আমার প্রিয় পোস্ট

একজন খাঁটি ভন্ড!

ইসলাম অবমাননা আর কতিপয় পর্যবেক্ষণ।

১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৭

শেয়ারঃ
0 6 0

এ কে ফজলুল হকের একটা চুটকি বলি। পড়েছিলাম এইসএসসি'তে পড়ার সময় মনে হয় প্রথম আলোর কোন একটা কলামে। হক সাহেবকে তখন ইসলামের শত্রু, ভারতের দালাল এসব বলত মৌলবাদীরা। তিনি দেশের কোন এক জায়গায় বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তখন চুটিকিটা বলেছিলেন।

"গ্রামের কোন এক খাঁ খাঁ দুপুর। গৃহিনীরা খুব ব্যস্ত তাদের স্বামী কৃষকদের খাবার তৈরীতে। কৃষকরা সারা সকালবেলা ক্ষেতে অনেক পরিশ্রম করে গোসল সারতেছে গ্রামের পুকুরে। এমনসময়ই হঠাৎ আওয়াজ উঠল জোরে "ইসলাম ডুবে যাচ্ছে, ইসলাম ডুবে যাচ্ছে"। গ্রামের এত সাচ্চা মুসলমান থাকতে ইসলাম ডুবে যাবে তা হতে পারেনা। তাই সবাই দৌড়াতে থাকল যেদিক থেকে আওয়াজ আসতেছিল সেদিকে। যেতে যেতে একটা খালের পাড়ে গেল সবাই। দেখল নুরুল ইসলাম নামে গ্রামের একজন মদ্যপ মদ খেয়ে মাতাল হয়ে খালে পড়ে গেছে। নুরুল ইসলাম ডুবে যাচ্ছে। ইসলাম ডুবে যাচ্ছে।"


১৯৯১ সালের নির্বাচনে আমাদের এলাকা থেকে আ'লীগে দাঁড়িয়েছিল নাজিম উদ্দিন। ভদ্রলোক অত্যন্ত ভালমানুষ, খুবই ধার্মিক। দানশীলতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। বিএনপি থেকে দাঁড়িয়েছিল ওয়াহিদুল আলম। চিটা বলে একনামে পরিচিত। ধার্মিক তো দূরের কথা। কিন্তু নাজিমউদ্দিনকে ভোট দিলে ইসলাম চলে যাবে, বিসমিল্লাহ্‌ উঠে যাবে, ভারত দেশ দখল করে ফেলবে, সর্বোপরি মসজিদে উলু পড়বে। তাই ইসলামপ্রেমী জনগণ ইসলামকে বাঁচানোর স্বার্থে ওয়াহিদ সাহেবকে ভোট দিলেন। তিনি পরবর্তীতে একটা মসজিদে ভুয়া চেক দিয়েছিলেন! আমার এলাকার লোকজন ইসলাম রক্ষার জন্য খুবই মরিয়া ছিলেন। তবে নামাজ পড়তে কাউকে পাওয়া যায়না। বেশিরভাগ ইসলাম রক্ষা করবে এরকম জনগণ শুক্রবারে ১ বার মসজিদে যায়, ফজরের নামাজে কস্মিনকালেও পাওয়া যায়না তাদের। অন্যলোকের হক মেরে খায়, সুদ-ঘুষ সবই সমানে চলে। বউয়ের বাপের কাছ থেকে যৌতুক না নিলে বউয়ের জীবন জাহান্নাম বানিয়ে ফেলে, কিন্তু ইসলাম আর বিসমিল্লাহ রক্ষার জন্য প্রথম কাতারে আছেন। আমার এক খুব ধার্মিক বন্ধু বলেছিল বাংলাদেশের মানুষ ধার্মিক না, ধর্মভীরু অথবা হুজুগে ধর্মপ্রেমিক বলা যায়। ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়া খুব কঠিন, কিন্তু মিছিল করে ভাংচুর করে ইসলাম রক্ষা করা খুবই সহজ।

তাসলিমা নাসরিনকে যখন দেশ থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে আমি তখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ি। স্কুলের সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মিছিলে যেতে হয়েছিল তাসলিমা নাসরিনের ইসলাম অবমাননার প্রতিবাদস্বরুপ। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিল শিবিরের এক পাতিনেতা(এখন নেতা হয়েছে)। সে পরবর্তীতে অনেকবার চুরির জন্য ধরা খেয়েছে। টেম্পু চুরির অপরাধে অনেক মার খেয়েছে, জেল খেটেছে। তাসলিমার গালে গালে, জুতা মার তালে তালে। শ্লোগাণে মুখরিত আকাশ-বাতাস। ইসলামপ্রেমী সাচ্চা মুসলমানরা জেগে উঠেছে তাসলিমার ইসলাম অবমাননার বিরুদ্ধে। আমরা মিছিলে খুব জোশের সাথে শ্লোগান দিচ্ছি। উল্লেখ্য তাসলিমা কে, তিনি কি বলেছেন সেসব সম্পর্কে আমাদেরও কোন ধারণা নেই, নেতৃত্ব দেয়া শিবির নেতারও কোন ধারণা নেই। পরে যখন দশম শ্রেণীতে পড়ি তাসলিমা নাসরিন সম্পর্কে আবছা ধারণা পেয়েছি। "লজ্জা" বইটা হতে আসল। পড়ে দেখলাম, কিন্তু ইসলাম অবমাননার কোন কিছু খুঁজে পাইনি। বাংলাদেশে যে হিন্দুদেরকে বিভিন্নভাবে রাখা হচ্ছে সেটা তিনি ফ্যাক্টস আর ফিগার দিয়ে ভালমতে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। বাবরী মসজিদের ভাংগার সময় জামাতের নেতৃত্বে যে হিন্দুদের উপর স্টিমরোলার চালানো হয়েছিল সেটা লজ্জায় ভালমতে এসেছিল। সাহিত্যমান হিসেবে ধরতে গেলে বইটা সাহিত্যমান উর্ত্তীন হয়না সেটা বলাই বাহুল্য। তাসলিমা নাসরিনের বেশিরভাগ লেখাই সাহিত্যমান উর্ত্তীণ হয়না। কিন্তু যে কটু এবং নিষ্ঠুর সত্য তিনি তুলে ধরেন তা আমাদের পঁচণশীল সমাজের প্রতিমূর্তী। "ফরাসি প্রেমিক", "লজ্জা", "নির্বাচিত কলাম" আর "ক" পড়ার সুযোগ হয়েছে। "নির্বাচিত কলাম" খুবই ভাল হয়েছে, "ক" কিছু সত্যকে তুলে ধরলেও তাসলিমা নাসরিনের সাম্প্রতিককালের মানসিক প্রচন্ড চাপের অস্থিরতা দ্বারা আক্রান্ত। "ফরাসি প্রেমিক" ভালই বলা যায়, যদিও পুরোপুরি সাহিত্যমান উর্ত্তীণ না। "লজ্জা" বইটাতে ইসলামের অবমাননা কিভাবে হয়েছে সেটা আমার মাথায় ঢুকেনা। বড়জোড় বলা যায় জামাতের আসল মুখ চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপ্রিয় সত্য বলার অপরাধ মিথ্যা বলার চেয়েও মারাত্বক। তাই তাসলিমা নাসরিনকে নিজের প্রিয় দেশ ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় নাগরিকতার জন্য ভিক্ষা করতে হয়। আমাদেরই দেশের এক মেয়ে শুধু অপ্রিয় সত্য বলার অপরাধে হায়দারাবাদে মৌলবাদীদের হাতে মার খায়, এই অপমান কি তাসলিমার? কখনই না। এ অপমান আমাদের মুক্তমনা সকল মানুষের। জাতি হিসেবে এটা আমাদের সকলের জন্য চপেটাঘাত, তথাকথিত আধুনিক ভাবধারীদের জন্য অপমানস্বরুপ।

দাউদ হায়দারের কবিতা তেমন পড়া হয়নি। আমি কবিতা বুঝিনা আসলে। ফিকশানই আমার প্রিয়। তবে যারা কবিতা বুঝেন তাদের কথাবার্তায় বুঝেছি দাউদ হায়দার খুবই মানসম্পন্ন আধুনিক কবি। তিনি বাংলাদেশের প্রথম মৌলবাদিতার শিকার। শুনেছি তিনি নাকি মক্কাকে বেশ্যালয়ের সাথে তুলনা দিছিলেন, তাই তাঁকে দেশ ছাড়তে হয়েছিল। পরে দেখলাম তিনি বলেছিলেন(মোটামোটি ইংরেজী থেকে বাংলা অনুবাদ):

"আমি লাখনাওয়ে এসেছি। আমার কি উচিৎ না বাইজীবাড়িতে যাওয়া? না গেলে লোকে কি বলবে? মক্কাতে এসে কা'বা শরীফ না দেখলে কিরকম দেখায়?"

এখানে কিভাবে ইসলামের অপমান হল বুঝলাম না। লর্ডসকে তো ক্রিকেটের মক্কা বলা হয়। তাই বলে কি একটা খেলার স্টেডিয়ামকে মক্কার সাথে তুলনা দেওয়া হচ্ছে? এটার মাধ্যমে বুঝানো হচ্ছে মক্কা যেমন কা'বার জন্য বিখ্যাত, লর্ডস ক্রিকেটের জন্য এবং লাখনাও বাইজী নাচের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু এটা বুঝার জন্য যে পরিমান বাংলা জানা দরকার সে পরিমান বাংলা হুজুর আর জামাতিদের ঘটে নেই। উর্দুতে লিখলে হয়ত বুঝত।

১৯৯৬-২০০১ আ'লীগ আমলে খালেদা জিয়ার লেখাপড়া না জানা নিয়ে সংসদে কোন এক বিএনপি'র এমপি বলেছিল, মহানবী (সাঃ) ও তো উম্মি ছিলেন। উম্মি হয়ে যদি ইসলামের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ নবী হতে পারেন তাহলে খালেদা জিয়া এইট পাশ হয়ে দেশ চালাতে পারবেনা কেন? কথাটায় যুক্তি আছে এবং স্পষ্টত এখানে কোনভাবেই মহানবী (সাঃ) এর অবমাননা হয়নি। কিন্তু আ'লীগের লোকজন এটা নিয়ে গোলমাল করতে চেয়েছিল, ইস্যু বানাতে চেয়েছিল যে খালেদা জিয়া নিজেকে মহানবী (সাঃ) এর সাথে তুলনা করেছে। তবে তারা সফল হয়নি। কারন জামাত তখন বিএনপি'র পক্ষে আর তাছাড়া মোল্লারাও জামাত অথবা বিএনপি'র পক্ষে থাকে সাধারণত। একই কথা যদি কোন লেখক বলত অথবা শেখ হাসিনা বলত তাহলে কিন্তু সেটা অনেক বড় ইস্যু হত আর হয়ত দেশ থেকেই পালাতে হত।

কোনটাতে ইসলামের অবমাননা হয় আর কোনটাতে হয়না সেটা বুঝার মত বুদ্ধি জামতিদের খুব ভালমতেই আছে। কিন্তু রাজনৈতিক মাঠ গরম রাখা আর রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করার জন্য তারা ইসলামকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে থাকে। যখন কার্টুনিস্ট আরিফ "মোহাম্মদ বিড়াল" নিয়ে কার্টুন করে তখন জামাতিরা ভালমতেই জানে যে সেটা মুহাম্মদ (সাঃ) কে অবমাননা করে লিখা হয়নি। তারা নিজেরাই নিজেদের কিশোরকন্ঠে "মোহাম্মদ টাকি মাছ" নিয়ে কৌতুক করেছে। এটা শুধু নির্দোষ কৌতুক, ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সাঃ) কে ছোট করার কোন ইচ্ছে আরিফের ছিলনা। আমাদের মধ্যে সব নামের পূর্বে যে "মুহাম্মাদ" বসানোর প্রবণতা সেটার উপর ভিত্তি করেই নির্দোষ কৌতুক-কার্টুনটা রচিত। অবশ্য গোআ, সাইদী, নিজামী এদের কারো নামের সাথেই মুহাম্মদ নেই। তাই আরিফের কার্টুনে বিড়ালের আগে মু্হাম্মাদ লাগানোতে জামাতের কিছু যায় আসেনা, বরং তারা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করার জন্য এটাকে একটা সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে, "প্রথম আলোর মত জামাত-বিরোধী পত্রিকাকে শায়েস্তা করার এই তো সুযোগ" এটা মনে করে করে খুশিতে আটখানা হয় আর মনে মনে হয়ত আরিফকে ধন্যবাদ জানায়। নিজেদের স্বার্থের জন্য এই যে ইসলামকে ব্যবহার করা সেটার জন্য তাদের কি শাস্তি হতে পারে পরকালে? তাদের সম্পর্কেই তিরমিজির হাদিসটা আবার বলি:

"শেষ জমানায় কিছু প্রতারক সৃষ্টি হবে। তারা ধর্মের নামে দুনিয়া শিকার করবে। তারা মানুষের নিকট নিজেদের সাধুতা প্রকাশ ও মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য ভেড়ার চামড়ার পোষাক পড়বে (মানুষের কল্যাণকারী সাজবে)। তাদের রসনা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি। কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ের হৃদয়ের মতো হিংস্র। (তিরমিজী)"

ইসলামের অবমাননা বিষয়টা এখন ক্লিশে হয়ে গেছে। সেই রাখাল বালকের "বাঘ এসেছে" চিৎকারের মত। তাই এখন আসলেই ইসলামের অবমাননা হলে কেউ আর মাথা ঘামায়না। ইসলামের অবমাননা হয় তখন যখন “কোরান হেদায়েতের জন্য যথেষ্ট, কিন্তু নাজাত বা মুক্তির জন্য নয়”- এই মারাত্মক কথা মওদুদী বলে ‘তাফহিমাত’ গ্রন্থের ৩১২ পৃষ্ঠায়। ইসলামের অবমাননা হয় তখন যখন একবার ইসলামে নারী নেতৃত্ব হারাম বলে পরে সেই নারীদের শাড়ীর নিচে গিয়ে বসে থাকে। ইসলামের অবমাননা হয় তখন যখন ৭১-এ ইসলামের নামে লক্ষ লক্ষ মানুষকে জামাতিরা হ্ত্যায় সহযোগীতা করে আর লক্ষ মা-বোনকে ধর্ষণের জন্য পাকিদের হাতে তুলে দেয়। ইসলামের অবমাননা হয় তখন যখন সুদকে হালাল বানিয়ে ব্যবসা করা হয়। যখন অন্য মুসলমানকে রাজনৈতিক কারনে হত্যা করা হয়, যখন ক্যাম্পাসে ইসলামের নামে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়, যখন বাবরী মসজিদ ভাংগার পর বাংলাদেশে হিন্দুদেরকে জামাতিরা ভারতের উগ্র হিন্দুদের কাজকর্মের জন্য অমানসিক নির্যাতন করে, যখন ২০০১ সালের নির্বাচনের পর সংখ্যালঘুদেরকে শুধমাত্র আ'লীগে ভোট দেওয়ার অপরাধে বর্বর আক্রমণ চালায় তখনই আসল ইসলামের অবমাননা হয়। অথচ এসব ইসলামের অবমাননার সময় আমরা হাত গুটিয়ে বসে থাকি। যখন যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করে তার বাপের বাড়ীতে গরীব বাপের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়, যখন দেশের সবজায়গায় ঘুষের দৌড়াত্বের জন্য কোন কাজই ঘুষ ব্যতিরেকে করা যায়না, যখন সমাজের সর্বস্তরে অন্যায় আর অবিচারের জয়ধ্বনি শুনা যায় তখনই আসল ইসলামের অবমাননা হয়। যখন শুধুমাত্র ভোটে জিতার জন্য সাইদী আ'লীগকে ভোট দিলে ইমান থাকবেনা বলে ঘোষণা দেয়, যখন ইসলামি সম্মেলনের নাম করে সেখানে সাইদী অশ্লীল কথাবার্তার ফুলঝুরি ছোটায় তখনই ইসলামের অবমাননা হয়।

যত তাড়াতাড়ি "ইসলামের অবমাননা" আর "ইসলাম" কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে, ক্ষমতায় যাওয়ার পথ হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করব তত তাড়াতাড়ি ইসলামের সঠিক বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।


 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৯
বদ্যি বলেছেন: পয়লা পেলাসটা আমি দিলাম
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কিন্তু না পড়েই দেওয়াটা কি ঠিক??

২. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩০
হ্যারি সেলডন বলেছেন: পোস্টটা গতকাল একবার লিখার পর পোস্ট করতে গিয়ে দেখি আমাকে লগ-অফ করে দিছে। লগ-ইন করে দেখলাম ড্রাফটে শুধুমাত্র প্রথম প্যারাটাই আছে!!
৩. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩১
মুকুল বলেছেন: ২য় পেলাসটা আমি দিলাম :)
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: মুকুলভাই, পড়েছেন ত? ধইন্যাপাতা।

১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: রাশুদা, ধইন্যাপাতা। আছ কেমন?

৫. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩২
বৈকুনঠ বলেছেন: এই পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ করছি
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বৈকুন্ঠ।

৬. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: অসাধারণ এবং গঠনমুলক লেখা।
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ব্রাদার।

১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ বৈকুন্ঠ।

৮. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৮
রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন আপনি।
+
দুবাই টিভি নামের এক দুবাই চ্যানেল বর্তমানে টিভি চ্যানেলে সম্প্রচারিত হচ্ছে। এই চ্যানেল এর সবকিছুই আরবীতে। কথা-বার্তা, লেখাও ওঠে আরবিতে। আশ্চর্যের বিষয় যে সকল নারী উপস্থাপিকাগণ এই চ্যানেলে উপস্থাপনা করেন তারা বেশ কড়া মেক-আপ করেন, নানা ঢঙের নানা রঙের বোরকার ফ্যাশন শো প্রদর্শিত হয়, তারা লিপস্টিক দেন, পুরো মুখমন্ডল প্রদর্শন করেন। এতে কী আরবি ভাষা তথা ইসলামের অবমাননা হচ্ছে না ? ইসলামে তো নারীদের শালীনতা বজায় রেখে চলার কথা বলা হয়েছে। চ্যানেলটায় আরবি না থাকলে বলতে পারতাম, থাক, শখ তো সবারই আছে। কিন্তু বাংলাদেশি কোনো মেয়ের এত দুঃসাহস আছে কি-না সন্দেহ যে, আরবি বলার পাশাপাশি... ! জামাতিদের উচিত এই চ্যানেলটা দেখা।
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: টার্টলরে ধইন্যাপাতা।

১০. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
মাইনুল বলেছেন: বাবরি মসজিদ এর ঘটনার পরে যে , দাংগা হয় সেখানে জামাত জড়িত সেটা আপনারে কে বললো ? এই সব ভুয়া তথ্য দিয়ে মানুষ কে বিভ্রান্ত করার হেতু কি? জামাত বাংলাদেশের কোন অমুসলিমের উপর একটা টোকা ও দেয় নি। বরং বাবরি মসজিদ ঘটনার সময় আমি সাইদি সাহেবের ওয়াজে নিজেরকানে শুনেছি, উনি বলেছেন, ভারতে সব মুসলিম কে মেরে ফেললেও বাংলাদেশের কোন অমুসলিমের গায়ে টোকা দেয়া যাবে না। ওই সময় ঘটনা করেছিল, জাতিয় পার্টি, বিএনপি আর আওয়ামীলীগের মানুষ জন।
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: দিনে যতবার জামাত জামাত কর ততবার কি আল্লাহ আল্লাহ কর?


সাইদীর সেই ওয়াজটা আমি নিজেও শুনেছি। কিন্তু ওটা তো কথা, কাজ ত ভিন্ন। আমাদের এলাকায় অনেক হিন্দু এখনও জামাতি আক্রমনের সাক্ষী। কালিমন্দিরটার ভেংগে ফেলতে চেয়েছিল। পরে পুলিশ আসাতে ভাংতে পারেনি। তাসলিমার "লজ্জা" পড়।

১১. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
ভোরের আলো বলেছেন: এত্য বড় লেহা। পরতি পরতি মুই হাফাইয়া উটলাম। যাক বালা ল্যাকছেন।
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: ভোরের আলোকে অনেক ধন্যবাদ।

১২. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
মুকুল বলেছেন: আপনার কি ধারণা না পইড়াই প্লাস দিছি!!! আমি পুরাটাই পড়ছি। :(
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: হাহাহহাহ..........মুকুলভাই ধইন্যাপাতা। বড় লেখা তো, তাই একটু সন্দেশ খাইছিলাম!! হাহাহা......

১৩. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনার লেখায় কিছু আলোচনা সমালোচনা একমত দ্বিমত ছিল,কিন্তু মাইনুল হালারে কোন পোস্টে পাকনামি করতে দেখলে সেইখানে আর কিসু কইতে ইচ্ছা করে না,এইটারে ভাই কইষা একটা লাথি দিয়া ভাগানি যায় না?:(
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: ফারহান দাউদ, কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

মাইনুলরে ব্লক করিনা কারণ সে গালি দেয়নাই। গালি না দিলে ব্যান করিনা আমি। ব্লক করাটা আমার কাছে নিজেরই দূর্বলতা মনে হয়।

"I may disagree with what you have to say, but I shall defend to the death your right to say it." ভলতেয়ারের এই উক্তিটা আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি।

১৪. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
বৈকুনঠ বলেছেন: @মাইনুল জামাতের ধোপাগিরি ছাড়েন

আইসা উপস্থিত সাবানসোডা লইয়া
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা.........তার কাছে জামাতই ধ্যানজ্ঞান।

১৫. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫১
মৈথুনানন্দ বলেছেন: পৃথিবীর সবাই যদি তোমার মতো করে বুঝতো...
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: মৈথু, অনেক ধন্যবাদ ভ্রাত।

১৬. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
সবাক বলেছেন: পইরা বুইঝা আপনার নিক সবাক আপনারে প্লাসাইলো।

ওস্তাদ জটিল হইসে...............
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহা..........আমার নিক সবাক কিন্তু জটিলসসস কাজ করতেছে।

১৭. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৪
নাজিম উদদীন বলেছেন: ইসলাম ডুবে যাচ্ছে।

একে বাঁচানোর জন্যে আমাদের সবাইকে সাঁতার শিখতে হবে।
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: হাহাহা..........

১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক।

১৯. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৭
মাইনুল বলেছেন: দাউদ হায়দার একটা কবিতা লেখছিল ১৯৭৪ বা ৭৫ সালে সেখানে সে মহানবী (সাঃ) কে বদমাশ বলে গালি দেয় সেজন্য ততকালীন সময়ের সাধারন মুসলিমরাই তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করায় , বংগবন্ধু তারে বিদেশে পাঠাইয়া দেন। আর আপনি যেটা কোট করছেন সেইটা সে গতবছরের সাপ্তাহিক ২০০০ ঈদসংখ্যায় লিখছে। পরে সাপ্তাহিক ২০০০ অথরিটি ঐ সংখ্যাটি বাজেয়াপ্ত করে বাজার থেকে তুলে নেয়।
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: দাউদ হায়দারের সেই লেখাটার লিংক দেন।


২০০০ এর সংখ্যাটা সরকার জোর করে বাজেয়াপ্ত করিয়েছে। জামাতি মইন কাজটা করিয়েছিল।

২০. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

অতিব উত্তম হয়েছে । জাঝাকাল্লাহু খায়রান ।
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আরাশি বদ্দারে ধইন্যাপাতা।

২১. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
বহুরূপী মহাজন বলেছেন: এত বড় লেখা এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম। তোমাকে বাহবা দিয়ে খাটো করবো না। তবে তুমি দেশটাকে নিয়ে বড় বেশি আশা কর, আমি আর এতটা আশা করি না। এদেশের মানুষ কবে ঠিক পথে আসবে, ঠিক ভাবে বুঝতে-সিদ্ধান্ত নিতে শিখবে তা জানি না। এখানে সবাই মানুষের পূজা করে, এর মেয়ে ওর বৌ, তার পুত্র আর ইসলামের ব্যবসা। এই আমাদের কপাল!! তবে তোমার লেখায় অসংখ্য +।

আরেকটা মজার ব্যাপার হইলো, তোমার মত আমার লেখায়ও পোষ্ট দেওয়ার একটু পরেই দুইটা মাইনাস পড়ে। মগবাজার থেকা মনে হয় এখন দুইটারে সার্ভিসে রাখসে;)
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: তন্ময়, আশা নিয়েই বেঁচে আছি ভাই। হাহহা.......আমার বিশ্বাস একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ, তুমি দেখ আমরাই ঠিক করব ইনশাআল্লাহ।


দুইটা মাইনাস আমার পোস্টে রিজার্ভ। পোস্টের সংগে সংগেই মাইনাস ২!! হাহাহহা......

২২. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
@ মাইনুল

সাপ্তাহিক ২০০০কর্তৃপক্ষ তাদের কপি বাজার থেকে তুলে নেবার কাজটা স্বেচ্ছায় করেন নাই । তাদেরকে করানো হয়েছিল । বলপ্রয়োগে কাজটা করিয়েছে এই সরকার ।
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: একমত বদ্দা, অনেক ধন্যবাদ তোমাকে।

২৩. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৬
মাইনুল বলেছেন: যেকারনেই হোক ঐ সংখ্যাটি তারা তুলে নেয়। কিন্ত এই ধরনের লেখা কি ছাপানো উচিত বাংলাদেশের মত একটা মুসলিম দেশে ? এই ধরনের লেখাতো অহেতুক উত্তেজনা ছড়ায়।
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: লেখাটাতে ইসলাম বিরোধী কিছু ছিলনা।


মওদুদীর লেখাটা নিয়ে কি বলবে? সেটা ইসলামের অবমাননা হয়েছে?

২৪. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৮
মাইনুল বলেছেন: অনেক সময় কিছু মহল ডাকাতি বা ছিনতাই এর কারেনেও কোন সংখ্যালঘু ভিক্টিম (যেটা মুসলিম হিন্দু সবার হতে পারে) হলে তাকে ও সাম্প্রদায়ীক আক্রমন বলে চালাতে চায়। এই মহল টি ওয়েব সাইট খুলে বা বিদেশের মাটিতে নানান সংগঠন করে বাংলাদেশের ইমেজ ধংসের চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এরা দেশের শত্রু । বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। এইখানে হিন্দু , মুসলিম, বুড্ডিস্ট সবাই যুগ যুগ ধরে শান্তিতে বসবাস করছে।

আর তসলিমা নাসরিন তার 'লজ্জা' বইয়ের মাধ্যমে এই কাজটি ই করেছেন। তিনি এইধরনের ঘটনাগুলিকে সাম্প্রদায়িক আক্রমন বলে লিখে দেশের ইমেজ নস্ট করেছেন।
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: সবাই যুগ যুগ ধরে শান্তিতে বসবাস করছে। তারপর জামাত প্রতিষ্ঠিত হল, তারপরে শান্তিও বিদায় নিল।


মওদুদীর কথাটা সম্পর্কে কিছু বল।

২৫. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৭
মশহ বলেছেন: তাসলিমা নামা ভাল লাগলো না। তবে আপনার পোস্ট ভাল logical.
১৯৯০ এর ঘটনা এরশাদ নিজের পুটকি বাচানের জন্য করে ছিল ।
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তখন এরশাদ ক্ষমতায় ছিলনা।

২৬. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩১
মশহ বলেছেন: তাইলে আপনে কন ক্যডা ছিল
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: সেটা তো পোস্টেই আছে। জামাত।

১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: Every true patriotic person is TRUELY anti-jamat. Every person who loves Islam should be anti-jamat. That's not a big-deal.

২৮. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৪৭
মনুমনু বলেছেন: লজিকাল পোস্ট।

চুতিয়া জামাইচ্চা.......

( এর চেয়ে ভাল গালি ছিল.....)
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক।

২৯. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৫১
কানু বলেছেন: গুরু আপনেরে কদমবুচি।
বৈকুনঠ বলেছেন: এই পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ করছি।
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কানু।

৩০. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৪২
হনলুলু বলেছেন: জটিল লেখা লিখছ হ্যারি ভাই। প্রকাশভঙ্গি ও বিশ্লেষন দুইটাই চমৎকার হৈছে।

মানুষ কতোটা নির্লজ্জ , বেহায়া আর বদমাইশ হৈতে পারে তা জামাতি ছাগলগুলারে দেখলে বুঝা যায়। নিজেদের কৃতকর্ম নিয়া ওদের তো লজ্জা নাইই .........বরং চোখে আংগুল দিয়া দেখাইয়া দিলে উল্টা চিৎকার চেচামেচি করে ।............... মাইনুল ছাগলটার মাথায় ঘিলুর পরিমান নিয়া আমার সন্দেহ আছে ..........



আর পোস্ট সোজা সোকেসে ..........
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: মাইনুল দিনে যতবার জামাত জামাত করে ততবার আল্লাহ আল্লাহ করলে অনেক লাভ হত বেচারার।

তোমারে ধন্যবাদ হনলুলু।

১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: পেলাসে উপর পেলাসডা কি জিনিস মানু?

১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: আশবাফ, অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।

১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: ধইন্যাপাতা।

১৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩৫. ১৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০২
নেমেসিস বলেছেন: এই দেশে দাউদ হায়দারদের এমন করেই ভুল বোঝানো হয়েছে এবং হবে ।


২২+
১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: নেমেসিস, অনেক ধন্যবাদ।

৩৬. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:০৬
পলটু বলেছেন: জটিল লেখা হইছে। ভালবাসার সহিত যোগান হইল । এইরকম চলুক।

@মাইনুল, ৩১২ নং পৃষ্ঠা খুইজা পাইতাছ না

ইসলামের অবমাননা হয় তখন যখন “কোরান হেদায়েতের জন্য যথেষ্ট, কিন্তু নাজাত বা মুক্তির জন্য নয়”- এই মারাত্মক কথা মওদুদী বলে ‘তাফহিমাত’ গ্রন্থের ৩১২ পৃষ্ঠায়।
১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, পল্টু।

৩৭. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৫৩
সক্রেটিস বলেছেন: সহমত। ইসলাম এত নাজুক না, তাই কেউ কোন মন্তব্য/কটাক্ষ করলেই অবমানন হয় না।

বুঝি না কেউ ইসলাম নিয়া কিচু বললে হেরে কেন বৈদেশে রপ্তানী্র লাইগা তোড়জোড় শুরু করে গবর্মেন্ট।

আর কিচু হইলেই আমাগো হুযুর শ্রেনী পাগড়ী বাইন্ধা নেমে পরে। কিন্তু এসব ছাড়াও যে সমাজে আরও অনাচার ও অসংগতি আছে সেসব নিয়া তাহারা নিশ্চুপ।

সবই পলিটিক্স।
১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: সক্রেটিসকে ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্টের জন্য।

৩৮. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:০৩
নতুন বলেছেন: ২৫+ :)

"শেষ জমানায় কিছু প্রতারক সৃষ্টি হবে। তারা ধর্মের নামে দুনিয়া শিকার করবে। তারা মানুষের নিকট নিজেদের সাধুতা প্রকাশ ও মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য ভেড়ার চামড়ার পোষাক পড়বে (মানুষের কল্যাণকারী সাজবে)। তাদের রসনা হবে চিনির চেয়ে মিষ্টি। কিন্তু তাদের হৃদয় হবে নেকড়ের হৃদয়ের মতো হিংস্র। (তিরমিজী)"

এটা সবার মনে রাখতে হবে :)
১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: নতুনকে অনেক ধন্যবাদ।

৩৯. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২১
যীশূ বলেছেন: দারুন গোছানো লেখা! প্লাস না দিয়া যাই কই!
১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০১

লেখক বলেছেন: যীশুকে ধন্যবাদ।

৪০. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:২৩
বৃত্তবন্দী বলেছেন: প্রথমদিকে অতটা ভালো লাগেনাই কিন্তু যখন শেষ করলাম তখন খারাপ লাগা কিছুই পেলাম না।
২৭ তম +
১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক।

৪১. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:২৯
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: হ্যারি ভাই,
আপনি যেভাবে ইসলাম নিয়ে গবেষনা করছেন - মওদুদীর বই পড়ে তাথেকে ভুল খুজে বের করছেন তা সত্যিই প্রশংসাযোগ্য। আমি আপনার সত্যিকার ইসলাম প্রীতিকে সমর্থন করি। জামাতকে প্রতিহত করার এটা একটা বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে - শুধুমাত্র সমালোচনা দিয়ে কোন সংঘবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তিকে প্রতিহত করা যায় না। একটি সংঘবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তিকে শুধুমাত্র আর একটি তার চেয়েও শক্তিশালী তার চেয়েও যৌক্তিক কোন রাজনৈতিক শক্তিই প্রতিহত করতে পারে। আপনি যেহেতু ইসলামের বিষয়ে এবং বাংলাদেশের রাজনীতির ব্যাপারে অনেক কিছু জানেন সেহেতু আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি - জামাতকে প্রতিহত করারমত সাংগঠনিক শক্তিসহ ইসলামের সঠিক অনুসারী কোন দল কি বাংলাদেশে আছে? যদি থাকে তাহলে আমাদের সবার উচিত সেই দলের পক্ষে কাজ করা - নিজেরা সঠিক ইসলাম জেনে এবং বাস্তব জীবনে অনুসরন করে তারপর ইসলামের সঠিক ব্যখ্যা মানুষের কাছে পৌছে দেয়া। এ'ব্যাপারে কোরআনের সুস্পস্ট নির্দেশনা আছে "তোমরা এমন কথা কেন বল যা নিজেরা কর না? তোমরা যা করনা তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক" - সুরা আস-ছফ আয়াত ২,৩। কারণ বলা যত সহজ করা ততই কঠিন।

সম্ভবত আমরা তা পারছি না। এ'করণেই আপনার এইসব প্রচারনা অক্ষমের আহাজারী হয়েই থাকছে - আর জামাতের অগ্রগতিও হচ্ছে অপ্রতিরোদ্ধ গতিতে। জামাত কাজ করছে বাস্তবসম্মত উপায়ে আর আমরা ব্লগে লিখেই বা ব্লগে জামাতকে গালি দিয়েই ভাবছি বিরাট কাজ করা হয়েগেছে।

এই ব্লগের কিছু ব্লগার যারা এমনিতেই জামাত বিরোধী তারা আপনাকে সমর্থন এবং উৎসাহ দিচ্ছে শূধুমাত্র এই কারণে যে আপনি জামাতের বিরুদ্ধে বলছেন - এ'কারনে নয় যে তারা সত্যিকারের ইসলামের অনুসরণ করতে চাচ্ছে। এরা মুলত আপনার বক্তব্যকে ইসলামের বিরুদ্ধেই ব্যাবহার করতে চায়। আজকে আপনি সত্যিকারের ইসলাম অনুসারী একটা দলের প্রতি এ'দের আহ্বান জানান - পুর্ণ মুসলমান হতে বলুন - দেখবেন তাদের অধিকাংশই আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে - এবং এরাই তখন আপনাকে মৌলবাদী সাম্প্রদায়ীক ইত্যাদি ভুষনে ভুষিত করবে। সুতরাং আপনি যদি সত্যি সত্যি ইসলাম দরদী হয়ে থাকেন তাহলে কথাবর্তায় আরো সাবধান হবেন যাতে জামাত বিরোধিতা করতে গিয়ে এমন কথা না বলেবসেন যা ইসলামকেই খাট করে। আশা করি আপনি আমার পয়েন্টা বুঝতে পারবেন। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন - আমিন।
১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: আপনি আবার এই নিক নিলেন ক্যালা??? ফাউন্ডেশান পড়ছেননি??

৪৪. ১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:১১
মেয়র স্যালভর হার্ডিন বলেছেন: পড়িনাই মানে? তবে প্রথম টা।বাকি দুইটি পড়া হয় নাই।পাওয়াও হয় নাই।আছে নাকি আপনার নিকট?
১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: দেশে থাকতে পড়েছিলাম। সেজন্যই তো হ্যারি সেলডন নিক। সফট কপি তো নাই ভাইজান। আমি অবশ্য এম্পায়ার আর ফাউন্ডেশান দুইটাই পড়েছি। আই, রোবট পড়েছেন?

৪৫. ১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:২৩
মেয়র স্যালভর হার্ডিন বলেছেন: আই, রোবট মুভি দেখেছি।আমি আসলে সেবা থেকে ফাউন্ডেশনটা বের হয়েছিলো সেটা পড়েছি।
১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: অ আচ্ছা। আমি অরিজিনালগুলোই পড়েছিলাম। আই, রোবট মুভি দেখেছি উইল স্মিথের। মুভিটা আমার বইয়ের মত ভাল লাগেনি।

আপনাকে্ অনে্ক ধন্যবাদ।

৪৬. ১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪২
আশালতা বলেছেন: ভালো লেখার জন্য লেখককে ধন্যবাদ। এটাকে কী স্টিকি করা যায় না।
আর একটা কথা, জামাতিদের চেয়েও আরেকটি বড় কট্টর মৌলবাদী শক্তির উত্থান ঘটছে, যারা ধর্ম গেছে বলে বলে, রাজনীতিতে স্থান করে নিতে চেষ্টা করছে, এই গোষ্ঠীটি হচ্ছে হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশ। এরা আমাদের ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাল ছাত্র-ছাত্রীদের টার্গেট করে কাজ করছে। এরা আরও বিভিন্ন নামে তৎপর। আরও তিনটি নাম হচ্ছে ছাত্র মুক্তি, মুসলিম প্রফেশনালস ও নীতি গবেষনা কেন্দ্র (এনজিও)। এই গোষ্ঠী থেকে সাবধান হতে হবে।
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: হিজবুত তাহরীর ব্যাপারে একমত। আমিও দেখেছি এদের উগ্রতা কিছুটা। এখন মনে হয় আরো বেড়েছে। অন্য দুটা সম্পর্কে জানিনা।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য।

৪৭. ১৬ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
আসম বলেছেন: ধন্যবাদ হ্যারি, আপনার স্বভাবসুলভ গঠনমূলক আরেকটি পোস্টের জন্য। তবে একটু কি তাড়াতাড়ি লিখেছেন বা অন্যমনস্ক বা কোন কারনে চিন্তিত? আপনার পূর্বের দু'টা পোস্টে (যখন পড়বে না .... এবং সব নদী ....) শানে-নূযুল বা ফলাফল কিছুই জানাননি। আমার শুন্য ব্লগে আপনার জন্য একটি মন্তব্য আছে, সময় পেলে দেখবেন। ভালো থাকুন।
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: আসম, আপনাকে কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার কমেন্টটা মিস করে গেছি। সময়টা এখন একটু টালমাটাল যাচ্ছে ভাই। আবারও ধন্যবাদ।

৪৮. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:১৯
কোন একজন বলেছেন: অসাধারণ লিখছেন...

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
"তোমরা এমন কথা কেন বল যা নিজেরা কর না? তোমরা যা করনা তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক" - সুরা আস-ছফ আয়াত ২,৩। কারণ বলা যত সহজ করা ততই কঠিন।

...ভাই আজকে কেউ বলেন দেখেই কালকে সেটা কেউ করে।অপেক্ষা করেন।ইনশাল্লাহ করার মত মানুষও আসবে।

হ্যারি সাহেব...আগের দুই পোষ্টের হতাশা ঝেড়ে ফেলেন।" Miles to go before u sleep...." মনে আছে?সব ঠিক হয়ে যাবে।ইনশাল্লাহ।ভালো থাকবেন।খুব ভালো।
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: কোন একজনকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ। হ্যাঁ মনে আছে। হ্যাঁ সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

৪৯. ১৮ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:০২
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
সরি এত ভাল লেখাটা অনেক পরে পড়লাম।
+
১৮ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৪১

লেখক বলেছেন: মাথু, আছ কেমন? তোমারে তো ব্লগে দেখিনা তেমন।

৫০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
নীরর বলেছেন: চমৎকার লেখাটির জন্য অনেক ধন্যবাদ
৫১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৫
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: অসাধারণ বিশ্লেষন/পর্যবেক্ষন.........মজার ব্যাপার কি জানেন? লেখাটা না পড়েই প্রিয় তে রেখে দিয়েছিলাম......পরে পড়ার পর দেখলাম আর মুছতে হবে না......হেঃ হেঃ হেঃ......আল্লাহ্‌ আপনার মঙ্গল করুক এবং সঠিক ইসলামকে বুঝতে ও অপরকে বোঝাতে সাহায্য করুক......আমিন......

ধন্যবাদ আপনাকে.........
৫২. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
কুম্ভকর্ণ বলেছেন: এই পোস্টে ১টা কমেন্টের জন্য ১০০ হচ্ছিলনা। ১০০ করে দিলাম। যা বেটা!
৫৩. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৪
মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন রেজা নাদিম বলেছেন: আমি একদিন আমার এক বন্ধুর সাথে আড্ডা দিতে গিয়ে জামাত সংক্রান্ত তর্কে পড়ে গিয়েছিলাম। ঐ বেচারার বাপ জামাত, তাই অয় ও জামাত। জানেন ই তো জামাত ভক্তদের মতে , ' বিচার মানি কিন্তু তালগাছ আমার"। অবশেষে তর্কের এক পর্যায়ে আছরের আযান শুরু হয়। আমি বললাম ," চল নামায পড়ে আসি"। ও বলল ," বাসায় ফিরতে দেরী হয়ে যাবে"। আমি বললাম, " শুধু শুধু জামাত করে লাভ কী, নরমাল নামায পড়তেই এত কষ্ট?"

বি. দ্র. আমি ওকে শুনানোর জন্য নামাযের কথা বলি নাই। আমি আসলেই পড়ি, কেননা আমি জেনে শুনে মুসলিম।


আগে মুসলমান গুলোকে মুসলমান করা জরুরী।+


৫৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪১
জনৈক আরাফাত বলেছেন: দারুন লিখেছেন্ তো ভাই!
৫৭. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১১
অনির্বান বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন +++
৫৯. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৯
নাহিন বলেছেন: জটিল পর্যবেক্ষণ।
আরাফাত ভাইয়ের পোস্টে লিংক ধরে এসেছিলাম।
পড়ে মনটাই ভালো হয়ে গেলো :)
৬০. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
লড়াকু বলেছেন: 21 তম ব্লগার হিসেবে পোস্টটা প্রিয়তে নিলাম।
৬১. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
ইউনিকম বলেছেন: এই পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ করছি।
৬৪. ২১ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:০৬
সিকদার বলেছেন: আপনি মুসলমান তবে তসলিমা নাসরিন ও দাউদ হায়দারের মত।আপনার লেখা পড়ে যা বুঝলাম তাতে বোঝা যায় আপনি ইসলাম সম্মন্ধে কম জানেন।কান কথায় নাচেন।আমি বলছি না জামাত ইসলাম খাটি ইসলামি দল।কিন্ত যেই হোক তার সম্মন্ধে না জেনে বলা উচিৎ নয়।আপনার লেখা তিরমিজি সেই হাদিসটার মতই আপনার চরিত্র।
তাই বলব আগে ইসলাম ধর্মকে পরিপূর্ন ভাবে জানুন তারপর ধর্ম সম্মন্ধে লিখূন।মনে রাখবেন ইসলাম ধর্ম পরিপূর্ণ ধর্ম।যেখানে গর্ভ হতে কবর পর্যন্ত পরিপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেওয়া আছে।অল্প বিদ্যা নি্যে কোন ধর্ম সম্মন্ধে আলোচনা করবেন না।
৬৫. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৩
বিসাম বলেছেন: দুবাই টিভি নামের এক দুবাই চ্যানেল বর্তমানে টিভি চ্যানেলে সম্প্রচারিত হচ্ছে। এই চ্যানেল এর সবকিছুই আরবীতে। কথা-বার্তা, লেখাও ওঠে আরবিতে। আশ্চর্যের বিষয় যে সকল নারী উপস্থাপিকাগণ এই চ্যানেলে উপস্থাপনা করেন তারা বেশ কড়া মেক-আপ করেন, নানা ঢঙের নানা রঙের বোরকার ফ্যাশন শো প্রদর্শিত হয়, তারা লিপস্টিক দেন, পুরো মুখমন্ডল প্রদর্শন করেন। এতে কী আরবি ভাষা তথা ইসলামের অবমাননা হচ্ছে না ? ইসলামে তো নারীদের শালীনতা বজায় রেখে চলার কথা বলা হয়েছে। চ্যানেলটায় আরবি না থাকলে বলতে পারতাম, থাক, শখ তো সবারই আছে। কিন্তু বাংলাদেশি কোনো মেয়ের এত দুঃসাহস আছে কি-না সন্দেহ যে, আরবি বলার পাশাপাশি... ! জামাতিদের উচিত এই চ্যানেলটা দেখা।

>তাদের ভাষা আরবী তারা কথা কী বাংলায় বলবে? আরবীতে খারাপ কিছু বললে ইসলামের অবমাননা হয় এমন বোকা মার্কা কথা পাইলেন কই।
৬৬. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬
বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন: ভাল লাগল, তবে তসলীমারটা মানতে পারলামন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৭৪৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কেন তুমি তরকারী বঁটি দিয়ে কুটবে
কেন তুমি দশটায় অফিসেতে ছুটবে
কেন তুমি ডালে দেবে আটখানা লংকাই
সব্বাই করে বলে সব্বাই করে তাই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই