যুদ্ধাপরাধীদের নাকি বিচার করা হইব।অনেক দিন ধইরাই তো শুনতাছি। কিন্তু আসলেই কি তাগো বিচার করা হইব? আজকে নিউজে দেখলাম আইন মন্ত্রী বলতাছে যে যুদ্ধাপরাধীদের অপরাধ সম্পর্কে প্রমাণ সংগ্রহের জন্যে বিভিন্ন দেশের কাছে আবেদন করা হবে। আমার মনে একটা চিন্তা উদয় হল। আমাদের প্রমাণের কি এতই অভাব পড়ছে যে বাইরে থাইকা প্রমাণ সংগ্রহ করতে হইব???? আম্লীগ আইল প্রায় ৭ -৮ মাস হইয়া গেল কিন্ত এ ব্যাপারে তাগো কার্যকলাপ দেইখা মনে হইতাছে জনগণরে একটা ভুল-ভাল বুঝাইয়া সময় ক্ষেপন করা। তাদের আসলেই কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইচ্ছা আছে কিনা এইটাই সকলের প্রশ্ন। এভাবে মুলা ঝুলাইয়া রাইখা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পর্কে আর কয়দিন আমাগোরে ঘুম পাড়ায় রাখব? যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য দরকার একটি নিয়মিত মনিটরিং যাতে থাকবে ডেইলি আপডেট এবং সবার কাছে তা উন্মুক্ত থাকা দরকার।
যুদ্ধাপরাধীগো কতা না হয় বাদই দিলাম ...এইবার আসি টিপাইমুখ লইয়া.........টিপাই মুখ নিয়া আসলে আম্লীগের উদ্দেশ্য কি? এই পর্যন্ত যা দেখলাম তাতে মনে হইতাছে ইন্ডিয়ার মুখের উপর কতা কওয়ার সাহস আম্লীগের নাই। টিপাইমুখ থাইকা কেম্নে বিদুৎ উৎপাদন কইরা বাংলাদশে সাপ্লাই করা যাইব সেইটা নিয়া ভাবতাছেন আমাগো বাণিজ্য মন্ত্রী। বিএসএফ একটা বিডিয়ার মারলেও অথবা সাধারণ মানুষ মারলেও আমাগো সরকার এর প্রতিবাদ করে না। এইটা কি ইন্ডিয়া প্রীতি নাকি ভীতি? আমি প্রীতি ,ভীতি এইসব বুঝিনা । আমাগো দেশের গরীব চাষাভুষা যখন পানির অভাবে জমি চাষ না কইরা মরব তখন মন্ত্রী এমপিরা টিপাইয়ের কারেন্ট দিয়া এসি খাইব। স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশের মানুষ অবশ্যই আওয়ামীলীগের অবদান চিরদিন স্বীকার করে এবং করবেও আমি মনে করি। কিন্ত তার মানে এই না যে দেশটা তারা কিইনা নিছে। যেই দেশের মানুষ ৩০ লাখ মানুষের রক্ত দিয়া স্বাধীন করছে এই দেশটারে তারা আর যাই হোক ইন্ডিয়ার পা চাটে না। দরকার হইলে তারা বার বার এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যাবে।
এশিয়ান হাইওয়ে নাকি করতাছে। আগে শুনছিলাম যে হাইওয়েটা ভারতের বেনাপল দিয়া ঢুইকা বার্মা দিয়া বাইর হইব। এখন সুন্তাছি যে এইটা ইন্ডিয়ার বেনাপল দিয়া ঢুইকা আবার বাংলাদেশের তামাবিল দিয়া ইন্ডিয়ার মইধ্যে দিয়াই যাইব। এইটা কি এশিয়ান হাইওয়ের নামে ট্রানজিট??????
দেশটা নামে বাংলাদেশ থাকেলেও কামে ইন্ডিয়া দেখতে চাইনা আমরা......।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

