মন শ্রেয়কে স্পশের্র স্পধার্য় প্রাণিত করে নিয়ে যায় দুঃসাধ্যের রাস্তায়। কিন্তু নির্দয় স্মৃতি যখন পুরোনো দিন গুলোকে সামনে এনে দাঁড় করায় তখন ধারালো হাওয়ার মতো নিষ্ঠুর দুঃখ গুলো বুকের ভিতর ছুরি চালাতে থাকে । সুস্থিত বুদ্ধি ও শুভ চেতনাকে অম্লান আলো ছড়াতে দেখা যায়। একটু খানি সুখের জন্য আকুতি জাগে অন্তরে। দীপ্রতাকে ছুঁড়ে ফেলে খুঁজে ফিরে সোনালী আভা। উত্তেজনায় উতাল-পাতাল হৃদয়ে হৃদ্স্পন্দন দ্রুততর হয়।
বন্ধু, তোমার আপ্লুত জ্যোৎস্নাস্নাত চোখ দুটিতে যেন জাদু আছে। তাই তুমি তাকালেই আমার নিজের মাঝে থাকে না কোন নিয়ন্ত্রন। প্রচন্ড আকর্ষণে ডুবে মরতে ইচ্ছে করে সেই স্নিগ্ধ আভার সৌন্দর্যলোকে। বিস্ময় মুগ্ধতা আসক্ত করে প্যাথেডিনের মতো। তাই সে চোখের বিশালতায় করি নিমগ্ন উচ্ছল স্নান। কেমন যেন সেচ্ছাচারী হতে ইচ্ছে করে। সভ্য নামের পৃথিবীটাকে তোয়াক্কা করতে ইচ্ছে করে না। মন ছুটে চলে জনবিচ্ছিন্ন কোন নিটোল দ্বীপে। সমাজ সংসারের দায় বইতে আত্মঘাতে নিদারুন কষ্ট।
আকাশের ওপার হতে একমুঠো নীল , দরিয়ার তলদেশ হতে কিছুটা মাটি এনে তুমি যে গড়েছিলে আমার পৃথিবী।সেদিন তোমার বাড়িয়ে দেয়া হাতে যে তারুন্যের উত্তাপ পেয়েছি তা আমার দেহ মনে জাগিয়েছে শিহরন। হতাশার সাগর মাঝে পেয়েছি কান্ডারী। স্বপ্নের মাঝে মিশিয়েছ রং। সে স্বপ্ন আজ ফিকে হয়ে গেছে , চলে গেছে অনেক দুরে।এ কেমন কথা রাখা হলো। তোমার কি কিছুই মনে পড়ে না? আমাকে তো তোমার জানা ছিল। এখনও তোমার মতো প্রকৃতির রংয়ের সাথে মিলিয়ে বদলায় আমার মন। মেঘলা আকাশে ভারী হয় , বুষ্টিতে পেতে চায় প্রিয় জনের সানিধ্য । উদাসী হাওয়া তোলপাড় তোলে অন্তরে। ক্লান্ত দুপুরে কাঁঠালের ডালে ঘুঘুর ডাক আমাকেও ব্যাকুল করে। নিজের মাঝে কি যেন না পাওয়ার বেদনা কুঁড়ে কুঁড়ে খায়। নিঃসঙ্গ ও বিষন্ন ঘুঘূর ডাকে যে সুদূর বেদনা আছে তা আমার মনকেও প্লাবিত করে। বড় বেশী স্বার্থপর আমি । তাই নিজের সুখের জন্যই ভালবাসী তোমাকে। সময় অসময় নেই ,নাই কোন হিতাহিত- ভাবি শুধু তোমাকে। যখন্ আমার জন্য কোন সুরে গুনগুনিয়ে ওঠো হোক না কোন ছলনায় , ধরে নেব সে মধুর ছলনার মাঝেও তোমাকে পেয়েছি শতভাগ। ক্ষমা করো বুভুক্ষ ভালবাসা পিপাসী এ ভক্তকে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




