
আসুন চলে যাই এক স্বপ্নের দেশে। যেখানে আছে শুধু সুখ সমৃদ্ধি ও আইনের শাসন। কয়েকদফা পরিবর্তন ও রুপান্তরের মাঝ দিয়ে দেশটির নাম হয়েছে- ছাগস্হান। ৫৫ হাজার বর্গমাইলের দেশটির জনসংখ্যা মানানসই আছে। ১কোটিরও কম। বিভিন্ন সময়ে ধর্মযুদ্ধ ও দেশ বাঁচাও নামক উত্তম কর্ম-দ্বারা, অহেতুক ফালতু জনসংখ্যাকে বেহেসতের টিকিট ধড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে, তথাকথিত বস্তাবচা মুক্তিযোদ্ধা ,বাংলা ভাষার উপর যাদের অত্যাধিক আবেগতারিত কাফের জনগন, যারা নারীদের অধিকার, মুক্তবুদ্ধি নামক বেহায়াপনার সমর্থক, নাকট-সিনেমায় অভিনয় করা দোজকের জ্বালানী কাঠের সমতুল্য মানুষরুপী শয়তানদের, চিত্রশিল্পী, হাফপ্যান্ট পরুয়া খেলোয়ার সহ, পুর্ববর্তী বাংলাদেশ নামক দেশটির যারা ভাবিত ছিল , সবাইকে ও তাদের যত আ্ত্বীয় সজন ও বন্ধুবান্ধব গনকে এই বেহেসত সম ছাগস্থান নির্মানের জন্য জবাই করে পুন্য করা হয়েছিল। পুরো ছাগস্তানএ এখন ওম শান্তি ওম শান্তি ভাব বিরাজমান।
ছাগস্থান প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্ঠা জাতীর পিতা ছাগাজমকে জাতী্য ঐক্যের প্রতিক হিসেবে বিশেষ ভাবে কোমা করে রাখা হয়েছে। তাহার গায়ের সুগন্ধ এখন জাতীয় আতরেরও সুগন্ধী।

দেশটির সব বাড়ীর ওয়ালে ছাগ জাতীর পিতার ছবি টানানো।

বিশেষ বিশেষ ভবন ও মহাসড়ক সমুহে ছাগস্থান প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উতসর্গকারী বীরউ্ত্তম গনদের ফটো দিয়ে বিল বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। যারা ডিম থেরাপী নামক নাপাক শাস্তিতে শাহাদাত বরন করেছেন।


মহান বীরদের স্মরনে সড়ক সমুহের মোড়ে মোড়ে আধুনিক ত্রিমাত্রিক স্হাপত্য স্হাপন করা হয়েছে।


থিয়েটার / সিনেমা হল গুলোতে শুধু দেশাত্ববোধক ছাগসিনেমা প্রদর্শন হচ্ছে।


সমস্ত পার্ক সমুহে ছাগ প্রেমিক প্রেমিকারা আনন্দে আত্মহারা। আহা বরই সৌন্দর্য। কিন্তু এ ব্যবস্থা কেবল মাত্র ভিভিআইপি ছাগ ছাগিদের জন্য সংরক্ষিত। যা দেখে " পর্দা দেয়া অতটা আবশ্যক নয় " এমন ভেবে কোন ম্যংগো ছাগুরা পরকীয়া বা বেলেল্লাপনায় আসক্ত না হতে পারে।
ম্যাংগো ছাগুদের কোনভাবেই দোজগে যাবার সুজোগ দেয়া যায়না। ভিভিআইপিরা তো আল্লাহর ইচ্ছায় দেশটাই শাষন করছে। আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া একটি পাতাও নড়ে না।


দেশটির প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত আছেন ছাগস্থানের জন্য লড়াই করা একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ।যার হুংকারে পার্শবর্তী হিন্দুস্থানের আর্মী-চীফ প্রায়ই প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেন। হিন্দুস্থানের আর্মী-চীফের কোষ্ঠ কাঠিন্য আছে। তার চিকিৎসকগন এমন অবস্থায় , তার কানের কাছে গিয়ে, ছাগস্থানের আর্মীচিফের নাম বললই, কোষ্ঠ তারল্য হয়ে যায়।

ছাগার্মী,ছাগস্থান রাইফেলস,ছাগপুলিশ এখন বিশ্বের মডেল।





ক্যডেট কলেজ সমুহে শিশুকাল হতেই যুদ্ধের ট্রেনিং সাফল্যের সাথেই করা হচ্ছে।

দোকান সমুহে প্রকাশ্যে পানের জন্য কেবল কাঠাল পাতার জ্যুস বিক্রী হয়।

তবে অভিজাত ছাগুদের জন্য নির্ধারিত থারটিন-ষ্টার হোটেল সমুহে, বিশেষ সুরা ও হুর সমদের সাথে ইশকের ব্যবস্থাও আছে।
প্রবেশাধীকার সংরক্ষীত।


এই পর্যা্যে পৌছতে অনেক ত্যাগ ও কষ্ট স্বিকার করতে হয়েছে, ফাকিস্থান থেকে আনা অনেক মহিলা ও পুরুষ প্রশিক্ষককে।
বিবর্তনের মাঝ দিয়ে একজন মানুষকে ছাগু বানানো কম কষ্টের নয়। ইতিহাসের বই সমুহে সেইসব মহান ফাকিদের সন্মানের সাথে স্থান দেয়া হয়েছে।যা বিবর্তনের উদাহারন হিসেবে সারা জাহানে সমাদর পাচ্ছে।



অবশেষে একজন পরিপুর্ন ছাগুর ছাগু হবার ঘোষনা এমনই আনন্দের।

কিন্তু সবকিছু উপেক্ষা করে মাঝে মাঝে কিছু বেয়াদপ মহিলা, রাস্তায় বের হয়ে পরেন ( অবশ্যই ছাগস্থানের পর্দার অনুশাসন মেনে)। তাদের উপর আবার কিছু মানুষরুপি ছাগরা হাতের ব্যায়াম করে। এতে ছাগরা বলশালী ও ত্যাজী হয়। পর্দা নেয়ারা তাদের জীবনকে ধন্যকরে।

আসুন আজ থেকেই আমরা এই দেশটিতে স্বপ্নের মাঝে বসবাস শুরু করি। একইসাথে ছাগস্থানের জাতীয় সংগীত গাই:
ছাগস্থান জিন্দাবাদ,ছাগস্থান জিন্দাবাদ,ছাগস্থান জিন্দাবাদ,জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ
অ:ক: আজ হতে আমি ছাগুদের বিরুদ্ধে নাই। তাদের বিরুদ্ধে কোন পোষ্ট ও দেবনা। তাদের গুনের পোষ্ট দেব, এই যেমন দিলাম।আই লাভ ছাগু
এমন দেশ বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত হতে খুব একটি দেরী নেই। এটা কোন ফান নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০১১ সকাল ৯:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


