গিয়েছিলাম আনন্দ পেতে। শুনেছিলাম এই বনের কথা অনেকের কাছে। যতক্ষন ছিলাম ওখানে,ওদের বিভিন্ন আচরণ দেখে আমি সহ সবাই প্রচুর আনন্দও পেয়েছি। কিছুটা একা হয়ে গিয়েছিলাম। হঠাৎ ক্যমেরার ফোকাস একটি বিষাদময় দৃশ্যের উপর।
বাবার কাঁধের উপর সন্তানের লাশ বা মায়ের হাতের উপর মৃত সন্তানের দেহ - এ কষ্টটা একমাত্র সেই বাবা মাই বুঝতে পারেন। সন্তানকে বাঁচাতে মা তাঁর জীবনকে তুচ্ছ করে দেন,এমন খবর/ছবি আমরা প্রায়ই দেখি। এমনই এক বিষাদময় দৃশ্য ধারন করলাম নিজের ক্যমেরায়। কত মিল মানুষের সাথে । দুঃখ কষ্টের অনুভুতি গুলো তো একই আমাদের আর ওদের। কি পার্থক্য ? কাস্টের রং আসলে সবার ক্ষেত্রেই নীল। বেদনায় নীল হয়ে যাই আমরা সবাই ............
মায়ের কোলে মৃত সন্তান। বিষাদময় মুখ,আহাজারি করছে মাঝে মাঝে মাথা ঝাঁকিয়ে। বাবাও আছে পাশে।




কিছুক্ষন পরে আসলো আরও একটি ছোট শিশু। মনে হয় ভাই/ বোন হবে । বিশ্বাসই করতে চায় না যে , ছোট বাবুটা নেই আর জগতে। হাত দিয়ে জাগানোর বৃথা চেষ্টা , মনে মনে ভাবছে - এই তো এখনই ঘুম থেকে জেগে উঠবে আদরের ছোট ভাই/বোনটি। চোখ মেলে হেসে ফেলবে এখুনি।



বন্য প্রাণীদের উপর আমরা যেন সদয় থাকি।
স্থান : বানরের বন , বালি , ইন্দোনেশিয়া।
তারিখ : তিন ডিসেম্বর ২০১১ ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

