এই মেয়েটিই অনবের প্রথম ভালো লাগা। ওর পাখির নীড়ের মত দুটো চোখ দেখেই অনব প্রথম প্রেমের কবিতাটি লিখেছিলো। সেদিন আকাশ রোদেলা ছিলো অথবা শরতের মতই নীল। দু'তিনটা ডানা মেলা চিল স্কুলের আকাশে উড়তে উড়তে হঠাৎ আকাশ ছোঁয়া গাছে বসে। অনবের ভাবনার অন্তরালে একটিই নাম।
সূর্য অস্ত যেতে থাকে বাসের জানালা দিয়ে। সেখানে সূর্যটাকে কপালের টিপ বানিয়ে অনব বুশরার দুটো চোখ আঁকছে তার দু'পাশ দিয়ে। ভুরু দু'টো দিতেই মনে পড়লো সে ভুলে গ্যাছে তার ভুরু গুলো কেমন ছান্দসিক ছিলো। চোখের পাপড়ি গুলো কেমনই অসহায় বিস্তৃত ছিলো। চুলগুলো কেমনই কালো ছিলো। বাসের গতি অনেক। সাঁই সাঁই করে গাছপালা সরে যাচ্ছে তবু সূর্যটা বলছে তুমি মনে কর। যতক্ষণ আমি না ডুবি তুমি মনে কর সেই দিনগুলোর কথা। যেতে যেতে পথ থমকে যায় সন্ধ্যায়। হঠাতই স্বর্ণালী মেঘ দেখা যায় দিগন্তে। তবু সেখানে সূর্যের ছিটেফোটা থাকে না।
প্রথম প্রেমের কবিতা হাতের কাছে নেই অনবের। থাকলে হয়তো সূর্যকে উৎসর্গ করে যেত এই শেষ বিকেলের রোদে। তাই হাজার হাজার পড়ে আসা কবিতার লাইন থেকে একটি লাইন তার বার বার মনে পড়ে।
"থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার, বনলতা সেন"।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


