somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও টিপাইমুখ নিয়া কিছু কথা

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যুদ্ধাপরাধীদের নাকি বিচার করা হইব।অনেক দিন ধইরাই তো শুনতাছি। কিন্তু আসলেই কি তাগো বিচার করা হইব? আজকে নিউজে দেখলাম আইন মন্ত্রী বলতাছে যে যুদ্ধাপরাধীদের অপরাধ সম্পর্কে প্রমাণ সংগ্রহের জন্যে বিভিন্ন দেশের কাছে আবেদন করা হবে। আমার মনে একটা চিন্তা উদয় হল। আমাদের প্রমাণের কি এতই অভাব পড়ছে যে বাইরে থাইকা প্রমাণ সংগ্রহ করতে হইব???? আম্লীগ আইল প্রায় ৭ -৮ মাস হইয়া গেল কিন্ত এ ব্যাপারে তাগো কার্যকলাপ দেইখা মনে হইতাছে জনগণরে একটা ভুল-ভাল বুঝাইয়া সময় ক্ষেপন করা। তাদের আসলেই কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইচ্ছা আছে কিনা এইটাই সকলের প্রশ্ন। এভাবে মুলা ঝুলাইয়া রাইখা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পর্কে আর কয়দিন আমাগোরে ঘুম পাড়ায় রাখব? যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য দরকার একটি নিয়মিত মনিটরিং যাতে থাকবে ডেইলি আপডেট এবং সবার কাছে তা উন্মুক্ত থাকা দরকার।

যুদ্ধাপরাধীগো কতা না হয় বাদই দিলাম ...এইবার আসি টিপাইমুখ লইয়া.........টিপাই মুখ নিয়া আসলে আম্লীগের উদ্দেশ্য কি? এই পর্যন্ত যা দেখলাম তাতে মনে হইতাছে ইন্ডিয়ার মুখের উপর কতা কওয়ার সাহস আম্লীগের নাই। টিপাইমুখ থাইকা কেম্নে বিদুৎ উৎপাদন কইরা বাংলাদশে সাপ্লাই করা যাইব সেইটা নিয়া ভাবতাছেন আমাগো বাণিজ্য মন্ত্রী। বিএসএফ একটা বিডিয়ার মারলেও অথবা সাধারণ মানুষ মারলেও আমাগো সরকার এর প্রতিবাদ করে না। এইটা কি ইন্ডিয়া প্রীতি নাকি ভীতি? আমি প্রীতি ,ভীতি এইসব বুঝিনা । আমাগো দেশের গরীব চাষাভুষা যখন পানির অভাবে জমি চাষ না কইরা মরব তখন মন্ত্রী এমপিরা টিপাইয়ের কারেন্ট দিয়া এসি খাইব। স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশের মানুষ অবশ্যই আওয়ামীলীগের অবদান চিরদিন স্বীকার করে এবং করবেও আমি মনে করি। কিন্ত তার মানে এই না যে দেশটা তারা কিইনা নিছে। যেই দেশের মানুষ ৩০ লাখ মানুষের রক্ত দিয়া স্বাধীন করছে এই দেশটারে তারা আর যাই হোক ইন্ডিয়ার পা চাটে না। দরকার হইলে তারা বার বার এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যাবে।
এশিয়ান হাইওয়ে নাকি করতাছে। আগে শুনছিলাম যে হাইওয়েটা ভারতের বেনাপল দিয়া ঢুইকা বার্মা দিয়া বাইর হইব। এখন সুন্তাছি যে এইটা ইন্ডিয়ার বেনাপল দিয়া ঢুইকা আবার বাংলাদেশের তামাবিল দিয়া ইন্ডিয়ার মইধ্যে দিয়াই যাইব। এইটা কি এশিয়ান হাইওয়ের নামে ট্রানজিট??????
দেশটা নামে বাংলাদেশ থাকেলেও কামে ইন্ডিয়া দেখতে চাইনা আমরা......।
৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×