চলচ্চিত্র ও ইহুদীবাদ
১২ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:০৩
চলচ্চিত্র এবং ইহুদীবাদের মধ্যে সম্পর্কের রহস্যটি কি? গত শতাব্দীর বহু গবেষক এবং বিশেষজ্ঞের কাছে এটি ছিল একটি বিশেষ জিজ্ঞাসা। কিন্তু সে জিজ্ঞাসার সন্তোষজনক কোন জবাব তারা নিরূপণ করতে সক্ষম হননি বলেই প্রতীয়মান হয়।
সুনিদিষ্ট জবাব নিরূপিত না হলেও এই শিল্পখাতের ওপর আন্তর্জাতিক ইহুদীবাদের অনস্বীকার্য প্রভাব নিয়ে কেউ দ্বিমত পোষণ করবেন না।
নানা কৌশলে এই শিল্পকলা ইহুদীচক্রের বহুবিধ উপকার ও স্বার্থ পূরণে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই দাবী নিছক কোন সংস্কার প্রসূত ধারণা নয়, বরং দ্বিতীয় সহস্রাব্দের শেষভাগে বিশ্বব্যাপী সিনেমা শিল্পের বিপুল ব্যাপ্তি ও বিকাশ লাভের প্রেক্ষাপটে এই ধারায় সম্পাদিত বিস্তর গবেষণা ও অধ্যয়নের সূত্রেই সেটি স্পষ্ট।
আজ হলিউডে যে সকল ব্যক্তিত্ব সর্বাধিক খ্যাতি সম্পন্ন এবং প্রভাবশালী -তাদের অধিকাংশই ইহুদী। প্রকৃতপক্ষে কেবল ইহুদী হবার কারণেই তারা অন্যদের তুলনায় অধিকতর সুযোগ সুবিধা ও আনুকুল্য লাভে সক্ষম হয়েছেন, উঁচু মাত্রায় সফল ক্যারিয়ার বিনির্মাণ করতে পেয়েছেন। বস্তুতঃ ইহুদীবাদ হচ্ছে চিন্তা ও বিশ্বাসের জগতে একটি স্বতন্ত্র মতবাদ-যা কিনা মুসা (আঃ)কর্তৃক প্রচারিত ইহুদী ধর্ম থেকে ভিন্নতর। ইহুদীবাদ আর ইহুদীধর্ম -এই উভয়ের মধ্যকার পার্থক্য বিশেষ ভাবে প্রণিধানযোগ্য এবং দু'টোকে এক হিসাবে বিবেচনার অবকাশ নেই। কিন্তু ইহুদীবাদ তার উদ্ভবের সময় থেকেই ইহুদী ধর্মের মুখোশ পরিধান করে এগুতে চেষ্টা করেছে এবং এ কারণে তাদের গোপন সংঘ বা ক্লাবের প্রায় সকল সদস্য বাছাই করা হয়েছে ইহুদীদের মধ্য হতে। এ সকল ইহুদী ধর্মাবলম্বী যাদেরকে ইহুদীবাদী বলাই শ্রেয় তারা পাশ্চাত্যের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রসমূহ অন্যদের চাইতে অগ্রসর অবস্থানে অধিষ্ঠিত ।
শিল্পকলা ও প্রযুক্তির অন্যতম প্রতিভু হলিউড এই প্রাসঙ্গিকতার বাইরে নয় এবং এই বাস্তবতাকে সে কখনও অস্বীকারের চেষ্টাও করেনি। হলিউডের জটিল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা বেশ কিছু অলিখিত রীতি-নীতি অনুসরণ করে চলে। যেমন , সেখানকার উঁচু পর্যায়ে শিল্প , পেশাজীবী এবং সংবাদ মাধ্যম সংশ্লিষ্ট চাকরি সমূহে ইহুদীরাই নিয়োগ প্রাপ্তির জন্যে প্রথম পছন্দ। এটা হচ্ছে সর্বাবস্থায় ইহুদীদেরকে অগ্রাধিকার প্রদানের রীতি এবং সে সকল ইহুদীদের মধ্যে যাদের ইহুদীবাদী চেতনা বিদ্যমান তারা শীর্ষ পর্যায়ে উন্নীত হবাব ক্ষেত্রে অধিকতর আনুকূল্য পেয়ে থাকে । অন্যদিকে, কোন ইহুদী যদি ইহুদীবাদী নীতি ও কর্মকৌশলকে সমর্থন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে ইহুদী ধর্মাবলম্বী হওয়া সত্তেও তিনি হলিউডের গৌরব হিসাবে কৃতিত্ব অর্জনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন ।
মাফিয়া-চক্রের কর্তৃত্বাধীন পরিচালিত হলিউডে সাধারণ কোন ইহুদী যিনি উগ্রইহুদীবাদী চেতনায় বিশ্বস্ত নন তার জন্য কোন সহানুভুতি নেই। এর প্রকৃষ্ট প্রমাণ চলচ্চিত্র জগতের শেষ্ঠ শিল্পীদের একজন বিশ্ববিখ্যাত চার্লস চ্যাপলি যাঁকে দৃশ্যপট থেকে সরিয়ে দেয়া হয় এবং জীবনের শেষ পাঁচটি বছর নির্বাসিত ও নিঃসঙ্গ জীবন যাপনে বাধ্য করা হয়।
চার্লস চ্যাপলিন একটি দরিদ্র ইহুদী পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে চলচ্চিত্র শিল্প বিকশিত হবাব গোড়ার দিকেই চ্যাপলিন স্বীয় মেধা ও সৃজনশীলতার বদৌলতে ব্যাপক খ্যাতি ও অর্থ অর্জনে সক্ষম হন। ইহুদী শিল্পী হিসাবে তিনি পপ্রথম পপ্রথম একজন সৎ ও বাস্তহারা ইহুদীর চরিত্রে অভিনয় করেন। হলিউডের নীতি-নির্ধারকগণ পপ্রথমটায় ঠিক এমনটিই চেয়েছিলেন। ফলশ্রুতিতে চ্যাপলিন দ্রুত হলিউডের সর্বাধিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পীদের একজন হয়ে যান এবং এই খ্যাতি তাকে নিজের নির্মিত ছবি পপ্রকাশে উদ্বুদ্ধ হবার সুযোগ করে দেয়।
একপর্যায়ে তিনি অনুভব করেন, হলিউডের মাফিয়াচক্রের সৃষ্টনিয়ম পদ্ধতির বেড়াজাল ছিন্ন করে প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরার সময় এসেছে। প্রতীকী দরিদ্র ও নির্যাতিত ইহুদীর চরিত্রে অভিনয়ের পরিবর্তে চ্যাপলিন এমন সব চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন যেখানে তাকে দেখা যায় একজন দাম্ভিক বিত্তশালী হিসাবে অথবা একজন অত্যাচারী একনায়ক হিসাবে।এমনি কৌশলে চ্যাপলিন পশ্চিমা মূল্যবোধের মুখোশ উন্মোচন করতে থাকেন। ইহুদীবাদী গোষ্ঠী এহেন প্রবণতাকে মোটেই মেনে নিতে পারলেন না এবং তারা দ্রুত চ্যাপলিন সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ধারণা ছড়িয়ে দিতে যত্নবান হলেন। তারা চ্যাপলিনকে কমু্যনিষ্ট বলে অভিযুক্ত করলো এবং তার দ্বারা অভিনয় বা ছায়াছবি নির্মাণ কাজের ওপর অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো। আর এভাবেই জীবনের মাঝপথে শেষ হয়ে যায় চলচ্চিত্র ইতিহাসের কিংবদন্তী চ্যাপলিনের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার। কারণ ছিল একটাই, চ্যাপলিন ইহুদীবাদী উগ্র চেতনাসম্পন্ন গোষ্ঠীর দাবীর কাছে মাথা নত করেননি। চ্যাপলিনকে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগে বাধ্য করা হয় এবং তার দেশে ফিরে আসার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়। চ্যাপলিনের কাহিনী আমেরিকার চলচ্চিত্র শিল্পের জগতে কোন একক ঘটনা নয়। বরং ইহুদী হবাব পাশাপাশি ইহুদীবাদী মতাদর্শের জন্য নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে অনেকেই রাতারাতি বিত্তবিভব এবং খ্যাতির শীর্ষে উঠে আসতে সক্ষম হন।
সমপ্রতি ইন্টারনেটে হলিউডের ইহুদী তারকাদের নামের একটি দীর্ঘ তালিকা পাওয়া গিয়েছে। তালিকার শিরোনাম হচ্ছে, 'হলিউড কি ইহুদীদের'?
২৮পৃষ্ঠার তালিকার সংকলক জানাচ্ছেন যে, এই নামসমূহ সম্পূর্ণ কোন তালিকা নয়। উক্ত তালিকায় ব্যাপকভাবে পরিচিত ইহুদী প্রযোজক, পরিচালিত, অভিনেতা, অভিনেত্রী, চিত্র সংলাপ লেখক এবং সংগীতজ্ঞদের দেড় হাজার নামের উল্লেখ রয়েছে।
হলিউডের ইহুদীবাদী গোষ্ঠী সর্বাধিক কৃতিত্ব অর্জন করেছে শিশুদের জন্য গতিময় আকর্ষণীয় ছবি নির্মাণ কাজে। ডিজনী ওয়াল্টের নাম শোনেনি এমন লোক এখন নেই বললেই চলে। স্মরণ করা যেতে পারে যে, ডিজনী ওয়াল্টের পপ্রথম বিখ্যাত চরিত্র ছিল মিকি মাউজ, যে চিত্রিত হয়েছে একজন নির্যাতিত ইহুদী হিসাবে এবং অপেক্ষাকৃতশক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীদের দ্বারা সব সময় চাপ ও হুমকির মধ্যে থেকেও স্বীয় মেধা বলে সকল প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে সফল এক নায়করূপে আবির্ভূত হয়েছে। একই চিত্র টম এবং জেরীর বেলাতেও প্রযোজ্য। এসব কার্টুন চরিত্রের বৈশিষ্ট্য হচেছ এরা অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন এবং দেখতে কুৎসিত এবং দর্ুবল হবাব কারণে প্রথম দিকে অন্যদের কাছে উপেক্ষা ও উপহাসের পাত্র থাকে কিন্তু শেষটায় গিয়ে তারা তাদের শক্তিশালী প্রতিপক্ষের ওপর জয়লাভ করে এবং প্রতিহিংসা উদ্দীপ্ত করে।
কুৎসিত ডাকর্লি এবং ডাম্বু, উড়ন্ত হাতি এরূপ চরিত্রের উদাহরণ। ডাম্বুর মা এমন টুপি পরতেন যা থেকে বোঝা যায় যে, তিনি একজন ইহুদী এবং তাকে নিজ সন্তানের পক্ষাবলম্বনের কারণে কারা নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছিল। অপর এক দৃশ্যে দেখা যাবে যে, ডাম্বু একটা সার্কাসে এমন একটি পতাকা উত্তোলন করছে যা কিনা- ইহুদীবাদী রাজত্বকালের সদৃশ পতাকা।
হলিউডের ইহুদীবাদী কতর্ৃত্ব কোন কিছুতে শ্রদ্ধাশীল নয় বরং তারা সমাজের অধিকাংশ ইতিবাচক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ায়, এমনকি ধর্মীয় বিশ্বাস ও চেতনার বিরুদ্ধেও তারা তৎপর।
ঐসব ছায়াছবির কিছু কিছু কাহিনী এমন ভাবে সাজানো হতো যাতে দর্শকদের কাছে সুনিদিষ্ট রাজনৈতিক বার্তা পেঁৗছে যায়। যেমন সিংহ রাজা (দি লায়ন কিং) বইটিতে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়া এবং সেই সূত্রে দুই পরাশক্তির দীর্ঘ কালের দ্বন্দ্বের অবসানের ঘটনা প্রবাহকে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গীসহ রূপকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
একই নির্মাতা কোম্পনী নুহ (আঃ), মুসা (আঃ), ইউসুফ (আঃ) প্রমুখ বিশিষ্ট নবীদের জীবনী কেন্দ্রিক বেশ কিছু উপভোগ্য ছায়াছবি নির্মাণ করেছে যে গুলো মূলতঃ বিকৃত কাহিনীকে ভিত্তি করেই নির্মিত।
এধরণের মূর্ত চিত্রকর্ম ছাড়াও হলিউডের ইহুদীবাদী গোষ্ঠী সামপ্রতিক কয়েক দশকে শিশুদের জন্য নির্মিত ছবিগুলোতে বিশেষ চরিত্রের গতানুগতিক কাহিনী বার বার বহুভাবে উপস্থাপন করেছে। অধিকাংশ ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে পিতামাতার নিকট থেকে হারিয়ে যাওয়া বা অপহৃত শিশু সন্তানের বেড়ে ওঠার কাহিনী। কাহিনীর গতানুগতিকতায় স্থান পেয়েছে বাস্তুভিটা ত্যাগী ইহুদী সন্তানের পরিবার, বাসস্থান ও উত্তরাধিকার বঞ্চনার গল্পকথা ।
(চলবে)
লেখক বলেছেন: যুক্তি কােক বলে ?
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
আপনার লেখা ঠিক নিরপেক্ষ দৃষ্টিভংগী থেকে না;এন্টিসেমিটিজম বোধ অনেকাংশেই স্পষ্ট।তারপরেও আপনার দেয়া তথ্যগুলো সত্য।আমি যতদূর জানি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । ভাইজান নিরপেক্ষতার সংজ্ঞা কি ?
নতুন বলেছেন:
আজ হলিউডে যে সকল ব্যক্তিত্ব সর্বাধিক খ্যাতি সম্পন্ন এবং প্রভাবশালী -তাদের অধিকাংশই ইহুদী। প্রকৃতপক্ষে কেবল ইহুদী হবার কারণেই তারা অন্যদের তুলনায় অধিকতর সুযোগ সুবিধা ও আনুকুল্য লাভে সক্ষম হয়েছেন, উঁচু মাত্রায় সফল ক্যারিয়ার বিনির্মাণ করতে পেয়েছেন। --------- হলিউডে যে সকল ব্যক্তিত্ব খ্যাতি অজন` করেছে তাদের ছবি দেখবে বুঝতে পারতেন যে তারা তাদের মেধার জন্যই সাফল্য পেয়েছে.... ইহুদীত্বের জন্য নয়....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
মাইনাস।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
চাগোল
লেখক বলেছেন: তুমি তো চিনা দাদা ;কোথায় লাগলো দাদাজীর ?!
হায়দার কািরগর বলেছেন:
মেল গিবসন একবার মদ খেয়ে হলিউডের ইহুদিদের গালি গালাজ করেছিলেন । বলেছিলেন " পৃথবীর আজকের যুদ্ধদশার জন্য ইহুদিরাই দায়ী" । পৃথিবীর বড় বড় মিডিয়া ডনরা ইহুদি। আপনার লেখায় আরও তথ্য দরকার। আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
ত্রিভুজ বলেছেন:
এই টপিকে বেশ কয়েকটি আর্টিকেল পড়েছিলাম। এর ভেতরে একটি আর্টিকেলে প্রচুর রেফারেন্স সহ ইহুদিদের ভয়াভয় মিডিয়া আগ্রাসনের প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছিলো। এদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে খোদ আমেরিকায়তেই অনেক বিখ্যাত সাংবাদিক সব হারিয়েছিলেন।
চমৎকার লেখা। পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অপেক্ষায় থাকুন
কুয়াশা বলেছেন:
চমৎকার তথ্য সমৃদ্ধ একটি লেখা। ধন্যবাদ। পরের ব্লগের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম। পরেরটি জন্য কতদিন অপেক্ষা করা লাগবে। কারণ আমি ব্লগে শীতের পাখির মত। কবে আপনি লেখা টি দিয়ে দিবেন আর আমি সেটি মিস করব তাই সময় টা জানতে চাওয়া।
লেখার জন্য আবারও ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কথামালা বলেছেন:
বেশ মজার তো...!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
শিট সুজি বলেছেন:
"পৃথবীর আজকের যুদ্ধদশার জন্য ইহুদিরাই দায়ী"মেল গিবসন মদ খেয়ে জব্বর কথা বলছিলেন ।
পরের পর্ব তাড়াতাড়ি ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । পরের পর্ব দেয়া হয়েছে। দেখুন
মেন্টাল বলেছেন:
হলিউড এবং ইহুদীবাদের ওপরে ত্রিভূজ ভাইয়ের একটি চিন্তাশীল পোস্ট আশা করছি।
লেখক বলেছেন: আপনার আবেদনটি ত্রিভুজকে আমি তো পৌছে দিতে পারবো না। আপনি ওনার কোন পোষ্টে মন্তব্য করুন। আর ধন্যবাদ জানাই আমার লেখা পড়ার জন্য।
রুম্মান বলেছেন:
হমমম.. আপনি zionism এ বিশ্বাস করেন। খুব ভালো অন্তত আরেকজনকে পাওয়া গেল। কিন্তু এই zionism এর conspiracy theory গুলো যতোই যৌক্তিক হোক না কেন সবাইকে বিশ্বাস করানো মুশকিল।
যাই হোক... একবার ঘুরে আসেন না এখান থেকে..। চমক আছে।
http://www.radioislam.org/zionism/
আর চ্যাপলিন "একনায়ক" হিসাবে অভিনয় করেছিলেন বটে, কিন্তু সেটা হিটলারকে ব্যঙ্গ করার জন্যেই, ১৯৪০ সালের দি গ্রেট ডিকটেটর নামের এই ছবিতে নাজিদের হাতে ইহুদীদের নির্যাতিত হওয়াকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে ... চ্যাপলিন একই ছবিতে এক ইহুদী ধর্মের নাপিতের ভূমিকাতেও অভিনয় করেছিলেন। ছবিটি বরং ইহুদী ধর্মাবলম্বীদের প্রতি সহানুভূতিশীল। চ্যাপলিনের সমাজবাদে বিশ্বাসের জন্যেই ১৯৫০ এর দশকের ম্যাককার্থিইজমের যুগে তাঁকে আমেরিকা ছাড়তে হয়।
আন্দাজে এরকম ভুয়া তথ্যবিশিষ্ট পোস্ট না দেয়াটাই ভালো।
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
তিরিভুজ ছাগুরামের এই ছদ্দনামে লিকিত পুষ্টটি পাট করি বেপক আনন্দ পাইলাম।আচ্চা আরবের শেকদের এত কুঠি কুঠি টাকা, তাহারা কেন হলিউডের এহুদিবাদিদের পুঙ্গা মারিয়া কম্পিটিষন তৈরি করে না? তাহারা কেন তাহাদের টাকা দিয়া উটের রেস দেকে, বালকদের পুঙ্গা মারে আর লাস বেগাসে গিয়া জুয়া খেলে?
তাহারা নিজেরা কিচু বলে না, আর তিরিভুজ ছাগুরাম মাজখান দি ফাল্পারে।
সামেদি মেডিভ বলেছেন:
@লেখক: আপনাকে Protocols Of The Learned Elders Of Zion পরার জন্য অনুরোধ করছি। এ তে করে আপনি এদের plan কতটা ruthless তা টের পাবেন বলে আশাকরি।ভালো থাকবেন।
আল্লাহ হাফিয।

















.jpg)

_____
মাইনাস