ইসলাম ই সেরা ধর্ম আর আল কুরআন সেরা ধর্মগ্রন্থ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০১
পৃথিবীতে দ্বিতীয় একটা ধর্ম পাওয়া যাবে না, যে ধর্মের অনুসারীরা নিজেদের ধর্মকে মানুষের জন্য 'পরিপূর্ণ' বলে করেছে। শুধু মাত্র ইসলাম ধর্মের অনুসারীরাই নিজেদের ধর্মকে পরিপূর্ণ জীবন বিধান হিসেবে দাবী করেছে। এর কারণ হল, ইসলাম ধর্মগ্রন্থ পবিত্র আল-কুরআনে আল্লাহ ঘোষনা করেছেন 'আমি কুরআন কে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ জীবন বিধান করে প্রেরণ করেছি'
অর্থাৎ মানুষের জন্য দরকারী যাবতীয় সকল আইন-কানুন, আচার-আচরণ, সাংস্কৃতি মোট কথা মানুষের জন্ম হতে মৃত্যু পর্যন্ত পুরো জীবন কে পরিচালনার জন্য পরিপূর্ণ দিক নির্দেশনা রয়েছে আল কুরআনে। অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে শুধু মাত্র বিভিন্ন নীতি বাক্য, আদেশ-উপদেশ দিয়েই পূর্ণ। এসব দিক বিবেচনা করলেই তো বুঝা যায়। কোন ধর্মটা সেরা।
এছাড়াও ইসলাম কে সেরা প্রমাণের আরো অনেক যুক্তি আছে। তার সিকি আনা যুক্তি এখানে লিখলে পড়তে পড়েতে সকাল হবে। এত কষ্ট আমি করতেও পারবনা, আর কষ্ট আপনাদের দিতেও পারবনা। ক্ষমা করবেন।
আর অহংকারের প্রসঙ্গটায় যদি আসি, এটা তো কোন মুসলমান করতে পারে না। এটা সম্পূর্ণ সৃষ্টিকর্তার। তিনিই এটা নিজের জন্য রেখেছেন বলে আল কুরআনে ঘোষণা দিয়েছেন। আর নিজের সেরা ধর্ম গ্রন্থকে সেরা প্রমাণ করা তো মোটেও অহংকার নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আসলে আমি মুখস্ত কোন কিছু বিশ্বাস করতে অপছন্ত করি।
আমি আমার বিষয়ের পক্ষ যুক্তি তুলে ধরতে চেয়েছি।
এর বাহিরে পক্ষে বা এ সংক্রান্ত বিপক্ষের কোন বক্তব্য থাকলে তুলে ধরতে পারেন। রিভিউ তে নতুনত্ব থাকে না।
কালো মেঘ অথবা নীল আকাশ বলেছেন:
আমি এ ব্লগে নতুন।একটা জিনিস বুঝতে পারছি না।এদেশে এত ইসলামবিদ্বেষী আসল কোথা থেকে? এই পোস্টে মাইনাস কেন? মাইনাস যিনি দিয়েছেন তিনি কি জন্য মাইনাস দিলেন? ধর্ম কথা ভালো না লাগলে ধর্মের বিপক্ষে লেখেন। না করছে কেউ? অযথা মাইনাস দিচ্চেন কেন?
লেখক বলেছেন: উনারা হয়ত একঘোয়েমীপনা পছন্দ করেন না। তাই নিজেদেরকে ব্যতিক্রমী হিসেবে ভাবতে ভালোবাসেন।
উনারা জানেন না, কাঁঠালে লৌহদন্ড মারলে পাকে, আর তরমুজে মারলে পচে।
সব পোষ্টেই ব্যতিক্রমী হলে ফলাফল একই হয় না।
ডাইনোসর বলেছেন:
কালো মেঘ অথবা নীল আকাশ বলেছেন: আমি এ ব্লগে নতুন।একটা জিনিস বুঝতে পারছি না।এদেশে এত ইসলামবিদ্বেষী আসল কোথা থেকে? এই পোস্টে মাইনাস কেন? মাইনাস যিনি দিয়েছেন তিনি কি জন্য মাইনাস দিলেন? ধর্ম কথা ভালো লাগলে ধর্মের পক্ষে লেখেন। না করছে কেউ? অযথা প্লাস দিচ্চেন কেন?
পেঙ্গুইন বলেছেন:
ভালো কথা।তা কার বিচারে "ইসলাম ই সেরা ধর্ম আর আল কুরআন সেরা ধর্মগ্রন্থ" ??
নির:পেক্ষ কেউ??
লেখক কে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমার কথাটিই আপনি বলেছেন।
আসলে রেটিং-এ সব কিছু বুঝা যায় না। আলোচনা সমালোচনার মাধ্যমেই সত্যটা বেরিয়ে আসে।
ইমরান বেস্ট বলেছেন:
বিশ্ব মানবতার শান্তি এবং স্হিতিশিলতার জন্য ইসলামই একমাত্র রক্ষাকবচ ।
সাঈদ খান বলেছেন:
পিলাস।++++++++
কালো মেঘ অথবা নীল আকাশ বলেছেন:
ধর্ম কথা ভালো লাগলে ধর্মের পক্ষে লেখেন।যারা লেখছেন তাদের উতসাহ দিচ্ছি।আপনি বিপক্ষে লেখেন।ভালো লেখলে যুক্তি থাকলে আপনাকেও + দিব।
লেখক বলেছেন: আপনার জবাবটি সমর্থনযোগ্য।
রেজওয়ান বলেছেন:
ইসলাম ধর্মে বাগাড়ম্বর করা নিষেধ আছে। যারা ঔদ্ধত্ত ও বড়াই করে তাদের জানতে হবে যে ইসলাম ধর্মে এইসব কঠোরভাবে নিষিদ্ধ আছে। আবু উসামার ভিডিওটি দেখুন:http://www.youtube.com/watch?v=669zkvL5y34
ইসলাম ধর্মের প্রসার হয়েছে তার ভাল কাজ দিয়ে - এটা ভাল বলে সার্টিফিকেট দিয়ে নয়। ইসলাম ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে আপনার সন্দেহ না থাকলে আপনি নিশ্চয়ই এই পোস্টটি দিতেন না।
"অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে শুধু মাত্র বিভিন্ন নীতি বাক্য, আদেশ-উপদেশ দিয়েই পূর্ণ। এসব দিক বিবেচনা করলেই তো বুঝা যায়। কোন ধর্মটা সেরা। " -
আপনি আল্লাহকে মানলেও একটি জিনিষ ভুলে গেছেন যে অনেক ধর্মই (ইহুদী খ্রীষ্টান ইত্যাদি) আল্লাহরই পয়গম্বরের ধর্ম। সেই ধর্মগুলো এই নির্দিষ্ট সময়ে প্রয়োজন হয়েছিল। এবং অবশ্যই সর্বশেষ ধর্ম ইসলাম।
এখন আপনি অন্য ধর্ম সম্পর্কে কটুক্তি করেছেন সেই সব নীতিবাক্যে পূর্ণ বলে। এই কথার মাধ্যমে আপনি আল্লাহর ধর্মকেই অসম্মান করলেন।
আপনার অজ্ঞতার অপসারন করুক আল্লাহ এই কামনাই করি।
লেখক বলেছেন: আল কুরআন বলে, 'আমি পৃথিবীর প্রত্যেক জাতির জন্য নবী বা রাসূল প্রেরণ করেছি'
সে মতে পৃথিবীর সকল ধর্মই আল্লাহর নবী বা রাসূলদের দ্বারা প্রবর্তিত। তবে ইসলামের আবির্ভাবে সে সবের কার্যকারিতা হারিয়েছে মর্মেও আল কুরআনে বক্তব্য আছে।
আমি যদি কোন ধর্মকে অসম্মান (আপনার দৃষ্টিতে) করে থাকি, তবে তা আল্লাহর ধর্মকে নয় কিছু অকার্যকর ধর্মকে।
আপনার শেষ কামনা আল্লাহ যেন কবুল করেন। আর সেটা আমার মত সকল অজ্ঞর জন্যই প্রযোজ্য হোক।
সন্যাসী বলেছেন:
আপনারে বড় বলে বড় সেই হয় থুক্কু নয়।মানুষ প্রথমেই যদি মানুষ হয় তবে তার হিন্দু আর মুসলমান হওয়া লাগে না।
আমরা মানুষ হওয়ার আগেই মুসলমান-হিন্দু হয়ে বসে আছি।
ইসলাম সেরা না খ্রীস্টান সেরা এ বিতর্ক বাদ দিয়ে আসুন আমরা বলি "আশরাফুল মাকলুকাত"
লেখক বলেছেন: সব কিছুরই একটা নিয়ম কানুন আছে। এই যে আপনি টাই পরেছেন এটাও একটা পরমালিটি। আপনি হয়ত এই পাস ঐ পাস দিয়ে নিজেকে জ্ঞানী হিসেবে জাহির করে আজ বড় কর্মকর্তা। আপনি কি বিশ্বাস করেন না আপনার চেয়েও অনেক বেশী জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান লোক পড়ালেখা না থাকার কারণে হয়ত রিক্সা চালায়। কারণ আপনার জ্ঞান পরমালিটি আছে। ঠিক সে রকম ধর্মও একটা পরমালিটি।
আর 'আশরাফুল মাখলুকাত' কধাটিও ধর্মেরই বাণী।
কালো মেঘ অথবা নীল আকাশ বলেছেন:
ভাই সন্যাসী কিছু মনে করবেন না।আপনি নিজে আগে মানুষ হন।আপনার কিছু কমেন্টস লক্ষ্য করিছি।অযথা প্যাচাল পারা দেখি আপনার স্বভাব।
লেখক বলেছেন: প্যাচাল করতে হলেও কিছু কায়দা কানুন জানতে হয়। তিনি শুধু মানুষ হতে গিয়ে তাও ভুলে গেছেন। মনে রাখবেন ধর্ম মানুষের জন্য। কোন ব্যক্তি স্বাদৃশ্য প্রাণী কিংবা পুরোপুরি প্রাণীর জন্য নয়।
রিমঝিম খান বলেছেন:
২ জনের ভাল লাগেনি.... এতে অবাক হচ্ছি না কারন ভিন্ন ধমের্র ব্লগার থাকতেই পারে..তবে তাদের কারন দেখিয়ে মাইনাস দেওয়া উচিত।
লেখক বলেছেন: হু, ....
অলস বালক বলেছেন:
একটা যুক্তিও ভালো হয়নাই।সব ধর্মকে সন্মান করা উচিত।
নিজের ধর্মকে সেরা বললে অন্য ধর্মকে অসন্মান করা হয়।
লেখক বলেছেন: আমার আগের জবাব গুলো পড়লে এর উত্তরটা পাবেন বলে আশা রাখি।
সবাক বলেছেন:
লেখক বলেছেন : এছাড়াও ইসলাম কে সেরা প্রমাণের আরো অনেক যুক্তি আছে। তার সিকি আনা যুক্তি এখানে লিখলে পড়তে পড়েতে সকাল হবে।
=========
দিননা কয়েকটা সকাল করে। দেখি কি এমন বিনোদন অপেক্ষা করতেছে!!
লেখক বলেছেন: ভাই আমার কাল সকালে অফিস আছে। না ঘুমালে ...........
বিদ্যালয় বলেছেন:
ইসলাম ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে আপনার সন্দেহ না থাকলে আপনি নিশ্চয়ই এই পোস্টটি দিতেন না।
লেখক বলেছেন: বলতে পারেন আমার এ লেখাটি 'কাদা মাটি জল' ব্লগারের "সকল ধর্ম সম্পর্কিত মতবাদ" এর জবাবে লিখা।
কালো মেঘ অথবা নীল আকাশ বলেছেন:
নিজের ধর্মকে সেরা বললে অন্য ধর্মকে অসন্মান করা হয়। তাই নাকি? জানতাম না তো।
টুটুল বরকত বলেছেন:
@কাজী জেসমিন আরা অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে শুধু মাত্র বিভিন্ন নীতি বাক্য, আদেশ-উপদেশ দিয়েই পূর্ণ।কয়টা ধর্ম পড়েছেন ?
আপনার আরো পড়াশুনা করা ঊচিত ।এই সামুতেই কয়েকজন পাঠক যুক্তি দেখিয়েছেন , কোরান মানব রচিত , আরো অন্যান্য গ্রন্থে কোরানের বানীর চেয়ে শক্তিশালী কথা বলা আছে ।1000 mistakes in Quran এই নামে একটা সাইট আছে ,পড়েন । এ ধরনের অহংকারী লেখা না লেখাই ভালো । কোরান কিছু ব্যাপার একেবারেই অযোক্তিক ।
আমি শুধু ১ টা উদাহরন দিব । সকল রিজিকের মালিক আল্লাহ মুখ দিয়েছেন যিনি , আহার দিবেন তিনি।আজকের দুনিয়ার খাদ্য-সংকটের আলোকে ব্যাখ্যা দিন।
কিংবা আপনি তো মহিলা ।
পুরুষের ৪ বিয়ে , নারীর ১ বিয়ে সাপোর্ট করেন ? বেহেস্তে পরুষ ভোগের জন্য ৬০ (সম্ভবত) জন হুরী পাবে ,যারা দুনিয়ার সকল নারীর চেয়ে সুন্দর ।
তখন আপনার সামীর কাছে আপনার অবস্থান হবে কততম ?
লেখক বলেছেন: আপনি আল কুরআনের যে বক্তব্যের কথা বলেছেন, দয়াকরে এ লাইনের পরের লাইনটা পড়বেন।
আমি বেশ কয়টি ধর্ম পড়েছি। সব ধর্মেই বিসর্জন বা জিহাদ আ ত্যাগের উপর জোর দেয়া হয়েছে। আপনিও অভ্যাসটা করুন, তখন বুঝবেন আমার অবস্থান কোথায় আর আপনার কোথায়।
লেখক বলেছেন: আমি যুক্তি প্রমাণ দিব, এর পরও কেউ না বুঝলে তো আমার দোষ নয়।
কালো মেঘ অথবা নীল আকাশ বলেছেন:
সকল রিজিকের মালিক আল্লাহ মুখ দিয়েছেন যিনি , আহার দিবেন তিনিকত নং আয়াত? কোন সূরা? একটু জানাবেন প্লিজ।
ধ্রুব তারা বলেছেন:
অলস বালক বলেছেন: একটা যুক্তিও ভালো হয়নাই...এখানে কোন যুক্তি-ই উপস্থাপিত হয়নি। কারণ যুক্তি আপনি প্রকাশ করেননি।
আপনি কতগুলি ধর্মগ্রন্থ পড়েছেন যে নীতিবাক্য সর্বস্ব হিশেবে ধরে নিলেন। ধর্ম যত নতুন তত বিষয় এতে সংযুক্ত হয়।
কোন ধর্মই মতবাদ ব্যতিরেকে কিছু নয়। আমার এক চাইনিজ বন্ধু বলেছিল, 'The only religion we can trust is the government' কথাটা ভুল কিছু নয় কারন সংবিধানের মাধ্যমে সরকার সবকিছুই কভার করছে। কিন্তু ২০০-৩০০ বছর আগের সংবিধান এতটা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কিন্তু করতে পারেনি, কারণ তখনের সরকার ব্যবস্থা ছিল পুরাতন।
কুরআন বাদেও পরবর্তী বিভিন্ন গ্রন্থ এবং ইসলামী জুরিস্টদের লজিকাল ইন্টারপ্রিটেশন অফ ল কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এই জীবন ব্যবস্থা-কে তুলে ধরেছে। তাই কুরআন সম্পূর্ণ জীবন ব্যবস্থা দেয়নি। বরং অন্যান্য বইগুলোর কম্পাইলেশন বর্তমান ইসলামের ধারণাটি দেয়। এটা কি তবে বর্তমান কালের সাংবিধানিক বিষয়ের মতোই হয়ে গেল না?
আবেগ দিয়ে না লেখে যুক্তি দিয়ে লিখুন।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই কুরআন পরিপূর্ন। পরবর্তীতে কুরআন ও হাদীসের যুক্তিকে বিভিন্ন বিষয়ের আলোকে তুলে ধরার জন্যই কুরআন ও হাদীসের বক্তব্য সহ বিভিন্ন বই প্রকাশ হয়েছে। এগুলোর সাথে কুরআন ও হাদীসের কোন অমিল ছিলও না থাকবেও না।
মোস্তাক খসরু বলেছেন:
"ভালো মানুষ হতে চাই" আপনার লেখার মাঝেই আপনার সীমাবদ্ধতা ফুটে উঠেছে। নিজেরটা কেউ কখনো খারাপ বলে না। প্রকারন্তরে এটা কিন্তু অন্যটাকে খারাপ বলার সামিল। বির্ধমী আমারা যাদের বলি তারাও কিন্তু একই কথা বলে তাই বলছি তাহলে আপনি আর তার মধ্যে পাথ্ক্য কোথায়। জাহির না করে কর্মে ভালো হন। মাইনাস দিলাম।
লেখক বলেছেন: আপনি মাইনাস না আরো কিছু দিলেও সত্যটা মিথ্যে হবেনা। তবে দুঃখ লাগছে আপনি আমার লেখাটা বুঝতে পারেননি।
পারভেজ আলম বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কারণ আপনার জ্ঞান পরমালিটি আছে। ঠিক সে রকম ধর্মও একটা পরমালিটি। ঠিক। পুরাপুরি ঠিক।
ধ্রুব তারা বলেছেন:
আপনি আবেগ দিয়ে না বলে যুক্তি দিয়ে বলুন। আবেগ দিয়ে কোন কিছুর প্রতি বিশ্বাস আসে না, আসে অন্ধ বিশ্বাস।
পেঙ্গুইন বলেছেন:
আমার প্রশ্নের উত্তর পেলাম না।যাই হোক,
এই ব্লগার আসলে "ইসলাম"কে ব্যবহার করেছে তার স্বার্থের খাতিরে।
ব্লগে পরিচিতি পেতে আর হিট সংখ্যা বাড়াতে।
আর কিছু মাথামোটা এর সাথে না বুঝেই যোগ দিয়েছে।
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে শুধু মাত্র বিভিন্ন নীতি বাক্য, আদেশ-উপদেশ দিয়েই পূর্ণ। এসব দিক বিবেচনা করলেই তো বুঝা যায়। কোন ধর্মটা সেরা। উপরের কথাটি আপনি হয়তো ইসলাম ধর্মের আলোকে লিখেছেন । আমি কিছু লাইন যোগ করব। ইসলাম ধর্ম পালনকারীরা এখন আর আগের মত নেই । বিশেষ করে কমিউনিকেশন রাজত্ব শুরু করার পর। একটা অংশ মডারেটেড হয়ে গেছে। আপনি যদি তাদের এমন কথা বলেন তাহলে ভুল করবেন । তবে মোল্লারা (যারা বাংলাদেশে জলসা বা শুক্রবারে ওয়াজ করে) এমন কথা হর হামেশাই বলে। গত শুক্রবারের আগের শুক্রবারে এক মসজিদের মোল্লা ওয়াজে বলতেছিল। পৃথিবীর সব মানুষ মুসলমান হয়ে জন্মায়। কিন্তু কারো বাপ-মা অন্য ধর্মে থাকলে সে অন্য ধর্মে চলে যায়।
ধর্মের হানাহানিতে বিশ্ব কোথায় আছে চিন্তা করেন ? ইসলাম-খ্রীস্টান-ইহুদি এ শক্তিশালী ধর্মগুলি পাশাপাশি জায়গা থেকে তৈরি হওয়ার কারনে হাজার হাজার বছর ধরে হানাহানি চলতেছে । একজনের ধর্ম প্রচারককে নিয়ে তিনজনই টানাটানি করে। এখনকার আফগান-ইরাক-ফিলিস্তিন ও এ তিন ধর্মের হানাহানির ফসল । প্রতিদিন মানবতা খুন হচ্ছে।
এবং এ তিনটি ধর্মই দেখবেন অন্য ধর্মের লোককে টানার জন্য নানারকম ফন্দি ফিকির করে থাকে। নানা রকম প্রচার করে , বলতে থাকে তার মতই সেরা । অন্য মতগুলো ভুয়া। শুধুমাত্র দীনে বা ইসলামে আসতে পারলে বেহেস্ত শিওর । অন্য ধর্মে থাকলে দোজখে জায়গা হবে।
ভারতের শিলং নামক একটি খুব সুন্দর জায়গা আছে আপনি হয়তো জানেন। শিলংয়ের সংখ্যাগুরু বাসিন্দারা হলো খাসিয়া। কমলা বাগান-পান - বিভিন্ন ফলের বাগান করা ওদের পেশা। ওরা মাতৃপ্রধান পরিবার।
খাসিরা এখন খ্রিস্টান । কিন্তু ১০০ বছর আগে ও ওরা খ্রীস্টান ছিল না। ওদের একটি নিজস্ব ধর্ম ছিল । ইংল্যান্ড থেকে একদল খ্রীস্টান ধর্ম প্রচারক ওদেরকে বিভিন্নভাবে প্রলুব্দ করা তাদের দলে নিয়ে নিয়েছে। বাংলাদেশের পার্বত্যতে ও এ সমস্যা আছে।
পৃথিবিতে ৬০০০+ ধর্ম আছে
ধর্ম বলতে আমি যতটুকু পড়েছি , তাতে দেখেছি , ভারত উপমহাদেশ থেকে যেসব ধর্ম সৃষ্টি হয়েছে এগুলো অনেক শান্তির ধর্ম। সনাতন - বৌদ্ধ - শিখ -জৈন ধর্মগুলো নিরপেক্ষভাবে পড়লে দেখতে পারবেন এগুলোই অনেক শান্তির বানি নিয়ে আছে।
এর হয়তো কারন থাকতে পারে। কারন ভারত উপমহাদেশ প্রকৃতিগতভাবে বেশ শান্তির জায়গা। আগে বিশ্বের সবার নজর কাড়তো সম্পদের জন্য ও । রামায়ন - মহাভারতে ও দেখতে পারবেন শিক্ষার লাভের জন্য পন্ডিতের টোলে যাওয়ার কথা । তক্ষশীলার কাহিনী তো জানেনই ।
অলস বালক বলেছেন:
@লেখিকাঃআগের কমেন্টটা আপনাকে করিনি।করেছি কালো মেঘ কে----------------------------------------------------------
লেখক বলেছেন: আমি যুক্তি প্রমাণ দিব, এর পরও কেউ না বুঝলে তো আমার দোষ নয়।
............যুক্তি কোথায় দিলেন?খুজে পেলাম না তো!
-----------------------------------------------------------------
আর নিজের সেরা ধর্ম গ্রন্থকে সেরা প্রমাণ করা তো মোটেও অহংকার নয়।
......মানেটা বুঝলাম না!আগেই যদি সেরা বলেন,তাহলে প্রমাণের প্রশ্ন আসে কিভাবে?
লেখক বলেছেন: কিছু লোক আছে যুক্তি দিলেও বিশ্বাস করবে না। আপনাকে সে রকম মনে হওয়ায় দেই নি।
টুটুল বরকত বলেছেন:
http://www.1000mistakes.com/এই সাইটে গিয়ে আপনি সব ভুলের উত্তর দিন।
আমার প্রশ্নের ঊত্তর এড়িয়ে গেছেন ।
লেখক বলেছেন: কাজটা আপনিও করতে পারেন। তবে তার জন্য অনেক পড়তে হবে।
টুটুল বরকত বলেছেন:
@পেঙ্গুইন বলেছেন: আমার প্রশ্নের উত্তর পেলাম না।
যাই হোক,
এই ব্লগার আসলে "ইসলাম"কে ব্যবহার করেছে তার স্বার্থের খাতিরে।
ব্লগে পরিচিতি পেতে আর হিট সংখ্যা বাড়াতে।
আর কিছু মাথামোটা এর সাথে না বুঝেই যোগ দিয়েছে। সহমত
কিছুক্ষন পর দেখবেন লেখিকা আর নাই ।
তর্ষ বলেছেন:
যারা মাইনাস দিসেন তাদের মনে হয় না এ পোস্টটি পড়ার দরকার ছিল।
মৈত্রী বলেছেন:
লেখিকা কি ব্লগে নতুন? "বিচার মানি কিন্তু তালগাছ আমার" টাইপ পোস্ট দেবার জন্য মাইনাস খাবার জন্য প্রস্তুত থাকুন! প্রায় একিরকম শিরোনামে এই ব্লগে অনেক লেখা আছে, ঐগুলায় গিয়া দেখেন নাস্তিক ব্লগারবৃন্দ কিভাবে লেখকদেরকে তুলোধোনা কইরা ছারছে......
রাজিব০০৭ অনেকদিন যাবত "জেনারেল" হইয়া আছেন কি জন্য তারে জিগান। এবং একইরকম পরিনতি চাইলে লেখা অব্যহত রাখুন।
কৌতুহলি ব্লগার বলেছেন:
তর্ষ এর সাথে একমত। আসলে ওরা ভীরু কাপুরুষ,চুপি চুপি মাইনাস দিয়ে চলে যায়।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
বিপ্লব কান্তি ওগে দাদা কি কথা শুনিলাম আপনার মুখ থেকে!ধর্ম বলতে আমি যতটুকু পড়েছি , তাতে দেখেছি , ভারত উপমহাদেশ থেকে যেসব ধর্ম সৃষ্টি হয়েছে এগুলো অনেক শান্তির ধর্ম। সনাতন - বৌদ্ধ -
শিখ - ওরে দাদা হাসতে হাসতে মরলাম।১৯৪৭ এ মুল দাঙ্গা লাগিয়েছিল কারা জানেন?
সনাতন লজ্ঝা লাগে না? এত দাঙ্গা লাগানোর পরও স্বজাতিদের সম্পর্কে একথা বলতে?
পারভেজ আলম বলেছেন:
পৃথিবীতে দ্বিতীয় একটা ধর্ম পাওয়া যাবে না, যে ধর্মের অনুসারীরা নিজেদের ধর্মকে আমি, মানে মহান পারভেজ আলমের জন্য 'পরিপূর্ণ+' বলে করেছে। শুধু মাত্র আমি আমার নিজের তৈরি করা ধর্মকে নিজের জন্য এবং আপনাদের সবার জন্য পরিপূর্ণ+ জীবন বিধান হিসেবে দাবী করছি। এর কারণ হল, আমি ঘোষনা করছি 'আমি আমার সামহোয়ারইন ব্লগে লেখা সবগুলো লেখাকে কে আমার এবং তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ+ জীবন বিধান করে প্রেরণ করেছি'আমি ওপরে যেইসব দাবি করেছি, এই দাবির মাধ্যমে আমি কিছুই প্রমাণ করতে পারিনি। কারন হইলো-
"আমার এই কথা আমার নিজের একার দাবি, আপনারা, এই দুনিয়ার বাকি সব মানুষ আমার এই দাবি মানতাছেন না। আমার এই দাবি সর্বজন সমর্থন করতাছে না।" কারন কি?
কারন হইলো-
"আমার দাবির সাথে এমন কোন যুক্তি প্রমান নাই, যেই যুক্তির গুনে তারা আমার দাবি মাইনা নিয়া স্ব স্ব ধর্ম ত্যাগ করিয়া আমার ধর্ম সেরা মানিয়া মাথায় তুলিয়া নিবে।"
আপনার টাও নিবে না।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
রাজিব০০৭ অনেকদিন যাবত "জেনারেল" হইয়া আছেন কি জন্য তারে জিগান। এবং একইরকম পরিনতি চাইলে লেখা অব্যহত রাখুন। মজার ঘটনা জানেন? এরমধ্যে আমি দুইবার সেফ হয়েছিলাম।১ম বার ৪দিনের জন্য।২য় বার ১৬ ঘন্টার জন্য। আমি ব্যান হতে রাজী বাট হারতে নয়
লেখক বলেছেন: লড়াকু মনোভাব
সুমন অহেমদ বলেছেন:
আপনার নাম কি কাজী জেসমিন আরা??যদি কিছু প্রচার করতে চান তবে সৎসাহস নিয়ে প্রচার করুন. . .
যারা ইসলাম ধর্ম মানেন তারাতো অবশ্যই মানবেন যে ইসলামই সেরা ধর্ম। আর যারা মানেন না তাদের ঘাড়ে কেনো ইসলাম ধর্মকে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন? ব্লগে পোষ্ট দেয়াটাকে কি আপনি বা আপনারা জিহাদের সমতুল্য ভাবেন?
ইসলাম ধর্ম একটি সম্পূর্ন জীবন বিধান হলেও সবকিছু সেখানে বলা নেই। সেখানে বলা নেই যে ভুয়া নিক তৈরী করাও একধরনের অপরাধ. . . ধর্মের উৎপত্তি মূলত হয়েছিলো মানুষকে শৃঙ্খলিত করার জন্য. . . আপনিও একধরনের অপরাধ করছেন। সুতরাং ধর্মের ভেতর বন্দি না হয়ে কোনটা ভালো এবং কোনটা মন্দ এবং কোনটা পাপ তা বোঝার চেষ্টা করেন. . .
বি: দ্র: আপনাকে ধর্ম ত্যাগ করতে বলছি না
লেখক বলেছেন: প্রথমেই বলি এটাও এক ধরনের জেহাদ। আল কুরআন আল হাদীস গুলো মানার জন্য নয়, জানার জন্য পড়েন। অনেক ভিন্ন ধর্মীরাও পড়ে।
পেঙ্গুইন বলেছেন:
কৌতুহলি ব্লগার বলেছেন: তর্ষ এর সাথে একমত। আসলে ওরা ভীরু কাপুরুষ,চুপি চুপি মাইনাস দিয়ে চলে যায়।প্লাস দিলেই সুপুরুষ... বাহ, ভালোই তো
যাহারা সুপুরুষ হইতে চান তাড়াতাড়ি প্লাস দিন...
লেখক বলেছেন: আপনি চাইলে মাইনাস দেন। তবে কারণটা জানালে উপকৃত হব।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
লুথা বলেছেন: ইসলাম ই সেরা ধর্ম আর আল কুরআন সেরা ধর্মগ্রন্থ।
এতে কোন সন্দেহ নাই+++ ওরে ভাই লুথা
বদলাইল কেমতে তোমার মাথা?
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
বিপ্লবদা@ ইশ আমার হাতটা কেমন কেমন করতেছে টাইপ করার জন্য বেদ আর গীতা নিয়া।কিন্তু ভাই গার্লফ্রেন্ডে কইছে এবার যদি নোটিশ খাই তবে নাকি আমার বারটা বাজাইবে।তাইরে ভাই...
আহঃ কষ্টে আছি্ । নাহলে আজ ব্লগ জমত।
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
@@ রাজিব খান ১৯৪৭ ও এর আশেপাশের সালগুলো ইতিহাসে পরিচিত দেশ ভাগ, ব্রিটিশরা ভারত উপমহাদেশ থেকে চলে যাওয়ার জন্য । ১৯৪৭ এর দাঙ্গার জন্য ব্রিটিশরা দায়ী।
আমি ১৯৯২ সালের দাঙ্গা দেখেছি। যদি ও ছোট ছিলাম। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশে মুক্তিসংগ্রামের সময় যে হিন্দু নিধন হয়েছিল তার পত্যক্ষদর্শীর কাছ থেকে গল্প শুনেছি।
ভারতে ইন্দিরা সরকারের সময় শিখ নিধন, শিখদের স্বর্নমন্দিরে ভারতীয় সেনার আক্রমন। তারই জেরে ইন্দিরা গান্ধিকে হত্যা ।
ভারতীয় উপমহাদেশে নিম্ন বর্নের জনগনকে উচ্চ বর্নের লোকজন দ্বারা অন্যায়ভাবে দাবিয়ে রাখার যে প্রবনতা আছে। সেটা একটি বড় বিষয় দৃষ্টিঘোচরে আছে ।
এ সব জেনে শুনে অনেকের সাথে কথা বলে , আমার ধারনা হয়েছে যে ভারত উপমহাদেশ থেকে জন্ম নেয়া ধর্মগুলো অনেক শান্তির । এগুলোতে হানাহানি কম । কিছু হানাহানি সৃষ্টি হয়েছে যখন বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার হয়েছিল । কিন্তু এগুলো ধর্ম বইয়ে কোন উস্কানিমূলক লাইন সংযুক্ত করতে পারেনি । যার দ্ধারা পরবর্তী হাজার হাজার বছর হানাহানি হবে ।
আমি আগেই পরিস্কার করে দিয়েছি , ইসলাম-খ্রীস্টান-ইহুদি এ শক্তিশালী ধর্মগুলি হাজার হাজার বছর ধরে একে অন্যের প্রতিযোগী । মুহাম্মদের সময়ে ইসলাম- হহুদি যুদ্ধ ছিল , এখন ও আছে ।
টুইন টাওয়ারে হামলার পরে প্রেসিডেন্ট ছোট বুশ ক্রুসেড তথা ধর্মযুদ্ধ ঘোষনা করেছিল , মনে আছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের একজন প্রেসিডেন্ট এ ইসলাম-খ্রীস্টান-ইহুদি হানাহানি থেকে বের হতে পারেনি । আর অন্যরা তো কোন ছার !
পেঙ্গুইন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আপনি চাইলে মাইনাস দেন। তবে কারণটা জানালে উপকৃত হব।আগে আরও ২ টা কমেন্ট করলাম, ব্লগার নাকী এখনও জানে না কেন মাইনাস দিলাম... হাহাপগে...
পেঙ্গুইন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আপনি চাইলে মাইনাস দেন। তবে কারণটা জানালে উপকৃত হব।আগে আরও ২ টা কমেন্ট করলাম, ব্লগার নাকী এখনও জানে না কেন মাইনাস দিলাম... হাহাপগে...
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
১৯৪৭ এর দাঙ্গার জন্য ব্রিটিশরা দায়ী। হাহাহাহাবিপ্লব দা আমার এক রুমমেঠ ছিল নাম ছিল বিপ্লব।বাড়ি ছিল শাল্লা সুনামগন্জ।আজব ছিল না বেকুব ছিল তা আমরা কেউ বুঝতে পারিনি।
আমি ১৯৯২ সালের দাঙ্গা দেখেছি।
কিভাবে এ দাঙ্গা কারা সৃষ্টি করেছিল মনে আছে?
যুদ্ধ তাদের মধ্যেই বাধে যারা আধিপত্য বিস্তার করতে পারে বা করতে চায়।
ভাই আর কিছু কমু না।ভয় লাগে।বলগ জাহান্নামে যাক কোনও সমস্যা নেই।প্রেমিকা গেলে সমস্যা
টুটুল বরকত বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কাজটা আপনিও করতে পারেন। তবে তার জন্য অনেক পড়তে হবে।
লেখক বলেছেন: আমি বেশ কয়টি ধর্ম পড়েছি।কি পড়েছেন ?
ভাইসব , দয়া করে এই ব্লগ থেকে বিদায় হোন ।
লেখিকা প্রশ্নের জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যায় ।
ফাহরুখ খান বলেছেন:
@টুটুল বরকত কোরানে ১০০০ টা ভুল হা-হা-হাএও কি সম্ভব?
১ বাটিতে ১ বালতি পানি যদি ঢালেন তো ১ বাটিই পানি ধরবে।
ফাহরুখ খান বলেছেন:
@টুটুল বরকত ১০০০ "ভুল" দেখলাম। কোরান থেকে আমি আরো ১০০০ "ভুল" বের করতে পারব।কারন কোরানে ভুল বের করার "গোপন রহস্য" আমি জেনে গেছি।
লেখক বলেছেন: একটা দু'টা বলেন দেখি।
মৌ-মাছি বলেছেন:
যুক্তি ও বিশ্বাস এবং তাদের পার্থক্য সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব আছে বলে মনে হয়। যুক্তি বিষয়ে পড়াশুনা করুন। যুক্তি দিতে হলে যৌক্তিক ভাবে সেটি দিতে হবে।কেউ কিছু দাবী করেছে তাতে কিছুই প্রমান হয় না। রাস্তাঘাটেও সর্বরোগের মহৌষধ দাবী করা হয়। তাতে কিছু প্রমান হয়না। দুই চারটা বা মিলিয়নখানিক পক্ষের উদাহরন দেয়াও প্রমান নয়, একটা বিপক্ষের উদাহরন সব নষ্ট করে দেবে। প্রমান দিতে হয় যুক্তির ভিত্তিতে।
ইসলাম বা কোরআনের শ্রেষ্ঠত্ব কোন সন্দেহ পোষন করা ছাড়া মেনে নিতে বলা হয়েছে। যুক্তি তর্ক করে নয়। আপনার বিশ্বাসে দুর্বলতা আছে বলেই আপনি যুক্তি দাঁড় করিয়ে আপনার বিশ্বাস কে শক্ত করতে চান। কিন্তু সেই ক্ষেত্রে আর সেটি বিশ্বাস থাকবে না। মানে হচ্ছে আপনার ইমান নষ্ট হয়ে যাবে। হয়ত গেছেও অগোচরে, আপনি বুঝতে পারছেন না।
নার্ডী বয় বলেছেন:
অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে শুধু মাত্র বিভিন্ন নীতি বাক্য, আদেশ-উপদেশ দিয়েই পূর্ণ। এসব দিক বিবেচনা করলেই তো বুঝা যায়। কোন ধর্মটা সেরা।
আমি যদি কোন ধর্মকে অসম্মান (আপনার দৃষ্টিতে) করে থাকি, তবে তা আল্লাহর ধর্মকে নয় কিছু অকার্যকর ধর্মকে।শুনুন আপনাকে বলছি আমি যে দুটি প্যারা কোট করেছি শুধু এই দুটি উদৃতি ই বলে আপনি অহংকারী,অজ্ঞ,হিংসুটে।আপনার এই পোস্ট বাদে অন্য কোন পোস্ট ই আমি পড়িনি।শুধু এই পোস্ট টা পড়েই আপনার প্রতি ক্ষোভের সৃস্টি হচ্ছে।
আপনি বলেছেন কুরআন বাদে অন্য ধর্মগ্রন্থগুলো শুধুমাত্র শুধু মাত্র বিভিন্ন নীতি বাক্য, আদেশ-উপদেশ দিয়েই পূর্ণ।
জীবনে কখনো বাইবেল বা ত্রিপিটক পড়েছেন? পড়েননি
পড়লেও ঐ গুলার খুত বের করার তালে থেকেছেন।নাহলে একটা বদ্ধমূল ধারণা নিয়ে পড়েছেন যে কুরআনই সেরা আর অন্যগুলো শুধু মাত্র বিভিন্ন নীতি বাক্য, আদেশ-উপদেশ।
নিরপেক্ষতা কি জিনিশ জানেন কখনো?মানুষ কে(অমুসলিম,নাস্তিক।এরাও তো মানুষ,তাই না?)সম্মান করতে শিখেছেন?ভদ্রভাবে কিভাবে কথা বলে আপনি সেটা জানেন।আবার বলেন
আমি যদি কোন ধর্মকে অসম্মান (আপনার দৃষ্টিতে) করে থাকি, তবে তা আল্লাহর ধর্মকে নয় কিছু অকার্যকর ধর্মকে
কোন টা ভাল বা কোন টা মন্দ আপনি বলার কে?আপনার দৃষ্টিতে যেটা মন্দ সেটা আরেকজনের কাছে ভালও মনে হতে পারে।
আপনি অবশ্যই মুসলমান হতে পারেন নি।স্বীকার করেন আর না করেন এটাই সত্যি।আপনার কথাগুলো ইসলাম বিরোধী।আপনার মত উগ্রপন্থীরাই ইসলামকে বিকৃত করছেন প্রতিনিয়ত।ধর্মকে মানুষের চোঁখের বিষ বানিয়ে তুলছেন।আল্লার কাছে কি জবাব দেবেন দুনিয়াতে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি করার জন্য?মানুষের মনে আঘাত দেবার জন্য?
একটা কাহিনী শুনেন
ইবরাহীম আ: সারাবছর রোজা রাখতেন।আর ইফতারের সময় কাউকে দাওয়াত দিয়ে এনে তাঁকে নিয়ে ইফতার করতেন।একদিন এক ক্ষুদার্ত বৃদ্ধ লোককে আনলেন তাকে নিয়ে ইফতার করবেন বলে।দউইজনে ইফতার করা অর্থাৎ খাওয়া শুরু করলেন।কিন্তু বৃদ্ধ লোকটি আল্লাহর নাম নেন নি খাবার আগে।এজন্য ইবরাহীম আ:লোকটাকে জিজ্ঞেস করলেন কি কারনে তিনি আল্লাহর নাম নেন নি?ঐ লোক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেনা বা মানে না।এজন্যইবরাহীম আ:সাথে সাথে তাকে খাবার থেকে বিদায় করে দিলেন।খাবার খেতে দিলেন না।পরে আল্লাহ ফেরেস্তা দ্বারা জানালেন যে তিনি প্রভু হয়ে যাকে এতদিন ধরে খাওয়ালেন,তার অপরাধ সহ্য করে আসছেন আর তিনি সামান্য নবী হয়ে তাকে খাবার খেতে না দিয়ে বের করে দিলেন কিভাবে?
কাহিনীসূত্র:কাছাছুল আম্বিয়া
ইবরাহীম আ: এর জীবনে করা ভুলগুলোর মধ্যে এটা ছিল অন্যতম।
আপনার কারণে আমার মনটাই খারাপ হয়ে গেল।খুব কষ্ট পেয়েছি।
মানুষ হন,ভাল মনের মানুষ।ইসলাম যে ভালভাবে মানে সে কখনোই অন্যকে(বিধর্মী,নাস্তিক সহ) কাউকেই আঘাট করতে পারে না,মুহাম্মদ সা: করেন নি।একেবারে না পেরে শেষ পর্যায়ে কাফিরদের বিরুদ্ধে লড়েছেন।আর কিভাবে মুহাম্মদ সা: এর অনুসারী অর্থাৎ মুসলমান বলেনে নিজেকে?
ধিক! আপনাদের মত উগ্রপন্থীদের,ইসলাম বিনষ্টকারীদের।
লেখক বলেছেন: বলতে লজ্জা পাচ্ছি, এমন কারো সাথে ডিসকাস করছি, ধর্ম নিয়ে কথা বললে যিনি ভাবেন এরা উগ্রপন্থী।
আর কাছাছুল আম্বিয়া পড়েছেন ধন্যবাদ। আরো টপ ক্লাসের হাদীস আছে, সেগুলোও পড়বেন। পড়লেই আপনি ধর্মের অনুসারী হয়ে যাবেননা, আপনার জানার পরিধি বাড়বে।
আবু সালেহ সুমন বলেছেন:
এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য আমি ধরেই নিচ্ছি লেখিকার লেখাটি যুক্তি নির্ভর না। এটা শুধুই তার আবেগের বহিঃপ্রকাশ, একটা দুর্বল লেখা। তিনি কেবল তার নিজস্ব বিশ্বসের স্বপক্ষে কথা বলেছেন। যারা ধর্ম মানেন না, এতে তাদের গা জ্বালা করার কি আছে? কেউ তার নিজের ধর্মকে সেরা বললেই সে উগ্রবাদী হয়ে গেল? একজন হিন্দু বা একজন খ্রিস্টান কি তার নিজের ধর্মকে ছোট বলে মানবে?প্রত্যেকের ধর্ম বিশ্বাসীর কাছেই তার নিজের ধর্মটাই সেরা। এতে নাস্তিকদের এত চটে যাওয়ার মতো কি থাকতে পারে?
নার্ডি বয়: কাছাছুল আম্বিয়া কোন হাদিস গ্রন্থ না, আম্বিয়াদের জীবনী সংকলন, লেখক অজ্ঞাত, আপনি এখান থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন, পবিত্র কোরআন কি বলে, তা চোখে দেখেন না? সূরা আল বাকারার দ্বিতীয় আয়াতে আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য
আফসোস আপনারা জ্ঞানপাপী, জেনেও সত্যকে অস্বীকার করেন।
লেখক বলেছেন: উনারা শুধুমাত্র তর্কের খাতিরেই তর্ক করেন।
ইসলাম ধর্মে মানব জীবন পরিচালনার জন্য আল-কুরআনকে অনুসরন করতে বলা হয়েছে। আল-কুরআন বুঝার জন্যই আল হাদীস পড়তে হয়। আর উনারা ..............
ডিজিটালভূত বলেছেন:
তীব্র সহমত
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
সবাই নিজেদের ধর্মকে সেরা এবং পরিপুর্ণ বলে দাবী করে থাকে। সব ধর্মই একে অন্যকে বাতিল করে দিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করে।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: সবাই নিজেদের ধর্মকে সেরা এবং পরিপুর্ণ বলে দাবী করে থাকে। সব ধর্মই একে অন্যকে বাতিল করে দিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করে।
লেখক বলেছেন: আমি পেন্টিয়াম-২ দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করি। আর এখন সেটার গূরুত্ব যতটুকু। ইসলাম ধর্ম প্রবর্তনের আগের যে ধর্মগুলো প্রবর্তিত হয়, ইসলাম ধর্ম প্রবর্তনের পর সেই ধর্ম গূলোর অবস্থাও পেন্টিয়াম মানের কম্পিউটারের মত।
সুমন অহেমদ বলেছেন:
আমি জানতাম আপনি এবং আপনারা ভাবেন যে এইসব কাজ জিহাদের সমতুল্য. . ."নিজে পুরুষ হয়ে নারী নিক নেমে ব্লগে ইসলাম প্রচার করা জিহাদের সমতুল্য"-- নতুন করে কোনো একটা হাদিসে এই বাক্যটা যোগ করবেন. . .
আরে, একজন জঙ্গী যখন বোম ফাটিয়ে মানুষ মারে তখনও সে ভাবে ঐ কাজটা জিহাদের সমতুল্য. . .
লেখক বলেছেন: আমাদের দেশের জঙ্গী সংগঠন গুলোর কাছে যেমনটি জিহাদের অর্থ পরিপূর্ণতা পায় নি। তেমনি আপনাদের কাছেও না।
প্রকৃত অর্থে বিসর্জন, ত্যাগ, জিহাদ শব্দগুলো একই। এক ধর্মাবলম্বীরা একেকভাবে বলে। যেমন আমরা বলি 'পানি' আর হিন্দুরা বলে 'জল'। জিনিস একটাই।
জনৈক শিক্ষিত ছেলে যেমন করে মায়ের কাছে 'ওয়াটার' চাইতে চাইতে পানি না খেয়েই মরে গেল আমারও হাদীস বলতে বলতে মরণ হবে আপনি কিছুই বুঝবেন না বা বুঝার চেষ্ঠা করবেন না।
জলপাই দেশি বলেছেন:
+++++++++++++++++
আর সেরার কথা যখন বলবেন এটা স্বীকার করা হয় যে অন্যগুলোও ধর্ম। বৌদ্ধধর্মে কোন ঈশ্বর নাই, খৃষ্টানরা একজন মানুষকে ঈশ্বর বলতেছে, আর হিন্দুধর্ম তো পুরাটাই ভুয়া/আজগুবী আর নানান যৌনকর্মের কাহিনী।
লেখক বলেছেন: ঠিক তাই। যার যেমন রুচি। কেউ মদ বিক্রি করে দুধ পান করে, আর কেউ দুধ বিক্রি করে মদ পান করে।
প্রত্যেকটা মানুষের রুচিমতই ভাবনা আসে।
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
যৌনতা হচ্ছে সব চেয়ে ধর্ম সেরা ধর্ম!!!!!!!!!!অন্য যে কোন তথাকথিত ইশ্বরবাদী ধর্ম ছাড়া মানব জীবন অচল থাকবে না কিন্তু যৌনতা ছাড়া জীবন অচল।
নীড় ~ বলেছেন:
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: সবাই নিজেদের ধর্মকে সেরা এবং পরিপুর্ণ বলে দাবী করে থাকে। সব ধর্মই একে অন্যকে বাতিল করে দিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করে।
লেখক বলেছেন: প্রকৃত অর্থে আমার এ লেখাটা মোটেও সময় উপযোগী হয়নি। ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব বহুযুগ আগেই প্রমানিত হয়েছে।
এখন লেখা প্রয়োজন, কেন আমরা ধর্মকে অনুসরন করি না।
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব বহুযুগ আগেই প্রমানিত হয়েছে। হিমু ব্রাউন জানবার চায় ,বহুযুগ টা কতদিন আগের একটু নির্দিস্ট করে বলাযায় কি????????
লেখক বলেছেন: সব যদি আমি বলি বই বিক্রেতারা না খেয়ে মারা যাবে।
নার্ডী বয় বলেছেন:
@আবু সালেহ সুমন,আমি লেখিকাকে উগ্রবাদী,অহংকারী,অজ্ঞ,হিংসুটে,ইসলাম বিনষ্টকারী বলেছি কারণ এদের মত মানুষরা নাস্তিক এবং বিধর্মীদের চরম ঘৃনা করে।এরাই জিহাদের নামে নিরীহ মানুষ খুন করে।আমি তাঁর এই কথাটিতেই সেটা বুঝতে পেরেছি ,আমি যদি কোন ধর্মকে অসম্মান (আপনার দৃষ্টিতে) করে থাকি, তবে তা আল্লাহর ধর্মকে নয় কিছু অকার্যকর ধর্মকে
আপনি আফসুস করেছেন আমার জন্য।আপনাকে বলি, আমার জন্য আফসুস না করে নিজের জন্য আফসুস করেন।আমি কুরআন যতটুকু পড়েছি মন দিয়ে পড়েছি।অনুভব করতে চেয়েছি কোরআনের কথাগুলো।আপনি যে সুরা বাকারার উদৃতি দিয়েছেন সেই বাকারা তেই আছে বান্দারা যাতে দুনিয়াতে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি না করে সেজন্য আহবান করেছেন প্রভু।ভাল থাকুন।
@ লেখিকা,সৎসাহস থাকলে আমি যা বলেছি তার বিরুদ্ধে যুক্তি প্রমান দেখান।
জবাব দেন নি কেন মন্তব্যের?
লেখক বলেছেন: প্রথমেই গঠন মূলক সমালোচনার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আমি আপনার প্রথম আপত্তি নিয়ে কথা বলতে ইচ্ছাবোধ করছি না। কারণ সেখানে কোন লজিক দেখছি না।
আপনার দ্বিতীয় আপত্তিটিতে একটা লজিক আপনি পেশ করেছেন। এর উত্তরে আমি আপনাকে একটা অনুরোধ করব। আপনি দয়া করে সুরা আল বাকারা এর যখন নাজিল বা অবতীর্ণ হয় সে সময়ের প্রেক্ষাপট টা পড়ে নিবেন। এ ধরনের অনেক বই বাজারে পাওয়া যাবে। এটা পড়লে আপনার রাতের বেলা সকালের নাস্তা খেতে ইচ্ছে করবে না বা খাবেন না।
আর আপনি যে জিহাদের কথা বলেছেন এ ধরনের জিহাদ করার মত অবস্থা বাংলাদেশে নেই। আর যারা এটা করতে বলছে বা করছে তারা মোটেও ইসলামের অনুসারী নয়, এরা ইসলামের দুষমন। হয়ত এরাই বিভিন্ন গোয়েন্দাদের সাজানো চরিত্র।
আর আপনারা সবাই কেন আমাকে জোর করে জঙ্গী বানানোর চেষ্ঠা করছেন। ধর্ম নিয়ে কিছু বলা তাহলে জঙ্গীবাদের সামিল।
আমি দুঃখিত, এটা জানতাম না। জানলে লিখতাম না।
আপনার মন্তব্য জানার অপেক্ষায় ..................
নীড় ~ বলেছেন:
যান তালগাছ আপনের, মাইনা নিলাম।
নীড় ~ বলেছেন:
বলাই বলেছেন: এত সহজে মেনে নিলেন, ভাই।আমি ভাই এসবে অজ্ঞ। না হলে, এর শেষ দেখে নিতাম।
ভাই আপনে মনে হয় ঐ প্রবাদটা শুনেন নাই "বিচার মানি কিন্তু তালগাছ আমার"। এ পোস্টের লেখকের মনোভাব ঐরকম, তাই তাকে কোনো যুক্তি দেয়া বৃথা। তাই তাকে তালগাছ দিয়ে দেয়া হলো
লেখক বলেছেন: আপনি তো আর কোন লজিক আনেন নি। আর এখানে তো জোর করার কিছু নেই।
আপনি কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন কেন ????????
আপনার জানার অভাব থাকলে সেটা ভিন্ন কথা। সবাই সব কিছু জানে না, আবার অনেকে জানার চেষ্টা করে না।
আপনি কোন দলে বুঝতে পারছি না।
সমাস বলেছেন:
অখন কিতা কইত্ত অইবো আফা?
লেখক বলেছেন: মানে কি ভাইয়া !
নার্ডী বয় বলেছেন:
১। অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে শুধু মাত্র বিভিন্ন নীতি বাক্য, আদেশ-উপদেশ দিয়েই পূর্ণ। এসব দিক বিবেচনা করলেই তো বুঝা যায়। কোন ধর্মটা সেরা।
২। আমি যদি কোন ধর্মকে অসম্মান (আপনার দৃষ্টিতে) করে থাকি, তবে তা আল্লাহর ধর্মকে নয় কিছু অকার্যকর ধর্মকে।
প্রথমে উপরের দুটি উদৃতিতে আপনি যা বলেছেন তাঁর সপক্ষে যুক্তি প্রমাণ দিন।
১ম টাতে দেখান যে কোরআন অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ থেকে কিভাবে সেরা।আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে কোরআন অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ থেকে সেরা তাহলে আপনি নিশ্চয়ই আপনার দাবীর সপক্ষে যুক্তি দেখাতে পারবেন।আর যদি আপনি লোকমুখে শুনেই বা আবেগে অন্ধ হয়েই মনে ধারন করে ফেলেন যে কোরআন সেরা অন্যগুলোর চেয়ে,তাহলেত কথাই নেই।
২য় টা তে প্রমান করুন যে কোরান বাদে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থগুলো কিভাবে অকার্যকর?
লেখক বলেছেন: বলতে লজ্জা পাচ্ছি, এমন কারো সাথে ডিসকাস করছি, ধর্ম নিয়ে কথা বললে যিনি ভাবেন এরা উগ্রপন্থী। আর কাছাছুল আম্বিয়া পড়েছেন ধন্যবাদ। আরো টপ ক্লাসের হাদীস আছে, সেগুলোও পড়বেন। পড়লেই আপনি ধর্মের অনুসারী হয়ে যাবেননা, আপনার জানার পরিধি বাড়বে।
কারো সম্পর্কে ভালভাবে না জেনে কোন কথা বলা উচিত নয়।আমি এই ব্লগে মনে আঘাত দেয় এমন কোন কথা,পোস্ট,মন্তব্য করিনি।শুধুমাত্র আপনাকেই মনে আঘাত দেয় এমন কথা বলেছি।আপনাকে উগ্রবাদী,অহংকারী,অজ্ঞ,হিংসুটে,ইসলাম বিনষ্টকারী বলেছি কারণ আপনি ভিন্ন ধর্মানুসারীদের সম্মান করতে জানেন না।অর্থাৎ মানুষকে সম্মান করতে জানেন না।মুহাম্মদ সা: কিন্তু আপনার মত করেন নি।এজন্য অনেক নাস্তিকও মুহাম্মদ সা: কে সম্মান করে।
৭০ নং মন্তব্যে আমি আপনাকে এগুলো কেন বলেছি তার কারণ বলেছি।
কিন্তু কি কারণে আমাকে আপনার ধর্ম বিরোধি অর্থাৎ নাস্তিক মনে হলো, বলবেন কি?আমি ধর্মকে/ইসলামের বিরুদ্ধে কোন কথা বলেছি?
কাছাছুল আম্বিয়া কোন হাদীস গ্রন্থ নাকি? এটা হল নবীদের জীবন কাহিনী সম্পর্কিত একটা বই,যেটা উর্দুতে রচিত হয়েছিল।পরে বাংলায় এটা অনূদিত হয়।
হাদীসের আবার কোন ক্লাস আছে নাকি? আমি তো জানি সবচেয়ে সহীহ বিশুদ্ধ হল বুখারী তারপর মুসলিম।
আমি ধর্মানুসারী নাকি নাস্তিক তা আপনি জানেন নাকি?
জানেন আমি ধর্মকে কত সম্মান করি?
আর আপনারা সবাই কেন আমাকে জোর করে জঙ্গী বানানোর চেষ্ঠা করছেন। ধর্ম নিয়ে কিছু বলা তাহলে জঙ্গীবাদের সামিল।
আমি দুঃখিত, এটা জানতাম না। জানলে লিখতাম না।
আমি বাদে কেউ এই পোস্টে আপনাকে উগ্রপন্থী বলে নি।আমার উদ্দেশ্যে ই আপনি একথাটা বলেছেন।তাহলে আবার আপনারা সবাই বলছেন কেন?
আপনি ধর্ম নিয়ে কিছু বলেন নি,আপনার মনোভাবও প্রকাশ করেন নি নিজ ধর্ম সম্পর্কে।আপনি যা করেছেন তা হল অন্য ধর্মানুসারী এবং নাস্তিকদের মনে আঘাত দিয়েছেন,খোঁচা মেরেছেন।যা ইসলাম পরিপন্থী।আর নিচের এই উদৃতিটিতে আপনার আচরণের আরো বহি:প্রকাশ ঘটে।মোহাম্মদ সা:এরকম ছিলেন না।তিনি ইহুদি কিংবা মুর্তি পুজারীদের সাথে এরকম আচরন করেন নি।তাঁর আচরণে কাফির রা মুগ্ধ ছিল।
আর সেরার কথা যখন বলবেন এটা স্বীকার করা হয় যে অন্যগুলোও ধর্ম। বৌদ্ধধর্মে কোন ঈশ্বর নাই, খৃষ্টানরা একজন মানুষকে ঈশ্বর বলতেছে, আর হিন্দুধর্ম তো পুরাটাই ভুয়া/আজগুবী আর নানান যৌনকর্মের কাহিনী। ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৬ লেখক বলেছেন: ঠিক তাই। যার যেমন রুচি। কেউ মদ বিক্রি করে দুধ পান করে, আর কেউ দুধ বিক্রি করে মদ পান করে। প্রত্যেকটা মানুষের রুচিমতই ভাবনা আসে।
যিনি প্রকৃত মুসলিম তিনি কখনোই জেনেশুনে ইচ্ছাকৃতভাবে মুহাম্মদ সা: এর কথা অমান্য করবেন না।যদি করেন তাহলে ত ওনি নিজেই ধর্ম মানছেন না।ইসলাম বলে "সহজ পন্থা অবলম্বন কর চরম পন্থা পরিত্যাগ কর"
একজন প্রকৃত মুসলমান কখনোই এমন কথা বলবেনা যা সার্বিক দিক থেকে উষ্কানীমূলক বা কারো মনে আঘাত দেয় ।সে হিসেবে একজন মুসলিম গর্ব/অহংকার করে বলতে/ প্রচার করতে পারেনা যে ইসলাম ই সেরা ধর্ম।কারণ তাঁর এ কথায় ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মনে আঘাত দেবে বা খোঁচা দেবে। একজন প্রকৃত মুসলিম কখনোই জেনেশুনে কারো মনে আঘাত দিতে পারে না।আপনি ভাল করেই জানতেন/জানেন যে সামু একটা কম্যুনিটি ব্লগ।এখানে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীএবং নাস্তিকরাও ব্লগিং করেন।আর তারাও মুসলিমদের মতই রক্তমাংসের মানুষ।একজন মুসলমানের যে অধিকার আছে তাঁদেরও সেই একই অধিকার রয়েছে।ওনার পোস্ট বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীএবং নাস্তিকরাও দেখবেন। তখন তাঁরা একটু হলেও মনক্ষুন্ন হবেন।এতে বিবাদ সৃষ্টি হবে।প্রকৃত মুসলিম বিবাদ সৃষ্টি করতে পারে না।কারন ইসলামই বলে
"ফিতনা হত্যার চাইতেও জঘন্য"
আমার প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিন আগে।তারপর আমি আপনার সাথে সূরা বাকারা বিষয়ে আলোচনা করব।
পিছলাবেন না আবার।আপনার মন্তব্যের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রথম প্রশ্নের বিপরীতেও আপনাকে পড়তে বলব। আর সেগুলো অন্যান্য ধর্মগ্রন্থগুলো। সেসব ধর্মগ্রন্থে যদিও আগে অনেক কিছূ ছিল, কিন্তু এখন অনেক সংশোধন আর সংযোজনের ফলে ধর্মগ্রন্থগুলো নিজের স্বকীয়তা এবং কার্যকারিতাও বহুলাংশে হারিয়েছে। কিন্তু আল কুরআনের ক্ষেত্রে এমনটি হয়নি বলেই আল কুরআন সেরা। এরপরেও বলব, আপনি নবম কিংবা দশম শ্রেণীর ছাত্রকে প্রশ্নটা করলে ভালো করবেন।
আপনি বলেছেন, এজন্য অনেক নাস্তিকও মুহাম্মদ সা: কে সম্মান করে।
এটা কি ধরনের সম্মান করা হলো, উনাকে সম্মানও করবেন আবার উনার কিতাবকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবেন। যদি উনাকে সম্মান করেন তাহলে প্রমাণ দেখাতে হবে উনার কথা ও কাজকে মেনে নিয়ে। আপনারা হলেন সেই ভন্ড হুজুরের মত, জুব্বা পরে, কিন্তু নামাজ পড়ে না। মিষ্টি খায়, কারণ এটা হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বেশী খেতেন, কিন্তু নামাজ পড়েন না যেটা হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আরো বেশী পড়তেন। তবুও বলব হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে সম্মান করতে হলে আপনি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনী ভালোমত পড়েন।
আপনি আবার বলেছেন, ইসলাম বলে "সহজ পন্থা অবলম্বন কর চরম পন্থা পরিত্যাগ কর"
হে, ইসলামে তা বলা আছে। কিন্তু তা সব অবস্থার প্রেক্ষিতে নয়। আগে মানুষের যে কোন অসুখ হলেই কুইনাইন খেতে হত। আপনিও একটা কথাকে সর্বক্ষেত্র প্রয়োগ করার চেষ্ঠা করছেন। এতে করে আপনার জ্ঞানের সংকীর্ণতাই প্রকাশ পাচ্ছে।
আপনার লেখা দেখে মনে হচ্ছে আপনি কুরআন হাদীস পড়েন, তবে জানার জন্য নয়, ভুল ধরার জন্য। যা পড়বেন পুরো ব্যাখ্যা সহ বুঝে পড়লে এ সমস্যা হবার কথা না। আর জিঘাংসু মানসিকতা বাদ দিয়ে স্বাভাবিক মনে পড়েন। জানতে পারবেন, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কোন কথার প্রেক্ষতে কি বলেছেন, বা কোন অবস্থার প্রেক্ষিতে কোরআনের কোন আয়াত নাজিল হয়েছে। কুরআনে বহু আয়াত একাধিকবার আছে। প্রতিটা আয়তের মর্ম ভিন্ন। এগুলো অবতীর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপটও ভিন্ন ছিল।
আমি আগামী কাল আমার গ্রামের বাড়ী যাব। বাড়ী হতে ২৪ জানুয়ারী ২০১০ এসেই আপনার সব প্রশ্নের জবাব দিব।
আর আপনার কিছু প্রশ্ন একেবারেই শিশুসুলব। যাই হোক আমি আপনার জবাব অবশ্যই দিব।
সন্যাসী বলেছেন:
এতো দুকড়ি দত্তের মতো সব ফেলে দিয়ে মামা বাড়ী চলে যাবার মত হয়ে গেল। "খ্যাতির বিড়ম্বনা"!
লেখক বলেছেন: না তো। আই কামব্যক এগেইন। দেন আই উইল এনসার ইউর ওল কোয়েশ্চান। আই কেন প্রমিজ।
নাউ, আই রিকুয়েষ্ট হিম টু গিভ মি ফিউ টাইমস্।
ধ্রুব তারা বলেছেন:
গিভ মি ফিউ টাইমস্ কথাটার অর্থ বোধগম্য হল না। আপনার মতো ব্লগের এক জনপ্রিয় ব্লগার আছেন যিনি, সবকিছু বোঝার ভাব করলেও প্রশ্ন করলে হাস্যকর প্রশ্ন বলে উত্তর দেন না। তবে এসব ক্যাচাল বাদ দেন। আমাকে শুধু গিভ মি ফিউ টাইমস্ কথাটার অর্থ বলুন।
রাজিব খান০০৭ বলেছেন:
ওৎ বাবা এ প্যাচাল এখনও চলছে।টাইপ করার লাগি হাতটা কেমন কেমন করতেছে।ইশ! আমি তো আবার সেফ হয়ে গেছি! তাড়াতাড়ি ভাগি।আরেকবার জেনারেল হইলে শুরু করুম।
নার্ডী বয় বলেছেন:
আমি আগামী কাল আমার গ্রামের বাড়ী যাব। বাড়ী হতে ২৪ জানুয়ারী ২০১০ এসেই আপনার সব প্রশ্নের জবাব দিব।কই কোন জবাব তো দিলেনই না।আমি ২৫ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম তারপর আরও ১০-১৫ দিন আপনার ব্লগে ঢু মেরে গেলাম আপনার আসার কোন নামই নেই জবাব দেয়া তো দূরের কথা। ক'দিন আগে হঠাৎ একবার ঢুকে দেখি আপনি উত্তর না দিয়েই অন্য বিষয়ে পোস্ট দিয়েছেন।তখনই মন্তব্য করতে ইচ্ছা করেছিল।আবার ভাবলাম থাক পড়ে কমেন্ট করবো।দেখি আমার উত্তর দেয় কি না। যে ওয়াদা ভঙ্গ করে তাঁকে কি বলে ?
আমার সাথে আপনার মতের, ভাবনার,চিন্তার অমিল থাকতে পারে তাই বলে কি আমি আপনার বা আপনি আমার শত্রু?আপনার ৭৫ নং কমেন্টের উত্তর টা তে এরকমই মনে হয়েছে।আর এ কমেন্ট টা আপনার ২য় কমেন্ট।প্রথমটা মুছে দিয়ে পরে এই কমেন্ট টি করেন।যেখানে আমি ধর্ম নিয়ে একটি কটু কথা বলিনি সেখানে আপনি আমাকে ধর্মের শত্রু বানাতে উঠে পড়ে লেগেছেন।আমি নিশ্চিত আপনি ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে সঠিক জানেন না এবং মানেন না।আমি আপনার পোস্টে আপনার লিখা কথা ও মন্তব্য কোরআনের আয়াতের সাহায্যে দেখাতে পারবো আপনি এবং আপনার মত উগ্রপন্থি ধর্মব্যাবসায়ীরাই ধর্ম নষ্টের মূলে।আপনাদের বিবেক কোথায়?হয়তোবা ওকে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছেন,মরনের পরে জাগাবেন বলে যখন কোন কাজে আসবে না ও আর।
সংঘাত কখনোই মুক্তির পথ হতে পারে না।আমার সম্পর্কে আপনি যা বলেছেন তা কোরআনের,হাদীসের আয়াত আর যুক্তির মাধ্যমে আমি দেখাতে পারি আপনি মিথ্যা বলেছেন।এখন বললাম না মন্তব্য টা অনেক বড় হয়ে যাবে বলে।
লেখক বলেছেন: প্রথমেই বলি, আপনার প্রশ্নের জবাব আমি পরদিনই দিয়েছি। তবুও আপনার অভিযোগ দেখে আমি অবাক হই।
আমি যে না জানাদের দলে এ কথা স্বীকার করতে আমার কোন দ্বীধা নেই।
আমি ধরে নেই, আপনি ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানেন এবং মানেন। তো এটা একটা পোষ্ট লিখে প্রমাণ করেন না প্লিজ।
আর যদি সংঘাত এর কথায় আসি, তো বলব বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় খুনের জন্য কোন বদনাম হয় না মাইরের বদমান হয়। অথবা পেশাদার সন্ত্রাসীর কোন সমালোচনা হয়না কিন্তু পাতি সন্ত্রাসীদের .........। থাক না ই বা বললাম।
খুন হয়েছে রাজশাহীতে, আর আমার গ্রামের বাড়ীতে এমন এক লোককে এরেস্ট করা হয়েছে, যে কোন দিন রাজশাহী যায় নি।
হো ! তার দু'টা অপরাধ আছে। একটা সে আওয়ামী রাজনীতি পছন্দ করে না। দ্বিতীয় টা হল সে একটা রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত, যাদের আছে যুদ্ধাপরাধীর কালীমা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















এতে কোন সন্দেহ নাই।