আমার প্রিয় পোস্ট
- Free Movies Download (direct) - আশরাফ৪৫৯
- দর্শনের আলোকে নাস্তিক আস্তিক সমাচার - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর.............. - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করুন
- মুয়ীয মাহফুজ
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- সহজ কথায় বিবর্তন ও বিগ ব্যাং থিওরী - লাইটহাউজ
- সহজ প্রশ্ন : নবী-পয়গম্বররা কেন খালি আরব ভূমিতে আর অবতাররা কেন খালি ভারতে জন্মান? - লাইটহাউজ
- Esnips থেকে গান ডাউনলোডের উপায় - রাশেদ
- বাংলা গান ডাউনলোডের জন্য সবচে ভাল সাইট কোনটি? - কেএসআমীন
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- "গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা
- লাল দরজা
- জগন্নাথ হল, ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ - রাগিব
- বুদ্ধদেব বসু - আমার প্রিয় লেখক - লাইটহাউজ
- যীশু আর সক্রেটিস : পর্ব - ১ - লাইটহাউজ
- শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস - লাইটহাউজ
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
'কাটায়ে উঠেছি ধর্ম আফিম নেশা/ধ্বংস করেছি ধর্ম যাজকী পেশা,/ভাংগি মন্দির ভাংগি মসজিদ/ভাংগি গীর্জা--গাহি সংগীত' - নজরুল

মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০৪
মহানবীর ইশারায় দ্বিখণ্ডিত চাঁদ
মক্কায় থাকা অবস্থায় আবু জাহিলসহ অন্য কাফির মুশরিকরা নবী করিম (সা.)-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে বলল, যদি আপনি আল্লাহর রাসূল হয়ে থাকেন তবে নবুওয়াতের প্রমাণ হিসেবে চাঁদকে দিখণ্ডিত করে দেখান। রাসূল (সা.) বললেন, যদি এই মু’জিযা দেখাই তবে কি তোমরা ইসলাম গ্রহণ করবে? তারা বলল, হ্যাঁ আমরা ইসলাম গ্রহণ করব। রাসূল (সা.) আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে স্বীয় পবিত্র আঙুল দ্বারা চাঁদ দিখণ্ডিত করলেন। অর্থাৎ রাসূলের শাহাদাত আঙুল দ্বারা ইশারা করতেই (পূর্ণিমার রাতে) চাঁদের একখণ্ড আবিকুবাইস পাহাড়ে আর অন্য একটি খণ্ড কাইকাআন পাহাড়ে পতিত হয়। আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী পরিমাণ সময় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত অবস্থায় ছিল।
এই দৃশ্য মক্কার কাফির মুশরিকরা স্বচক্ষে দেখেও ঈমান আনার পরিবর্তে বলল, ‘মুহাম্মদ তোমার জাদু দেখি আসমানেও চলে।’ (নাউজুবিল্লাহ) তাদের ধারণা ছিল জাদু যেহেতু জমিনে চলে এবং আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র নিয়ে কোন জাদু চলে না, তাই মহানবী (সা.)-কে অযোগ্য প্রমাণ করার জন্য এবং তাদের হাস্যরসের পাত্র বানাতে আলোচ্য ঘটনার উদ্ভব ঘটায়। কোরআনুল কারিমের সূরাতুল ‘কামার’ এর মধ্যে এর প্রমাণ পাওয়া যায়।
এত বড় বিশাল চাঁদের দিখণ্ডিত হওয়ার অলৌকিক দৃশ্য দেখে তৎকালীন কাফির মুশরিকরা ঈমান গ্রহণ না করলেও আজ দেড় সহস্র বছর পর হলেও গত ১৯৬৭ সালে এক মার্কিন নভোচারী নিল আর্মস্ট্রং নভোযানে গিয়ে চাঁদ দিখণ্ডিত হওয়ার ফাটল দেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
লেখক : হাবিবুর রহমান সরকার, দৈনিক যুগান্তর, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ শুক্রবার
নবী চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করতে পেরেছিলেন কিনা তা নিয়ে কোন মাথাব্যাথা নেই আমার বরং আপত্তি এই লেখাটির শেষ বাক্য অর্থাৎ নীল আর্মস্টং এর ইসলাম গ্রহণ করার নিকৃষ্ট দাবিটি নিয়ে। কিছুটা কাকতালীয়ভাবে তার ঠিক আগের দিন বৃহস্পতিবার আমার এক ঘনিষ্ট বন্ধু বেশ গর্ব করে নীল আর্মষ্টং এর ইসলাম গ্রহণের খবরটি আমাকে শুনিয়েছিল, তবে তার কথায় “ছোট্ট ও সামান্য” একটি বিচ্যুতি ছিল, সে বলেছিল একজন নয় চাঁদের মাটিতে পা ফেলা দু’জনই অর্থাৎ আর্মস্ট্রং ও অলড্রিন উভয়েই নাকি ইসলাম গ্রহণ করেছিল।
এখন প্রশ্ন হল নীল আর্মস্ট্রং কি সত্যিই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল। এর উত্তর হল অবশ্যই ‘না’, এটি সম্পূর্ণ একটি গুজব। মুসলিম ধর্মব্যবসায়ীদের উর্বর মস্তিষ্ক থেকে উৎপন্ন তাদের অন্তঃসারশূণ্য গর্বের নিকৃষ্ট উদাহরণ এটি।
এই গুজবের ডালপালা ছড়াল যেভাবে
এই কাহিনীর দু’টি ভার্সন পাওয়া যায়।
প্রথম কাহিনী: আর্মস্ট্রং যখন চাঁদের মাটিতে হাটছিলেন তখন এক অচেনা ভাষায় অদ্ভুত সুরে তিনি কিছু শব্দমালা শুনতে পান। সেই শব্দমালা সেই সময় তার বোধগম্য হয়নি। পরবর্তীতে পৃথিবীতে ফেরার পর তিনি ইজিপ্টে যান এবং সেখানে আযানের ধ্বনি শোনেন। তিনি বলেন, “আমি যখন চাঁদে গিয়েছিলাম তখন এরকমই কিছু শুনতে পেয়েছিলাম”। তখন তার ইজিপ্সিয়ান বন্ধু এটিকে আযানের ধ্বনি জানালে তিনি তৎক্ষনাৎ ইসলাম গ্রহণ করেন।
দ্বিতীয় কাহিনী: আর্মস্টং যখন চাঁদের মাটিতে তথ্যানুসন্ধান করছিলেন তখন তিনি চাঁদের মাটিতে এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত একটি লম্বা দীর্ঘ ফাটল দেখতে পান। এই ফাটলের সাথে তিনি তিনি মুহাম্মদের চাঁদ দ্বিখন্ডিত করার কাহিনীর যোগসূত্র খুঁজে পান। মুহাম্মদের চাঁদ দ্বিখন্ডিত করার কাহিনীর চাক্ষুস প্রমাণ পেয়ে তিনি তড়িঘড়ি করে দেশে ফিরে এসে দেরি করেননি, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। (এখানে একটু বলা প্রয়োজন, মুসলিম ধর্মব্যবসায়ীদের চাঁদের আকার সম্পর্কে সম্ভবত কোন ধারনাই নেই, নয়তো তারা কিভাবে ভাবলেন, চাঁদের এই বিশাল ফাটল দেখার জন্য আর্মষ্টং সত্যিই এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত চষে বেরিয়েছেন?)
এই গুজবের অসারতার পক্ষে কিছু প্রমাণ
(১) Answering Islam নামক ওয়েবসাইটে নীচের চিঠিটি পাওয়া গেছে।
Click This Link
In the following some statements about this issue, authorized by Mr. Armstrong, to speak on his behalf.
NEIL A. ARMSTRONG
LEBANON, OHIO 45036
July 14, 1983
Mr. Phil Parshall
Director, Asian Research Center
International Christian
Fellowship 29524 Bobrich
Livonia, Michigan 48152
Dear Mr. Parshall:
Mr. Armstrong has asked me to reply to your letter and to thank you for the courtesy of your inquiry. The reports of his conversion to Islam and of hearing the voice of Adzan on the moon and elsewhere are all untrue.
Several publications in Malaysia, Indonesia and other countries have published these reports without verification. We apologize for any inconvenience that this incompetent journalism may have caused you.
Subsequently, Mr. Armstrong agreed to participate in a telephone interview, reiterating his reaction to these stories. I am enclosing copies of the United States State Department's communications prior to and after that interview.
Sincerely
Vivian White
Administrative Aide
এখানে লেবানন শব্দটি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। অনেকেই ভাবেন আর্মস্টং মুসলিম হয়ে লেবাননে থাকেন। হ্যাঁ, আর্মস্টং লেবাননেই থাকেন, তবে এই লেবানন মধ্যপ্রাচ্যের লেবানন নয়, এটি আমেরিকার মধ্যপশ্চিমের একটি জায়গা।
(২) নীচের বার্তাটি ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট হতে ইসলামিক বিশ্বের সকল দূতাবাসগুলোতে প্রেরিত হয়েছিল। মূল কপির ফটোকপি দেখা যাবে এখানে।
Click This Link
P 04085 0Z MAR 83 ZEX
FM SECSTATE WASHD C
TO ALL DIPLOMATIC AND CONSULAR POSTS PRIORITY
BI
UNCLAS STATE 056309
FOLLOWING REPEAT SENT ACTION ALL EAST ASIAN AND PACIFIC DIPLOMATIC POSTS DID MAR 02.
QUOTE: UNCLAS STATE 056309
E.O. 12356: N/A
TAGS: PREL, PGOV, US, ID
SUBJECT: ALLEGED CONVERSION OF ENIL ARMSTRONG TO ISLAM
---------------------------------------------
REF: JAKARTA 3081 AND 2374 (NOT ..)
1. FORMER ASTRONAUT NEIL ARMSTRONG, NOW IN PRIVATE BUSINESS, HAS BEEN THE SUBJECT OF PRESS REPORTS IN EGYPT, MALAYSIA AND INDONESIA (AND PERHAPS ELSEWHERE) ALLEGING HIS CONVERSION TO ISLAM DURING HIS LANDING ON THE MOON IN 1969. AS A RESULT OF SUCH REPORTS, ARMSTRONG HAS RECEIVED COMMUNICATIONS FROM INDIVIDUALS AND RELIGIOUS ORGANIZATIONS, AND A FEELER FROM AT LEAST ONE GOVERNMENT, ABOUT HIS POSSIBLE PARTICIPATION IN ISLAMIC ACTIVITIES.
2. WHILE STRESSING HIS STRONG DESIRE NOT TO OFFEND ANYONE OR SHOW DISRESPECT FOR ANY RELIGION, ARMSTRONG HAS ADVISED DEPARTMENT THAT REPORTS OF HIS CONVERSION TO ISLAM ARE INACCURATE.
3. IF POST RECEIVE QUERIES ON THIS MATTER, ARMSTRONG REQUESTS THAT THEY POLITELY BUT FIRMLY INFORM QUERYING PARTY THAT HE HAS NOT CONVERTED TO ISLAM AND HAS NO CURRENT PLANS OR DESIRE TO TRAVEL OVERSEAS TO PARTICIPATE IN ISLAMIC RELIGOUS ACTIVITIES.
উপরের দু'টি চিঠি একত্রে পাওয়া যাবে এখানে -
http://www.wikiislam.com/wiki/Neil_Armstrong
(৩) Journal Arabia, The Islamic World Review, Issue June 1985/Ramadan 1405, পৃষ্ঠা ৫ এ সম্পাদকের কাছে প্রেরিত এই চিঠিটি প্রকাশিত হয়েছে।
A MUSLIM OVER THE MOON?
"Arabia" (জার্নাল) is by far the superior newsmagazine regarding what is going on in the Muslim world today. Your reporting is extremely thorough and seeks to be as objective as possible. Your willingness to criticize political policies as well as religious happenings in the Muslim world is refreshing. As an American I would feel your slant on the West is basically fair. It would be most helpful if you would dispel a misconception prevalent in almost all Muslim countries. From Morocco to the Philippines it is commonly believed that Neil Armstrong heard the Azan on the moon, converted to Islam and is now engaged in the full-time propagation of the Muslim faith.
The US State Department has issued a memo saying that the story about Armstrong's conversion was untrue. The memo said "While stressing his strong desire not to offend anyone or show disrespect for any religion, Armstrong has advised department that reports of his conversion to Islam are inaccurate." The memo further says, "if post receives queries on this matter, Armstrong requests that they politely but firmly inform querying party that he has not converted to Islam and has no current plans or desires to travel overseas to participate in Islamic religious activities."
N.B. The memo was sent to all our diplomatic and consular posts.
Dr Phil Parshall
Director, Asian Research Centre Manila, Philippines
ব্লগের কেউ কেউ হয়তো এখনো আমার তথ্যপ্রমাণকে অস্বীকার করার চেষ্টা করবেন কারন brainwashed মানুষের অভাব নেই। তাদের জন্য একটি সাম্প্রতিক তথ্যসূত্র উল্লেখ করছি। ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর ৬ তারিখে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত “গ্লোবাল লিডারশিপ ফোরাম” এ নীল আর্মষ্ট্রং অংশগ্রহণ করেন। মালয়েশিয়ার সর্বাধিক প্রচারিত ইংরেজী দৈনিক “স্টার মালয়েশিয়া” তখন তার একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে যা প্রকাশিত হয় ৭ ই সেপ্টেম্বর তারিখে। সেই সাক্ষাৎকারে সৌভাগ্যবশত একটি বাক্য ছিল যা নিম্নরূপ :
Armstrong, 75, also denied he had heard the Muslim call to prayer on the moon and had converted to Islam.
Click This Link
গুজব সম্পর্কিত বিস্তারিত খবর
Click This Link
শেষ কথা
এই গুজবের ডালপালা ছড়ায় সম্ভবত ১৯৮০ সালের শুরুতে এবং তখন থেকে আজ পর্যন্ত মানুষের মুখে মুখে এবং বিভিন্ন ইসলামিক নিউজগ্রুপ ও অন্যান্য মাধ্যমে গুজবের পাখায় আরো রং চড়িয়ে সারা বিশ্বের সাধারন মুসলমানদেরকে বোকা বানানো হচ্ছে। সম্ভবত একজন আমেরিকান কাফেরের চাঁদের পবিত্র ভূমিকে অপবিত্র করে দেওয়ার ক্ষত ঐসব ইসলামী ধর্মব্যবসায়ীরা ভুলতে পারেনি। তারই ক্ষতিপূরণ তারা করতে চাইছে নীল আর্মষ্ট্রং কে মুসলিম প্রতীয়মান করার মাধ্যমে। ধর্ম ব্যবসা চাঙ্গা রাখার জন্যই তাদের এই নির্লজ্জ্ব দাবি “চাদেঁর বুকে প্রথম পা রেখেছে একজন মুসলমান”।
অশিক্ষিত সমাজের মানুষকে ব্যবহার করার জন্য গুজব/কুসংস্কার একটি প্রধান হাতিয়ার এবং এসব গুজব দ্রুত ছড়ানোর এক উর্বর ভূমি হল পৃথিবীর মুসলিমপ্রধান দেশগুলো যেখানে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ লোকই হয় অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত। দুঃখজনকভাবে এ দাবি অস্বীকার করার পর দুই দশক পার হয়ে গেলেও মানুষের মুখে, সংবাদপত্র, মুসলিম রেডিও স্টেশনগুলোতে এখনো এটি প্রচারিত হয়েই চলেছে যার প্রমাণ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ঐ লেখাটি। এখানে একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য তা হল বাংলাদেশের মানুষেরা “ফাটল কাহিনী” বিশ্বাস করলেও ইন্টারনেটে “আযান কাহিনী” বেশি প্রচলিত।
দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন মুসলিম দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশে ধর্মপ্রাণ মানুষের বিশ্বাসকে পুঁজি করে পীর ব্যবসা, তাবিজ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে ধর্মব্যবসায়ীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসক গুজব ছড়ায়। আলু, লাউ, মাংস, ডিমের খোসা, মাছের লেজে বা কাশ্মীরের আকাশে আল্লাহর নাম দেখা যাওয়ার মতো গুজব ছড়ানো হয় নিত্যনৈমিত্তিকভাবে। এবং আশ্চর্য হলেও সত্যি এসব “রাবিশ” বিশ্বাস করার মতো মানুষের অভাব নেই আমাদের সমাজে।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: তথ্য-প্রমাণ সব হাতেনাতে দিয়েছি। দেখি তারা কোন প্রমাণ দিতে পারে কিনা।
লেখক বলেছেন: মহা-ইন্টারেস্টিং!!!
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
জানিনা রে বাপু ..তবে যুক্তি আপনার কথাতেই বেশী....তাই যখন ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখে অনেকবার শুনেছি ...আমার বুদ্ধিও অতটা সাড়া দেয়নি বিশ্বাসে আবার প্রোটষ্টেও করিনি ....
তাই আজও সেই একই কারনে নিশ্চুপ....
কারনটি জানা আবার অজ্ঞাতও
লেখক বলেছেন: শুধু যুক্তি নয় আজ সব প্রমাণ দিয়েছি। আজ যারা এই পোস্ট পড়বে সবার মন থেকেই আজ কনফিউশন দূর করতে পারব আশা করি।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
এটা আগেও শুনেছি, হাস্যকর দাবি ধর্মব্যাবসায়ীদের।
লেখক বলেছেন: সম্ভবত একজন আমেরিকান কাফেরের চাঁদের পবিত্র ভূমিকে অপবিত্র করে দেওয়ার ক্ষত ঐসব ইসলামী ধর্মব্যবসায়ীরা ভুলতে পারেনি। তারই ক্ষতিপূরণ তারা করতে চাইছে নীল আর্মষ্ট্রং কে মুসলিম প্রতীয়মান করার মাধ্যমে। ধর্ম ব্যবসা চাঙ্গা রাখার জন্যই তাদের এই নির্লজ্জ্ব দাবি “চাদেঁর বুকে প্রথম পা রেখেছে একজন মুসলমান”।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
আমিও জানতাম এটা মিথ্যা। এমনি ভাবে হোমিওপ্যাথির জনক স্যামুয়েল হানিম্যান, নেপোলিয়ান, উইল স্মিথ আরো অনেক কে মুসলিম বানিয়েছে সুবিধাবাদীরা।তবে মুহাম্মদ আলী, মাইত টাইসন, কমলা দাস, গায়ক কেট স্টিভেন্স, তালেবানদের হাতে বন্ধি এক মহিলা সাংবাদিক (নাম মনে আসছেনা) রা যে মুসলিম হয়েছে সেটা সত্য, এবং কেনই যে তারা স্বধর্ম ত্যাগ করে সন্ত্রাসবাদের অপবাদধারী ইসলাম গ্রহণ করল, সেটাই রহস্য।
+ প্রাপ্য ।
লেখক বলেছেন: এর কারন মানসিক দূর্বলতা।
মেন্টাল বলেছেন:
কাহিনীর তৃতীয় ভার্সন:চাদে নীল আর্মস্ট্রং এর দেখা হয় এক মহাজ্ঞানী তিকোনাকার ছাগুর সাথে। ছাগু সব জানে এবং সে সকল প্রশ্নের উত্তর বলতে পারে। সেই ছাগু শুধু কথাই বলতে পারে না, সে টাইপও করতে পারে। এই মহাজ্ঞানী ছাগুর সংস্পর্শে এসে নীল আর্মস্ট্রং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে।
লেখক বলেছেন: এই মহাজ্ঞানী ছাগুর সংস্পর্শে এসে নীল আর্মস্ট্রং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে।
জোশ!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সিন-লাম-মীম বলেছেন:
► যেখানে বাতাস নেই সেখানে আযান শোনে কিভাবে?
► চাঁদের সাইজ সম্পর্কে মুচলমান ধর্মব্যবসায়ীদের মনে হচ্ছে ধারনাই নেই
► লেখা সাবলীল হয়েছে - প্লাস
লেখক বলেছেন: আমার কাছে মজার লেগেছে এটি - বাংলাদেশের মানুষেরা “ফাটল কাহিনী” বিশ্বাস করলেও ইন্টারনেটে “আযান কাহিনী” বেশি প্রচলিত।
নতুন বলেছেন:
চমৎকার তথ্য ও যুক্তি নিভর লেখা দেবার জন্য.....আমি বুঝিনা কেন আমরা সবাই meracle এ বিশ্বাসের জন্য বসে থাকি... আর কিছু মানুষ তার সুবিধা নেয়...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নতুন বলেছেন:
""তালেবানদের হাতে বন্ধি এক মহিলা সাংবাদিক (নাম মনে আসছেনা) রা যে মুসলিম হয়েছে সেটা সত্"""-- u can watch "the world is not enough"" bond movie...
there u can see an eximple..
লেখক বলেছেন: জোর করে মুসলিম বানানো হয়েছে - এমনটাই বলতে চাইছেন কি?
লেখক বলেছেন: বন্ধুটির ভুল ধারনা তো ভাঙ্গালাম, কিন্তু পত্রিকা ও অন্যান্য মাধ্যমের এ খবরে বিশ্বাস করে আরো যেসব মানুষ "চাদেঁর মাটিতে একজন মুসলিমের প্রথম পদার্পণ" এর মতো ভুল ধারনা নিয়ে থাকবে তাদের ভুল ভাঙ্গাব কিভাবে? তাই এ পোস্টের অবতারনা, একই উদ্দেশ্যে আমি এই পোস্টের মূল বক্তব্য নিবন্ধ আকারে বাংলা উইকিপিডিয়াতে অর্ন্তভুক্ত করতে চাই।
রাগিব ভাইকে অনুরোধ, যদি তার কাছে এই পোস্টের বক্তব্য ও তথ্যসূত্র (অথবা অন্যান্য) যৌক্তিক ও নির্ভেজাল মনে হয় তবে আমাকে দয়া করে জানান। আমি এই লেখাটি যথাসম্ভব সমৃদ্ধ করে নিবন্ধ আকারে বাংলা উইকিপিডিয়াতে প্রেরণ করবো।
নেমেসিস বলেছেন:
দেখা যাক এর পরও কোন বেন বেকুবে এই পোস্টটে মাইনাস দেয় ।
লেখক বলেছেন: সত্যি বলতে কি আমিও অপেক্ষায় আছি ব্লগে "ব্রেইনওয়াশড" এর সংখ্যা নিরূপনের জন্য।
লেখক বলেছেন: দুঃখজনকভাবে এ দাবি অস্বীকার করার পর দুই দশক পার হয়ে গেলেও মানুষের মুখে, সংবাদপত্র, মুসলিম রেডিও স্টেশনগুলোতে এখনো এটি প্রচারিত হয়েই চলেছে যার প্রমাণ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ঐ লেখাটি।
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন:
তালেবানদের হাতে বন্ধি এক মহিলা সাংবাদিক (নাম মনে আসছেনা) রা যে মুসলিম হয়েছে সেটা সত্.........মহিলার নাম ইভোন রিডলী...প্রত্থম আলুতে ছবি সহকারে তাহার কাহিনী আসিয়াছিল। বর্তমানে বিলেতে আছেন। সন্ত্রাসী তালেবানদের কাছ হইতে এমনই ব্যবহার পাইয়াছিলেন যে তিনি ভুল বুঝিয়া, তালেবানের প্রেমে পড়িয়া, মানসিক ভারসাম্য হারাইয়া ম্লেচ্ছদের ধর্ম গ্রহণ পূর্বক ধর্মব্যবসার বেসাতি ছড়াইয়া দিয়াছেন।
লেখক বলেছেন: "ম্লেচ্ছ" এই শব্দটা আপনি প্রায়ই ব্যবহার করেন। শব্দটার সমার্থক শব্দ জানালে উপকৃত হতাম।আমার জানা মতে "ম্লেচ্ছ" শব্দের অর্থ নীচু সম্প্রদায়। তাই কি?
নতুন বলেছেন:
বলেছেন: ""তালেবানদের হাতে বন্ধি এক মহিলা সাংবাদিক (নাম মনে আসছেনা) রা যে মুসলিম হয়েছে সেটা সত্"""-- u can watch "the world is not enough"" bond movie...
there u can see an eximple..
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২৯
লেখক বলেছেন: জোর করে মুসলিম বানানো হয়েছে - এমনটাই বলতে চাইছেন কি?
----
না... এটা কে এক ধরনের মানুষিক পরিবত`নের ফলে হয়ে থাকে,,,
ঐছবিতেও... তুরক্ষের রাজকুমারীকে ভিলেন কিডনাপ করেছিলো...এবং পরে দেখায়ায়... সে ভিলেন কে সহায়তা করে.. এবং তার বাবাকে ও মেরে ফেলে..
লেখক বলেছেন: হুমমমম .......... ইভাল রিডলি সম্পর্কে আরো জানবার আগ্রহ বাড়ল।
অমলকান্তি বলেছেন:
হ, এই গালগপ্প আমিও শুনছি(ফাটল কাহিনী)।কিন্তু পরমানের অভাবে কিচু কইতে পারি নাই।
হালাদের আবার গলা উঁচা কি না।
আচ্ছা হ্যারা কি অহনও বিশ্বাস করে যে মুহাম্মদ(সাঃ) চাঁদ দুইভাগ করছিল।
ক যোগ দেওয়া হইল।
লেখক বলেছেন: এখানে চাঁদের হাই রেজলিউশন পূর্ণাঙ্গ ছবি আছে। দেখুন তো ফাটলটা দেখতে পান কিনা।
Click This Link
মামু বলেছেন:
লাল আর্মস্ট্রং মুচলমান হইলে ইসলামের কি আসে যায়? দুনিয়ার সবাই যদি অমুচলমান তাকে তাতেও ইচলামের কিচু আচে যায় না।লাল আর্মস্ট্রং চান্দে কি দেকিয়া কি করচিলেন, তাতে কি আসে যায়? লাল আর্মস্ট্রং চান্দে কিচু দেকা মানেই কি ওই ঘটনা সত্যি চিল? না দেকলে মিথ্যা চিল?
-------------------------------------------------------------------
(মুহাম্মদ আলী, মাইত টাইসন, কমলা দাস, গায়ক কেট স্টিভেন্স, তালেবানদের হাতে বন্ধি এক মহিলা সাংবাদিক (নাম মনে আসছেনা) রা যে মুসলিম হয়েছে সেটা সত্য, )
{মানসিক ভারসাম্য হারাইয়া ম্লেচ্ছদের ধর্ম গ্রহণ পূর্বক ধর্মব্যবসার বেসাতি ছড়াইয়া দিয়াছেন।}
হেগো মত লালআর্মস্ট্রং এর মাতা ও টিক না তাকিতে পারে। তাই আজান ছুনচিল আর ফাটা দাগ দেকচিল।
---------------------------------------------------------------------
তুমার মাতা যে টিক আচে তার প্রমান কি? আবাল কুনকান কার?
লেখক বলেছেন: হেগো মত লালআর্মস্ট্রং এর মাতা ও টিক না তাকিতে পারে। তাই আজান ছুনচিল আর ফাটা দাগ দেকচিল।
আপ্নের তুমার মাতা যে টিক আচে তার প্রমান কি?
পুতুল বলেছেন:
আমষ্ট্রং-এর পরনের পোষাক ভেদ করে অন্য কিছু কানে ডোকা সম্ভব ছিল কিনা, আমার সন্দেহ আছে! আর আমষ্ট্রং -এর চন্দ্রাবতরণও "এখন" অনেকের কেছে প্রশ্নাতীত নয়!তা ভাই এত কিছু থাকতে ইসলামকে ডুবাচ্ছেন কেন! কবে কোথায় কোন ফতুয়ায় মাথা কাঁটা যাবে!
কিন্তু এদের বাড়াবাড়ী দেখলে (বিশেষ করে মিথ্যা বলে ধর্মকে বড় করতে চাইলে) মেজাজ খারাপ হয়ে যায়!
নাস্তিকদের যত রকমের দোষে দুষ্ট করতে চায়!
নিখুত অনুসন্ধানী পোষ্ট ব্লগে খুব বেশী পাওয়া যায় না। আপনার প্রায় সব কটি সে বিরল কয়েকটার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য।
লেখক বলেছেন: ইসলাম সহ কোন পার্টিকুলার ধর্ম নিয়ে আমার বিশেষ কোন মাথাব্যাথা নেই। তাই আমি আমার ব্লগে পরিচিত প্রায় সব ধর্ম এবং তাদের অসঙ্গতিগুলো নিয়ে পোস্ট দেই। তবে ইসলাম সম্পর্কে বেশি পোস্ট আসার কারন হল ব্লগের অধিকাংশ ব্লগারই মুসলিম।
ধন্যবাদ।
নাভদ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: "ম্লেচ্ছ" এই শব্দটা আপনি প্রায়ই ব্যবহার করেন। শব্দটার সমার্থক শব্দ জানালে উপকৃত হতাম।আমার জানা মতে "ম্লেচ্ছ" শব্দের অর্থ নীচু সম্প্রদায়। তাই কি?
---------------------------------------------------------------
আমি ঠিক শিউর না তবে, বন্কিম বা কার উপন্যাসে যেন পড়েছিলাম ...ম্লেচ্ছ, যবন এসব বলতে মুসলমানদের অবজ্ঞাভরে বোঝানো হচ্ছিল...যেমন অনেক সাম্প্রদায়িক মানসিকতা সম্পন্ন মানুষ হিন্দুদের মালোয়ান বলে গালি দেয়...অনেকটা সেরকম সম্ভবত: ......
লেখক বলেছেন: ম্লেচ্ছ, যবন এসব বলতে মুসলমানদের অবজ্ঞাভরে বোঝানো হচ্ছিল.
আমারও তাই মনে হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: সিআইএর চাপে ব্যাচারা ইসলাম ধর্ম পালন করতে পারছে না।
মজার তথ্য।
নতুন বলেছেন:
"" Stockholm syndrome """is a psychological response sometimes seen in an abducted hostage, in which the hostage shows signs of loyalty to the hostage-taker, regardless of the danger (or at least risk) in which the hostage has been placed. Stockholm syndrome is also sometimes discussed in reference to other situations with similar tensions, such as battered person syndrome, rape cases, child abuse cases and bride kidnapping. The syndrome is named after the Norrmalmstorg robbery of Kreditbanken at Norrmalmstorg, Stockholm, Sweden, in which the bank robbers held bank employees hostage from August 23 to August 28 in 1973. In this case, the victims became emotionally attached to their victimizers, and even defended their captors after they were freed from their six-day ordeal. The term Stockholm Syndrome was coined by the criminologist and psychiatrist Nils Bejerot, who assisted the police during the robbery, and referred to the syndrome in a news broadcast.আরো জানতে...
Click This Link
লেখক বলেছেন: n this case, the victims became emotionally attached to their victimizers, and even defended their captors after they were freed from their six-day ordeal.
ধন্যবাদ দারুন একটা তথ্য জানাবার জন্য।
জেনারেল বলেছেন:
এচলামের বিরুদ্ধে বাজে কথা বলায় আপনের বিরুদ্ধে "--" এর কাছে রিপোর্ট করা হল।লাইটহাউজের ব্যান করে ফাঁসি চাই
লেখক বলেছেন: হুজুর গোস্তাফি মাফ করেন। এইবারের মতো .......
কিন্তু আপনি এ পরিশ্রমটুকু যদি এদেশের ধর্ম ব্যবসায়ী, জামাত-শিবির এদের গোমড় ফাস করার কাজে ব্যয় করেন তাহলে অনেক ভাল হতো।
আপনার কাছে সে রকম কিছুর আশা রইল। আর কোন ধর্মের সমালোচনা না করে ধর্মব্যবসায়ীদের প্রত্যক্ষভাবে প্রতিরোধ করাটাই মনে হয় সবচাইতে ভাল। কেননা ধর্ম ব্যবসায়ীরাই সব সমস্যার মূল, ধর্ম নয়।
লেখক বলেছেন: জামাত-শিবিরের মতো নোংরা জিনিস নিয়ে আমি ঘাটাঘাটি করি না।
প্রতিটি ধর্মেই প্রচুর অসংগতি রয়েছে। একজন সাধারন মানুষ হিসেবে আমার দায়িত্ব এ সকল প্রশ্নের জবাব খুঁজে বের করা, শুধু বিশ্বাসের জোরে কোন কিছু মেনে নিতে আমি রাজি নই।
সরাসরি কোন ধর্মের সমালোচনা আমার কোন পোস্টে করেছি বলে মনে হয় না। আমার অধিকাংশ পোস্টের বিষয়বস্তু হয় সাধারণত স্রষ্টার অস্তিত্ব সংক্রান্ত, কোন পার্টিকুলার ধর্ম সংক্রান্ত নয়। তবে ধর্ম যেহেতু স্রষ্টার সাথে সম্পর্কিত তাই ধর্ম এসেই পড়ে।
মামু বলেছেন:
বিষয়টা নিয়া আমি আইজ রাতে মগবাজারে যামু।... ওইকান তেকে একটা ফয়চালা নিয়া আসমু, সে পর্যন্ত আপেকা করেন।
----------------------------------------------------------------
মিথ্যা পেরমান হইলে তুমার খবর আচে।
তকন সরি কইয়া পুষ্ট দিবা, আর যারা তুমার পক্ষে মত দিব শুদু সেইগুলা রাকবা। অন্যগুলা মুইচ্যা দিবা।
সব শেষে চরি পুষ্ট ই মুইচ্যা দিবা।
লেখক বলেছেন: মামু আপ্নে প্রমাণ আনতে পারলে আমি চরি বইল্যা পোস্ট দিমু। ওয়াদা।
লেখক বলেছেন: হা হা হা।
কেউ কেউ আমাকে ডার্কহাউজ বলে। তাই মাঝে মাজে ভাবি আমার লাইটপোস্ট নিক নেওয়াই উচিত ছিল।
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন:
ম্লেচ্ছ মানে মুচলমান, হেন্দুরা ডাকে এই নামে.......যেমন মুচলমানরা তাদের মালু ডাকে.লেখক বলেছেন:
স্ক্রু লুজ Screw Loose বলেছেন:
:মুসলমান নামক মুসলমানরে মুসলমান বানাইতে হোগা ফাইট্টা যায়, neil armstrong বুজি নিজে নিজে মুসলমান অইবো ?
লেখক বলেছেন: স্ক্রু লুজ কথাবার্তা ভদ্র ভাষায় কন। সত্যই স্ক্রু লুজ হইলো নাকি .....!!!
সুশীল সমাজ বলেছেন:
Just Great Writeup. Salute to LIght House from Kechal!
লেখক বলেছেন: ক্যাচাল আপনাকে মনে পড়ে। আপনার কাছ থেকে ভাল কিছু পোস্ট চাই।
নেমেসিস বলেছেন:
পোস্টটি ২২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
আনবিটেন ২২ । দেখা যাক আর কতোক্ষন পারেন ।
লেখক বলেছেন: অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষায় আছি মাইনাসের জন্য। ব্লগে আর কেউ কি কোন পোস্টে মাইনাস কামনা করেছে?
অপেক্ষায় আছি ব্লগে "ব্রেইনওয়াশড" এর সংখ্যা নিরূপনের জন্য।
একজ়ন ইসলাম গ্রহন করেছে আরেকজ়নের মন্তবয কটু হবে কেন?
যেমনঃ
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন: তালেবানদের হাতে বন্ধি এক মহিলা সাংবাদিক (নাম মনে আসছেনা) রা যে মুসলিম হয়েছে সেটা সত্.........
মহিলার নাম ইভোন রিডলী...প্রত্থম আলুতে ছবি সহকারে তাহার কাহিনী আসিয়াছিল। বর্তমানে বিলেতে আছেন। সন্ত্রাসী তালেবানদের কাছ হইতে এমনই ব্যবহার পাইয়াছিলেন যে তিনি ভুল বুঝিয়া, তালেবানের প্রেমে পড়িয়া, মানসিক ভারসাম্য হারাইয়া ম্লেচ্ছদের ধর্ম গ্রহণ পূর্বক ধর্মব্যবসার বেসাতি ছড়াইয়া দিয়াছেন।
এভাবে মন্তবয করা ঠিকনা।
লেখক বলেছেন: সব মানুষ জানেনি। দৈনিক যুগান্তরের লেখাটি দেখুন। আমার বন্ধুটি আমায় জোর গলায গর্ব করে বলে নীল আর্মষ্ট্রং কাহিনী।
হয়তো কেউ কেউ জেনে বুঝে হয়েছেন। ইসলামী মোল্লারা এত সুন্দর সাবলীল ভাষায় ইসলামী বয়ান দেন যে যেকোন ব্যক্তি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে ইসলাম গ্রহণ করতে পারেন।
http://en.wikipedia.org/wiki/Yvonne_Ridley
http://www.yvonneridley.org/
Click This Link
Click This Link
লেখক বলেছেন: Stockholm syndrome - in this case, the victims became emotionally attached to their victimizers, and even defended their captors after they were freed from their six-day ordeal.
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
খালি কি আমস্ট্রং এমন হাজারো অদ্ভুত কাহিনী মার্কেটে প্রচলিত। যেগুলার আগা মাথা কিছুই নাই। অশিক্ষিত জনগনের মাঝে এগুলা খুব পপুলার। কথা হচ্ছে যুগান্তরের মত্ জনপ্রিয় পত্রিকায় এই সব ফাকা বুলি কেমনে ছাপে। অদ্ভুত। আমি মাঝে মাঝে কয়েকটা পেপারে রেফারেন্স সহ কিছু বিজ্ঞান বিষয়ক লেখা পাঠিয়ে ছিলাম কেউ কখনও ছাপে নাই। অথচ এই সব গাজাখুরি কথা ছাপে তারা।
লেখক বলেছেন: প্রতিটি পত্রিকায় শুক্রবারে একপাতা বরাদ্দ থাকে ইসলামী গাল-গপ্প প্রচারের জন্য। গাল-গপ্প না দিলে পেজ-মেকাপ কিভাবে হবে।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্ট। এই গুজব অনেক আগেই শুনেছিলাম, কিন্তু বিশ্বাস করিনি। এইবার প্রমান সহ ভুল ভাঙ্গলো, ধন্যবাদ।আসলে ইসলাম ধর্মের ব্যাপারে যথেষ্ঠ জ্ঞ্যান না থাকায় সাধারন মুসলমানরা এইসব গুজবে কান দিয়ে লাফালাফি করে ও নিজেদেরকে হাসির পাত্র করে।
" মুমিনগন, যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও" [49:06] --- এই খানে স্পষ্টভাবে কোন প্রকার গুজবে কান না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অথচ আমরাই বেশি গুজবে নাচি।
লেখক বলেছেন: আসলে ইসলাম ধর্মের ব্যাপারে যথেষ্ঠ জ্ঞ্যান না থাকায় সাধারন মুসলমানরা এইসব গুজবে কান দিয়ে লাফালাফি করে ও নিজেদেরকে হাসির পাত্র করে।
লেখক বলেছেন: সমস্যা হল তাদেরকে ভুল শুধরে দিলেও তা তারা মানতে চায় না।
শাহেদুর রহমান বলেছেন:
ভালো পোষ্ট...অনেক কিছু জানলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
"Stockholm syndrome - in this case, the victims became emotionally attached to their victimizers, and even defended their captors after they were freed from their six-day ordeal"------------- আপনার এই মন্তব্য প্রমান করে আপনি ইভোন রিডলীর ব্যাপারে কিছুই জানেন না। দয়া করে "মরা জিল্লুর(তৈলুর রহমান)" এর দেওয়া লিংকগুলো একটু ভিজিট করুন তারপর মন্তব্য করুন, কমেন্টতো আর চলে যাচ্ছেনা ।
মরা জিল্লুর(তৈলুর রহমান) ইভোন রিডলীর নিজস্ব ওয়েব সাইটেরও লিংক দিয়েছে, সেখানে ইভোন রিডলীর ৫০ মিনিটের একটা ইন্টারভিউ পাবেন, ঐটা দেখেন, তারপর মন্তব্য করুন, আমি আছি।
লেখক বলেছেন: আমার নেট কানেকশন স্লো তাই ভিডিও দেখতে পারছি না। আপাতত বিবিসি ও ওয়াশিংটন পোস্টের রিপোর্ট দুটি পড়ছি।
লেখক বলেছেন: ঐটি তার নিজস্ব সাইট নয়।
This site is produced by supporters and friends from around the globe of Sister Yvonne Ridley
আপনারা মোল্লা বা হুজুর দের সু্যোগ দেন কেন। আপনারা সু্যোগ দেন বলেই তো প্রতিটি পত্রিকায় শুক্রবারে একপাতা ইসলামী লেখা লিখতে হুজুররা সু্যোগ
পায়।
নাকি আসলে আপনারা ইসলামবিদ্বেষে আক্রান্ত। নাকি লেখা ছাপানর চেস্টা করে Refused হয়েছেন।
লেখক বলেছেন: আমার বোঝাব ঐশী গ্রন্থ কোরান? হাসালেন মশাই!!!
আমার ব্লগের লেখাগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন কোন একটা নির্দিষ্ট ধর্ম নিয়ে আমি বসে থাকি না।
আমার যদি একটা লেখা ছাপায় তবে বাংলাদেশে হূরস্থূল পড়ে যাবে। বাইতুল মোকাররমে আমার বিরূদ্ধে জিহাদী মিছিল হবে।
আমি ভয় খাই!!! তাই তো এই ব্লগে চুপি চুপি ....
তীরন্দাজ বলেছেন:
লেখককে অনেক ধন্যবাদ, এত ধৈর্য নিয়ে ধর্মব্যাবসায়ী, ধর্মান্ধদের সাজানো কাহিনীকে খন্ডন করার জন্যে। এ ধরণের বানোয়াটা কাহিনী বিভিন্ন ধর্মকে কেন্দ্র করেই এরা সাজানোর চেষ্টা করেছে। গর্দভরাই এসব বিশ্বাস করে প্রতারিত হয়।+++++++++++++++++++++
অমলকান্তি বলেছেন:
আচ্ছা আমার একখান কতা আচিল-যে সকল ব্যক্তিবর্গ মোল্লাগো এইসব গালগপ্প শুইন্যা এছলাম ধর্ম গ্রহন করচে(যদি কখনও এরাম হয়্যা থাকে) কিংবা আল্লাদে গদগদ হইচে তাদের অহন কি অইব?
তাহারা কি আগের ধর্মে ফির্যা যাইব? আমাদের মোল্লাগো এ বিষয়ে কি মত? তাহারা কি এছলাম বর্জন করার পাপ হইতে মুক্তি পাইব?
দুনিয়াডা বরই আজিব মনে হইতাচে আজকাল!!!!
+++++++++++++++++++++
বিশ্বাস করেছে বলে কেউ তো পোষ্ট করেনি। আমি নিজ়েও এই পোষ্টকে + দিয়েছি কিন্তু
ইভোন রিডলীর প্রতিষ্ঠিত ঘটনাকে কটাক্ষ কারতে কেউ লেখক কে কিছুতো বললেনা।
তীরন্দাজ আপনিওকি একছোখা।
লেখক বলেছেন: হতে পারে তিনি ইসলামী আদর্শকে ভালবেসে ইসলাম গ্রহণ করেছেন, আবার হতে পারে তিনি স্টকহোম সিনড্রোমে আক্রান্ত।
অমলকান্তি বলেছেন:
আচ্ছা তালেবানি ইসলাম আর ধ্রুপদী ইসলামের মইদ্যে কি কুনু পার্থক্যআচে?@মরা জিল্লুর(তৈলুর রহমান)
থাকলে কি কি? ইট্টু বিস্তারিত আলোচনা করলে কৃতার্থ হই।
সবুজমিয়া বলেছেন:
নীলমিয়া মুচলমান/অমুচলমান থাকলে ইসলামের কুন লাভ/ক্ষতি হবেনা.........
যেমুন...আলীমিয়া মুচলমান হৈছে দেইখা আপ্নে কি মুচলমান হৈছেন....?
_____________________________________
নতুন বলেছেন: ""তালেবানদের হাতে বন্ধি এক মহিলা সাংবাদিক (নাম মনে আসছেনা) রা যে মুসলিম হয়েছে সেটা সত্"""
-- u can watch "the world is not enough"" bond movie...
there u can see an eximple..
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২৯
লেখক বলেছেন: জোর করে মুসলিম বানানো হয়েছে - এমনটাই বলতে চাইছেন কি?
_____________________________________
জোর করে নয়....তিনি নিজের ইচ্ছাতেই হৈছেন.....
ইভোন রিডলীর প্রকৃত ঘটনা না জানার জন্য লেখককে মাইনাচ.....
_______________________________
লেখক বলেছেন: প্রতিটি পত্রিকায় শুক্রবারে একপাতা বরাদ্দ থাকে ইসলামী গাল-গপ্প প্রচারের জন্য। গাল-গপ্প না দিলে পেজ-মেকাপ কিভাবে হবে।
____________________________________
ইসলাম সম্পর্কে লেখকের এই মনোভাবের জন্য
লেখককে মাইনাচ......
লেখক বলেছেন: মাইনাসের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সবকিছুই যদি আমি সত্যিসত্যি জেনে যাই তবে তো সবতে আমারে বুদ্ধিজীবী কইবো ..... কিছু ভুল-ত্রুটি অজ্ঞানতা থাকতে দেন।
তীরন্দাজ বলেছেন:
আমি একচোখা নই জনাব মরা জিল্লুর(তৈলুর রহমান)। ধর্মান্তরিত পৃথিবীতে অনেকেই হচ্ছে বা হয়েছে। তা না হলে পরের বা নতুন ধর্মগুলো কখনোই প্রতিষ্ঠিত হতে পারতো না। বক্সার মো: আলী যে মুসলমান হয়েছেন, এটা তো সত্যি ঘটনাই। এটা আরো অন্যান্য ধর্মান্তরনের মতোই একক বিশ্বাসে ঘটেছেও সেটা বিভিন্ন ধর্মেই ঘটছে। এ নিয়ে বিরাট হইচই করার কোন কারণ ঘটেনি। তারপরও অনেকেই করেছে ও এটা নিজেদের দুর্বলতারই প্রমাণ।তারপরও সত্য ঘটনা নিয়ে হইচই হলে কিছুটা মেনে নেয়া যায়।
কিন্তু একটি মিথ্যেকে সত্য সাজানো দৈনতা নয়?
নেমেসিস বলেছেন:
সবুজমিয়া একটা ভুয়া মাইনাস দিলেন । একদম অযৌক্তিক । পারলে যুক্তি আর রেফারেন্স দেন । এভাবে বুদ্ধির দৈনতা দেখানোর মানে কি ???
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ধন্যবাদ একটি তথ্যবহুল পোস্টের জন্য । কমেন্টের ঘর দেখে মনে হচ্ছে এখানে আলোচনার আর কোন সুযোগ নেই ।
লেখক বলেছেন: যে কোন মন্তব্য জানানোর জন্য প্রত্যেকে আমন্ত্রিত।
কুম্ভকর্ণ বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। শুধু এটাই না, ভারতীয় একজন মহিলাকে নিয়েও এরকম গুজব ছড়িয়েছিল। ইন্টারনেটে ই-মেল গ্রুপ আর কিছু ভন্ড কাঠমোল্লাদের জন্য এসব কাহিনী ছড়ায়। তবে চাঁদে কিন্তু মানুষ যায়নি ১৯৬৯ এ, এমনকি এরপরেও ১৯৭৩ সালের ভিতর আর গিয়েছে কিনা সেটা নিয়েও অনেক তর্ক আছে। উল্লেখ্য ১৯৭৩/৭৪ সালের পর চাঁদে আর কোন এক্সপেডিশান হয়নি। তাই ওয়েস্টার্ণ মিডিয়াগুলিতে আর্মস্ট্রং আর অলড্রিনসকে নিয়ে কোন কিছুই প্রচার করা হয়না। অবশ্য নাসা সায়েন্টিস্টদের এরকম অনেক নির্জলা মিথ্যা অনেক আছে। প্রবীর মিত্রের অলৌকিক নয়, লৌকিক এবং ড্যান ব্রাউনের ডিসেপাশান পয়েন্ট পড়ুন। বিষয়টা সামনে আনার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: most people belive that we have gone only once, but we have actually been around 6 times (apollo 11-17)
Answer
Six times,
Twice in 1969 (Apollos 11 & 12).
Twice in 1971 (Apollos 14 & 15).
Twice in 1972 (Apollos 16 & 17).
In each case, a 3-man crew was sent to the Moon, two of whom landed, whilst the third remained on the mother ship in orbit around the Moon.
The twelve who landed on the Moon were:
Apollo 11 [July 20, 1969]:
[1] Neil Armstrong
[2] Buzz Aldrin
Apollo 12 [November 19-20, 1969]:
[3] Pete Conrad
[4] Alan Bean
Apollo 14 [February 5-6, 1971]:
[5] Alan Shepard
[6] Edgar Mitchell
Apollo 15 [July 31-August 2, 1971]:
[7] David Scott
[8] James Irwin
Apollo 16 [April 21-23, 1972]:
[9] John W. Young
[10] Charles Duke
Apollo 17 [December 11-14, 1972]:
[11] Eugene Cernan
[12] Harrison Schmitt
সবুজমিয়া বলেছেন:
@নেমেসিস
নীলমিয়ার ব্যাপারে আমার মাতামাতি করার কিছু নাই....
এইগুলা নিয়া যারা হইচই করে/ব্যবসা করে....
আমি তাগো লগে নাই.....
মাগার মাইনাচ দিছি
অন্য দুইটা কারনে...সেইগুলা উল্লেখ করেছি...
উনি বলছেন...ইভোন রিডলীকে জোর করে মুসলমান বানানো হয়েছে....এইটা ঠিক নয়....
উনার আগের পুষ্টে দেখেছি...উনি কুন কিছু ভাল করে না জেনে কমেন্ট করেন....উনার এইটা বাদ দেয়া দরকার...
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: জোর করে মুসলিম বানানো হয়েছে - এমনটাই বলতে চাইছেন কি?
প্রশ্নোবোধক চিহ্নটা কি আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে?
নেমেসিস বলেছেন:
উহু । পোস্ট বডিতে শুধুই নীল আমস্ট্রংয়ের কথা । আর কমেন্টটে আসচে অন্যদের কথা । মাইনাসটা তইলে পোস্টটে না দিয়া কমেন্টে দিলে ভাল হইতো আর যেহেতু কমেন্টটে কোনও রেটিং নাই সেহেতু শুধু পাল্টা বক্তব্যই কাম্য । রেটিং নয়। মুল বডিতে মাইনাস এর কিছু আসে কি ???
লেখক বলেছেন: আপনার চেহারা দেইখা ভয় পাইসি।
হাবিবুর রহমান সরকার নামের এই রামছাগলটা কে? ... আর আমি অবাক হইলাম, যুগান্তরের মহারামছাগল সম্পাদকই বা কিছু না জাইনাই এইসব ছাপায় ক্যামনে?
লেখক বলেছেন: ইসলামী পাতার জন্য কোন আলাদা সম্পাদক আছে নিশ্চয়ই।
রাগিব বলেছেন:
নীল আর্মস্ট্রং কে নিয়ে এই গপ্পটা অনেকের খুব প্রিয়। কিন্তু এই রকম অনেক চেিইন ইমেিইলের মতো এটাও চাপা।লেখক বলেছেন: বাংলা উইকিপিডিয়াতে কি এই লেখাটার মূল বক্তব্য নিবন্ধ আকারে প্রকাশ করা যাবে?
কাজ করে খাই বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
প্রিয় বলেছেন:
লাইটহাউজ ভাই, চমৎকার কাজ হয়েছে! আপনার এ লেখাটি কি আমি আমাদের একটি ওনলাইন পত্রিকার জন্যে নিতে পারি? পত্রিকার লিং এখানে http://www.priyoaustralia.com.au/ দু:খিত, আগের পোষ্ট টা ডিলিট মারেন প্লিজ।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এই পোস্টের একমাত্র উদ্দেশ্য মানুষের মনের বিভ্রান্তি দূর করা। তাই পত্রিকার মাধ্যমে যদি আরো মানুষের অজ্ঞানতা দূর হয় তবে আমি খুশি হব।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্ট। + প্রিয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখাটি সামান্য এডিট করে দিলে ভাল হত। লেখাটি যেহেতু ব্লগের জন্য লেখা হয়েছিল, তাই ভাষাটা ঠিক যেন নিবন্ধ আকারে প্রকাশের উপযোগী হয়নি।
Click This Link
ইউরো-বাংলা বলেছেন:
Thanks for your correct information.
ইকারুস বলেছেন:
ধন্যবাদ ভুলটি ধরিয়ে দেবার জন্য।আশা করি এ ধরনের আরও অনেক ভুল ভ্রান্তি থেকে রক্ষা পাবে এ জাতি।
ফেলুদা বলেছেন:
ছাগু এইটা ক্যামনে মানলো? সত্যি ইকারুস...
কুম্ভকর্ণ বলেছেন:
http://www.apfn.org/apfn/moon.htm Did man really walk on the Moon or was it the ultimate camera trick, asks David Milne?
In the early hours of May 16, 1990, after a week spent watching old video footage of man on the Moon, a thought was turning into an obsession in the mind of Ralph Rene.
"How can the flag be fluttering?" the 47 year old American kept asking himself when there's no wind on the atmosphere free Moon? That moment was to be the beginning of an incredible Space odyssey for the self- taught engineer from New Jersey.
He started investigating the Apollo Moon landings, scouring every NASA film, photo and report with a growing sense of wonder, until finally reaching an awesome conclusion: America had never put a man on the Moon. The giant leap for mankind was fake.
It is of course the conspiracy theory to end all conspiracy theories. But Rene has now put all his findings into a startling book entitled NASA Mooned America. Published by himself, it's being sold by mail order - and is a compelling read.
The story lifts off in 1961 with Russia firing Yuri Gagarin into space, leaving a panicked America trailing in the space race. At an emergency meeting of Congress, President Kennedy proposed the ultimate face saver, put a man on the Moon. With an impassioned speech he secured the plan an unbelievable 40 billion dollars.
And so, says Rene (and a growing number of astro-physicists are beginning to agree with him), the great Moon hoax was born. Between 1969 and 1972, seven Apollo ships headed to the Moon. Six claim to have made it, with the ill fated Apollo 13 - whose oxygen tanks apparently exploded halfway being the only casualties. But with the exception of the known rocks, which could have been easily mocked up in a lab, the photographs and film footage are the only proof that the Eagle ever landed. And Rene believes they're fake.
For a start, he says, the TV footage was hopeless. The world tuned in to watch what looked like two blurred white ghosts throw rocks and dust. Part of the reason for the low quality was that, strangely, NASA provided no direct link up. So networks actually had to film man's greatest achievement from a TV screen in Houston - a deliberate ploy, says Rene, so that nobody could properly examine it.
By contrast, the still photos were stunning. Yet that's just the problem. The astronauts took thousands of pictures, each one perfectly exposed and sharply focused. Not one was badly composed or even blurred.
As Rene points out, that's not all: The cameras had no white meters or view ponders. So the astronauts achieved this feet without being able to see what they were doing. There film stock was unaffected by the intense peaks and powerful cosmic radiation on the Moon, conditions that should have made it useless. They managed to adjust their cameras, change film and swap filters in pressurized suits. It should have been almost impossible with the gloves on their fingers.
Award winning British photographer David Persey is convinced the pictures are fake. His astonishing findings are explained alongside the pictures on these pages, but the basic points are as follows: The shadows could only have been created with multiple light sources and,in particular, powerful spotlights. But the only light source on the Moon was the sun.
The American flag and the words "United States" are always Brightly lit, even when everything around is in shadow. Not one still picture matches the film footage, yet NASA claims both were shot at the same time.
The pictures are so perfect, each one would have taken a slick advertising agency hours to put them together. But the astronauts managed it repeatedly. David Persey believes the mistakes were deliberate, left there by "whistle blowers" who were keen for the truth to one day get out.
If Persey is right and the pictures are fake, then we've only NASA's word that man ever went to the Moon. And, asks Rene, "Why would anyone fake pictures of an event that actually happened?"
The questions don't stop there. Outer space is awash with deadly radiation that emanates from solar flares firing out from the sun. Standard astronauts orbiting earth in near space, like those who recently fixed the Hubble telescope, are protected by the earth's Van Allen belt. But the Moon is to 240,000 miles distant, way outside this safe band. And, during the Apollo flights, astronomical data shows there were no less than 1,485 such flares.
John Mauldin, a physicist who works for NASA, once said shielding at least two meters thick would be needed. Yet the walls of the Lunar Landers which took astronauts from the spaceship to the moons surface were, said NASA, about the thickness of heavy duty aluminum foil.
How could that stop this deadly radiation? And if the astronauts were protected by their space suits, why didn't rescue workers use such protective gear at the Chernobyl meltdown, which released only a fraction of the dose astronauts would encounter? Not one Apollo astronaut ever contracted cancer - not even the Apollo 16 crew who were on their way to the Moon when a big flare started. "They should have been fried", says Rene.
Furthermore, every Apollo mission before number 11 (the first to the Moon) was plagued with around 20,000 defects a-piece. Yet, with the exception of Apollo 13, NASA claims there wasn't one major technical problem on any of their Moon missions. Just one effect could have blown the whole thing. "The odds against these are so unlikely that God must have been the co-pilot," says Rene.
Several years after NASA claimed its first Moon landing, Buzz Aldrin "the second man on the Moon" was asked at a banquet what it felt like to step on to the lunar surface. Aldrin staggered to his feet and left the room crying uncontrollably. It would not be the last time he did this. "It strikes me he's suffering from trying to live out a very big lie," says Rene. Aldrin may also fear for his life.
Virgil Grissom, a NASA astronaut who baited the Apollo program, was due to pilot Apollo 1 as part of the landings build up. In January 1967, he hung a lemon on his Apollo capsule (in the US, unroadworthy cars are called lemons) and told his wife Betty: "If there is ever a serious accident in the space program, it's likely to be me."
Nobody knows what fuelled his fears, but by the end of the month he and his two co-pilots were dead, burnt to death during a test run when their capsule, pumped full of high pressure pure oxygen, exploded.
Scientists couldn't believe NASA's carelessness - even a chemistry students in high school know high pressure oxygen is extremely explosive. In fact, before the first manned Apollo fight even cleared the launch pad, a total of 11 would be astronauts were dead. Apart from the three who were incinerated, seven died in plane crashes and one in a car smash. Now this is
a spectacular accident rate.
"One wonders if these 'accidents' weren't NASA's way of correcting mistakes," says Rene. "Of saying that some of these men didn't have the sort of 'right stuff' they were looking."
NASA wont respond to any of these claims, their press office will only say that the Moon landings happened and the pictures are real. But a NASA public affairs officer called Julian Scheer once delighted 200 guests at a private party with footage of astronauts apparently on a landscape. It had been made on a mission film set and was identical to what NASA claimed was they real lunar landscape. "The purpose of this film," Scheer told the enthralled group, "is to indicate that you really can fake things on the ground, almost to the point of deception." He then invited his audience to "Come to your own decision about whether or not man actually did walk on the Moon."
A sudden attack of honesty? You bet, says Rene, who claims the only real thing about the Apollo missions were the lift offs. "The astronauts simply have to be on board," he says, "in case the rocket exploded. It was the easiest way to ensure NASA wasn't left with three astronauts who ought to be dead." he claims, adding that they came down a day or so later, out of the
public eye (global surveillance wasn't what it is now) and into the safe hands of NASA officials, who whisked them off to prepare for the big day a week later.
And now NASA is planning another giant step - Project Outreach, a 1 trillion dollar manned mission to Mars. "Think what they'll be able to mock up with today's computer graphics," says Rene Chillingly. "Special effects was in its infancy in the 60s. This time round will have no way of determining the truth."
9 SPACE ODDITIES:
1. Apollo 14 astronaut Allen Shepard played golf on the Moon. In front of a worldwide TV audience, Mission Control teased him about slicing the ball to the right. Yet a slice is caused by uneven air flow over the ball. The Moon has no atmosphere and no air.
2. A camera panned upwards to catch Apollo 16's Lunar Landerlifting off the Moon. Who did the filming?
3. One NASA picture from Apollo 11 is looking up at Neil Armstrong about to take his giant step for mankind. The photographer must have been lying on the planet surface. If Armstrong was the first man on the Moon, then who took the shot?
4. The pressure inside a space suit was greater than inside a football. The astronauts should have been puffed out like the Michelin Man, but were seen freely bending their joints.
5. The Moon landings took place during the Cold War. Why didn't America make a signal on the moon that could be seen from earth? The PR would have been phenomenal and it could have been easily done with magnesium flares.
6. Text from pictures in the article said that only two men walked on the Moon during the Apollo 12 mission. Yet the astronaut reflected in the visor has no camera. Who took the shot?
7. The flags shadow goes behind the rock so doesn't match the dark line in the foreground, which looks like a line cord. So the shadow to the lower right of the spaceman must be the flag. Where is his shadow? And why is the flag fluttering if there is no air or wind on the moon?
8. How can the flag be brightly lit when its side is to the light? And where, in all of these shots, are the stars?
9. The Lander weighed 17 tons yet the astronauts feet seem to have made a bigger dent in the dust. The powerful booster rocket at the base of the Lunar Lander was fired to slow descent to the moons service. Yet it has left no traces of blasting on the dust underneath. It should have created a small crater, yet the booster looks like it's never been fired.
ভক্কডা বলেছেন:
ইছলাম সমন্দে এমুন পুস্ট! মলনা আব্দুল টিরবুজের পক্ক থাইকা মুর্তাদ ঘুচুনা দেওয়া অইল আপনেরে
রোবোট বলেছেন:
এই লেখাটি যুগান্তরে পাঠান। সম্ভব হলে অন্য পত্রিকাতেও। এই ঘটনা জানতাম। আগে এই গুজব ছড়াত ইত্তেফাক। নয়া ছাগল।
েতাফােয়ল বলেছেন:
This is a really good post. and some comments are also good. but, Islam is a religious belive to Almighty Allah. and Islam can't allow to criticise others religious or their belivers.
Thanks to everybody for their post and comments.
রাশেদ বলেছেন:
আপ্নে কই!
েক আিম বলেছেন:
লাইট হাইজ ধন্যবাদ। এই পোষ্ট কোন ভাবেই ইসলামের বেপরীতে যায় না। এখানে কেউ কেউ সাইধা কেচারের চেষ্টা করতেছে। আজব এই পোষ্টের সাথে মুরতাদের কি সম্পর্ক???@লাইট হাইজ: আর ইসলাম গ্রহন করলেই কি মানসীক দূর্বলতার লক্ষন????
++++
নেমেসিস বলেছেন:
লাইট হাইজ কৈ গায়েব হৈলেন ???
নিকো৮১২৩ বলেছেন:
ভাল লেখা। আপনাকে অজস্র্য ধন্যবাদ। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
রাশেদ বলেছেন:
ক্লাসিক পোস্ট।
রবিন০৪ বলেছেন:
জটিল পোষ্ট
স্বপ্লচূড়া বলেছেন:
এই জিনিষ আমারে যে কি ভুগানি ভুগাইসে। শালা ধর্মওয়ালাদের সাথে যতবার তর্ক করছি তারা নীল আর্মস্ট্রং এর উদাহরন দিত। আমি এই জায়গায় আইটকা যাইতাম। চিন্তা করতাম উনার মত লোক কেমনে এই কাজ করতে পারে। আজকে আপনি আমার কত বড় উপকার করছেন আপনি জানেন না। আপনারে ধন্যবাদ দিয়া আর ছোট করতে চাই না।....+
মুক্তপাখী বলেছেন:
" সাঈফ শেরিফ বলেছেন: আমিও জানতাম এটা মিথ্যা। এমনি ভাবে হোমিওপ্যাথির জনক স্যামুয়েল হানিম্যান, নেপোলিয়ান, উইল স্মিথ আরো অনেক কে মুসলিম বানিয়েছে সুবিধাবাদীরা।তবে মুহাম্মদ আলী, মাইত টাইসন, কমলা দাস, গায়ক কেট স্টিভেন্স, তালেবানদের হাতে বন্ধি এক মহিলা সাংবাদিক (নাম মনে আসছেনা) রা যে মুসলিম হয়েছে সেটা সত্য, এবং কেনই যে তারা স্বধর্ম ত্যাগ করে সন্ত্রাসবাদের অপবাদধারী ইসলাম গ্রহণ করল, সেটাই রহস্য।
+ প্রাপ্য ।
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৯
লেখক বলেছেন: এর কারন মানসিক দূর্বলতা।"
-এই লোকগুলো কেন যে এই লেখকের মতো মানসিকভাবে সবল হতে পারলোনা,তা-ই বুঝলামনা......ভাই আপনি কি খেয়ে মানসিকভাবে এত সবল হইলেন?
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
ভাই কত প্লাস লাগবে কন???? অসাধারণ পোস্ট! + + + + + + + + + + + + +এই আজব গুজবকে শূলিতে চড়ানোর জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ.............
নোবেলজয়ী বলেছেন:
shohomot
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
+++++++++++++++++++++
রাইডার বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ধর্ম ব্যাবসায়ীরা তাহলে 'মিথ্যা' কথা বলে!!!
রাশেদ বলেছেন:
আপনি কই?
মানচুমাহারা বলেছেন:
ভাইয়া অনেকদিন পর আপনার পোস্ট পড়লাম এবং ভালো লাগলো। বিশেষ করে বেশ কিছু জিনিস নিয়ে আবার চিন্তা করা সুযোগ পেলাম।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
অনেক কিছু শিখলাম। সরাসরি তথ্য প্রমাণ দেওয়াতে আপনাকে ভালা পাই। আমিও মখসুর মতন এই ফাটল রাবিশ বিশ্বাস করেছিলাম। যদিও আযান যে বায়ুশূণ্য অবস্থায় শোনা পসিবল না তা আমি বুঝছি আগেই।
ভালা লাগলো।
+
...........সম্ভবত একজন আমেরিকান কাফেরের চাঁদের পবিত্র ভূমিকে অপবিত্র করে দেওয়ার ক্ষত ঐসব ইসলামী ধর্মব্যবসায়ীরা ভুলতে পারেনি। তারই ক্ষতিপূরণ তারা করতে চাইছে নীল আর্মষ্ট্রং কে মুসলিম প্রতীয়মান করার মাধ্যমে। ধর্ম ব্যবসা চাঙ্গা রাখার জন্যই তাদের এই নির্লজ্জ্ব দাবি “চাদেঁর বুকে প্রথম পা রেখেছে একজন মুসলমান”।
....আর কিছু বলার অপেক্ষা রাখেনা ।ধন্যবাদ,লেখক কে ।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
এত বচ্ছর পর যারা মনে করে চাঁদেই মানুষ নামে নাই, সব ভিডিও কারসাজি, তারা আর যারা আর্মষ্ট্রং মুসলমান হইছে বিশ্বাস করে - তাগো মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়?রাগিব ভাইয়ের একটা বিশ্লেষন হইলে ভাল হইতো
হাসান মাহবুব বলেছেন:
দারুণ পোস্ট। ঠেলা।
পেন্সিল বলেছেন:
এই ব্যাপার আমি জানতাম কিন্তু এখন প্রমান করার তথ্যসূত্র পাওয়া গেল। ধন্যবাদ।
ভাবসাধক বলেছেন:
আরে ভাই ঐ শালা আমস্ট্রং তো চাঁদেই যায় নাই ! মুসলিম অইব ক্যামনে? সারা দুনিয়ার মানুষরে আমেরিকা চুতিয়া বানাইছে ক্যামেরা দিয়া ................................... এর লইগ্যা এইডা লয়া আর কিছু কওয়ার নাইককা ।
পৃথিবীর আমি বলেছেন:
ধর্ম ব্যবসা চাঙ্গা রাখার জন্যই তাদের এই নির্লজ্জ্ব দাবি “চাদেঁর বুকে প্রথম পা রেখেছে একজন মুসলমান”। +
সাম্যবাদী বলেছেন:
প্রিয়তে...
ধ্রুব তারা বলেছেন:
হুমমমম ব্যাপারটা ছোট বেলায় আমায় খুব রোমাঞ্চিত করত। পরে যখন বই ঘাঁটলাম দেখি সবই ভূয়া। ছাগুরা এটা বুঝতে পারেনি যে তথ্য ব্যবস্থা ভাল হয়ে যাবে খুব সহযেই এসব ব্যাপারে খবরাখবর সংগ্রহ করা যাবে। অবশ্য এখনো বিশাল এক গোষ্ঠী এর পক্ষে ঝগড়া করে। +
অবয়ব বলেছেন:
বরিশাল জিলা স্কুলে পড়াকালীন আমাদের ধর্মের শিক্ষক আজান শোনার কাহিনীটি শুনিয়েছিলেন। তখনতো একে সত্যই ভেবে নিয়েছিলাম এবং আরো অনেককেই এই ঘটনা জানিয়েছিলাম। পড়ে বড় হবার পর নেট ঘেটে দেখলাম ভুল সবই ভুল। উল্লেখ্য আমাদের আরেকজন ধর্ম শিক্ষক ছিলেন, যিনি চাদে মানুষ যাওয়ার ব্যাপারটি বিশ্বাস করতেন না।একটি বিভাগীয় শহরের অন্যতম সেরা স্কুলেই এই শিক্ষা দেয়া হয় সেখানে গ্রামগঞ্জে কি অবস্থা কে জানে!
সন্যাসী বলেছেন:
Interesting.
শেলী বলেছেন:
নীল আমষ্ট্র মুসলিম না হলেও ইসলামের বা আল্লাহর কিছু যায় আসেনা। মুহাম্মদ আলী, মাইত টাইসন, কমলা দাস, গায়ক কেট স্টিভেন্স, তালেবানদের হাতে বন্ধি এক মহিলা সাংবাদিক Sr. Yvonne Ridley এর মত মানুষেরা যারা জেনেশুনে বা পড়াশুনা করে মুসলিম হয়েছেন ইসলামে তাদের দরকার। Miracle দেখে কেউ মুসলিম হয়না,এটাতো আল্লাহ কোরানে বারবার বলেছেন।
এই link টা দেখুন।
http://www.youtube.com/watch?v=DIRvJOoNCX0
শেলী বলেছেন:
নীল আমষ্ট্র মুসলিম না হলেও ইসলামের বা আল্লাহর কিছু যায় আসেনা। মুহাম্মদ আলী, মাইত টাইসন, কমলা দাস, গায়ক কেট স্টিভেন্স, তালেবানদের হাতে বন্ধি এক মহিলা সাংবাদিক Sr. Yvonne Ridley এর মত মানুষেরা যারা জেনেশুনে বা পড়াশুনা করে মুসলিম হয়েছেন ইসলামে তাদের দরকার। Miracle দেখে কেউ মুসলিম হয়না,এটাতো আল্লাহ কোরানে বারবার বলেছেন।
এই link টা দেখুন।
http://www.youtube.com/watch?v=DIRvJOoNCX0
সুবিদ্ বলেছেন:
গুজবের ডালপালা ছড়ানো আপনার ২য় ব্যাখ্যাটা আমিও সেই ছোটবেলায় শুনেছিলাম, সত্যি কথা বললে ঐসময় বিশ্বাসও করেছিলাম.......পরে জেনেছি পুরো ব্যাপারটাই ভাঁওতা.......ধন্যবাদ পুরো বিষয়টাকে সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য
নির্ণয় বলেছেন:
মালেশিয়ার the star এর আরিজিনাক লিংক যেখানে আর্মস্ট্রং এর ব্যাপারে লেখা হয়েছে Armstrong, 75, also denied he had heard the Muslim call to prayer on the moon and had converted to Islam.
নির্ণয় বলেছেন:
অরিজিনাল
মুনতাসির বিল্লাহ মুন্না বলেছেন:
ভাবসাধক বলেছেন: আরে ভাই ঐ শালা আমস্ট্রং তো চাঁদেই যায় নাই ! মুসলিম অইব ক্যামনে?এইটাই আসল কাহিনী। চাঁদে যাওয়ার কাহিনী পুরাই Fake.
উপরের কয়েকজন কমেন্টারদের জন্য বলতেসি.....এই পোস্ট কোনভাবেই ইসলামকে প্রশ্নবিদ্ধ করে নাই, বরং ধর্মব্যাবসায়ীদের ব্যবসাটাকে ধরায়া দিসে...........
আবার কয়েকজন কমেন্টার অতিরিক্ত কইতে যায়া ইসলাম নিয়া কিছু বাজে কথাও লেখছে, তাদের মাইনাস.........
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন:
হাসান মাহবুব বলেছেন: দারুণ পোস্ট। ঠেলা।
কার্ল মার্কস বলেছেন:
ভালো লিখেছেন... ধইন্যা।
কেএসরথি বলেছেন:
ভন্ড ও ধর্মব্যাবসায়ীরা নিপাত যাক!!!
সামছ্ বাবু বলেছেন:
"নবী চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করতে পেরেছিলেন কিনা তা নিয়ে কোন মাথাব্যাথা নেই আমার"- এর মানে কি?
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন:
সামছ্ বাবু বলেছেন: "নবী চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করতে পেরেছিলেন কিনা তা নিয়ে কোন মাথাব্যাথা নেই আমার"- এর মানে কি?
পরবাসী একজন বলেছেন:
নীল আমস্ট্রং ইসলাম গ্রহন করলেও বা কি না করলেও বা কি , ইসলামের তাতে কিছুই যায় বা আসে নাকিন্তু এটা ঠিক যে ননমুসলিম দেশগুলোতে এখন অনেকেই ইসলাম গ্রহন করছেন।
আমি বেশ কিছু নওমুসলিমদের চিনি যারা ইসলামকে ভালো ভাবে জেনেই ইসলাম গ্রহন করেছেন এবং খুব সুন্দরভাবেই ইসলাম প্র্যাকটিস করছেন ( বিশ্বাস করেন আর না করেন ) ।
একটা কথা মনে রাখবেন আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দেন না।
দোয়া করি আল্লাহ যেনো আপনকে হেদায়েত দান করেন।
ভালো থাকবেন
রিফাত হোসেন বলেছেন:
অই মিয়া ঐ বেডায় চাদেঁ গেল কখন ?ইসলাম নিয়ে তো যত ধান্দা করছে এরচে তো চাদাঁ যাওয়াটা বড় ভুয়া ।
ইসলাম চর্চা অমুসলিম দেশে কম হয় কিন্তু এই এপোলো ১১ এর কাহিনী সব দেশেই হয় । সুতরাং ...........
ভুয়া পোষ্টে মাইনাস।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
অই মিয়া ঐ বেডায় চাদেঁ গেল কখন ?ইসলাম নিয়ে তো যত ধান্দা করছে এরচে তো চাদাঁ যাওয়াটা বড় ভুয়া ।
ইসলাম চর্চা অমুসলিম দেশে কম হয় কিন্তু এই এপোলো ১১ এর কাহিনী সব দেশেই হয় । সুতরাং ...........
ভুয়া পোষ্টে মাইনাস।
আমি মিথ্ বলেছেন:
আপনার পোস্ট তা তথ্যবহুল বুঝলাম.।কিন্তু এর নিচে বিভিন্ন মানুষের কমেন্ট র আপনার রিপ্লাই দেখে মনে হল, ইসলাম কে হেয় করাটাই আপনার মুল উদ্দেশ্য .।
আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত দান করুন ।।
আপনার পোস্ট তা রিপোর্ট করলাম আপনার কুৎসিত কিছু মন্তব্যের কারনে .।।
আগডুম বাগডুম বলেছেন:
@রিফাত হোসেন, আল্লায় সবাইরে হেদায়ে দেয় না ক্যান? টান পড়ে যাবে বলে?
নীল আর্মস্ট্রং মুসলিম হয়েছিলেন কিনা জানি না, তবে যদি তিনি সত্যিই চাদে আজান শুনেও থাকেন, অথবা আজান না শুনুন, কোন না কোন কারনে হয়তো তিনি মুস্লিম হয়েছিলেন বা হতে চেয়েছিলেন- এমন টা হতেই পারে (কারন তিল থেকেই তাল হয়, অকারনে গুজব সৃষ্টি হয় না) -
এমন টা যদি আসলেই হয়ে থাকে- তাহলেও নিশ্চোয়ি খ্রিস্টান জাতি পরবর্তি তে তা কে তিরস্কার করেছে এবং বাধ্য করেছে তা কে এর বিপরীত স্টেটমেন্ট দেয়ার। কারন তারা কখনো চাইবে না এ ঘটনার মাধ্যমে ইসলাম আরো জনপ্রিয় হোক।- এটা নিশ্চই অযৌক্তিক বলবেন না।
মেয়র বলেছেন:
পোষ্ট টা দেখছি অনেক আগের, তাই জানি না, লেখক বা কারও উত্তর পাব কিনা, তাও প্রশ্ন টা করি।যৌক্তিক ভাবে আমার কাছে ধর্ম অনেক কন্ট্রাডিক্টরী মনে হওয়ায় এটা নিয়ে আমি শংশয়ী। আমি ধরে নিতে পারি যে জীব্রাইল বলে কোন ফেরেশতা হয়ত ছিল না, কারণ কেউ সেটা দেখে নি এবং নবী নিজেই নিজেকে নবী বলে হয়ত দাবী করেছেন। কিন্তু ভাবছি, তিনি যদি চাদকে দু ভাগ না করতে পারবেন, তাহলে কেন উপস্থিত রা বলল যে , "তোমার যাদু দেখি আকাশেও কাজ করে !"... এই মন্তব্য টা আমাকে বেশ ভাবায়। এর কি কোন সাইকোলজিক্যাল ব্যাখ্যা আছে ? মানে, উপস্থিত সবাই এক সাথে হয়ত হিপনোটাইজড হয়ে ছিল .... এরকম কিছু ? যদি তাই হয়, তাহলে পরের প্রশ্ন টি আসে, নবী কি হিপনোটিজম বিদ্যা টি জানতেন ? অথবা তিনি কি ডেভিড কপারফিল্ডের মত যাদু দেখাতে পারতেন ? হাদিস থেকে কি জানা যায় ঠিক কতজন এই দু ভাগ হয়ে যাওয়া চাদ কে দেখেছিল ? এই প্রশ্নটার উত্তর পাচ্ছি না !!
শহুরে কাউয়া বলেছেন:
অসাধারন।এতো চমতকার লেখা। এক্কেরে ফাটায়া ফেলছে।
বেকুবের দল আর যে কতো এক কুমিরের বাচ্চা দেখাইবো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
























এইডা নিয়া ব্লগেও ক্যাচাল হইছিল। এক জামাতি পুস্টাইছিল।