সর্বশেষ- রব হলের সামনে ছাত্রলীগ আর হলের ভিতর শিবিরের অবস্থান। দুই দলের প্রস্তুতিই মারমুখি। রাবির ঘটনার পূনরাবৃত্তি মনে হচ্ছে।
গতকাল মধ্যরাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির ও ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উভয় দলের প্রায়২০জনেরও অধিক নেতা কর্মী আহত হয়। রাত ১০টার সময় একটি মসজিদে ছাত্রশিবির কর্মীদের একটি সভাকে বাধা দিতে গেলে উভয়পক্ষের কর্মীদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয় এবং এথেকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রলীগ অভিযোগ করে শিবির হল থেকে তাদের উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছিল। ছাত্রশিবির অভিযোগ করে, তারা যখন কর্মীদের নিয়ে সভা করছিল তখন বিনা উস্কানীতে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদের উপর হামলা চালায়।
ঘটনা যাই হোক চবিতে এখন উত্তপ্ত পরিবেশ। শহীদ আব্দুর রব হল ও শাহ আমানত হলের সামনে এবং ভেতরে দুই দল ছাত্রের রণপ্রস্তুতি রয়েছে। পুলিশ নির্বিকার বসে আছে কখন লাশ পড়ে সেই লাশ নিয়ে থানায় রিপোর্ট করার জন্য।
কথা হলো এইতো সেদিন রাবিতে এই দুই দলের সংঘর্ষের ব্যপকতায় প্রাণ দিতে হল এক ছাত্রনেতার। সেই ঘটনায় বন্ধ হল রাবিসহ রাজশাহীর ৫শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাবি এখনও খুলেনি। এখন আবার চবিতে উত্তেজনা চলছে। হয়তো বেলা বাড়ার সাথে সাথে আরও বড় কোন সংঘর্ষ শুরু হবে। তাতে হয়তো আরও কোন ছাত্রের মায়ের বুক খালি হবে। এমনই হয়ে থাকে যে, একজন ছাত্র নিহত বা প্রায় শতাধিক ছাত্র গুরুতর আহত হবার পর ক্যাম্পাস যখন রনক্ষেত্রে পরিণত হয় তখন অনির্দিষ্ট কালের জন্য ভার্সিটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তাই সময় ক্ষেপণ নয় এখনই কোন ব্যবস্থা নিয়ে এই আধিপত্য বিস্তারের লড়াই স্তিমিত করা হউক।
ঢাকা, মে ১৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। (আরো তথ্যসহ-৪)
তাদের মধ্যে ১০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরা হলো মারুফ, শান্ত, কমল, জাহেদ, রাকিব হাসান, ইমতিয়াজ রহমান, রাজু, আবির, রাহুল ও শিহাব। এদের মধ্যে মারুফ ও জাহেদের অবস্থা আশংকাজনক। এদের মধ্যে ছয়জন ছাত্রলীগ কর্মী।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইসমাইল রাত ১টা ৪৪ মিনিটে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ক্যাম্পাসে ২শ' পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আনিসুজ্জামান ইমন বলেন, "শিবির কর্মীরা বিভিন্ন হলে তাদের ১৫ কর্মীকে জিম্মি করে রেখেছে।"
জিম্মিদের একটি তালিকা প্রক্টরের কাছে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জানান, রাত সাড়ে ১০টায় আব্দুর রব হলে সংঘর্ষ শুরু হয়। উভয়পক্ষ রড, লাঠি, দা কিরিচ নিয়ে পরস্পরের উপর হামলা চালায়। এসময় অনেক ছাত্রলীগ কর্মী সীমানা দেয়াল টপকে পেছনের পাহাড়ে আশ্রয় নেয়।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ, প্রক্টর মো. জসিমউদ্দিন ও বিপুল সংখ্যক আমর্ড পুলিশ অবস্থান নেয়।
Click This Link
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর টকম/প্রতিনিধি/এএনএস/এইচএ/০২১২ঘ.
বিস্তারিত জানতে বিবিসি বাংলার প্রভাতী অনুষ্ঠানটি শুনুন
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



