আমার প্রিয় পোস্ট
- Free Movies Download (direct) - আশরাফ৪৫৯
- দর্শনের আলোকে নাস্তিক আস্তিক সমাচার - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর.............. - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করুন
- মুয়ীয মাহফুজ
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- সহজ কথায় বিবর্তন ও বিগ ব্যাং থিওরী - লাইটহাউজ
- সহজ প্রশ্ন : নবী-পয়গম্বররা কেন খালি আরব ভূমিতে আর অবতাররা কেন খালি ভারতে জন্মান? - লাইটহাউজ
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- বাংলা গান ডাউনলোডের জন্য সবচে ভাল সাইট কোনটি? - কেএসআমীন
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- "গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা
- লাল দরজা
- জগন্নাথ হল, ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ - রাগিব
- বুদ্ধদেব বসু - আমার প্রিয় লেখক - লাইটহাউজ
- যীশু আর সক্রেটিস : পর্ব - ১ - লাইটহাউজ
- শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস - লাইটহাউজ
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
'কাটায়ে উঠেছি ধর্ম আফিম নেশা/ধ্বংস করেছি ধর্ম যাজকী পেশা,/ভাংগি মন্দির ভাংগি মসজিদ/ভাংগি গীর্জা--গাহি সংগীত' - নজরুল

সহজ কথায় বিবর্তন ও বিগ ব্যাং থিওরী
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
এ জগতের সবকিছুই উদ্দেশ্যহীন। এই বিশ্ব-ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির পেছনে কোন উদ্দেশ্য নেই, এই বিশ্ব-ব্রহ্মান্ড ও বিশ্ব-ব্রহ্মান্ডের সব কিছুই সৃষ্টি হয়েছে সৃষ্টির নিয়মে, কোন উদ্দেশ্য ছাড়াই। ঈশ্বর এসব কিছুই সৃষ্টি করেননি, এসব সৃষ্টি হয়েছে সৃষ্টির নিয়মে। আর এসব কিছু হঠাৎ একদিনে সৃষ্টি হয়নি, হয়েছে ধীরে ধীরে পরিবর্তনের মাধ্যমে।
আজ এই পৃথিবীতে আমরা যা কিছু দেখছি বিভিন্ন পদার্থ, গাছপালা, পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গ, মানুষ ইত্যাদি সমস্ত কিছু কতগুলো পরমাণুর সমষ্টি। তবে মানুষের ক্ষেত্রে শুধু পরমাণুর সমষ্টি বললে সম্পূর্ণ বলা হয় না তাই বলতে হবে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল কতগুলো পরমাণুর সমষ্টি। কারণ প্রকৃতির রাজ্যে মানুষ হচ্ছে সর্বোৎকৃষ্ট জীব, মানুষই এসেছে সবার শেষে।
বিজ্ঞান বলে এই পৃথিবী যেমন একদিনে সৃষ্টি হয়নি তেমনি মানুষও একদিনে সৃষ্টি হয়নি। আবার বিশ্ব-ব্রহ্মান্ডও শূণ্য থেকে সৃষ্টি হয়নি। একটি বিশ্ব ছিল, যার মধ্যে ছিল তেজপূর্ণ প্রচন্ড শক্তি। কেমন তার শক্তি, কি তার বৈশিষ্ট্য তা আজো বিজ্ঞানের অজানা। তবে বিজ্ঞান জানে ঐ তেজপূর্ণ প্রচন্ড শক্তিতে পরিপূর্ণ বিশ্বে আমাদের পরিচিত কোন পদার্থ ছিল না। তারপর হঠাৎই এক সময় ঐ তেজপুঞ্জ বিস্ফোরিত হল। বিস্ফোরণের সময় এক হাজার থেকে দু'হাজার কোটি বছর আগে। গড় ধরে বলা যায়, আনুমানিক দেড় হাজার কোটি বছর আগে। সেই বিস্ফোরনের নাম দেওয়া হয়েছে "বিগ ব্যাং" বা মহা বিস্ফোরণ।
বিস্ফোরণের প্রথম ৩ মিনিটের মধ্যে যা ঘটেছিল, বিশ্বব্রহ্মান্ডের গোটা ইতিহাসে আর কখনো তা ঘটেনি। বিশ্বসৃষ্টির রহস্য ঐ ৩ মিনিট সময়ের মধ্যেই ধরা আছে। তখনই প্রকৃত অর্থে বিশ্ব সৃষ্টি হয়েছিল। আজকের বিশ্বে আমরা যা কিছু দেখি তার বীজ সৃষ্টি হয়েছিল তখন। তখন নিউক্লিয়ন ইত্যাদি বহু কণিকা গঠিত হয়েছিল এবং কণিকাগুলো পরস্পরের সাথে ক্রিয়া করতে আরম্ভ করেছিল। এই যে পারস্পরিক ক্রিয়া, বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে মিথস্ক্রিয়া। বহুকাল ধরে বিভিন্নভাবে এই মিথস্ক্রিয়া হওয়ার ফলে বিভিন্ন পদার্থের সৃষ্টি। এইভাবেই আস্তে আস্তে উদ্ভিদ, পশু, পাখি, মানুষ প্রভৃতি জীব সৃষ্টি হয়েছে।
বিস্ফোরণের পর বিশ্ব যেমন আয়তনে বাড়তে লাগল, তেমনই একসময় তার উত্তাপ কমতে শুরু করলো। বিশ্ব সম্প্রসারিত আর শীতল হতেই থাকলো। একটা পর্যায়ে সৃষ্টি হল হাইড্রোজেন। হাইড্রোজেন তারকা সৃষ্টির ক্ষেত্রে অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। এইভাবেই সৃষ্টি হল তারার। সৃষ্টি হল আবার ধ্বংসও হল। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে উদ্ভব হল বিভিন্ন ভারী পদার্থের ইংরেজীতে যাকে বলে হেভি এলিমেন্ট।
ঐ যে "বিগ ব্যাং" - এর পর নিউক্লিয়ন ইত্যাদি কিছু কণিকা সৃষ্টি হয়েছিল সে তো শূণ্য থেকে হয়নি। নিশ্চয় কিছু ছিল যা থেকে হয়েছিল। কারণ বিজ্ঞানের গোড়ার কথাই হল - matter cannot be created nor can it be destroyed। শুধু ম্যাটার নয়, এনার্জীর বেলায়ও এই কথা। তাহলে দেখা যাচ্ছে, ম্যাটার আর এনার্জী বিশ্বসৃষ্টির আগেও ছিল, বিশ্ব যদি কোনদিন ধ্বংস হয়ে যায় তখনো থাকবে। তবে আজ যেভাবে আছে সেইভাবে হয়তো থাকবে না। হয়তো আবার "ব্ল্যাক হোল"- এর মতো কিছু একটা হয়ে ম্যাটারগুলো সব এক জায়গায় জড়ো হয়ে যাবে, যেমন দেড় হাজার কোটি বছর আগে "বিগ ব্যাং"-এর আগে যেমন ছিল। তার মানে ম্যাটার আর এনার্জী আগেও ছিল, পরেও থাকবে-চিরকালই থাকবে। কেবল রূপ বদলাবে হয়তো।
ম্যাটার আর এনার্জীর মূল উপাদান হল প্রোটন, নিউট্রন ইত্যাদি মৌলিক কণা আর ফোটন। আগেই বলেছি, ম্যাটার হচ্ছে কিছু এটমের সমষ্টি। এটমের আবার নিজস্ব জগৎ আছে। তার মধ্যে ইলেকট্রন আছে, নিউক্লিয়ন আছে। নিউক্লিয়নের মধ্যেও আবার অতিক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সব কণিকা আছে। ম্যাটার আর এনার্জী ভিন্ন ইউনিটে, ভিন্ন লেভেলে এবং ভিন্ন ফর্মে অর্গানাইজড হয়ে যাচ্ছে। এইভাবে অর্গানাইজড হয়ে যখন একটা নতুন এটম তৈরি হচ্ছে তখন তার নতুন ধর্ম দেখা যাচ্ছে। এইভাবে কতগুলো এটম মিলে মলিকিউল তৈরি হল। আবার কতগুলো মলিকিউল মিলে ম্যাক্রোমলিকিউল তৈরি হল। শেষে রেপ্লিকেটিং মলিকিউল এল। রেপ্লিকেটিং মলিকিউল মানে সেই ধরনের মলিকিউল, যা থেকে ঠিক একই ধরণের মলিকিউল তৈরি হতে পারে। বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক সময় এল ইউক্যারিয়োটিক সেল। এই সেল বা কোষের মধ্যে এল জেনেটিক কোষ। এই কোষ থেকেই প্রাণের সৃষ্টি হল। প্রথমে এল এককোষী প্রাণী, তারপর বহুকোষী।
প্রথমে সৃষ্টি উদ্ভিদের তারপর প্রাণীর। পৃথিবীতে জীবসৃষ্টির পর দু'টি ধারায় জীবজগৎ বিভক্ত হয়ে গেল-একটি উদ্ভিদজগৎ আর একটি প্রাণীজগৎ। উদ্ভিদজগৎ আর প্রাণীজগৎ মিলে জীবজগৎ। মানুষ এসেছে সবার শেষে। মানুষের আগমণ মাত্র ত্রিশ লক্ষ বছর আগে। মানুষও একেবারে পৃথিবীতে আসেনি। এককোষী প্রাণীর থেকে যে রূপান্তর সৃষ্টি হয়েছিল, তারই শেষ পরিণতি মানুষ। সৃষ্টির এই যে তত্ত্ব, বিজ্ঞানের ভাষায় একেই বলে বিবর্তনবাদ।
প্রকৃতির রাজ্যে যে রূপান্তর জন্ম-লগ্ন থেকেই শুরু হয়েছিল, তা সম্পূর্নই উদ্দেশ্যহীনভাবে এবং আজো তা ক্রিয়াশীল। "বিগ ব্যাং" এর পর কোটি কোটি বছর ধরে পরিবর্তন হতে হতে সৃষ্টি আজ এই অবস্থায় এসে দাড়িয়েছে। কোষের মধ্যেও উদ্দেশ্যহীনভাবে মিউটেশন হচ্ছে। এই মিউটেশনই মূল কথা। এই মিউটেশনের জন্যই এককোষী প্রাণী থেকে বিবর্তনের পথ ধরে আজ এসেছি আমরা কোটি কোটি কোষের প্রাণী - মানুষ। এই মিউটেশনের জন্যই বিবর্তন সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে ঈশ্বর নেই। বিবর্তনের এই ধারায় ঈশ্বরের কোন প্রয়োজন হয়নি।
ঈশ্বর সম্পূর্ণ কাল্পনিক ব্যাপার। ঈশ্বর জীবজগৎ সৃষ্টি করেননি। জীব জন্তু পশু পাখি কীটপতঙ্গ, মানুষ কিছুই ঈশ্বরের সৃষ্টি নয়। এসবই হয়েছে সৃষ্টির নিয়মে, বিবর্তনের হাত ধরে। প্রাণের ইউনিট যে অ্যামিনো এসিড তা এখন ল্যাবরেটরীতে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে, অর্থ্যাৎ প্রাণের ইপাদান ইতোমধ্যেই ল্যাবরেটরীতে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। কে জানে হয়তো একদিন প্রাণও তৈরি করা সম্ভব হবে। বিজ্ঞান যে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে, তাতে ল্যাবরেটরীতে প্রাণ তৈরির সম্ভাবনা অসম্ভব নয়। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে, যে জিনিস এখন ল্যাবরেটরীতে হতে চলেছে, সুদূর অতীতে এইভাবেই সে জিনিস প্রকৃতিতে সৃষ্টি হয়েছিল, এর সঙ্গে ঈশ্বরের কোন সম্পর্ক নেই। ঈশ্বর প্রাণ সৃষ্টি করেননি।
বাইবেলে বলা হয়েছে, "God created man in His own image"। বাইবেলের কথাটা বদলে বলা যায়, "Man created God in his own image"। প্রায় সব ধর্মেই তাই। তাই ঈশ্বরও মানুষের মতো। তিনি জীবের দুঃখে কাতর হন, আনন্দে উল্লসিত, ক্রোধে উন্মাদ।
তাই বলা যায় ঈশ্বর আসলে সৃষ্টির সেরা গুজব।
আরো জানতে উইকিপিডিয়ার মহা-বিস্ফোরন তত্ত্ব নিবন্ধটি দেখুন।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: বিগ ব্যাং এর থিওরী অত্যন্ত জটিল। আমি নিশ্চিতভাবেই পুরোপুরি বোঝাতে পারিনি।
লেখক বলেছেন: তাড়াহুড়ো নয় বরং খুব সহজ ভাষায় লেখা।
কোষের মধ্যেও "উদ্দেশ্যহীনভাবে " মিউটেশন হচ্ছে।
এ জগতের সবকিছুই উদ্দেশ্যহীন। এই বিশ্ব-ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির পেছনে কোন উদ্দেশ্য নেই, এই বিশ্ব-ব্রহ্মান্ড ও বিশ্ব-ব্রহ্মান্ডের সব কিছুই সৃষ্টি হয়েছে সৃষ্টির নিয়মে, কোন "উদ্দেশ্য ছাড়াই"
---------------------------
যেমন লাইট হাউজ জন্ম নিয়ছেনে উদ্ধেশ্যহীন....
উনার পিতা-মাতা বিয়ে করছে... উদ্দেশ্যহীন....
উদ্দেশ্যহীন ভাবেই তিনি জন্মগ্রহন করছেন.....
উদ্দেশ্যহীন ভাবে লেখাপড়া করছনে....
উদ্দেশ্যহীন ভাবে .. ভাবছেন....
উদ্দেশ্যহীন ভাব্ই এই পোষ্ট দিয়েছেন....!!!!!!
সৃষ্টি জগতে ক্ষুদ্রাতি ক্ষ্ুদ্র এই মানুষ বা একটা পিপিলিকার কাজ্ই যেখানে উদ্দেশ্য বিরাজমান সেখানে এত বড় সৃষ্টি প্রক্রিয়া উদ্দেশ্যহীন হয় কি করে??
???????
লেখক বলেছেন: তেলাপোকাকে পোলাও খাওয়ানো আর সত্যদাকে বিবর্তন বোঝানো একই ব্যাপার।
লেখক বলেছেন: তেলাপোকাকে পোলাও খাওয়ানো আর সত্যদাকে বিবর্তন বোঝানো একই ব্যাপার।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
সাইন্স ফিকশন আমার খুব ভালো লাগে।উর্বর মস্তিষ্কের উচ্চ মর্গের ফিকশন। একটা কথাই পুরা পোস্টের উত্তরের জন্য যথেষ্ঠ , "বিজ্ঞান যতই এগোচ্ছে ততই না জানার পরিমান বাড়ছে, একটা প্রশ্নের উত্তরের সাথে হাজারটা নতুন প্রশ্নের জন্ম হচ্ছে "
লেখক বলেছেন: আরবী খেজুর খান আরবদের মতো আপনারও মস্তিষ্কও উর্বর হবে।
নেমেসিস বলেছেন:
??
লেখক বলেছেন: !!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
এতো বড়ো জটিলস পোস্ট, অশিক্ষিত মুল্লাগো তো মাতা ঘুইরা যাইবো।ঈশ্বর আসলে সৃষ্টির সেরা গুজব।
লেখক বলেছেন: ঈশ্বর সত্যিই সৃষ্টির সেরা গুজব।
লেখক বলেছেন: শুধু কোরান নয় হিন্দুদের বেদ আর খ্রিস্টানদের বাইবেলেও নাকি বিগ ব্যাং এর ইঙ্গিত আছে।
লেখক বলেছেন: গুনাহ হবে কিন্তু।
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
সালাম @আরিফুর রহমান।
পবিত্র কুরয়ানের সুরা আল-আম্বিয়ার ৩০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেনঃ
(বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম)
...তারা কি দেখে না যে মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী একাকার ছিল, তারপর আমরা তাদের বিচ্ছিন্ন করে দিলাম, আর পানি থেকে আমরা সৃস্টি করলাম প্রানবন্ত সবকিছু।
লেখক বলেছেন: ভালই বলেছেন।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
মারহাবা! মার হাবা!"...তাদের বিচ্ছিন্ন করে দিলাম, তাদের বিচ্ছিন্ন করে দিলাম...।"
সব বিজ্ঞানীরে ছুটি দিয়া দাও, তাদের আর দরকার নাই!
লেখক বলেছেন: মারহাবা মারহাবা মারহাবা মারহাবা।
লেখক বলেছেন: হুমমমম
আরিফুর রহমান বলেছেন:
তাই যেকোন গবেষনার শুরুতে অবশ্যপাঠ্য হিসেবে রাখা উচিত কুরান। কারন যেইটা কুরানে আগেই বলা আছে তা পুনরায় আবিষ্কার করা সময়ের অপচয়। আর অনাদি অনন্তকাল হইতে অনাগত ভবিষ্যতের সবকিছুই যেহেতু মহান পরওয়ারদিগার বইলা ফালাইছেন কোন রকম গবেষনারই আর দরকার নাই। কারন সবইতো কোরানে আছে।
মারহাবা মারহাবা!
গবেষনা বাদ দিয়ার চল বিজ্ঞানীরা, আমরা জিকির করি। পরপারে হুরপরী পাইতে হইলে শয়তানের বিজ্ঞান বাদ দিয়া আসো ঝিকির করি!
হুলহুল্লা হুলহুল্লা.....
লেখক বলেছেন: কুরানে এইডসের ওষুধের কথা বলা নাই???
সবই যদি কোরানে থাকে তাহলে এইডসের ওষুধ বানাক দেখি। পারবে না। কিন্তু একবার যদি এইডসের ওষুধ আবস্কার হয়ে যায় তারপরই লাফালাফি করবে এটা তো কোরানেই বলা আছে।
লেখক বলেছেন: বিশ্লেষণ করেন।
পুতুল বলেছেন:
লেখাটি আর একটু পরিপুর্ণ হতে পারত। কিন্তু এর চেয়ে সহযে "না ধা ব্রাহক্ষ্ম" বা বিগব্যাং থেকে বিবর্তণবাদ লেখা অসম্ভব হয়তো নয়, কিন্তু খুব কঠিন হত। প্রায় সবগুলো বিষয় অল্প পরিসরে হলেও ধরা পরেছে।একটা বিষয় " মানুষের আয়ূ কিন্তু আমার জানা মতে মাত্র একলক্ষ বছর। তুমি লিখেছ ত্রিশ লক্ষ। অবশ্য আমার নিজের ডিএনে পরিক্ষা করতে গিয়ে ২০০৫ সালে সেটা জানতে পারি। হয়তো কোন নতুন গবেষণায় এখন ত্রিশ লক্ষ মনে হচ্ছে।
কিন্তু সব মিলিয়ে লেখাটি এক কথায় খুব ভাল লেগেছে। ডাবল প্লাস পেতে পার। কিন্তু এখন একটার বেশী দেয়ার ব্যাবস্থা নাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পুতুল আপু।
লেখক বলেছেন: DNA evidence indicates that modern humans originated in Africa about 200,000 years ago.
http://en.wikipedia.org/wiki/Human
তবে এ বিষয়ে মতান্তর রয়েছে। ত্রিশ লক্ষ বছর বলে অনেকেই মনে করে।
প্রিয়তমা বলেছেন:
উদ্দেশ্যহীনভাবে বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ ঘটে এত সুন্দর শৃঙ্খলাপূ্র্ণ বিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে ?উদ্দেশ্যহীনভাবেই হলে ব্যাপারটা আনেকটা রাস্তায় দুইটা গাড়ির সংঘর্ষের ফলে তৃতীয় একটা গাড়ি সৃষ্টি হওয়ার উদাহরণের মত হলনা ?
লেখক বলেছেন: এ বিশ্ব কি সত্যিই সুন্দর শৃংখলাপূর্ণ???
লেখক বলেছেন: সহমত।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
মিউটেশন এবং ইভোল্যুশন শব্দদুটো প্রতিশব্দ বাংলায় 'উদ্দেশ্যহীন'। জ্ঞানপাপীরা জেনেশুনে বিজ্ঞানের তথ্যের বিকৃত রূপ বা খন্ডিত থিওরী ব্যাবহার করে বিজ্ঞানকে আক্রমন করে থাকে।
'প্রিয়তমা' এরকম একটি নিক বটে।
লেখক বলেছেন: জাকির নায়েক এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
----------------->পানি থেকে প্রান আর আকাশ-মাটির একসাথে থাকার ধারনার বয়স কুরআনের চেয়ে অনেক বেশি।
প্রাচীন গ্রীকরা বিশ্বাস করত সকল প্রানের উতপত্তি পানি থেকে - এ্যারিস্টটল তার মেটাফিসিক্সে উল্লেখ করেছেন থেলিস এবং এনাক্সিম্যান্ডার মনে করতেন সমুদ্রের পানি থেকেই সব কিছু এসেছে।
প্রাচীন মিশরীয়রা বিশ্বাস করতো স্বর্গ-দেবী ও মর্ত-দেব প্রথমে একত্রেই ছিলেন; এক অপদেবতা এসে তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেয়। মর্ত-দেব 'গেব'সূর্য-দেব 'রে' এর অনুমতি না নিয়ে স্বর্গ-দেবী নাতকে বিয়ে করেছিল - যে ছিল তার বোন। সূর্যদেব ছিল ভীশন শক্তিশালী - সে গেব ও নাতের পিতা বায়ুদেবতা 'শুর' কে বাধ্য করে তাদের বিচ্চছিন্ন করতে।
প্রাচীন সুমেরীয়রাও অনেকটা এরকমই মনে করতে। গিলগামেশের লেখায় এর প্রমান আছে।
পানি থেকে প্রান আর স্বর্গ-মর্ত আলাদা করার কাহিনী কুরয়ান বানায়নি - শুধু দেব-দেবীর কথা বাদ দিয়ে কৌশলে ব্যবহার করেছিল।
লেখক বলেছেন: তৎকালীন বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের নকল বিকৃত রূপ হল কোরান।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
পানি থেকে প্রান আর স্বর্গ-মর্ত আলাদা করার কাহিনী কুরয়ান বানায়নি - শুধু দেব-দেবীর কথা বাদ দিয়ে কৌশলে ব্যবহার করেছিল।এইটা বলার পর যদি বলেন কুরানের লেখক মুহাম্মদ এই কৌশল করেছে, তবে সাথে সাথে তিনটা পোস্ট বেরিয়ে যাবে আপনাকে উন্মাদ আখ্যা দিয়ে!
লেখক বলেছেন: কুরানের লেখক মুহাম্মদ - এটাই বা মানবে কে?
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
কিন্তু ভয়ঙ্কর মজার কথা হচ্ছে - কুরয়ানেই অন্য জায়গায় আছে পানি থেকে নয় মাটি থেকে আল্লাহ মানুষ তৈরী করেছেন।
...তোমার প্রভূ ফিরিশতাদের বললেন - "আমি এখন মানুষ বানাতে যাচ্ছি মটি থেকে, কালো কাদা থেকে রূপ দিয়ে"
(সুরাঃ আল-হাজর আয়াত - ২৮)
লেখক বলেছেন: কোরানে এরকম বহু স্ববিরোধী বক্তব্য পাওয়া যাবে। আর তারপর সত্য ঢাকা দেবার জন্য ধর্মব্যবসায়ীগুলো সবই রূপক বলে চিল্লাফাল্লা করবে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ঐ সুরার সময় মুহাম্মদের মুড ভালো ছিলো না।(মনে হয় তার ফেবারিট ইস্ত্রী ইন্সপ্রেশন দেতেছেলো না।)
লেখক বলেছেন: নাপাক কথা বলবেন না যেন।
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
তাহলে কি সবাই স্বীকার করছেন ঈশ্বর আসলে সৃষ্টির সেরা গুজব? কুরয়ান স্রেফ একটি চতুর সংকলন?
লেখক বলেছেন: এ আবার বলতে ...
লেখক বলেছেন: ভাই ঘটনা কি?
লেখক বলেছেন: ভাল লাগে আমি জানি। আমার ঘনিষ্ট অনেকেই বলেছেন, বুঝলাম ঈশ্বর নেই কিন্তু বিশ্বাস করতে ক্ষতি কি? কিন্ত আমার বক্তব্য হল যা আমি মিথ্যা বলে জানি তা কেন সত্য বলে মানব। এখানে প্রশান্তির কথা পড়ে।
পুতুল বলেছেন:
DNA evidence indicates that modern humans originated in Africa about 200,000 years ago. সময়টা নিয়ে বিতর্ক আছে তবে ১ থেকে ১০ লক্ষ্য বছরের ভেতর। modern humans originated in Africa এটা এখন মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত সত্য।
সব চেয়ে পুরানো ডিএনএ (কোন মৃত প্রাণীর) এনালাইস করা হয়েছে,
প্রায় চার হাজার বছর আগের।
আমার ডিএনএ প্রায় দুশো জনগোষ্ঠীর ককটেল। লিষ্ট দেখে তাজ্জব বনে যাই।
লেখক বলেছেন: বন্যা আহমেদের বিবর্তনের পথ ধরে বইটা পড়ুন। মুক্তমনাতে পাবেন।
বইটা নেট থেকে খানিকটা পড়ার পর এবার বইমেলা থেকে কিনলাম। যতই পড়ছি ততই তাজ্জব হচ্ছি।
নেমেসিস বলেছেন:
লেখক ঐ বইটার লিংক দেন । পড়ি একটু ।
লেখক বলেছেন: Click This Link
মুক্তমনার সক্রিয় সদস্য বন্যা আহমেদ এ বইয়ের লেখিকা। তিনি বর্তমানে আমেরিকায় কর্মরত। তার বইটির প্রত্যেকটি অধ্যায় উপরের পেজটি থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে।
বইটির প্রকাশক অবসর প্রকাশনী। পাওয়া যাচ্ছে বইমেলায়। ২৫% কমিশন বাদে দাম ২৬৩ টাকা।
পুতুল বলেছেন:
বইটা সংগ্রহ করতে হবে! ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: বইটির মোট ১১টি অধ্যায় ডাউনলোড করে নিন উপরের লিংক টি থেকে।
কেএসআমীন বলেছেন:
হুম... সত্যের কাছাকাছি বলেছেন...
লেখক বলেছেন: জানি না পেরেছি কিনা তবে পুরোপুরি সত্য বলার চেষ্টা করেছি।
লেখক বলেছেন: কোন লাইনে? মুক্ত-মনাতে? নাকি বিজ্ঞানের কোন ক্ষেত্রে?
নেমেসিস বলেছেন:
লিংকের জন্য ধন্যবাদ । পড়ে দেখি । ভাল্লাগলে কাল কিনবো ।
লেখক বলেছেন: আশা করি কিনতে বাধ্য হবেন। বাংলা ভাষায় বিবর্তনের মতো জটিল বিষয় এত সুন্দর করে আর কোন বইতে পাওয়া যায় না।
লেখক বলেছেন: সহানুভূতি। আমি কিন্তু ভার্সিটির ক্লাস শেষে আজো গিয়েছিলাম বইমেলায়।
পুতুল বলেছেন:
লাইট হাউজ; বিবর্তনবাদ নিয়ে। ডিএনএ এনালাইসিস পদ্ধতিতে।
লেখক বলেছেন: আরিব্বাস। আপনারা কি দারুন সব জিনিস নিয়ে কাজ করছেন। আর আমি শুধু টাকা কামানোর ধান্ধায় কমার্সের মতো বোরিং বিষয় নিয়ে আছি। আর ভাল্লাগে না।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
সে আবার শুনায় গেছিলো। আমার কাটা ঘায়ে মরিচ ডলা!!
লেখক বলেছেন: হা হা হা।
পুতুল বলেছেন:
এখন আমিও শুধু টাকার ধান্দায় আছি। বছর দুয়েক হল ছেড়ে দিয়েছি।
লেখক বলেছেন: হায় হায় কি কন?
তারপর গবেষনার ফল কি হল?
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
দুই পাতা wikipedia পড়িয়ায় অন্যকে তেলাপোকার সাথে তুলনা করা, আরবী খেজুর খাইয়া মস্তিষ্কও উর্বর করিবার পরামর্শ দেওয়াএবং নিজেকে জ্ঞ্যানী ভাবা কতটুকু জ্ঞ্যানীর পরিচয় তা আমাকে যথেষ্ঠ ভাবিত করিয়াছে
যাই হোক, স্যার স্টিফেন হকিং এর "the brief history of time" ও "Black Holes and Time Warps" বই দু'টা পড়িবেন।
একটা লিংক দিচ্ছি, এখানে একটা ডকুমেন্টারি পাবেন, নিউটন থেকে হকিং পর্যন্ত থিওরী গুলোকে নিয়ে "Theory Of Everything " জেনারেট করার উপর অসাধারন Animated উপস্হাপনা। আমার মত মর্খেরও বুঝতে কোন সমস্যা হয়নি।
বইগুলো পড়লে এবং ডকুমেন্টারিটা দেখলে বুঝতে পারবেন যে আমার এই কথা [br]বিজ্ঞান যতই এগোচ্ছে ততই না জানার পরিমান বাড়ছে, একটা প্রশ্নের উত্তরের সাথে হাজারটা নতুন প্রশ্নের জন্ম হচ্ছে [/br] মুটেও খেজুর খাওয়া বুদ্ধিবৃদ্ধির অবদান নয়।
The Elegant Universe
লেখক বলেছেন: বিজ্ঞান যতই এগোচ্ছে ততই না জানার পরিমান বাড়ছে - তাতে সমস্যা কি? বিজ্ঞান তো আর একটা বিশ্বাস নিয়ে বসে থাকে না। তার চাই যুক্তি ও প্রমাণ।
জানা-অজানার পরিমাপ করা যায়? কিভাবে?
লেখক বলেছেন: কি লিংক দিলেন? পেজ নট ফাউন্ড।
-- এই প্যারাটা শেষে হলে ভালো হতো। লেখার শুরুতেই যদি সিদ্ধান্ত টানা হয়ে যায়, তাহলেতো বিপদ!!!
লেখক বলেছেন: হয়তো আপনার কথাই ঠিক। ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
রিভিউ আর্টিকেল ভালই লিখেছেন। তবে কিছু বৈজ্ঞানিক প্রস্তাবনা গুলোর উপস্থাপন খানিকটা পরিবর্ধন করা জরুরি। নইলে যারা বিবর্তনবাদ এক আধটু বুঝে তাদের কাছে পোস্টের গুরুত্ব লঘু হতে পারে। আপনে লিখেছেন, শেষে রেপ্লিকেটিং মলিকিউল এল। রেপ্লিকেটিং মলিকিউল মানে সেই ধরনের মলিকিউল, যা থেকে ঠিক একই ধরণের মলিকিউল তৈরি হতে পারে। বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক সময় এল ইউক্যারিয়োটিক সেল। এই সেল বা কোষের মধ্যে এল জেনেটিক কোষ। এই কোষ থেকেই প্রাণের সৃষ্টি হল। প্রথমে এল এককোষী প্রাণী, তারপর বহুকোষী।
শেষে রেপ্লিকেটিং মলিকিউল এল। রেপ্লিকেটিং মলিকিউল মানে সেই ধরনের মলিকিউল, যা থেকে ঠিক একই ধরণের মলিকিউল তৈরি হতে পারে। বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক সময় এল প্রোকারিয়টিক সেল। এই কোষ হতেই আদি প্রাণের সৃষ্টি। প্রোকারিয়টিক কোষ হতেই এক সময় এন্ডোসিমবায়োসিস প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি হল ইউকারিয়টিক কোষ। প্রথমে এল এককোষী ইউকারিয়টিক জীব, এদের থেকেই এল বহুকোষী জীব
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
এই পোস্টে যা যা আছে তাই অনেকের জন্যে সৃষ্টিকর্তার উপস্থিতির বড় প্রমান। আবার এই পোস্টে যা যা আছে তাই অনেকের জন্যে সৃষ্টিকর্তার অনুপস্থিতির বড় প্রমান।
ভাই লাইটহাউজ, এ জগৎ বড় জটিল, সেই সাথে বড় সহজ। এখানে absolute সিদ্ধান্তে আশা অসম্ভব। ভাল থাকুন।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
ধুর, কি যে সমস্যা হচ্ছে !!Watch The Elegant Universe
বিবর্তনবাদী আমার উপসংহার বলে দিয়াছেন, "এ জগৎ বড় জটিল, সেই সাথে বড় সহজ। এখানে absolute সিদ্ধান্তে আশা অসম্ভব। "
আপনার যদি সত্যি সত্যি এই বিষয়ে জানার ইচ্ছা থাকে তাহলে অবশ্যয় উপরের ডকুমেন্টারিটা দেখবেন।
কার্নেল বলেছেন:
বায়োলজিকাল ব্যাপারগুলো বুঝি না। আমি কট্টর ভৌতবিজ্ঞানের লোক। বিবর্তন বিষয়টি আমার কাছে খুব ঘোলাটে, আর এ বিষয়ে জানার আগ্রহও কম। এর থেকে প্রোগ্রামিং বা গণিতের উপর আমার আগ্রহ অনেক বেশি। আমি নাস্তিক না, আবার মৌলবাদীও না। তবে আমার পর্যবেক্ষণ বলে, মৌলবাদীরা যেমন ধর্মকে সত্য প্রমাণ করার জন্য বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে, তেমনি নাস্তিকরাও ধর্মকে অসাড় প্রমাণ করার জন্য বিজ্ঞানকে নিয়ে মেতে ওঠে। আমি যেহেতু বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করি, আমার কাছে মনে হয়নি বিজ্ঞানমনষ্ক হওয়ার জন্য নাস্তিক হতেই হবে। পৃথিবীর অনেক বড় বড় আস্তিক বিজ্ঞানব্যক্তিত্ব আছেন বা ছিলেন যাদের কাছে সভ্যতা আজ ঋণী। আমাদের সবার যার যার বিশ্বাসের উপর শ্রদ্ধা রাখা উচিত। আমি এটুকু বিশ্বাস করি, আজ থেকে আরো একশ বছর পর যদি বিবর্তনবাদ অসাড় প্রমাণিত হয় তাতে বিজ্ঞানীরা উল্লসিত বা বিমর্ষ হবেন না। কারণ বিজ্ঞান সত্যকে স্বীকার করে নিতে শেখায় (যদিও বিজ্ঞানেও কোন কিছু ধ্রুব নয়, একশ বছর আগে পরের বিজ্ঞানে অনেক পার্থক্য থাকে)। বরং বিবর্তনবাদ অসাড় হলে বিমর্ষ হবে নাস্তিকগোষ্ঠী, আর প্রমাণিত হলে বিমর্ষ হবে তাদের বিরোধীতাকারিরা।
শয়তান বলেছেন:
নাজিম উদদীন বলেছেন: মানব সভ্যতার সবচেয়ে ক্ষতিকর আবিষ্কার হল, ঈশ্বরের ধারণা।
মহম্মদ মহসীন বলেছেন:
“প্রাণের ইউনিট যে অ্যামিনো এসিড তা এখন ল্যাবরেটরীতে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে, অর্থ্যাৎ প্রাণের ইপাদান ইতোমধ্যেই ল্যাবরেটরীতে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। কে জানে হয়তো একদিন প্রাণও তৈরি করা সম্ভব হবে। বিজ্ঞান যে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে, তাতে ল্যাবরেটরীতে প্রাণ তৈরির সম্ভাবনা অসম্ভব নয়। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে, যে জিনিস এখন ল্যাবরেটরীতে হতে চলেছে, সুদূর অতীতে এইভাবেই সে জিনিস প্রকৃতিতে সৃষ্টি হয়েছিল, এর সঙ্গে ঈশ্বরের কোন সম্পর্ক নেই। ঈশ্বর প্রাণ সৃষ্টি করেননি”।লেখকের জানা আছে কি না জানিনা, তবে বিজ্ঞানী ক্রেগ ভেন্টার প্রাণের সৃষ্টি করে দেখিয়েছেন। বিশদে জানতে এখানে ক্লিক করুন। আর এই লেখাটির জন্য লেখককে অজস্র ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















কিছুলাইন একটু কন্ট্রোভার্সাল!