আমার প্রিয় পোস্ট

বাবা মায়ের রক্ত একই গ্রুপের পজেটিভ নেগেটিভ হলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া হবে?

৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০০

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমার ভাই-এর এ পজেটিভ, ভাবির এ নেগেটিভ। এক্ষেত্রে তাদের নাকি ডাক্তার বলেছেন যে, তাদের অনাগত সন্তানটি বিকলাঙ্গ অথবা থ্যালাসেমিয়া রোগী হতে পারে। এটি তাদের প্রথম সন্তান। আগামী ১৫ আগস্ট ২০০৮ গাইনী ডাক্তার তাদের ডেলিভারির তারিখ দিয়েছে।

আপনাদের কারো এবিষয়ে কোন পরামর্শ থাকলে জানলে খুব উপকৃত হবো।

এবং রক্তের এ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): চিকিৎসা ;

 

  • ২৫ টি মন্তব্য
  • ৪৮৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮
comment by: টাকাআনাপাই বলেছেন: স্বামী-স্ত্রীর একই গ্রুপ অর্থাৎ একজনের এ+ অন্য জনের বি+ কোন সমস্যা নয়। তবে একজনের এ+ অন্য জনের বি -নেগেভিট হলে সেক্ষেত্রে বিকলাঙ্গ হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই বিয়ের পুর্বে রক্তের গ্রুপ জেনে নেওয়া উচিত।
২. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
comment by: হোমিওপ্যাথ বলেছেন: আমি যেটা জেনেছি সেটা হলো : বাবা এ (+) পজেটিভ, মা এ (-) নেগেটিভ হলে, অথবা বাবা বি (+) পজেটিভ, মা (-) হলে সমস্যাটা হয়।
কিন্তু, আপনার কথা অনুযায়ী আমি কনফিউজড হয়ে যাচ্ছি।
৩. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
টাকাআনাপাই, কোন রেফারেন্স?
শোনা কথা হলে, ব্যাপারটা ভুলে যান।
৪. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৪
comment by: একা পথচারী বলেছেন: ডাক্তার কেউ নাই? রক্ত বিশেষজ্ঞ? আওযাজ দেন!!
৫. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫
comment by: প্রিয়জন বলেছেন: বিশেজ্ঞদের স্বাগতম।
৬. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫
comment by: প্রিয়জন বলেছেন: বিশেষজ্ঞদের স্বাগতম।
৭. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪১
comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:

দুজন থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার বাবা-মা হলে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা চার ভাগের এক ভাগ।
আমি যতদূর জানি, ব্লাড গ্রুপের সাথে সম্পর্ক নেই ব্যাপারটার। এই তথ্য যে কোন ব্লাড গ্রুপের জন্যেই প্রযোজ্য।
তবে নিকটাত্মীয় হলে অন্য ব্যাপার।


থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার : থ্যালাসেমিয়ার জন্যে দায়ী জোড়া জিনের একটা অংশ থ্যালাসেমিয়া জিন, আরেক্টা অংশ স্বাভাবিক এরকম কেউ। এদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে রোগটা প্রকাশ পায় না। এটা আপনিও হতে পারেন, আমিও হতে পারি। সারাজীবনটা জিনটাকে বয়ে বেড়ালেও অসুখের উপসর্গ দেখা দেবার সম্ভাবনা নেই।

(আমি ডাক্তার না! অন্য কেউ জানলে আমার কমেন্ট ফেলে দিন)
৮. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২
comment by: হোমিওপ্যাথ বলেছেন: যে যেখানে দাঁড়িয়ে, হাত দুটো দাও বাড়িয়ে...
৯. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৮
comment by: সক্রেটিস বলেছেন: হমমম... ভাবনার কারন রয়েছে।
স্বামী-স্ত্রী দুজনের Rh (রেসাস) ফ্যাকটর নেগেটিভ বা দুজনের পজেটিভ হলে,
বা স্বামীর Rh নেগেটিভ আর স্ত্রী’র পজেটিভ হলে সমস্যা হয় না সাধারনত।
কিন্তু স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ Rh নেগেটিভ আর স্বামীর পজেটিভ হইলে চিন্তার কারন আছে।
৩০ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: দরকারি কথা। ধন্যবাদ।

১০. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: শিশুরা যখন মায়ের গর্ভে থাকে তখন রক্তের হিমোগ্লবিনকে বলে হিমোগ্লবিন এফ (HBF)। জন্মের পরে তা পরিনত হিমোগ্লবিনে পরিনত হয়।

থেলাসেমিয়াতে HBF পরিনত হিমোগ্লোবিনে রুপান্তরিত হয় না। ফলে তা ১২০ দিনের আগেই ভেঙে যায়। ১২০ হলো পরিনত হিমোগ্লবিনের লাইফ সাইকেল।

থেলাসেমিয়া ২ রকমের। মাইনর ও মেজর।

মাইনরে ২৫% হিমোগ্লবিন HBF থাকে। ফলে মাইনর প্যাশেন্ট স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে।
মেজরে ৭৫% এর বেশী HBF থাকে। ফলে হিমোগ্লোবিন নির্দিস্ট সময়ের আগেই ভেঙে যায় এবং রোগী অস্বাভাবিক রক্ত শুন্যতায় ভুগতে থাকে।

যদি বাবা ও মার দুজনেরই থেলেসেমিয়া মাইনর থাকে তাহলে বাচ্চা মেজর হবে।
এক্ষেত্রে রক্তের গ্রুপের কোনো সম্পর্ক নাই। বিকলাংগ হবারও কোনো সম্ভাবনা নাই।

থেলাসেমিয়া রক্তের গ্রুপের কোনো সমস্যা নয়, বোন মেরুর সমস্যা যা হলো হিমোগ্লোবিনের কারখানা।

যদি বাবা পজেটিভ ও মা নেগেটিভ রক্তের (একই গ্রুপের) হয় এবং বাচ্চা পজেটিভ হয় তাহলে ২য় বাচ্চার ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা হতে পারে।
কিন্তু, এখন মাকে এন্টিডি ভ্যাকসিন দেয়া হয়, তাই ২য় বাচ্চার ক্ষেত্রেও জটিলতার সম্ভাবনা ০%। ১ম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনোই সমস্যা নাই।
আর যদি বাচ্চা নেগেটিভ হয় তবে কোনোই সমস্যাই নাই।

বাবা নেগেটিভ, মা পজেটিভ হয় এবং বাচ্চার নেগেটিভ হয় তবে বাচ্চাকে এন্টিডি দেয়া হয়।

বাবা নেগেটিভ, মা পজেটিভ এবং বাচ্চাও পজেটিভ; তবে কোনোই সমস্যা নাই।

বাবা ও মায়ের রক্তের গ্রুপ এক এবং আর এইচ ফেক্টর (পজেটিভ/নেগেটিভ) একই হলে কোনো সমস্যা হয় না বাচ্চার ক্ষেত্রে।

ডাক্তারের সাথে পরামর্শ অবশ্যই করতে হবে এবং তা আশু।
৩০ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: বিস্তারিত আলাপের জন্য ধন্যবাদ।

১১. ৩০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩
comment by: সক্রেটিস বলেছেন: তবে গর্ভস্থ সন্তানের Rh পজেটিভ হলে মা ও শিশুর দুজনেরি বিপদের সম্ভাবনা আছে। তাই পরিক্ষা করে দেখতে হবে শিশুর ও পজেটিভ কিনা। এটা কএতে হবে শিশু জন্মের ৭২ ঘন্টার মদ্ধ্যে। আর শিশুর রক্ত পড়িক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া, হিমোফিলিয়া রোগ সম্প্অর্কে জানা সম্ভব।
এখনি আতঙ্কের কিছু নাই।
৩০ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মন্তব্যের জন্য।

১২. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৭
comment by: সেকেতুরে বলেছেন: আমার বড় ভাইয়েরও এই সমস্যা হয়েছিলো।প্রথম দুটি সন্তান অস্বাভাবিক হয়েছিলো। এগুলো বেঁচে নাই। তয় ৩য় সন্তান টি আপনাদের দোয়ায় ভালো আছে। ভালো একজন ডাক্তারের পরামর্শে চলতে বলুন। দোয়া রইলো।
১৩. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫
comment by: নাভদ বলেছেন:
মাহবুব সুমনের ব্যখ্যাটি ভালো লাগল। বিয়ে যখন পারিবারিক ভাবে হয় তখন ছেলে-মেয়ের রক্তের রিপোর্ট চেক করে নেয়ার সিস্টেম গড়ে তোলা গেলে বোধহয় ভালো হত। তাহলে ভবিষ্যতের অনেক ঝামেলা থেকে অনেকেই মুক্ত থাকতে পারতেন।

আর পোস্টদাতার পরিবারের জন্য শুভকামনা রইল।

১৪. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
comment by: হোমিওপ্যাথ বলেছেন: আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমার ভাই-ভাবি এবং তাদের অনাগত সন্তানের জন্য দোয়া করবেন।

সবাই ভালো থাকবেন।
১৫. ৩০ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪
comment by: জাহান৮২ বলেছেন: আসলে রোগটি থ্যালাসেমিয়া নয়,এর নাম ইরাইথ্রোব্লাস্টোসিস ফিটালিস।
Rh negetive মায়ের গর্ভস্থ সন্তান যদি Rh পজিটিভ হয়,তবে মায়ের রক্তকনিকা, সন্তানের পজিটিভ রক্ত কনিকা কে foreign substance হিসেবে গ্রহন করে,এবং এর বিপরীতে antibody তৈরী করে।এই antibody, placental circulation এর মাধ্যমে যখন আবার সন্তানের শরিরে প্রবেশ করে,তখন fetal red cell গুলোকে ধংস করে দেয়।

সাধারনত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে তেমন সমস্যা হয় না,কিন্তু পরবর্তি ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্ক থাকতে হয়।

এটা প্রায় সম্পূর্ন ভাবেই একটি preventable disease.

আপনার সমস্যা টির ক্ষেত্রে (বাবা Rh পজিটিভ হলে ) মাকে RhoGAM ইঞ্জেকশন প্রেগন্যান্সির মাঝামাঝিতে একটি এবং ডেলিভারির দুএক দিনের মধ্যে আরো একটি দিতে হবে।
১৬. ৩০ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪২
comment by: প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: অনেক info জানলাম, ধন্যবাদ সবাইকে.
১৭. ৩০ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: জেবীনকে যে সব ব্যাপারে সতর্ক হতে বলেছি সেগুলি আপনি জানুন ও অন্যকে জানান

আরো জানতে :

http://en.wikipedia.org/wiki/Thalasemia

Click This Link

Click This Link

আপনার কন্স্যাল্টেন ডক্কে জিজ্ঞেশ করতে ভুলবেন না যে ইঞ্জেকশ্নটির কথা বলেছিলাম জেবীনকে
০১ লা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: জেবীনের পোস্টটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ বাকি লিংকগুলোর জন্যও।

১৮. ৩০ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৫১
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: এইগুলা আজকাল তেমন একটা ব্যাপারই না। এই সমস্যার সমাধান এখন আমাদের দেশেই সম্ভব। চিন্তার কিছুই নেই।
১৯. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
comment by: সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
বিষয়টা আসলেই ভাবনার ।

প্রেম করার আগেও ব্লাড গ্রুপ জানা দরকার ।
০৩ রা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: হুমম...

২০. ১৪ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:০৩
comment by: মুহিব বলেছেন: এই বিষয়ে আরও জানতে চাই

 



 


অর্বাচীন
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২০৭৮