আমার প্রিয় পোস্ট

মহাবিশ্বের শেষ সীমানা কোথায়? আদৌ কি আছে?

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৮

শেয়ারঃ
0 0 0

আমাদের সবার মনের কোণায়ই কখনও না কখনও একটা প্রশ্ন উকিঝুঁকি মেরেছে যেটা হলো, আমরা যদি কখনও মহাবিশ্বের শেষ প্রান্তে পৌছাতে পারি তাহলে কি হবে? খাদের কিনারায় দাড়িয়ে যেভাবে আমরা মাথা ঝুকিয়ে নিচে কি আছে দেখার চেষ্টা করি সেভাবে যদি মাথা ঝুকিয়ে দাড়াই তাহলে আমাদের মাথাটা কোথায় থাকবে? তখন তো মাথাটা আর মহাবিশ্বের সীমানার মধ্যে নেই? আমরা কি খুঁজে পাবো মহাবিশ্ব ছাড়িয়ে?

উত্তরটা কিন্তু খুবই হতাশাজনক কারণ আমরা কখনই মহাবিশ্বের শেষ প্রান্তে পৌছাতে পারব না। এর কারনটা কিন্তু এই না যে যেতে খুব বেশি সময় লাগবে, যদিও কথাটা সত্যি, কিন্তু আসল কারনটা হলো আমরা যদি মহাবিশ্বের বাইরের দিকে একটা সরলরেখা ধরে ক্রমাগত, বিরামহীণ ভাবে অনন্তকাল ধরে যেতেই থাকি তারপরও আমাদের পক্ষে কখনই মহাবিশ্বের শেষ সীমানায় পৌছানো সম্ভব হবে না। বরং আমরা যে জায়গা থেকে শুরু করেছিলাম সেখানেই আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে। আর ততক্ষণে হয়ত আমাদের আরেকবার চেষ্টা করার উৎসাহ আর থাকবে না।

কেন পৌছাতে পারব না? কারন হলো আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার সুত্রের সাথে সামন্জস্য রেখে স্পেসটা অদ্ভুত ভাবে বাঁকানো বা মোচড়ানো। যেটা আমাদের পক্ষে সঠিকভাবে কল্পনা করা সম্ভব না। সহজ করে বলা যায় মহাবিশ্বটা বিশাল এবং নিরন্তর প্রসারিত হচ্ছে এমন কোনো বুদবুদের ভিতরে ভেসে বেড়াচ্ছে না। আমরা যখন বলি যে স্পেস প্রসারিত হচ্ছে আসলে সেটা ভুল। বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্টিভেন ওয়াইনবার্গের ভাষায়, " সৌর জগৎ বা তারকালোক গুলো প্রসারিত হচ্ছে না এবং স্পেস নিজেও প্রসারিত হচ্ছে না বরং তারকালোকগুলো (গ্যালাক্সি) একে অপরের থেকে দুরে সরে যাচ্ছে।" মহাবিশ্বটা একই সাথে বাউন্ডলেস কিন্তু ফাইনাইট। এটা বোধগম্য করা আমদের ইনট্যুইশন বা অন্তর্জ্ঞানের জন্যে একটা বিশাল চ্যালেন্জ। জীববিজ্ঞানী জে.বি.এস হ্যালডেন মজা করে বলেছিলেন, " মহাবিশ্বটা আসলে আমরা যতখানি ভাবি তার থেকেও বেশি অস্বাভাবিক বা যতখানি আমাদের ইমাজিন করার ক্ষমতা আছে তার থেকেও অনেক বেশি অস্বাভাবিক।"

স্পেসের বক্রতার ব্যাপারটা ব্যখ্যার জন্য একটা উদাহরণ ব্যবহার করা যেতে পারে। ধরুন এমন একজন লোক যে কিনা একটা সমতল পৃথিবীতে বাস করে এবং জীবনেও কখনও কোনো গোল জিনিষ দেখেনি। তাকে যদি আমাদের পৃথিবীতে এনে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং সে আমাদের পৃথিবীর শেষ সীমানায় পৌছানোর জন্য হাটা শুরু করে তবে সে কোনোদিনই তা খুঁজে পাবে না। সে হয়ত এক সময় যেখান থেকে শুরু করেছিলো সেখানেই আবার ফিরে আসবে। এই ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে তাকে কিংকর্তব্যবিমূড় করে ফেলবে। সে কিছুতেই বুঝতে পারবে না এটা কিভাবে সম্ভব। আমরাও হচ্ছি আরও উঁচু মাত্রার স্পেসের মধ্যে সেই সমতল-ভূমির হতবুদ্ধি মানুষের মত।

মহাবিশ্বের যেরকম কোনো স্হান নেই যেখানে আমরা দাড়িয়ে বলতে পারব এইটা হচ্ছে এর শেষ সীমা সেরকম কোনো কেন্দ্রও নাই যেখানে দাড়িয়ে আমরা বলতে পারব এইটাই সেই যায়গা যেখান থাকে সব কিছুর শুরু হয়েছিলো বা এটাই মহাবিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু।

আমাদের জন্য মহাবিশ্বটা ততদূর লম্বা যতদূর পর্যন্ত আলো মহাবিশ্ব সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত পৌছাতে পেরেছে। এই দৃশ্যমান বিশ্ব, যেটা সম্পর্কে আমরা জানি বা যেটা নিয়ে কথা বলতে পারি, মিলিয়ন, মিলিয়ন, মিলিয়ন, মিলিয়ন (১,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০) মাইল ব্যাপি বিস্তৃত।এর পরে আরও যা আছে সেটার হিসাব হয়ত সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা যাবে না।




সূত্র: এ শর্ট হিস্ট্রি অব নিয়ারলি এভরিথিং (বিল ব্রাইসন)।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৫

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৯
রিসাত বলেছেন: জটিল পোস্ট শোকেসে;)
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৪

লেখক বলেছেন: ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।

৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২৬
বিডি আইডল বলেছেন:

সাদা ডটটা হচ্ছে পৃথীবি
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫২

লেখক বলেছেন: পৃথিবীর ছবিটা মনে হয় খুব কাছে থেকে তোলা, অনেক বড় দেখাচ্ছে। হা...হা....হা

৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২৭
দূরন্ত বলেছেন: ভাল লাগলো।
শুভেচ্ছা।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা।

৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫১
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: হুমম। আরো একটু পড়তে চাচ্ছিলাম কিন্তু শেষ করে দিলেন।:(
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: দেখি সময় পেলে হয়ত আরো একটু লিখতেও পারি। ধন্যবাদ।

৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫২
রাশেদ বলেছেন: ধুরো! আরো একটু ডিটেইলস লিখতেন। :(
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনারা চাইলে আরও লেখা যেতে পারে। সময়টা একটা বড় ফ্যাক্টর। ধন্যবাদ।

১০. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৮
রাশেদ বলেছেন: লিখেন। টপিকটা পছন্দ হইছে।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন: চেষ্টা করব।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: উৎহাহের জন্য ধন্যবাদ।

১২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৪০
হরিসূধন বলেছেন:

প্রিয়তে নিয়া গেলাম:)
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: কি বলব বুঝতে পারছি না। ধন্যবাদ।

১৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩০
এস মাহবুব বলেছেন: ভালো লেগেছে। আরেকটু ডিটেইলে লিখতে পারতেন অথবা ছোট করে কয়েকটি পর্বে।
ধন্যবাদ।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: আসলে লেখাটা বেশি বড় করতে চাইনি। ধন্যবাদ।

১৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩৯
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: রেফারেন্স গুলি শেয়ার করলে ভালো হয় -- প্রিয়তে
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫০

লেখক বলেছেন: এ শর্ট হিস্ট্রী অব নিয়ারলী এভরিথিং -- বিল ব্রাইসন।

১৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০৪
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: সমস্যা হল আপনি মাত্র তিন মাত্রার কাঠামোতে দাড়িয়ে মহাবিশ্বের শেষ প্রান্ত দেখার ভয়ংকর উচ্চাভিলাষী চিন্তা করেছেন।

প্লুটোকে ছাড়িয়ে সৌরজগতের শেষ প্রান্তে চরম শূণ্যের কাছাকাছি শীতলতা আর অন্ধকার। সবচেয়ে কাছের নক্ষত্রটি থেকে আলো আসতে লাগে ৪.৮ বছর। আমাদের এ আকাশ গঙ্গা (মিল্কিওয়ে) ছায়া পথ মাড়িয়ে বের হওয়া বহু সহস্র আলোক বর্ষের মামলা। তারপরে নিকটাতম নিহারিকা এন্ড্রোমিডা। খালি চোখে ২০ লক্ষ আলোকবর্ষ দূরে যে এন্ড্রোমিডার আলোটি দেখলেন, তার সৃষ্টি ২০ লক্ষ বছর আগে। এক আলোকবর্ষের দূরত্বটা রক্ত মাংসে অনুভব করার পরেও দেড় হাজার কোটি আলোক বর্ষ পর্যন্ত আমাদের হাবল টেলিস্কোপের দৃষ্টিসীমা পৌছানোর ব্যাপারটি দম বন্ধ করা একটা অনুভূতি দেয়। এ বিশালতাকে পুজি করে বড়জোর আমরা অন্য গ্রহে প্রাণ থাকার সম্ভাব্যতার হিসেব কষতে পারি, এর বেশি কিছুনা।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০১

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি ঠিক বলেছেন -- অতদূর যাওয়া কখনও সম্ভব হবে না, যদি না কোনো দিন ওয়ার্ম হোল খুঁজে পাওয়া যায়। আসলে বলতে চেয়েছি যদি কোনোভাবে যাওয়া সম্ভব হয় তবুও আমরা কোনো সীমানা খুঁজে পাবো না কারণ, কোনো সীমানাই নেই।

১৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬
খোলা_আকাশ বলেছেন: ভাল লিখছেন। অনেক সময় আমিও ভাবি মহাবিশ্বের শেষ কোথায়? আর শেষ যদি থেকে থাকে তবে তারপর কি আছে? ভেবে কোনো কুল কিনারা পাই না।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনাকে এখানে দেখে ভাবলাম আপনি নিজে যেহেতু আকাশ, আপনাকে জিজ্ঞেস করলে হয়ত উত্তরটা পাবো। কিন্তু আপনার কাছেও উত্তরটা নেই। (দুঃখের ইমোকটিন)

১৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১০
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: হুট করে সীমানা নেই সিদ্ধান্ত দেয়াটা ঠিক হবেনা। ব্যাপারটি আছে বা নেই গবেষণা বা পরীক্ষাটি আমাদের ক্ষমতার বাইরে বলে এর উত্তরটা সংশয়পূর্ণ হওয়া উচিৎ। তবে আমি বিশ্বাস করতে চাই,

মহাবিশ্ব একটা সসীম গন্ডির মাঝে অসীম। দুর্ভাগ্যবশত সেই সসীমের সংজ্ঞা বা পরিধির উপলব্ধিটা আমাদের বুদ্ধিমত্তার আওতার বাইরে।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:১০

লেখক বলেছেন: হয়ত সেদিন আরাবেশি দূরে নেই যেদিন এগুলোও আমাদের জ্ঞানের আওতায় পরবে।

১৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: প্রিয়তে রেখে দিলাম। মহাকাশবিষয়ক আলোচনাগুলো ভালই লাগে।।।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:১৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমরা এখন পর্যন্ত "শেষে' পৌঁছতে পারি নাই। বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের ৯০% এর মতো দেখতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবী আছে। এই ৯০% ই হচ্ছে তেরশ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দুরত্ব।

(তথ্যসূত্র- কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, স্টিফেন হকিং )
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: আমর লেখাতেও কিন্তু বলেছি বিজ্ঞানীরা শুধু ততটুকুই সম্মন্ধে বলতে পারে যে পর্যন্ত আলো পৌছেছে। আর এই ৯০% কি দৃশ্যমান মহাবিশ্বের, মানে আলো যতদূর পৌছেছে সেটার নাকি আলো এখনও যেখানে পৌছায়নি সেটাসহ?

২০. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫১
নিশাচর পাখি বলেছেন: এই বিষয়টি আমাকে বরাবর ই আগ্রহী করেছে। আরো খোলাসা করুন আগ্রহী পাঠকের জন্য...
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। চেস্টা করব।

২১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮
নাজনীন১ বলেছেন: "আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমরা এখন পর্যন্ত "শেষে' পৌঁছতে পারি নাই। বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের ৯০% এর মতো দেখতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবী আছে। এই ৯০% ই হচ্ছে তেরশ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দুরত্ব।

(তথ্যসূত্র- কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, স্টিফেন হকিং )"


আজব তো!!!! বিজ্ঞানীরা বুঝতে পেরেছে ৯০%, তাহলে তো ১০০% সম্মন্ধে তাদের একটা ক্যালকুলেশান আছে নিশ্চয়। মাত্র বাকী ১০%। তাহলে তো মহাবিশ্বের আকার-আয়তন বের হয়ে গেল বলে...

আমার মনে হয় যতটুকু আলো পৌঁছেছে, তার ৯০%।
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: একমত

২২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
ম্যাভেরিক বলেছেন: ভাবার মত লেখা। কী রহস্যময় জীবন!
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: জানার কোন শেষ নাই, জানার চেস্টা বৃথা তাই। হা হা হা .. :p~

২৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: শুধু দ্বিমাত্রিক জগৎ দেখা লোকের উদাহরণটা পড়ে কিছু প্রশ্ন জাগলো:

১। সে পৃথিবীর শেষ কোথায়, শুরু কোথায় এসব বুঝতে পারবেনা, তার মানে কিন্তু এটা নয় যে পৃথিবীর বাইরে কিছু নেই। বাইরে কিছু থাকুক বা না থাকুক সে বুঝতে পারবেনা।
অনূর্ধ্ব ত্রিমাত্রিক স্পেসের ধারনাওয়ালা মানুষও কি শুধু "মহাবিশ্বের বাইরে কি তা বুঝতে পারবেনা", নাকি, "মহাবিশ্বের বাইরে আর কিছু নেই" -- কোনটা সঠিক?

২। সম্প্রসারনরত বুদবুদ না হলে কি মহাবিশ্ব আসলে চতুর্মাত্রিক বলতে চাচ্ছেন, আর সব গ্রহ-নক্ষত্ররা তার ত্রিমাত্রিক তলের উপর একে অন্যের চেয়ে দূরে সরে যাচ্ছে বলছেন? ...
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: ১। আসলে মহাবিশ্বের বাইরে কি আছে বা নেই সেটা হয়ত কোনদিনই
আমরা জানতে পারব না। হ্য়ত........

২। বিজ্ঞানীরা এখন M (স্ট্রীং থিউরীর আপডেট) থিউরী অনুসারে ভাবছেন মহাবিশ্বটা ১১ মাত্রার সমন্বয়ে তেরী। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কি পাওয়া যায়।

০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: @নাজনীন১ বিবি আপনার কথায় যুক্তি আছে ।

যদি তথ্য সঠিক হয়ে থাকে আর তারা ক্যালকুলেশন করতেই পারে যে তারা শতকরা ৯০ এ পৌছিয়েছে তাহলে বাকি ১০ কি বাদ পড়ল কি হিসেবে?

তাহলে মহাবিশ্বের আয়তন আনুমানিক বের হয়েছে !

যাইহোক আমার কাছে এটি তথ্য বিভ্রাট লাগছে যা আমাদের ,

@আশরাফ মাহমুদ সাহেব দিয়েছেন,
কিংবা এই সূত্র (তথ্যসূত্র- কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, স্টিফেন হকিং ) নিজেই ভুল ।


কারণ শতকরা হিসাবের স্পর্ধা করলে তো আনুমানিক ৯০ বলার দরকার কি? সম্পূর্ণ শতকই বলতে পারত !
২৭. ০৭ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬
ভাইটামিন বদি বলেছেন: কি ভয়াবহ ব্যাপার.....!!!!

এতটাই ক্ষুদ্র আমরা.....আর এই ক্ষুদ্রতা নিয়েই কি না করছি.....
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: এই ক্ষুদ্রতা নিয়েই আমরা ভাবছি আমরা সব জানি..........

২৮. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:১৮
সোজা কথা বলেছেন: +++

----
সময় হলে আমার শেষ ব্লগটিতে কমেন্ট করবেন।
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: কমেন্ট করে এসেছি। কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

২৯. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
রাফাত সাদাত বলেছেন:
যদি শূন্যের মাঝেই আমাদের অবস্থান হয় তাহলে সীমারেখার কি দরকার? সবই তো শূন্যে দাঁড়িয়ে আছে। নয় কি?
০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: দরকার আছে কিনা জানিনা, তবে সাধারনতঃ আমরা সবাই ভাবি যে মহাবিশ্বটা একটা যায়গায় গিয়ে শেষ হয়ে গিয়েছে। সেই ভাবনা বা কৌতূহল থেকেই পোস্টটা লেখা।

৩০. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:২০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ধন্যবাদ ... ক্লিয়ার হয়েছে
০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: স্বাগতম।

৩১. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৮
আজম বলেছেন: অনেক ভালো লাগল...
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩২. ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৪১
কামাল২০১০ বলেছেন: ভালো লাগলো মনে হয় আমাদের দেশে এখনো সোনার ছেলে আছে.....
০৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কস্ট করে পড়ার জন্য।

১৮ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:১৯

লেখক বলেছেন: আমি কমেন্টে মজা পেলাম। :D

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"..... The universe is governed by scientific laws. These laws must hold without exceptions, or they wouldn't be laws. That...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ