somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লন্ডনে অগ্রজদের সৃষ্টি ও তার একটা সংবাদ

২৭ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কালচিত্র ও বিম্বিত চিন্তার প্রকাশনা
জীবনের সাথে সম্পৃক্ততায় লেখক হয়ে উঠেছেন পিপল্স ইন্টেলেকচুয়েল
আনোয়ারুল ইসলাম অভি

সাংবাদিক কলামিষ্ট ফারুক যোশীর কালচিত্র ও বিম্বিত চিন্তা বই‘র প্রকাশনা উৎসব গত ১৯ জুলাই সোমবার পূর্ব লন্ডনের কবি নজরুল সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। প্রাণজ এই প্রকাশনা উৎসবে বক্তারা বলেছেন, ফারুক যোশী তার লেখায় সময়কে ধরে রাখেন। ঘটমান বর্তমান তার বিষয়। লেখক হওয়ার আগেই তিনি যেহেতু বাঙালী-প্রগতিশীল, একারনে লেখক হওয়ার পরেও তার কাছে সেসব বিষয়ই স্বচ্ছভাবে উঠে এসেছে। তার লেখা অভিবাসী বাঙালীদের মূল বিশ্বাসের প্রতিফলন। বোদ্ধা, পাঠক ও সাধারনের মাঝে তার উচ্চারিত শব্দ, বাক্য গাথুনি আমাদের সাহসী এবং বিশ্বাসী করে তুলে।

প্রকাশনা উৎসবে কালচিত্র ও বিম্বিত চিন্তা বই’র উপর মূল আলোচক ছিলেন সাংবাদিক-সমালোচক মন্জুরুল আজিম পলাশ। বইটির পাঠ প্রতিক্রিয়া পাঠ করেন লেখক -গবেষক ফারুক আহমদ। লেখকের জীবন চরিত প্রকাশ পাঠ করেন কবি ওয়ালী মাহমুদ।

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাপ্তাহিক সুরমা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ছিলো ফারুক যোশীর কবিতার আবৃত্তি এবং বইটির উপর পাঠ আলোচনা ও শুভেচ্ছা বক্তব্য।

বইটির মুল আলোচক সাংবাদিক-কলামিষ্ট মন্জুরুল আজিম পলাশ বলেন লেখক ফারুক যোশীকে বুঝতে হলে তার সময়কে আমরা কল্পনা করতে পারি। প্রথমত তাকে বাঙালী বলা যায়, আরেকটু এগিয়ে বললে তিনি অসাম্প্রদায়িক এবং আরেকটু এগিয়ে বললে তিনি প্রগতিশীল। লেখক হওয়ার আগেই যেহেতু তিনি বাঙালী একারনে তার লেখক হওয়ার পরেও তার কাছে সেসব বিষয়ই স্বচ্ছভাবে উঠে এসেছে। তিনি ঘটমান বর্তমান নিয়ে লিখেন। গদ্যে মেদ কম কিন্তু গুরুত্বহীন নয়, বিশ্লেষনে গভীরতা নেই--মূল বিষয় প্রকাশ করতে এগুলো গৌণ হয়ে রয়েছে। ফারূক যোশী সমসাময়ীকতা নিয়ে লিখেন এবং সেখানে তিনি সফল। গোলাম মুরশিদ চলমান বাঙালীর ইতিহাস লিখতে গিয়ে প্রচন্ডভাবে বিচ্ছিন্ন। পিপল্স ইন্টেলেকচুয়েলের বৈশিষ্ট্য একজন লেখককে জীবন্ত রাখে। ফারূক যোশী সেই পথেই হাটছেন।

লেখক-গবেষক ফারুক আহমদ তার পাঠ প্রতিক্রিয়ায় বলেন তিনি বিলেতে বসে স্মৃতি হাতড়িয়ে লেখালেখিকে প্রাধান্য না দিয়ে তার পারিপার্শ্বিকতা-সমাজ নিয়েই ভেবেছেন। তাই তার ভাবনায় বাঙালী কমিউনিটি থেকে শুরু করে এসেছে ব্রিটেন কিংবা বিশ্ব। আমরা তার লেখায় সমসাময়ীকতা পাই। পাই এ কমিউনিটির সুক্ষ্ম বিশ্লেষন।

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক আব্দুস সাত্তার মানুষের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ে তার সাংবাদিকতা অনুকরনীয়। তার লেখনী চিন্তা চেতনায় আমরা আশার আলো দেখি। আমাদের অভিন্নদন ও শুভ কামনা আগামী দিনের জন্য।

সাপ্তাহিক পত্রিকা সম্পাদক এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, যারা এখনও বইটি পড়েন নি তাদের উদ্দেশ্যে বলা যায় প্রবন্দগুলো মানুষকে আলোর পথ ও সাহসী হতে উদ্বুদ্ধ করে । ফারুক যোশীর সাথে আমার দুটো হৃদ্বিক মিল --আমি দির্ঘদিন সুরমাতে কাজ করেছি--লেখক হিসেবে ফারুক যোশীকে পেয়েছি। এখন পত্রিকার দায়ীত্বে আছি। তিনি সেখানেও নিয়মিত লেখেন। তার কাছে দুটো আবেদন--তিনি যতই লিখুন আমাদের নিউজগুলো যেন বন্ধ না করেন এবং যতই প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখুন কবিতা লেখা যেন বন্ধ না করেন।

সাপ্তাহিক জনমতের বার্তা সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন ফারুক যোশী সবসময় বর্তমান নিয়ে লিখেন। তার লেখায় পুরনো কাসুন্দি থাকে না বলে পাঠক চরমান বিষয়গুলো আগ্রহ নিয়ে পড়েন। একজন প্রগতিশীল লেখক হিসেবে তিনি জনমত পাঠকদের কাছে তিনি জনপ্রিয় বিধায় আমরা তার প্রবন্ধগুলো গুরুত্ব দিয়ে ছাপি।

শিক্ষাবিদ শামসুল আলম বলেন- ফারুক যোশীর লেখার সাথে আমি খুব পরিচিত। তার লেখায় আমি অনুপ্রাণিত হই।। আমি এসেছি তার লেখা নিয়ে বোদ্ধাদের আলোচনা শুনতে, লেখককে অনেক অভিবাদন ও শুভেচ্ছা।

সংগঠক সৈয়দ এনাম বলেন, ফারুক যোশী প্রবাসের ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত লেখেন। তার মৌলিক লেখাগুলো প্রগতি ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে কথা বলে এবং লেখাগুলো দেশে-বিদেশে জনপ্রিয় তার স্বীয়তার জন্যই।

সাংবাদিক ইসহাক কাজন বলেন, ফারুক যোশী যে রাস্তা দিয়ে চলেন আমিও সেই রাস্তা দিয়েই চলি। তার মধ্যে একটা ভিন্নতা আছে--- তিনি এদেশের মানুষ ও সমস্যা নিয়ে লিখেন। একনিষ্ঠ পাঠক হিসেবে আমি তার লেখা পড়ার জন্য প্রতিসপ্তাহে আগ্রহ নিয়ে থাকি।

কবি ফারুক আহমদ রনি বলেন-- বইটি দেখে আমি ভীষন আকৃষ্ট হয়েছি। সূচীপত্র দেখলে মনে হয় কবিতার মতো, আশ্চর্য রকম সত্যি, পড়লে মনে হয় একটি কবিতা হয়ে গেছে। আজ থেকে প্রায় একযুগ আগে তার কর্মস্থল সাপ্তাহিক সুরমায় তার সাথে ঘনিষ্ঠতা। তার কলাম, রিপোর্ট আমাদের জাগরিত করেছে। এর জন্য বড় ভূমিকা রেখেছে বিলেতের বাংলা সংবাদপত্রগুলো।

সংগঠক গোলাম আকবর মুক্তা বলেন, ছেটবেলা থেকেই কাছে থেকে দেখেছি তাকে---- তার কর্মে প্রগতি ও সম্প্রীতির আদর্শিক চেতনার স্ফোরণ, প্রবাসে মৌলবাদ ও অসাম্প্রদায়িকতা নিয়ে তার উচ্চারিত শব্দাবলী এই কমিউনিটিকে উদ্বুদ্ধ করে।

লেখক ফারুক যোশী তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন-- আমি জানিনা লেখাগুলো পাঠকের হাতে ভালোভাবে পৌছে দিতে পেরেছি কি-না। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দেলন, বহমান জীবনের প্রতিক্রিয়া-প্রতিবাদ কিংবা ক্ষোভ-ক্রোধ-হতাশার- বেদনার প্রতিফলন হয়ত কালচিত্র ও বিম্বিত চিন্তা বইটি। সমাজকে একা পরিবর্তন করা যায় না। বিপ্লবী হতে হলে যোদ্ধা হতে হয়। আমি পলাতক; ব্রিটেনের সমাজ-সভ্যতায় আমাদের বাঙালীদের সাফল্য-সম্ভাবনা সমস্যার কথা স্পষ্ঠভাবে বলতে চেয়েছি, জানাতে চেয়েছি ,জাগাতে চেয়েছি লেখার মাধ্যমে । আজকে আপনাদের দেয়া সমালোচনা আমার জীবনের অহংকার হিসেবেই থাকবে।

প্রকাশনা উৎসবের সভাপতি লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুরমার প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল আহমদ -নব্বই দশকে সুরমাতে ফারুক যোশীর প্রকাশিত অনুসন্ধানী রিপোর্ট এবং কলাম গুলোর ভুয়শী প্রশংসা করে আজ থেকে প্রায় দেড় যুগ আগের তার "উদ্ভট উঠের পিঠে চলছে স্বদেশ" শিরোনামে লেখা কলামটির প্রসংগ তোলে ধরে বলেন ফারুক যোশীর এরকম লেখাগুলোর দীর্ঘ দিন হয়ে গেলেও এখনও এগুলোর গুরুত্ব অম্লান। তার এরকম অনেক লেখা আমার স্মৃতিতে উজ্জল। ফারুক যোশীর -কালচিত্র ও বিম্বিত চিন্তা বইটিতে কুসংস্কার থেকে সমাজকে মুক্ত রাখার শিক্ষা ও জ্ঞান এবং ইতিবাচক কাজে অনুপ্রাণিত করা ইত্যাদি বিষয় ফুটে উঠেছে। তিনি বলেন ফারুক যোশী একটি চলমান স্বপ্ন দেখেন এবং সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন সমাজকে আলোকিত করবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পললকে অসংখ্য শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ এরকম একটি নান্দনিক ও প্রাণজ প্রকাশনা উৎসবের আয়োজনের জন্য।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে কালচিত্র ও বিম্বিত চিন্তা বইটির মোড়ক উন্মোচনে যোগ দেন তার লেখক জীবনের নিত্য সহচর ,সমালোচক,অগ্রজ ও সহকর্মী মোহাম্মদ বেলাল আহমদ,মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী,মুসলেহ উদ্দিন আহমদ,মনজুরুল আজিম পলাশ, ফারুক আহমদ ও মানবাধিকার সংগঠক হাবিব রহমান।

অনুষ্ঠানটির প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় ছিলেন কবি আনোয়ারুল ইসলাম অভি ও সাংস্কৃতিক সংগঠক আমিনা আলী। ফারুক যোশীর কবিতা আবৃত্তি করেন বিলেতের জনীপ্রয় আবৃত্তিশিল্পী সালাউদ্দিন শাহীন ও মুনীরা পারভীন। লেখক ফারুক যোশী তার বইটি উৎসর্গ করেছেন তার তিন সন্তানকে। দূর ম্যানচেষ্টার থেকে উৎসবে যোগ দেয়ার সময় লেখকের বুকপকেটে গুজে দেয়া আতœজ বাবা ফারুক যোশীকে নিয়ে নয় বছরের মেয়ে প্রভা আহমদের লেখা "মাই ফ্যামেলী" অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করেন নাসিমা আলী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কবি-লেখক-সাংবাদিক-সাংস্কৃতিক কর্মীরা আবেগঘন এ চিঠি পাঠ শুনে বিমোহিত হয়েছেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব অর্থাৎ ভোজন পর্বের আগে ব্যস্ততার মাঝেও চ্যানেল আই‘র নির্বাহী সম্পাদক ও দৈনিক ব্রিট বাংলার চেয়ারম্যান রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী, বাংলা পোষ্ট’র সম্পাদক তারেক চৌধুরীর উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় । এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানবাধিকার কর্মী শাহাব উদ্দিন বেলাল,সুরমার সাহিত্য সম্পাদক আহমদ ময়েজ, সাপ্তাহিক বাংলা টাইমসএর সাংবাদিক-ছড়াকার দিলু নাসের, কবি শাহ শামীম,কবি আব্দুল কাইয়ুম, সাংবাদিক সাইম চৌধুরী। অনুষ্ঠানের মঞ্চ নির্মাতা-চিত্র শিল্পী জিললুল হক শান্ত ও আব্দুস সামাদ এবং নজরুল সেন্টারের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা শুভেচ্ছা জানানো হয়।

উলেলখ্য , সাংবাদিক-কলামিস্ট ফারুক যোশীর কালচিত্র ও বিম্বিত চিন্তা বইটি তার লেখা ৩৫ টি কলামের সংকলন। এ বছর একুশের বই মেলায় জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী থেকে বইটি প্রকাশিত। ব্রিটেনে অভিবাসী মানুষের সুখ দু:খ,ক্ষোভ-দ্রোহ-বেদনা,বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক রাজনীতির পর্যালোচনা নিয়ে লেখা এ বইটি ইতিমধ্যে বোদ্ধামহলে মৌলিক গ্রন্থ হিসেবে সমালোচিত ও বহুল পঠিত হয়েছে। এটি লেখকের তৃতীয় বই।

৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×