আমার প্রিয় পোস্ট

সত্য সুন্দরকে ব্রত করি জীবনে

একটা শিউলি ফুলের গাছ ছিল ঐখানে , এখন নেই ।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩২

শেয়ারঃ
0 5 0


ছোটবোনের নিজ হাতে লাগান গাছের ফুল , তার মেলবোর্নের বাড়ীতে ।


একজন সেদিন ফোনে বলল মেলবোর্ন থেকে , ' জানেন আপা , আজ মনাশ ইউনিভার্সিটির জাপানী ছাত্র কাঁদছে , আমেরিকান ছাত্র কাঁদছে , গতকাল ইকোনোমেট্রিক্স এন্ড বিজনেস ফ্যাকাল্টির ক্লাস সাসপেন্ড ছিল তাহেরা পারভীনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে । তাকে যারা চিনত , ভালবাসত । অনেক জনপ্রিয় ছিল সে । '
শুনতে হল " ছিল সে " ।
শুনছি শেষদিন আম্মার সাথে একঘন্টারও বেশী কথা বলেছিল সে , অনেক হাসি ঠাট্টা ; প্রতিদিন যেমন বলত । সাত সন্তানের কনিষ্ঠ কন্যা ছিল সে , ছিল আম্মার সবচেয়ে ঘনিষ্ট বন্ধু , আম্মার সেবিকা ।
তাই আম্মাজী সেদিন সবার মাঝে বসে বলেছিলেন ,' তোমাদের যদি আপত্তি না থাকে তাহলে আমার কুটন ( আম্মা তাকে এই নামে ডাকতেন )তার আব্বার পাশে থাকবে চিরকালের , তার ঐপাশে আমি ; সবার ছোট তো , বাবা-মায়ের কোলের মধ্যে থাকবে সে '। আমি বললাম , " আম্মা দেখেন আপনার ছোট মেয়ে কেমন চালাকী করে সবার আগে ভাল জায়াটা দখল করে নিল " ।
আম্মার মতের সাথে সহমত আমাদের সবার ।
তাই হয়েছে , আমাদের অসম্ভব কষ্টের মধ্যে ফেলে সে দ্রুত চলে গেল , আব্বাজীর পাশে চিরশান্তির ঠিকানা খুঁজে নিল ।

হঠাৎ মনে পড়ল , ও যেখানে ঘুমিয়ে আছে অনেকদিন আগে একটা শিউলি ফুলের গাছ ছিল ঐখানে , এখন নেই । নেই আর নেই ; চারিদিকে কি বিষম শূন্যতা , হাহাকার ! এত মানুষ আছে তবু মনে হয় ফাঁকা সব , সবকিছু ফাঁকি , জীবন ফাঁকি --- মিথ্যা , ছলনা । মরনটাই সত্য । তা না হলে কেন সে সেখানেই গেল সব ছেড়ে ?

মনে পড়ছে কত কিছু । ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজে পড়বার সময় শিক্ষা সফরে কক্সবাজার গিয়েছিল একবার , সেখানে বসে আমাকে লিখেছিল চিঠি । একটা লাইন ছিল , " এখানে এসে মনে হচ্ছে আমাদের গ্রামের বাড়ীটা এর চেয়ে অনেক সুন্দর ! " তার ভাল লাগা প্রিয় জায়গায় শেষ ঠিকানা বেছে নিল সে । পৃথিবীর এত জায়গা ছেড়ে জীবনের মায়া এড়িয়ে অল্প বয়সে ।
গত ১৪ই আগষ্ট মেলবোর্নে দুর্ঘটনায় চলে গেছে সে মৃত্যুর পরপারে আকস্মিক ভাবে। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ....... রাজেউন । যেখান থেকে শত ডাকেও আর সাড়া দেয় না সে ; কেউ দেয়না , দিতে পারে না । তা না হলে আমাদের বুক ফাটা আর্তনাদে সে কি ছুটে আসত না ।
মনাশ ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছিল সে , সামনের বছরের জুনে শেষ হবার কথা ছিল । আম্মাকে বলেছিল , " আমি আপনার জন্য আমার পিএইচডির সার্টিফিকেট নিয়ে আসব , দেখবেন কত্ত খুশী লাগবে আপনার " । সেই সার্টিফিকেটের পরিবর্তে এল এক নিষ্ঠুর সংবাদ ।
আমাদের জন্য এক চরম বাস্তবতা , অকল্পনীয় অভিজ্ঞতা ।

আগে একবার মনাশে এম এস করতে পাঠিয়েছিল তাকে মন্ত্রনালয়ে চাকুরীর শুরুতে । ২০০০ বা ২০০১ সালে মনাশ অ্যাওয়ার্ড দেবে বলে তাকে যখন নিমন্ত্রনপত্র দিয়েছিল , সে জানিয়েছিল যে সে বাংলাদেশ সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা , সে তো আর কোথাও কোনকিছুর জন্য এ্যাপ্লাই করে নি । জবাবে কতৃপক্ষ জানিয়েছিল , কেন্দ্রীয়ভাবে তাকে খুঁজে বের করেছে তারা । সেবার বেস্ট স্টুডেন্ট নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করেছিল ছিপছিপে গড়নের , শ্যামলা বাঙালী মেয়েটি , ছোট বোনটি আমার ।
মনে পড়ে ১৮ তম বি সি এস এর সময় তার অনার্স পরীক্ষা শেষ হয়েছে , রেজাল্ট হয় নি , আমার আগ্রহে সে পরীক্ষা দিতে যায় এবং তার মাস্টার্স পরীক্ষার রেজাল্ট হবার কিছুদিনের মধ্যে মন্ত্রনালয়ে তার পোষ্টিং হয়ে যায় । ঢাকা ইউনিভার্সিটির ফিন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে ফার্স্টক্লাস সেকেন্ড হয়ে বের হয় সে । সেখানে সে জনপ্রিয় ছিল সেটাও জানতাম ।

সে মেধাবী ছিল , তাই মনাশ থেকে ফেরার পর তার যোগ্যতার মূল্যায়ন করবার পরে আবার পিএইচডি করবার অনুমতি পেয়েছিল সে কয়েকবছরের মধ্য । বাংলাদেশ সরকারের প্ল্যানিং কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব ছিল সে পদমর্যাদায় । অপেক্ষাকৃত অল্প বয়সে সে এসব অর্জন করেছিল নিজ যোগ্যতায় , পরিশ্রমে এবং আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ।
সব কিছু সে আগে ভাগে করতে চেয়েছে , পেরেছেও । তার হয়তো যাবার তাড়া ছিল , আমরা বুঝতে পারি নি । ও কি বুঝেছিল ?
সবার ছোট হয়ে ও চলে গেল সবার আগে ।
" ছোট্ট যে জন ছিল রে সবচেয়ে ,
সেই দিয়েছে সকল শূণ্য করে "
--- ছোটবেলায় সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ' ছিন্নমুকুল ' কবিতা পড়ে কবির এমন অস্বাভাবিক চিন্তায় বিরক্ত হয়েছিলাম । মন খারাপ হত বলে এড়িয়ে যেতাম বাড়ীর সর্বকনিষ্ঠ সন্তানের বিয়োগব্যথা নিয়ে লেখা এই কবিতা । আর আজ ? এই কবিতাটাই আমাদের পরিবারের চিত্র হয়ে গেল ।
সব খানে তার ছোঁয়া । বাড়ীর সবচেয়ে ছোট বলে আদরের ছিল , তার আদর পাবার বিশেষ যোগ্যতা ছিল । বাড়ীর বড় সন্তানের মত দায়িত্ব পালন করত , মধ্যমনি ছিল সে ।
মনটা খুব নরম ছিল , অনেক বড় হয়েও মুরগীর গোসত খেত না । যে কোন জীবের জন্য তার মায়া ছিল । মেলবোর্ণের বাড়ীতে আছে তার আদরের টিনটিন , যাকে ছেড়ে সে অন্যত্র থাকত না , টিনটিনের যদি কষ্ট হয় এই কথা ভেবে । এখন কি করে থাকছে টিনটিনকে ছেড়ে ?
বলেছিল আম্মাকে , " আম্মা ,আমি চাইলে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারব , চাই না সেটা । আমি দেশে ফিরব , সাধারন মানুষের মত অল্প টাকাতে চলব ।" ওর বরের প্রবাসী জীবনের জন্য আগ্রহ ছিল , ওর ছিল না । গল্প করতো , লেখাপড়ার চাপের মধ্যে হালাল - হারাম বেছে খেতে সময় বের করতে ওর কষ্ট হোত । ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলত যেখানেই থাকতো । আমাদের পরিবারের মধ্যে উজ্জলতম ছিল সে , সর্বাঙ্গীন সুন্দর ছিল তার জীবন , জীবনবোধ । তার মৃত্যুর পর শুনছি তার অফিসের অন্যদের মুখে . " মেধাবী এই মেয়েটি মানুষ হিসেবে ছিল অপূর্ব "। অনেক ভাল ভাল কথা শুনছি , শুনে খুশী হবার পরিবর্তে আফসোস হচ্ছে । মনে হচ্ছে যদি দেশে থাকত , ডিগ্রীর জন্য না যেত এবার হয়তো কাছে থাকত আমাদের । হয়তো অন্যরকম হোত দৃশ্যপট । বিধাতা ভাল জানে ।
অনেক কথা মনে পড়ছে । আমি আর ও পিঠাপিঠি বোন , অতীতের অনেক সুখ-দু:খ ভাগাভাগি আমাদের । একটা পর একটা ঘটনা চোখের সামনে ভেসে উঠছে ।
ভাবতে পারছি না , ও নেই , ওকে দেখব না আর । আম্মার গলা জড়িয়ে ধরবে না দৌড়ে এসে ! আম্মার হাতে বানান চকলেটের জন্য পীড়াপীড়ি করবে না আর । অনেক কিছু মনে আসছে , লেখার শক্তি পাচ্ছি না । ও সাথে করে নিয়ে গেছে আমাদের আনন্দ, হাসি , গান ,বেঁচে থাকবার স্বাভাবিক শক্তি ।

এয়ারপোর্টে কেউ এলে খুশীমনে তাকে স্বাগত জানাতে গিয়েছি আগে । আর এবার এয়ারপোর্টে ? এবার যা পেলাম .........
এবার যা পেলাম তা যেন আর কোনদিন কোন দুর্ভাগা মানুষকে না পেতে হয় কোনদিন । কোনদিন যেন এমন দু:সহ দু:সময়ের মুখোমুখি না হতে হয় আমাদের মত করে । বিধাতার কাছে করজোড়ে প্রার্থনা করি কেউ যেন আমাদের মত কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি না হয় ।



ছোটবোনের আদরের টিনটিন , মেলবোর্নের বাড়ীতে । মনে হচ্ছে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুঁজছে তার প্রিয় মানুষকে ।



[ কৃতজ্ঞতা জানাই নাসিমা আপাকে যিনি গতরাতে আমাকে অনেকটা সময় ধরে বুঝিয়েছেন ,যার অনেক কথা আমি বুঝতে চেয়েছি , পেরেছি । যাঁর অনুপ্রেরনায় লিখতে বসেছি । ]


 

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: ভালো থাক বন্ধু, আমরা আনেক কিছু করতে পারি তারপরও নিয়তির হাতে বন্দি, ভাগ্য বলে একটা জিনিস আছে। অনেকে বলে ভাগ্য নাকি নিজেকে তৈরী করে নিতে হয়। আমি বলি না তারপরও একটা কিছু আছে যা নিয়তি যা মোচন করা যায় না। দুঃখকে জয় করে সামনের দিঙ্গুলির দিকে তাকাও তোমার মার পাশে দাঁড়াও সৃষ্টিকর্তাকে বলো সন্তান হানোর বেদনা এই মা যেন সইতে পারে তাকে শক্তি দাও।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: মনে রাখব তোমার কথা ।
যেন শক্তি পাই এমন একটা ধাক্কা সামলানোর ।

২. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১১
_তানজীর_ বলেছেন: তার রূহের মাগফিরাত কামনা করি।
আপু ভালো থাকবেন।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: ভাল থেকো তোমরাও যে যেখানে আছো ।

৩. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: আপার রূহের মাগফেরাত কামনা করি।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৪. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: মনটা খারাপ হয়ে গেল।
৫. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০০
মেহবুবা বলেছেন: দু:খিত বিমা ।
একজন গতকাল বলেছিল যে শেয়ার করতে ; স্বার্থপর মানুষ আমি ।
শেয়ার করতে গিয়ে দু:খ দিয়ে ফেললাম ।
৬. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩
রোবোট বলেছেন: তাহেরা পারভীন আপনার বোন? ও আমার সহকর্মী ছিলো যখন সরকারী চাকরী করতাম। মনে হয় আমার বছর খানিকের ছোট ছিলো।
বিশ্বাস হয় না। আগুনে পোড়ার ঘটনা কিভাবে ঘটলো? না থাক, বলতে নিশ্চয়ই অসম্ভব খারাপ লাগছে? মন শক্ত করতে যাতে পারেন সেই আশা করি। সময়ে আপনার/আপনাদের কষ্টের প্রকাশ হয়ত বদলাবে, কষ্টটা না। পোস্ট পড়ে বুঝলাম না ওর কি বাচচা-কাচচা ছিলো কিনা?


ডটু রাসেল, এই পোস্টে কমেন্ট না করলে চলতো না? অন্তত এমন কমেন্ট।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: আপনি ওকে চিনতেন ? হ্যা , আমি ওর বোন ।
না বাচ্চা ছিল না । মিসক্যারিজ হয়ে গিয়েছিল ।

মন থেকে চাইছি আমাদের মত কষ্ট যেন কেউ না পায় ।

৭. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২১
রোবোট বলেছেন: হ্যা। যার হারায় সেই জানে। বিরাট বন্ধুত্ব না থাকলেও মোটামুটি পরিচয় ছিলো।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: ওর জন্য দোয়া করবেন ।
নিরাপদ জীবন হোক আপনার , আপনাদের সবার ।

৮. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৫
মানবী বলেছেন: ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাই হেরাজেঊন।

ব্লগে এসেই এমন একটি সংবাদ জেনে ভীষণ মন খারাপ হলো। তাহেরা'র নামটা খুব পরিচিত মনে হচ্ছে.. ডাক নামটা মনে করতে পারলে হয়তো নিশ্চিত হতাম।



আপনার ছোটবোনের আত্মার শান্তি কামনা করছি। মহান আল্লাহ্ আপনার মা ও পরিবারের সকলকে এই শোক সইবার শক্তি দিন দোয়া করি।

কি ভয়ংকর কষ্টের সময় পারি দিচ্ছেন বুঝতে পারছি!! টাইপ করার সময় হয়তো কী-বোর্ড বার বার ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিলো। অন্তত এটুকু ভাবতে চেষ্টা করুন আমরা যে কেউ যে কোন সময়ই চলে যাবো সেখানে, ওটা আমাদের সকলের ফাইনাল ডেস্টিনেশন। তাহেরা রেসে ফার্স্ট হয়ে আগে পৌঁছে গেছে।


আপনারা ভালো থাকুন।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: তাহেরার ডাক নাম লিপি ।
ওর নামের জন্য একবার ক্যাডেট কলেজে ওকে ডেকে নেয়া হয়েছিল , কেন এত নামে ওর চিঠি যেত । পরিবারের মধ্যেই ছিল তার পাঁচটা নাম ।বাইরে লিপি , লিপাই , তাহেরা , তাহেরা পারভীন ।
তোমার নামটা যথার্থ ।
মনে থাকবে তোমার কথা ।
আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুক ।

৯. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৮
সহজ্‌ বলেছেন: না ,এমন একটি জীবনের অবসান, মনকে বোঝানো যায় না।একজন বললেন,কষ্টের প্রকাশ হয়তো পাল্টাবে কিন্ত কষ্টটি নয়,মনে হয় তাই।এই বিয়োগব্যথা আজ পরিবার পেরিয়ে অনেক পরিচিতকেও স্তব্ধ করে দিয়েছে।ওর কৃতীত্বপূ্র্ণ পদচারণা আর বন্ধুসুলভ আচরণ ক্র্মক্ষেত্রে ওঁকে অতি সম্ভাবনাময় আগামী হিসেবে পররিচিত করেছে। ও এখন চিরতরে ঘুমিয়ে আছে,তবে ওঁর স্মৃতি প্রিয়জন ও অনেক অনেকেরই কাছে জেগে থাকবে অনুসরণীয় হিসেবে।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: কি করব ? কি বলব ?
তোমরা ভাল থেকো । মনটা দুর্বল হয়ে আছে ।

১০. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৭
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: আপুর রূহের মাগফিরাত কামনা করি :( :(
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: সেটাই এখন প্রয়োজন ওর জন্য । দোয়া করো আমাদের জন্য ।
স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করি আর কোন মানুষের ক্ষেত্রে যেন এমন না ঘটে ।

১১. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৪
পারভেজ বলেছেন: ওনার রূহের মাগফিরাত কামনা করি।
এমনভাবে চলে যাওয়ার কোন সান্তনা হয় না।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: তাই চাই , দোয়া করবেন ওর জন্য ।

১২. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: ওনার রূহের মাগফেরাত কামনা করছি।
আমরাও গত মাসে একজনকে হারিয়েছি মাত্র ১৬বছর বয়সে। পরিবাবের বড়ো মেয়ে ছিলো। শান্তনা দেওয়ার কিছু নেই তাই দেখাও করতে যাইনি। ওর মা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: ওই মেয়েটির আত্মা শান্তি পাক । তার মায়ের সুস্থ স্বাভাবিক জীবন আল্লাহ ফিরিয়ে দিক দ্রুত সেই কামনা করছি ।

১৩. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: ইফতারটা হাতে নিয়ে বসেছিলাম আপনার পোষ্টটা পড়তে, দোয়া করি ওর জন্য ...
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: শুনেছি ইফতারীর সময় দোয়া করা ভাল ।
আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুক ।

১৪. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১
নির্ঝরিনী বলেছেন: পোস্ট পড়ে মনটা ভীষন খারাপ হয়ে গেল...

আপনার ছোটবোনের আত্মার শান্তি কামনা করছি। দোয়া করি, মহান আল্লাহ্ আপনার মা ও পরিবারের সকলকে এই শোক সইবার শক্তি দিন।


১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: ওর জন্য দোয়া করো ।
তোমরাও ভাল থেকো যে যেখানে আছো ।

১৫. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪
মানবী বলেছেন: নামগুলো শেয়ার করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।



তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি।
আপনার সবাই ভালো থাকুন।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪১

লেখক বলেছেন: পরিবারে তার পাঁচটি নয় , ছয়টি নাম ছিল । শেষেরটি ভাই-বোনের ছেলে মেয়েদের দেওয়া " তিতি " । প্রথম দিয়েছিল বড় ভাইয়ের ছেলে ছোট থাকতে , ওর নামটা উচ্চারন করতে পারত না বলে । পারিবারিক নামগুলো তার --
বাবু,
টিপি,
কুটন,
কুট্টি,
আপু,
তিতি ।
( আমি ডাকতাম আপু বলে ) ।

ওর জন্য দোয়া করো , তাই চাই ।
তুমি ভাল থেকো ।

১৬. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২২
নুশেরা বলেছেন: মেহবুবা, আমি কল্পনাও করতে পারিনি তাহেরাআপা তোমার বোন। ওনার সঙ্গে সরাসরি পরিচয় ছিলোনা তবে ওনার কথা জানতাম, আমাদের কমন বন্ধু-পরিবার আছে মেলবোর্নে। এই মর্মযাতনার ভার তুমি কীভাবে বইছো বন্ধু আমি জানিনা... প্রার্থনা ছাড়া আর কিছুই করতে পারছি না... তোমরা নিরাপদে থেকো...
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: কতকিছুই তো কল্পনার বাইরে ।
আমরা কি ভেবেছিলাম এমন একটা সংবাদ আসবে আমাদের কাছে !

এখন মনটা কেমন যেন হয়ে গেছে ; প্রবাসে যে যেখানে আছে মনে হয় সবাইকে দেশে নিয়ে আসি ।
ওর জন্য দোয়া করো নুশেরা ।

১৭. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
ফারহান দাউদ বলেছেন: কি বলবো বলুন? এক বন্ধু মারা গেছে ২ দিন আগে কার অ্যাক্সিডেন্টে, আগের রাতেও যার সাথে কথা বলেছি, তাও ৭ বছর পরে দেখা পেয়ে, পরের দিন দেখি নেই। মনটা খুব বেশি খারাপ হলো, সান্ত্বনা দিলাম না, সবকিছুর সান্তনা হয় না। তাঁর আত্মার মাগফেরাতের জন্য দোয়া করছি।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৩

লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুক ।

১৮. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: আজকে অনেকদিন পর ব্লগে ঢুকলাম । পরপর দুটো মন খারাপ করা সংবাদ পেলাম। কিছু বলার থাকে না এসব জায়গায়।
শুধু এটুকু বলা যায় প্রিয়জনদের হারানোর বেদনার কষ্ট বলে বুঝানো যায় না। আপনার মনের অবস্থা বুঝতে পারছি। সান্তনার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি। আল্লাহ যখন বেছে নেন সেরা ফুলটিকেই সবার আগে তুলে নেন।

তাঁর বিদেহী আত্মার জন্য প্রার্থনা।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: আল্লাহ যখন বেছে নেন সেরা ফুলটিকেই সবার আগে তুলে নেন।

তোমার এই কথাটা সত্যি আমাদের পরিবারের ক্ষেত্রে । ও পরিবারের সেরা ছিল । আমরা রয়ে গেলাম ।
ওর জন্য একটু দোয়া করো ।

১৯. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১০
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কি বলবো বুঝছি না.....
কত যে কষ্টে আছো সে কথা বুঝতে পারছি।
চলে তো যাবো সবাই....অসময়ে চলে যাওয়া গুলো মেনে নিতে খুব কষ্ট হয়।
তবু চলে যাওয়ার কোন সময় নেই।

দোয়া করি বোনটার জন্য।
দোয়া করি তোমাদের জন্য।
আল্লাহ যেনো তোমাদের ধৈর্য্য দেন।

আমরা যেনো সবাই ভালো থাকি। বেঁচে থাকি।
অনেক শুভকামনা আর প্রার্থনা।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: অসময়ে চলে যাওয়া গুলো মেনে নিতে খুব কষ্ট হয়।
সেখানে বড় কষ্ট । তার সাথে আছে আকস্মিক ঘটে যাওয়া ঘটনা । আজ আম্মা বলছিলেন , সে তো জীবনের কিছুই উপভোগ করতে পারেনি , লেখা পড়া করতে করতে চলে গেল ।
আমরাই সহ্য করতে পারছি না ; আম্মাজী কি করে করছেন বুঝি না ।
ওর জন্য দোয়া করো আল্লাহর কাছে ।
তোমার দিনগুলো যেন ভাল কাটে , নিশ্চিন্তে কাটে তাই চাই ।

২০. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৭
আবু সালেহ বলেছেন:
কি বলবো বুঝতে পারছি না....

নিয়তি বা ভাগ্য বলে একটা কথা আছে তার কাছেই হয়তো বন্ধি....
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: আমরা স্রষ্টার ইচ্ছার বাইরে যেতে পারি না ।
মেনে নিতে কষ্ট হয় ।
সর্বান্তকরনে চাই আর যেন কোন পরিবারে এমন ঘটনা না ঘটে ।

২১. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
নুভান বলেছেন: আল্লাহ ওনাকে বেহেসত নসীব করান, আমিন।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: আপনার দোয়া আল্লাহ কবুল করুক ।
আপনার জন্য শুভকামনা রইল ।

২২. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
নুশেরা বলেছেন: গতবছর এরকম সময়ে মেলবোর্নে আমার সামনের বাসার অল্পবয়সী মেয়েটা একদিন হঠাৎ চলে গেলো... রাতে পুলিসের গাড়ি দেখেও বুঝিনি... পরে শুনলাম বাংলাদেশী মেয়ে... তিনমাস ধরে এই বাসায় থাকতো, তার স্বামীর চালচলন দেখে ভারতীয় ভেবে আর আগ বাড়িয়ে আলাপ করিনি... বড় বিষণ্ণ ছিলো, বড় একাকী ছিলো সেই মেয়ে... নিজের ওপর রাগ হয়েছিলো কেন আগে পরিচয় করিনি, হয়তো একজন সঙ্গী পেলে মন খুলে হাল্কা হতো সে...

মা নিশ্চয়ই খুব ভেঙে পড়েছেন, আয়মান মনামীর জন্যও অনেক বড় আঘাত... তুমি যেন শক্ত থাকতে পারো এই প্রার্থনা করি...
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: কেন এমন একটা ঘটনার মুখোমুখি করলেন স্রষ্টা জানি না ।

আম্মা বেশ শক্ত থাকবার ভান করছেন , বোঝা যায় ভিতরে ভিতরে তার ক্ষয় ।
আমার এই বোন সবদিক দিয়ে এগিয়ে ছিল ।
ক'দিন আগে আমার বর কেতে গিয়ে মাথা নীচু করে চোখের পানি লুকোচ্ছিল । আমার জিজ্ঞাসু দৃষ্টি দেখে বলল , ' আমরা অনেকটা ইফতারী করে মাগরেব পড়তে যাই , টিপি একটু ইফতারী মুখে দিয়েই নামাজ সেরে আসতো , ও অনেক ভাল ছিল ' ।

আমার সেদিন আর বলা হয়নি যে ও আমার ছোটবোন ছিল , কিন্তু ওই প্রায়ই মনে করিয়ে দিত আযানের পর পরই নামাজ পড়তে , যদি হঠাৎ মরে যায় কেউ ,সেই নামাজ বিলম্বের কারনে তার কাযা হয়ে যাবে ।

ওর কথা কতকিছু মনে আসে , আনতে চাই না ; তবু মনে আসে ।
দোয়া করো ওর জন্য ।
নিজের যত্ন নিও ।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: আপনাদের দোয়া যেন কবুল হয় ।

২৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
আবার এসে ঘুরে গেলাম........।
পোষ্ট টা পড়ার পর থেকে মনটা খুব খারাপ।
কিছুই ভালো লাগছে না........
কাঁদলে নাকি মন হালকা হয়...
কই হচ্ছে নাতো।
তোমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করছে......
ভালো থাকো মেহবুবা.....
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: মন কিসে হালকা হয় জানলে সবার আগে আমি নিজে সেটা করতাম ।

আমার সাথে এখন কথা বললে তোমার ভাল লাগবে না ;
আমি ঘুরে ফিরে ওর কথাতে চলে যাই ।

তুমি ভাল থেকো , বাচ্চাদের নিয়ে আসছে ঈদে মজা করতে যেন পারো ।
অল্প কদিনের দুনিয়া , যতটুকু পারো বেঁচে থাকবার মত বাঁচা ।

২৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
কাব্য বলেছেন: তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করছি ........
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করুক ।
আপনার মঙ্গল হোক ।

২৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩১
আশাবাদী মানুষ বলেছেন:

আল্লাহ আপনার বোনকে শান্তিতে রাখুক।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার দোয়া আল্লাহ কবুল করুক ।
আপনার সুস্থ সুন্দর জীবন চাই ।

২৭. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪১
গোয়েবলস বলেছেন: আপু বেহেস্তবাসী হোন।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: তোমার দোয়া আল্লাহ কবুল করুক ।
তোমার জন্য দোয়া করি ভাল থেকো ।

২৮. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৮
রোবোট বলেছেন: Tahera Parveen
আমরা TP (টিপি) ডাকতাম।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: Tahera Parveen এর থেকে TP নামটা তৈরী হয়েছিল বাসায় ।
বন্ধুরা জানতাম ওর ডাকনাম লিপি ডাকত । আপনি / আপনারা যে টিপি ডাকতেন জানতাম না ।
অ:ট: আপনার আসল নামটা জানলে ভাল লাগত ।

২৯. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

কিছু সময়, কখনও এমন, সান্তনার বাণী যখন অর্থহীন !

তার লাগানো ফুলগুলো ফুটতে থাকবে, শুধু সে থাকলো না !
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: সব তেমনি আছে , সেই নেই পৃথিবীর পরে ।
কতভাবে সান্তনা খুঁজি , পাই না ।
আল্লাহ আপার মঙ্গল করুক ।

৩০. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৮
জেরী বলেছেন: আপরে ব্লগে কম দেখি( এই কমেন্টস টা ভুল করে মেহবুবা আখতার আপুরে দিয়া দিছি)...কেমন আছেন আপু?? নিয়মিত আছি তবে অফলাইন থাকি:(
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: মাহবুবা আখতার নামের একজনকে অনেক আগে থেকেই খেয়াল করতাম ব্লগে । নামের মিলের কারনে হবে হয়তো ।
ব্লগে আসতে মন চায় না অনেক সময় । আজকাল সব বিষয়ে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছি ।

৩১. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
গোয়েবলস বলেছেন: আপু আপনার বাড়ি বাগেরহাট?
বাগেরহাটের কোথায়?
আমার বাড়ি ও ওইখানে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: বাগেরহাটের মোল্লাহাট ।

৩২. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯
তাজা কলম বলেছেন: মনটা বিষন্নতায় ছুয়ে গেল। আসলে আমরা মানব অসহায়, নিয়তির কাছে সদা নতজানু। ওনার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায়।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনার চাওয়া কবুল করুক ।
ভাল থাকবেন , নিরাপদ থাকবেন সেই কামনা করি ।

৩৩. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৯
রোবোট বলেছেন:

শুধু সামুর ব্লগারদের জন্য এড্রেসটা বানিয়েছি
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: থাকল ঠিকানা আপনার । আপনি যে এক সময়ে আমার আপুর সাথে কাজ করেছেন সেটা মনে পড়ে ।
ধন্যবাদ , জানি দোয়া করবেন , তবু চাই ।

১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: এখন আপনি কোথায় থাকেন , অসুবিধা না থাকলে বলতে পারেন ।

৩৪. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩১
চিন্তা শিল্পী বলেছেন: আমাকে চিনতে পারলেন???...পদচ্ছাপ রেখে গেলাম!আশা করি খোঁজ করবেন!
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: না ভাই , কখনো আপনার লেখা পড়েছি বলে মনে পড়ে না ।
শুভকামনা আপনার জন্য ।

৩৫. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪০
অপ্‌সরা বলেছেন: আপুটার রূহের মাগফিরাত কামনা করি।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: তোমার দোয়া আল্লাহ যেন কবুল করে ্
খুব করে মনে হয় আমরা যেন কোনকিছুতে ভুল না করে ফেলি ; স্রষ্টা আমাদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেবে সেই আশা করি ।

৩৬. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯
মুক্ত বয়ান বলেছেন: নো কমেন্ট, নো রেটিং।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: কেন মুক্তবয়ান ? নিরাপদ হোক তোমার জীবন , তোমাদের জীবন ।

৩৭. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০১
আবু সালেহ বলেছেন:
আপুটার রূহের মাগফিরাত কামনা করি................
নিজেও ভালো থাকুন.........
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: সালেহা নামে আমার অনেক প্রিয় একজন মহিলা আছেন ; কয়েকবছর আগে স্ট্রোক করেছিল । আমি চেষ্টা করি ঈদে তাঁর জন্য শাড়ী কিনতে । এবার কিনিনি । কিনতে পারতাম , তবে নিজে হাতে তাঁকে দিয়ে আসাটা পারছি না । মনটা কেমন করছে ।
আপনার নামটা আমার মনে থাকে ।
আপনিও ভাল থাকুন ।

৩৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমি জানিনা কি লিখবো , লিখে আপনার কষ্টগুলোকে আবার জীবন দিয়ে ফেলব কিনা .....

তবুও , ব্যথাটা ভীষণ হয়ে বিঁধল , অচেনা কেউ একজন , অথচ কত আপন । আপনজনেরাও তো হঠাৎ এভাবেই হারিয়ে যায় ....
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: সাইকোলজীতে ভেনটিলেশন বলে একটা টার্ম ব্যবহৃত হয় , যে কোন কষ্ট বা দু:খ ভার কমানোর জন্য ।
আমি না জেনে, না বুঝে ব্লগে সেটা প্রয়োগ করেছি ।
তাই আমার কষ্ট তোমার মন্তব্যে জীবন্ত হবার কারন নেই , কারনটা হোল আমি সেই অবস্থা থেকে পরিত্রান পাইনি , চেষ্টা করেও ভুলে বা দূরে সরিয়ে রাখা যায় না বিষয়টা ।

তুমি , তোমরা ভাল থাকবে , নিরাপদে থাকবে । সবার জন্য স্বাভাবিক জীবন এবং স্বাভাবিক মৃত্যু , সেটি যেন হয় ।

২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: আপনার জন্যেও শুভকামনা রইল ।

৪০. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪১
লীনা দিলরূবা বলেছেন: মেহবুবা, কি বলবো!! বাকহারা। অনেকদিন পর তোমার ব্লগে এসে কি দেখলাম! সত্যি খুব খারাপ লাগছে, খুবই খারাপ লাগলো।।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: তোমাদের মত অনেকে আছে , অনেক অন্ধকারাচ্ছন্ন সময় পার করছি ; কি করে করছি জানি না । যিনি দিয়েছেন আঘাত , তিনি তা সহ্য করবার ক্ষমতা দিক তাই চাইছি ।

৪১. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৮
চতুষ্কোণ বলেছেন: কি বলব বুঝতে পারছিনা! এভাবে অসময়ে চলে যাওয়া মেনে নেয়াটা খুব কষ্টকর।উনার রূহের মাগফেরাত কামনা করি।
আপনারাও এই শোক কাটিয়ে উঠুন এই দোয়াই করছি।
২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ।

৪২. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৯
তারার হাসি বলেছেন:
শিউলি ফুল দেখতে পেয়ে পোস্টটা পড়তে শুরু করে থেমে গেলাম কিছুক্ষণের জন্য। ভাল মানুষগুলি অকালেই হারিয়ে যায়, কেন আমি জানি না। তবে এমন অনেক দেখেছি।
ছোট্টবোনটা খুবই ভাল আছেন, আপনারা ভাল থাকুন।
অনেক শুভকামনা।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: তোমার কথা ঠিক । ভাল মানুষেরা অকালে হারিয়ে যায় ।

ছোট্ট বোন আমার ভাল থাকুক , তাই চাই ।
তুমিও ভাল থেকো , আমার ছোট বোন তুমি , তোমরা অনেকে ।

৪৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৯
ত্রিশোনকু বলেছেন: পরম করুণাময় তাকে অনন্তকাল সেখানে রাখুক যে জায়গাটি হবে শান্তিময় এবং যার পাশ দিয়ে বয়ে যাবে ঝরনা।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার প্রার্থনা মঙ্গলময় কবুল করবে সে আশা রাখি ।

নিরাপদ থাকুন , সুস্থ থাকুন ।

৪৪. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৪৬
আরিয়ানা বলেছেন: খুব দেরিতে পোস্টা পড়া হলো। কষ্ট হচ্ছে, অনেক দোয়া থাকলো তাঁর জন্য। আপনিকি অস্ট্রেলিয়া তে থাকেন? আমরা বিসবানে মুভ করে যাব এই বছরের শেষ। দেখা করা যেত আপনি ওখানে থাকলে।
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: আমি বাংলাদেশে থাকি আরিয়ানা ।

অস্ট্রেলিয়া এখন আমাদের পরিবারে একটা আতংক, বিভীষিকা ।

ভাল থেকো , নিরাপদে থেকো ।
জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত সব অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থেকো ।

৪৫. ২৬ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:২২
সুরঞ্জনা বলেছেন: মেহবুবা, আমি বুঝতে পারছি তোমার মনের ভিতর অনেক কথা জমে আছে। সেগুলো তোমার বলে ফেলা উচিত। এই যে আমরা যারা তোমায় অনেক ভালোবেসে আপন করে নিয়েছি, এই আমাদের কাছে তুমি মনের ভার হলকা করো। আমরা তোমায় ভালোবেসে জড়িয়ে ধরে সে কষ্টকে নিজের মাঝে ধারন করবো। তুমি কিছুটা হালকা হবে।
অনেক ভালোবাসা তোমার জন্য।
২৬ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: পারি না সুরঞ্জনা , পারা যায় না ।
ওর বিষয়ে কোন কথা শুনতে বা বলতে গেলে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে । কোন সান্ত্বনা পাইনা । অন্যরাও পায় না ।
যখন রাশি রাশি প্রশংসা শুনি মনে হয় এ সবের জন্যেই তো ওকে চলে যেতে হলো অসময়ে ।
খুব কষ্ট হয় ; বেঁচে থাকা অর্থহীন লাগে । বাচ্চাদের কথা ভেবে শক্তি যুগিয়ে নেই ।
আর আম্মার কথা ভেবে অবাক হই । কি করে সম্ভভ হচ্ছে ওনার পক্ষে ?
আমরা বাকী ৬ ভাই-বোন যতটুকু গুন ধারন করি ও একা তার চেয়ে বেশী ছিল ।
ও ভাগ্যবতী , কতজন ওর জন্য দোয়া করছে ।
মাঝে মাঝে নেটে বসে তাহেরা পারভীন সার্চ দেই , কে যেন আমার এই পোষ্ট গুগলে দিয়েছে পড়ছিলাম সেখানে বসে । তারপর অবাক হয়ে গেলাম একজন চাইনীজ ( নাম পড়ে পুরুষ না মহিলা বুঝতে পারিনি) মনাশ ইউনিভার্সিটিতে পড়ে সে আপুকে নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়েছে । আপুর কথা বলতে গিয়ে সে ভাল ভাল কথা বলেছে । তাকে কৃতজ্ঞতা জানাবো কি ? মন বলছিল দরকার কি ছিল এ সবের ।

আরেকটা অদ্ভুত বিষয় দেখেছি । ওয়েব সার্চ করতে করতে পুরো " তাহেরা পারভীন লিপি " নামে একজন কুষ্টিয়ায় আলাউদ্দিন স্কুল নামে কোথায় শিক্ষিকা । মেয়েটাকে দেখতে ইচ্ছে করছিল ।
পারি না , শক্তি কমে গেছে । অনেক দূর্বল হয়ে গেছি । দোয়া করো যেন বেহেশতে আদরে থাকে ও ।
দোয়া করো যেন ধৈর্য্য ধরে বাচ্চাদের মানুষ করতে পারি ।

৪৬. ২৬ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৪১
জিসান শা ইকরাম বলেছেন: "ভাবতে পারছি না , ও নেই , ওকে দেখব না আর । আম্মার গলা জড়িয়ে ধরবে না দৌড়ে এসে ! আম্মার হাতে বানান চকলেটের জন্য পীড়াপীড়ি করবে না আর .. .. .. "

এ যেন আমার ই ছোট বোন ।
এতো আবেগ দিয়ে মোড়ান লেখা পড়িনি অনেক দিন।অনেক দেরিতে পড়লাম লেখাটা।কিছুদিন আগে পরলেও দেখে আসতে পারতাম- শিউলি ফুলের গাছটা।

আল্লাহ্ অবশ্যই আপনার বোণকে শিউলি ফুলের মাঝে রাখবেণ।
৪৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৩
জিসান শা ইকরাম বলেছেন: এখানে আমি একটি ভুল করেছি।নিচের অংশ পড়তে পড়তে এত আবেগ প্রবন হয়েছিলাম- যে জায়গার নামটা ভুলে গিয়েছিলাম।

এখন পড়তে এসে এটা ধরা পরলো।

আমি আসলে মেলবোর্ন যাইনি , গিয়েছিলাম মনট্রিল।
স্যরি এজন্য।
৪৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:২৫
আমি সুখ পাখি বলেছেন: আপু , আপনার কষ্ট টা আমাকেও শ্পর্শ করলো।
আল্লাহ্ যেন আপনার বোন তাহেরা পারভীনকে বেহেস্ত নসীব করেন।
৪৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৫৬
নাআমি বলেছেন: পোষ্ট টা পড়ার পর থেকে মনটা খুবই খারাপ,খই করব বুঝতে পারছিনা....
কিছুই ভালো লাগছে না...চোখের পানি থামাতে পারছিনা....
কাঁদলে নাকি মন হালকা হয়..কই হচ্ছে নাতো??
ইচ্ছা করছে ছুটে গিয়ে আপনাকে জড়িয়ে ধরি.....
আমাদের পরিবারে এরকম একটি ঘটনা....
আমাদের বাড়ির সবচেয়ে ছোট যে..আমার বড় বোনের ১৪ বছরের মেয়েটা চলে গেছে হটাৎ করেই......

বোনটা শুধু আল্লাহকে বলে,"মা ডাক যদি শোনালেই খোদা,তবে কেড়ে নিলে কেন??

দো্যা করা ছাড়া আর কিইবা করার আছে আমাদের?
আল্লাহ উনাকে বেহেস্তবাশি করুক আর আপনাদের সহ্য শক্তি দিক!


ভালো থাকার চেষ্টা করেন মেহবুবা.....
৫০. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:৫৪
চাঙ্কু বলেছেন: এই পোষ্টে মন্তব্য করার মত ক্ষমতা নাই আপু। মাঝে মাঝে মনে হয় উপরওয়ালা খুব বায়াসড, ভাল মানুষদের পছন্দ করেন না ।
৫১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৪২
অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: চুপ করে আছি!কিছু বলার শক্তি নাই আপু,আমি সত্যি দোয়া করব,আপুটা ভাল থাকবে দেখবেন আল্লাহর কাছে!
৫২. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৫
শুকনা মরিচ বলেছেন: কিছু লেখার শক্তি পাচ্ছিনা। কেমন যেনো অবশ হয়ে আসছে হাতটা।
দোয়া করি - আল্লাহ তাহেরা আপাকে বেহেশত নসীব করুন।
আর এই শোক সামলে ওঠার শক্তি যেন পান।
৫৩. ০১ লা মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:০৪
রাজনীতির কবি বলেছেন: আপু। আপনি এতটা লিখলেন কিভাবে? আপনি নিশ্চয়ই অনেক শক্ত। সান্ত্বনা দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই। তবু বলি। আল্লাহর কাছে দোয়া করি। তিনি যেন আপনাদের দুই বোনকে জান্নাতে সাক্ষাত করান। পরকালের জীবন ই আসল। একের পর এক আমরা চলে যাব। কেউ ঠেকাতে পারবেনা । আমি আপনি সবাইকে চলে যেতে হবে। এখন আমরা যেটুকু ইবাদত, ভালোকাজ করব,সেটুকুই সঞ্চয়। তাই দুঃখ করে লাভ নেই। দোয়া করি। ভালো থাকুন

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৪৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই