somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডায়েরি।। জানুয়ারী, ২০০৮।। ঢাকা।। (২য় অংশ)

২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৬.০১.০৮

তাইলে নিজের ভিতরই বন্দী। ভালো হইছে। নিজেই জিগাই নিজেরে। প্রশ্নগুলি যখন বেয়াদপি'র পর্যায়ে পড়ে, তখনই প্রশ্ন আসে, কে আসলে 'যোগ্যতা' রাখে? কেন উত্থাপন করতে পারে প্রশ্ন? লেবেলগুলি তো একই না, কিন্তু কি কইরা তারা 'গঠিত' হইতেছে? যাইবো তারা কোন গর্তে . . . বরং লিখা যাইতো হয়তো, সেলিম আল দীন এর মৃত্যুকে কেন্দ্র কইরা জেগে উঠা আমার অজ্ঞতা সমুহ . . .

এনটিভি'র সাময়িকীতে দেখালো তার পুরান একটা ইন্টারভিউ গতকাল, ব্রাত্য রাইসু'র বিডিআর্টস . . . আজফার হোসেন এর চিবানো বাংলায় . . . সন্দেহ নাই, তাদের কথা আমাকে এনারজাইজ করে . . . মনে হয়, আমিও কিছু বলি . . .

গতকাল সারাটা রাত গেলো, অহেতুক

অজ্ঞতার প্রায়শ্চিত্তস্বরূপ, সেলিম আল দীন এর ছবি দুইটা কিনলাম - চাকা আর কীর্ত্তনখোলা। চান্স পাইলে নাটকগুলাও দেখবো;

সায়মন আর গারফাংকেল এর সিডি কিনলাম, শুনতেছি; এতদিন তো শুধু নাম-ই শুইনা গেলাম: সেলিম আল দীন, সায়মন অ্যান্ড গারফাংকেল . . . তারা তো নিশ্চয় কোন সাত্বনা দিবেন, আমাকে . . .

সলিমুল্লাহ খান এর লাঁকা টা পড়া হইতেছে না। পড়বো, পড়বো . . . আরো কত কী!

বালের বইটা বাইর করার আর কোন ইচ্ছাই হইতেছে না . . . কোন কারণে বাদ কইরা দিতে পারলে ভালো হয়। সম্ভবত, তা-ই করবো। কি দরকার এইসব আজাইরা আকামের!

এক ফর্মা'র কবিতার বইটা করবো। জানুয়ারীর শেষ সপ্তাহে। ১০০ কপি। খাওয়ানো যাইবো তো লোকজনরে। বোঝা যাতে না টানতে হয়, তাইলে হয়!

সারাদিন কত কাজ করতে চাই আমি, সা - রা - দি - ন পুট কইরা শেষ হইয়া যায় . . . দেখি, সন্ধ্যাবেলা . . . মোচড় দিয়া রাত হইলো, তারপর কি আর করবো আমি এই করতে করতেই শেষ

এইটাকে শেষ মনে করে তাকাই পিছনের দিকে, সেই সময়টাও তো ছিল এইরকম-ই . . .

বিকাল ৪:৪৩


১৭.০১.০৮

অ-কবিদের আলাপ পড়লাম মনে হইলো, সেলিম আল দীন এর সাথে রায়হান রাইন, মাহবুব মোর্শেদ আর সায়মন জাকারিয়ার কথা-বার্তাগুলি পইড়া। এমন না যে, ভালো লাগে নাই। অনেক কথাই বলছেন, সেলিম আল দীন; একমত হওয়ার মতো এবং না-হওয়ার মতো। তার তেজ টের পাওয়া গেলো। খুবই পরিশ্রমী একজন লোক। আহ্, যদি এমন শিল্প-সাহিত্য করার মতো জীবন হইতো, আমিও হয়তো এইরকম ফুলটাইমার হওয়াটাই পছন্দ করতাম।

ভাষার নির্মিতির একটা আলাপ আসছে, ভাষাটারে বানইতে হবে . . . কিন্তু এর মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ততার কি কোন জায়গা নাই! এই যে তারে বানাইতে হবে এর মধ্যে একটা এলিট চইলা আসছে, সে নিজেরে বানায় বা গঠন করে, সে কিভাবে গঠিত হয়, তার রূপটা কি স্বচ্ছ ও স্বতঃস্ফূর্ত না সবসময়! যে কথা বলতেছে, যারে নিয়া বলতেছে, যেখানে বলতেছে, যাদেরকে বলতে চাইতেছে তারাই তো খেলে ভাষার খেলাটা . . . অন্য জায়গায় (বাংলা একাডেমি থিকা প্রকাশিত, তিনটা নাটকের বইয়ের শেষ দিকে) মধ্যবিত্তের বিনোদন হিসাবে তার নাটক আলোচিত হইছে বইলা তার খারাপ লাগছে; আসলেই শিল্পের বিচার কতোটা হইছে এই বাংলাদেশে, উপেক্ষা ছাড়া আর বন্দনাব্যতীত!

আজ তো কেবল গুণগ্রাহী সমপ্রদায় তল্পিবইয়া যাইতেছেন, ভাব করতেছেন, ইহাই সমালোচনা ও আলোচনা। গ্রহণে বাধে না, বাধে বিচারে। কোন বিচারই নাই এইখানে।

জিফরানরে মেইল করলাম একটু আগে, এক জায়গায় লিখলাম যে, 'মুখ খুললেই তো খালি র্দুগন্ধ বাইর হয়' আসলে লিখা দরকার ছিল যে, 'মুখ খুললে কেবলই বেদনা নিঃসৃত হয় . . . '

এত যে কথা কিলবিল করে, তারা তো কোন কথাও বলতে পারে না। বইলা প্রমাণ করতে হইলো যে কাদম্বিনী মরে নাই!

রাত ১২:৪০
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×