দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আজ রোববার কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ রোববার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা থেকে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ফ্যাক্সযোগে ওই গেজেট প্রেরণ করে।
বিস্তারিত- কুমিল্লা নিউজ ২৪ডট কম
কুমিল্লা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় গত ২৩ জুন স্থানীয় সরকার বিভাগ কুমিল্লা ও সদর দক্ষিণ পৌরসভাকে বিলুপ্ত করে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা করে। সেদিন কুমিল্লাকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ (২০০৯ সালের ৬০ নং) এর ধারা ৩ (৩) এবং উক্ত বিধিমালার বিধি ৬ এ প্রদক্ত মতাবলে সরকার কুমিল্লা জেলার কুমিল্লা পৌরসভা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ পৌরসভা বিলুপ্ত করে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার গেজেট রোববার প্রকাশ করে। এদিকে এ গেজেট বিজ্ঞপ্তির প্রকাশের খবর ঢাকা থেকে সন্ধ্যায় ফ্যাক্সযোগে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসার পর তা দ্রুত সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। শহরের বিভিন্ন স্থানে উল্লাস, আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ প্রকাশ করে নগরবাসী। ফেসবুকে স্ট্যাটাস ও মোবাইলে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে তা দ্রুত পৌছে যায় সর্বত্র।
জানা যায় ২০১০ সালের ২৩ আগষ্ট কুমিল্লার তৎকালীন জেলা প্রশাসক আব্দুল মালেক কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত যুক্তি ও তথ্য সমৃদ্ধ একটি চিঠি স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করার পর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়। কুমিল্লা ও সদর দক্ষিণ পৌরসভাকে বিলুপ্ত করে সিটি কর্পোরেশন করার প্রস্তাব পাঠাতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর সিটি কর্পোরেশন বিধিমালা এসআরও নং ০২-আইন/২০১০-এর ধারা ৩,৪,৫ উল্লেখ করে সুনিদির্ষ্ট আকারে প্রস্তাবসহ প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছিল। মন্ত্রণালয়ের দেয়া চিঠিতে নতুন সিটি কর্পোরেশন হিসেবে ৮টি শর্ত পূরণের কথা উল্লেখ করে দেয়ার জন্য বলা হয়। পরে বর্তমান জেলা প্রশাসক মোঃ রেজাউল আহসান ওই ৮টি শর্তই যথাযথ বিবেচনায় জনমত যাচাই বাছাই সাপেক্ষে চুড়ান্ত প্রস্তাবনা স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করার পর কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করতে আইনগত সকল বাঁধা দূর হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৯:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


