আমার প্রিয় পোস্ট

'কাটায়ে উঠেছি ধর্ম আফিম নেশা/ধ্বংস করেছি ধর্ম যাজকী পেশা,/ভাংগি মন্দির ভাংগি মসজিদ/ভাংগি গীর্জা--গাহি সংগীত' - নজরুল

সহজ প্রশ্ন : নবী-পয়গম্বররা কেন খালি আরব ভূমিতে আর অবতাররা কেন খালি ভারতে জন্মান?

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬

শেয়ারঃ
0 1 0

খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০৪ সালে আদমের জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত মানুষদের উদ্ধারের জন্য পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০ জন এবং এরা সকলেই জন্মালেন আরব ভূখন্ডে। কেন শুধু আরবে? আরবেই কি শুধু পাপীদের বাস ছিল? নাকি অন্য সব দেশে মনুষ্য বসতি ছিল না?

একইভাবে হিন্দুদের বিশ্বাস পৃথিবীর মানুষ যখন নানা পাপ কাজে পৃথিবীর পরিবেশকে দূষিত করে তোলে, তখন মানুষদের উদ্ধারের জন্য অবতাররা পৃথিবীতে জন্মান। অবতাররা দেবতারই অংশ। মানুষকে উদ্ধারের জন্য এ পর্যন্ত পৃথিবীতে জন্মেছেন মোট দশজন অবতার। তারা হলেন - মৎস, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রামচন্দ্র, বলরাম, বুদ্ধ ও কল্কি। কিন্তু এরা সবাই ভারতে জন্মালেন কেন? পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মানুষরা কি তবে তখনও খুব সৎ ছিল? নাকি এই অবতাররা জন্মানো পর্যন্ত ভারত ছাড়া পৃথিবীর আর কোন দেশেই মানুষ বাস করতো না? বুদ্ধের জন্মাবার সময় কি ভারত ছাড়া আর কোন দেশেই মানুষ বাস করতো না?

আছে কারো জবাব জানা?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২২
অচেনা বাঙালি বলেছেন:
৪০০৪ + ৫৭০ = ৪৫৭০/১২৪০০ = পের্তেক বচ্ছর ২৭ টা নবী?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: সেই সময় না ডাকলেও ঘন ঘন নবীরা আসতো আর এখন তা প্রয়োজনের সময় তাদের দেখা পাওয়া যায় না কেন?

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: দেখি কেউ কইতে পারেন নাকি!

৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
বুমবুম বলেছেন: হেহেহে আমার জানা নাই:)
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: জানলে পারলে আমারে কিন্তু কইতে হইবো !!!

৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪
আইকমবাইকম বলেছেন: এইব্যাপারে আমি কমেন্ট করতে চাই না। আমার খুব ইচ্ছা করছে কিছু বলতে, কিন্তু বলবো না। বলতে মানা আছে।
সে যাই হোক! আপনি অবতারদের লিস্ট থেকে শ্রীকৃষ এর নাম বাদ দিয়েছেন। দয়াকরে তার নাম যোগ করুন।

সুধু একটা কথা না বলে পারছি না - " আপনি গীতা, কোরান, বাইবেন যাই পরুন আর যতো ইচ্ছা পরুন না কেন, আপনার মনে যদি ভক্তি এবং সেই গ্রন্থের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকে, তাহলে তার মানে আপনি কোনদিন উপলব্ধি করতে পারবেন না। সুধু তর্ক করেই যাবেন! কিন্তু সমাধান কোন জন্মেই পাবেন না!!!!!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: শ্রীকৃষ্ণ অবতার কিনা আমার জানা নেই তাই তার নাম যোগ করতে পারছি না।
______________

উত্তর দিলেন না তো!

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: দাদা, আপনি জবাব না দিয়ে মাইনাস দেন কেন?

৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: প্রতি বছর ২৭ জন?....চিন্তার বিষয়
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: সত্যিই চিন্তার বিষয়

৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২
আইকমবাইকম বলেছেন: হিন্দু ধমের মুল আধার হলেন ভগবান শ্রীহরি বিষ্ণু এর অবতার ভগবান শ্রী শ্রীকৃষ্ণ। তিনি অবতার রুপে পৃথিবীতে এসেছিলেন 21th July 3228 BC তে।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: অবতাররা কেন শুধু ভারতেই জন্মান? উত্তর দিন।

৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
আইকমবাইকম বলেছেন: হিন্দু মতে এখন কলি যুগ চলছে। এই যুগে পাপ, মোহ, আন্যায়, ব্যাভিচার বৃদ্ধি পায়। এই যুগের শেষে ভগবান শ্রীহরি বিষ্ণু এর অবতার পৃথিবীতে জন্মনেয়। কলি যুগের স্থায়িত্ব ৮,৬৪,০০০ বছর। যার মাত্র ৫০০০ বছর পেরিয়েছে। তার মানে নতুন আবতার কে পেতে হলে বেশ কিছু সময় আ পেক্ষা করতে হবে।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: এত দেরি করতে পারবো না? তাড়াতাড়ি করতে বলেন। এত দেরি করলে তো আপনার নাতির নাতির নাতির নাতির নাতি .......... নাতিও সেই অবতারকে পাইবো না।

আসল প্রশ্নটার জবাবই তো দিলেন না।

৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮
লাইটহাউজ বলেছেন: ব্লগের আলেমগণ কই গেলো?
৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪১
আইকমবাইকম বলেছেন: ভগবান শ্রীহরি বিষ্ণুর আবতার ভগবান বুদ্ধ কি ভারতে জন্মেছিলেন??? ভগবান শ্রীহরি বিষ্ণুর আবতার ভগবান যিশু কি ভারতে জন্মেছিলেন??????? এর উত্তর নিশ্চই আপনার যানা!!!!!!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, অবশ্যই জানা আছে।

তিনি বর্তমান নেপালের সীমান্তবর্তী লুম্বিনী গ্রামে জন্মেছিলেন। কিন্তু তার জন্মের সময় লুম্বিনী ভারতের অন্তর্গত ছিল।

১০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬
আইকমবাইকম বলেছেন: যে সময়ের কথা বলচ্ছে সে সময়ে ভারতের আস্তিত্ব ছিল না।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: ভারতের অস্তিত্ব ছিল না ......... ভারতবর্ষের ছিল।

১১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৮
আইকমবাইকম বলেছেন: আজকের ভারতের সাথে তার তুলোনা চলেনা!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন দাদা ... মুচকি হাসি

১২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৯
আইকমবাইকম বলেছেন: আপ্নি কি জানেন? হিন্দু মন্দিরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এর সাথে ভগবান যিশুরো পূজো হয়। হিন্দুদের কাছে যিশুও শ্রীকৃষ্ণ এর ন্যায় পূজ্য।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১

লেখক বলেছেন: সত্যিই জানা ছিল না। কিন্তু তাতে কি এসে গেল?

১৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: হিন্দুরা দেখি কনফিউজ্ড....সবার পুজা করে
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: যীশু মুসলমানদের ঈসা নবী ভুলে যাবেন না।

১৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২
লাইটহাউজ বলেছেন: হিন্দুদের পক্ষে আইকমবাইকম একাই লড়ে যাচ্ছেন, আলেমগণ কই?
১৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
আইকমবাইকম বলেছেন: ঠিক কথা! আমরা সমলকে পূজো করি, প ষূ, পাখি, গাছ, নদী, যা গাতের কাছে পাই তাকেই পূজো করি। কারন আমরা মনে করি, সব কিছুর মধ্যেই ঈশ্বর আছে!
১৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৫
আমি_হিমু বলেছেন: অবতার আর নবী নিয়া চিন্তা না কইরা যার ইবাদত করেত হইব তার ইবাদত করেন। নবী বা অবতার রা যুগে যুগে যে সব জাতি বা গোষ্ঠী পাপ কার্যে বেশী ডুবিয়া যাইতো তাদের উদ্দেশ্যে প্রেরিত হইত।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: আজ কোন জাতি পাপ কার্যে ডুবে নেই তা বলেন আগে।

অবতার-নবী নিয়ে চিন্তা করার দরকার আছে মশাই, শুধু হিমুকে নিয়ে আমাদের চলে না।

১৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
আইকমবাইকম বলেছেন:
"উদ্দেশ্যে প্রেরিত হইত।" হবে না।
হবে "উদ্দেশ্যে প্রেরিত হয়।"
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: আবার কবে হবে?

১৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ভাই, আমি কিছুদিন হলো ধর্ম নিয়ে অল্প সল্প পড়াশুনা করছি। তাই কতটুকু সঠিক জবাব দিতে পারবো জানিনা। তবে এতটুকু বলতে পারি, আপনি ইসলাম, খ্রৃষ্টান ও হিন্দুইজম তিনটা গুলাইয়া ফালাইছেন।

বাইবেল মতে আদম (আঃ) এর জন্ম ৪০০০ এর কিছু বেশি সময় আগে। কুরআন বা হাদিসে মতে নয়।

ইসলামিক সোর্সমতে নবী রাসুলের সংখ্যা ১২৪,০০০ কিন্তু হিন্দুমতে ৩৩ কোটি দেবদেবতা।

হিন্দুমতে ঈশ্বর মানুষরুপে ১০ আবতরন করেছেন এবং আরও করবেন বার বাইবেল মতেতো মাত্র একবার এবং এই শেষ।

আপনি দয়া করে , যেকোন একটা ধর্মের Authentic Source - এর

উল্লেখ করেন, ইনশা'আল্লাহ চেষ্টা করবো উত্তর দিতে।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: আপনি স্বীকার করে নিয়েছেন ইসলামে নবীর সংখ্যা ১,২৪,০০০। এবার উত্তর দিন সবাই কেন আরব ভূখন্ডেই জন্মালেন?

১৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯
ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: May be Farjana Mahbuba can answer this question correctly. As we have no other way, lets wait for her. See what she says.
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: এই পোস্টের উত্তর ফারজানা মাহবুবা দেবেন না। তিনি ছুটিতে গেছেন!!!

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।

২১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯
ফেলুদা বলেছেন: আসলে এইসব বিস্তির্ণ প্রান্তরে ইউএফও ল্যান্ডিংয়ের সুবিধা ছিলো মনে হয়। আরেকটা কারণ হইতে পারে পাপাচারে তারাই সীমা ছাড়াইছিলো
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: আসলে এইসব বিস্তির্ণ প্রান্তরে ইউএফও ল্যান্ডিংয়ের সুবিধা ছিলো মনে হয়।
ভাল বলেছেন।


আরেকটা কারণ হইতে পারে পাপাচারে তারাই সীমা ছাড়াইছিলো
আমরা কি সীমা কম ছাড়াইছি?

২২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৩
আমি_হিমু বলেছেন: এখন আর নবীদের আসার দরকার নাই। যার ইবাদত করতে হইবো তার মেসেজ সারা দুনিয়ায় এখন বিদ্যমান। চোখ খুলিয়া দেখিলেই হয়।
সৃষ্টিকর্তা যখন যেখানে মনে হইছে সেখানেই নবী পাঠাইয়াছে।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬

লেখক বলেছেন: সৃষ্টিকর্তা যখন যেখানে মনে হইছে সেখানেই নবী পাঠাইয়াছে।

হা হা হা। হুমমমম ... আরব ভূখন্ডেই পাঠাইছে।


এতক্ষণ পরে এই কইলেন!!! (সহানুভূতি)

২৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮
আমি_হিমু বলেছেন: ধর্মের প্রথম কাজ হইল ইমান আনয়ন করা। সেইটা হইতে আমরা মনেহয় বিচ্যুত। নবী রসুল হইল মেসেঞ্জার। মেসেজটা হইল মুল কথা।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: শুধু মনে হয় না অনেক বেশি বিচ্যুত। তাদেরকে এখনই বেশি দরকার।

২৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯
আমি_হিমু বলেছেন: শুধু কি আরব ভুখেন্ড পাঠাইয়াছে?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: আর কোথায় পাঠাইছে?

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: তাই নাকি! প্রমাণ দিন।

২৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪
আমি_হিমু বলেছেন: কেন মুসা নীল নদের ইতিহাস কি প্রমান করে?

এক কাজ করেন রমনা পার্কের বকুল গাছেরে মধ্যে রাইখা চক্কর কাটেন তাইলে উত্তর পাবেন বলে আশাকরি...
হিমু রিমান্ডে দ্রষ্টব্য
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: নীল নদের ইতিহাস আপনি জানান।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: আপনি বুড়িগঙ্গার পাড়ে গর্ত খুইড়া গলা ডু্বায়া পোশাক খুইলা বইসা নীল নদের ইতিহাস মনে করেন।

২৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: এই সব প্রশ্নের জবাব আগেও অনেকবার দেওয়া হইছে ... তারপরেও করা হয় ... আপনের প্রশ্নকরার ঢংটা ভাল না ... এইটা কি উস্কানীমূলক না আসলেই জানতে চান সেইটা নিয়া সন্দেহ পোষন করি ...

এখন মূল কথায় আসি ... ইসলামের কোথাও বলা নাই ১২৪০০০ নবী/রাসুল সবাই আরবে আসছে ... কোরানে মাত্র ২৫জন নবীর কথা বলা আছে যারা ঐ এলাকায় আসছে ... কিন্তু এইটাও বলা আছে যে সব সম্প্রদায়ের কাছেই নবী পাঠানো হইছে ...
এখানে দেখেন
http://www.bbc.co.uk/dna/h2g2/A2875395

আবারও কইতে হয় কাউরে কাউরে এমনেই কৃমিতে চুলকায় ... সেইজন্য ঔষধ সেবনটাই বেটার ...
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: উস্কানির কি পাইলেন জানি না।

আমি ছাড়াও শান্তির দেবদূত বলেছেন, ইসলামিক সোর্সমতে নবী রাসুলের সংখ্যা ১২৪,০০০। (Muslims believe that there have been 124,000 prophets and messengers sent down to mankind throughout the ages.)

সম্প্রদায় মানে কি ধর্ম?

কৃমির ঔষধ আপনারও লাগবো মনে হয়, উত্তর একটু ভদ্রভাবে দিতে শেখেন।


১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: এই সব প্রশ্নের জবাব আগেও অনেকবার দেওয়া হইছে ... তারপরেও করা হয় ...

আমি পাই নাই।

২৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২
তীর্যক বলেছেন: লাইট হাউজ (তার প্রোফাইল মতে) একজন নাস্তিক, সুতারাং তার পয়গম্বর / দেবতা সংক্রান্ত আলোচনা উদ্দেশ্যমুলক, আপনি নাস্তিক তাতে কারো সমস্যা নাই, তবে উদ্দেশ্যমুল বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে গঠন মুলক কিছু করেন ... যাতে কেউ না হোক নিজে উপকৃত হন।

আমি মুসলিম, তাই ইসলাম ধর্মের ব্যপারে কিছুটা জানি অন্য ধর্ম সম্পর্কে নয়।
মহান আল্লাহ যুগে যুগে মানুষের হেদায়েতের জন্য অসংখ্য নবী ও রাসুল প্রেরন করেছেন, কাউকে তিনি তার ক্বিতাব সহকারে নাযিল করেছেন আবার কেউ কেউ পূর্ববর্তীদের কিতাব প্রচার করেছেন অর্থাৎ তাঁদের নিকট কোন আসমানি কিতাব অবতির্ন হয়নি।

নবী রাসুলের মো্ট সংখ্যা নিয়ে মতানৈক্য আছে, কারো মতে ১ লক্ষ চব্বিশ হাজার কারো মতে ২ লক্ষ চব্বিশ হাজার, তবে শ্রেষ্ঠ মত হলো আল্লাহর প্রেরিত অসংখ্য নবী তে বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে, সংখ্যাটা যাই হোক। পবিত্র কোরআনে মাত্র ২৫ জন নবীর বর্ননা এসেছে। সুতারাং প্রতি বছর ২৭/২৮ জন নবীর পরিসংখ্যান অজ্ঞতা, মুর্খতা বা বাতুলতা মাত্র।

ইসলাম ধর্মের শেষ নবী হলেন, মুহাম্মদ (সাঃ), তিনি এবং তাঁর উপর অবতির্ন আল কোরআন সকল সময়ের, সকল জায়গার সকল মানবের জন্য, তাঁর পরে আর কোন নবী আসবেননা, বিদায় হজ্বের দিন মহান আল্লাহ ওহি নাযিলের মাধ্যমে বলেন, "আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা) কে পরিপূর্ন করে দিলাম, তোমাদের উপর আমার নেয়ামত কে পরিপূর্ন করলাম আর ইসলামকে তোমাদের জীবন ব্যবস্থা হিসেবে মনোনিত করলাম"।

বর্তমানে কোন নবী রাসুল না আসলেও আল্লাহর কোরআন আর রাসূলের সুন্নাত (হাদীস) হবে মানুষ খুব সহজেই হেদায়েত লাভ করতে পারে। এ প্রসঙ্গে রাসুল (সাঃ) বলেন, "আমি তোমাদের মাঝে দু'টি জিনিস রেখে যাচ্ছি, এগুলোর যদি অনুসরন কর তবে তোমরা কখনোই পথভ্রষ্ট হবেনা, একটি হলো কুরআন অপরটি আমার সুন্নাহ" (হাদিসটির শব্দগত ত্রুটি থাকতে পারে), সুতারাং এই যুগে নবী রাসুল না আসলে হেদায়েত লাভ করা যাবেনা এ কথা বলার কোন সুযোগ নাই।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: মূল প্রশ্নটার জবাব জানতে চাইছি।

২৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আপনার এই প্রশ্নের উত্তর একটা প্রশ্নের মাধ্যমে দেওয়া যায়, " আপনি কোথায় পেলেন ১২৪০০০ নবী রাসূল শুধু আরব আরব ভূখন্ডেই জন্মেছেন ?"

তার পরও বিস্তারিত জানাচ্ছি।

হাদিস মতে, ১২৪০০০ নবী রাসূল পৃথিবীতে আগমন করেছেন। কিন্তু কোর'আনের সুধু ২৫ জনের নাম উল্লেখ আছে। বাকিদের নাম নেই কেন ?

কারন ১. কোরআন সুধু কোন ইতিহাসের বই নয় এবং সবার নাম উল্লেখ থাকলে কোরআনের আয়তন কত বড় হত ভেবেদেখেছেন ! এখনই তো আমরা কোরআন না পড়ার কত বাহানা খুজি।

২. যাদের জীবনি পরবর্তিদের জন্য দৃষ্টান্ত সরুপ, অনুকরনিয় এবং প্রয়োজনীয় শুধু তাদেরই নাম উল্লেখ যুক্তযুক্ত নয়কি ?


"আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরন করেছি..........." (কুর'আন ১৬:৩৬০)

".......... এমন কোন সম্প্রদায় নেই যাতে সতর্ককারী আসেনি" (৩৫:২৪)

সুতরাং সুধুমাত্র আরবেই নবী রাসূল এসেছেন ইসালামের দৃষ্টিতে তা ঠিক নয়।

প্রয়োজনের পরে আরও আলোচনা চলবে, এখন বিদায় নিচ্ছি।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনার জবাব পরিস্কার হয়নি। বিস্তারিতভাবে প্রয়োজনে পোস্ট দিন। আগ্রহ সহকারেই পড়বো।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: কারন ১. কোরআন সুধু কোন ইতিহাসের বই নয় এবং সবার নাম উল্লেখ থাকলে কোরআনের আয়তন কত বড় হত ভেবেদেখেছেন ! এখনই তো আমরা কোরআন না পড়ার কত বাহানা খুজি।

এ কারনটা কি আপনিই বানালেন। নাকি এটা কোথাও লেখা আছে?

২. যাদের জীবনি পরবর্তিদের জন্য দৃষ্টান্ত সরুপ, অনুকরনিয় এবং প্রয়োজনীয় শুধু তাদেরই নাম উল্লেখ যুক্তযুক্ত নয়কি ?

তার মানে বাকী রসুল-নবীদের জীবনী দৃষ্টান্তস্বরূপ নয়?

৩০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০
লাইটহাউজ বলেছেন: তীর্যক বলেছেন: লাইট হাউজ (তার প্রোফাইল মতে) একজন নাস্তিক, সুতারাং তার পয়গম্বর / দেবতা সংক্রান্ত আলোচনা উদ্দেশ্যমুলক, আপনি নাস্তিক তাতে কারো সমস্যা নাই, তবে উদ্দেশ্যমুল বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে গঠন মুলক কিছু করেন ... যাতে কেউ না হোক নিজে উপকৃত হন।

আমি উপকৃত হতেই আমার বিভ্রান্তি দূর করার জন্য জবাব চাইছি।
৩১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪
নাহিদ বলেছেন: সহমত.....নাস্তিক একটা গ্রুপ তৈরী করেন.। আমি আছি আপনার সাথে........

লাইটহাউজ নামের সার্থকতা নাই....
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: নামের সার্থকতা নাই এটা আমিও জানি।

৩২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: লাইটহাউজ মৌচাকে ঢিলাঢিলি করেন কা?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: ডিবেট ভালো লাগে।

৩৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০
আরিফুর রহমান বলেছেন: আমার থিওরী হইল 'ব্যাপারটা মার্কেটিং রিলেটেড'। আরবের লোকেরা এখন যেমন আগেও তেমনি বর্বর ছিলো। গুড গ্রাউন্ড ফর রিলিজিয়াস বিজনেস। ফলাফল ধর্মপ্রচারকদের এই আধিক্য।

উপরে যারা প্রশ্নটার উত্তর দেবার চেষ্টা করেছেন তারা সবাই তাদের কোন না কোন পবিত্র বইকে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করেছেন, বইগুলি, যাদের বেশিরভাগেরই অথেনটিসিটির সমস্যা আছে, আপনার এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য যথেষ্ট নয়। ফলত তারা হাঁচরা পাঁচরি করলেও কোন 'যুক্তিসঙ্গত' ও 'ইতিহাস নির্ভর' উত্তর দিতে পারেন নি।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: গুড গ্রাউন্ড ফর রিলিজিয়াস বিজনেস। ধন্যবাদ।

৩৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
নাহিদ বলেছেন: লাইটহাউজ,
আপনার দাদার নাম কি? বা দাদার বাপের নাম কি কখনো খুজছেন? মনে হয় খুজেন নাই.

ইতিহাস খুজেন....তাহলে সব কিছু পেয়ে যাবেন.।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯

লেখক বলেছেন: আপনার মতো আমারও দাদা না থাকলে আজ জন্মাতাম না, তাই তাদের অস্তিত্ব সম্পর্কে কোন সন্দেহ নাই। তাই ইতিহাস খোঁজারও দরকার নাই।

তা আপনি ইতিহাস খুঁজে পেয়েছেন?

৩৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন: পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০ জন এবং.... এরা সকলেই জন্মালেন আরব ভূখন্ডে।
..........কথা খানের তথ্য সূত্র, ভিত্তি কোথায়?

প্রচলিত ২৫ জন ম্লেচ্ছ অবতারের নাম পাওয়া যায় যাহারা মিশর হইতে শুরু করিয়া শ্যাম দেশ হইয়া ইরান পর্যন্ত আসিয়াছেন।

বাকি ১,২৪,০০০-২৫ জন অবতারের কোন হদীস পাওয়া যায় না যেহেত ধর্ম কিতাব বা ইতিহাসের পাতায় উহা লিপি বদ্ধ নাই। একখানা ক্ষুদ্র এলাকার জন্য, কিছু ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য.উহারা বড় মাপের অবতার ছিলেন না বলিয়া ইতিহাসের পাতা হইতে হারাইয়া গিয়াছেন।

এমন কি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সম্প্রদায়ের মাঝে ম্লেচ্ছ অবতার আসিয়াছিলেন কিনা কে জানে...তাহার উল্লেখ নাই...কেননা পরবর্তিতে ধরিয়া নেয়া হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ রা পথভ্রষ্ট হইয়া গিয়াছে...যেমন মুসার অনুসারীরা হইয়াছিল।

প্রচলিত আরবীয় অবতারের আগমনের ব্যাপারে ম্লেচ্ছ, খ্রেরেস্টান, এহুদ সম্প্রদায়ের মধ্যে কোন মত বিরোধ নাই। কাজেই উহারা আসিয়াছিলেন এবং সত্যিকার অর্থেই অবতার ছিলেন।

কিন্তু হেন্দু অবতারগণের আগমনের কোন প্রমাণাদি নাই। সবই গল্প, কেচ্ছ আর মহাকাব্যের কাল্পনিক চরিত্র।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

লেখক বলেছেন: হেন্দু অবতারগণের আগমনের কোন প্রমাণাদি নাই। সবই গল্প, কেচ্ছ আর মহাকাব্যের কাল্পনিক চরিত্র।

মজা তো। নিজেদেরটা ঠিক অন্যদেরটা ভুল।

৩৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮
নাহিদ বলেছেন: ইংরেজী ২৩৭১ সালে আপনার নাতির নাতি বলবো... ১৯৭১ সালে কিছুই হয় নাই....

পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০ জন এবং.... এরা সকলেই জন্মালেন আরব ভূখন্ডে।
..........কথা খানের তথ্য সূত্র, ভিত্তি কোথায়?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: উপরের বেশ কয়েকজন বলেছেন স্বীকার করেছেন ১,২৪,০০০ নবী-রাসুলের কথা। আমি যাদের কথা জানি প্রত্যেকেই ঐ অঞ্চলেই জন্মেছেন। আপনি দেখান তারা আর কোথায় জন্মেছেন।

Click This Link
Click This Link
Click This Link

আরো লিংক লাগলে নেটে খুঁজুন।

৩৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০
পর্বত বলেছেন: উনার প্রশ্নের মধ্য চাপা (কিঞ্চত পরিমান সত্যকে কেন্দ্র করিয়া অধিক পরিমান মিথ্যার ব্যাসার্ধ লইয়া যে বৃত্ত আকা হয় তাকে বলে চাপা) আছে
সত্য মিথ্যা গুলাইয়া ফেলিয়াছে।

নাম রাখিয়াছে লাইট হাউজ যা অন্যদের আলো দেখাইয়া গন্তব্য পৌছাইবে। এখন মনে হইতেছে নিজে লোডশেডিং এ অন্ধকারে নিমজ্জিত।

তেমনি যখন কোন জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত হইত তখন তাহাদের জন্য উদ্ধারকর্তা (নবী বা অবতার) প্রেরিত হইত। যেহেতু এখন স্রষ্টার মেসেজ পৃথিবীর সর্বত্র বিরাজমান তাই লাইটহাউজ কে উদ্ধার করিবার জন্য কেউ আসিবে না। নিজের উদ্ধারের পথ তাহাকে খুজিয়া লইতে হইবে।



১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: অন্যকে আলো দেখাবার কোন দরকার নাই। পর্বতের মানে কি?

নিজেকে আমি নিজেই উদ্ধার করতে পারবো। অন্য কারো দরকার নাই। আর দরকার থাকলেই কি নবী-অবতারদের আরেকবার আসার ক্ষমতা আছে?

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: কোথায় মিথ্যা লেখা হয়েছে দেখিয়ে দিন। না পারলে অফ যান।

৩৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০
ফেলুদা বলেছেন: হ, আ.ডে ঠিক বলিয়াছেন। উপর হইতে পড়িয়াছেন খালি হযরত আদম (আ:)। তিনি পড়িয়াছিলেন শ্রীলঙ্কাতে, সেখানেই তার পায়ের ছাপ আছে শুনা যায়। বাকিরা যে কেহ যে কুনু জায়গা থেকেই আসতারেন। আর ভারতে এত অবতার জন্মাইছে, বাংলাদেশ আর পাকিস্তানও নিশ্চয়ই সেই অবিভক্ত মহাদেশের অন্তর্গত। তাইলে আমরা গর্বিত হইতে পারি কি কন?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনি গর্বিত হতেই পারেন। ফেলুদা যখন!!!

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: ফেলু মিত্তির কি গোয়েন্দাগিরি ছেড়ে দিলেন? অনেকদিন তোপসের খবর পাই না।

৩৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: @পর্বত, অকারনে লেখকের ছিদ্রান্বেষন না করে লেখার উত্তর দেবার চেষ্টা করলে ভাল হয় না?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: ফাঁদে আটকা পড়লে ইদুরেরও মাথা গরম হয়।

৪০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৮
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন: ম্লেচ্ছ গণের অবতারগণ আসিয়াছিলেন ইতিহাস আর অন্যসব ধর্ম সাক্ষী দিবে। পড়িয়া আসুন।

হেন্দুরা.......রাম শ্যাম যদু মদু, কৃষ্ণরা, মা দুগ্গারা এ ধরাধমে আসিয়াছিলেন উহার প্রমাণ দিক..তাহার পরে উহাদের লইয়া তর্ক হইবেক।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: ইতিহাস সাক্ষী দিলেই হবে না। ইসলামের নবীরা তো সব বলেছেন আমিই নবী। তারা যে সব আল্লারই প্রেরিত তার কি প্রমাণ আছে? তাছাড়া বুদ্ধ জন্মেছিলেন তার প্রমাণ আছে বাকীদের কথা জানি না। তবে নবীদের মতো বুদ্ধও ঈশ্বর প্রেরিত কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: মূল প্রশ্নের জবাব দেবার চেষ্টা করুন।

৪১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮
দিগন্ত বলেছেন: অনেক ধর্মেই অবতার বা নবী এসেছিলেন। তাদের অধিকাংশই কিছু না কিছু বলে গেছেন। একেক অঞ্চলের নবীদের কথা অন্য অঞ্চলের থেকে আলাদা। আরবে নবীরা যা বলে গেছেন ভারতে বুদ্ধ আর হিন্দু অবতাররা অন্য কথা বলে গেছেন। দেখে তো সন্দেহ এরা একই ঈশ্বরের পাঠানো কিনা ...
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: দেখে তো সন্দেহ এরা একই ঈশ্বরের পাঠানো কিনা ...

৪২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
দিগন্ত বলেছেন: "তবে নবীদের মতো বুদ্ধও ঈশ্বর প্রেরিত কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। "
- প্রথমত বুদ্ধ নিজেই কোনোদিনও দাবী করেননি যে তিনি ঈশ্বর প্রেরিত। বরং প্রচলিত অর্থে তাকে একরকম নাস্তিকই বলা চলে।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: তারা ঈশ্বরে বিশ্বাস না করলেও আত্নায় বিশ্বাস করে।

৪৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩
আরিফুর রহমান বলেছেন: বৌদ্ধধর্ম একমাত্র ধর্ম যা মোটামুটি বাস্তবের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করেছে।

বাকিগুলোর অনুসারীরা দ্রুতই তাদের ধর্মে 'বয়িত' আগড়ম বাগড়ম'র আছর থেকে মুক্ত হবেন আশা করি। নাইলে এই দুইন্না পুরাটাই আরবের লেভেলে চলে যাচ্ছে।

আশঙ্কার কথা!
৪৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনেরে যদি একশবার বুঝানোর পরও না বুঝেন, তাইলে আর কিভাবে কমু ... সবাই কইতেছে যে এই ১ লাখ ২৪ হাজারের সবাই আরবে আসেনাই ...সারা দুনিয়ায় আসছে ... দুনিয়ার প্রত্যেক সম্প্রদায় বা গোত;রের কাছে আসছে ... এরপরও মানতে বাঁধা কোথায়

নাকি তালগাছ আপনেই লইবেন ... তাইলে লইয়া যান
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: ২৫ জন বাদে বাকীদের তো নাম-পরিচয়ই নাই। তবে তারা পুরো দুনিয়ায় এসেছে তার প্রমাণ কি?

৪৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আমি যে ২ই টা কারন দিয়েছি তা যুক্তিভিক্তিক অনুমান মাত্র। আরও অনেক কারন থাকতে পারে। আর আমার যুক্তি ভুলও হতেপারে।

আমি কোরআনের আয়াতে সুত্র দিয়ে দেখিয়েছি যে, প্রত্যেক জাতির কাছেই নবী, রাসুল প্রেরিত হয়েছে।

এখন, আপনার উপর কোন ওহী নাজিল হয়েছে যে আপনি বলছেন , "সব নবী রাসুল সুধু আরবেই এসেছেন" ? যদি কোন সুত্র দিতেন তাহলে আলোচনা করতে সুবিধা হতো।

যে কোন Reference হলেই চলবে। হাদিস, কোরআন, যেকোন Scholar এর Research, যে কোন ফোতুয়া অথবা কমপক্ষে কাঠ মোল্লার বয়ান হলেও চলবে। তারপার আলোচনা করা যাবে। Otherwise বিতর্ক এই খানেইতো শেষ।

ধন্যবাদ
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: আমি কোরআনের আয়াতে সুত্র দিয়ে দেখিয়েছি যে, প্রত্যেক জাতির কাছেই নবী, রাসুল প্রেরিত হয়েছে।

আপনি কি বলতে চাইছেন, হিন্দুদের কাছে যে সব অবতার পাঠানো হয়েছে তা আল্লাহ পাঠিয়েছে হিন্দুধর্ম প্রচারের জন্য।

৪৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩১
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
এই বিতর্ক এগুবে না কয়েকটা বিষয়ের মীমাংসা না হলে

১. ইসলাম ধর্ম মতে নবী-রাসুলের সংখ্যা কত? ১ লক্ষ ২৪ হাজার বা ২ লক্ষ ২৪ হাজার? নাকি এটা ভুল? (নাহিদ, পর্বত, জ্বীনের বাদশা আপনারা বলুন)
২. হিন্দু ধর্ম মতে অবতার কয়জন? ১০ জন? (আইকমবাইকম চেষ্টা করুন না!)
৩. সব নবীরা খালি আরব দেশে না বলে বেশীরভাগ নবীরা আরব দেশে এসেছিলেন বলতে চাচ্ছেন? (লেখকের প্রতি)
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: ১. আমি যে তিনটি লিংক উপরে দিয়েছি প্রত্যেকটি ১,২৪,০০০ লেখা আছে।
২. অবতার ১০ জন্য এটা আমি হিন্দু লেখকের বই থেকেই পেয়েছি।
৩. আমার জানা মতে যে ২৫ জনের নাম-পরিচয় জানা গেছে তাদের প্রত্যেকেই একনাগাড়ে আরবে জন্মেছেন। তাই অনুমান করে নেয়া যায় যে বাকীরাও আরবেই জন্মেছেন।

৪৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
দিগন্ত বলেছেন: আমি জানি বাহাই-রা আব্রাহাম, মোসেস, যীশু, মুহম্মদ, কৃষ্ণ, বুদ্ধ - সবাইকেই ঈশ্বরের দূত বলে মনে করে।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: একই ঈশ্বর দূত পাঠালেন ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম প্রচারের জন্য!!!

৪৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: মডারেটর, এই সংখ্যাটা আসলে কত বলা কঠিন। অনেক কারণ আছে, তারমধ্যে একটা প্রধান কারণ হলো হাদীসগুলোর সবগুলো অথেনটিক না। এজন্য অনেকে কিছু হাদিসের রিফারেন্স দেয় ১ লাখ ২৪ হাজার কইয়া, অনেকে দেয় অন্য কিছু হাদিসের রেফারেন্স ২ লাখ ২৪ হাজার কইয়া ... তারপরেও ক্যাচাল আছে ... সেইযুগে এইসব সংখ্যা দিয়া আসলেই কি বুঝাইত সেইটাও দেখনের ব্যাপার আছে ... কাজেই আমার মনে হয় এই সংখ্যাটা গুরুত্বপূর্ণ না ... ইসলামকে জাতি বা দেশ দিয়ে বেঁধে দেয়া হয়নাই ...

তো, হাদীস যেহেতু কোন নিশ্চিত সমাধান দিচ্ছেনা, কোরানের কাছে যাই ... কোরানে বলা আছে প্রত্যেক সম্প্রদায়কেই নবী/রাসুল পাঠানো হইছে ... আরবের প্রেক্ষিতে ২৫ জনের নাম আসছে ...

এখন আপনি বলেন, এই প্রশ্ন করার যুক্তি কি ...
৪৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৫
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
ধন্যবাদ জ্বীনের বাদশা। তাহলে ১/২ লক্ষ ২৪ হাজার নবীর ব্যাপারটা হাদিস থেকে এসেছে - এটা লাইটহাউজের দোষ না।

এবার আসা যাক সবার আরবে সব নবীদের আগমনের ব্যাপারে। কোরান মতে প্রত্যেক সম্প্রদায়কেই নবী/রাসুল পাঠানোর ব্যাপারটা একটু ঘোলাটেই। সম্প্রদায় বলতে কি বোঝানো হয়েছে - আরবের বা সন্নিহিত এলাকাগুলির গোত্রসমূহকে? নাকি অন্যকোন বিভাজনে সম্প্রদায় নির্ধারন করা হয়েছিল? ততকালীন সমাজে সম্ভবত সম্প্রদায় বলতে এলাকাভিত্তিক গোত্র বা গোষ্ঠীকেই বুঝানো হত। আর যদি সম্প্রদারের বিভাজনের ক্ষেত্রে ভৌগলিক ফ্যাক্টরকেই বোঝানো হয়েছে বলে দাবী করা হয় তবে সেক্ষেত্রে প্রশ্ন আসতে পারে কোরানে ভারতবর্ষ বা আমেরিকা সম্পর্কে কিছুই বলা হয়নি কেন?
৫০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: এই প্রশ্ন করার যুক্তি কি ...

একটা যুক্তিসঙ্গত উত্তরের জন্য...
৫১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৮
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: উত্তরটা কি যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত হয়নাই? ... আপনেও তো দেখি আরেক "তালগাছ আমার" পার্টি
৫২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৩
সিন-লাম-মীম বলেছেন: দুঃখিত জ্বীনের বাদশা - আপনি এখনো কোন উত্তরই দেননি, যুক্তির কথা আসছেই না। পোষ্টের প্রশ্ন দেখুন প্লীজ।
৫৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৮
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: কোরানে মানবসম্প্রদায় বলা হইছে ... এখন আপনে বুঝেন সেইটা কি আরব না অনারব ... এইটা নিয়া ত্যানা প্যাচানোতে আগ্রহ নাই
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: আপনি কি বলতে চাইছেন, হিন্দুদের কাছে যে সব অবতার পাঠানো হয়েছে তা আল্লাহ পাঠিয়েছে হিন্দুধর্ম প্রচারের জন্য।

৫৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৯
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনে আমারে একটা হাদীস দেখান যেইটাতে বলা আছে ১ লাখ ২৪ হাজার নবীর সবাই আরবে আসচে ... আমি বিবিসির যেই লিংক দিছি ঐটাতে ভালো সামারি দেওয়া আছে ... একটু পড়লেই তো হয়
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: আমি ৩টি ইসলামিক ওয়েবের লিংক দিয়েছি। কষ্ট করে পড়ুন।

৫৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২০
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
মানব সম্প্রদায় আর প্রত্যেক সম্প্রদায় কথা দু'টোর তফাতটা বলবেন?
৫৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৪
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: মডারেটর, তিনকোণা সিম্পটম কিন্তু ডেঞ্জারাস ... আপনে হয়ত আমার এরকম বিরক্ত কমেন্ট দেইখা অবাক হইতেছেন ... বলি, কেউ যদি সব বুঝার পরেও কয় বুঝিনাই, মানিনা, তাইলে কিছু বলার নাই ...

এখানে দেখেন, আপনার একটা কার্বনকপি পাইলেও পাইতে পারেন ;)
Click This Link
৫৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: এই ব্লগে আরেক শ্রেনীর ত্যানা প্যাচাইনারা সর্বাধিনায়ক আর চিফ কমান্ডার কি এক হইল -- এইসব নিয়া ক্যাচাল করছে ... বেটার নেভার কপি দেম ... গুড লাক ;)
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: ব্যক্তি আক্রমণ বন্ধ করে পারলে এমন একজন নবীর কথা বলুন যিনি আরব ভূখন্ড ব্যতীত অন্য কোথাও জন্মেছেন।

৫৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৭
ভালোবাসি বাংলাদেশ বলেছেন: আিরফুর রহমান বলেছেন: বৌদ্ধধর্ম একমাত্র ধর্ম যা মোটামুটি বাস্তবের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করেছে।

বাকিগুলোর অনুসারীরা দ্রুতই তাদের ধর্মে 'বয়িত' আগড়ম বাগড়ম'র আছর থেকে মুক্ত হবেন আশা করি। নাইলে এই দুইন্না পুরাটাই আরবের লেভেলে চলে যাচ্ছে।

আশঙ্কার কথা!
৫৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩১
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
জ্বীনের বাদশা

এসব ব্লগীয় আলোচনা ব্যাক্তিগতভাবে না নিলেই খুশী হব। আপনি যদি আলরেডী পারসোন্যালি নিয়ে থাকেন তবে এখানেই আপনার সাথে ইন্টার‌্যাকশনে বিরতি। আপনাকে বা অন্য কাউকেউ আঘার করতে চাই না।


@অন্যরা সবাই

নবীদের সংখ্যা ২৫ হোক আর ২৫ কোটি হোক - মোদ্দা প্রশ্ন হচ্ছে তারা সবাই কেন আরব বা আরব সংলগ্ন অঞ্চলে আবির্ভূত হলেন। একইভাবে হিন্দু অবতারগনই বা কেন শুধু ভারতীয় অঞ্চলে এলেন? কারো কোন মন্তব্য?
৬১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:১৬
সিন-লাম-মীম বলেছেন: ধর্ম আর মুক্তিযুদ্ধকে এক লাইনে দাঁড় করিয়ে সুবিধা নিতে চায় একটি চিহ্নিত পক্ষ। আশা করি তাদের মত আচরণ করবেন না কেউ।
৬২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: তো?

সীতা কার বাপ??!!

(মানে হইল 'সহজ প্রশ্ন'খানের উত্তর কে দিবো?)
৬৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৯
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
সো ফার - আরিফুর রহমানের উত্তরটাই যুক্তিযুক্ত মনে হচ্ছে; মার্কেটিং।
৬৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫২
অ্যামাটার বলেছেন: অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কর !
এটা আবারও প্রমাণ হল।
৬৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০০
আইকমবাইকম বলেছেন: অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কর ! - খুব বাস্তব কথা।

আমি হিন্দু, মুসলিম বিবাদে জড়াতে চাই না।

এখানে আস্থাটাই বরো কথা। যাতা ঈশ্বর মানে না, তাদেরসাথে ঈশ্বর নিয়ে আলচনা করে কি লাভ!!!! তারা চির কাল ঈশ্বরের আস্তিত্ব নিয়েই তক্ক করে যবে! মাড়ার ঠিক আগের মুহুর্তে ঈশ্বর বোধ জাগ্রত হবে, আর তখন বলবে আল্লা আল্লা , শ্রীকৃষ্ণ শ্রীকৃষ্ণ এইবার আমাকে বাচাও!!!! কিন্তু তখন যে আনেক দেরি হয়ে যাবে...!!!!!
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন: ওটা সুবিধাবাদীরা করে। সবাইকে একই পাল্লায় মাপবেন না।

৬৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪০
শান্তির দেবদূত বলেছেন: @মডারেটর

"আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরন করেছি..........." (কুর'আন ১৬:৩৬০)

".......... এমন কোন সম্প্রদায় নেই যাতে সতর্ককারী আসেনি" (৩৫:২৪)

সুতরাং সুধুমাত্র আরবেই নবী রাসূল এসেছেন ইসালামের দৃষ্টিতে তা ঠিক নয়।

আমি কোরআনের আয়াতে সুত্র দিয়ে দেখিয়েছি যে, প্রত্যেক জাতির কাছেই নবী, রাসুল প্রেরিত হয়েছে।

এখন, আপনার উপর কোন ওহী নাজিল হয়েছে যে আপনি বলছেন , "সব নবী রাসুল সুধু আরবেই এসেছেন" ? যদি কোন সুত্র দিতেন তাহলে আলোচনা করতে সুবিধা হতো।

যে কোন Reference হলেই চলবে। হাদিস, কোরআন, যেকোন Scholar এর Research, যে কোন ফোতুয়া অথবা কমপক্ষে কাঠ মোল্লার বয়ান হলেও চলবে। তারপার আলোচনা করা যাবে। Otherwise বিতর্ক এই খানেইতো শেষ।
৬৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
জানি না লেখকের উদ্দেশ্য কি, তিনি জেনেও না জানার ভান করেছেন কিনা। আরব ছাড়াও অন্যান্য দেশেও দেবদেবীদের অবস্থান অবশ্যই ছিল, শুধু আরব বা ভারতেই নয়। এর উল্লেখ হোমারের, প্লেটোর লেখনীতে পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে ভেলেনটাইন ডে হয়ে গেল, ভেলেনটাইন ডে পালন করি আমরা ভালবাসার দিবস হিসাবে। কে এই ভালবাসার দেবী? দেবী আফ্রোদিতি হচ্ছে ভালোবাসার দেবী। ইনি কোন দেশে অবতার?

আল-কোরআনে ১০৪টি ধর্ম গ্রন্থের উল্লেখ আছে, কিন্তু ১০০টি উহ্য রয়েছে, ৪টির নাম শুধু উল্লেখ করা আছে। কিন্তু আল-কোরআনে বলা নাই যে শুধু নবীরা আরবেই এসেছিলেন। সেখানে উল্লেখ আছে আরবের কথা, শ্যাম দেশের কথা (যা বর্তমানে আফ্রিকা), রোমের কথা এবং ভারত উপমহাদেশের কথা। তবে নেই কোনটা। লেখক এক জায়গায় উল্লেখ করেছেন "ডিবেট করতে ভাল লাগে", আমিও বলি ডিবেট ভাল, তবে ডিবেট করার আগে নিজের জ্ঞানে প্রস্তুতিটাও থাকার দরকার। সে জন্যে আমি আগেই বলেছি যে, লেখককি জেনেও না জানার ভান করছেন কিনা।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: মহাশয় নাস্তিকেরা আস্তিকদের চেয়ে অনেক বেশি পড়াশোনা করে, অনেক কিছু তাদের জানার প্রয়োজন হয় আপনাদের সাথে তর্ক করার জন্য। তাই আমার প্রস্তুতি নিয়ে আপনি ভাবিত না হয়ে প্রাসংগিক উত্তর দিন।

কার সাথে ভান করবো? আমি শুধু পরিস্কার উত্তর চাইছি এবং শুধু মুসলিমদের কাছে নয় হিন্দুদের কাছেও।

৬৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
এম.এ.হামিদ বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন:

তিনি যদি দেখে যেতেন এই ব্লগের চেতনাধারী(!) রা কি ভাষায় কথা বলেন, তাহলে নিশ্চয় মনে আঘাত পেতেন। বাংলা ভাষার এত অবমাননা আমি আর কোথাও দেখিনি।

ভাষাসৈনিক আবুল হাশেমের আত্মা শান্তিতে থাকুক। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: ছাগু ত্রিভূজের কথা আমার ব্লগে নিষিদ্ধ।

৬৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
সমালোচনাকারী বলেছেন: হামিদ ভাই আমার পুস্তে একটা মাইরা যাও পিলিজ
৭০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
শান্তির দেবদূত বলেছেন: @মডারেটর

যদি, আপনি আস্তিক হন তাহলে, শেষ বিচারের দিনে আমি বলব, "হে রাব্বুল আলামিন , আমি এই অধমকে, কিছু জ্ঞ্যানী ব্যক্তি প্রশ্ন করেছিলো প্রত্যেক জাতি বলতে তুমি কুরআনে কি শুধু আরব জাতিদেরকেই বুঝিয়েছ নাকি পৃথিবীর সব জাতিকেই বুঝিয়েছ ? কারন উনারা এতই জ্ঞ্যানী ছিলেন যে প্রত্যেক জাতি মানে বুঝতে পারছিলেন না "

আশা করি তখন আমার উত্তর আল্লাহতয়ালা দিবেন, তখন আপনিও শুনে নিয়েন।

আর যদি আপনি নাস্তিক হন , তা হলেতো আপনি আল্লাহকেই বিশ্বাস করেন না। সুতরাং উনার পাঠানো নবী রাসুলকেতো নয়ই । সুতরাং আপনার সমস্যাতো অন্য জায়গার। আপনার তো নবী ১ জন হলেই কি শত কোটি হলেই কি, কিছুই যায় আসে না।

আশা করি আপনি আপনার অবস্হান পরিস্কার করবেন , যে আপনি আস্তিক নাকি নাস্তিক। তাহলে আলোচনা আগানো যাবে।
৭১. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০২
নেমেসিস বলেছেন: কিছু জানতে চাওয়া কি পাপ ?
৭২. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৪
অহেতুক অকারণ বলেছেন:
স্বাধীনতা তুমি-র মন্তব্য ভাল লাগলো।
সাধারনত আমি এ ধরনের পোষ্টে মন্তব্য করি না।
অযথা............সব, মানুষ নিজে যা বিশ্বাস করে তাকে সবচেয়ে যত্নে রাখারও চেষ্টা করে, নিজের মনে।

নিজে নিজে নিজের নীতি পালন করেন সবাই, সেটাকেই উজ্জ্বল করুন।
৭৩. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৯
আইকমবাইকম বলেছেন: বজতদক বকহজহজন ৫াবাব্ াব
৭৪. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩১
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
শ্যাম দেশের কথা (যা বর্তমানে আফ্রিকা),


???
৭৫. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৬
সিন-লাম-মীম বলেছেন:

অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কর! হাঁচা কথা!

শ্যাম দেশ মানে আফ্রিকা! আফ্রোদিতি একজন পয়গাম্বর! আল-কোরানে আছে ভারতীয় উপমহাদেশের কথা! কোরানে বলেছে সব জাতীর কাছেই নবী এসেছিল! ভাই আমরিকানদের কাছে কোন নবী এসেছিলো?

মাছের তেলে মাছ ভাজতে চাইলেই তো আর হয় না, যথেষ্ট তেল থাকতে হয়!

৭৬. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫০
নরাধম বলেছেন: হুমম.......এই প্রশ্নের উত্তর জ্বিনের বাদশার থিকা আর কিরকম স্পষ্টভাবে দেওয়া যায়? আশ্চর্য!
৭৭. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫২
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
@মডারেটর তো মহাজ্ঞানী দেখি। বাইবেলটা খুলে দেখুন সেখানে শ্যামদেশকে বর্তমানে কি বলা হয়। আফ্রদিতিকে পয়গম্বর বলিনি, বলেছি দেবী (ঠসারে আর কি বুঝন যায়)। আমেরিকার ইতিহাস পড়ুন জানতে পারবেন সেখানেও দেবদেবী ছিল। ভাইজান পড়ার অভ্যাস করুন, সবসময় অন্যকে জিজ্ঞাসা করে জানতে চান কেন? জিজ্ঞাসা করে জানার অভ্যাসটা কাদের জানেন? পেলাপানের। আজীবন কি পোলাপান থাকতে চান?
৭৮. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৪
নরাধম বলেছেন: স্বাতু, শ্যামদেশকে আফ্রিকা বলা হয়। ঠিক বলেছেন।
৭৯. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৮
স্বাধীনতা তুমি বলেছেন:
ধন্যবাদ নরাধম। এ কথাটা পোলাপানগো একটু বুঝান।
৮০. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০০
নরাধম বলেছেন: স্বাতু, তালগাছ আমার মার্কা মানসিকতা থাকলে বুঝানো সম্ভব না। জ্বিনের বাদশা'র এত সহজভাবে বুঝানোর পরও না বুঝার ভান করলে কিছুই করার নেই।
৮১. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫৭
আবূসামীহা বলেছেন: খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০৪ সালে আদমের জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত মানুষদের উদ্ধারের জন্য পয়গম্বর জন্মেছেন ১,২৪,০০০ জন এবং এরা সকলেই জন্মালেন আরব ভূখন্ডে। কেন শুধু আরবে? আরবেই কি শুধু পাপীদের বাস ছিল? নাকি অন্য সব দেশে মনুষ্য বসতি ছিল না?
==============================
"আদমের জন্ম খ্রীষ্টপূর্ব ৪০০৪ সালে", এই তথ্যটা কই পাইলেন? আর সব নবী-পয়গম্বর আরব ভুখণ্ডে জন্মেছেন এ তথ্যটাই বা কে দিল?
৮২. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:২০
লোকালটক বলেছেন: আিরফুর রহমান বলেছেন: বৌদ্ধধর্ম একমাত্র ধর্ম যা মোটামুটি বাস্তবের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করেছে।

বৌদ্ধ ধর্ম হিন্দু ধর্মেরই পরিমার্জিত রূপ। বাস্তবের কাছাকাছি থাকা মানে কি বুঝাইলেন?

নবী-পয়গম্বররা কেন খালি আরব ভূমিতে আর অবতাররা কেন খালি ভারতে জন্মান- এই প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মরে সরাসরি অমার্জিত আঘাত না কৈরা এই ধরনের যৌক্তিক প্রশ্ন নিয়া বিতর্করে স্বাগত জানাই।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: অনেকের ধর্মানুভূতিতে আবার আঘাত লাগে।

৮৩. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪১
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: @মডারেটর, এ্যানালজি জিনিসটা কি বুঝেন? কেউ যদি আপনারে পরিশ্রমের উদাহরন হিসাবে পিঁপড়ার কথা বলে, তখন যদি আপনে কন মানউষকে ইনসেক্টের সাথে তুলনা করা হইছে, তাইলে কি আপনার সাথে আলোচনা আগাবে? ... এ্যানলজি না বুঝলে তার সাথে যুক্তি নিয়া কথা বলাই অযৌক্তিক ... কাজেই আপনার মন্তব্যটাই উস্কানীমূলক

আপনে যদি এখনও মনে করেন, ১ লাখ ২৪ হাজার নবীর সবাই আরবেই আইছে, কোরানে সম্প্রদায় বলতে খালি আরবগোরেই বুঝান হইছে, তাইলে আপনে তালগাছ নিয়া হাঁটা দেন ... তবে, লাভ নাই ... ঐ গাছে আর তাল হবেনা ;)
৮৪. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২৪
লাইটহাউজ বলেছেন: প্রায় একদিন পরে এসে দেখি আলোচনা অনেকদূর এগিয়েছে। যাই হোক কিছু মন্তব্যের উত্তর দিয়েছি। পড়ুন।
৮৫. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আরে ঐ সব কিছু না। কোরান নাজিলের সময়কালে আরবের মানুষ যে কয়টা জাতি আর দেশের নাম জানতো, কোরানে সেই সব জাতি আর দেশের কথা কওয়া হইছে। তাই কোরান যদি ১৫০০ সালে নাজিল হইতো তবে তাতে আমেরিকার কথা থাকতো।
ভাইরে কোন মিরাকল নাই!
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: আরবের মানুষ যে কয়টা জাতি আর দেশের নাম জানতো, কোরানে সেই সব জাতি আর দেশের কথা কওয়া হইছে।

তার মানে কোরাণের বিশ্বাসযোগ্যতা নাই।

৮৬. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫
লাইটহাউজ বলেছেন: বাইবেলে পরিস্কার উল্লেখ আছে আদমের জন্ম খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০৪ সালে। আর মুসলিমরা যেহেতু আদমকেই মানেন তাই এটাই ব্যবহার করেছি। তবে এটা এখানে তেমন তাৎপর্য বহন করেনা। ১,২৪,০০০ এর ব্যাপারে আগেই বলেছি। কথা হল কোরানে মাত ২৫ জন বাদে অন্য কোন নবীর নাম-পরিচয় নেই। তাই ঐসকল সবীর অস্তিত্ব নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তাই এই ২৫ জন নিয়েই আলোচনা করি। হিন্দুদের মাত্র ১০ জন, মুসলিমদের চেয়ে অর্ধেকেরও কম। বাকী ২৫ জন নবীর প্রত্যেকেই আমার জানা মতে আরব অঞ্চলে জন্মেছেন। আমাকে বলুন এই ২৫ জন নবীর একজনও কি আরব ব্যতীত অন্য অঞ্চলে জন্মেছেন? কেউ কেউ বলছেন আল্লাহ পৃথিবীর সব সম্প্রদায় বা মানবসম্প্রদায়ে নবী পাঠিয়েছেন তাদের সতর্ক করার জন্য। তাহলে হিন্দুদের বরাহ, কূর্ম ও অন্যান্যদের আল্লাহ পাঠিয়েছিলেন হিন্দুদেরকে হিন্দুধর্ম ঠিকঠাকভাবে পালনের জন্য।

আমার উদ্দেশ্য পরিস্কার। শুধু জানতে চাই এই ২৫ জন নবী আরব ব্যতীত অন্য অঞ্চলে জন্মেছিলেন কিনা এবং যদি জন্মে থাকেন তবে শুধু আরবেই জন্মাবার উদ্দেশ্য কি? বাকী নবীদের যেহেতু জন্ম-পরিচয়ই জানা যায় না তাই তাদের নিয়ে আলোচনা বৃথা।

একই প্রশ্ন হিন্দুদের বেলায়ও প্রযোজ্য।
৮৭. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: শুরুতেই যদি এই ২৫ নিয়া শুরু করতেন তবে এত ঝামেলা হইতো না।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: কেন নয়? ইসলামিক ওয়েবগুলোকে ১,২৪,০০০ নবীর কথাই তো লেখা থাকে। তাহলে বলতে বাধা কোথায়? এখন তারা জবাব দিতে পারছেন না বলেই সংখ্যাটা কমিয়ে দিলাম।

৮৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫০
সিন-লাম-মীম বলেছেন:

আসল কথা হল যাই 'পেচাইয়া পেচাইয়া' যদি উত্তর থেকে প্রসঙ্গ অন্যদিকে ঘুরানো যায়!
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: হুমমম

৮৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫২
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
@লাইটহাউজ

প্রশ্নটা মনে হয় যে কোন একটা ধর্ম নিয়ে করলে ভালো হতো - যেমন হিন্দুদের অবতাররা সব এই উপমহাদেশেই এলেন কেন - এই টাইপের।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: নির্দিষ্ট কোন ধর্মের সাথে আমার বিরোধ নেই। যেহেতু প্রশ্নটি দুই ধর্মের জন্যই প্রাসঙ্গিক তাই দুই ধর্মের মানুষের কাছেই প্রশ্ন রাখা যুক্তিযুক্ত। নয়তো বলবেন আমি ইসলামবিরোধী বা হিন্দুধর্মবিরোধী।

৯০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩
সিন-লাম-মীম বলেছেন: @নরাধম ও স্বাতু
থাইল্যান্ডকে বাংলায় বলে শ্যামদেশ - কারন এর আদি নাম ছিল siam। ইউকিতে দেখতে পারেনঃ
Click This Link

বাইবেলের কোথায় আছে আফ্রিকার নাম শ্যামদেশ?
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: উত্তর তো দিল না।

৯১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৯
নেমেসিস বলেছেন: চমৎকার আলোচনা চলছে । আমি দর্শক আপাতত ।:)
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: চলছে নয় চলেছিল। পরিস্কার উত্তর দিতে না পেরে সবাই কেটে পড়েছে।

তা ভাই উত্তরটা জানেন নাকি?

৯২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩১
সিন-লাম-মীম বলেছেন:

ভাই আলূ-চনা তো গোয়ালে গেসেগা!
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা

৯৩. ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩৮
ঐক্যতান বলেছেন: কোন ধর্মই তার সমসাময়িক জ্ঞানকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। সবথেকে আধুনিক ধর্মও (সময়ের হিসাবে) ১৫০০ বৎসরের পুরানো। তাই ধর্মপুস্তকে কোন কিছুর উত্তর খুঁজে পাওয়ার আশা বোকামি। আর যদি কোন কিছু বলাও থাকে, তা পওয়া যায় সঙ্কুচিত আকারে, যার আনেক অর্থ হতে পারে (ভাবসম্প্রসারন করে তার মর্ম উদ্ধার করতে হ্য়)। ধর্ম ব্যবসায়ীরা সেটার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অর্থ করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে।

প্রত্যেক ধর্মেরই অনুশাষন, নিয়ম কানুন, উপাসনা পদ্ধতি তৈরী হয়েছে সেই অঞ্চলের (যেখানে সেই ধর্মের উৎপত্তি) সংস্কৃতি অনুযায়ী। সে কারনে কোন ধর্মই সার্বজনীনতার (সমগ্র বিশ্বের জন্য উপযোগী) দাবী করতে পারে না।

দ্বিতীয়নাম ঠিক বলেছে, যদি ধর্মগুলোর উৎপত্তি এত পুরাতন না হত, তাহলে হয়ত ধর্মগ্রন্থে অনেক প্রশ্নের উত্তর পওয়া যেত (সব না)।
২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: প্রত্যেক ধর্মেরই অনুশাষন, নিয়ম কানুন, উপাসনা পদ্ধতি তৈরী হয়েছে সেই অঞ্চলের (যেখানে সেই ধর্মের উৎপত্তি) সংস্কৃতি অনুযায়ী।

সহমত।

৯৪. ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯
কানা বাবা বলেছেন:
কালিদাস পন্ডিতের এই পোস্টখানায় একবার নজর বুলাতে পারেন... যদিও আপনার প্রশ্নের উত্তর এখানে পাবেন না; প্রাসঙ্গিক মনে হলো বলে দিলাম... পোস্টের শিরোনামের মিলও লক্ষণীয়... কেন ঐশী ধর্মের মহাপুরুষগন বারংবার জন্মলাভ করেন পূবে আর পশ্চিমে দর্শন দেন বৈজ্ঞানিকগন... (কালিদাস পন্ডিত)

আর কল্কি অবতার ধরাধামে কবে অবতীর্ণ হলেন? কেউ কেউ যদিও "অভাবিত" কাকতাল দেখিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে নবী মুহাম্মদই ঘোষিত কল্কি অবতার; কিন্তুক নন-মোল্লারা সবাই কি এই বুজরুকি তত্ত্ব মেনে নিয়েছেন?

একধাক্কায় সোয়া লাখ থেইকা পঁচিশে নাইমা আসাটা জুইতের লাগলো না... তয় যেহেতু আপনার ডিবেট ভালো লাগে, ডিবেট করেন... আমরা অধমরাও চামে চামে আপনেগো "ডিবেট" থেইকা কিছু শিখবার পারুম...
তয় দুষ্কের কতা হৈলো; তথ্যের প্রামাণিকতার চায়া আপ্নের ডিবেট করনের খায়েশটাই মূখ্য হৈয়া উঠছে অলরেডি...
@লাইটহাউজ

নাইস টিরাই, চাচামিঞা...
@জ্বিনের বাদশা

২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪

লেখক বলেছেন: ডিবেটের কথা কইয়া দেহি ফাইসা গেসি।

ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই তা প্রমাণ করার দায়িত্ব নস্তিকদের নয়, বরং আস্তিকদের উচিত প্রমাণ করা। দুই ধর্মে একই রকম অদ্ভুত মিল দেখে একটা মাত্র প্রশ্ন করলাম।

তা ফাঁকতাল দিয়া আপনার অবস্থানটাই পরিস্কার হইলো না। আন্নে কোন দিকে?

৯৫. ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
কানা বাবা বলেছেন:
পিলাচ দিচি কৈলাম!
@লাইটহাউজ
২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: আপনারে ইদানিং ব্লগে কম দেহি বইল্যা মনে লয়।

৯৬. ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৮
কানা বাবা বলেছেন:

আমার অবস্থান দর্শক-শ্রোতার গ্যালারিতে; ডিবেটের ডায়াস তুরি যাওনের মুরোদ নাইক্যা... তাই সামলে...

ব্লগে রেগুলার আইতারিনা; রুটি-রুজি'র ধান্ধায় কামলা খাটতে অয়; বুঝেনই তো...
@লাইটহাউজ
২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনার ক্ষেমতা আছে .... আমি জানি।

৯৭. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৪৬
কঁাকন বলেছেন: আপনি কি আর এইটা পরবেন?
যাই হোক:
BTV তে দু'টা সিন্দবাদ দেখছিলাম
ইনডিয়ানটা বিপদে পইরা আল্লাহ বলে ডাক দিলেই মুশকিল আসান
আর ইংরেজিটার বুদ্ধি খরচ করে মুক্তি পঅয়া লাগতো
তাই পয়গমরা আরবে আর অবতার রা ভারতে জন্মায়।
৯৮. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:১৪
নেমেসিস বলেছেন:
লেখক বলেছেন: একই ঈশ্বর দূত পাঠালেন ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম প্রচারের জন্য!!!



>>> শ্যাষ ম্যাষ তাইলে সব দোষ ঈশ্বরের :)
৯৯. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৫
ভালো-মানুষ বলেছেন:

দুর্দান্ত একটা আলোচনা মিস করে গেছি। ইশশ...
১০০. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৯
স্বপ্লচূড়া বলেছেন: ভাল একটা বিষয় তুলছেন।..+
১০১. ১৭ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: ভাল প্রশ্ন .. আমি ও মাঝে মাঝে চিন্তা করি .......
১০২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৪
নীলাদ্র বলেছেন: ঐক্যতান বলেছেন:

প্রত্যেক ধর্মেরই অনুশাষন, নিয়ম কানুন, উপাসনা পদ্ধতি তৈরী হয়েছে সেই অঞ্চলের (যেখানে সেই ধর্মের উৎপত্তি) সংস্কৃতি অনুযায়ী।

সহমত।
১০৩. ১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৪৯
গরম কফি বলেছেন:
মহাশয় নাস্তিকেরা আস্তিকদের চেয়ে অনেক বেশি পড়াশোনা করে, অনেক কিছু তাদের জানার প্রয়োজন হয় আপনাদের সাথে তর্ক করার জন্য।
( স্বীকারুক্তির জন্য লেখককে ধন্যবাদ। )




আপনি জয় লাভ করেছেন । পুরস্কার হিসাবে তালগাছ দেয়া হলো ।
১০৪. ২৪ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৬:৩৬
নাটেরগুরু বলেছেন: এখনো সময় আছে, আস্তিক হোন। নিজেকে স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণ করতে না পারলে জীবনটা অর্থহীন হয়ে যায়। মহাজাগতিক এ বিস্ময়ই স্রষ্টা বলে ধরে নিন। মানুষের জ্ঞানকে আপেক্ষিক বলে মেনে নিন। আনন্দ পাবেন। সকল দুঃখ, কৈফিয়ত আল্লাহকে বললে হৃদয় হালকা হয়। নয়তো দুঃখ থাকলে তা একলা বয়ে বেড়াতে হবে। শুনার কেউ থাকবে না। একবার আপনি সৃষ্ট হয়ে পৃথিবীতে এসেছেন, পুনর্বার সৃষ্ট হতে বাধাটা কোথায়? বলতে পারেন, এটা আচানক। পুনর্বারও যদি আচানক হয়? মহাজাগতিক এ বিস্ময় ও শক্তির কাছে কত অসহায় আমরা! তা কি একবারও ভেবেছেন? আমিও আপনার মত একসময় ছিলাম, ফিরে এসেছি। পয়গম্বরেরা যদি কোন মিথ্যার আশ্রয় নিয়েও থাকে, তার দায়ভার তাদের। এখানে স্রষ্টার কোন রহস্য লুকিয়ে আছে, নয়তো এই মিথ্যাকে এত বিজয় ও প্রসার দিল কেন? অপশক্তি যখন মহাশক্তিতে রূপান্তরিত হয় সেটার সাথে সংগ্রাম ও প্রতিবাদ করা নিছক বোকামী। এতে পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। যেমন তসলিমা নাসরিন, সালমান রুশদী। স্বদেশ ও স্বজাতি যাকে ইজ্জত দেয় না তার জীবন দুর্বিষহ। এভাবে বাঁচার চাইতে না বাচাই ভাল। সবাই চায় গৌরব, কীর্তি, সম্মান। তাও আবার স্বদেশ ও স্বজাতির মাঝে। নাস্তিক কি তা পাবে? আপনি যদি বলেন, না পাইলেই বা কি? এভাবে চিন্তা করলে আপনাকে কিছু বলা যাবে না। নেলসন ম্যান্ডেলা, আতাতুর্ক, গান্ধিজী, জর্জ ওয়াশিংটন, বঙ্গবন্ধু স্বদেশ ও স্বজাতির মাঝে সম্মান কুড়িয়েছেন। তারা কেউ স্বদেশ ও স্বজাতির বিশ্বাসের বিরুদ্ধে যান নি। সুতরাং পয়গম্বর ও আল্লাহ্‌র প্রতি বিশ্বাস ফিরিয়ে আনুন। নিজের অসহায়ত্ব এদের কাছে সোপর্দ করুন। জীবনে সুখী হতে পারবেন। অন্যথায় আপনার জন্য আমার করুণা হয়। উত্তর দেবেন কি? আমি আপনার মঙ্গল চাচ্ছি বলেই এত কিছুর অবতারনা। আপনার সেই নাস্তিকতার জগত অনেক আগেই আমি মাড়িয়েছি এবং বুঝে সুঝে ফিরে এসেছি। দোহাই লাগে, ধর্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনুন। আপনার জয় হবেই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৬২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নেই স্বর্গলোভ কিংবা কল্প-নরকের ভয়,/অলীক সাফল্যমুক্ত কর্মময় পৃথিবী আমার৷

চর্মচোখে যা যা দেখি, শারীরিক ইন্দ্রিয় যা ধরে,/তাকেই গ্রহন করি৷ জানি, নিরাকার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই