সজিব আকিবের সৌজন্যে (সুত্র: এবং শেষ নবি (অ খাতামান্নাবীন)-১/২
ছালাম।
১. সর্বজন ঘৃণীত/উপেক্ষিত সেই জামিলুল বাসার।
২. আপনার প্রশ্নটি জটিলতর।
৩. ’আল্লাহর বাণী’ কিনা! তা সনাক্ত করার আগে আল্লাহ জ্ঞান বা উপলব্দি য়ো তার ভাষা সম্বন্ধে নিশ্চিত হতেই হবে। অর্থাত আল্লাহময় (রব্বানী, সুত্র: ৩: ৭৯) হতে হবে। এর পূর্বে নিশ্চিত হয়োয়া কিছুতেই সম্ভব নয়।
৪. সে প্রেসিডেন্ট কি না! তা বুঝতে হলে ‘প্রেসিডেন্ট’ সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞান থাকতেই হবে। উপলব্ধি/দেখতে চাইলে ক্ষমতা অর্জন করতে হবে (প্রধানত)।
৫. আনুমানিক ২০ কোটি/৪০/১০ লক্ষ/৬ হাজার/৩ হাজার অথবা দেড় হাজার বছর বয়সের মানুষ সঠিক বাবা/মা’র সঠিক সন্তান কিনা! তা নিশ্চিত হয়োয়ার সুত্র (ডিএনএ/রক্ত পরিক্ষী)মাত্র গতকাল আবিস্কার করলো।
৬. তবুয়ো শতকরা ১ শতাংশ মানুষয়ো নিজের জন্ম সম্বন্ধে সন্দেহ করত পরীক্ষাটি করেনা। সঠিক মা/বাবার সন্তানগণের প্রতি ভালোবাসা/সেবা/যত্ন/ নিরপেক্ষতা/কল্যাণ য়ো ন্যায়-বিচারের পরীক্ষীত স্বভাব/চরিত্রের কারণে ঐ পরীক্ষার আগ্রহ বা প্রয়োজন মনে করে না বা তাদের প্রতি অবিশ্বাসয়ো আসে না।
৭. আপনার ঘরের রেডিয়ো, টিভি সেট বাজে কেন? কারণ হেড অফিসের সেটটির আকর্শণ/বিকর্ষনের টোন আর আপনার ঘরের সেটটির টোন/কম্পন ট্রিলিয়ণভাগ এ্যকুরেট সমান সমান টিউন করার/থাকার কারণে। কথা বলা বা ঘটনা ঘটার সংগে সংগে সৃষ্টি ব্যপীয়া পৌছে যায়। শুনিনা দেখিনা পর্যাপ্ত ব্যাটারী শক্তির অভাবে। কথিত হয় তানসেনের হাতের বেহালা বাজালে তার গাছে লটকানো বেহালাটিয়ো একই কারণে বেজে উঠতো।
৮. তবে সকল জাতির শরিয়তের আল্লাহ কোরানের বর্ণিত আল্লাহ নয়।
৯. আপনি সৃষ্ট স্বীকার করার অর্থই স্রষ্টার স্বীকৃতি; তার ছিলছিলার শেষ নেই; স্রষ্টারো শেষ নেই অসীম, একাকার।
১০. আপনি আপনাকে দেখেন না। দেখেন আপনার দেহটি মাত্র; আপনি বের হয়ে গেলে আপনার দেহটি অচল, পচন শুরু হয়, থাকে না; কিন্তু আপনি থাকেন! দেহ ধারণের আগেয়ো ছিলেন। না থাকলে জন্ম হতেন না। আপন দেহের মধ্যে থেকে আপনাকে যে দেখতে পায় না তার পক্ষে আল্লাহকে অনুভব/উপলব্দি করায়ো অবাস্তব অসম্ভব।
১১. মানুষ বাচে মাত্র ১শ বছর। বাচা উচিত অন্তত ২/১ হাজার বছর। তবেই একজন বৈজ্ঞানিক/দার্শনিক বা আধ্যাত্বিক আল্লাহ সম্বন্ধে উত্তম জ্ঞান দিতে পারতো।
১২. আল্লাহ/উপাস্য না থাকলে জীবের কাছে অতীত, বর্তমান য়ো ভবিষ্যত বলতে কিছু থাকত না। অজানা/ভয় বা উপাসনার/আকাঙখা/আকর্শণ বা চায়োয়া পায়োয়ার কিছুই থাকতো না। ১ মুহুর্ত আগে জানেন না! পর মুহুর্তে কি করবেন বা বলবেন অথবা কি ঘটবে।তাই আপনি ‘বড়ই দূর্বল/অসহায়’ এ কথাটি স্বীকার করার অর্থই শক্তিশালী/পরাক্রমশালী/ অবিনশ্বর য়ো সহায় বলে কিছুর আকাঙখা/আকর্শণ বা প্রার্থনায় আপনি রত/অবিরত স্বীকৃত। (মূখে অস্বীকার করলে কি হবে! না বুঝে স্বীকার করলেই বা কি হবে! উভয়ই সমান)
১৩. ৬ নং এর অনুসরণে: কোরান বা কোন ঐশী গ্রন্থেই মানবজাতির অতীত/বর্তমান য়ো ভবিষ্যতের অবিচার, অকল্যাণ, বিভ্রান্তকর, ক্ষতিকর, মিথ্যা, ভুল, অসামঞ্জস্য, অপ্রাকৃতিক কোন বিষয় নেই, যাতে সন্দেহ করা যায়। অনুবাদ/সংকলণ বিতর্কীত হতে পারে!
১৪. অহি/কোরান আর কোরানগ্রন্থ এক নয়। পবিত্র না হয়োয়া পর্যন্ত অহি/কোরান সন্ধান বা স্পর্ষ করা যায় না; কিন্তু পবিত্র/অপবিত্র কাগজ-কালির লেখা কোরানগ্রন্থের বেলা তা সত্য নয়। ‘হাইড্রোজেন-অক্সিজেন মিশালে পানি হয়’ সুত্রটি যে কালি-কাগজে লেখা সে কাগজ পবিত্র/অপবিত্রের প্রশ্নাতীত। এবং তা হাইড্রোজেন-অক্সিজেন নয়! পানিয়ো নয়।
১৫. যা লিখলাম, বল্লাম, ধারণা করলাম কোরানের আল্লাহ যাবতিয় কল্পনারো উর্ধে।
১৬. Please visit: http://www.youngmuslimsociety.com
বিনীত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

