আমার বন্ধুর মাধ্যমে কোয়ান্টামের নাম শুনি। সেখানে দুইদিন ফ্রী মেডিটেশনও করে আসি। তারপর থেকে মেডিটেশন সম্পর্কে আমার বেশ কৌতুহল হয়। আমি কোয়ান্টামের অফিসে গিয়ে দেখেছিলাম, সেখানে মহানবী (সঃ ) এর কথার পাশে গৌতম বুদ্ধের কথাও আছে। বেশ ভাল, সেক্যুলার একটি প্রতিষ্ঠান।
কিন্তু মহাজাতকের কতগুলো কাজ আমি মেনে নিতে পারলাম না।
মেডিটেশন করা হয় মনের শক্তি বাড়ানোর জন্য। কিন্তু মেডিটেশনের মধ্যে কান্নাকাটি করার কোন অর্থ খুজে পাই না। কান্নাকাটি করা দুর্বল মনের পরিচায়ক বলেই আমার মনে হয়। একটা মেডিটেশনে বাবা মার আদর কল্পনা করতে বলা হয়। সেখানে একজন আবেগ আপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলতে পারেন সেটাতে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই।
কিন্তু ফিলিস্তিনের জন্য আয়োজিত দোয়ায় কেন কান্নাকাটি করা হবে? সেখানে নাকি হলের সবাই কাঁদছিলেন। আর দোয়া করছিলেন। মহাজাতকের কান্নার জন্য নাকি মাইকে কথাও শোনা যাচ্ছিল না।
আমার কথা হলো, যেখানে মনকে শক্ত করার জন্য ট্রেনিং দেওয়া হয় সেখানে মনকে দুর্বল করা কাঁদানোর মানে কী? আর পুরা হল ভরে কান্নাকাটি করে ফিলিস্তিনের কী লাভ হলো? এইসব গাঁজাখুড়ি কাজের মানে কী?
মহাজাতক, পারলে একটা ৫০ লাখ টাকা পাঠান সবার কাছ থেকে ডোনেশন নিয়ে। পারলে যমুনা ফিউচার পার্কের মত অথর্ব জিনিস না বানিয়ে আপনার ছাত্রদের বিজ্ঞানাগার বানাতে উৎসাহিত করুন। পারলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশে একটা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট বসানোর কাজে হাত দিন। পারলে দেশকে এতটাই উন্নত করুন যাতে করে অন্য দেশের বিপদে আমরা এগিয়ে যেতে পারি। তাদের দুর্দিনে পাশে দাঁড়াবার মত যোগ্যতা আমাদের হয়।
কান্নাকাটি করে মনকে দুর্বল করা কোন মেডিটেশনের গুরুর কাজ হতে পারে না। দুঃখিত!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



