আমার প্রিয় পোস্ট

'কাটায়ে উঠেছি ধর্ম আফিম নেশা/ধ্বংস করেছি ধর্ম যাজকী পেশা,/ভাংগি মন্দির ভাংগি মসজিদ/ভাংগি গীর্জা--গাহি সংগীত' - নজরুল

রবীন্দ্রনাথ চোর হলে নজরুলও ধোয়া তুলসীপাতা নন (ছাগু সম্প্রদায়ের সদস্যদের প্রতি নিবেদিত)

২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

এই ব্লগের বিশেষ শিংওয়ালা গোত্রের কতিপয় বিশেষ ব্লগার বহুবার প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন রবীন্দ্রনাথ প্রকারান্তরে একজন চোর ছিলেন। তিনি বিদেশী সুর চুরি করে তার গানে ব্যবহার করেছেন। রবীন্দ্রনাথের মতো মানুষকে চোর বলে তারা তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেয় করার চেষ্টা করেছেন। আর এর কারনটাও অজানা কিছু নয় - প্রথমত তিনি একজন হিন্দু, এবং সেই সাথে একজন ভারতীয়। একজন হিন্দু ভারতীয় কবির প্রতি এদেশের আপামর শিক্ষিত রুচিসম্পন্ন বাঙ্গালীর ভালবাসা তাদের গাত্রদাহের কারণ। তাই হিন্দু রবীন্দ্রনাথকে চোর প্রমাণ করে হেয় প্রতিপন্ন করে মুসলমান নজরুলকেই তারা সবসময়ই রবীন্দ্রনাথের চেয়ে বড় কবি, সুরকার ও গীতিকার বলার চেষ্টা করেছেন। হয়তো নজরুল রবীন্দ্রনাথের চেয়েও বড়! এটা প্রত্যেক ব্যক্তির নিজস্ব মতের ব্যাপার। কিন্তু যদি সুর চুরি করার কথা বলেন তবে (বিদেশী সুরকে দেশীয় গানে ব্যবহার করে আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার কাজ যদি চৌর্যবৃত্তি হয়) নজরুলও ধোয়া তুলসীপাতা ছিলেন না।

তবে আসুন দেখি নজরুলের গানে বিদেশী সুর (তাদের ভাষায় চৌর্যবৃত্তি) এর প্রতিফলন। প্রথম গানটা একটি বিখ্যাত নৃত্যসঙ্গীত ‘শুকনো পাতার নূপুর পায়ে’।

“শুকনো পাতার নূপুর পায়ে নাচিছে ঘূর্ণি বায়
জল তরঙ্গে ঝিলিমিলি ঢেউ তুলে সে যায়।“ (তুর্কি সুর)

এই গানটির সুর তিনি চুরি করেছেন একটি প্রাচীন তুর্কি লোকগীতি থেকে। এই গানটি প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো। আবার একই সুর ব্যবহৃত হয়েছে একটি আরবী গানে। নজরুলের গীতিগ্রন্থে দেখা যায় “শুকনো পাতার নূপুর পায়ে” গানটির শীর্ষে নজরুলের হস্তাক্ষরে লেখা আছে ‘আরবি সুর’। অর্থাৎ তিনি আরবী গানটি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছেন বা চুরি করেছেন। কিন্তু গানটির রেকর্ডে আরবী বা তুর্কি সুর যাই হোক কোনটাই উল্লেখ করেননি। এই গানটির রেকর্ডে লেখা আছে ‘শুকনো পাতার নূপুর পায়ে’ সুর: কাজী নজরুল ইসলাম, শিল্পী: হরিমতী, এইচএমভি রেকর্ড নং এন-৭১৭৩, প্রকাশকাল ১৯৩৩।

এটা কি চৌর্যবৃত্তি নয়? এবার আসুন দেখি তিনি আর কোথায় কোথায় চুরি করেছেন। এবারের চুরি একটি ইসলামী গান থেকে। গানটির কথা এরকম -

ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ এলরে দুনিয়ায়
আয়রে সাগর-আকাশ-বাতাস দেখবি যদি আয় (তুর্কি সুর)

ই গানটির সুরও তিনি চুরি করেছেন একটি তুর্কি গান থেকে। এর রেকর্ডেও তিনি তুর্কি সুরের কথা উল্লেখ না করে নিজের নাম বসিয়ে দিয়েছেন। গানটির রেকর্ডে লেখা আছে ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ এলরে দুনিয়ায়’, সুর: কাজী নজরুল ইসলাম, শিল্পী: আব্বাসউদ্দিন আহমদ, টুইন রেকর্ড নং এফটি-৩৯৮০, প্রকাশকাল: জুন ১৯৩৫।

তিনি আর যেসব গানের সুর চুরি করেছেন সেগুলো নীচে উল্লেখ করছি -

১। চমকে চমকে ধীর ভীরু পায় (আরবি সুর)
২। দূর দ্বীপবাসিনী চিনি তোমারে চিনি (কিউবান দ্বীপের নৃত্যের সুর)
২। মোমের পুতুল মমীর দেশের মেয়ে নেচে যায় (মিসরের নাচের সুর)
৪। পরি জাফরানী ঘাঘরী চলে সিরাজের পরী (ইরানী সুর)
৫। মম তনুর ময়ূর সিংহাসন (ইরানী সুর)
৬। আনারকলি আনারকলি (ইরানী সুর)
৭। ইরানের বুলবুলি কি এলে (ইরানী সুর)
৮। ইরানের রূপমহলের (ইরানী সুর)
৯। ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি (হিজাজ ভৈরবী রাগ, ইরানের হিজাজ প্রদেশের সুর)
১০। নার্গিস সবাগমে বাহার কি আগমে (ইরানী সুর)
১১। বুলবুলি নীরব নার্গিস বনে (নৌরচকা)

এছাড়াও ১৯৪২ সালে তার সঙ্গীত পরিচালনায় কলকাতায় মুক্তিপ্রাপ্ত ‘চৌরঙ্গী’ সিনেমায় তিনি দু’টি গানে আরবী সুর ব্যবহার করেছেন। গান দু’টি হল -
১। ‘রুম ঝুম ঝুম ঝুম রুম ঝুম ঝুম
খেজুর পাতার নূপুর বাজায়ে কে যায়’
২। জহরত পান্না হীরার বৃষ্টি
তব হাসি কান্না চোখের সৃষ্টি
তারও চেয়ে মিষ্টি মিষ্টি মিষ্টি

তাহলে নজরুলও চোর? ঘৃনা করবো তাকে?

অবশ্যই না। সামান্য কয়েকটা গানে বিদেশী সুর ব্যবহার করেছেন বলে বাংলা গানে তার কৃতিত্ব শেষ হয়ে যায় নি। এখনো তিনি আমাদের শ্রদ্ধার পাত্র যেমনি রবীন্দ্রনাথ। রবীন্দ্রনাথ আর নজরুল আমাদের বাংলা গানের দুই নক্ষত্র। তাদের ছাড়া দেশীয় সংগীত অর্থহীন। তাদের মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ তার পরিমাপ করা দুসাধ্য। আর বিদেশী সুর ব্যবহার প্রসঙ্গে বলি সুরের কোন আঞ্চলিকতা নেই। অন্তরের সুর দেশ-কাল-পাত্র ভৌগলিক সীমারেখার বেড়া ডিঙ্গিয়ে এক ও অভিন্ন। সব দেশেরই আদি সংস্কৃতির সুর প্রায় একই ধরনের সামান্য রকম ফের। অন্তরের যে সুর তা বিশ্বসংগীত। সর্বদেশে সর্বকালে সর্বজাতিতে সমান অনুভূতিতে তা প্রকাশমান।

সূত্র: আসাদুল হক, সাহিত্য সাময়িকী, নজরুল জন্মজয়ন্তী সংখ্যা, ২৩ শে মে ২০০৮, দৈনিক যুগান্তর

__________________
ব্যক্তিগতভাবে আমি প্রাচীন বিদেশী সুরকে দেশীয় গানে ব্যবহার করে দেশীয় সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার কাজকে চুরি বলে মনে করি না। এই লেখায় বারংবার চুরি বা চৌর্যবৃত্তি কথাটি ব্যবহার করতে বাধ্য হওয়ায় আমি দুঃখিত।

 

 

  • ২৬ টি মন্তব্য
  • ৩৩২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ১৯ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮
comment by: রাজামশাই বলেছেন: একমত
২. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০০
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:


যে সব মূর্খরা রবীন্দ্রনাথকে চোর বলে প্রমাণ করতে চাই, আপনিওতো তাদের পথেই হাঁটলেন । ব্যক্তি ভিন্ন শুধু । সানন্দে মাইনাস ।

রবীন্দ্র-নজরুলকে নিয়ে যারা আঁতলামী করেন, তারা অনধিকার চর্চা--ই করেন শুধু। নজরুল--রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা করতেন, রবীন্দ্রনাথ -নজরুলকে স্নেহ করতেন, তাদেরকে নিয়ে যেসব ভক্তরা অন্ধত্ব প্রকাশ করেন, সেসব ভক্তরা নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন না বলেই ।

রবীন্দ্র-নজরুলকে আমি দেখি, বাংলা সাহিত্যের দুই অতুলনীয় প্রতিভা হিসেবে ।
সকল নোংরা রাজনীতি উর্ধ্বে ।
৩. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০০
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: চাই = চায় ।
৪. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০১
comment by: ক্যামেরাম্যান বলেছেন:
রবীন্দ্রনাথ কিংবা নজরুল, কেউই মনে হয় তাদের গানে বিদেশী সুর ব্যবহার করার কথা অস্বীকার করেন নাই। কিন্তু কিছু লোক সবসময়ই এটাকে নিয়ে মাতামাতি করতে পছন্দ করে। আর কে বড় - এই প্রশ্নটাই কিন্তু হাস্যকর।
৫. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৬
comment by: সুন্দর সমর বলেছেন: আমাদের জাতীয় সংগীতের সুরতো শোনা যায় লালন গীতি থেকে নেয়া। কিন্তু সংকট হল বিশ্ব ভারতী রবীন্দ্র সংগীতের একক 'মা-বাপ' ছিলো। সেটা কোন নীতির বলে করা হয়েছিলো? প্রশ্ন এখানেই। দ্বিতীয়ত সাহিত্যের জগতে ভাব অবলম্বন, ছায়া অবলম্বন প্রভূতি কথা বহু পুরানোকাল থেকে প্রচলিত আছে। সে কথা আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত হবে না। দ্বিতীয়ত: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হিন্দু ছিলেন সে তথ্য কতোটা সঠিক?
৬. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
comment by: সুন্দর সমর বলেছেন: শেষ কথা একজন 'চুরি' করেছে বলে আরেকজন 'চুরি' করবে বা তার 'চুরি' বৈধ হয়ে যাবে সে কথা কতোটা সঠিক?
৭. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
comment by: এফ আই দীপু বলেছেন: সাম্প্রদায়িকতার কোন্দল সৃষ্টি করার জন্য এহেন পোস্ট। মাইনাস দিলাম।
রবী ঠাকুর, নজরুল দুজনেই আমাদের অহংকার। বিতর্কের উদ্ধে। আমরা সবাইকে ভালোবাসি।
৮. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২২
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: লাইটহাউজ রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না।
তিনি ছিলেন ব্রাক্ষ্ণ। এরা সম্ভবত নিরাকার স্রষ্টায় বিস্বাসী এবং একত্ববাদী। রবীন্দ্রনাথের দাদা ইসলাম এবং খ্রীষ্টধর্মের মুল বস্তুর সাথে সামন্জস্য রেখে এই ধর্মটি প্রবর্তন করেন।
রবীন্দ্রপ্রতিভা নজরুলকে ছাড়িয়ে অনেক উপরে। এটি আমার ব্যক্তিকত মতামত।
তবে রবীন্দ্রনাথ কিছুটা সাম্প্রদায়িক ছিলেন, কিন্তু নজরুল ছিলেন পুরোপুরি অসাম্প্রদায়িক।
৯. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪
comment by: মানব মানিক বলেছেন: রবীন্দ্র-নজরুল অনেক বড় ব্যাপার । এখানে কোন বিতর্ক বা সমালোচনা চলে না।
১০. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৭
comment by: মানব মানিক বলেছেন:
@মাহিরাহি

" রবীন্দ্রনাথের দাদা ইসলাম এবং খ্রীষ্টধর্মের মুল বস্তুর সাথে সামন্জস্য রেখে এই ধর্মটি প্রবর্তন করেন। ............

তবে রবীন্দ্রনাথ কিছুটা সাম্প্রদায়িক ছিলেন, কিন্তু নজরুল ছিলেন পুরোপুরি অসাম্প্রদায়িক। ........."

আপত্তি আছে । লিংক দেন বা প্রমাণ দেখান ।
১১. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬
comment by: শান্তির দেবদূত বলেছেন: নির্দ্বিধায় মাইনাস.. আপনার কাজটাও ছাগলদের মতই হয়েছে।

দয়া করে এত কষ্ট করে আবর্জনা না ঘেটে মানবতার জন্য আপনার মেধা ও শ্রম ব্যয় করুন।
১২. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: Brahmoism, the youngest of India's 9 recognised religions, is based on the foundation of Raja Ram Mohan Roy's reformed[1] Hindu spiritualism (as exemplified by the Trust deed of Brahmo Sabha executed in 1830) and invigorated by scientific blending of compatible Judeo-Islamic faith and practice. The religion was first codified by Maharshi Debendranath Tagore with the formulation of the Brahmo Dharma Beej and publication of the Brahma Dharma book in 1848/1850 in 2 volume
http://en.wikipedia.org/wiki/Brahmoism
১৩. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: ভালো লেগেছে
১৪. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: Brahmoism does not forbid its followers from retaining other faiths like Hinduism, Islam or Christianity. Neither is formal conversion to Brahmoism required nowaday
১৫. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮
comment by: মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: সাহিত্যে চুরি বা 'কুম্ভিলকতা' বলতে কিছু নেই।

সৃষ্টির ক্ষেত্রে সবাই তার পুর্বসুরিদের সৃষ্টি দ্বার অনুপ্রানিত হয়। তাই ছাপ থাকা স্বাভাবিক।

সবারই আছে। নজরুর-রবীন্দ্রনাথ ও এর বাইরে নন।
যারা এই কারনে কোন সাহিত্যস্রষ্টাকে দোষ দেন তারা আসলে সাহিত্য বিচার করেন না। অন্য কোন কিছু তার বিবেচনায় থাকে।
১৬. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: ত্রিভূবনের প্রিয় আর শুকনো পাতার নূপুর.....এই দুটো গানই একই সুরের।

চুরির কিছু নাইরে ভাই... সুরের প্রভাব থাকতেই পারে...

রবীন্দ্রনাথকে গাঞ্জে-ফেরেশতে বানাতে গিয়ে আপনি নজরুলকে চোর বানিয়ে ফেলেছেন... এটা ঠিক হয়নি...

দুজনই মহান, অতি উচ্চ...
১৭. ২৬ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: কৃত্তিম একটা ইস্যু তৈরী করে অপ্রয়োজনীয় আঁতলামী করার জন্য মাইনাস দিলাম।
১৮. ২৬ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:০৭
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: In his letter to Subhash Chandra Bose (1937) Rabindranath wrote,
When Bengali Mussalmans show signs of stubborn fanaticism, we regard these as intolerable. When we too copy them and make unreasonable demands, it will be self-defeating."
১৯. ২৬ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: লিখেছেন ভালই। তবুও ওদের মত এসব ফালতু ব্যাপার নিয়ে ঘাটাঘাটি ভাল লাগে না।
২০. ২৭ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:১৭
comment by: স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:


যে সব মূর্খরা রবীন্দ্রনাথকে চোর বলে প্রমাণ করতে চাই, আপনিওতো তাদের পথেই হাঁটলেন ।
২১. ২৭ শে মে, ২০০৮ রাত ১:১২
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:


যে সব মূর্খরা রবীন্দ্রনাথকে চোর বলে প্রমাণ করতে চাই, আপনিওতো তাদের পথেই হাঁটলেন । ব্যক্তি ভিন্ন শুধু । সানন্দে মাইনাস ।
২২. ২৭ শে মে, ২০০৮ রাত ১:১৭
comment by: বাফড়া বলেছেন: আরাশী আর সুন্দর সমরের সাথে একমত। যাহোক আপনাকে এই পুস্ট লিখার জন্য যেটুকু পড়াশোনা করতে হয়েছে সেটুকু পরিশ্রম কয়জনাই বা করে। আপনার পয়েন্ট টা ধরতে পেরেছি; কিন্তু এটুকু বলতে পারি যে আপনার প্রেজেন্টেশান ভুল ছিল।
২৩. ১৩ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০০
comment by: রাশেদ বলেছেন: আপ্নে কই!
২৪. ২৯ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
আপ্নে কুনায় ডুব মাইল্লেন, ভাইডি?
২৫. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
এইডা কিন্তুক ভালৈতাচেনা কৈলাম...!!
লোতুন পুস্টো দ্যান শিগ্গির।
২৬. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:২২
comment by: প্রান্তজাকির বলেছেন: 'লেখক বলেছেন-ব্যক্তিগতভাবে আমি প্রাচীন বিদেশী সুরকে দেশীয় গানে ব্যবহার করে দেশীয় সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করার কাজকে চুরি বলে মনে করি না। এই লেখায় বারংবার চুরি বা চৌর্যবৃত্তি কথাটি ব্যবহার করতে বাধ্য হওয়ায় আমি দুঃখিত। '



বুঝলাম না। তাহলে কি আপনি সেলফ কন্ট্রাডিকশানে ভুগছেন।

 



 


নেই স্বর্গলোভ কিংবা কল্প-নরকের ভয়,/অলীক সাফল্যমুক্ত কর্মময় পৃথিবী আমার৷

চর্মচোখে যা যা দেখি, শারীরিক ইন্দ্রিয় যা ধরে,/তাকেই গ্রহন করি৷ জানি, নিরাকার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২০৭৫১