আমি ছিলাম আমার বাবা-মায়ের প্রথম মেয়ে। সবকিছুর প্রথম বড় আদরের হয়। ভালোবাসার কোন শৃঙ্খল-সীমাবদ্ধতা থাকে না। ছোটবেলা থেকে সেটাই উপলব্ধি করছি। কিন্তু কোথায় যেন একটা শূন্যতার অনুভূতি ছিল এবং আছে। আমার জন্যই সবকিছু। কিন্তু কেন মনে হয় কিছুই আমার নয়। এ অনুভূতিটা শুধু কি আমার নিজের? নাকি অন্যের অনুভূতিতেও আসে?
একটানা অনেক্ষণ ধরে শুধু অনুভূতির কথাই লিখছি। এবার আমিটার একটা নাম দেয়া যাক। ধরা যাক নাম তার 'রূপা'। এ দেশের দক্ষিণ সীমান্তের একটা ছোট্ট গ্রামে তার জন্ম এবং শৈশবের কিছুটা সময় দুরন্তপনায় কেটেছে। শৈশবের এতই ছোটবেলা যে, ভালোবাসার ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশ বোঝার মতো বয়স তার তখনও হয়নি। এই বাক্যটা যদি আমার পাঠকদের বোধগম্য না হয়, তাহলে একটা উদাহরন দেয়া যাকঃ 'যখন আমরা কোন পথ শিশুকে রাস্তায় দেখি, তখন আমাদের ভেতরে একটু হলেও তাদের সাহায্যের জন্য হাহাকার করে ওঠে, পাশাপাশি যদি কোন বাবা-মায়ের কোলে মেলা থেকে ফিরে আসার খুশির হাসি মুখে মাখানো গোলাপী ফ্রক পড়া কোন মিষ্টি শিশুকে দেখি, আমাদের ভেতরের আনন্দিত প্রকাশিত স্পর্শ শিশুর কপোলে ছোঁয়াই। এটাই ভালোবাসার ভিন্নতা।' এমন এক ভালোবাসার হাতছানি ছিল রূপার ছোটবেলার হর্ষ হননকারী। তার ভবিষ্যতের কথা ভেবে তার বাব-মা ঠিক করলো তার লেখাপড়ার জন্য তার বাবা-মাকে ছেড়ে তাকে শহরে যেতে হবে। (চলবে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


