কানাডার ইতিহাসে আজ এক অশ্রুতপূর্ব ঘটনা ঘটে গেছে। কানাডার ইতিহাসে প্রথবারের মত কাউকে গণহত্যা ঘটানোর প্ররোচনা/উৎসাহ দেয়ার জন্য অভিযুক্ত করে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এক সাংবাদিক সন্মেলনে আজ অন্টারিও প্রদেশের পুলিশ কমিশনার এই মামলার কথা উল্লেখ করেন। মামলাটি করা হয়েছে বাংলাদেশী-কানেডিয়ান নাগরিক সালমান হোসেনের বিরুদ্ধে।
(অটঃ আফসোস শুধু এই যে কানেডিয়ানরা শুধু প্ররোচনার দেয়ার অভিযোগে মামলা করে আর স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও আজও আমরা গণহত্যা ঘটানো ঘৃণ্য রাজাকারগুলার কোন বিচার করতে পারলাম না!!!)
তিনবছর ধরে তদন্ত চালানোর পর অন্টারিও পুলিশ এই মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। গত তিনবছরে সে বিভিন্ন ওয়েব সাইটে খোলাখুলি ভাবেই কানাডায় সন্ত্রাসী হামলার আহবান জানিয়েছে, আফগানিস্হানে কানেডিয়ান সৈন্যদের মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করেছে এবং মুসলিম ভাইদের কে কানাডায় বসবাসরত ইহুদীদের নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার আহবান জানিয়েছে। বাবা মায়ের সাথে অভিবাসন নেয়া সালমান হোসেন তদন্ত শেষ হওয়ার কিছুদিন আগে বাংলাদেশে চলে যায়। এখন সেখান থেকে সে তার আমেরিকান বেজড ওয়েবসাইট সহ অন্যান্য ওয়েবসাইটে নিয়মিত কানেডিয়ান সরকার এবং ইহুদী জনগোস্ঠির বিরুদ্ধে গনহত্যা চালানোর আহবান চালিয়ে যাচ্ছে।
তবে এর সাথে নূর চৌধুরীর সম্পর্ক কোথায়? সম্পর্ক হলো, কানাডার সাথে বাংলাদেশের কোন বন্দী বিনিময় করার চুক্তি নাই। তবে বিচার বিভাগের মুখপাত্র পলা ক্রেইহানের মতে কানাডা সরকার হয়ত বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করতে পারে সালমান হোসেনকে গ্রেফ্তার করে তাদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য। আর এই সুযোগটাই বাংলাদেশ সরকারের নেয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি। বাংলদেশ সরকারের উচিৎ এব্যাপারে আগ্রহী হয়ে পদক্ষেপ নেয়া। এতে করে দুপক্ষেরই লাভ। আশা করি সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


