somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মনভাবনারা ইদানীং যেমন

২৮ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২৪ এপ্রিল, বিকাল ৫ টা

ইচ্ছে করে, ইচ্ছে করে,
বুকের মধ্যে বৃষ্টি ঝরে।

২৬ এপ্রিল, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা

আকাশ বন্ধু এই মন জানে,
বৃষ্টি বন্ধু আসে সেই টানে।

২৬ এপ্রিল, রাত আড়াইটা

আজ আর কালের মধ্যে ঝুলে আছি, এই শূণ্য সময়ে আমি স্বপ্ন দেখতে চাই।

২৮ এপ্রিল, রাত সাড়ে বারো

আকাশে চাঁদ উঠবেই এমন কোন কথা ছিলো না, জানি।
তবু যে মনটা অভিমানী। :(

২৯ এপ্রিল, রাত সাড়ে এগারো

আকাশ জুড়ে পূর্নিমার চাঁদ, এই মাটিতে চাঁদ কই?
খুঁজে তোমায় পাই বা না পাই, তোমায় তবু খুঁজবোই।

২৯ এপ্রিল, রাত ১২ টা

জেগে থাকতে ইচ্ছে হয়,
চাঁদের জোছনায়............।

৩০ এপ্রিল, রাত ৩ টা

ওটা সত্যি একটা স্বপ্ন ছিলো, আছে।
তুমি তারে মিথ্যে ভেবো না পাছে।

১ মে, রাত ৯টা

কথা হবার কথা ছিলো,
কথা বলার কথা রয়।
সময় বড় বদলে গেছে,
সময় শুধু বদলে যায়।

২ মে, রাত দেড় টা

মেঘ জানে, মাটি বৃষ্টি চায়।
তীব্র খরায়।
তবু হায়!
মেঘ শুধুই উড়ে বেড়ায়।

৪ মে, রাত ১১টা

Let the drop be rain.

৫ মে, রাত ১০টা

গুমোট আকাশ, গুমোট মন,
ঝড়ো হাওয়ায় উচাটন।

৭ মে, রাত ১২টা

আনন্দের বৃষ্টি এলো না, তবে না হয় দুঃখ জলেই ভিজি।

৮ মে, রাত দেড়টা

একটুখানি ছুঁয়ে দিলেই স্বপ্ন লাগা ঘোর,
বাস্তবতা যায় মিলিয়ে একটু ছোঁয়ায় তোর।

১১ মে, রাত ১২টা
আগুনে পুড়ে গেছে
একটা আকাশ,
একটা সকাল।
জানি দুপুর রোদে পুড়ে যাবে বাকি দিন।
আশ্চর্যজনকভাবে
নরম বিকেল আর প্রিয় সন্ধ্যাটা বাদ দিয়েই
নেমে আসবে রাতের অন্ধকার।
আমি সেই অপেক্ষাতেই আছি।

মে ১২, রাত সাড়ে ১০টা

আমি তো কোথাও নেই,
এখানে বা ওখানে।
মিটিমিটি জ্বলুক তারা
আঁধার রাতের সিথানে।

মে ১৩, রাত সাড়ে ১১টা

ও বৃষ্টির প্রথম ফোঁটা, তুই কি আমার কথা রাখবি না.............?

মে ১৫, রাত সাড়ে ৯টা

খুব তো বেশি নয় চাওয়া,
একটু হাওয়া,
বৃষ্টির ছোঁয়া..........

মে ১৬, রাত সাড়ে ৯টা

তবু কিসের যেন অপেক্ষা থাকেই যায়........

মে ১৭, রাত সাড়ে ৯টা

মন খারাপের সন্ধ্যেবেলায়
নেই নেই, কিছু নেই।
সারাদিনের মিছে খেলায়
নেই নেই, কিছু নেই।

মে ২১, সন্ধ্যা ৭টা

আমি কেউ না.......... :-(

মে ২২, বিকেল ৫টা

আকাশ মন,
কথা শোন......

মে ২৩, দুপুর আড়াইটা

প্রখর রোদে যখন জমিন পুড়ে চৌচির,
তখন অনাবৃষ্টিতে মন পুড়ে খাক হয়।
তবু চাতক পাখি বৃষ্টির প্রতীক্ষায়....।

মে ২৩, রাত ১১টা

আলোর প্রদীপ যখন নিভে যায়, প্রিয় চাঁদটাও ঠিক তখন ডুবে যায় কেন? :(

মে ২৩, রাত দেড়টা

ইচ্ছে করে খুব,
বাস্তবতা ভুলে গেয়ে স্বপ্নতে দেই ডুব।

মে ২৪, রাত দেড়টা

ভালোবাসি নীল আকাশ, ভাবছো তুমি শূন্যতা........।

মে ২৬, রাত ১২টা

চাইলাম একফোঁটা বৃষ্টি।
বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে দিলো।
এ যে আমার অনাসৃষ্টি,
আমার মনে দুঃখ ছিলো।

মে ৩০, রাত আড়াইটা

I am not me.

০৩ জুন, রাত ১০টা

হঠাৎ বৃষ্টি, তীব্র চাওয়া,
প্রথম ফোঁটায় তোরই ছোঁয়া।

০৭ জুন, রাত দেড়টা

তীব্র স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাই দুঃস্বপ্নের দিকে, তীব্র বিশ্বাস নিয়ে অবিশ্বাসে.......।

১০ জুন, রাত ১২টা

বাতাসের ছায়া পড়ে উঠোন জুড়ে,
জোছনার আলো চাই ভরদুপুরে।

১১ জুন, সন্ধ্যা ৬টা

একদিন ঠিক পালিয়ে যাবো, আমায় যাবো ছাড়ি,
আমি স্বপ্নগুলো ঘুম পাড়িয়ে জেগে থাকতে পারি।

১৩ জুন, রাত ৯টা

আকাশের সে রংয়ের খেলার কি মানে?
মন কি আর তুলির আঁচড় দিতে জানে!

১৩ জুন, রাত দেড়টা

শরীরেতে পচন আমার,
শরীর জুড়ে বিষ।
জোছনা জলে ভিজতে যেতে
সঙ্গে আমায় নিস।

১৫ জুন, রাত ১০টা

প্রথম বর্ষার
প্রথম বৃষ্টির
প্রথম ফোঁটা
তোকে দিলাম।

১৬ জুন, বিকেল ৪টা

অন্যরকম অন্যকিছু
অন্য কোন মানে,
তুমি জানো না, আমি জানি না,
শুধু আকাশ জানে।

২০ জুন, রাত ৩টা

মোবাইলটা অন্ধ,
চারদিক বন্ধ।
মেলে না ছন্দ।
সময়টা মন্দ।

২১ জুন, রাত ১টা

একটা আলপনা,
একটা ইচ্ছে,
শিল্পের কল্পনা
স্বপ্ন দিচ্ছে।

২৪ জুন, রাত ১০টা

চূড়ায় উঠে হাত বাড়িয়ে আকাশ ছুঁয়ে দিও,
মেঘের কাছে বৃষ্টি বাড়ির খবর জেনে নিও।

২৪ জুন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা

খুব দেখতে ইচ্ছে করে আকাশটা, মিটিমিটি তারা আজ জ্বলছে কি জ্বলছে না আকাশে। অন্ধ আমি, দু'চোখ মেলে শুধুই অন্ধকার দেখি....।

২৬ জুন, রাত ৯টা

আহারে! আজ জোছনা নাকি!
চাঁদ তবে তো দেয়নি ফাঁকি।

২৭ জুন, রাত ১২টা

ইচ্ছে মতো মুখোসটা তোর পাল্টে নিলি,
সস্তা কি এমন তোর চোখের ঐ স্বপ্নগুলি!!!!!


ছবির লিংক: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
১৯টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×