গত দশ বছরে আমাদের সবার জীবন যাত্রার পদ্ধতিতে খুবই ধীরে ধীরে যে আমুল পরিবর্তন ঘটে গেছে তা আমরা নিজেরাও হয়ত অনেক সময় খেয়াল করে দেখি না। অনেকটা বাবা-মায়ের চোখের সামনে সন্তানের বেড়ে ওঠার মত। অসংখ্য সামাজিক এবং রাজনৈতিক ঘটনার সাথে সাথে অনেক গুলো নতুন প্রযুক্তি, টুল, এমনকি টিভি অনুষ্ঠানও আমাদের প্রাত্যহিক জীবন যাপনকে দিয়েছে বদলে। গত দশকের সবচাইতে বেশি প্রভাব বিস্তারকারী দশটি ট্রেন্ড সেটার হলোঃ (উল্টোক্রম অনুসারে)
১০) টুইটারঃ নতুন এক সামাজিক নেটওয়ার্কিং এবং মাইক্রো ব্লগিং যা কিনা ১৪০ অক্ষরের সীমাবদ্ধ রাখতে হয়।
৯) আই পডস্: ডিজিটাল যুগের একটা প্রতীক হলো এই আইপড। ২০০১ সালে বাজারে আসার পর থেকে পরবর্তি ৬ বছরে প্রায় ১০০ মিলিয়ন আইপড বিক্রি হয়েছে।
৮) রিয়েলিটি টিভিঃ বাংলা, হিন্দি বা ইংরেজি যে কোন চ্যানেলেরই প্রাণ হলো এই রিয়েলিটি শো গুলো। দশকের শুরুতে দুটি অনুষ্ঠানের মধ্যে স্যান্ডুইচ হয়ে থাকা রিয়েলিটি শো গুলা হচ্ছে বর্তমানে দর্শকদের প্রধান বিনোদনের উৎস।
৭) উই গেমসঃ অসংখ্য ধরনের গেমিং সিস্টেমের মধ্যে থেকে এই ব্যবহার বান্ধব সিস্টেমটি হয়ে উঠেছে প্রতিটি পরিবারের বিনোদন এবং স্বাস্হ্য সচেতনার মধ্যমনি।
৬) উইকি পিডিয়াঃ খুবই তাড়াতারি যে কোনও তথ্য খুঁজে পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এই ওপেন সোর্স এনসাক্লোপিডিয়ায় সার্চ করা।
৫) ২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করা এই ভিডিও শেয়ারিং সাইটটি ২০০৮ সালের মধ্যেই হয়ে পড়ে সারা পৃথিবীর একটি উল্লেখযোগ্য প্রচার মাধ্যম।
৪) গুগলঃ এ দশকেই গুগল হয়ে পরে আমাদের ব্রেনের একটা অংশ। মনে করার চেষ্টা করছেন আচ্ছা ঐ মুভিতে কে যেন অভিনয় করেছিলো? দিয়ে দিন গুগলে সার্চ। ভোয়ালা মনে পরে যাবে সব কিছু।
৩) টেক্সটিং বা এসএমএস: এই দশকেই শুরু হয় ছোট ছোট বাক্যে, কখনও অম্পূর্ন, মেসেজ শেয়ারিং। এমনকি ইমেইল এখন ব্যাকডেটেড মনে হয়।
২) ফেসবুকঃ ভাবাই যায় না সারা পৃতিবীতে ৩০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যয় করছে ফেসবুকে।
১) ব্লগিং : আচ্ছা, ব্লগিং যখন করতাম না তখন আমাদের সব সময় কিভাবে ব্যয় করতাম? ভাবাই যায়না ইন্টারনেটে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ব্লগসাইট আছে এইমূহুর্তে।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


