১৬.০১.০৮
তাইলে নিজের ভিতরই বন্দী। ভালো হইছে। নিজেই জিগাই নিজেরে। প্রশ্নগুলি যখন বেয়াদপি'র পর্যায়ে পড়ে, তখনই প্রশ্ন আসে, কে আসলে 'যোগ্যতা' রাখে? কেন উত্থাপন করতে পারে প্রশ্ন? লেবেলগুলি তো একই না, কিন্তু কি কইরা তারা 'গঠিত' হইতেছে? যাইবো তারা কোন গর্তে . . . বরং লিখা যাইতো হয়তো, সেলিম আল দীন এর মৃত্যুকে কেন্দ্র কইরা জেগে উঠা আমার অজ্ঞতা সমুহ . . .
এনটিভি'র সাময়িকীতে দেখালো তার পুরান একটা ইন্টারভিউ গতকাল, ব্রাত্য রাইসু'র বিডিআর্টস . . . আজফার হোসেন এর চিবানো বাংলায় . . . সন্দেহ নাই, তাদের কথা আমাকে এনারজাইজ করে . . . মনে হয়, আমিও কিছু বলি . . .
গতকাল সারাটা রাত গেলো, অহেতুক
অজ্ঞতার প্রায়শ্চিত্তস্বরূপ, সেলিম আল দীন এর ছবি দুইটা কিনলাম - চাকা আর কীর্ত্তনখোলা। চান্স পাইলে নাটকগুলাও দেখবো;
সায়মন আর গারফাংকেল এর সিডি কিনলাম, শুনতেছি; এতদিন তো শুধু নাম-ই শুইনা গেলাম: সেলিম আল দীন, সায়মন অ্যান্ড গারফাংকেল . . . তারা তো নিশ্চয় কোন সাত্বনা দিবেন, আমাকে . . .
সলিমুল্লাহ খান এর লাঁকা টা পড়া হইতেছে না। পড়বো, পড়বো . . . আরো কত কী!
বালের বইটা বাইর করার আর কোন ইচ্ছাই হইতেছে না . . . কোন কারণে বাদ কইরা দিতে পারলে ভালো হয়। সম্ভবত, তা-ই করবো। কি দরকার এইসব আজাইরা আকামের!
এক ফর্মা'র কবিতার বইটা করবো। জানুয়ারীর শেষ সপ্তাহে। ১০০ কপি। খাওয়ানো যাইবো তো লোকজনরে। বোঝা যাতে না টানতে হয়, তাইলে হয়!
সারাদিন কত কাজ করতে চাই আমি, সা - রা - দি - ন পুট কইরা শেষ হইয়া যায় . . . দেখি, সন্ধ্যাবেলা . . . মোচড় দিয়া রাত হইলো, তারপর কি আর করবো আমি এই করতে করতেই শেষ
এইটাকে শেষ মনে করে তাকাই পিছনের দিকে, সেই সময়টাও তো ছিল এইরকম-ই . . .
বিকাল ৪:৪৩
১৭.০১.০৮
অ-কবিদের আলাপ পড়লাম মনে হইলো, সেলিম আল দীন এর সাথে রায়হান রাইন, মাহবুব মোর্শেদ আর সায়মন জাকারিয়ার কথা-বার্তাগুলি পইড়া। এমন না যে, ভালো লাগে নাই। অনেক কথাই বলছেন, সেলিম আল দীন; একমত হওয়ার মতো এবং না-হওয়ার মতো। তার তেজ টের পাওয়া গেলো। খুবই পরিশ্রমী একজন লোক। আহ্, যদি এমন শিল্প-সাহিত্য করার মতো জীবন হইতো, আমিও হয়তো এইরকম ফুলটাইমার হওয়াটাই পছন্দ করতাম।
ভাষার নির্মিতির একটা আলাপ আসছে, ভাষাটারে বানইতে হবে . . . কিন্তু এর মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ততার কি কোন জায়গা নাই! এই যে তারে বানাইতে হবে এর মধ্যে একটা এলিট চইলা আসছে, সে নিজেরে বানায় বা গঠন করে, সে কিভাবে গঠিত হয়, তার রূপটা কি স্বচ্ছ ও স্বতঃস্ফূর্ত না সবসময়! যে কথা বলতেছে, যারে নিয়া বলতেছে, যেখানে বলতেছে, যাদেরকে বলতে চাইতেছে তারাই তো খেলে ভাষার খেলাটা . . . অন্য জায়গায় (বাংলা একাডেমি থিকা প্রকাশিত, তিনটা নাটকের বইয়ের শেষ দিকে) মধ্যবিত্তের বিনোদন হিসাবে তার নাটক আলোচিত হইছে বইলা তার খারাপ লাগছে; আসলেই শিল্পের বিচার কতোটা হইছে এই বাংলাদেশে, উপেক্ষা ছাড়া আর বন্দনাব্যতীত!
আজ তো কেবল গুণগ্রাহী সমপ্রদায় তল্পিবইয়া যাইতেছেন, ভাব করতেছেন, ইহাই সমালোচনা ও আলোচনা। গ্রহণে বাধে না, বাধে বিচারে। কোন বিচারই নাই এইখানে।
জিফরানরে মেইল করলাম একটু আগে, এক জায়গায় লিখলাম যে, 'মুখ খুললেই তো খালি র্দুগন্ধ বাইর হয়' আসলে লিখা দরকার ছিল যে, 'মুখ খুললে কেবলই বেদনা নিঃসৃত হয় . . . '
এত যে কথা কিলবিল করে, তারা তো কোন কথাও বলতে পারে না। বইলা প্রমাণ করতে হইলো যে কাদম্বিনী মরে নাই!
রাত ১২:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



