আমার প্রিয় পোস্ট
- যাও পাখি বলো তারে - লিরিক্স ও গীটার কর্ড - শাহারিয়ার আহমেদ
- ভাল লাগা কবিতা................ - বিপাশা দেবনাথ
- উড়াধুরা প্রেমের কবিতা - সুলতানা শিরীন সাজি
- কীবোর্ডের সমস্যা হলেও পাসওয়ার্ড লিখে কম্পিউটার ওপেন করার উপায় - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- Esnips থেকে ডাউনলোড ,বিনা কষ্টে বহুত আরামে করবেন - চিকনমিয়া
- ফ্রি এবং খুবি সহজ পদ্ধতি তে সাইট তৈরি করুন....... - গিফার
- তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও ... - প্রভাৎ ঋষি
- অবশেষে টুথব্রাশ কিনলাম
- মানুষ
- শূণ্যস্থান___পূরণ - ইফতেখার ইনান
- আপনার পিসিকে ভাইরাস মুক্ত রাখতে চান? - নিউটন
- পেনড্রাইভের ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায় - লংকার রাজা
- হে নিদারুণ সুসময়, তুমি উচ্চারণ করো, কবির মৃত্যুতে আমাদের কিছু আসে যায় না! - মৃদুল মাহবুব
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- নগ্নিকা এবং মনন ভূমে কাঠঠোকরার কেরামতি - আকাশচুরি
- ইঁদুর ও সুদর্শন মানুষটি একই জায়গায় মৃত পড়েছিলো /সারওয়ার চৌধুরী - সারওয়ারচৌধুরী
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- জামাতি দাওয়াতে মওলানার জবাব - অমি রহমান পিয়াল
- ক্যাচালের সিরিয়াস পোস্ট - ক্যাচাল
দারোয়ান যখন দেশ চালায়
০৩ রা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২৩
প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে একটি ঘটনা বলে নেই।
ঘটনাটি এরকম, আমার পরিচিত একজন আর্মিতে ঢুকবে। রিক্রুটিং অফিসে গেলে তার ইন্টারভিউ নিলেন আর্মির কোন এক বড় কর্তা। একটা রুমের ভেতর, আমার সেই পরিচিত জন আর সেই পরীক্ষক, সাথে আরও কয়েকজন অফিসার। তিনি ছেলেটিকে প্রশ্ন করলেন, "আমাদের মাথার উপর যে ফ্যান ঘুরছে তার কয়টি পাখা?"
ছেলেটি সুইচ-বোর্ডে গিয়ে ফ্যানের সুইচ অফ করল। তারপর টেবিলে উঠে ফ্যানটিকে ম্যানুয়ালি স্টিল করল। এরপর টেবিল থেকে নেমে এসে বলল, "স্যার, ফ্যানটিতে তিনটি পাখা"।
বড় কর্তা আজব বনে গেলেন। জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি এরকম করে জবাব দিলে কেন"?
ছেলেটি উত্তরে বলল, "নাহলে আপনি বলতেন, আমি ছয়টা পাখা দেখছি"।
বড় কর্তা মোটামুটি সন্তুষ্ট। তারপর ছেলেটিকে বললেন, "প্যান্ট খুলো"।
ছেলেটি নর্দ্বিধায় উলঙ্গ হলো। তারপর আরও কয়েকজন আর্মির যারা ছিলেন তারা একজন এসে ছেলেটির পশ্চাৎদেশ একটা ডাক্তারই যন্ত্রদিয়ে ফাঁক করলেন। সেখান থেকে ধোয়া বের হচ্ছিল। ছেলেটিকে বড়কর্তা জিজ্ঞেস করলেন, "পাছা দিয়ে ধোয়া বেরুচ্ছে কেন"?
ছেলেটি জবাব দিল, "শীতকালে শরীরের খোলা অংশগুলো দিয়ে গরম বাতাস বেরুলে ধোয়ার মত দেখা যায়"।
তখন জানুয়ারি মাসের শেষের দিক। ভরা শীতকাল। ছেলেটির জবাব পেয়ে বড়কর্তা বড়ই সন্তুষ্ট হলেন। তার সহকারীরা উলঙ্গ বালককে নিয়ে আর যা যা করলেন তার বর্ণনা দেওয়া গেল না বলে দুঃখিত। তবে ছেলেটি আর্মিতে চান্স পেয়েছিল।
আরেকটি ঘটনা। এটা বেশি বড় না। আমার মামী ডাক্তার। আর্মিতে আছেন। সেই সুবাদে এক ছেলেকে সীপাহি পদের জন্য ব্যাকিং দিলেন। ছেলেটি টিকেও গেল। তারপর ছেলেটি একদিন মামীর বাসায় মিষ্টি নিয়ে এলো। তখন মামা ঘরে ছিলেন। ছেলেটি চলে যেতে চাইলে মামা বললেন, "বাবা, দুপুর হয়ে গেছে, ভাত খেয়েই যাও"।
ছেলেটি মামার দিকে অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে বলল, "আমাকে এখনই যেতে হবে না হলে ওরা আমাকে বুলশিট করবে"। '
প্রসঙ্গ কথায় আসি। এতক্ষণ যা শুনলেন তা বিষদ ইতিহাসের কয়েক টুকরো মাত্র। এভাবেই আমাদের দেশের দারোয়ানদের নিয়োগ পেতে হয়। "দারোয়ান" শব্দটাই সবথেকে বেশি প্রযোজ্য এদের ক্ষেত্রে। কারণ এরা দেশের নিরাপত্তার জন্য নিবেদিত। ঠিক যেমন আপনার আমার এলাকায় বা বাড়িতে দারোয়ান থাকে, তেমনি পুরো দেশের দারোয়ান এরাই।
তবে যেখানে ঢুকতে গেলে পশ্চাৎদেশ দেখে মানুষের বুদ্ধি ও সামর্থ পরীক্ষা করা হয় সেখানটার মানুষেরা কেমন হয় তা আর কী বলব? তাই বলে, আর্মির বুদ্ধি হয় পাছাতে থাকে নয় হাটুতে।
তো দেশের দারোয়ানরা যখন দেশ চালানোর দায়িত্ব গ্রহণ করে তখন কী কী হতে পারে তাই দেখা যাচ্ছে এখন। দারোয়ানের চোখে চোর তো ধরা পড়বেই। কিন্তু সেই চোর আসলেই চোর কিনা, বা তাদের ধরার এখতিয়ার আইনত সবরকম দিক সেখানে বিবেচ্য। তা আমাদের মহান সেনাবাহিনী ভুলে পটাপট ঘরের কর্তাদের ধরে ধরে খাঁচায় পুড়ে ফেললেন। এখন? আইনি জটিলতায় পড়ে যারা আসল চোর তারা বের হয়ে যাবার ফন্দি করছে। আর আমাদের জনগণের নির্বুদ্ধিতায় হোক আর সচেতনতায় হোক গণতন্ত্রের একটা দৃপ্ত চাওয়া সবার মাঝেই দেখা যাচ্ছে। এখন দারোয়ানরা কী করবেন? তাদের সাধ্যই বা কী? তাদের দৌড় ঐ রিক্রুটিং অফিসারদের পাছা দেখা পর্যন্ত।
দারোয়ান ক্ষমতায় থাকলে আমাদের সরকারি মিডিয়ার দোষ কী আর? সেখানে অনবরত দারোয়ান বুদ্ধিতে আলুর প্রপাগান্ডা চলছে। চলছে দারোয়ানদের হাতিয়ার নিয়ে বাহাদুরি। তাদের মিগ আছে, অস্ত্র আছে, ট্যাঙ্ক আছে যদিও সেগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অচল মাল। তবুও সেগুলো দেখে দেখেই আমরা অতীষ্ট। দারোয়ানদের ক্ষমতা থেকে হটানোর ক্ষমতা জনগণের নেই। কারণ সবরকম সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে আল্লাহর ইচ্ছায় নিস্তার পাওয়া গেলেও সরকারি সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে মুক্তি পাওয়া অত সহজ না। এজন্য যে নেতার প্রয়োজন আমাদের দেশে তা নাই।
রাজনৈতিক সঙ্কটে পরে আমাদের নেতারা ক্ষমতা হারিয়েছেন দারোয়ানদের কাছে। মানে বাসার কর্তা যদি অতি সতর্ক হন তাহলে ক্ষমতা তো হারাবেনই। কিন্তু সেটা দারোয়ানের কাছেই, কারণ আমাদের দেশের সংবিধান একটা উপহাস্য।
লঙ্কায় গেলে নাকি মানুষ রাবণ হয়ে যায়। এই সরকারেরও একই অবস্থা। দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে সর্বোপরি পুলিশ ও সরকারি মহলে যে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে, যে হারে দূর্নীতি বাড়ছে তাতে মনে হয় দূর্নীতিমুক্ত এরাও না। টাস্কফোর্স নানা ভাবে দূর্নীতিগ্রস্ত হচ্ছে। তার প্রমাণও আছে আজ।
সবশেষে আরেকটি গল্প দিয়ে শেষ করি। আমি আমার পরিবার নিয়ে একবার রাতে এয়ারপোর্ট থেকে ফিরছিলাম। পথে গাড়ি নষ্ট হয়ে গেল। অন্ধকার, তখন এয়ারপোর্ট রোডে এত বাতি ছিল না। গাড়ি এক পাশে দাঁড় করিয়ে আমাদের ড্রাইভার সেটা মেরামতের চেষ্টা করছে। মোবাইলও ছিল না সবার হাতে হাতে যে কাউকে খবর দেওয়া যায়। এমন সময় দেখা গেল দূর থেকে দু'জন লম্বা মানুষ এগিয়ে আসছে। কাছে আসতে তাদের উর্দি দেখে বুঝলাম তারা আর্মির লোক। আমাদের গাড়ির কাছে এসে বলল, "কী হয়েছে"?
বললাম, "ফ্যান বেল্ট ছিড়ে গেছে।"
তারা অবাক হয়ে গাড়ি দেখল কিছুক্ষণ। তারপর বলল, "আমরা শাস্তি পেয়েছি নাহলে ফ্যান বেল্ট কিনে দিতাম"।
কথাটা আমি আর বাবা হজম করতে করতে তারা দিব্য হেটে চলে গেল।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাজনীতি! ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ছেড়া কাগজ বিভাগে ।
মুকুল বলেছেন:
হু ম ম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল ভাই।
তয় ব্যাস্ত নাকি আজকাল?
রাঙা মীয়া বলেছেন:
যথার্থ পোস্ট। গল্পগুলো পড়ে হাসতেই আছি।++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ!
বাফড়া বলেছেন:
জেনে ভালো লাগলো যে দেশের রক্ষার ভার পাছায় বুদ্ব থাকা ''দারোয়ানদের'' হাতে!! আপ্নের লেখার মেসেজ টা হালকা ধরতে পারলেও লেখার মাঝে কোন সংগতি পাইলাম না
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আসংগতিপূর্ণ মনে হলে আসলেই দুঃখিত। আমার কাচা হাতের লেখা!
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
চমৎকার লেখা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ ভাই! ভালো আছেন?
নেমেসিস বলেছেন:
পশ্চাৎদেশ সম্পর্কিত তত্বটা ঠিক না ।
লেখক বলেছেন: হা হা হা! তাই নাকি ![]()
কালপুরুষ বলেছেন:
খুব ভাল লাগলো। যথার্থ অনুধাবন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষদা। আপনার মন্তব্য পেয়ে অনেক ভালো লাগলো!
মামু বলেছেন:
পছা দেখনের বিষয়টা মূলত ডাক্তারি পরিক্ষার একটা অংশ বিশেষ। এই রকম অনেক জগন্য (আমাদের মত সাধারন মানুসের কাচে যা অপ্রয়োজনীয় মনে হয়) পরিক্ষা পৃথিবির সব সেনাবাহিনীতে ই আচে...না জাইন্য বিকৃত ভাবে অনেক কিছু বলার চেষ্টার জন্য ধন্যবাদ।
আমাদের দেশের কিচু প্রগতি শীল মানুছ আচে, তারা এই দেশের সন্তান যাখন সেনাবাহিনীতে যুগ দেয় তকন তাদেরকে এমন বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করে মনে লয় তারা পকিজাত সেনাবাহীনি। ওরা মনে লয় না এই দেশেরই গর্বিত সন্তার যারা দেশের জন্য জান দিতে সর্বদা প্রস্তুত।
এই টাইপ প্রগতি ছিল মানুষ এইটা বুজে না, এই দেশের সেনারা যখন মৃত্যুর মুখে ঝাপিয়ে পরে তখন ওই প্রগতিশীল মানুষ গুলা চামে কলকাতার পার্ক ষ্ট্রীট এ মাইয়া লইয়া ফুর্তি করতে যায়।
আর একদল পন্ডিত আচে যারা সারাক্ষন এই দেশের সেনাবাহিনীরে দেশের শত্রু রুপে উপস্থাপন করতে পচন্দ করে, হেরা চায় এই দেশর রক্ষা করার লাইগ্রা কুনু সেনবাহিনী না থাকুক।
লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা বুঝলাম না। মানে আপনি আমাকে আসলে কোন গোত্রে ফেললেন? কোলকাতার গোত্রে? নাকি সেনাবাহিনী প্রয়োজন নাই সেই গোত্রে নাকি সেনাবাহিনী নিয়ে মস্করা করার গোত্রে?
সেনাবাহিনীর জাতি সংঘের হয়ে কাজ করাটা দেশের থেকে ইন্ডিভিজুয়ালি বেশি এফেক্টিভ। সেনারা টাকার জন্য সেখানে যায়। সেই গর্ব দেশের গর্ব বা সেই আগুনে ঝাপিয়ে পরা দেশের জন্য নয়।
সেনাবাহিনীর লোকজনই বেশি বারে যায়। সেনাবাহিনীর হর্তাকর্তাদের ছেলেরা রাস্তায় গাড়ি নিয়ে মজা করছে। তাদের ধরা হয় না।
আর রেডিসন কাদের টাকায় করা? প্রশ্নগুলো আসা স্বাভাবিক। সেনাবাহিনীকে আপনি ধোয়া তুলসি পাতা বলছেন?
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। অবশ্যি লিখবো!
নতুন বলেছেন:
তবে যেখানে ঢুকতে গেলে পশ্চাৎদেশ দেখে মানুষের বুদ্ধি ও সামর্থ পরীক্ষা করা হয় সেখানটার মানুষেরা কেমন হয় তা আর কী বলব? তাই বলে, আর্মির বুদ্ধি হয় পাছাতে থাকে নয় হাটুতে। you dont know the purpose of the test... but you make a total post baised on that...
লেখক বলেছেন: তাহলে দয়া করে পারপাসটা বললে খুশি হতাম।
একজন লোককে আর্মিতে যোগ্য বিবেচনা করার এই নীতি অত্যন্ত হাস্যকর বলেই একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমি মনে করি!
অ্যামাটার বলেছেন:
অত্যন্ত সময়োপযোগী পোষ্ট...আর লাঠিয়াল বাহিনীর সৈনিক থেকে শুরু করে ফাইভস্টার জেনারেল পর্যন্ত সবারই যে ব্রেইন হাঁটুর নীচে থাকে...এটা একটা সর্বজনবীদিত প্রবাদ...+
@মামু:ফর ইউর কাইন্ড ইনফো:জাতিসংহ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সেনাবাহীনির অংশগ্রহণ কোন দেশের জন্য সম্মানজনক কিছু না,ই্উ.এন. সবসময় তৃতীয় বিশ্বের মেরুদন্ডহীন পররাষ্ট্টনীতি বিশিষ্ট রাষ্ট্রসমুহকে দিয়ে এই ড্রেন সাফ করানোর কাজ করে...তা না হলে বাংলাদেশের পূর্বে এই কাজে শীর্ষে ছিল নাইজেরিয়া!!
আর শীর্ষ দশের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ইথিওপিয়া এবং ঘানার নামও আছে...এদের কাতারে দাঁড়ানো বাংলাদেশের জন্য কি আপনার মতে অতীব গর্বের?????আপনি তাহলে বি.টি.ভি.-র প্রপাগন্ডা ভালমতই গলধকরণ করেছেন...!!!
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ অ্যামাটার, সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
সেনাবাহিনীর কাজ দেশ চালানো না, কিন্তু এদেশের জনগণ উল্টা বোঝে। যে কোন কথার মাঝখানে সেনাশাসনের কথা বলে খুব আনন্দ পায় তারা। যেন সেনাশাসন মানে একটা সাংঘাতিক কোন ব্যাপার।আমাদের গণতন্ত্র শেখা দরকার সবার আগে। ভালো লোককে নেতা নির্বাচন করা দরকার। ভালো লোক, সৎ লোককে নেতা নির্বাচিত করিনি বলেই আজ দেশের দারোয়ানই দেশের শাসক।
দুর্নীতিবাজ ও অসৎ লোককে বয়কট করলে এই সমস্যা আর থাকবে না। গণতন্ত্র শক্তিশালী করার জন্য সঠিক নেতৃত্বগুণসম্পন্ন সৎ ব্যক্তিকে ভোট দেয়া আমাদের দায়িত্ব।
ধন্যবাদ আপনার ব্যঙ্গাত্মক লেখার জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনেকে ধন্যবাদ শামীম ভাই!
এস্কিমো বলেছেন:
দারোয়ান তখনই দেশ চালায় তখন দেশের মালিকরা বেতাল হয়ে যায়। বাপের শালার কথায় মাইন্ড কইরে না। উনি একজন জ্ঞানী মানুষ।
লেখক বলেছেন: না মাইন্ড করি নাই।
ধন্যবাদ মূল্যবান মন্তব্যের জন্য এস্কিমো ভাই!
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
বাপের শালার কথায় মাইন্ড কইরে না। উনি একজন জ্ঞানী মানুষ।
লেখক বলেছেন: হ!
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
ভালো...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
একাকী বালক বলেছেন:
ভাই একটা কথা কই । বি.এম.এ র সব ব্যাচেই ম্যাট্রিক ইন্টারে ডাবল প্লেস করা ক্যাঠেট দেখছি। আর বুয়েট, মেডিক্যাল, ঢা.বি দিয়া পাশ কইরা যারা সর্ট র্কোস কইরা ঢুকে তারাও ছাগল না। অখন না হয় MIST আর AFMC হইছে। আপনার মামী যিনি AMC তে আছেন তার থেকেই জানবেন পাছাতে কি দেখে। ক্যাঠেট কলেজের ভর্তিতেও এইটা দেখে।
লেখক বলেছেন: এইটা দেখার পেছনে কোন যুক্তি থাকতে পারে বলে আমি মনে করি না। একজন মানুষের শক্তি সামর্থের মাপকাঠি অন্যভাবেও ঠিক করা যায়।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আর্মির দুর্নিতী নিয়ে যারা কথা বলছেন, তাদের বলব, আপনারা কি ডিওএইচএস নামের এলাকায় কোনদিন হেটেছেন? একটু ভাববেন এটা নিয়ে।এয়ারপোর্ট থেকে শহরে ঢোকার সময় ক্যান্টমমেন্টের জাকজমক দেখে কস্ট করার দরকার নেই, খিলক্ষেতে পাশে এক সাড়িতে অনেকগুলা সুন্দর সুন্দর বাসা তো দেখেই থাকবেন? একটু খোজ নিয়েন।
বাংলাদেশে কতজন সামরিক কর্মকর্তা ১০১ টাকা ১০০১ টাকা প্রতীকি মুল্যে প্লট পেয়েছেন একটু জেনে নিয়েন।
সেনা কল্যান সংস্থা নামক সংস্থার কথা তো সবাই ভুলেই যান।
বাংলাদেশ নামের এই ছোট্ট দেশটির গত ৩৭ বছরের ইতিহাসে আমরা খুবই ত্যাক্ত বিরক্ত। বেশী বিরক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সন্ত্রাসী কার্যক্রমে। কথায় কথায় ২৮ অক্টোবর টেনে আনতেও আমাদের জুড়ি নেই। আমাদের এটাও মনে রাখা উচিত, এ দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী গোষ্টির নাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এ দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড়বড় হত্যাকান্ড সেনাবাহিণীর লোকেরাই ঘটিয়েছে। তাদের আমরা উপমা দিয়ে দেই ''কতিপয় বিপথগামী সদস্য''। হাহ হা। হাসতে হাসতে কাদার মত অবস্থা।
এ দেশের তাবৎ বড় বড় চক্রান্ত সেনাবাহিণী করেছে।
এদেশের সবচাইতে লোভী নিসন্দেহে সেনাবাহিণী। জিয়া থেকে শুরু করে এরশাদ মইন, সবাই ক্ষমতার লোভে করেনি এমন কোনবাজে কাজ নেই।
এ দেশের স্থপতি, প্রান দিয়েছেন সেনাবাহিণীর হাতেই। আবার বলা হতে পারে;;কতিপয় বিপথগামী;;। কিন্তু তা কি ''কতিপয় বিপথগামী সিভিলিয়ানদের'' দ্বারা করা সম্ভব ছিল?
এই সেনা বাহিনীর বিলাশবহুল ক্যান্টনমেন্টগুলোর পেছনে সরকার সব টাকা খরচ করে ফেলে। বিপরীতে এরা দেয় কি? কথায় কথায় জাতিসংঘের শান্তি বাহিনীতে অংশগ্রহন করার কথা বলা হয়। ওখানে অংশ নিয়ে এরা মোটা টাকা পায়। যদি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা তাদের কজনের কৃতিত্ব হয়, তাহলে দেশের তাবত প্রবাসী কি দোষ করলেন?
সেনাবাহিনী করে কি? দেশের কি কাজে লাগে? উত্তর দেবেন কি?
সবাই ভয়ে তাদের পক্ষে কথা বলে। বুদ্ধিজীবিরা চেচিয়ে বলতে থাকেন''সেনাবাহিণী হল আমাদের শেষ আশ্রয়স্খল,ভরসার জায়গা।
তাহলে কেন পুলিশবাহিনী,আনসার বাহিণী, রোডস এন্ড হাইওয়ে ডিপার্টমেন্ট, ডিসি, এডিসি বা অন্য যেকোন সরকারী চাকুরে কে এটা বলা হয় না? সেনাবাহিনী বিশেষ কি?
কারন তাদের হাতে অস্ত্র আছে। ডান্ডা আছে। এবং প্রতিনিয়ত তাদের এ ডান্ডা সরবরাহ বাড়ানো হয়।
কোন সরকারই এ যাবতকালে সেনাবাহিনীর প্রাধান্য কমানোর চেষ্টা করেনি? এটাই সবচাইতে বড়ভুল।
এদেশে বিষফোড়া দুটো হতে পারে। এক, জামাত দুই,সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিণী এমন একটা রাজনৈতিক দলের নাম, যাদের অস্ত্র চালনা, ও সন্ত্রাসী কাযক্রম বৈধ!!
কেন সেনাদের বুদ্ধি হাটুর নিচে থাকে? এর উত্তর কঠিন নয়। প্রথমত, মেধাবীরা সেনায় ঢুকতে আকুল হয় না। দেশের মেধাবীরা বড় বড় ইউনিভার্সিটি, যেমন, ঢাবি, বুয়েট এগুলোতে পড়াশোনা শেষে অন্য কিছু করে। সেনায় তারাই ঢুকে যারা পড়ালেখায় ওতটা উজ্জল নয়। এইচ এসসি পাস করে ঢুকে যাও।
তাও যদি মেধাবী কেউ ঢুকে তাহের তার সমস্ত মেধা সৃষ্টিশীলতা টেনে বেড় করে নেয়া হয়।
আমার এক বন্ধু, যার ছেলেবেলা থেকেই ধ্যানজ্ঞান সেনায় ঢুকা। স্কুলে বিএনসিসিতে জান দিয়ে দিত। এইচএসসি পাসের পর ঢুকে গেল আর্মিতে। কমিশন র্যংক এ। ওর ট্রেনিং এর যে নমুনা ছিল , তা শুনে স্তম্ভিত না হবার কোন কারন নেই। ইমরোজের বলা কথার সাথে হুবুহু মেলে। ওত যে পাগল ছিল ছেলে আর্মিতে ঢোকার জন্য, সেই ছেলেই আমাকে বলত, দোস্ত, শেষ হয়ে যাচ্ছি, খালি বাবা মার দিকে চেয়ে পালাতে পারছি না।
চেইন অভ কমান্ডের নানা বর্বর শাস্তির মাধ্যমে তাদের শৃংখলা শেখানো হয়। তারা লান্চ করে একটা নালায় খাবারের উচ্ছিষ্ট ফেলত, খাবার পর তাদের ওই নালায় হামাগুড়ি দিতে বলা হত। তাদের মুখে , নাকে উচ্ছিষ্ট লাগত। এ অবস্থায় তাদের থাকতে হত, অনেকক্ষন। এটা হল প্রতিকৃল পরিবেশের ট্রেনিং। এই যে এতসব ট্রেনিং, বাংলাদেশ সেনাবাজিনী বিশ্বের সবচাইতে কঠিন ট্রেনিং এ দ্বিতীয় স্থানে আছে, প্রথম স্থানে পাকিস্তান। এই দ্বিতীয় স্থানের সেনাবাহিনী কি করে দেশের জন্য?
আমার সেই বন্ধুটি যখন ট্রেনিং শেষ করল, সম্পুর্ন পাল্টে গেল। শহরে এসে বলত, দোস্ত হাত খালি নিসপিস করে। কাউকে শাস্তি দিতে চায়। ওর পরিবার একজন সেনা কর্মকর্তা পাবার বিনিময়ে যা হারাল তা হল একটা রক্তমাংসের সন্তান। ওর মনে তখনই খুশি আসত যখন ভাবত ওর আন্ডারে এখন কিছু সৈনিক থাকবে। এদের কথায় কথায় শাস্তি দেবে , একল্পনায় মজা পেত ও। কেননা নিজে ভুগে এসেছে। সেনাবাহিনীর সবার মেন্টালিটি এমন। কাজ নেই। তাই এমন অকাজ।
ক্যান্টনমেন্টগুলোতে কি হয়? সৈনিকেরা বন্দুক পরিস্কার করে, লনের ঘাষ কাটে। উপরের রেংকের কর্মকর্তারা একে অন্যকে রেংক বেধে শাস্তি দেয়। এই ত। মাঝে মাঝে চাল ধান বাটতে তাদের ডাকা হয়। ককন এরা নিষ্টুরতা সিভিলিয়ানের উপর ঝাড়ার সুযোগ পায়।
এবার আামর সেই বন্ধুটি জায়গায় প্রধান কমান্ডিং অফিসার হিসেবে আছে। ওর বাপের বয়সী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, ব্যবসায়ীদের সাথে ও কি আচরন করেছে তা মাঝে মাঝে বলে। শুনে অবাক হই না। এমন তো হয়েই আসছে।
এবার তো এমনও দেখেছি একজন সামান্য ক্যাপ্টেন রেংকের অফিসার একজন ডিসিকে ধমকিয়ে চুপ করিয়ে দিতে। থানার ওসি দুঃখ করে বলেছিলেন, আমাদের কোন দাম নেই এ দেশে। আমরা এ দেশের জারজ সরকারী কর্মকর্তা। সব দাম তো আর্মির।
আমার নিজের মামা একজন অত্যন্ত বড় রেংকের অফিসার। এ আমলে তার প্রভাব তো দেখি। এক চাচা একই রেংকে থেকেও অনেক বেশী ক্ষমতাবান, একটি (!) সংস্থায় আছেন আর ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুর ঘনিষ্ট বলে। তাদের দেখি তো।
এই হল সেনাবাহিনী। তাদের ভালবাসার নুন্যতম কারন আছে কি?
সেনাবাহিণী দেখলেই আমার যদি থুথু দিতে ইচ্ছে করে, তাহলে আমাকে কি কেউ দোষ দেবেন?
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে আমি পুরোই একমত। আমাদের দেশে কোন সরকার সেনাবাহিনীর ক্ষমতা কমানোর চেষ্টা করেনি। তাই এরা আরও দূর্ধর্ষ হয়ে গেছে।
সেনাবাহিনী আমাদের কেন দরকার আজ সেই প্রশ্নের একটি জবাব চাইতে ইচ্ছে করে। আনসার, ভিডিপি, র্যাব, পুলিশ, বিডিআর এত এত নিরাপত্তা সংস্থা একটা ছোট্ট গরীব দেশের জন্য? এর কী দরকার আমি বুঝিনা।
কেউ আমাকে একটা প্রশ্নের কোন জবাব দেয়নি। সেটা হলো স্বাধীনতার পর সেনাবাহিনী আমাদের আসলে কতটুকু দিয়েছে!
হিসেবের খাতায় শূন্যতাই প্রকট। দেখুন, সেনাবাহিনীর লোকেরা বন্যার সময় চালডাল তেল সরবরাহ করে। এটাই তাদের কাজ? এইজন্য কোটি কোটি টাকা দিয়ে তাদের পালা হয়? এইটাকা দিয়ে তো কোস্টাল এরিয়ার গরীব সিভিলিয়ানদের জন্য আট রিক্টর স্কেল ক্ষমতার ভূমিকম্প সহ্য করতে পারে এরকম বাড়ি তৈরী করা যেত!
স্বাধীন বাংলা বলেছেন:
যে বাড়ীর মালিক মারা গেছে অথচ উপযুক্ত ছেলেমেয়ে নাই ঐ বাড়ী চাকর দারোয়ান এদেরই দেখতে হয়। চাকর ও দারোয়ান দিয়ে কি মালিকের কাজ আশা করা যায়?লেখক বলেছেন: কখনই না!
নতুন বলেছেন:
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:১৬ লেখক বলেছেন: তাহলে দয়া করে পারপাসটা বললে খুশি হতাম।
একজন লোককে আর্মিতে যোগ্য বিবেচনা করার এই নীতি অত্যন্ত হাস্যকর বলেই একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমি মনে করি!
-------- আমি নিজে বিমান বাহিনির ISSB তে পরিক্ষায় দিয়েছি...
৪দিন ছিলাম ঐখানে এবং সেটা আমার জীবনের বিরাট একটা অভীঙ্গতা.... যেটা ঐখানে না গেছে তাদের বলে বোঝানো কস্টকর..
আপনি যেটা বলেছেন সেটি একটা কমন জোক পরিক্ষাথিদের মাঝে...
ঐ টেস্ট করা হয় শারিরিক পরিক্ষা হিসেবে...
মেধা যাচাইএর জন্য যে IQ test, written test বইলে কিছু জিনিস আছে...
বিমান বাহিনিতে দুই বার IQ test নেওয়া হয় ISSB এর আগে প্রাথমিক বাছাই এ একবার followed by written test .... আবার ISSB তে ডুকার সময় একবার... ( তখন যদি আপনি না টিকেন তবে আপনাকে আপনার গাট্টি/ ব্যাগ নিয়া বাড়ী ফেরত যেতে হবে..যারা উত্তন্য হবে তারা ৪দিনের ISSB পরিক্ষা দেবে...)
then start the 3 days phisical/ mental tests
ঐখানে ৩দিন নানান রকম পরিক্ষা দিতে হয় ....শারিরিক, মানুষিক, মেধা যাচাই করা হয়...
আমার সাথে পরিক্ষা দিয়ে ছিলো ৯০ জন.... ( যারা বিভিন্ন জেলা থেকে প্রাথমিক বাছাইএ উত্তন্` হয়ে এসেছিলো... আমাদের জেলা থেকে ৬০/৭০ জনের মাঝে থেকে ৬ জন ISSB তে পরিক্ষার জন্য নিবাচ`ত হয়েছিলৈা.. এই ভাবে নি`বাচিত ৯০ হতে তারা মাত্র ৬ জনকে নিয়েছিলো... এবং শুনেছিলাম যে আমাদের আগের ব্যচের পরিক্ষথ`দের হতে ১ জনকেও নেওয়া হয় নি...
--- আমি আমার ইংরেজীর দূ`বলতা এবং এলা`জি গত সমস্যার জন্য পরিক্ষায় ভাল করতে পারিনাই
কিন্তু পরে আর পরিক্ষা দিতে জাইনাই... সেইটা অন্য কারনে..
কিন্তু আমার মনে হয় ISSB হতে selected একজন অফিসার অবশ্যই যোগ্য... যা আমার নিজের অভিঙ্গতা হতে বিস্বাস করি...
যাদের ISSB তে পরিক্ষার অভিঙ্গতা আছে তাদের সাথে আরো আলোচনা করলে আপনার ভুল ভাংবে আশা করি...
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ব্যপারগুলো অবশ্যই বিবেচনায় রাখবো!
লেখক বলেছেন:
!
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আইএসএসবিতে যোগ্যরাই ঢুকে। পরে নানা প্রেসারে অযোগ্য হয়। বেচে গেছেন নতুন এবং নেমেসিস। মানুষ থাকতে পেরেছেন। তা হলে আপনাদের পরিবারই শুধু শান্তি পেত। আপনারা না...
অ্যামাটার বলেছেন:
@রন্টি চৌধুরী:তোমার কমেন্টগুলো পোষ্ট আকারে দেবার অনুরোধ করছি...
লেখক বলেছেন: আমারও সেই প্রত্যাশা!
নেমেসিস বলেছেন:
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আইএসএসবিতে যোগ্যরাই ঢুকে। >>> কথাটা ঠিক। লাস্ট ISSB র ব্যাচমেট [ একসাথে বাইরে এবং ISSB চলাকালীন সময়ে প্রাকটিস করা বন্ধু ] ঐ লং কোর্সে বেস্ট ক্যাডেট হৈয়া সোর্ড পাইছিল ।
অখন হ্যাতে কুনাই আর আই কুনাই
সায়েম হক বলেছেন:
দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরূদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে দেখছি।
লেখক বলেছেন: সেটাই!
ফাহমিম বলেছেন:
যদিও লেখা টা বেশ বায়াজড...লেখার ধাঁচ টা ভালো লাগলো।তাই প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফাহমিম ভাই। আমি বিক্ষত_অসার!
সাব্বির শাহরিয়ার বলেছেন:
না জেনে আর্মি সর্ম্পকে কথা আমরা না বলি। লেখাজোকা শামীম ভাই ঠিক কথা বলছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
নতুন বলেছেন:
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:২০ রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আইএসএসবিতে যোগ্যরাই ঢুকে। পরে নানা প্রেসারে অযোগ্য হয়। বেচে গেছেন নতুন এবং নেমেসিস। মানুষ থাকতে পেরেছেন। তা হলে আপনাদের পরিবারই শুধু শান্তি পেত। আপনারা না...তা এক রকম ঠিক... কারন ঐ খানে যাবার পরে... ওরা মানুষটাকে ভেঙ্গে আবার ওদের মত করে গড়ে তোলে....
এই কারনেই আর পরে আমি`তে পরিক্ষা দিতে যাইনাই..
অ্যামাটার বলেছেন:
@হমপগ্র ভাই,আপনাকে উৎসর্গ:http://www.somewhereinblog.net/blog/amateur1971blog/28818637
ফাহমিম বলেছেন:
বিক্ষত অসার,মানে মাসুম ভাই?একটা প্রশ্ন আসলো মনে আপনার পোস্ট টা দ্বিতীয়বার পড়ে।
এখন যদি দারোয়ান দিয়ে দেশ চালানো হয়,তাহলে এর আগে যারা চালাচ্ছিলো তাদের কে কি বলবেন?
মাকাল গালিব বলেছেন:
েবড়ায় তখন ফসল খায়
কাঙাল বলেছেন:
আমাদের সেনাবাহিনী সবচে মেধাবী....... কোথায় যেন দেখলাম? ও হাঁ.......এইবার বুজেন, পশ্চিমা সেনাদের কি অবস্থা
শিট সুজি বলেছেন:
বাংলাদেশ এর সবচেয়ে বড় এবং unproductive খাত হলো সেনাবাহিণী । সেনাবাহিণী দেশে দরকার নেই এমন কথা তো বলা যাবে না । সব দেশে ই সেনাবাহিণী আছে এবং এর দরকার ও আছে ।important বিষয় হলো এই দেশে কি রকম সেনাবাহিণী দরকার, তাদের পাছনে কতটুকু খরচ করা দরকার... ইত্যাদি বিষয়ে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত । আমাদের রাজনৈতিক দলের নেতারা সেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় চরম অগ্গতার পরিচয় দিয়েছেন । এত বড়
সেনাবাহিণী এই দেশের জন্য বোঝা ।
সেনাবাহিণী তে একজন সদস্য কে যে ধরনের দায়িত্ব পালন করতে হয় তাতে বোধকরি খুব বেশি যোগ্যতার দরকার নেই । বরং বেশি মেধাবী হলে নানারুপ সমস্যা দেখা দিতে পারে ।
এবং বর্তমানে দারোয়ান দের দ্বারা যে দেশ চালিত হচ্ছে এই পরিস্থিতির জন্য কে দ্বায়ী । ?
সৌম্য বলেছেন:
আপনি যেই লিখাটা লিখলেন সেটা আপনার বন্ধুর অভিজ্ঞতা ধার করে। সেটা কতটা যুক্তি গ্রাহ্য। নীলক্ষেতের মোড়ে পাওয়া যায় যেই সব সস্তা আই এস এস বি গাইড ওসবে এইসব কোয়েসচেন থাকে। আইএস এস বি (ইন্টার সার্ভিস সিলেকশান বোর্ডে যেই প্রশ্ন গুলো করে ওগুলো সাইকোলজীর লোকেরা বানায়)। আপাত দৃষ্টিতে ব্যাপারটা অর্থহীন লাগলেও আপনি সময় নিয়ে দেখলে বুঝবেন কিছু প্রফেশনাল সাইকোলজিস্ট এমন একটা কিশোরকে বেছে নিচ্ছে যে লড়াই করবে। তাকে আপনার মত বুদ্ধিজীবি বা ব্রিলিয়ান্ট হতে হবে না , সে সৈনিকদের নিয়ন্ত্রন করতে পারবে। আর ফিজিকাল যেই টেস্ট গুলো আপনি বলছেন সেটাও সত্যি। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। প্রিলি আর ফাইনাল দুই মেডিকেলেই নেংটো করে টেস্ট করে। প্রটেস্ট গ্ল্যান্ডের আকৃতি, আর পাইলস টেস্ট করে। আপনাকে তো জোড় করে কাপড় খুলে আপনার পেনিস হাতাচ্ছে না। আপনি একটা প্রফেশনে যাচ্ছেন, তার রিতি নীতি মানলে আপনি টেস্ট করতে দেবেন। আর যেহেতু এই পেশাটায় সুস্থ শরীরের প্রয়োজনীয়তা সবার আগে তাই পরীক্ষা নেবে এটাই স্বাভাবিক, তাই না।
আই এস এস বি তে ৪ দিনে ২৬ টা পরীক্ষা হয়, এর মাঝে আই কিউ পরীক্ষাতেই বাদ যায় বেশি। এটা করে যাতে ২৪ মাসের ভয়ঙ্করতম ট্রেনিংএর পর তার যেন প্রয়জনীয় আই কিউ অবশিষ্ট থাকে।
এটা একটা পেশা। এর বেশি কিছু না। পৃথীবীর প্রাচীনতম পেশার একটা। কোটি কোটি বছরে হাজার কোটি লোক এই পেশায় ছিল, তাদের অভিজ্ঞতা প্রজ্ঞা আর বুদ্ধিমত্বা দ্বারা এই বিজ্ঞান তৈরি।
আমার এক কাজীন দূর্ণীতি কমিশনে আছেন, ওর কাছে এই সরকার আসার পর শুনলাম, আর্মি অফিসার রা নাকি দেদারছে প্রাইভেটকার কিনছে, আর তা নাকি ৮৫% এর ও উপড়ে! দুধ নাকি রেশনে ২টাকা লিটার!
চাঙ্কু বলেছেন:
হুম । পড়লাম
শফিকুল বলেছেন:
রাঙা মীয়া বলেছেন: যথার্থ পোস্ট। গল্পগুলো পড়ে হাসতেই আছি।++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
@ রাঙা মীয়া আমিও হাসতেই আছি।
@ হমপগ্র
এরা সব পারে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শফিকুল ভাই।
ভাল থাকবেন!
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
সৌম্যের কমেন্ট পড়ে হাসতে হাসতেই শেষ।


















