আমার প্রিয় পোস্ট
- ট্রানজিটের পয়লা মাশুল: তিতাস একটি খুন হয়ে যাওয়া নদীর নাম! - দিনমজুর
- স্বপ্নহত্যার এক বছরঃ আমাদের ক্ষমা করো সম্রাট - টয়
- হিজড়া , স্রষ্টার বিচিত্র খেয়াল ? প্রকৃতির অভিশাপ নাকি সভ্যতার ব্যর্থ অভিলাস ? - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে লেখা তসলিমা নাসরিনের চিঠি - রাজীব নুর
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- বাংলাদেশের প্রতারক মোবাইল কোম্পানিগুলোর বিশেষ লোগো উন্মোচন করা হল - ফিউশন ফাইভ
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- প্রয়োজনীয় সাইটের থিম পরিবর্তন - বাংলা'র নবাব
- জাগরণের গান - মহসিন০৮
- অভিমান: আমার লেখা ব্ল্যাক-এর সেই অভিমানী গান ... - ইমন জুবায়ের
- সামহোয়ারইনের যত্তসব অপশনের ব্যাবচ্ছেদ - কাঙাল মামা
- - হৃদয়ের কথা-নির্মম বাস্তবতা আর রূপকথা - মানবী
- সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয় > দ্বিতীয় পর্ব। - মনজুরুল হক
- যারা বদলাতে বলেন তারা কতটুকু বদলেছেন? প্রসঙ্গ প্রথম-আলো সম্পাদকের বাড়ি - হমপগ্র
- 100% কাজের রেপিডশেয়ার মেগাআপলোড প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর সাইট লিষ্ট - স্স্পরসের বাহিরে
- সহজ নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেট শেয়ারিং - ত্রিভুজ
- যারা অস্ট্রেলিয়াতে মাইগ্রেশন নিয়ে আসছেন তাদের জন্য কিছু টিপস - মাহবুব সুমন
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- আপনার BTCL ফোনের বিল অনলাইন দেখুন - ইনজাম
- ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে এসএমএস করুন - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- একটি Converter দিয়ে Convert করুন সব কিছু। - কাজু
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি নিয়ে জেনারেল এমএজি ওসমানীর বক্তব্য - অমি রহমান পিয়াল
- থার্মোডিনামিক্স - আরাফাত৫২৯
- ধর্ম লিঙ্গাগ্রে ঝুলছে - রাসেল ( ........)
- ফায়ারফক্সের গতি বাড়ানোর কিছু উপায় - পথে-প্রান্তরে
- উবুন্টুতে আমার প্রিয় দশটি সফটওয়্যার(ইন্জিনিয়ার'স চয়েস ) - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- একটুস খানি ফিজিক্স: নয়া বোতলে পুরান জিনিস: লার্জ হেড্রন কোলাইডারের একটা খবর! - উদাসী স্বপ্ন
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (২য় দিন) - মদন
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (১ম দিন) - মদন
- মনে পড়ে আমাকে? - মানবী
- ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN)-১ - মানচুমাহারা
- ল্যান বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN)-২ - মানচুমাহারা
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
ব্যবধানে ব্যবধান
০৪ ঠা জুন, ২০০৭ দুপুর ১:৫৫
আমার পাগল ভাইয়ের হাত-পায়ে শেকল, আর মা ভাইয়াকে গোসল করানোর প্রাণান্ত চেষ্টায় মগ্ন। এই দৃশ্য ছিল বাসায় প্রায় প্রতিদিনকার। মায়ের চোখের জল যেন দেখতে না হয় সে জন্য দেরি করে বাসায় ফেরা, দরজা-জানালা বন্ধ করে এক বসে থাকা, ভাইয়ার চেঁচামেচির শব্দ যেন কানে এসে না পৌঁছে, সেই চেষ্টার অন্ত ছিল না। আমরা আর সব ভাইবোন কেমন জানি যান্ত্রিক হয়ে গেলাম হঠাৎ করেই। যেমন হঠাৎ করেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে আমার প্রিয় ভাইটা। বাবা তার অসহায় দু চোখ দিয়ে বড় ছেলের পাগলামি দেখেন।
এই ঘটনাটা ছিল আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়কার কথা। এখন গণ্ডিটা পেরিয়ে অনেক দূর এগিয়েছি। তবুও পিছু ফিরে দেখি এগুইনি এক রত্তি। এক ইঞ্চি। মুহূর্তগুলো এখনও আঘাত করে প্রতিনিয়ত। আমি ভুলতে পারি না সেই সময়গুলো।
এজন পিতা যখন তার বড় ছেলের মৃত্যু কামনা করেন, তখন বোঝা যায় তিনি কতটা অসহায়! মনে পড়ে আমরা যখন ভাইয়াকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি তখনকার কথা। পুরো পথ বাবার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়েছে।
ভাইয়া বাবাকে বললো, “আমার তো অনেক দিন পাবনা হাসপাতালে থাকতে হবে তাই না বাবা? আমি তো পাগল! হয়তো আর ফিরেও আসতে পারব না! আমাকে এভাবে একা ফেলে রেখে যেতে আপনার কষ্ট হবে না ?”
ভাইয়াটা সেদিন একদম স্বাভাবিক আচরণ করছিল। ভাইয়ার একেকটা কথা আমার বুকের ভেতর হাতুড়িঘাত করছিল। আমাদের গাড়িটা যতই পাবনার দিকে ছুটছে ততই বাবার ব্যবহার অস্বাভাবিক হতে থাকে। আমরা হেমায়েতপুর চলে এসেছি। কয়েকজনের কাছে জিজ্ঞেস করতেই জানা গেল, পাবনা মানসিক হাসপাতালটা কোথায়? আমাদের গাড়িটা হাসপাতালের ফটকের সামনে এসে থেমেছে। আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পাগলদের পাগলামি দেখছি। কেউ আজান দিচ্ছে, কেউ বকাবকি করছে, কেউ কেউ চুপচাপ বসে আছে, কেউ ...। আমি বাবাকে বললাম, ভাইয়াকে এখানে ভর্তি না করালে কি হয় না? বাবা খুব সাধারণ উত্তর দিয়েছিলেন, হ্যাঁ হয়। বাবা শুধু আমাদের কারো সমর্থন চাচ্ছিলেন। না, সেদিন ভাইয়াকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়নি। আমরা পাবনা শহরটা ঘুরে আপন শহরে ফিরে আসি। আসার পথে বাবার হাসি হাসি মুখ দেখে আমার কী যে ভালো লাগছিল তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।
ভাইয়া দেশের একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। সক্রিয় বাম রাজনীতি বলতে যা বোঝায় তিনি তাই করতেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট আর রাজনীতির কল্যাণে দীর্ঘ সময়ে অনেকেরই প্রিয়ভাজন হতে পেরেছিলেন। শুধু চুশূল হয়েছিলেন একটি বিশেষ গোষ্ঠীর। শেষে তাদেরই মানসিক আর শারীরিক নির্যাতনে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন তিনি। আমি তখন মাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির চেষ্টা করছি। অবশেষে দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদল্যালয়ে মোটামুটি বিষয়ে ভর্তির সুযোগও পেয়ে যাই।
কিন্তু পারিবারিক বিধিনিষেধের কারণে অবশেষে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই। রাজনীতিতে কখনো জড়াব না- মায়ের কাছে দেওয়া এই প্রতিশ্র“তির কারণে সক্রিয় রাজনীতিতে আসিনি। কলমটাকেই ভালোবেসে নতুন হাতিয়ার হিসেবে নিয়েছিলাম। সেখানেও বাধা! পত্রিকার খোলা কলাম আর অভিমত কলামে টুকটাক লিখতে শুরু করি। না, প্রচারের জন্য নয়, শুধু মনের তাগিদেই লিখতাম।
অনেক আগে ভাইয়া আমাকে একটা চিঠি লিখেছিলেন। এখনো খুব যতেœ আমি চিঠিটা রেখে দিয়েছি--
“কেমন আছিস রে তুই ?
তুই তো বিজ্ঞানের ছাত্র তাই তোকে জিজ্ঞেস করলাম।
আজ অনেক দিন যাব? ভাবছি।
আচ্ছা বাঁদুড় দিনে চোখে দেখে না কেন?
আর রাতেই বা কীভাবে দেখে? তাড়াতাড়ি উত্তর দিস।
আমি এ নিয়ে বিশেষ চিন্তার মধ্যে আচ্ছি।
ইতি...।
২৭ বছরের একজন যুবক বাচ্চা ছেলের মতো আমাকে প্রশ্ন করে চিঠি লিখেছে, আর সে আমার ভাইয়া আমি উত্তর দিতে পারিনি। সবার আগোচরে চোখের জল গড়িয়ে পড়েছে। সেদিন একটিবারের জন্যও আমার চোখের জল থামাতে চেষ্টা করিনি, আমি কেঁদেছি শুধু আমার পাগড় ভাইয়ার জন্য।
অনেকদিন পর ভাইয়ার সেই কথাগুলো আবার মনে পড়ছে। মাঝখানে সুস্থ ছিলেন। তখন বিয়েও করেন তিনি। ভালোই ছিলেন। আবার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় ডিভোর্স হয়ে যায়। তারপর আবার সুস্থ হলেও বাচ্চাটার জন্য এখন পাগল প্রায়।
ও হে ওর মেয়ে নুসরাত। হেভি ট্যালেন্ট।
এখনও আমার সবচেয়ে বড় এবং প্রিয় ভাইটার এই অবস্থার জন্য ঘুমাতে পারি না। প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে একটা টং দোকানে বসে থাকি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা মনে করি।
সে সময় টং দোকান থেকে দেখতাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো চলে যাচ্ছে। আমার আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া নিষেধ। তখন নীরবে চোখ ভিজে আসতো। আমি একা! আমার আগে-পিছে কেউ ছিল না। বন্ধু! তারা সব লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে। আমি অস্পৃশ্য! অনেক পথ পেরিয়ে আমি আবারও সেই শুরুতেই ফিরে যাচ্ছি।
শুধু এবারের চরিত্র আর মঞ্চটা ভিন্ন। কাহিনী সেই একই। শুধু ব্যবধান ছয় বছর।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নবনীতা বলেছেন:
আপনার ব্যাক্তিগত কাহিনী না গল্প? সত্যি কাহিনী হলে আপনার বাবা-মা এর প্রতি সহানুভূতি জানাই। আপনার ভাই এখন কি করছেন? কেমন আছেন? ৮২ তে লেবানন এ আমার এক কাজিন ধরা পড়েছিলেন সম্ভবত ইসরাইলী বাহিনীর হাতে, উনাকে বায়োলোজিক্যাল টেস্ট স্পেসিমেন হিসাবে কিছু কেমিক্যাল ইনজেক্ট করা হয়েছিল বলে শুনেছি .।পাগল হয়ে গিয়েছিলেন পরে। আমাদের চিনতে পারতেন না, এক পর্যায়ে আমাদের কে উনার কাছে যেতে নিষেধ করা হয়।দোয়া করি আপনার ভাই সুস্থ হয়ে উঠুন।
এটাকে কাহিনী ভাবলে কাহিনী তবে গল্প বলে ছোট করবেন না। নিজের অসহায়স্তি অন্যের ঘাড়ে কখনো চাপানো যায় না। তবে খুলে বললে একটু হালকা মনে হয়। তাই লিখলাম। সত্যি কাহিনী।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
লেখাটি মনছুঁয়ে গেল।
নবনীতা বলেছেন:
এহেছান লেনিন দু:খিত, আমি গল্প বলে ছোট করতে চাইনি।আসলে এটা যদি গল্প হত তাহলে খুশী হতাম, যে এটা সত্যি ঘটে নি। আমি মীন করতে চেয়েছি এটা কি আপনি একটা বাস্তব কাহিনী বলছেন নাকি অনেকসময় আমরা পেপার এ যেরকম স্টোরী পড়ি সেরকম কিছু লিখেছেন। আবারও বলছি, আপনাকে না জেনে কষ্ট দিলে ক্ষমাপ্রার্থী। আমি আমার খালার কষ্ট দেখেছি, সেজন্য কিছুটা হলেও বুঝতে পারছি আপনার মা বাবার অসহায়তা। আপনার ভাই এর রোগমুক্তি কামনা করি, মনে প্রাণে
ধন্যবাদ! জানিনা কেমন লিখেছি। তবে মনের কষ্ট যখন স্মৃতি হয়ে তাড়িত করে তখন বেঁচে থাকার অবলম্বনও ওই স্মৃতিই। তার কাছ থেকে আমি মুক্তি পেতে চাই। মুক্তির ঠিকানা কোথায় জানা নেই।
আ স ম মাসুম বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো...একেবারে মন ছুঁয়ে দিয়ে গেল...ধন্যবাদ
বকলম বলেছেন:
মাঝে মধ্যে ভাবি মাথাটা যদি ফরম্যাট করা যেত হার্ডডিস্কের মতো। সিন্দবাদের বুড়ো দৈত্যের মতো কষ্টগুলো মাথা চেপে ধরে কাধে বসে থাকে। কিভাবে ঝেড়ে ফেলি শুধু তাই ভেবে ক্লান্ত হই।
কৌশিক বলেছেন:
ফেভারিট বাটনটা খুঁজে না পেয়ে পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম প্রায়।
যীশূ বলেছেন:
অদ্ভূদ, অদ্ভূদ অনুভুতি।
কৌশিক বলেছেন:
লেনিন - আপনার লেখা পড়ে এতটাই অভিভূত হয়েছি যে এই লেখাটাকে আমার ফেভারিট লিস্টে এ্যাড করার জন্য যে বাটনটা আছে সেটা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। এমন একটা লেখা তো হারাতে দেয়া যায় না! চমৎকার লেখা, আপনাকে লাল সালাম।
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা বলেছেন:
কখনো মনে হয় পাগল হতে পারলে খারাপ হতো না । অনেক কিছু দেখতে হতো না, অনেক কিছু বুঝতে হতো না । তবুও আশা করি আপনার ভাই ভাল হয়ে উঠবেন, নুসরাত একটা সুন্দর জীবন পাবে...~
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
অপূর্ব, মনমুগ্ধকর।
ধূসর ছায়া বলেছেন:
দু'চোখ ভিজে গেল ।
ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না কি লিখব। এক কথায় বলতে গেলে অদ্ভুত অসাধারন।
আপনার প্রথম আলোর পোষ্টের ১ম প্যারা পরেই বলতে পারেন আপনার পাংখা (ভক্ত) হয়ে গেছি।
প্রকৃতির মত ব্লগও যে শূণ্যস্থান পছন্দ করে না তা বুঝতে পারতাম না আপনে না লিখলে। ধন্যবাদ লিখে যান। শুভেচ্ছা রইল।
অনামিকা বলেছেন:
আমার ছোট ভাইটা অসুস্হ না কিন্তু আপনার অনুভুতির সাথে আমার প্রচুর মিল আছে। একেবারে মনের মত করে মন ছুঁয়ে দিয়ে গেছে।
শাওন বলেছেন:
লেনিন ভাই , পড়লাম । মন ছুঁয়ে যায় । দারূন আপনার লেখার হাত । পুরো ৫ দেওয়া গেলো ।
আপনার ভাইয়ার প্রতি শুভকামনা রইল
কাদের অত্যাচারে সেই ঘটনাও যদি আপনার প্রাইভেসী সমস্যা না থাকলে তাহলে লিখবেন ... পড়ার অপেক্ষায়
৫
ফারজানা মিলি বলেছেন:
সেই লেখাটা কোথায়?
কালপুরুষ বলেছেন:
অসম্ভব রকমের হৃদয়ছোঁয়া লেখা। আমি লেখা পড়ে অভিভূত হয়ে গেলাম। কষ্ট লাগলো।
মানবী বলেছেন:
মন খারাপ করা লেখা,পরিবারের সবার কষ্টগুলো লেখায় স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। আপনার ভাই, বাবা, মা সহ আপনি ভালো থাকুন।
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
নয়নে বহে ধারাদুঃখের মাধুরীতে করিলো দিশেহারা
সকলি নিবে কেড়ে, দিবে না তবু ছেড়ে
মন সরে যেতে ফেলিলে একী দায়ে...
নূর-ই-হাফসা বলেছেন:
কয়েক লাইনে সবার অনুভূতি এত সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে যা বলেও বুঝানো যাচ্ছে না।তিনি সুস্থ হোক এই কামনা করছি।৫/৫
আমার একটা অনেক ছোট্ট ভাই আছে....
আমার চেয়ে আঠারো বছরের ছোট...ওর কাচাঁ হাতে অভিমান ভরা লেখা একটা চিঠি আজো আমার মানি ব্যাগে....অনেক অনেক দুরে থেকে ভাইটাকে যে কি পরিমান মিস করি....কখনো বোঝাতেও চেষ্টা করি না...পারি না যে নিজের কষ্ট গুলো গুছিয়ে কাউকে বোঝাতে....ছোট্ট ভাইটা অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে...
হয়তো এখনো ভূল বোঝে আমাকে.....বুকভরা অভিমান নিয়ে আছে....আর আমি আছি....হাহঃ...বুকভরা ভালবাসা বোঝাতে না পারার একবোঝা কষ্ট নিয়ে.....
এত ভালবাসা বুকে ধারন করে আছি কিছু মানুষের জন্য....কিভাবে বোঝাবো....!!!
আল্লাহ্ ভালবাসারই ক্ষমতা দিলেন বোঝানার টা দিলেন না।।।।
ৃৃমম বলেছেন:
মন ছোঁয়া লেখা। আমি সমব্যথী। আপনাদের সবার জন্য শুভকামণা।
লেখাটি অনেক আগের। বলতে পারেন এরপর অনেক ঘটনা ঘটে গেছে। সেই সময় আর এই সময়ের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক দুরত্ব।
ভালো থাকবেন আপনারা।
রাতমজুর বলেছেন:
দু:খিত , লেনিন। ফেভারিট লিস্টে।
সর্বহারা বলেছেন:
অসাধারন পোষ্ট। হৃদয়স্পর্শী লেখা। প্রিয় পোষ্টে নেয়া হলো।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
কমেন্ট করে কোন লাভ নাই ...আপনার কষ্ট তো আর লাঘব করতে পারব না ,
আমিও সাষ্ট এ পড়েছি ...আপনার নাম শুনেছি ...
সাদা কাগজ বলেছেন:
লেখাটি মনছুঁয়ে গেল।
মাহমুদ৬৯ বলেছেন:
কি বলবো ভেবে পাচ্ছিনা। প্রতিটি শব্দ কানে বাজছে এখনো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















