আর বীরোত্তম ছিলেন সেটা সত্যি। স্মৃতিচারণটা পাইলে আমাকে একটু কষ্ট করে লিংকটা দিবেন।

১৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩১
রাশেদ বলেছেন: আমি জিয়াকে খানিকটা পছন্দই করি যদিও জামাতের উত্থান আর মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের মারার রেকর্ড তার আছে।

আজকেই দেয়া লাগলো এই পোস্ট!
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: জিয়ার সাথে আমার সম্পর্কটাও অম্ল-মধুর বলা যায়। কিন্তু এই পোস্টটা এসময় ছাড়া অন্য সময় তো আমার কাছে এত পারফেক্ট মনে হয়নি। এখন যেহেতু তার মৃত্যুবার্ষিকী তাই তার জীবনি পর্যালোচনা করাটা দরকার। @রাশুদা।

২০. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৩
সবাক বলেছেন: জিয়াউর রহমান যখন খাল খনন কর্মসূচী হাতে নেন, তারও আগে কিন্তু পুঁজিবাদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার যুদ্ধে নেমেছিলো। আমারতো মনে হয় তার সূত্র ধরেই তিনি নিহত হন।

তবে এটা ঠিক যে, সামরিক শাসক হিসেবে নিজের সমালোচনা রোখার জন্য এই পজিটিভ দিকগুলোকে ব্যবহার করা হয়েছিল। যা নিন্দনীয়। তবে আমরা কিন্তু এখন দেশের সামগ্রিক কৃষিতে খাল নামক আকালের খুব প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: ভাল পয়েন্ট। কিন্তু সেই খাল খনন কর্মসূচীর কোন ফ্যাক্ট-বেসড স্টাটিসটিকস আছে কি? আমার ধারণাটা এ বিষয়ে খুবই ধোঁয়াটে, তাই জানতে চাচ্ছিলাম।

২১. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪২
দস্যু বনহুর বলেছেন:

দেশে কি খাল কাটার জেগা অবশিষ্ট আছে? মানুষ থাকারই জেগা নাই।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা............তবে কিন্তু আমরা যদি উন্নতির কোন স্বপ্ন দেখি এই জনসংখ্যায় আমাদের সাপে বর হবে বলে আমার ধারণা।

২২. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৪
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: খাল খনন কর্মসুচির প্ল্যানটা ছিল এই খালগুলোকে কেটে যুক্ত করে একটা চ্যানেলের মত করা হবে। বর্ষার সিজনে নদীর এক্সট্রা পানি কুল না ভাসিয়ে খালে এসে জমা হবে। আর শূস্ক সিজনে এ পানি জমা থাকবে। সেচের কাজ হবে। এইসব খাল দিয়ে নৌকা চলবে সব সিজনে। মাছ চাষ হবে সারা বছর। এর দুপাড়ে গাছ লাগানো হবে। পুরোপ্ল্যানটা ছিল ইউনিক। কার্যকর হলে ভারতের পানি বিষয়ক খবরদারী কমে যেত। সারাদেশে খালগুলো থাকত কিলবিলিয়ে।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: বাব্বাহ্‌, প্ল্যানটা তো সেরকম। কিন্তু সেটা হয়নি কেন?

২৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৬
এস্কিমো বলেছেন: শহীদ বিষয়টা তেমন বুঝি না। শেখ মুজিবও যেভাবে আর্মির হাতে মরলো - জিয়াও সেইভাবে। দেখলাম পরবর্তীতে জিয়ার নামের আগে সবাই শহীদ লাগায়। মুজিবের ক্ষেত্রে না।

পার্থক্য শুধু কি ঢাকা আর চিটাগাং?
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা.......চট্টগ্রামে বকধার্মিক বেশি সেজন্য বোধ হয়। অন্যরাও দেখি এ বিষয়ে কথা বলতেছেনা।

২৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৭
সবাক বলেছেন: @রন্টি চৌধুরী....ধন্যবাদ

বর্তমানে আমাদের কৃষিতে দৈত্য সমস্যা হচ্ছে জল। জলাবদ্ধতা এবং জলশূন্যতা। খালের মতো প্রবাহমান জলাশয় নিশ্চয় এই সমস্যার সমাধান করতে পারে।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: আমারও প্ল্যানটা সেরকম মনে হল।

২৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৭
রাশেদ বলেছেন: লেখক বলেছেন: বাব্বাহ্‌, প্ল্যানটা তো সেরকম। কিন্তু সেটা হয়নি কেন?


--------


এইটা কি জিয়ার দোষ! নাকি আমাগো সিস্টেমের দোষ! আরো কত কিছুই তো হবার কথা ছিল, কিছুই তো হইলো না!
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: না মানে মৃত্যুর জন্য বন্ধ হয়ে গেছে এবং এরশাদ আর করেনি নাকি জিয়া'র আমলেই বন্ধ হয়ে গেছিল সেটা জিগাইছিলাম।

২৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৯
রাশেদ বলেছেন: আজকেই দেয়া লাগলো এই পোস্টটা বলছি এই কারনে যে তুমি ব্যঙ্গ করে দিছ এই পোস্ট তাই। :)

তারে শহীদ তো বি এন পির লোকেরা কয়! রাজনীতি, আর কিছুই না।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫২

লেখক বলেছেন: না, আমি শুধু "শহীদ"টাই একটু স্যাটায়ার করেছি। বুঝলাম। তুমি যদি বল তাহলে পোস্ট ড্রাফট করে ফেলব। জিয়া'র প্রতি আমার অনুভুতিটা মিশ্র, খুব শ্রদ্ধা না আবার ঘৃণাও না।

আসলে এই শহীদের ব্যাপারটা মনচাষা'র পোস্ট থেকে হঠাৎ মাথায় আসল, তাই লিখলাম। অন্য সময় মনেও থাকবেনা। @রাশুদা

২৭. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫২
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তিনি মরার পর থেমে যায়। এরশাদ সাহেব আসলেন। ভারতও চাইলো না এটা হোক। আর পুরো কর্মসূচীটা ছিল সেচ্ছাশ্রমের। তো তারমরার পর এটা করা আর সম্ভব হল না।

আমাদের শহরের নদীটা শহরের উপরে ছিল। দুকুল ভাসিয়ে নিত। জিয়ার আমলেই এটা ঘুরিয়ে নেয়া হয়েছিল। বিরাট শহর রক্ষা বাধ করা হয়েছিল। পুরোটাই সেচ্ছাশ্রমে। একটাকাও লাগেনি। টেন্ডার লাগেনি। জিয়া এসেছেন একটা কোপ মেরেছেন, সাথে বাকী সাধারন মানুষরাও ছাত্ররাও। এইভাবেই হয়ে গেছে।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: জিয়ার মটিভেটিং পাওয়ার খুব ভাল ছিল বুঝা যায়। খাল খননের ব্যাপারটার জন্য তাহলে তাকে বিরাট ক্রেডিট দেওয়া দরকার।

২৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩
রাশেদ বলেছেন: ধুর বেটা। ড্রাফট করবা কেন! মাইন্ড খাইলা নাকি! :P
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: আরে না, কি যে বল। আমি মনে করলাম তুমি মাইন্ড ইট করছ পোস্টটা এসময় দেয়াতে। তাই বললাম! হাহাহা.....।

২৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩
সবাক বলেছেন: জিয়ার মৃত্যুর কারণেই খালকাটা কর্মসূচীর অগ্রযাত্রায় ছেদ পড়ে। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক পায়দা লুটার জন্য পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু সেটাতে স্মরণকালের সেরা দূর্নীতি হয়।

আমার এক ফুফাতো ভাই সেই আমলে বিএনপির বড় নেতা ছিলেন। তেমন একটা কামায় নাই, মোটে ৪তালা দালান, ৬টা ট্রাক আর সামান্য জমিজমা(একর বিশেক) বানাইছিল!!!!!
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা.........

৩০. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আচ্ছা, জিয়া যদি "শহীদ" হোন, বা শহীদ না হোন , তাতে কি কারো খুব বেশী লাভ বা ক্ষতিবৃদ্ধির সম্ভাবনা আছে ? বা শহীদ ভূষণ কি জিয়ার স্বর্গের দ্বার প্রশ্বস্ত করে ? শহীদ বা শহীদ না এই বিতর্কটা আসলে খুব জরুরী মনে হচ্ছে না আমার কাছে ।

রাজাকার জামাতিদের অঙ্গ সংগঠন শিবিরের একজন ক্যাডার বন্ধুকযুদ্ধে মারা গেলে তাকে শহীদ বলা আর একজন মুক্তিযোদ্ধা দুস্কৃতিকারীদের হাতে নিহত হলে তাকে শহীদ বলার মাঝে যে তপাৎটুকু আছে, সেটি ম্লান হয়েছে শিবির ক্যাডারে মৃত্যু অতঃপর তার শহীদী নর্ম লাভের উদাহরণে ।

জিয়াকে আমি শহীদ বলবো না । এজন্য বলবো না যে , শহীদ বললেই জিয়ার মর্যাদা অনেক বেড়ে যাবে এরকমটা আমি মনে করিনা । তাঁর যেটুকু শ্রদ্ধা পাবার , সেটুকু আমার মন থেকে আপনাতেই আসে ।

শহীদ জিয়াকে আমি শ্রদ্ধা করি । আমি তাকে দেশপ্রেমিক মনে করি । তাঁর সময়ের বিভিন্ন কার্যক্রম দেখলে আমার মনে হয়, তিনি স্বাপ্নিক ছিলেন, দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন । তার মৃত্যুর সময়ে তার পরিবারের সম্বল বলতে যে ভাঙ্গা স্যুটকেসটি ছিল বলে বলা হয় , সেখান থেকেও আমি তার দেশপ্রেমের প্রমাণ পাই । দেশপ্রেমিক না হলে, একটা ভাঙ্গা স্যুটকেসের জায়গায় অনেকগুলো মোহর ভর্তি স্যুটকেস থাকতে পারতো ।

আরেকটা কথা, দেশের জন্য প্রাণ দিলে তাঁদেরকে শহীদ বলা হয় । এখন প্রশ্ন হচ্ছে শেখ মুজিবুর রহমান এবং জিয়াউর রহমান দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন কিনা ? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া গেলে কে শহীদ , কে শহীদ না, এই বিতর্কের উত্তর পেতে অনেক সহজ হতো ।

ধন্যবাদ ।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:০৫

লেখক বলেছেন: শহীদের প্রচলিত সংজ্ঞা অনুসারে মুজিব এবং জিয়া কেউ শহীদ নয়। কিন্তু দেখা যায় জিয়াকে শহীদ না বললে লোকজন ক্ষেপে যায়, এমনকি বদরুদ্দোজার মত লোককেও প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়।

"জিয়াকে আমি শহীদ বলবো না । এজন্য বলবো না যে , শহীদ বললেই জিয়ার মর্যাদা অনেক বেড়ে যাবে এরকমটা আমি মনে করিনা । তাঁর যেটুকু শ্রদ্ধা পাবার , সেটুকু আমার মন থেকে আপনাতেই আসে ।"

আমারও মূল পয়েন্ট এটাই ছিল। মনে হয় পোস্টে সেটা ভালমতে এক্সপ্রেস করতে পারিনি। জিয়াকে আমি খুব শ্রদ্ধাও করিনা ঘৃণাও করিনা তেমন। দেশপ্রেমিক ছিলেন সেটা বলা যায়। ড়াজাকাররা আর বর্তমানের রাজনীতিবিদরা ছাড়া সবাই ত দেশপ্রেমিক। তবে ক্ষমতায় থাকার জন্য যেভাবে হাজার হাজার মানুষকে বিনা বিচারে হত্যা করেছে, যেভাবে কর্ণেল তাহের যিনি জিয়াকে ক্ষমতায় এনেছিলেন তাকে বিনা বিচারে হত্যা করেছে আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতির গোড়াপত্তন ঘটিয়েছে আর গোলাম আজমকে পুনস্থাপন করেছে, মন্ত্রীসভায় রাজাকারদের ভিড় জমিয়েছিল সেগুলো দেখলে তার দেশপ্রেম ক্ষমতাপ্রেমের উর্ধে উঠতে পেরেছিল কিনা সেই প্রশ্ন এসেই যায়। উপরে খাল খনন কর্মসূচীর কথা বলা হয়েছে। সেটা নিশ্চয়ই যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল।


তুমি যেহেতু শিবিরের শহীদের ব্যাপারটা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছ আমি সেই অংশটা এডিট করে তুলে দিচ্ছি।

৩১. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আচ্ছা, জিয়া হত্যা এবং পরবর্তীতে মেজর মন্জুরদের ফাঁসি দেয়ার ব্যাপারে বিস্তারিত কেউ জানেন?
৩২. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬
রাশেদ বলেছেন: হা হা! তার প্রতি আমার মোহ নাই তবে শ্রদ্ধা আছে বেশ খানিকটা। রাজাকার তোষন আর বেশি কড়া হাতে আর্মির ক্যু সামলানো প্রসঙ্গ বাদ দিলে।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:০৮

লেখক বলেছেন: :):):):) ঘৃণার জন্য কারন লাগে, ভালবাসার জন্য কারণ লাগেনা।

৩৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৫৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: দেশের অনেক বেইজ জিয়ার আমলে হয়েছিল আরও উদাহরন আছে।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:০৯

লেখক বলেছেন: সেরকম বেইজ সব সরকারের আমলে হয়। এরশাদের আমলে সবচেয়ে বেশি ব্রিজ হয়েছিল!

৩৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:০০
সবাক বলেছেন: আসলে জিয়া হয়ে গিয়েছিল বলির পাঠা। এখন যেমন একজন প্রধানমন্ত্রীর ১০/১২জন উপদেষ্টা থাকে, তখন তেমনটি ছিল না। যা ছিল তার সবটাই বিদেশি মাথা মোটা শয়তান। কোন রাষ্ট্র স্বাধীন হওয়ার পর দেশপ্রেমের কারণে খুব উন্নতি করে বসে, সে ধারা থামানোর জন্য পরাশক্তিরা এধরণের সামরিক শাসকদের ক্ষমতায় বসায় এবং তাদের দিয়ে যতসব বিতর্কিত কান্ড ঘটায়।
৩৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:১০
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এরশাদের নয় বছরেরে আমলে কি যে হয়েছিল তা আমি খুজে পাই না। কি হয়েছিল??
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:১২

লেখক বলেছেন: অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিরাট অংশ এরশাদের আমলে হয়েছিল। সেগুলোতে বিরাট দুর্ণীতিও হয়েছিল অবশ্যই। কিন্তু উন্নয়নের কথাটা তবুও বলতেই হবে। নাজিম ফারহান চৌধুরীর একটা লেখা পড়েছিলাম। সেখানে তিনি স্ট্যাটস-বেসড ফিগার দিয়ে দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতার পর থেকে প্রত্যেকটা সরকার তার আগের সরকার থেকে বেশি উন্নয়ন করেছে। তবে এরশাদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন চোখে পড়ার মত ছিল।

৩৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:১২
হরিসূধন বলেছেন:

হিডেন স্ট্রিট বলেছেন: জ়িয়া এর চেয়ে জামাতিরা অনেক ভালো। জামাতিরা বলে কয়ে ধর্ম বেবসা করে, ওদের কে চেনা সহজ। আর জিয়া কে শ্রদ্ধা করার মতো জেনুইন ৫ টা কারন দেখাইলে আমি নাকে খত দিয়ে ব্লগ ছারুম।


> এমন মন্তব্য দেখে অবাক হইলাম!! সত্যেই দুঃখ জনক। উগ্রতার একটা সীমা আছে। মৌলবাদীরা যে শুধু ধর্মের মধ্যে বাস করে এমন কিন্তু নয়। জামাতীরা জিয়ার থেকে ভালো!!

আমার মনে হয় জিয়াউর রহমান সব চেয়ে বেশী সমালোচিত হয়েছে
কর্নেল তাহেরর ফাঁসির জন্য। এ ছাড়া অন্য কোন উপায় যে তার ছিলো না। সে কথা হয়তো অনেকেই বিশ্বাস করবে না। তবে কর্নেল তাহেরর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের এবং তার আগের জীবন নিয়ে একটু গভীর চিন্তা করলেই ভূতের সন্ধান পাওয়া যায়।


৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:১৩

লেখক বলেছেন: ভূতের সন্ধানটা দিবেন? কেন কর্ণেল তাহেরকে হত্যা করা হয়েছিল?

৩৭. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:১৬
ঘনাদা বলেছেন: আচ্ছা, ছাত্র রাজনীতিতে পেশি শক্তির আমদানী কে করেছিলো বলে মনে হয় আপনাদের?

কে নাকি কোথায় নৌবিহারে নিয়ে গিয়েছিলো অভি সহ অনেককে? জানেন নাকি কিছু?
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: এখানে উল্লেখ করা দরকার যে, নৌবিহারে যখন গিয়েছিলেন তখন কিন্তু অভি সন্ত্রাসী ছিলনা, সেও অন্যদের মত মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া তথাকথিত মেধাবী ছাত্র ছিল। তাই মনে হয় নৌবিহারে যাওয়াটা আমার কাছে একটা ভাল এবং উৎসাহব্যান্ঞক সিদ্ধান্ত মনে হয়। মেধাবীদেরকে প্রেসিডেন্টের সাথে নৌবিহারে গেলে সেটা মেধাবীরা এবং পরবর্তীতে অন্যরা নিশ্চয়ই উৎসাহ পাবে। জিয়া ছাত্ররাজনীতিতে পেশীশক্তির আমদানি করেছিলেন কিনা আমি জানিনা, এবং মনে হয় তার আমলে হয়ত কিছুটা শুরু হলেও এরশাদই মূলত ছাত্ররাজনীতির পেশিদাপটের মুল কারণ বলে জানি।

৩৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:১৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: জিয়ার আমলে খালের কাজ বন্ধ হয় নি। আজকে আপনার চারপাশে অনেক কৃত্রিম খাল দেখবেন যার সবগুলোই ওই আমলে করা। জিয়ার ভাল গুনের মধ্যে ছিল তিনি দেশকে এগিয়ে নেবার জন্য চিন্তা করেছেন। পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটা আর করেনি। তার সৃষ্টিশীল কিছূ পরিকল্পনার ছাপ পাওয়া যায়। বিদেশীদের সাথে বন্ধুত্বে আমরা যদি কেবলই সৌদিদের সাথে বন্ধূত্ব বোঝাই তাহলে সেটা তারপ্রতি অন্যায় হয়ে যাবে। তার সময়ে তিনি বর্হি বিশ্বে অনেক জনপ্রিয় ছিলেন, তখন দেশকে নিয়ে কথায় কথায় পরামর্শ আর খবরদরী করতে সাহস পেত না বিদেশী বড় ভাইয়েরা এদিকটাও আমার ভাল লেগেছিল।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৫

লেখক বলেছেন: প্রথমেই কিন্তু মনে রাখতে হবে জিয়া অবৈধ শাসক ছিলেন। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চিন্তার ব্যাপারে কিছুটা একমত। কিন্তু দেশকে পিছিয়ে দেয়ার ব্যাপারে আরো বেশি সক্রিয় ছিলেন বলে মনে হয়। তার অবৈধ শাসনকে বৈধ করতে গিয়ে সব সুবিধাবাদিদেরকে এক করে পার্টী গঠন করে দেশকে সেইযে সুবিধাবাদী আর সিজনাল রাজনীতিকদের খপ্পরে ছেড়ে দিয়ে গেছেন সেটা এখনও চলছে। রাজনীতিবিদদের জন্য রাজনীতি কঠিন করে দিবেন বলেছিলেন। সেটা এখনও চলছে। তাই ব্যবসায়ী, আমলা, সামরিকরা রাজনীতি করেন, রাজনীতিবিদরা না!

৩৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:২৩
এস্কিমো বলেছেন: ন্টি চৌধুরী বলেছেন: তিনি মরার পর থেমে যায়। এরশাদ সাহেব আসলেন। ভারতও চাইলো না এটা হোক।


- ভারত চায় না এইটা কোথায় পেলেন? @ রন্টি
৪০. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:২৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আমি খাস বিএনপি সাপোর্টার তো! তাই এমন বলি @ এস্কিমো।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: হাহাহা.....ওটা কিন্তু কোন কাজের কথা না। ভারত চায়না এ ধরণের কথা আপনার সম্পূর্ণ ভাল কমেন্টকেও ওজনহীন করে ফেলে। কারণ এসব তো অশিক্ষিত লোকদের যুক্তি। ভারত চাক না চাক সেটা আমরা মাথা ঘামাব কেন?

৪১. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:২৬
বাফড়া বলেছেন: @ হ্যারি- আলোচনা বেশ ভালই হচ্ছে , কোন রকম রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা বা হানাহানি ছাড়াই। মৃত্যুদিবস হলেও এই পোস্ট এক্সেপ্টেবল; ড্রাফট করার চিন্তা মাথায় আনার দরকার নাই।

এইসব ব্যাপারে আমার আইডিয়া কম বললেই চলে, সো পড়ছি শুধু
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৭

লেখক বলেছেন: বাফড়া, সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৪২. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:২৭
হরিসূধন বলেছেন:
আশাকরি সে ভূতের গল্প নিয়ে একটা পোষ্ট দিমু। বিস্তারিত লেখতে
অনেক সময় লাগবো হ্যারি দা ।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: কোন সমস্যা নেই ভাই। যখন লিখবেন তখন জানান দিবেন। আমি চিন্তা করতেছি এই লেখার সাথে জিয়া সম্পর্কে ফ্যাক্ট-বেসড সব লেখার লিংক করে দিব।

৪৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

ধন্যবাদ, প্রিয় হ্যারি । এডিট করার সিদ্ধান্তটির জন্য ।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: আরাশি বদ্দা, ওয়েলকাম ভ্রাত। তোমাদের মতামতকে পূর্ণ রেসপেক্ট করি।

৪৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫
বি পজেটিভ বলেছেন: জিয়াকে আমার কেন জানি সব সময়ই সুযোগ সন্ধানী মনে হয়েছে!
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:১০

লেখক বলেছেন: টিপিক্যাল আওয়ামী মনোভাব!! মাইন্ড খাইয়েননা, কিন্তু প্রায় আ'লীগাররাই এটা বলেন।

৪৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৬
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ছাত্ররাজনীতিতে পেশীশক্তির বিকৃত আবির্ভাব ৯১ পরবর্তী বিএনপি সরকারের সময়। ভয়ংকর ছিল সে দিনগুলী।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৯

লেখক বলেছেন: নাহ, এরশাদের আমল থেকে শুরু।

৪৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:১০
মানবী বলেছেন:
জিয়াউর রহমান কে ছোট করার হাস্যকর একটি প্রচেষ্টায় দেখলাম, 'সাবেক রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়া' বলে উল্লেখ করা... শুধু মাত্র এই সম্বোধন থেকেই লেখকের (???)জ্ঞান সম্পর্কে ধারনা করা যায়। জিয়াউর রহমান যে রাষ্ট্রপতি হবার আগে এবং মৃত্যুর অনেক আগেই মেজর পদ ছাড়িয়ে গেছেন তা পর্যন্ত সেসব সমালোচকদের জানা নেই!!!


কোন রাজনৈতিক দলের প্রতি কোন প্রকার দুর্বলতা নেই, জিয়াউর রহমান ও শেখ মুজিবর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আছে, তাঁদের পছন্দ করি। আমরা যারা এই দুজন মানুষ কে মৃত্যুর পরও ছাড় না দিয়ে তাঁদের সম্পর্কে আজে বাজে কথা বলে নিজেদের জ্ঞান বুদ্ধি প্রকাশে মরিয়া, এই আমাদের কিন্তু ইতিহাস নর্দমায় নিক্ষেপ করবে আর তাঁরা দুজন উজ্জল নক্ষত্র হয়ে সারা জীবন বাংলাদেশের ইতিহাসে আকাশকে আলোকিত করবেন।



কারো মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন বা স্মরণে অভ্যস্ত নই, তিনি যেই হোক। জিয়াউর রহমান কে শহীদ জিয়া বলা হলো না হলো তাতে তো তাঁর কোন হাত নেই। এই বিষয়টিকে প্রসঙ্গ করে আলোচনায় একজন মৃত মানুষকে নিয়ে নেতিবাচক কথা পড়তে ভালো লাগছেনা।


জিয়াউর রহমান পলিটিক্যালি করাপটেড ছিলেন তা অস্বীকার করার নেই ঠিক, তবে তাঁর সততার দৃষ্টান্ত তাঁকে নিয়ে গর্ব করার মতোই।

হাজারো আবজর্নার ভীড়ে এমন একজন সৎ রাষ্ট্রনায়ক কোন এক সময় বাংলাদেশ শাসন করেছেন, এই ভালোলাগা টুকু অন্তত আমরা পেতে পারি।

জিয়াউর রহমান এবং শেখ মুজিবর রহমান আজ পৃথিবীতে নেই, তাঁদের নিয়ে সকল নেতিবাচক আলোচনার তীব্র নিন্দা জানাই।

আমাদের এই কাদা ছুড়াছুড়ি থেকে অন্তত এই মৃত মানুষদের আমরা রেহাই দেই!

হ্যারি সেলডন, আমার মন্তব্য পুরোপুরি এই পোস্টের সাথে প্রাসঙ্গিক নয় বলে দুঃখিত। তবে আপনার পোস্ট বলেই মতামতটি এখানে রেখে গেলাম, ভালো থাকুন ভাইয়া।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: মানবীপু, কি যে বলেন। আপনার কমেন্টের জন্য মাইন্ড করব! মতামতটা খুবই পছন্দ হয়েছে।

"জিয়াউর রহমান কে ছোট করার হাস্যকর একটি প্রচেষ্টায় দেখলাম, 'সাবেক রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়া' বলে উল্লেখ করা... শুধু মাত্র এই সম্বোধন থেকেই লেখকের (???)জ্ঞান সম্পর্কে ধারনা করা যায়। জিয়াউর রহমান যে রাষ্ট্রপতি হবার আগে এবং মৃত্যুর অনেক আগেই মেজর পদ ছাড়িয়ে গেছেন তা পর্যন্ত সেসব সমালোচকদের জানা নেই!!!"

আপু, আমি কিন্তু এরকম কিছু লিখিনি। জিয়াউর রহমানের কিছু বিষয় চরম অপছন্দ হলেও তার সততার কথা স্বীকার করি এবং তাকে ঘৃণা করিনা , খুব শ্রদ্ধাও যে করি তা না অবশ্য। আমাদের টিপিক্যাল মেন্টালিটি হচ্ছে একজন বড় দেখানোর জন্য আরেকজনকে ছোট করে দেখানো। দুজনকেই তাদের উপযুক্ত জায়গা দেয়াটা আমাদের মেন্টালিটিতে নেইই বলতে গেলে। আপনার মন্তব্য সেদিক দিয়ে খুবই ভাল লাগল।

আবারো ধন্যবাদ, মানবীপু। আমাকে "তুমি" করে বলতে পারেন।

৪৭. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:১০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

"জিয়াকে শহীদ না বললে লোকজন ক্ষেপে যায় ! "

কোন লোকজন ক্ষেপে যায় ? অন্ধ সমর্থক ? অন্ধসমর্থকদের গুণতিতে ধরতে হয় না :)
অন্ধ সমর্থক সব দলেই আছে ! নেতা-নেত্রীরা যদি বলেন, সূর্য পশ্চিম দিকে ওঠছে ! এরা বলবে ,- আরে ! তাইতো !
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:১৭

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা......রাইট অন ব্রাদার।

৪৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:১২
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: জিয়ার প্রতি অন্ধভক্ত হতে আমাতে বাধা দেয় ওই একটা কারন..যে তিনি আর্মি থেকে আসা। কেননা আর্মি কে আমি যতটা ঘৃনা করি তা আর কাউকেই কির না মনে হয়।

তবে, তার অবৈধ শাসনকে বৈধ করতে গিয়ে সব সুবিধাবাদিদেরকে এক করে পার্টী গঠন করে দেশকে সেইযে সুবিধাবাদী আর সিজনাল রাজনীতিকদের খপ্পরে ছেড়ে দিয়ে গেছেন সেটা এখনও চলছে।

এটা মানতে পারলাম না। এই কাজটা ৯১ পরবর্তী আমলে হয়েছে। এক সাইফুর রহমানের উদাহরন দেখেন। ৯১ এর আগেও তার সি এ ফার্ম ছিল, গুলশানে তার একটা বড় বিল্ডিং ছিল যেখানে আমাদের একটা গার্মেন্টস ছিল। কদিন পরপরই সে বিল্ডিং এর ইলেকট্রিক সংযোগ কেটে দিত বিদ্যুত বোর্ড। নাসের তখন এসে অগ্রীম ভাড়া নিয়ে যেতেন বিল দেবার জন্যে। এই রকম অবস্থার সাইফুর কিন্তু পরবর্তীতে মহীরুহ হয়ে গেছেন। জিয়ার সময় পারলেন না কেন? কেন তখন তার ভবনের কারেন্টের লাইন কাটার সাহস পেল বিদ্যুৎ অফিস?

এখানেই আমি জিয়ার সাফল্য দেখি। তিনি নানা সেক্টরের একদল মেধাবী লোককে রাজণীতিতে প্রবেশ করিয়েছিলেন, তাদের মেধা কাজে লাগাবার জন্যেই। কিন্তু পরবর্তিতে তার উত্তরসূরীরা একে দুর্ণীতিকরন করে ফেলেছে।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২০

লেখক বলেছেন: কিছু মেধাবী লোককে নিয়েছিলেন মনে হয়, কিন্তু মওদুদ থেকে শুরু করে সেই রাজাকার প্রধানমন্ত্রী(নামটা কি যেন?) এদেরকে তিনি রাজনীতিতে পুনবাসন করেছিলেন। "I will make politics tough for the politicians" এটা কিন্তু জিয়ার সবচেয়ে পছন্দের উক্তি ছিল! এবং সিজনাল রাজনীতিকদের কথা যেটা বললেন সেটা ১৯৯১ এ না জিয়ার আমলেই শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে সেটা মহীরুহ হয়ে যায়।

৪৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:১৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মানবীর কথার সাথে আমি একমত। আমাদের শত দুখের মাঝেও কিছু সান্তনা যে আমাদের বঙ্গবন্ধুর মত নেতা ছিলেন আর জিয়ার মত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। যাদের কাজ বেচে আজও আমাদের রাজনীতিবীদরা চলছেন। আর এ কাজ করতে গিয়েই তারা তাদের অপমানিত করে ফেলছেন। তবে বিশ্বাস থেকেই বলি, কোন ভাল বিএনপি নেতা কখনো বঙ্গবন্ধুর সমালোচনা করে না, তেমনি ভাল আলীগ নেতাও টান দেন না জিয়াকে নিয়ে। যত ঝামেলা বাধায় অন্ধ গন্ড আবাল নেতাকর্মীদের কিছু অংশই।

তবে হ্যারির আন্তরিকতা নিয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই। তার এ পোষ্টটি না আসলে এ আলোচনা গুলোও হত না। তাই তার এ পোষ্টে সমর্থন।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২৭

লেখক বলেছেন: আমার মতামত হচ্ছে বংগবন্ধু আর জিয়া দুজনেরই মিনিংফুল সমালোচনা হওয়া দরকার। তারাও মানুষ ছিলেন, তাই তাদের ভুলত্রুটি থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়ার জন্যই সমালোচনা হওয়া দরকার। তবে সেটা হতে হবে মিনিংফুল, গাঁজাখুরি সমালোচনা নয়।

আমার এ পোস্টের উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রেসিডেন্ট জিয়াকে নিয়ে একধরণের ধোঁয়াসা বিরাজ করে। তার শাসনামলের অনেকাংশই আমাদের জানা নেই। তাই সব কিছু সামনে আনাটাই দরকার। এই যেমন খাল খননের ব্যাপারটা আমার ভালমতে জানা ছিলনা, এখন জানলাম এবং জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা কিছুটা হলেও বেড়েছে। আমি চেষ্টা করব এই পোস্টে প্রেসিডেন্ট জিয়া সম্পর্কিত ফ্যাক্ট-বেসড লিংকগুলো যোগ করতে যাতে এটা রিসোর্স হিসেবে কাজ করে।

রন্টি, সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৫০. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২০
মানবী বলেছেন: "আপু, আমি কিন্তু এরকম কিছু লিখিনি।"

-হ্যারি সেলডন, আমি তো বলেছিই আমার মন্তব্যটি পুরপুরি এই পোস্টটির সাথে প্রাসঙ্গিক ছিলোনা :-)
আপনি যে এমন কিছু বলেননি তা লক্ষ্য করেছি, সেজন্য ধন্যবাদ।


সেটাই, আমাদের হীনমন্যতাবোধের কারনেই, আমরা কাউকে বড় করতে গেলে আরেকজন করে ছোট করে বিকৃত আনন্দ লাভ করি!

আপনাকে ধন্যবাদ ভাইয়া।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২১

লেখক বলেছেন: মানীবীপু, অনেক ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি।

৫১. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২২
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মওদুদকে টানলেন কেন? ৭৮ এ মওদুদের কি দোষ চোখে পড়ল আপনার?
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন: মওদুদ এর আগে আ'লীগ ছিল। সুবিধাবাদি রাজনীতিকদের ভীড়ের কথাটা বলতেছিলাম।

৫২. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২৯
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: দুঃখ জনক হলেও সত্য জিয়া সম্পর্কিত কোন নেট লিংক খুজে পাওয়া বড়ই মুশকিল। এমনকি বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কেও।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে উইকি'র লেখাটা পড়লেও মেজাজ খারাপ হয়, এতটা অসম্পূর্ন। বাংলা উইকির জিয়া বিষয়ক লেখাটাতে তো কিছূই নাই।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩১

লেখক বলেছেন: একমত। আমাদের উচিৎ ফ্যাক্ট-বেসড লেখাগুলো খুঁজে বের করা আর আসল জিনিস সামনে নিয়ে আসা। আমি চেষ্টা করব ভাল লেখার লিংক দিতে। দেখা যাক কি হয়।

৫৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মওদুদ এর পর এন্টিআলীগ হয়ে যায়। এজন্য দেখবেন আলীগের লোকজনই সবচেয়ে ক্ষেপা তার বিষয়ে। তানাহলে লোকটার খুব বেশী দুর্নিতীর খৌজ কিন্তু আমরা জানি না। সে জাপাতে গেছে আবার বিএনপিতে ফিরছে, যদি আলীগে আসত তবেই ও অনেকের কাছে সাধূ হয়ে যেত।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৪১

লেখক বলেছেন: সে আ'লীগে আসতে চেয়েছিল ১৯৯৬ সালে। কিন্তু আ'লীগ উপনির্বাচনে তাকে নমিনেশান দিবেনা বুঝতে পেরে "ঘরের গরু ঘরে ফিরে গিয়েছিল।" তাছাড়া তার দূর্ণীতির ইতিসাহ অনেক পুরানো। নিচে এস্কিমোভাইয়ের মন্তব্য দেখেন।

৫৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩৭
এস্কিমো বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মওদুদকে টানলেন কেন? ৭৮ এ মওদুদের কি দোষ চোখে পড়ল আপনার?


- মওদুদ ৭৪ সালে জেলে গেছে ডাক বিভাগের দূর্নীতির দায়ে। সে ছিলল বাংলাদেশের প্রথম পোস্ট মাস্টার জেনারেল। প্রথম ডাক টিকিট ছাপানো নিয়ে বিরাট কেলেঙ্কারী করে। তাকে জেলে যেতে হয়।

পরে জিয়াউর রহমানও তাকে মন্ত্রী সভা থেকে বহিষ্কার করে বিদ্যুত বিভাগের পিলার (খাম্বা) ক্রয়ের দূর্নীতির দায়ে।

আমার ব্লগে মওদুদ বিষয়ক পোস্টগুলো পড়ে দেখতে পারেন।


আর এরশাদ যা যা করেছে সবই জিয়াউর রহমানে ফুটপ্রিন্ট ফলো করে শুধু মাত্র লুচ্চামি ছাড়া।

@রন্টি
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৪২

লেখক বলেছেন: একমত।

৫৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মওদুদের আরেকটি ব্যাপার ভাল লাগে, তার কিছু নিজের লোক আছে, সে যেখানেই যায় তাদের সাথে নিয়ে যায়, তাদের মতামত নিয়ে যায়। জাপায় গেলেও, ফিরে আসলেও। এবারও চাইলে সে বাচতে পারত। আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা, গ্রেফতার হবার তিনদিন আগে সে তার ''নিজের লোকদের'' প্রত্যেককে ফোনদিয়ে বলেছে গ্রেফতারের বিষয়টা, তারকাছে প্রস্তাব ছিল দল বদল করার। তার সাথে অনেক উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যানরা ছিলেন..যাদের সাথে নিয়ে সরকারের সাথে হাত মেলালে তার এ দশা হয়ত হত না। লোকটা শেষপর্যন্ত এবার আপোষ করেনি, শেষবয়সে জেলে গেছে যা না গেলেও পারত এটা আমার ভাল লাগে।

এমনকি গ্রেফতার হবার আগেরদিনও সে জানত তার সিদ্ধান্তের কারনে তাকে কালকে গ্রেফতার হতে হবে---এটা আমি নিশ্চিতভাবেই জানি। এ জন্যে তার প্রতি আমার একটা ভাল লাগা এসছে।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: উঁহু, সে খুবই চালাক লোক। সে জানে এবার সে সরকারের সাথে হাত মিলালে পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক কোন ভবিষ্যৎ নেই। তাই সে হাত মিলায়নি। নাহয় দেখেন:

সে শেখ মুজিবের আমলে আ'লীগ ছিল
জিয়া'র আমলে বিএনপি
এরশাদের আমলে জাপা
খালেদা'র আমলে জাপা।
হাসিনা'র আমলে আ'লীগে যেতে চেয়েছিল, নেয়নি বলে বিএনপিতে গেছে!

৫৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮
এস্কিমো বলেছেন: সমালোচনার প্রশ্নটা তখনই আসে যখন কাউকে তার প্রাপ্যের চেয়ে উপরে উঠানো হয়। @মানবী
৫৭. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৪৯
সক্রেটিস বলেছেন: যাকে দেখিতে না পারি, তার চলন বাঁকা।
জিয়া শহীদ না অশহীদ বিতর্ক এই থেকে শুরূ হয়ে শেষ হল জিয়া’র চরিত্র হননে।
অন্তত জিয়া পরবর্তী বা এখনকার রাজনীতিকদের থেকে জিয়া অনেক গুন ভালো।
আর ছাত্র রাজনীতিতে পেশীশক্তির ব্যবহার, রাজনীতর পচন ও গুপ্তহত্যা জিয়া আসার আগে থেকেই শুরূ হয়েছিল।
বুঝতে পারছি- রাজনৈতিক বিপক্ষ শিবিরে অবস্থান বলেই জিয়াকে হয়তো কারো কারো পছন্দ না, কিন্তু একজন সৎ দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু দিবসে এভাবে কথা গুলো না বললেও চলতো। জিয়ার দোষ ত্রুটি অবশ্যি আছে, কিন্তু কি লাভ হলো এই আলোচনায়??? মৃত ব্যাক্তির নামে বাজে কথা বলে আমরা নিজেরাই নিজেদের চরিত্রের মহান দিকটি প্রকাশ করে দিলাম।
বাংগালী শুধু অন্যের সমালোচনা করে সময় নষ্ট করে।
হায় ! কবে যে দেশের মানুষ প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসবে! সেই শুভ দিনের অপেক্ষায়...
৫৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫০
এস্কিমো বলেছেন: রন্টি,

আপনে একটা ভুল করলেন। জিয়ার আমলেও সে জেল থেকে দলে এসেছে। আর এরশাদ তাকে জেলে দিয়ে উপরাষ্ট্রপতি বানিয়েছে। এবার কোন খেলা দেখায় দেখেন।

এবার তাকে ধরেছে মদের মামলায়...:)

৫৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তার মরার বয়স। এখন তার রাজনৈতিক উচ্চাবিলাসের চেয়ে জেল বাচানোই ফরজ ছিল।


এস্কিমো ভাইয়ের সাথে জিয়া বিষয়ে কোনরকম আলোচনায় যেতে আমি আগ্রহী নই কেননা তিনি অন্ধ আলীগের দলে পড়েন। তাই তার সাথে আলোচনা বৃথা। তিনি জিয়াউর রহমানের কোন পজিটিভ দিক দেখবেন না যেহেতু তিনি বিএনপির। যেমনটা এ ব্লগের এহহামিদা আলীগের কোন পজিটিভ দিক দেখতে পাননা।
৬০. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৪
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মওদুদের মদের মামলাটা যে একটা হাস্যকর মামলা সেটা কি বলার অপেক্ষা রাখে?
৬১. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:০০
মানবী বলেছেন: "মৃত ব্যাক্তির নামে বাজে কথা বলে আমরা নিজেরাই নিজেদের চরিত্রের মহান দিকটি প্রকাশ করে দিলাম।
বাংগালী শুধু অন্যের সমালোচনা করে সময় নষ্ট করে।
হায় ! কবে যে দেশের মানুষ প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসবে! সেই শুভ দিনের অপেক্ষায়... "

-সক্রেটিসের সাথে সহমত।



বিষয়টি আপেক্ষিক @ এস্কিমো।
৬২. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:০৪
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: বাংলাদেশের রাজনীতির সঠিক পথেই ছিল। একটা দেশের গনতন্ত্র শিশু অবস্থায় অনেক ভূল করে। দুর্নিতীর দিকে ধাবিত হয়, আবার মানুষ সচেতন হয়, রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য হয় ভাল হতে, এ দেশেও তাই হত। কিন্তু কিছু ষড়যন্ত্রে আর আমাদের দেশের মানুষের একে অপরের পিছে লেগে থাকার অভ্যাসের সুযোগে আবার একবার গনতন্ত্রকে ধ্বংশ করে দেশটাকে পিছিয়ে দেয়া হল। এখন গনতন্ত্র ফিরে পেতে কবছর লাগে কে জানে, তারপর আবার দুর্নিতীর পরে আমারদের আজকের আলোচনার মত আলোচনা হয়ত আমাদের পরবর্তী প্রজন্মরা করবে। হতাশ হয়ে যাচ্ছী।
৬৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:০৮
রাশেদ বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তার মরার বয়স। এখন তার রাজনৈতিক উচ্চাবিলাসের চেয়ে জেল বাচানোই ফরজ ছিল।
-----------------------
এত মউতের চিন্তা যদি তাদের থাকতো তাইলে তো দুর্নীতি আর করত না! :)

খালেদা যেই কারনে দেশ ছাড়লো না! রাজনৈতিক উচ্চাভিলাস!
৬৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:১০
রাশেদ বলেছেন: @ মানবী আপু...তারা মৃত কিন্তু তাদের নাম তো জপা হয় নিয়মিত। তাই তাদের দোষ গুণ নিয়ে আলোচনায় দোষ দেখি না। কাউকে অতি মহান আর কাউকে আস্তাকুড়ে ফেলে রাখা হয় বর্তমানে। সব কিছুরই আলোচনার দরকার আছে মনে করি।
৬৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:১২
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: খালেদা দেশ ছাড়লে আর হাসিনা যদি ফিরে না আসতেন তাহলে দেশের পরিস্থিতি কি হত চিন্তা কর একটু চাচা! আর একটু ভেবে বল এই অবস্থা থেকে তুমি দেশকে ভবিষ্যৎে কেমন দেখতে চাও আর দেশকে এই সরকার কেমন দেখাবে বলে তুমি মনে কর?@রাশেদ আংকেল
৬৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৫
এস্কিমো বলেছেন: রন্টি

ছোট কাল থেকে এই সমস্যার মধ্যেই বড় হয়েছি। হয় আমি আবাহনী নয়তো মোহামেডান।

আমাকে আওয়ামীলীগ বললে শুনতে কেমন জানি গালির মতো লাগে :)

৬৭. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৫
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: @ মানবী আপু...তারা মৃত কিন্তু তাদের নাম তো জপা হয় নিয়মিত। তাই তাদের দোষ গুণ নিয়ে আলোচনায় দোষ দেখি না। কাউকে অতি মহান আর কাউকে আস্তাকুড়ে ফেলে রাখা হয় বর্তমানে।

রাশু তাদের বিষয়ে আলোচনার দাবী ঠিক কিন্তু আমরা তা করছি না তো। আমরা যা করছি তা হল লেবু কচলে তিতা করা। তা না হলে ৯৬ টু০১ এর আগে তুমি শুনেছ কেউ বঙ্গবন্ধু নিয়ে বাকা কথা বলতে বেজন্মা রাজাকারগুলা ছাড়া? কেন এই অবস্থাটা হল? বেশী বলাতেই। জিয়াকে নিয়ে চন্দ্রিমায় এত আয়জনের করার কি দরকার ছিল? যেই লোক ছেড়া সুটকেস রেখে যায় মরার সময় তার কবরে প্রাসাদ তোলাই প্রমান করে আমাদের বিবেক বুদ্ধির স্তর কোথায়।
৬৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৬
রাশেদ বলেছেন: দুই দলে মারামারি কাড়াকাড়ি লাগতো তখন। কিন্তু দুই বিদ্বেসী মহিলার হাত থেকে বাঁচা যাইতো। দেখা যাইতো নির্বাচনে আসত আর্মির পুতুল সরকার কারন দুই দলেই নেত্বৃত্ব পাইতো আর্মির পছন্দের লোক। কিন্তু নেতৃত্বের পালাবদল তো হইতো। ওয়ান ম্যান শোটা তাইলে কম হইতো অনেক। দলে ভিন্ন মতের চর্চাও বাড়ত মনে হয়।
৬৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৮
মানবী বলেছেন: রাশেদ, যারা নাম জপে, যারা তাঁদের নাম ভাঙ্গিয়ে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করে, দেশের যাবতীয় হাট, মাঠ, রাস্তা ঘাট নেতার নামে নামকরণ করে ভরে ফেলে- সমালোচনা তাদের হওয়া উচিৎ!



যাঁরা অনেক আগেই এইপৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন, অন্যভাবে বলা যায়- যে দুজনকে অনেক আগে অত্যন্ত নির্মম ও নৃশংস ভাবে এই পৃথিবী থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে, তাঁদের অন্তত মৃত্যু পরবর্তি নেতিবাচক সমালোচনা/কুৎসা থেকে রেহাই দেয়াটাই মানবিক মনে করি।
৭০. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:১৯
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এস্কিমোভাই আমার কথায় কিছূ মনে নিবেন না। অন্ধ আলীগদের কে যে আমি অপছন্দ করি তানা। আমার এক মামা ছিলেন সুমনমামা, মৌলভীবাজারে এই লোক ছাত্রলীগ বলতে অজ্গান ছিলেন, তার বড়ভাই যুবলীগ সভাপতি ছিল। তিনিও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েছীলেন পড়ে। খূবই মজার মানুষ ছিলেন, কিন্ত আমরা তাকে ক্ষেপিয়ে মারতাম। আলীগ নিয়ে উল্টাপাল্টা কিছু বললেই হল..তেলেবেগুনে জলে উঠতেন...তাকে ক্ষেপিয় যথেষ্ট মজা পেতাম। যদিও আমি নিজেও তখন বঙ্গবন্ধূর কল্যানে বেশ অন্ধই ছিলাম আলীগ বিষয়ে
৭১. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:২০
রাশেদ বলেছেন: সবাই তো আর তিতা করে না। এই তিতা কথার ফাঁক দিয়াই জরুরি কথাগুলো বের হয়ে আসে। আওয়ামী লীগের আমলে মুজিবের নাম পচাইয়া দিছে সত্য। খালেদাও তার পালটি নিছে।


আমি আমার কমেন্টে ব্লগে আলোচনার কথা বলছি। আলোচনা করে যদি দোষ গুণ জানি সমস্যা কি?

@ রন্টি
৭২. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:২০
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কিন্তু দেশের কি হইত আর এখন কি হইবেক??@ রাশূ চাচ্চু
৭৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:২২
রাশেদ বলেছেন: @ মানবী আপু...একমত না। :)

তারা আমাদের দেশের প্রধান দুই নেতা। তাদের দোষ গুণ জানা দরকার আছে, অ্যাট লিস্ট ইতিহাসের সংরক্ষণের কারনে হইলেও।
৭৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:২৫
সক্রেটিস বলেছেন: @রাশেদ
তাদের নাম জপা হচ্ছে, তাদের নামে রাজনীতি হচ্ছে - এ জন্য তো আর মৃত ব্যক্তিদের দোষ নেই।
হ্যা অবশ্যই আলোচনা হতে পারে - তাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় এবং নেতৃত্ব দেওয়ার মাঝে যে সব পজিটিভ ও নেগেটিভ দিক গুলো ছিল তার থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ কে আমরা কি করে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।
৭৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:২৬
রাশেদ বলেছেন: @ রন্টি...কইলামই তো! রাজনৈতিক সরকার আসতো যেইটা পুতুল সরকার হইতো আর্মির। তোমার কি মনে হয় আর্মি পাওয়ার থেকে সরে যাবে! নিজেদের নিরাপত্তা বা ক্ষমতার লোভ যাই হোক, তারা ব্যাকে থাকবেই। হাসিনা খালেদা যেই আসুক বা তাগো পুতুল আসুক আর্মিকে সরাইতে পারবে বলে মনে হয় না আর। নিরাপত্তা কাউন্সিল বা অন্য কোন উপায় করে থেকে যাবে তারা।

হাসিনা খালেদা নির্বাচনে জয়ী হইলে কি হবে? আবার আগের মতই তো। নির্বাচন কারচুপি হরতাল...
৭৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:২৭
রাশেদ বলেছেন: হা হা! তাদের পরম আত্মীয়রাই তো করতেছে! আর পাবলিকরে দোষ দিয়ে লাভ কি! @ সক্রেটিস
৭৭. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:২৯
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সমস্যা একটাই আমাদের আলোচনায় তাদের ছোটকরে দেখা আমার সহ্য হয় না। এমনকি শেখ হাসিনা কে নিয়ে নিয়ে কটু কথা শুনলেও আমার চিৎকার দিয়ে উঠতে ইচ্ছে হয়। আজকে আমরা তথাকথিত মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারীরা কোথায় ছিলাম যখন এরশাদ লুটে পুটে খাচ্ছিল? তখন কেন হাসিনাকেই আবার আসতে হল আলীগের হাল ধরতে? আজকে এই তাকেই শুনতে হয় তিনি নাকি আলীগের বারোটা বাজিয়েছেন। হাটুবুদ্ধির মইন হাক ছাড়ে...পরিবারতন্ত্র থেকে দেশকে বাচাতে চাই আর আমরা হাততালি দিতে থাকি। ধিক আমাদের মনুষত্বকে। এই ব্লগে প্রতিদিনই কারও বাবা কারও মাকে নিয়ে আবেগময় লেখা পড়ি, প্রত্যুদার মা নিয়ে লেখায় ১১৭টা প্লাস পড়ে অথচ হাসিনাকে কেউ কেউ পাগল বলেন কেউ প্রতিবাদ করেন না, অন্ধ এস্কামো ভাই ও না, তুমিও বল রাশেদ। সবাই আমরা ভুলে যাই এই হাসিনার ও তো বাবা ছিলেন মা ছিলেন একরাতে তাদের আমরা মেরে ফেলছী, তবুই মহিলা এই দেশের রাজপথে আমাদের জন্য্ই মিছিল করেছেন আমাদের জন্যই এই সেদিন তাকে টানাহেচরার মাঝে জেলে যেতে হয়েছে। আজকে আমরা হাসতে হাসতে বলি..ভালই হয়েছে পাগলের হাত থেকে বাচা গেছে...অন্তত নতুন নেতৃত্বও তো আসত। ধিক এমনতর চিন্তার। লজ্জায় মাঝে মাঝে মিশে যাই। জাতি হিসেবে আমরা কত অকৃতঞ্জ।

৭৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩১
আমি ও আমরা বলেছেন: “ছেলে যত মোটাতাজা বা গামা থাকুক, মায়ের চোখে ছেলে সবসময় রুগ্ন। মা বলবেন হায় হায় তুইতো বাবা কিছুই খাস না , না খেলে শরীর ঠিক থাকে কিভাবে। এই বলেই মাছের বড় অংশ তুলে দেন ছেলের পাতে।“
জ়িয়ার বেলায় তাই ঘটেছে, তিনি নিহত হবার পর, নামের সাথে শহীদ দেবার প্রচারোনা বিএনপি করেছে, আর এই বেপার তা আরও বেশী বহাল থেকেছে কারন, জিয়া নিহত হবার পর থেকে বিএনপি বা তার সাথীরাই ক্ষমতায় বেশী এসেছে। এই কারনে শহীদ নাম অলঙ্করন করার ব্যাপারটা আর বেশী ঘটেছে। ব্যাপারটা খুব সাধারন, যত প্রচার তত প্রসার। আসলে তিনি মোটেই শহীদ নন।
৭৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩১
রাশেদ বলেছেন: @ রন্টি...মজা পাইলাম তোমার কমেন্টে। হাসিনা খালেদা নিজেদের সন্মান রাখতে পারে নাই। পাব্লিকের কি দোষ! হাসিনা তার বাপ ভাই এর মৃত্যু নিয়ে ব্যবসা করে আর খালেদা তার বিধবা হওয়াকে নিয়ে। এইসব ব্যবসায়ীর জন্য প্রতিবাদ মুখে আসে না।
৮০. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৫
রাশেদ বলেছেন: আর এস্কিমো ভাইরে বারবার অন্ধ বইলা খোঁচা দিতাছো! তুমি নিজেও তো মউদুদের মধ্যে রাজনৈতিক উচ্চাভিলাস খুঁজে পাও না। তার মউতের চিন্তার কথা কও। ঘটনা কি!

@ রন্টি
৮১. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৫
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তোমার এই কথাগুলো কোথায় ছিল ৮২ তে? ৯০ এর গনআন্দোলন নিয়ে যে আমরা খূব লাফাই সেটা কোথা থেকে আসল? প্রতিবাদ তোমার আসবে কেন? কে কবে এই দেশের জন্য করেছে? এই দেশের জন্য উল্লেখযোগ্য কিছু করে থাকলে তো এই হাসিনা আর তার বাপ আর ওই বিধবা আর তার স্বামীই করেছে।

আমরা ব্লগে এটিম বিটিম করে রাজাকার তাড়াই আবার ছাত্রলীগ যদি শিবির পিটাইয়া তক্তা বানায় তাহলে ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী বলি, এই আমাদের ভালমানুষী।

সত্য কথা হল আমরা দেশের বোঝা ছাড়া কিছুই না। আমরা খালি কথা বলতে পারি। যা কিছু করার ওই হাসিনা খালেদারাই করে, তাই ব্যবসা যদি করে তাহলে ওদেরই করা উচিত, আমাদের না।
৮২. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আবার দেইখো। দেশটা তো পড়ছে মাইনকা চিপায়। আবার ওই হাসিনা খালেদার হাত ধরেই বাচতে হবে। আবার ওই মিছিল, আন্দোলন করেই বাচতে হবে। আবার আমরা সমস্বরে বলে উঠব মিছিল মিটিং করে তো আজাইরা মাইনসে। সব ভাল মানুষ মেনারা যারা ডাক্তার ইন্জিনিয়ার আর বিদেশে বসে থাকা লোকজন।
৮৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৯
রাশেদ বলেছেন: হাসিনা খালেদা কি যা করছিল তার প্রতিদান লক্ষ গুণে গুনে নেয় নাই?

৯০ এর সময়ে কয় দফা জানি একটা প্রস্তাব ছিল। বাস্তবায়ন কি করছিল? স্বার্থই তো দেখছিল তারা, ঠিক না?

৫% করে ৯৫% খায় তারা, এইখানেই আপত্তি।
৮৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৯
তিক্ত সত্য বলেছেন: অনেকই তো অনেক কিছু নিয়ে আলোচনা করলেন, এবার আমি একটু শহীদ নিয়ে বলি..

শহীদ হচ্ছেন তাঁরা, যাঁরা আল্লাহ পাক ও তাঁর হাবীব সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সন্তুষ্টি হাসিলের লক্ষে ইসলাম প্রচার বা রক্ষা করতে গিয়ে শাহাদাত বরণ করেন।

আর যারা (মুসলমানরা) বড় কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত অবস্থায়, শুধু শুধু অন্যায় ভাবে, উপর থেকে নিচে পড়ে, পানিতে ডুবে ইত্যাদি ভাবে মারা যান তারা শহীদি দরজা পাবেন অর্থাৎ কিছু মর্যাদা ও নেকী হাসিল হবে কিন্তু তারা শহীদ না।
আর শহীদ না হলে নামের আগে কি 'শহীদ' লাগানো যাবে? নিশ্চয়ই না।
৮৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৪০
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ৫% করে আর ৯৫% খায়?

আর কি বলার আছে হে বালক!!

অফ গেলাম।
৮৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৪৯
সক্রেটিস বলেছেন: @রাশেদ
বংগবন্ধু ও জিয়া কি তাদের পরম আত্নীয় আর পাবলিককে বলে গিয়েছিলেন মরার পর তাদের বন্দনায় দিবা নিশি যাপন করতে?? ??

আর আমার মনে হয় না ম্যাংগো পাবলিক এসব নিয়া মাথা ঘামায়।
তাদের নাম জপলে যাদের সুবিধা হয় তারাই এটা প্রকাশে ব্যস্ত যে- কে বেশি বংগবন্ধু প্রেমিক আর কে জিয়া প্রেমিক। সবই বিজনেস।
৮৭. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: বিএনপি আলীগের কঠোর সমালোচনা, হাসিনা খালেদার গুষ্ঠি উদ্ধার না করলে আজকাল স্মার্ট হওয়া যায় না।
৮৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৩
রাশেদ বলেছেন: @ রন্টি...তোমার কমেন্টটা ভালো লাগে নাই। সরি।


@ সক্রেটিস...হা হা! সবই স্বার্থের খেলা।
৮৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪
আমি ও আমরা বলেছেন: রন্টি চৌধুরী আপনাকে বলছি- একটু দেখুন।


রন্টি চৌধুরী বলেছেন: "আবার দেইখো। দেশটা তো পড়ছে মাইনকা চিপায়। আবার ওই হাসিনা খালেদার হাত ধরেই বাচতে হবে। আবার ওই মিছিল, আন্দোলন করেই বাচতে হবে। আবার আমরা সমস্বরে বলে উঠব মিছিল মিটিং করে তো আজাইরা মাইনসে। সব ভাল মানুষ মেনারা যারা ডাক্তার ইন্জিনিয়ার আর বিদেশে বসে থাকা লোকজন "

----------------------------------------------------------------------------
ভাই আপনি এই মন্তব্ব করার আগে যেটা করেছিলেন সেটা ভাল লেগেছিল, একবার ভেবেই নিয়েছিলাম, আসলেই আর রাজনীতির সমালোচনা করে কিছু লিখবনা, লিখতে হলে আগে মাঠে নেমে তারপর কিছু লিখব। কিন্তু আপ্অনার পরের মন্তব্ব টা যেটা আমি কোড করেছি তার নিচের "সব ভাল মানুষ মেনারা যারা ডাক্তার ইন্জিনিয়ার আর বিদেশে বসে থাকা লোকজন। " এই কথার প্রতিবাদ জানাই। আমরা করছিনা কিছু কিভাবে বলেন। আমরা যারা প্রবাসী কষ্ট করে রক্ত কে ঘাম করে টাকা দেশ এ পাঠাই তা কি দেখেন না। বাংলাদেশ এর বড় আয় এর বিশাল এক্তা ফেক্টর আমাদের এই টাকা। আমার প্রতিবাদ টা সেখানেই, আমাদের এই টাকা দিয়ে সরকার কি করেন। আজো কি কোন পরিবেশ করেছে, ্যে দেশ এ এসে কিছু করব। রাজনীতির কোন্দলে দেশ এ হরতাল চলে ১২ মাসের মদ্ধে ৯ মাস।-- আমি এর জন্নই আবার রাজনীতিক দের বিপক্ষে লিখব।
৯০. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হিহি,...ভাই আমি ও আমরা......আমি নিজেও বিদেশে বসে থাকা মানুষ...তাই ক্ষেপিয়েন না প্লীজ :)
৯২. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: @রাশেদআংকেল। পছন্দ নাও হতে পারে। হয়ত আমারও ভূল আছে। ভুল ভাঙবে নিশ্চয়ই একদিন। এজন্যই তো আলোচনা।
এরচেয়ে বাদদেই চল আলোচনা এ বিষয়ে। নতুন পোষ্ট ছাড়ো!!! :#)
৯৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:০২
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হাহ হা। এই অস্ত্রটা রেখেই ওমন দুসাহসিক কমেন্টটা করেছিলাম। যদিও ওটা আবেগ দ্বারা তাড়িত ছিল। কেননা বিদেশীদের টাকাতেই যে দেশের কোমরশক্ত তা তো বলাই বাহুল্য। আজও সরকার দেশের ভাল অবস্থা বোঝাতে রিজার্ভ দেখায় বারেবারে। ওগুলো কে দেয় গার্মেন্টস? নাহ। গার্মেন্টস খাতের আয়ের অনেক অংশই চলে যায় কাচামাল কিনতে। রিজার্ভে থাকা ডলারগুলা আমাদেরই টাকা।বিদেশীদের।

এই বিদেশীরা যেদিন দেশে ফিরবার ভাল পরিবেশ পাবে, সেদিনদেশটা পাল্টে যাবে। সেজন্যেই তো রাজনীতিকদের তেল মারছি। হেহে।
৯৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:২৭
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: জিয়া সাহেব হয়তো সৎ ছিলেন।হয়তো ভীষন ভালো মানুষও ছিলেন।কিন্তু তিনি গু আজমরে দেশে আনছেন।শাহ আজিজের মত বাংলাদেশ বিরোধীদেরকে ক্ষমতায় আনছেন।ক্ষমতা নিরংকুশ করার জন্য অনেক লোককে ফাসি দিছেন।সর্বোপরি দালালদের রাজনীতির পথ সুগম করছেন।
৯৫. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:৪৩
আসামী বলেছেন: পোস্টের টপিক ছিল শহীদ কি না। বিলকুল না। আতোতায়ীর হাতে মারা যাওয়া মানে অপঘাতে মৃত্যু। আর অপঘাতে মরলে শহীদ হয় না হয় ভুত।
৯৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:০৭
বি পজেটিভ বলেছেন: @ টিপিক্যাল আওয়ামী মনোভাব!! মাইন্ড খাইয়েননা, কিন্তু প্রায় আ'লীগাররাই এটা বলেন।

এটা ঠিক না - '৭১ ছাড়া অন্য কোন দলে আমি নাই!
৯৭. ৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:২০
জামাল ভাস্কর বলেছেন: টিপিক্যাল সেনাশাসকের যা যা করনের কথা ছিলো মেজর জিয়া তা'ই করছিলো...শেখ মুজিবের আওয়ামি সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভরে ব্যবহার কইরা সেনাবাহিনীর ক্ষমতা অধিগ্রহণের পাশাপাশি নিজের আখের গোছানো...সেনাবাহিনীতে যতোটুক দেশপ্রেম শিখানো হয় ততোটুকের পরিপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ...সবকিছুরে কাঠামোগত উন্নয়নের অন্তর্গত ভাইবা নীতি নির্ধারণ করা...দেশে ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বার সংকট বাড়াইয়া তুইলা সীমান্ত বিরোধ উজ্জীবিত করণ...সব করছিলেন তিনি।

শাহ আজিজুর রহমানরে প্রধানমন্ত্রী বানাইছিলেন কি কারনে সেইটা আমার কাছে একটু রহস্যময় ঠেকে, তা'ই ধইরা নেই বিদেশী চাপের কাছে নতি স্বীকার...সাথে আওয়ামি বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলিরে প্রতিষ্ঠিত কইরা আওয়ামি লীগের কোমর ভাইঙ্গা দিতে চেষ্টা কইরা সফল হইছেন...তিনি যদি এতোই জনপ্রিয় হইতেন তাইলে ৭৯'তে ভোটার বিহীন গণভোটের আয়োজন কেন ছিলো সেই প্রশ্নটাও অনেক জরুরী মনে হয় আমার কাছে...জনগণের মাঝে বিদ্যমান সেনাভীতি আর সেনা বিরোধীতার ভয়ে?

আমার মেজো কাক্কু তারে প্রকাশ্য দিবালোকে অপমান কইরা পুরস্কার পাইছিলো ছাত্রদলে যোগদানের আমন্ত্রণ...৭০ দশকীয় মেধাভিত্তিক ছাত্র রাজনীতির বিপরীতে আওয়ামি পন্থারে আরো বেশী কার্য্যকরী করনের তরে? লেফট-রাইট করতে করতে হাটুতে বুদ্ধি চইলা গেলে মেধার উপর অনাস্থা আসাটাই স্বাভাবিক অবশ্য...

টাকা আর সুবিধা দিয়া রাজনীতিবিদ কিননের কাহিনীটাও তার সময়ে জোরদার হইছে...ব্যক্তিগতভাবে তিনি সৎ ছিলেন এই প্রকল্প আমার কাছে কোনরূপ অর্থ বহন করেনা...ব্যক্তির সততা দিয়া একজন রাষ্ট্রনায়করে মূল্যায়ন কখনো সম্ভব না...জিয়াউর রহমান খাল কাটছেন আর এরশাদ রাস্তাঘাট ব্রীজ বানাইছেন সেনাবাহিনীরে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করনের তরেই...গ্রাম সরকার পদ্ধতি প্রণয়ন কইরা বিকেন্দ্রীকৃত টাউট শ্রেণীর সম্প্রসারন করছেন...জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরীর অবকাশে...
৯৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: জামাল ভাস্কর এর সাথে সহমত।
শহীদ-তহীদ কোন ব্যাপার না, ক্ষমতায় বিএনপি ছিল, তাই টাইটেল লাগাইছে। আসলে দেখতে হইবো এরশাদ-জাতীয়পার্টি যেইটা পারলো না জিয়া-বিএনপি ক্যামনে পরলো?
আমার মনে হয়, ভোন্দা জনগনরে যে বা যারা এফিশিয়েন্টলি এক্সপ্লোয়েট করতে পারে তারাই টিকা থাকে, ব্যবসা, মাস্তানী করে এই দেশে।
১০০. ৩০ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২
ক্যালিব্রা বলেছেন: ছাত্রলীগের অনেক মিটিংয়ে আমি শুনছি শেখ মুজিব নাকি ৭ই মার্চের ভাষনে "এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম" এইটা কইতে চায় নাই। তার বউয়ের চাপাচাপি তে কইতে বাধ্য হইছে।
৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:২২

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা..............এইসব যে কোথ্থেকে আসে?/!! শেখ মুজিবের বউ কি তার পাশে ছিল ভাষনের সময়? ছাগলামিরও একটা সীমা আছে। যেখানে সেখানে লাদি না ফেললে হয় না?

১০১. ৩০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯
মনচাষা বলেছেন:





মানবী বলেছেন:

কোন রাজনৈতিক দলের প্রতি কোন প্রকার দুর্বলতা নেই, জিয়াউর রহমান ও শেখ মুজিবর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আছে, তাঁদের পছন্দ করি। আমরা যারা এই দুজন মানুষ কে মৃত্যুর পরও ছাড় না দিয়ে তাঁদের সম্পর্কে আজে বাজে কথা বলে নিজেদের জ্ঞান বুদ্ধি প্রকাশে মরিয়া, এই আমাদের কিন্তু ইতিহাস নর্দমায় নিক্ষেপ করবে আর তাঁরা দুজন উজ্জল নক্ষত্র হয়ে সারা জীবন বাংলাদেশের ইতিহাসে আকাশকে আলোকিত করবেন।



রন্টি চৌধুরী বলেছেন:

মানবীর কথার সাথে আমি একমত। আমাদের শত দুখের মাঝেও কিছু সান্তনা যে আমাদের বঙ্গবন্ধুর মত নেতা ছিলেন আর জিয়ার মত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। যাদের কাজ বেচে আজও আমাদের রাজনীতিবীদরা চলছেন। আর এ কাজ করতে গিয়েই তারা তাদের অপমানিত করে ফেলছেন। তবে বিশ্বাস থেকেই বলি, কোন ভাল বিএনপি নেতা কখনো বঙ্গবন্ধুর সমালোচনা করে না, তেমনি ভাল আলীগ নেতাও টান দেন না জিয়াকে নিয়ে। যত ঝামেলা বাধায় অন্ধ গন্ড আবাল নেতাকর্মীদের কিছু অংশ


Oporer comment khub valo legece tai likhlam....
Amar mone hoi akjon mrito manus nia somalochona na kore deser bortoman poristiti nia alochona kora onkh valo .
Akhane kisu geni manus ase jara somalochona korte khub valobase .
Ami nutun ase apnader kas theke onek kisu sikhlam.
Akhana kisu blogar ase jara onek gheni/Buddhigibi.
Apnader kotha sune onk moja lage.
Sorry Harry bhaia oprasangik kisu kotha bolbar jonno.
Lekha take + dilam....
১০২. ৩০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১১
মনচাষা বলেছেন: সক্রেটিস বলেছেন:


যাকে দেখিতে না পারি, তার চলন বাঁকা।
জিয়া শহীদ না অশহীদ বিতর্ক এই থেকে শুরূ হয়ে শেষ হল জিয়া’র চরিত্র হননে।
অন্তত জিয়া পরবর্তী বা এখনকার রাজনীতিকদের থেকে জিয়া অনেক গুন ভালো।
আর ছাত্র রাজনীতিতে পেশীশক্তির ব্যবহার, রাজনীতর পচন ও গুপ্তহত্যা জিয়া আসার আগে থেকেই শুরূ হয়েছিল।
বুঝতে পারছি- রাজনৈতিক বিপক্ষ শিবিরে অবস্থান বলেই জিয়াকে হয়তো কারো কারো পছন্দ না, কিন্তু একজন সৎ দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু দিবসে এভাবে কথা গুলো না বললেও চলতো। জিয়ার দোষ ত্রুটি অবশ্যি আছে, কিন্তু কি লাভ হলো এই আলোচনায়??? মৃত ব্যাক্তির নামে বাজে কথা বলে আমরা নিজেরাই নিজেদের চরিত্রের মহান দিকটি প্রকাশ করে দিলাম।
বাংগালী শুধু অন্যের সমালোচনা করে সময় নষ্ট করে।
হায় ! কবে যে দেশের মানুষ প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসবে! সেই শুভ দিনের অপেক্ষায়...


রন্টি চৌধুরী বলেছেন:

এস্কিমো ভাইয়ের সাথে জিয়া বিষয়ে কোনরকম আলোচনায় যেতে আমি আগ্রহী নই কেননা তিনি অন্ধ আলীগের দলে পড়েন। তাই তার সাথে আলোচনা বৃথা। তিনি জিয়াউর রহমানের কোন পজিটিভ দিক দেখবেন না যেহেতু তিনি বিএনপির। যেমনটা এ ব্লগের এহহামিদা আলীগের কোন পজিটিভ দিক দেখতে পাননা।

Bhai Ronti amio a kothai bolte chaicilam kintu voi paici karon onaro abr kisu ondho vogto ase to tai.....
Vogto bhaira kisu mone niyenna sorry....
১০৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২১
মনচাষা বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সমস্যা একটাই আমাদের আলোচনায় তাদের ছোটকরে দেখা আমার সহ্য হয় না। এমনকি শেখ হাসিনা কে নিয়ে নিয়ে কটু কথা শুনলেও আমার চিৎকার দিয়ে উঠতে ইচ্ছে হয়। আজকে আমরা তথাকথিত মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারীরা কোথায় ছিলাম যখন এরশাদ লুটে পুটে খাচ্ছিল? তখন কেন হাসিনাকেই আবার আসতে হল আলীগের হাল ধরতে? আজকে এই তাকেই শুনতে হয় তিনি নাকি আলীগের বারোটা বাজিয়েছেন। হাটুবুদ্ধির মইন হাক ছাড়ে...পরিবারতন্ত্র থেকে দেশকে বাচাতে চাই আর আমরা হাততালি দিতে থাকি। ধিক আমাদের মনুষত্বকে। এই ব্লগে প্রতিদিনই কারও বাবা কারও মাকে নিয়ে আবেগময় লেখা পড়ি, প্রত্যুদার মা নিয়ে লেখায় ১১৭টা প্লাস পড়ে অথচ হাসিনাকে কেউ কেউ পাগল বলেন কেউ প্রতিবাদ করেন না, অন্ধ এস্কামো ভাই ও না, তুমিও বল রাশেদ। সবাই আমরা ভুলে যাই এই হাসিনার ও তো বাবা ছিলেন মা ছিলেন একরাতে তাদের আমরা মেরে ফেলছী, তবুই মহিলা এই দেশের রাজপথে আমাদের জন্য্ই মিছিল করেছেন আমাদের জন্যই এই সেদিন তাকে টানাহেচরার মাঝে জেলে যেতে হয়েছে। আজকে আমরা হাসতে হাসতে বলি..ভালই হয়েছে পাগলের হাত থেকে বাচা গেছে...অন্তত নতুন নেতৃত্বও তো আসত। ধিক এমনতর চিন্তার। লজ্জায় মাঝে মাঝে মিশে যাই। জাতি হিসেবে আমরা কত অকৃতঞ্জ।
\

Joss hoice boss.....
১০৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯
মনচাষা বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: বিএনপি আলীগের কঠোর সমালোচনা, হাসিনা খালেদার গুষ্ঠি উদ্ধার না করলে আজকাল স্মার্ট হওয়া যায় না।
১০৬. ৩০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
হাসান মইখল বলেছেন: জামাল ভাস্করের মন্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত।রাষ্ট্রনায়কের মুল্যয়নে তার ব্যাক্তিগত সততা'র প্রসংগ অপ্রাসংগিক।রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জেনারেল জিয়া(দুঃখিত, আমি অন্য সম্বোধন ব্যবহার করতে পারলাম না) একজন টিপিক্যাল স্বৈরশাসক(হয়তোবা একটু বেশি বুদ্ধিমান( ধূর্ত) ) ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারিনা।
১০৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪
পলটু বলেছেন: ভারত চাক না চাক সেটা আমরা মাথা ঘামাব কেন?

-লোকে বলে দুইটা হত্যাকান্ডের পিছনেই বিদেশী কারো না কারো হাত ছিল!!

-লোকে বলে এই দুইটা লোকই কারও কথা ঠিক অক্ষরে অক্ষরে পালন না করার কারণেই মরছিল!!

-লোকে বলে বাংলাদেশের জন্মের পরে সাচ্চা দেশ-দরদী এই দুইজনেই আছিল কারণ তারা অন্যের কথায় না নিজেগ মাধ্যমেই দেশের উন্নতি করতে চেষ্টা করছিল তাই এইদুইজনরেই দুনিয়া থেইক্খা চইল্লা যাইতে হইছিল কিন্তু বাকী কুতুবরা এখনও বাইচ্চা আছে তাগ মত মরতে হয় নাই।

-লোকে বলে পাচ-পচাত্তর রা নাকম ছাত্ররা এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গলায় সাপ পেচাইয়া ত্রাস সৃষ্টি করত!!

-লোকে বলে ছাত্র রাজনীতিতে সন্ত্রাস স্বাধীণতার আগেই আমদানি হইছিল

আমার বাপের দুই রুমের একটা ঘর বানাইছে তার মধ্যে একটা ভাড়া দিছে। ভাড়াটিয়া যখনই দেয়ালে পেরেক ঠুকে বাপে দেয়ালে পেরেক ঠোকার আওয়াজ শুইনাই কাতর হইয়া যায়, তার মনকষ্ট মুখে ফুইটা উঠে!! কিন্তু আমি তেমন কইরা কাতর হইনা পেরেকের আওয়াজে, তয় কাতর হই বাপের চেহারায় কষ্ট দেইখা---এই কথার মাজেজ হইল যে যা বানায় তার মর্মাথ সে যেমনে বুঝে অন্যে সেইরকম কোনদিনই বুঝব না!!

তাই আবারও সেই অদৃশ্য শক্তির সেই মাস্টার প্লান শুরু হইল যারা দেশটার জন্য নিজের জীবন তুচ্ছ কইরা যুদ্ধ করছে তাগ ফিনিস করা।

৭৫ থিকা শুরু হইল সেই অপারেশন তার পরে চলতেই থাকল চলতেই থাকল এবং লোকে বলে এখনও চলতেছে সেই প্রক্রিয়া!!

৭৫-এর সেই কিলিং থেইক্কা শুরু কইরা যতগুলান এই রকম রাজনৈতিক কিলিং হইছে এখনতরি তার মধ্যে কয়টা আছে সুবিধাবাদী নাম কনতো?

আপনে কি জানেন সেই ৩০ তারিখে জিয়া মরার কাহিনি নিয়া কতজন মুক্তিযোদ্ধা অফিসাররে ফাঁসিতে লটকাইয়া না হইলে গুলি কইরা মাইরা ফেলান হইছিল?

(বাকি আরও কথা কওণের ছিল এখন সময় নাই, পরে আলাপ করুমনে)
১০৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:১৯
হ্যারি সেলডন বলেছেন: এইখানে তো ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে গেছে।
১১০. ৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হিহি...বিরাট ধুন্ধুমার!!!

জামাল ভাস্কর ভাইয়ের কমেন্টে ঝাঝা!!!
১১৩. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:২৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ক্যালিব্রা বলেছেন: ছাত্রলীগের অনেক মিটিংয়ে আমি শুনছি শেখ মুজিব নাকি ৭ই মার্চের ভাষনে "এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম" এইটা কইতে চায় নাই। তার বউয়ের চাপাচাপি তে কইতে বাধ্য হইছে।



এই গুলান কই থিকা আসে?????
৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: হাহাহা........এইগুলা না থাকলে হাসির খোরাক পাওয়া যায়না। তাই তারা থাকুক!

১১৪. ৩১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:১৪
মানবী বলেছেন: রাষ্ট্রনায়কের মূল্যায়নে যদি ব্যক্তগত সততা (???)মূল্যহীন হয়ে থাকে, তাঁদের দুর্নীতি মুক্ত চরিত্র যদি এক্ষেত্রে কোন ভূমিকা না রেখে থাকে তাহলে বলতে হয় খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা আদর্শ রাষ্ট্র প্রধান ছিলেন।


এই দুজন এবং তাঁদের আত্মীয় সজন দলীয় কর্মীদের দুর্নীতি, রাষ্টপ সম্পদ লুন্ঠন.. সব কিছুই তাঁদের ব্যক্তিগত অসততা, তা দিয়ে রাষ্ট্রনায়কের মূল্যায়ন অযৌক্তিক!!!!


মানুষকে তাঁর প্রাপ্য সন্মান দিতে আমাদের এতো দ্বিধা কেন!! একজনসৎ মানুষকে আমরা বাঁচতে দেইনা, তাঁদের মৃত্যুর পরও সেই স্বিকৃতী দিতে এতো খানি কার্পণ্য!!!!
১১৫. ৩১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:১৮
এস্কিমো বলেছেন: একজন সাধারন মানুষের সততা আর একজন রাষ্ট্র নায়কের সততার পরিধি কি এক? @মানবী


১১৬. ৩১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২৫
মানবী বলেছেন: পরিধি কে ইচ্ছে মতো বড় ছোট করে একজন কে সৎ অসৎ প্রমান করা যায় যেকোন ক্ষেত্রেই। সাদা মাটা সত্য বলতে গেলে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে যেমন স্বীকার করতে হয়, শেখ মুজিবর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার নায়ক, তেমনি দলমত নির্বিশেষে একথা স্বীকার করতে হয় যে জিয়াউর রহমান একজন সৎ রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।

রাষ্ট্র নায়কের মূল্যায়নে তাঁর অর্থনৈতিক সততা নিঃসন্দেহে বড় ভূমিকা পালন করে।

রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি কেমন ছিলেন, তা ভিন্ন প্রসঙ্গ এস্কিমো।
১১৭. ৩১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৩৭
এস্কিমো বলেছেন: অবশ্যই একজন সৎ মানুষ ছিলেন, কিন্তু সৎ রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন কিনা সেই বিষয়ে বোধ হয় একমত হওয়া কঠিন। @মানবী

১১৮. ০৩ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আমার অবস্থাও বাফড়ার মতো। এ সম্পর্কে প্রচুর পড়াশোনার দরকার আছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কিছু পড়াশোনা করলেও, জিয়াকে নিয়ে তেমন একটা না।

এই পোস্টের যুক্তি-তর্কগুলো ভালো লেগেছে। কিছুটা হলেও নিজের জ্ঞানভান্ডার সমৃদ্ধ হয়েছে।

হ্যাটস অফ টু প্রফেসর!!

++
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: বাদশাভাই, অনেক ধন্যবাদ।

১১৯. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৪০
রাফা বলেছেন: জিয়া যদি শহিদ হয় তাহলে তার হত্যাকারীদেরকেও তো শহিদ বলতে হবে।জিয়া ছিল ক্ষমতার লোভী যা থাকলে আর অর্থ আত্মসাৎের কথা ভাবতে হয় না।জিয়া ছিল চতুর তাই সে সৎ মানুষের লেবাস ব্যবহার করেছিল রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য।জিয়ার কোন বীরত্বের কাহিনী কোথাও পাই নাই মুক্তিযুদ্ধের সময়।যা নাকি পাওয়া গেছে কাদের সিদ্দিকি ,শফিউল্লাহ ,মেজর রফিকুল ইসলাম সহ আরো অসংখ্য মুক্তি যোদ্ধাদের বেলায়।
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে প্রচন্ড আওয়ামীঘরানার মনে হচ্ছে!!!

১২০. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:০১
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন: "নিরহংকারীতার ব্যাপারটাও সত্যি।"

উনি বলেছিলেন " আই উইল মেক পলিটিক্স ডিফিকাল্ট ফর পলিটিশিয়ানস" ! উনি কি নিরহংকারী ?

আপনার এই পোস্টটা একটা তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিতে পারে। ধন্যবাদ নিন।

কারো নাম ধরছিনা কিন্তু এখানে ক'জন ডাকসাইটে ব্লগারের মন্তব্য দেখলাম। হ্যারির মত আমিও জানতে চাই - তার একাত্তরে রেকর্ড কি? কোন কোন ওয়ারফিল্ডে তিনি ছিলেন?

১২১. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:০৪
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন: "নিরহংকারীতার ব্যাপারটাও সত্যি।"

উনি বলেছিলেন " আই উইল মেক পলিটিক্স ডিফিকাল্ট ফর পলিটিশিয়ান" ! উনি কি নিরহংকারী ?

আপনার এই পোস্টটা একটা তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিতে পারে। ধন্যবাদ নিন।

কারো নাম ধরছিনা কিন্তু এখানে ক'জন ডাকসাইটে ব্লগারের মন্তব্য দেখলাম। হ্যারির মত আমিও জানতে চাই - তার একাত্তরে রেকর্ড কি? কোন কোন ওয়ারফিল্ডে তিনি ছিলেন?

১২২. ২৬ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১৯
শারিফ বলেছেন: খালেদ মোশারফ ছিল একটা ব্যায়াদব। তার সাথে সফল রাষ্ট্রনায়ক জিয়া কে তুলনা করবেননা। ভুলে যাবেননা ১৯৭৫ এর ৭ই নবেম্বর জিয়াকে সকলে মিলে এক প্রকার বাধ্য করে রাষ্ট্র প্রধানের আসনে বসিয়ে ছিল। জিয়ার জন্মনাহলে আপনার মত ছগল রা এইরকম ভাবে স্বাধীন মত প্রকাশকরতে পারতেন না।আসাকরি ভবিষ্যতে ছগলের ৩ নাম্বার বাচ্চার মত লাফালাফি করবেন না। বুঝে সুনে জেনে লিখবেন।
১২৩. ০৯ ই মে, ২০১০ ভোর ৬:২৭
দাসত্ব বলেছেন: অনেক পরে যোগ দিলাম।
কিছু বক্তব্য রেখে গেলাম। জিয়া যে ভিশনারী ছিলেন সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই।
জিয়া কেন বলেছিলেন ? "আই উইল মেক পলিটিক্স ডিফিকাল্ট"
কারন জিয়া ড্রইং রুম পলিটিক্স ঘৃনা করতেন যেটা জিয়ার ৬ বছর বাদে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে চলছেতো চলছেই।
জিয়া হাটে মাঠে ঘাটে ঘুরে বেরাতেন। মানুষের কথা শুনতেন।
জিয়ার সময়ে কতটুকু খাল কাটা হবে সেটি একজ্যাক্ট জানিনা।
তবে যেটা জানি বাংলাদেশের যতটুকু দরকার তার ১/৩ কাটা হয়েছিলো। খাল কেটে ওয়াটার স্টোরেজের এই প্ল্যানটা জিয়ার মাথায় আসে চীন সফরের পর।
জিয়ার ভারত বিরোধীতা ছিলোনা , ভারতের আধিপত্যের বিরোধীতা ছিলো। ১৯৭৬ এ জিয়াই ১ম জাতিসংঘে ফারাক্কা ইস্যু তোলেন এবং ভারত পানি দিতে বাধ্য হয়।
আরেকটি বড় বিষয় জানেন না যেটার জন্য পুরো বাংলাদেশ তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকতে হবে । সেটি হলো- ১৯৭৬ এ জিয়াই ১ম মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রপ্তানী শুরু করেন ৬০০০ হাজার শ্রমিক পাঠিয়ে।১৯৭৬ এই ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এক্সপোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।http://www.bmet.org.bd/BMET/index
সেই ৬০০০ আজ ৭০ লাখ - অবিশ্বাস্য! বাংলাদএশকে বাঁচিয়ে রাখছে।
জিয়ার সময়ে অভ্যুত্থান গুলো সত্যি ছিলো, কারন রক্ষী বাহিনীকে সেনাবাহিনীতে ডিসলভড করা হয়েছিলো।মুজিবপন্থী সেনা কর্মকর্তারাও বিপজ্জনক ছিলো।
জিয়া ১৯৮০ তেই জনসংখ্যাকে বাংলাদেশের ১ নং সমস্যা বলেন।
মুজিব হত্যা বিষয়ে জিয়াকে যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকে কতভুল ভাবে দোষী করা হয় সেটা এখানে পাবেন:
মুজিব হত্যা এবং জিয়া

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫৯৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কেন তুমি তরকারী বঁটি দিয়ে কুটবে
কেন তুমি দশটায় অফিসেতে ছুটবে
কেন তুমি ডালে দেবে আটখানা লংকাই
সব্বাই করে বলে সব্বাই করে তাই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই