আমার প্রিয় পোস্ট
- Free Movies Download (direct) - আশরাফ৪৫৯
- দর্শনের আলোকে নাস্তিক আস্তিক সমাচার - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর.............. - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করুন
- মুয়ীয মাহফুজ
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- সহজ কথায় বিবর্তন ও বিগ ব্যাং থিওরী - লাইটহাউজ
- সহজ প্রশ্ন : নবী-পয়গম্বররা কেন খালি আরব ভূমিতে আর অবতাররা কেন খালি ভারতে জন্মান? - লাইটহাউজ
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- বাংলা গান ডাউনলোডের জন্য সবচে ভাল সাইট কোনটি? - কেএসআমীন
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- "গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা
- লাল দরজা
- জগন্নাথ হল, ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ - রাগিব
- বুদ্ধদেব বসু - আমার প্রিয় লেখক - লাইটহাউজ
- যীশু আর সক্রেটিস : পর্ব - ১ - লাইটহাউজ
- শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস - লাইটহাউজ
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
'কাটায়ে উঠেছি ধর্ম আফিম নেশা/ধ্বংস করেছি ধর্ম যাজকী পেশা,/ভাংগি মন্দির ভাংগি মসজিদ/ভাংগি গীর্জা--গাহি সংগীত' - নজরুল

সহজ প্রশ্ন : নবী-পয়গম্বররা কেন খালি আরব ভূমিতে আর অবতাররা কেন খালি ভারতে জন্মান?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬
খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০৪ সালে আদমের জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত মানুষদের উদ্ধারের জন্য পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০ জন এবং এরা সকলেই জন্মালেন আরব ভূখন্ডে। কেন শুধু আরবে? আরবেই কি শুধু পাপীদের বাস ছিল? নাকি অন্য সব দেশে মনুষ্য বসতি ছিল না?
একইভাবে হিন্দুদের বিশ্বাস পৃথিবীর মানুষ যখন নানা পাপ কাজে পৃথিবীর পরিবেশকে দূষিত করে তোলে, তখন মানুষদের উদ্ধারের জন্য অবতাররা পৃথিবীতে জন্মান। অবতাররা দেবতারই অংশ। মানুষকে উদ্ধারের জন্য এ পর্যন্ত পৃথিবীতে জন্মেছেন মোট দশজন অবতার। তারা হলেন - মৎস, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রামচন্দ্র, বলরাম, বুদ্ধ ও কল্কি। কিন্তু এরা সবাই ভারতে জন্মালেন কেন? পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মানুষরা কি তবে তখনও খুব সৎ ছিল? নাকি এই অবতাররা জন্মানো পর্যন্ত ভারত ছাড়া পৃথিবীর আর কোন দেশেই মানুষ বাস করতো না? বুদ্ধের জন্মাবার সময় কি ভারত ছাড়া আর কোন দেশেই মানুষ বাস করতো না?
আছে কারো জবাব জানা?
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: সেই সময় না ডাকলেও ঘন ঘন নবীরা আসতো আর এখন তা প্রয়োজনের সময় তাদের দেখা পাওয়া যায় না কেন?
লোকালটক বলেছেন:
উচিত কথা।
লেখক বলেছেন: দেখি কেউ কইতে পারেন নাকি!
লেখক বলেছেন: জানলে পারলে আমারে কিন্তু কইতে হইবো !!!
সে যাই হোক! আপনি অবতারদের লিস্ট থেকে শ্রীকৃষ এর নাম বাদ দিয়েছেন। দয়াকরে তার নাম যোগ করুন।
সুধু একটা কথা না বলে পারছি না - " আপনি গীতা, কোরান, বাইবেন যাই পরুন আর যতো ইচ্ছা পরুন না কেন, আপনার মনে যদি ভক্তি এবং সেই গ্রন্থের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকে, তাহলে তার মানে আপনি কোনদিন উপলব্ধি করতে পারবেন না। সুধু তর্ক করেই যাবেন! কিন্তু সমাধান কোন জন্মেই পাবেন না!!!!!
লেখক বলেছেন: শ্রীকৃষ্ণ অবতার কিনা আমার জানা নেই তাই তার নাম যোগ করতে পারছি না।
______________
উত্তর দিলেন না তো!
লেখক বলেছেন: দাদা, আপনি জবাব না দিয়ে মাইনাস দেন কেন?
লেখক বলেছেন: সত্যিই চিন্তার বিষয়
লেখক বলেছেন: অবতাররা কেন শুধু ভারতেই জন্মান? উত্তর দিন।
লেখক বলেছেন: এত দেরি করতে পারবো না? তাড়াতাড়ি করতে বলেন। এত দেরি করলে তো আপনার নাতির নাতির নাতির নাতির নাতি .......... নাতিও সেই অবতারকে পাইবো না।
আসল প্রশ্নটার জবাবই তো দিলেন না।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, অবশ্যই জানা আছে।
তিনি বর্তমান নেপালের সীমান্তবর্তী লুম্বিনী গ্রামে জন্মেছিলেন। কিন্তু তার জন্মের সময় লুম্বিনী ভারতের অন্তর্গত ছিল।
লেখক বলেছেন: ভারতের অস্তিত্ব ছিল না ......... ভারতবর্ষের ছিল।
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন দাদা ... মুচকি হাসি
লেখক বলেছেন: সত্যিই জানা ছিল না। কিন্তু তাতে কি এসে গেল?
লেখক বলেছেন: যীশু মুসলমানদের ঈসা নবী ভুলে যাবেন না।
লেখক বলেছেন: আজ কোন জাতি পাপ কার্যে ডুবে নেই তা বলেন আগে।
অবতার-নবী নিয়ে চিন্তা করার দরকার আছে মশাই, শুধু হিমুকে নিয়ে আমাদের চলে না।
লেখক বলেছেন: আবার কবে হবে?
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
ভাই, আমি কিছুদিন হলো ধর্ম নিয়ে অল্প সল্প পড়াশুনা করছি। তাই কতটুকু সঠিক জবাব দিতে পারবো জানিনা। তবে এতটুকু বলতে পারি, আপনি ইসলাম, খ্রৃষ্টান ও হিন্দুইজম তিনটা গুলাইয়া ফালাইছেন।বাইবেল মতে আদম (আঃ) এর জন্ম ৪০০০ এর কিছু বেশি সময় আগে। কুরআন বা হাদিসে মতে নয়।
ইসলামিক সোর্সমতে নবী রাসুলের সংখ্যা ১২৪,০০০ কিন্তু হিন্দুমতে ৩৩ কোটি দেবদেবতা।
হিন্দুমতে ঈশ্বর মানুষরুপে ১০ আবতরন করেছেন এবং আরও করবেন বার বাইবেল মতেতো মাত্র একবার এবং এই শেষ।
আপনি দয়া করে , যেকোন একটা ধর্মের Authentic Source - এর
উল্লেখ করেন, ইনশা'আল্লাহ চেষ্টা করবো উত্তর দিতে।
লেখক বলেছেন: আপনি স্বীকার করে নিয়েছেন ইসলামে নবীর সংখ্যা ১,২৪,০০০। এবার উত্তর দিন সবাই কেন আরব ভূখন্ডেই জন্মালেন?
ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন:
May be Farjana Mahbuba can answer this question correctly. As we have no other way, lets wait for her. See what she says.
লেখক বলেছেন: এই পোস্টের উত্তর ফারজানা মাহবুবা দেবেন না। তিনি ছুটিতে গেছেন!!!
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।
ফেলুদা বলেছেন:
আসলে এইসব বিস্তির্ণ প্রান্তরে ইউএফও ল্যান্ডিংয়ের সুবিধা ছিলো মনে হয়। আরেকটা কারণ হইতে পারে পাপাচারে তারাই সীমা ছাড়াইছিলো
লেখক বলেছেন: আসলে এইসব বিস্তির্ণ প্রান্তরে ইউএফও ল্যান্ডিংয়ের সুবিধা ছিলো মনে হয়।
ভাল বলেছেন।
আরেকটা কারণ হইতে পারে পাপাচারে তারাই সীমা ছাড়াইছিলো
আমরা কি সীমা কম ছাড়াইছি?
সৃষ্টিকর্তা যখন যেখানে মনে হইছে সেখানেই নবী পাঠাইয়াছে।
লেখক বলেছেন: সৃষ্টিকর্তা যখন যেখানে মনে হইছে সেখানেই নবী পাঠাইয়াছে।
হা হা হা। হুমমমম ... আরব ভূখন্ডেই পাঠাইছে।
এতক্ষণ পরে এই কইলেন!!! (সহানুভূতি)
লেখক বলেছেন: শুধু মনে হয় না অনেক বেশি বিচ্যুত। তাদেরকে এখনই বেশি দরকার।
লেখক বলেছেন: আর কোথায় পাঠাইছে?
লেখক বলেছেন: তাই নাকি! প্রমাণ দিন।
এক কাজ করেন রমনা পার্কের বকুল গাছেরে মধ্যে রাইখা চক্কর কাটেন তাইলে উত্তর পাবেন বলে আশাকরি...
হিমু রিমান্ডে দ্রষ্টব্য
লেখক বলেছেন: নীল নদের ইতিহাস আপনি জানান।
লেখক বলেছেন: আপনি বুড়িগঙ্গার পাড়ে গর্ত খুইড়া গলা ডু্বায়া পোশাক খুইলা বইসা নীল নদের ইতিহাস মনে করেন।
এখন মূল কথায় আসি ... ইসলামের কোথাও বলা নাই ১২৪০০০ নবী/রাসুল সবাই আরবে আসছে ... কোরানে মাত্র ২৫জন নবীর কথা বলা আছে যারা ঐ এলাকায় আসছে ... কিন্তু এইটাও বলা আছে যে সব সম্প্রদায়ের কাছেই নবী পাঠানো হইছে ...
এখানে দেখেন
http://www.bbc.co.uk/dna/h2g2/A2875395
আবারও কইতে হয় কাউরে কাউরে এমনেই কৃমিতে চুলকায় ... সেইজন্য ঔষধ সেবনটাই বেটার ...
লেখক বলেছেন: উস্কানির কি পাইলেন জানি না।
আমি ছাড়াও শান্তির দেবদূত বলেছেন, ইসলামিক সোর্সমতে নবী রাসুলের সংখ্যা ১২৪,০০০। (Muslims believe that there have been 124,000 prophets and messengers sent down to mankind throughout the ages.)
সম্প্রদায় মানে কি ধর্ম?
কৃমির ঔষধ আপনারও লাগবো মনে হয়, উত্তর একটু ভদ্রভাবে দিতে শেখেন।
লেখক বলেছেন: এই সব প্রশ্নের জবাব আগেও অনেকবার দেওয়া হইছে ... তারপরেও করা হয় ...
আমি পাই নাই।
তীর্যক বলেছেন:
লাইট হাউজ (তার প্রোফাইল মতে) একজন নাস্তিক, সুতারাং তার পয়গম্বর / দেবতা সংক্রান্ত আলোচনা উদ্দেশ্যমুলক, আপনি নাস্তিক তাতে কারো সমস্যা নাই, তবে উদ্দেশ্যমুল বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে গঠন মুলক কিছু করেন ... যাতে কেউ না হোক নিজে উপকৃত হন। আমি মুসলিম, তাই ইসলাম ধর্মের ব্যপারে কিছুটা জানি অন্য ধর্ম সম্পর্কে নয়।
মহান আল্লাহ যুগে যুগে মানুষের হেদায়েতের জন্য অসংখ্য নবী ও রাসুল প্রেরন করেছেন, কাউকে তিনি তার ক্বিতাব সহকারে নাযিল করেছেন আবার কেউ কেউ পূর্ববর্তীদের কিতাব প্রচার করেছেন অর্থাৎ তাঁদের নিকট কোন আসমানি কিতাব অবতির্ন হয়নি।
নবী রাসুলের মো্ট সংখ্যা নিয়ে মতানৈক্য আছে, কারো মতে ১ লক্ষ চব্বিশ হাজার কারো মতে ২ লক্ষ চব্বিশ হাজার, তবে শ্রেষ্ঠ মত হলো আল্লাহর প্রেরিত অসংখ্য নবী তে বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে, সংখ্যাটা যাই হোক। পবিত্র কোরআনে মাত্র ২৫ জন নবীর বর্ননা এসেছে। সুতারাং প্রতি বছর ২৭/২৮ জন নবীর পরিসংখ্যান অজ্ঞতা, মুর্খতা বা বাতুলতা মাত্র।
ইসলাম ধর্মের শেষ নবী হলেন, মুহাম্মদ (সাঃ), তিনি এবং তাঁর উপর অবতির্ন আল কোরআন সকল সময়ের, সকল জায়গার সকল মানবের জন্য, তাঁর পরে আর কোন নবী আসবেননা, বিদায় হজ্বের দিন মহান আল্লাহ ওহি নাযিলের মাধ্যমে বলেন, "আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা) কে পরিপূর্ন করে দিলাম, তোমাদের উপর আমার নেয়ামত কে পরিপূর্ন করলাম আর ইসলামকে তোমাদের জীবন ব্যবস্থা হিসেবে মনোনিত করলাম"।
বর্তমানে কোন নবী রাসুল না আসলেও আল্লাহর কোরআন আর রাসূলের সুন্নাত (হাদীস) হবে মানুষ খুব সহজেই হেদায়েত লাভ করতে পারে। এ প্রসঙ্গে রাসুল (সাঃ) বলেন, "আমি তোমাদের মাঝে দু'টি জিনিস রেখে যাচ্ছি, এগুলোর যদি অনুসরন কর তবে তোমরা কখনোই পথভ্রষ্ট হবেনা, একটি হলো কুরআন অপরটি আমার সুন্নাহ" (হাদিসটির শব্দগত ত্রুটি থাকতে পারে), সুতারাং এই যুগে নবী রাসুল না আসলে হেদায়েত লাভ করা যাবেনা এ কথা বলার কোন সুযোগ নাই।
লেখক বলেছেন: মূল প্রশ্নটার জবাব জানতে চাইছি।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
আপনার এই প্রশ্নের উত্তর একটা প্রশ্নের মাধ্যমে দেওয়া যায়, " আপনি কোথায় পেলেন ১২৪০০০ নবী রাসূল শুধু আরব আরব ভূখন্ডেই জন্মেছেন ?"তার পরও বিস্তারিত জানাচ্ছি।
হাদিস মতে, ১২৪০০০ নবী রাসূল পৃথিবীতে আগমন করেছেন। কিন্তু কোর'আনের সুধু ২৫ জনের নাম উল্লেখ আছে। বাকিদের নাম নেই কেন ?
কারন ১. কোরআন সুধু কোন ইতিহাসের বই নয় এবং সবার নাম উল্লেখ থাকলে কোরআনের আয়তন কত বড় হত ভেবেদেখেছেন ! এখনই তো আমরা কোরআন না পড়ার কত বাহানা খুজি।
২. যাদের জীবনি পরবর্তিদের জন্য দৃষ্টান্ত সরুপ, অনুকরনিয় এবং প্রয়োজনীয় শুধু তাদেরই নাম উল্লেখ যুক্তযুক্ত নয়কি ?
"আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরন করেছি..........." (কুর'আন ১৬:৩৬০)
".......... এমন কোন সম্প্রদায় নেই যাতে সতর্ককারী আসেনি" (৩৫:২৪)
সুতরাং সুধুমাত্র আরবেই নবী রাসূল এসেছেন ইসালামের দৃষ্টিতে তা ঠিক নয়।
প্রয়োজনের পরে আরও আলোচনা চলবে, এখন বিদায় নিচ্ছি।
লেখক বলেছেন: আপনার জবাব পরিস্কার হয়নি। বিস্তারিতভাবে প্রয়োজনে পোস্ট দিন। আগ্রহ সহকারেই পড়বো।
লেখক বলেছেন: কারন ১. কোরআন সুধু কোন ইতিহাসের বই নয় এবং সবার নাম উল্লেখ থাকলে কোরআনের আয়তন কত বড় হত ভেবেদেখেছেন ! এখনই তো আমরা কোরআন না পড়ার কত বাহানা খুজি।
এ কারনটা কি আপনিই বানালেন। নাকি এটা কোথাও লেখা আছে?
২. যাদের জীবনি পরবর্তিদের জন্য দৃষ্টান্ত সরুপ, অনুকরনিয় এবং প্রয়োজনীয় শুধু তাদেরই নাম উল্লেখ যুক্তযুক্ত নয়কি ?
তার মানে বাকী রসুল-নবীদের জীবনী দৃষ্টান্তস্বরূপ নয়?
আমি উপকৃত হতেই আমার বিভ্রান্তি দূর করার জন্য জবাব চাইছি।
নাহিদ বলেছেন:
সহমত.....নাস্তিক একটা গ্রুপ তৈরী করেন.। আমি আছি আপনার সাথে........লাইটহাউজ নামের সার্থকতা নাই....
লেখক বলেছেন: নামের সার্থকতা নাই এটা আমিও জানি।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
লাইটহাউজ মৌচাকে ঢিলাঢিলি করেন কা?
লেখক বলেছেন: ডিবেট ভালো লাগে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আমার থিওরী হইল 'ব্যাপারটা মার্কেটিং রিলেটেড'। আরবের লোকেরা এখন যেমন আগেও তেমনি বর্বর ছিলো। গুড গ্রাউন্ড ফর রিলিজিয়াস বিজনেস। ফলাফল ধর্মপ্রচারকদের এই আধিক্য।উপরে যারা প্রশ্নটার উত্তর দেবার চেষ্টা করেছেন তারা সবাই তাদের কোন না কোন পবিত্র বইকে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করেছেন, বইগুলি, যাদের বেশিরভাগেরই অথেনটিসিটির সমস্যা আছে, আপনার এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য যথেষ্ট নয়। ফলত তারা হাঁচরা পাঁচরি করলেও কোন 'যুক্তিসঙ্গত' ও 'ইতিহাস নির্ভর' উত্তর দিতে পারেন নি।
লেখক বলেছেন: গুড গ্রাউন্ড ফর রিলিজিয়াস বিজনেস। ধন্যবাদ।
নাহিদ বলেছেন:
লাইটহাউজ, আপনার দাদার নাম কি? বা দাদার বাপের নাম কি কখনো খুজছেন? মনে হয় খুজেন নাই.
ইতিহাস খুজেন....তাহলে সব কিছু পেয়ে যাবেন.।
লেখক বলেছেন: আপনার মতো আমারও দাদা না থাকলে আজ জন্মাতাম না, তাই তাদের অস্তিত্ব সম্পর্কে কোন সন্দেহ নাই। তাই ইতিহাস খোঁজারও দরকার নাই।
তা আপনি ইতিহাস খুঁজে পেয়েছেন?
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন:
পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০ জন এবং.... এরা সকলেই জন্মালেন আরব ভূখন্ডে।..........কথা খানের তথ্য সূত্র, ভিত্তি কোথায়?
প্রচলিত ২৫ জন ম্লেচ্ছ অবতারের নাম পাওয়া যায় যাহারা মিশর হইতে শুরু করিয়া শ্যাম দেশ হইয়া ইরান পর্যন্ত আসিয়াছেন।
বাকি ১,২৪,০০০-২৫ জন অবতারের কোন হদীস পাওয়া যায় না যেহেত ধর্ম কিতাব বা ইতিহাসের পাতায় উহা লিপি বদ্ধ নাই। একখানা ক্ষুদ্র এলাকার জন্য, কিছু ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য.উহারা বড় মাপের অবতার ছিলেন না বলিয়া ইতিহাসের পাতা হইতে হারাইয়া গিয়াছেন।
এমন কি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সম্প্রদায়ের মাঝে ম্লেচ্ছ অবতার আসিয়াছিলেন কিনা কে জানে...তাহার উল্লেখ নাই...কেননা পরবর্তিতে ধরিয়া নেয়া হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ রা পথভ্রষ্ট হইয়া গিয়াছে...যেমন মুসার অনুসারীরা হইয়াছিল।
প্রচলিত আরবীয় অবতারের আগমনের ব্যাপারে ম্লেচ্ছ, খ্রেরেস্টান, এহুদ সম্প্রদায়ের মধ্যে কোন মত বিরোধ নাই। কাজেই উহারা আসিয়াছিলেন এবং সত্যিকার অর্থেই অবতার ছিলেন।
কিন্তু হেন্দু অবতারগণের আগমনের কোন প্রমাণাদি নাই। সবই গল্প, কেচ্ছ আর মহাকাব্যের কাল্পনিক চরিত্র।
লেখক বলেছেন: হেন্দু অবতারগণের আগমনের কোন প্রমাণাদি নাই। সবই গল্প, কেচ্ছ আর মহাকাব্যের কাল্পনিক চরিত্র।
মজা তো। নিজেদেরটা ঠিক অন্যদেরটা ভুল।
নাহিদ বলেছেন:
ইংরেজী ২৩৭১ সালে আপনার নাতির নাতি বলবো... ১৯৭১ সালে কিছুই হয় নাই....পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০ জন এবং.... এরা সকলেই জন্মালেন আরব ভূখন্ডে।
..........কথা খানের তথ্য সূত্র, ভিত্তি কোথায়?
লেখক বলেছেন: উপরের বেশ কয়েকজন বলেছেন স্বীকার করেছেন ১,২৪,০০০ নবী-রাসুলের কথা। আমি যাদের কথা জানি প্রত্যেকেই ঐ অঞ্চলেই জন্মেছেন। আপনি দেখান তারা আর কোথায় জন্মেছেন।
Click This Link
Click This Link
Click This Link
আরো লিংক লাগলে নেটে খুঁজুন।
পর্বত বলেছেন:
উনার প্রশ্নের মধ্য চাপা (কিঞ্চত পরিমান সত্যকে কেন্দ্র করিয়া অধিক পরিমান মিথ্যার ব্যাসার্ধ লইয়া যে বৃত্ত আকা হয় তাকে বলে চাপা) আছেসত্য মিথ্যা গুলাইয়া ফেলিয়াছে।
নাম রাখিয়াছে লাইট হাউজ যা অন্যদের আলো দেখাইয়া গন্তব্য পৌছাইবে। এখন মনে হইতেছে নিজে লোডশেডিং এ অন্ধকারে নিমজ্জিত।
তেমনি যখন কোন জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত হইত তখন তাহাদের জন্য উদ্ধারকর্তা (নবী বা অবতার) প্রেরিত হইত। যেহেতু এখন স্রষ্টার মেসেজ পৃথিবীর সর্বত্র বিরাজমান তাই লাইটহাউজ কে উদ্ধার করিবার জন্য কেউ আসিবে না। নিজের উদ্ধারের পথ তাহাকে খুজিয়া লইতে হইবে।
লেখক বলেছেন: অন্যকে আলো দেখাবার কোন দরকার নাই। পর্বতের মানে কি?
নিজেকে আমি নিজেই উদ্ধার করতে পারবো। অন্য কারো দরকার নাই। আর দরকার থাকলেই কি নবী-অবতারদের আরেকবার আসার ক্ষমতা আছে?
লেখক বলেছেন: কোথায় মিথ্যা লেখা হয়েছে দেখিয়ে দিন। না পারলে অফ যান।
ফেলুদা বলেছেন:
হ, আ.ডে ঠিক বলিয়াছেন। উপর হইতে পড়িয়াছেন খালি হযরত আদম (আলেখক বলেছেন: আপনি গর্বিত হতেই পারেন। ফেলুদা যখন!!!
লেখক বলেছেন: ফেলু মিত্তির কি গোয়েন্দাগিরি ছেড়ে দিলেন? অনেকদিন তোপসের খবর পাই না।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
@পর্বত, অকারনে লেখকের ছিদ্রান্বেষন না করে লেখার উত্তর দেবার চেষ্টা করলে ভাল হয় না?
লেখক বলেছেন: ফাঁদে আটকা পড়লে ইদুরেরও মাথা গরম হয়।
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন:
ম্লেচ্ছ গণের অবতারগণ আসিয়াছিলেন ইতিহাস আর অন্যসব ধর্ম সাক্ষী দিবে। পড়িয়া আসুন। হেন্দুরা.......রাম শ্যাম যদু মদু, কৃষ্ণরা, মা দুগ্গারা এ ধরাধমে আসিয়াছিলেন উহার প্রমাণ দিক..তাহার পরে উহাদের লইয়া তর্ক হইবেক।
লেখক বলেছেন: ইতিহাস সাক্ষী দিলেই হবে না। ইসলামের নবীরা তো সব বলেছেন আমিই নবী। তারা যে সব আল্লারই প্রেরিত তার কি প্রমাণ আছে? তাছাড়া বুদ্ধ জন্মেছিলেন তার প্রমাণ আছে বাকীদের কথা জানি না। তবে নবীদের মতো বুদ্ধও ঈশ্বর প্রেরিত কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
লেখক বলেছেন: মূল প্রশ্নের জবাব দেবার চেষ্টা করুন।
দিগন্ত বলেছেন:
অনেক ধর্মেই অবতার বা নবী এসেছিলেন। তাদের অধিকাংশই কিছু না কিছু বলে গেছেন। একেক অঞ্চলের নবীদের কথা অন্য অঞ্চলের থেকে আলাদা। আরবে নবীরা যা বলে গেছেন ভারতে বুদ্ধ আর হিন্দু অবতাররা অন্য কথা বলে গেছেন। দেখে তো সন্দেহ এরা একই ঈশ্বরের পাঠানো কিনা ...
লেখক বলেছেন: দেখে তো সন্দেহ এরা একই ঈশ্বরের পাঠানো কিনা ...
দিগন্ত বলেছেন:
"তবে নবীদের মতো বুদ্ধও ঈশ্বর প্রেরিত কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। "- প্রথমত বুদ্ধ নিজেই কোনোদিনও দাবী করেননি যে তিনি ঈশ্বর প্রেরিত। বরং প্রচলিত অর্থে তাকে একরকম নাস্তিকই বলা চলে।
লেখক বলেছেন: তারা ঈশ্বরে বিশ্বাস না করলেও আত্নায় বিশ্বাস করে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
বৌদ্ধধর্ম একমাত্র ধর্ম যা মোটামুটি বাস্তবের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করেছে। বাকিগুলোর অনুসারীরা দ্রুতই তাদের ধর্মে 'বয়িত' আগড়ম বাগড়ম'র আছর থেকে মুক্ত হবেন আশা করি। নাইলে এই দুইন্না পুরাটাই আরবের লেভেলে চলে যাচ্ছে।
আশঙ্কার কথা!
নাকি তালগাছ আপনেই লইবেন ... তাইলে লইয়া যান
লেখক বলেছেন: ২৫ জন বাদে বাকীদের তো নাম-পরিচয়ই নাই। তবে তারা পুরো দুনিয়ায় এসেছে তার প্রমাণ কি?
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
আমি যে ২ই টা কারন দিয়েছি তা যুক্তিভিক্তিক অনুমান মাত্র। আরও অনেক কারন থাকতে পারে। আর আমার যুক্তি ভুলও হতেপারে।আমি কোরআনের আয়াতে সুত্র দিয়ে দেখিয়েছি যে, প্রত্যেক জাতির কাছেই নবী, রাসুল প্রেরিত হয়েছে।
এখন, আপনার উপর কোন ওহী নাজিল হয়েছে যে আপনি বলছেন , "সব নবী রাসুল সুধু আরবেই এসেছেন" ? যদি কোন সুত্র দিতেন তাহলে আলোচনা করতে সুবিধা হতো।
যে কোন Reference হলেই চলবে। হাদিস, কোরআন, যেকোন Scholar এর Research, যে কোন ফোতুয়া অথবা কমপক্ষে কাঠ মোল্লার বয়ান হলেও চলবে। তারপার আলোচনা করা যাবে। Otherwise বিতর্ক এই খানেইতো শেষ।
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আমি কোরআনের আয়াতে সুত্র দিয়ে দেখিয়েছি যে, প্রত্যেক জাতির কাছেই নবী, রাসুল প্রেরিত হয়েছে।
আপনি কি বলতে চাইছেন, হিন্দুদের কাছে যে সব অবতার পাঠানো হয়েছে তা আল্লাহ পাঠিয়েছে হিন্দুধর্ম প্রচারের জন্য।
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
এই বিতর্ক এগুবে না কয়েকটা বিষয়ের মীমাংসা না হলে
১. ইসলাম ধর্ম মতে নবী-রাসুলের সংখ্যা কত? ১ লক্ষ ২৪ হাজার বা ২ লক্ষ ২৪ হাজার? নাকি এটা ভুল? (নাহিদ, পর্বত, জ্বীনের বাদশা আপনারা বলুন)
২. হিন্দু ধর্ম মতে অবতার কয়জন? ১০ জন? (আইকমবাইকম চেষ্টা করুন না!)
৩. সব নবীরা খালি আরব দেশে না বলে বেশীরভাগ নবীরা আরব দেশে এসেছিলেন বলতে চাচ্ছেন? (লেখকের প্রতি)
লেখক বলেছেন: ১. আমি যে তিনটি লিংক উপরে দিয়েছি প্রত্যেকটি ১,২৪,০০০ লেখা আছে।
২. অবতার ১০ জন্য এটা আমি হিন্দু লেখকের বই থেকেই পেয়েছি।
৩. আমার জানা মতে যে ২৫ জনের নাম-পরিচয় জানা গেছে তাদের প্রত্যেকেই একনাগাড়ে আরবে জন্মেছেন। তাই অনুমান করে নেয়া যায় যে বাকীরাও আরবেই জন্মেছেন।
দিগন্ত বলেছেন:
আমি জানি বাহাই-রা আব্রাহাম, মোসেস, যীশু, মুহম্মদ, কৃষ্ণ, বুদ্ধ - সবাইকেই ঈশ্বরের দূত বলে মনে করে।
লেখক বলেছেন: একই ঈশ্বর দূত পাঠালেন ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম প্রচারের জন্য!!!
তো, হাদীস যেহেতু কোন নিশ্চিত সমাধান দিচ্ছেনা, কোরানের কাছে যাই ... কোরানে বলা আছে প্রত্যেক সম্প্রদায়কেই নবী/রাসুল পাঠানো হইছে ... আরবের প্রেক্ষিতে ২৫ জনের নাম আসছে ...
এখন আপনি বলেন, এই প্রশ্ন করার যুক্তি কি ...
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
ধন্যবাদ জ্বীনের বাদশা। তাহলে ১/২ লক্ষ ২৪ হাজার নবীর ব্যাপারটা হাদিস থেকে এসেছে - এটা লাইটহাউজের দোষ না।
এবার আসা যাক সবার আরবে সব নবীদের আগমনের ব্যাপারে। কোরান মতে প্রত্যেক সম্প্রদায়কেই নবী/রাসুল পাঠানোর ব্যাপারটা একটু ঘোলাটেই। সম্প্রদায় বলতে কি বোঝানো হয়েছে - আরবের বা সন্নিহিত এলাকাগুলির গোত্রসমূহকে? নাকি অন্যকোন বিভাজনে সম্প্রদায় নির্ধারন করা হয়েছিল? ততকালীন সমাজে সম্ভবত সম্প্রদায় বলতে এলাকাভিত্তিক গোত্র বা গোষ্ঠীকেই বুঝানো হত। আর যদি সম্প্রদারের বিভাজনের ক্ষেত্রে ভৌগলিক ফ্যাক্টরকেই বোঝানো হয়েছে বলে দাবী করা হয় তবে সেক্ষেত্রে প্রশ্ন আসতে পারে কোরানে ভারতবর্ষ বা আমেরিকা সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি কেন?
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
দুঃখিত জ্বীনের বাদশা - আপনি এখনো কোন উত্তরই দেননি, যুক্তির কথা আসছেই না। পোষ্টের প্রশ্ন দেখুন প্লীজ।
লেখক বলেছেন: আপনি কি বলতে চাইছেন, হিন্দুদের কাছে যে সব অবতার পাঠানো হয়েছে তা আল্লাহ পাঠিয়েছে হিন্দুধর্ম প্রচারের জন্য।
লেখক বলেছেন: আমি ৩টি ইসলামিক ওয়েবের লিংক দিয়েছি। কষ্ট করে পড়ুন।
এখানে দেখেন, আপনার একটা কার্বনকপি পাইলেও পাইতে পারেন
Click This Link
লেখক বলেছেন: ব্যক্তি আক্রমণ বন্ধ করে পারলে এমন একজন নবীর কথা বলুন যিনি আরব ভূখন্ড ব্যতীত অন্য কোথাও জন্মেছেন।
ভালোবাসি বাংলাদেশ বলেছেন:
আিরফুর রহমান বলেছেন: বৌদ্ধধর্ম একমাত্র ধর্ম যা মোটামুটি বাস্তবের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করেছে। বাকিগুলোর অনুসারীরা দ্রুতই তাদের ধর্মে 'বয়িত' আগড়ম বাগড়ম'র আছর থেকে মুক্ত হবেন আশা করি। নাইলে এই দুইন্না পুরাটাই আরবের লেভেলে চলে যাচ্ছে।
আশঙ্কার কথা!
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
জ্বীনের বাদশা
এসব ব্লগীয় আলোচনা ব্যাক্তিগতভাবে না নিলেই খুশী হব। আপনি যদি আলরেডী পারসোন্যালি নিয়ে থাকেন তবে এখানেই আপনার সাথে ইন্টার্যাকশনে বিরতি। আপনাকে বা অন্য কাউকেউ আঘার করতে চাই না।
@অন্যরা সবাই
নবীদের সংখ্যা ২৫ হোক আর ২৫ কোটি হোক - মোদ্দা প্রশ্ন হচ্ছে তারা সবাই কেন আরব বা আরব সংলগ্ন অঞ্চলে আবির্ভূত হলেন। একইভাবে হিন্দু অবতারগনই বা কেন শুধু ভারতীয় অঞ্চলে এলেন? কারো কোন মন্তব্য?
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
ধর্ম আর মুক্তিযুদ্ধকে এক লাইনে দাঁড় করিয়ে সুবিধা নিতে চায় একটি চিহ্নিত পক্ষ। আশা করি তাদের মত আচরণ করবেন না কেউ।
আমি হিন্দু, মুসলিম বিবাদে জড়াতে চাই না।
এখানে আস্থাটাই বরো কথা। যাতা ঈশ্বর মানে না, তাদেরসাথে ঈশ্বর নিয়ে আলচনা করে কি লাভ!!!! তারা চির কাল ঈশ্বরের আস্তিত্ব নিয়েই তক্ক করে যবে! মাড়ার ঠিক আগের মুহুর্তে ঈশ্বর বোধ জাগ্রত হবে, আর তখন বলবে আল্লা আল্লা , শ্রীকৃষ্ণ শ্রীকৃষ্ণ এইবার আমাকে বাচাও!!!! কিন্তু তখন যে আনেক দেরি হয়ে যাবে...!!!!!
লেখক বলেছেন: ওটা সুবিধাবাদীরা করে। সবাইকে একই পাল্লায় মাপবেন না।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
@মডারেটর"আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরন করেছি..........." (কুর'আন ১৬:৩৬০)
".......... এমন কোন সম্প্রদায় নেই যাতে সতর্ককারী আসেনি" (৩৫:২৪)
সুতরাং সুধুমাত্র আরবেই নবী রাসূল এসেছেন ইসালামের দৃষ্টিতে তা ঠিক নয়।
আমি কোরআনের আয়াতে সুত্র দিয়ে দেখিয়েছি যে, প্রত্যেক জাতির কাছেই নবী, রাসুল প্রেরিত হয়েছে।
এখন, আপনার উপর কোন ওহী নাজিল হয়েছে যে আপনি বলছেন , "সব নবী রাসুল সুধু আরবেই এসেছেন" ? যদি কোন সুত্র দিতেন তাহলে আলোচনা করতে সুবিধা হতো।
যে কোন Reference হলেই চলবে। হাদিস, কোরআন, যেকোন Scholar এর Research, যে কোন ফোতুয়া অথবা কমপক্ষে কাঠ মোল্লার বয়ান হলেও চলবে। তারপার আলোচনা করা যাবে। Otherwise বিতর্ক এই খানেইতো শেষ।
জানি না লেখকের উদ্দেশ্য কি, তিনি জেনেও না জানার ভান করেছেন কিনা। আরব ছাড়াও অন্যান্য দেশেও দেবদেবীদের অবস্থান অবশ্যই ছিল, শুধু আরব বা ভারতেই নয়। এর উল্লেখ হোমারের, প্লেটোর লেখনীতে পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে ভেলেনটাইন ডে হয়ে গেল, ভেলেনটাইন ডে পালন করি আমরা ভালবাসার দিবস হিসাবে। কে এই ভালবাসার দেবী? দেবী আফ্রোদিতি হচ্ছে ভালোবাসার দেবী। ইনি কোন দেশে অবতার?
আল-কোরআনে ১০৪টি ধর্ম গ্রন্থের উল্লেখ আছে, কিন্তু ১০০টি উহ্য রয়েছে, ৪টির নাম শুধু উল্লেখ করা আছে। কিন্তু আল-কোরআনে বলা নাই যে শুধু নবীরা আরবেই এসেছিলেন। সেখানে উল্লেখ আছে আরবের কথা, শ্যাম দেশের কথা (যা বর্তমানে আফ্রিকা), রোমের কথা এবং ভারত উপমহাদেশের কথা। তবে নেই কোনটা। লেখক এক জায়গায় উল্লেখ করেছেন "ডিবেট করতে ভাল লাগে", আমিও বলি ডিবেট ভাল, তবে ডিবেট করার আগে নিজের জ্ঞানে প্রস্তুতিটাও থাকার দরকার। সে জন্যে আমি আগেই বলেছি যে, লেখককি জেনেও না জানার ভান করছেন কিনা।
লেখক বলেছেন: মহাশয় নাস্তিকেরা আস্তিকদের চেয়ে অনেক বেশি পড়াশোনা করে, অনেক কিছু তাদের জানার প্রয়োজন হয় আপনাদের সাথে তর্ক করার জন্য। তাই আমার প্রস্তুতি নিয়ে আপনি ভাবিত না হয়ে প্রাসংগিক উত্তর দিন।
কার সাথে ভান করবো? আমি শুধু পরিস্কার উত্তর চাইছি এবং শুধু মুসলিমদের কাছে নয় হিন্দুদের কাছেও।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
ত্রিভুজ বলেছেন: তিনি যদি দেখে যেতেন এই ব্লগের চেতনাধারী(!) রা কি ভাষায় কথা বলেন, তাহলে নিশ্চয় মনে আঘাত পেতেন। বাংলা ভাষার এত অবমাননা আমি আর কোথাও দেখিনি।
ভাষাসৈনিক আবুল হাশেমের আত্মা শান্তিতে থাকুক। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন।
লেখক বলেছেন: ছাগু ত্রিভূজের কথা আমার ব্লগে নিষিদ্ধ।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
হামিদ ভাই আমার পুস্তে একটা মাইরা যাও পিলিজ
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
@মডারেটর যদি, আপনি আস্তিক হন তাহলে, শেষ বিচারের দিনে আমি বলব, "হে রাব্বুল আলামিন , আমি এই অধমকে, কিছু জ্ঞ্যানী ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিলো প্রত্যেক জাতি বলতে তুমি কুরআনে কি শুধু আরব জাতিদেরকেই বুঝিয়েছ নাকি পৃথিবীর সব জাতিকেই বুঝিয়েছ ? কারন উনারা এতই জ্ঞ্যানী ছিলেন যে প্রত্যেক জাতি মানে বুঝতে পারছিলেন না "
আশা করি তখন আমার উত্তর আল্লাহতয়ালা দিবেন, তখন আপনিও শুনে নিয়েন।
আর যদি আপনি নাস্তিক হন , তা হলেতো আপনি আল্লাহকেই বিশ্বাস করেন না। সুতরাং উনার পাঠানো নবী রাসুলকেতো নয়ই । সুতরাং আপনার সমস্যাতো অন্য জায়গার। আপনার তো নবী ১ জন হলেই কি শত কোটি হলেই কি, কিছুই যায় আসে না।
আশা করি আপনি আপনার অবস্হান পরিস্কার করবেন , যে আপনি আস্তিক নাকি নাস্তিক। তাহলে আলোচনা আগানো যাবে।
নেমেসিস বলেছেন:
কিছু জানতে চাওয়া কি পাপ ?
অহেতুক অকারণ বলেছেন:
স্বাধীনতা তুমি-র মন্তব্য ভাল লাগলো।
সাধারনত আমি এ ধরনের পোষ্টে মন্তব্য করি না।
অযথা............সব, মানুষ নিজে যা বিশ্বাস করে তাকে সবচেয়ে যত্নে রাখারও চেষ্টা করে, নিজের মনে।
নিজে নিজে নিজের নীতি পালন করেন সবাই, সেটাকেই উজ্জ্বল করুন।
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কর! হাঁচা কথা!
শ্যাম দেশ মানে আফ্রিকা! আফ্রোদিতি একজন পয়গাম্বর! আল-কোরানে আছে ভারতীয় উপমহাদেশের কথা! কোরানে বলেছে সব জাতীর কাছেই নবী এসেছিল! ভাই আমরিকানদের কাছে কোন নবী এসেছিলো?
মাছের তেলে মাছ ভাজতে চাইলেই তো আর হয় না, যথেষ্ট তেল থাকতে হয়!
নরাধম বলেছেন:
হুমম.......এই প্রশ্নের উত্তর জ্বিনের বাদশার থিকা আর কিরকম স্পষ্টভাবে দেওয়া যায়? আশ্চর্য!
@মডারেটর তো মহাজ্ঞানী দেখি। বাইবেলটা খুলে দেখুন সেখানে শ্যামদেশকে বর্তমানে কি বলা হয়। আফ্রদিতিকে পয়গম্বর বলিনি, বলেছি দেবী (ঠসারে আর কি বুঝন যায়)। আমেরিকার ইতিহাস পড়ুন জানতে পারবেন সেখানেও দেবদেবী ছিল। ভাইজান পড়ার অভ্যাস করুন, সবসময় অন্যকে জিজ্ঞাসা করে জানতে চান কেন? জিজ্ঞাসা করে জানার অভ্যাসটা কাদের জানেন? পেলাপানের। আজীবন কি পোলাপান থাকতে চান?
নরাধম বলেছেন:
স্বাতু, শ্যামদেশকে আফ্রিকা বলা হয়। ঠিক বলেছেন।
নরাধম বলেছেন:
স্বাতু, তালগাছ আমার মার্কা মানসিকতা থাকলে বুঝানো সম্ভব না। জ্বিনের বাদশা'র এত সহজভাবে বুঝানোর পরও না বুঝার ভান করলে কিছুই করার নেই।
আবূসামীহা বলেছেন:
খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০৪ সালে আদমের জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত মানুষদের উদ্ধারের জন্য পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০ জন এবং এরা সকলেই জন্মালেন আরব ভূখন্ডে। কেন শুধু আরবে? আরবেই কি শুধু পাপীদের বাস ছিল? নাকি অন্য সব দেশে মনুষ্য বসতি ছিল না?==============================
"আদমের জন্ম খ্রীষ্টপূর্ব ৪০০৪ সালে", এই তথ্যটা কই পাইলেন? আর সব নবী-পয়গম্বর আরব ভুখণ্ডে জন্মেছেন এ তথ্যটাই বা কে দিল?
লোকালটক বলেছেন:
আিরফুর রহমান বলেছেন: বৌদ্ধধর্ম একমাত্র ধর্ম যা মোটামুটি বাস্তবের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করেছে। বৌদ্ধ ধর্ম হিন্দু ধর্মেরই পরিমার্জিত রূপ। বাস্তবের কাছাকাছি থাকা মানে কি বুঝাইলেন?
নবী-পয়গম্বররা কেন খালি আরব ভূমিতে আর অবতাররা কেন খালি ভারতে জন্মান- এই প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মরে সরাসরি অমার্জিত আঘাত না কৈরা এই ধরনের যৌক্তিক প্রশ্ন নিয়া বিতর্করে স্বাগত জানাই।
লেখক বলেছেন: অনেকের ধর্মানুভূতিতে আবার আঘাত লাগে।
আপনে যদি এখনও মনে করেন, ১ লাখ ২৪ হাজার নবীর সবাই আরবেই আইছে, কোরানে সম্প্রদায় বলতে খালি আরবগোরেই বুঝান হইছে, তাইলে আপনে তালগাছ নিয়া হাঁটা দেন ... তবে, লাভ নাই ... ঐ গাছে আর তাল হবেনা
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আরে ঐ সব কিছু না। কোরান নাজিলের সময়কালে আরবের মানুষ যে কয়টা জাতি আর দেশের নাম জানতো, কোরানে সেই সব জাতি আর দেশের কথা কওয়া হইছে। তাই কোরান যদি ১৫০০ সালে নাজিল হইতো তবে তাতে আমেরিকার কথা থাকতো।ভাইরে কোন মিরাকল নাই!
লেখক বলেছেন: আরবের মানুষ যে কয়টা জাতি আর দেশের নাম জানতো, কোরানে সেই সব জাতি আর দেশের কথা কওয়া হইছে।
তার মানে কোরাণের বিশ্বাসযোগ্যতা নাই।
আমার উদ্দেশ্য পরিস্কার। শুধু জানতে চাই এই ২৫ জন নবী আরব ব্যতীত অন্য অঞ্চলে জন্মেছিলেন কিনা এবং যদি জন্মে থাকেন তবে শুধু আরবেই জন্মাবার উদ্দেশ্য কি? বাকী নবীদের যেহেতু জন্ম-পরিচয়ই জানা যায় না তাই তাদের নিয়ে আলোচনা বৃথা।
একই প্রশ্ন হিন্দুদের বেলায়ও প্রযোজ্য।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
শুরুতেই যদি এই ২৫ নিয়া শুরু করতেন তবে এত ঝামেলা হইতো না।
লেখক বলেছেন: কেন নয়? ইসলামিক ওয়েবগুলোকে ১,২৪,০০০ নবীর কথাই তো লেখা থাকে। তাহলে বলতে বাধা কোথায়? এখন তারা জবাব দিতে পারছেন না বলেই সংখ্যাটা কমিয়ে দিলাম।
লেখক বলেছেন: হুমমম
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
@লাইটহাউজ
প্রশ্নটা মনে হয় যে কোন একটা ধর্ম নিয়ে করলে ভালো হতো - যেমন হিন্দুদের অবতাররা সব এই উপমহাদেশেই এলেন কেন - এই টাইপের।
লেখক বলেছেন: নির্দিষ্ট কোন ধর্মের সাথে আমার বিরোধ নেই। যেহেতু প্রশ্নটি দুই ধর্মের জন্যই প্রাসঙ্গিক তাই দুই ধর্মের মানুষের কাছেই প্রশ্ন রাখা যুক্তিযুক্ত। নয়তো বলবেন আমি ইসলামবিরোধী বা হিন্দুধর্মবিরোধী।
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
@নরাধম ও স্বাতুথাইল্যান্ডকে বাংলায় বলে শ্যামদেশ - কারন এর আদি নাম ছিল siam। ইউকিতে দেখতে পারেনঃ
Click This Link
বাইবেলের কোথায় আছে আফ্রিকার নাম শ্যামদেশ?
লেখক বলেছেন: উত্তর তো দিল না।
লেখক বলেছেন: চলছে নয় চলেছিল। পরিস্কার উত্তর দিতে না পেরে সবাই কেটে পড়েছে।
তা ভাই উত্তরটা জানেন নাকি?
লেখক বলেছেন: হা হা হা
প্রত্যেক ধর্মেরই অনুশাষন, নিয়ম কানুন, উপাসনা পদ্ধতি তৈরী হয়েছে সেই অঞ্চলের (যেখানে সেই ধর্মের উৎপত্তি) সংস্কৃতি অনুযায়ী। সে কারনে কোন ধর্মই সার্বজনীনতার (সমগ্র বিশ্বের জন্য উপযোগী) দাবী করতে পারে না।
দ্বিতীয়নাম ঠিক বলেছে, যদি ধর্মগুলোর উৎপত্তি এত পুরাতন না হত, তাহলে হয়ত ধর্মগ্রন্থে অনেক প্রশ্নের উত্তর পওয়া যেত (সব না)।
লেখক বলেছেন: প্রত্যেক ধর্মেরই অনুশাষন, নিয়ম কানুন, উপাসনা পদ্ধতি তৈরী হয়েছে সেই অঞ্চলের (যেখানে সেই ধর্মের উৎপত্তি) সংস্কৃতি অনুযায়ী।
সহমত।
কানা বাবা বলেছেন:
কালিদাস পন্ডিতের এই পোস্টখানায় একবার নজর বুলাতে পারেন... যদিও আপনার প্রশ্নের উত্তর এখানে পাবেন না; প্রাসঙ্গিক মনে হলো বলে দিলাম... পোস্টের শিরোনামের মিলও লক্ষণীয়... কেন ঐশী ধর্মের মহাপুরুষগন বারংবার জন্মলাভ করেন পূবে আর পশ্চিমে দর্শন দেন বৈজ্ঞানিকগন... (কালিদাস পন্ডিত)
আর কল্কি অবতার ধরাধামে কবে অবতীর্ণ হলেন? কেউ কেউ যদিও "অভাবিত" কাকতাল দেখিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে নবী মুহাম্মদই ঘোষিত কল্কি অবতার; কিন্তুক নন-মোল্লারা সবাই কি এই বুজরুকি তত্ত্ব মেনে নিয়েছেন?
একধাক্কায় সোয়া লাখ থেইকা পঁচিশে নাইমা আসাটা জুইতের লাগলো না... তয় যেহেতু আপনার ডিবেট ভালো লাগে, ডিবেট করেন... আমরা অধমরাও চামে চামে আপনেগো "ডিবেট" থেইকা কিছু শিখবার পারুম...
তয় দুষ্কের কতা হৈলো; তথ্যের প্রামাণিকতার চায়া আপ্নের ডিবেট করনের খায়েশটাই মূখ্য হৈয়া উঠছে অলরেডি...

@লাইটহাউজ
নাইস টিরাই, চাচামিঞা...

@জ্বিনের বাদশা
লেখক বলেছেন: ডিবেটের কথা কইয়া দেহি ফাইসা গেসি।
ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই তা প্রমাণ করার দায়িত্ব নস্তিকদের নয়, বরং আস্তিকদের উচিত প্রমাণ করা। দুই ধর্মে একই রকম অদ্ভুত মিল দেখে একটা মাত্র প্রশ্ন করলাম।
তা ফাঁকতাল দিয়া আপনার অবস্থানটাই পরিস্কার হইলো না। আন্নে কোন দিকে?
লেখক বলেছেন: আপনারে ইদানিং ব্লগে কম দেহি বইল্যা মনে লয়।
কানা বাবা বলেছেন:
আমার অবস্থান দর্শক-শ্রোতার গ্যালারিতে; ডিবেটের ডায়াস তুরি যাওনের মুরোদ নাইক্যা... তাই সামলে...
ব্লগে রেগুলার আইতারিনা; রুটি-রুজি'র ধান্ধায় কামলা খাটতে অয়; বুঝেনই তো...
@লাইটহাউজ
লেখক বলেছেন: আপনার ক্ষেমতা আছে .... আমি জানি।
কঁাকন বলেছেন:
আপনি কি আর এইটা পরবেন?যাই হোক:
BTV তে দু'টা সিন্দবাদ দেখছিলাম
ইনডিয়ানটা বিপদে পইরা আল্লাহ বলে ডাক দিলেই মুশকিল আসান
আর ইংরেজিটার বুদ্ধি খরচ করে মুক্তি পঅয়া লাগতো
তাই পয়গমরা আরবে আর অবতার রা ভারতে জন্মায়।
নেমেসিস বলেছেন:
লেখক বলেছেন: একই ঈশ্বর দূত পাঠালেন ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম প্রচারের জন্য!!!
>>> শ্যাষ ম্যাষ তাইলে সব দোষ ঈশ্বরের
স্বপ্লচূড়া বলেছেন:
ভাল একটা বিষয় তুলছেন।..+
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
ভাল প্রশ্ন .. আমি ও মাঝে মাঝে চিন্তা করি .......
নীলাদ্র বলেছেন:
ঐক্যতান বলেছেন:প্রত্যেক ধর্মেরই অনুশাষন, নিয়ম কানুন, উপাসনা পদ্ধতি তৈরী হয়েছে সেই অঞ্চলের (যেখানে সেই ধর্মের উৎপত্তি) সংস্কৃতি অনুযায়ী।
সহমত।
গরম কফি বলেছেন:
মহাশয় নাস্তিকেরা আস্তিকদের চেয়ে অনেক বেশি পড়াশোনা করে, অনেক কিছু তাদের জানার প্রয়োজন হয় আপনাদের সাথে তর্ক করার জন্য।
( স্বীকারুক্তির জন্য লেখককে ধন্যবাদ। )
আপনি জয় লাভ করেছেন । পুরস্কার হিসাবে তালগাছ দেয়া হলো ।
নাটেরগুরু বলেছেন:
এখনো সময় আছে, আস্তিক হোন। নিজেকে স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণ করতে না পারলে জীবনটা অর্থহীন হয়ে যায়। মহাজাগতিক এ বিস্ময়ই স্রষ্টা বলে ধরে নিন। মানুষের জ্ঞানকে আপেক্ষিক বলে মেনে নিন। আনন্দ পাবেন। সকল দুঃখ, কৈফিয়ত আল্লাহকে বললে হৃদয় হালকা হয়। নয়তো দুঃখ থাকলে তা একলা বয়ে বেড়াতে হবে। শুনার কেউ থাকবে না। একবার আপনি সৃষ্ট হয়ে পৃথিবীতে এসেছেন, পুনর্বার সৃষ্ট হতে বাধাটা কোথায়? বলতে পারেন, এটা আচানক। পুনর্বারও যদি আচানক হয়? মহাজাগতিক এ বিস্ময় ও শক্তির কাছে কত অসহায় আমরা! তা কি একবারও ভেবেছেন? আমিও আপনার মত একসময় ছিলাম, ফিরে এসেছি। পয়গম্বরেরা যদি কোন মিথ্যার আশ্রয় নিয়েও থাকে, তার দায়ভার তাদের। এখানে স্রষ্টার কোন রহস্য লুকিয়ে আছে, নয়তো এই মিথ্যাকে এত বিজয় ও প্রসার দিল কেন? অপশক্তি যখন মহাশক্তিতে রূপান্তরিত হয় সেটার সাথে সংগ্রাম ও প্রতিবাদ করা নিছক বোকামী। এতে পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। যেমন তসলিমা নাসরিন, সালমান রুশদী। স্বদেশ ও স্বজাতি যাকে ইজ্জত দেয় না তার জীবন দুর্বিষহ। এভাবে বাঁচার চাইতে না বাচাই ভাল। সবাই চায় গৌরব, কীর্তি, সম্মান। তাও আবার স্বদেশ ও স্বজাতির মাঝে। নাস্তিক কি তা পাবে? আপনি যদি বলেন, না পাইলেই বা কি? এভাবে চিন্তা করলে আপনাকে কিছু বলা যাবে না। নেলসন ম্যান্ডেলা, আতাতুর্ক, গান্ধিজী, জর্জ ওয়াশিংটন, বঙ্গবন্ধু স্বদেশ ও স্বজাতির মাঝে সম্মান কুড়িয়েছেন। তারা কেউ স্বদেশ ও স্বজাতির বিশ্বাসের বিরুদ্ধে যান নি। সুতরাং পয়গম্বর ও আল্লাহ্র প্রতি বিশ্বাস ফিরিয়ে আনুন। নিজের অসহায়ত্ব এদের কাছে সোপর্দ করুন। জীবনে সুখী হতে পারবেন। অন্যথায় আপনার জন্য আমার করুণা হয়। উত্তর দেবেন কি? আমি আপনার মঙ্গল চাচ্ছি বলেই এত কিছুর অবতারনা। আপনার সেই নাস্তিকতার জগত অনেক আগেই আমি মাড়িয়েছি এবং বুঝে সুঝে ফিরে এসেছি। দোহাই লাগে, ধর্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনুন। আপনার জয় হবেই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














....চিন্তার বিষয়


৪০০৪ + ৫৭০ = ৪৫৭০/১২৪০০ = পের্তেক বচ্ছর ২৭ টা নবী?